১০:৪২ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ৪ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ৩১, ২০২২ ৮:২৪ অপরাহ্ন
ভেড়া পালনে খামার ব্যবস্থাপনায় যা জরুরী
প্রাণিসম্পদ

ভেড়া পালনে ঝামেলা কম হওয়াতে এখন বেশির ভাগ মানুষ ভেড়া পালনের দিকে ঝুঁকছেন। এমনিতেই ভেড়ার রোগবালাই অহন্যান্য প্রাণীর চেয়ে খুব কম হয়। এছাড়া ভেড়া পালন ছাগলের চেয়ে সহজ। তবে ‍এর জন্য খামারিদের আরও সচেতনতা এবং ভেড়ার পালনে সার্বিক ব্যবস্থা জানা থাকার দরকার।

ভেড়ার বাসস্থান ও ব্যবস্থাপনা:
ভেড়া পালনের প্রথম এবং প্রধান শর্ত হলো স্বাস্থ্যকর বাসস্থান। আমাদের দেশে যেসব কারণে ভেড়া মৃত্যু হয় তার অনন্য তম কারণ হলো অস্বাস্থ্যকর বাসস্থান। ভেড়ার বসবাসের জন্য এমন জায়গা নির্ধারণ করতে হবে যেখানে আলো বাতাসের পরিমাণ ভালো। তাছাড়া ভেড়ার বাসস্থান তৈরির সময় আমাদের আরও একটি বিষয় খেয়াল রাখা খুব জরুরি আর তাহলো মেঝে কাঁচা বা পাকা যেমনই হোক না কেন সেখানে ভেড়া না রেখে মাচা বা স্লাট এর উপর ভেড়া পালন করা ভালো।

ভেড়া অন্য সকল গৃহপালিত পশুর মত খাদ্যর উচ্ছুষ্টাংশ খেয়ে থাকে। শুকনো খড়, গাছের পাতা লতা, সবুজ ঘাস ইত্যাদি খেয়ে থাকে। তাছাড়া ভেড়া খোলা মাঠে সবুজ ঘাস খেতে ভালোবাসে। ভেড়া একটি তৃণভোজী স্তন্যপায়ী প্রাণি। ভেড়া আঁশ জাতীয় খাদ্য, লতা-পাতা প্রভৃতিকে সহজেই সাধারণ শর্করা তে পরিনত করতে পারে। তাই ভেড়া পালনে খাদ্য খরচ কম।

অন্য সব গৃহপালিত পশুর মত ভেড়া রোগবালাই কম হয়। ভেড়ার স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো নিয়মিত কৃমিনাশক ব্যবহার করা। প্রতি ২/৩ মাস পরপর ভেড়াকে কৃমিনাশক প্রয়োগ করতে হবে। ভেড়ার চর্ম রোগ রক্ষাতে বছরে অন্ততঃ দু’বার ভেড়ার পশম কাটতে হবে এবং গোসল করাতে হবে। তাছাড়াও এন্টরোটক্সিমিয়া, আমাশায়, ধনুষ্টংকার, ক্ষুরা, একথাইমা, পিপিআর, নিউমোনিয়া ইত্যাদি রোগ হতে পারে।

ভেড়ার প্রজনন:
ভেড়া অন্য সকল প্রাণীর মত প্রজননশীল। ভেড়ি সাধারণত ৬-৮ মাসে প্রজননে উপযোগি হয়। পুরুষ ভেড়া ৪-৬ সপ্তাহ বয়সে যৌন পরিপক্কতা লাভ করে। জাত ভেদে ভেড়ি যৌন পরিপক্কতা লাভ করে। ফিনশিপ জাতের ভেড়ি ৩-৪ মাস বয়সে এবং মেরিনো ভেড়ি কোন কোন সময় ১৮-২০ মাস বয়সে পূর্ণতা প্রাপ্ত হয়। ভেড়ার ঋতুচক্র ১৭ দিন পর পর আর্বতিত হয়। গর্ভকাল ৫ মাস। ১০-১২টি ভেড়ির জন্য একটি প্রজননক্ষম পাঠাই যতেষ্ঠ। একটি পাঠাকে ১০০-২০০ বারের বেশি প্রজনন করানো ঠিক নয়। এছাড়া অন্তঃপ্রজনন এড়াতে সময়ে সময়ে নিজের পালের পাঠা বাদ দিয়ে অন্য পাল থেকে পাঠা আনতে হবে।

ভেড়ার বাচ্চার যত্ন ও খাদ্য ব্যবস্থাপনা:
আমাদের দেশে ভেড়ার পরিকল্পিত বাণিজ্যিক খামার নেই। পারিবারিক পর্যায়ে ভেড়া পালন করা হয়। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো ভেড়ার বাচ্চার অধিক মৃত্যুহার। মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধানে দেখা গেছে প্রসবকালীন অব্যবস্থাপনা ও পুষ্টিহীনতা প্রধান। বাচ্চাকে শাল দুধ খাওয়াতে হবে। ভেড়া বাচ্চার আলাদা যত্ন নিতে হবে। প্রসবকালে মা ভেড়িকে পুষ্টিকর খাবার খাওয়াতে হবে।

ভেড়া পালনের উপযোগিতা:
পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে ভেড়া পালন করা হয় প্রধানত মাংস এবং উলের জন্য। কিন্তু আমাদের দেশে ভেড়া পালন করা হয় কোন কিছু চিন্ত্ ন্ করে। তবে বিক্রি করা হয় মাংসের জন্য।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৩১, ২০২২ ৯:৩৮ পূর্বাহ্ন
নতুন খামারিদের যে বিষয়গুলো জেনে রাখা জরুরী
প্রাণিসম্পদ

গরুর খামার লাভজনক হওয়াতে বর্তমানে অনেকে খামারে দিকে ঝুঁকছেন। তবে,ত এই খামার করতে হলে ‍জানা থাকা দরকার অনেকগুলো বিষয়। কারণ নতুন খামারিরা খামার শুরু করতে গিয়ে বেশ কিছু সমস্যার মাঝে পড়েন। যা থেকে উত্তোরণ না হলে খামারে লাভের মুখ দেখা কষ্টকর হয়ে পড়বে তাদের জন্য।

নতুন খামারিদের যে বিষয়গুলো জেনে রাখা জরুরী:
খামার করার আগে ভাবুন সেই কাজটি আপনার জন্য কতটুকু সহনশীল, খামারের প্রতি কতখানি আপনার রুচিবোধ আছে সেই প্রশ্নের উওর খুঁজে বের করুন। উওর “না” আসলে খামার করার দরকার নেই।

খামার করার শুরুতেই নিজে খামারে পরিশ্রম করার চেষ্টা করুন, ৪/৫ টা গরুর জন্য রাখাল রাখার চিন্তা পরিহার করুন। আর রাখাল রেখে খামার করবেন তবে আপনার আয়ের চেয়ে ব্যয় যেনো না হয় সে দিকে নজর দিয়েন। নয়লে ব্যয় বেড়ে যাবে হতাশায় পড়ে যাবেন।

খামার করার আগে নূন্যতম ৩ মাস/ ৬ মাসের ট্রেনিং করুন ও কোন খামারে কিছু দিন সময় দেন অনেক অজানা বিষয় জানা হয়ে যাবে। শুরুতে বেশী দুধের গাভী না নেওয়াই ভালো ১৫–১৬ লিটার দুধের গাভী হলেই ভালো ৩/৬ মাস পালন করলে গাভীর অনেক আনুষাঙ্গিক বিষয় বুঝতে পারবেন তারপর বেশী দুধের গাভী নিয়েন

সততা ও নিষ্ঠার সাথে খামার পরিচালনা করছে এমন কয়েকজন ভালো মনের খামারীর সাথে কথা বলুন তাদের কথা শোনার পর আপনার পরিকল্পনার সাথে মিলান। তখন ঠান্ডা মাথায় আরো একবার ভাবুন তাদের কষ্ট কি আপনি করতে পারবেন কি না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৩০, ২০২২ ৩:৩৮ অপরাহ্ন
রাঙ্গুনিয়ায় বেড়েছে গরু চোরের উপদ্রপ
প্রাণিসম্পদ

রাঙ্গুনিয়ায় বেড়েছে গরু চোরের উপদ্রপ। কয়েক মাস ধরে উপজেলায় প্রতিরাতেই কোনো না কোনো এলাকায় হানা দিচ্ছে সংঘবদ্ধ গরু চোরের দল। কোথাও কোথাও ঘটছে গরু চুরির ঘটনা। কয়েক মাসে ১৬টি গরু চুরি হয়েছে।

রাঙ্গুনিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহবুব মিলকীর জানান, রাঙ্গুনিয়া থানায় গরু চরির একাধিক অভিযোগ পেয়েছি। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা রাতে পুলিশ টহল এবং অভিযান পরিচালনা অব্যাহত রাখছি। বেশ কয়েক জনকে আটক করে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

শনিবার (২৯ অক্টোবর) ভোর রাতে উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের তিন পরিবারে হানা দেয় গরু চোরের দল । এক রাতেই ৩ ব্যক্তির ৬টি গরু চুরির ঘটনা ঘটে।

উপজেলার বেতাগী ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ড আফজাল চৌধুরী বাড়ির মো. বেলাল উদ্দিন, ও তার ভাই নাছির উদ্দিনের ২টি গরু চুরি হয়। একই রাতে পশ্চিম বেতাগী পেয়াদা পাড়ার মো. সেকান্দরের ৪টি গরু চুরি হয়।

গরুর মালিক মো. বেলাল উদ্দিন জানান, তার ৩ সদস্যের একটি পরিবার। ছোট্ট একটি চায়ের দোকান করেই কোনোভাবে সংসার চালান। দোকানের আয়ের একটি অংশ জমা রেখে ক্রয় করেন একটি গরু। সেটা লালন পালন করছিলেন। বড় করে বিক্রি করবেন। কিন্তু এক রাতে সব শেষ।

রাঙ্গুনিয়ায় গবাদিপশু চুরির ঘটনা বিভিন্ন জায়গায় হলে প্রশাসনের তৎপরতা চোখে পড়েনি বলে জানান স্থানীয়ারা। তবে রাঙ্গুনিয়া থানা পুলিশ বলছে গরু চুরি বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের টহল আগের চেয়েও জোরদার করা হয়েছে।

বেতাগী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শফিউল আলম শফি বলেন, গরু চরির ঘটনা যেন রুটিন করে হচ্ছে। কয়েক মাস ধরে বেতাগী ছাড়া রাঙ্গুনিয়ার বিভিন্ন ইউনিয়নে গরু চুরির ঘটনা ঘটছে। এই ভাবে চলতে থাকলে গরু পালন ছেড়ে দেবে গরুর মালিকরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৯, ২০২২ ৩:৪০ অপরাহ্ন
সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ আহরণে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চাই : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ আহরণে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে চান বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শনিবার (২৯ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশের চিংড়ি খাতের রুপান্তরে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের সহায়তায় উইনরক ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ কর্তৃক বাস্তবায়নকৃত সেইফ অ্যাকুয়া ফার্মিং ফর ইকনোমিক অ্যান্ড ট্রেড ইমপ্রুভমেন্ট (সেফটি) প্রকল্পের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ বিষয়ে মন্ত্রী আরও জানান, যে সমুদ্র এলাকায় আমরা সার্বভৌমত্ব পেয়েছি সেখানে বিপুলসংখ্যক মাছ রয়েছে। রয়েছে অপ্রচলিত মৎস্য সম্পদ। সে ক্ষেত্রে আমাদের কর্মযজ্ঞ সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ একশ বছর মেয়াদী ডেল্টা প্ল্যান করেছে। সে ডেল্টা প্ল্যানের বড় একটি অংশ জুড়ে রয়েছে মৎস্য খাত, সমুদ্র ও জলাশয়। সে জায়গায়ও আমাদের কাজ করতে হবে। যুক্তরাষ্ট্র এক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে এবং তাদের অভিজ্ঞতা সমৃদ্ধ। সে অভিজ্ঞতা তারা যেন সম্প্রসারণ করে। বাংলাদেশের মৎস্য খাতে যুক্তরাষ্ট্রের অভিজ্ঞতা আমরা কাজে লাগাতে চাই। আমরা পারস্পরিক অভিজ্ঞতা ও মতামত বিনিময় করতে চাই। যাতে আমরা একসাথে উন্নয়ন করতে পারি।

তিনি আরও জানান, সেফটি প্রকল্পের কার্যক্রম বাংলাদেশের চিংড়ি খাতে ব্যাপক সহযোগিতা দিয়েছে। প্রশিক্ষণ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা কাজে লাগিয়ে মাঠ পর্যায়ের উদ্যোক্তাদের উৎপাদন দ্বিগুণেরও বেশি হচ্ছে। সেফটি প্রকল্পের সহযোগিতার উপর ভর করে আরও সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ব এখন গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত হয়েছে। কাউকে পেছনে রেখে উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের পারস্পরিক সহযোগিতা একের পর এক সম্প্রসারণ হবে বলে প্রত্যাশা থাকবে। আমাদের একসাথে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি বিভাগের সহযোগিতা অবশ্যই প্রশংসনীয়। এ জন্য বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্ট বিভাগকে ধন্যবাদ জানাচ্ছে। এক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সহযোগিতা সম্প্রসারণ আরও প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের সুন্দর ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ রয়েছে। আমাদের মানবসম্পদ অন্য অনেক দেশের তুলনায় ভালো। আমাদের মৎস্য খাতের নির্ধারিত লক্ষ্য পূরণে যুক্তরাষ্ট্রের এ ধরনের সহযোগিতা সম্প্রসারণ অব্যাহত রাখার আহ্বান জানাচ্ছি।

প্রধান অতিথি আরও যোগ করেন, মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদা মেটাতে মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করতে এ খাতের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এ খাতে বড় সুযোগ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বিশ্বের ৫০টির অধিক দেশে বাংলাদেশের মাছ এখন রপ্তানি হচ্ছে। এসব দেশে বাংলাদেশের রপ্তানিকৃত মাছের স্বাদ ও গুণগতমান ভীষণ প্রশংসা অর্জন করছে। মৎস্য খাতে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তা, বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক ও গবেষক, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংস্থা ও বিভিন্ন সংগঠন একসাথে কাজ করায় এ কৃতিত্ব অর্জন সম্ভব হয়েছে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে আমাদের আন্তরিক ও সচেষ্ট হতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমাদের অভিষ্ট ও লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। এ জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। পৃথিবীতে নানা দুর্যোগ আসছে। সাম্প্রতিক সময়ের প্রাকৃতিক দুর্যোগে আমাদের মৎস্য খ্যাত বিভিন্নভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। করোনা কালেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এ সময় মৎস্য খাদ্য উৎপাদন-পরিবহন ও বিদেশে রপ্তানি নানা প্রতিকূলতায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তারপরও দেশের মানুষ অফুরান প্রাণশক্তি দিয়ে কাজ করেছে বিধায় এফএও’ র জরিপে করোনাকালে যে তিনটি রাষ্ট্র মৎস্য উৎপাদনে ভালো করতে পেরেছে তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। মৎস্য উৎপাদনের এ ধারা আমরা অব্যাহত রাখতে চাই।

সম্মিলিতভাবে একটি সুন্দর বিশ্ব নির্মাণ করতে হবে। এ পৃথিবী যত সুন্দর হবে, যত আধুনিক হবে, যত উন্নত হবে সে উন্নয়নের ছোঁয়া সর্বত্র পৌঁছাতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বাস করেন শান্তির বিশ্ব গড়তে হলে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে। শান্তির বিশ্ব ছাড়া অশান্তির বিশ্বে কখনও সমৃদ্ধি আসতে পারে না। আজকের প্রজন্মকে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য শান্তি ও সমৃদ্ধির বিশ্ব রেখে যেতে হবে। সে জন্য একসাথে কাজ করতে হবে- যোগ করেন মন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদ, বাংলাদেশে নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের রাষ্ট্রদূত পিটার ডি হাস, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক এবং যুক্তরাষ্ট্র কৃষি বিভাগ (ইউএসডিএ)-এর আন্তর্জাতিক কর্মসূচি বিশেষজ্ঞ ভিক্টোরিয়া বেকার। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন উইনরক ইন্টারন্যাশনাল এর বাংলাদেশ প্রতিনিধি মেসবাহুল আলম। সেফটি প্রকল্প নিয়ে উপস্থাপন করেন প্রকল্পের প্রধান এস এম শাহীন আনোয়ার।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, ইউএসডিএ এর যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশে নিযুক্ত কর্মকর্তাগণ, সেফটি প্রকল্পের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক ও গবেষক, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধি এবং চিংড়ি খাতের অংশীজনরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৯, ২০২২ ২:৫৯ অপরাহ্ন
গাভীর একাধিক ভ্রুণ উৎপাদন ও প্রতিস্থাপনে সফলতা পেয়েছে বাকৃবির গবেষক দল 
ক্যাম্পাস

সাধারণত মাংস, দুধ উৎপাদন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসহ বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য উন্নয়নের লক্ষ্যে গবাদি পশুর জাত উন্নয়ন করা হয়। বাংলাদেশে গাভীর কৃত্রিম প্রজননে সাধারণত উন্নত গাভীর শুক্রানু ডিম্বানুর সঙ্গে নিষিক্ত করে জাত উন্নয়ন করা হয়।

কিন্তু এ প্রক্রিয়ায় একটি সমস্যা হলো শুক্রাণু দিয়ে গাভীর গর্ভে শুধু একটি বাচ্চা জন্ম দেয়া সম্ভব। এ সমস্যা সমাধানে গাভীর গর্ভে একাধিক ভ্রুণ উৎপাদন এবং তা সংরক্ষণ করে একাধিক গাভীর গর্ভে প্রতিস্থাপনে সফলতা পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক।

গবেষণাটির গবেষক দলের প্রধান হিসেবে ছিলেন বাকৃবির সার্জারি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. নাছরীন সুলতানা জুয়েনা। এছাড়াও গবেষণা প্রকল্পটির সহকারী গবেষক হিসেবে যুক্ত রয়েছেন বাকৃবির মাইক্রোবায়োলজি ও হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মারজিয়া রহমান এবং সদস্য হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদুল আলম। এছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ে অধ্যাপক ড. ফরিদা ইয়াসমীন বারি, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ উদ্দীন ভূঁইয়া, ড. জয়ন্ত ভট্টাচার্য, ডা. জান্নাতুল মাওয়া, ডা. সংগীতা সাহা, ডা. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন গবেষণা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত রয়েছেন।

দ্য অর্গানাইজেশন ফর উইমেন ইন সায়েন্স ফর দ্যা ডেভেলপিং ওয়ার্ল্ড (ওডব্লিউএসডি) এবং ইউনেস্কোর অর্থায়নে ‘বাংলাদেশের দেশি গাভীতে ভ্রুণ স্থানান্তরের পরে প্রাপকের গ্রহণযোগ্যতা এবং গর্ভধারণকে অনুকূল করা’ শীর্ষক সাব-প্রকল্পের অধীনে এ গবেষণাটি পরিচালিত হয়।

গবেষণার প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. নাছরীন সুলতানা জুয়েনা বলেন, স্বল্পতম সময়ে উচ্চ গুণসম্পন্ন অধিক সংখ্যক গবাদি পশুর বাচ্চা উৎপাদন এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে জাত উন্নয়নের মাধ্যমে দ্রুত দুধ ও মাংস উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ গবেষণা করা হয়। সাধারণত গাভী বছরে ১টির মতো বাচ্চা প্রসব করতে পারে।

কিন্তু প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় একটি নির্বাচিত উন্নত জাতের গাভী থেকে প্রজননের মাধ্যমে বছরে ২৫ থেকে ৩০টি উচ্চগুণসম্পন্ন ভ্রুণ উৎপাদন করা সম্ভব এবং যার মাধ্যমে প্রথমবারেই ভ্রুণ প্রতিস্থাপন করে সাধারণ গাভী থেকে উন্নত জাতের বাছুর উৎপাদন করা যেতে পারে। এতে করে একজন খামারি অতি অল্প সময়ে গবাদিপশুর জাত উন্নয়ন করতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, শুক্রানুর তুলনায় ভ্রুণ দীর্ঘদিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। এই পদ্ধতিতে উৎপাদন খরচ তুলনামূলক বেশি হলেও বাড়তি উৎপাদনে অধিক লাভবান হওয়ার সুযোগ থাকবে। প্রান্তিক পর্যায়ে খামারিদের কাছে এই প্রযুক্তিটি পৌঁছে দিলে অধিক মাংস ও দুধ উৎপাদন করে লাভবান হবেন তারা। এছাড়া জৈব নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, পশুর জাত উন্নয়ন ও প্রজননে অক্ষম গাভীর জন্য এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তবে প্রতিস্থাপন পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা নিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এই পদ্ধতিতে যে সকল গবেষণা যন্ত্রাংশ প্রয়োজন তা দেশে অপ্রতুল। এছাড়া মাঠ পর্যায়ে প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাবও রয়েছে। এসব সীমাবদ্ধতা পূরণ করে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব বৃদ্ধিতে প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের সহযোগিতা চান তিনি।

গবেষণা কার্যক্রমটি নিয়ে শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) সকালে ঢাকায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ‘বাংলাদেশে গবাদি পশুর ভ্রুণ উৎপাদন ও স্থানান্তরের সম্ভাবনা’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন কালে এসব কথা বলেন বাকৃবির সার্জারি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. নাছরীন সুলতানা জুয়েনা।

সেমিনারে বাকৃবির ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মকবুল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ভেটেরিনারি এসোসিয়েশনের (বিভিএ) মহাসচিব ডা. মো. হাবিবুর রহমান মোল্লা, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) সভাপতি মশিউর রহমান, দ্যা অর্গানাইজেশন ফর উইমেন ইন সায়েন্স ফর দ্যা ডেভেলপিং ওয়ার্ল্ড (ওডব্লিউএসডি) এর বাংলাদেশ জাতীয় পর্যায়ের সভাপতি ডা. মোছা. মাহবুবা বেগম, বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের (বিভিসি) সভাপতি ডা. মো. মনজুর কাদির এবং বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) মহাপরিচালক ডা. এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা বলেন, ভ্রুণ স্থানান্তর নিয়ে গবেষণাটি বর্তমান সময়ের প্রেক্ষিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগোপযোগী গবেষণা। এ প্রযুক্তি যেন দ্রুতই মাঠ পর্যায়ে ছড়িয়ে দেয়া যায় এ বিষয়ে প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর সবসময় সহযোগিতা করবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৯, ২০২২ ৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
গরুর খামারে চাঙা বিদেশ ফেরত জাকারিয়া!
প্রাণিসম্পদ

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার ধোয়াইল গ্রামের মো. জাকারিয়া হাসান চুন্নু,তিনি  দীর্ঘদিন সৌদি আরবে কাটানোর পর বাড়িতে ফিরে দেন গরুর খামার। এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি তাঁকে। তিন বছরে প্রায় আড়াই শ গরু বিক্রি করেছেন। এ সময় লাভ হয়েছে ১০ লাখ টাকার মতো।

বর্তমানে গো-খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় কিছুটা সমস্যায় পড়েছেন চুন্নু। তিনি জানান, ২০১৯ সালে ৪ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে গরুর খামার দেন তিনি। খামারে এখন তাঁর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৪০ লাখ টাকা।

জানা গেছে, ভাগ্য ফেরাতে ২০০৫ সালে সৌদি যান চুন্নু। ২০১৯ সালে দেশে ফিরে আসেন। দেশে এসে বসে না থেকে শুরু করেন গরুর খামার। বর্তমানে তাঁর খামারে ১২টি এঁড়ে গরু ও দুটি গাভি রয়েছে। এর মধ্যে দুটি এঁড়ে গরু আগামী ঈদে বিক্রি হবে, যার দাম এখনই ৫ লাখ টাকা হয়েছে বলে জানান চুন্নু।

জানা যায়, খামারি চুন্নু গরুকে খাবার দিচ্ছেন। গরুর পাশাপাশি খামারে মুরগি ও ছাগল পালন শুরু করেছেন তিনি। ফাঁকা জায়গায় বিভিন্ন শাকসবজি ও ফলমূলের গাছ লাগিয়েছেন।

চুন্নু জানান, স্বপ্নের এই খামারবাড়ি থেকে আর্থিকভাবে বছরে বেশ আয় হয় তাঁর। তাঁকে দেখে এলাকার তরুণ প্রজন্ম গরু মোটাতাজাকরণ পদ্ধতিতে গরু পালনে ঝুঁকছেন।

মহম্মদপুর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. বিপুল কুমার চক্রবর্তী জানান, জাকারিয়া যুব সমাজের জন্যও আদর্শ হতে পারেন। তিনি খামারে নিত্যনতুন প্রযুক্তির ব্যবহার করে ব্যবসার উন্নতি করছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৮, ২০২২ ৯:৫৯ পূর্বাহ্ন
গরু নিয়ে দুশ্চিন্তায় ঠাকুরগাঁওয়ের খামারিরা
প্রাণিসম্পদ

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রায় দুই শতাধিক খামারে গরু পালন করেন বিভিন্ন পর্যায়ের খামারিরা। সম্প্রতি জেলায় গরুর লাম্পি স্কিন রোগ দেখা দিয়েছে। এতে গরু নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন খামারিরা।

জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নারগুন, সালান্দরসহ বিভিন্ন এলাকায় গরুর শরীরে ভাইরাসজনিত লাম্পি স্কিন রোগ দেখা দিয়েছে। এই রোগে আক্রান্ত গরুর শরীর হঠাৎ গরম হয়ে যায়। প্রথমে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছোট আঁচিলের মতো ফুলে ওঠে। একপর্যায়ে চামড়া উঠে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। এ রোগে আক্রান্ত গরু খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দেয়। আক্রান্ত পশুর চামড়ায় প্রথমে ফোসকা পড়ে। একপর্যায়ে সেই স্থানে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। চিকিৎসা করেও তেমন প্রতিকার পাচ্ছেন না খামারিরা। অনেক সময় মৃত্যু ঘটছে আক্রান্ত গরুর। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন খামারিরা।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের তথ্য মতে, জেলায় ২০৩টি খামারে ২১০০টি গরু লালন-পালন করা হয়। এর মধ্যে সদর উপজেলায় গরুর খামার রয়েছে ৩৭টি, বালিয়াডাঙ্গীতে ১১টি, পীরগঞ্জে ৪৫টি, রাণীশংকৈলে ৯০টি ও হরিপুর উপজেলায় ২০টি গরুর খামার রয়েছে।

সদরের আঁকচা ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া গ্রামের খামারি প্রফুল্ল বর্মন জানান, আমার একটা গরু এ রোগে মারা গেছে। আমি আগে জানতাম না এটা কী রোগ। গ্রামের চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রথমে চিকিৎসা দেই। পরে রোগ সম্পর্কে জানার পর পশু হাসপাতালে নিয়ে যাই। আমার একটা গরু এখন সুস্থতার পথে।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবুল কালাম আজাদ জানান, লাম্পি স্কিন একটি ভাইরাসজনিত রোগ। এ রোগ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। এটি মারাত্মক কোনো রোগ নয়। মশা-মাছিবাহিত এই রোগটি নিয়মিত ওষুধ খাওয়ালে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সেরে যায়। এ বিষয়ে খামারিদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৭, ২০২২ ১০:০০ পূর্বাহ্ন
মিয়ানমার থেকে আনা ৯ গরু-৩ মহিষ জব্দ
প্রাণিসম্পদ

বান্দরবানের পৃথক অভিযান পরিচালনা করে নয়টি গরু ও তিনটি মহিষ জব্দ করেছে লামা থানা পুলিশ।

বুধবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৮টায় লামা উপজেলার শিলেরতুয়া এলাকা থেকে ওয়ারিশবিহীন তিনটি গরু ও তিনটি মহিষ জব্দ করা হয়।

পরে সকাল ১০টার দিকে আবার বেশ কিছু গরু মহিষ মিয়ানমার থেকে আলীকদম হয়ে অবৈধভাবে পাচার হচ্ছে এমন খবরে লামার মুখ এলাকা থেকে আরও ছয়টি গরু জব্দ করা হয়।

লামা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্র্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, আলীকদম উপজেলা থেকে সড়ক ও নৌ-পথে বিভিন্নভাবে চোরা কারবারীরা গরু ও মহিষ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হচ্ছে এমন খবর পাই।

এ তথ্যের ভিত্তিতে আমরা গত কয়েকদিন ধরে অভিযান পরিচালনা করছি। বুধবার সকাল থেকে এ পর্যন্ত পৃথক দুইটি অভিযানে নয়টি গরু এবং তিনটি মহিষ জব্দ করতে সক্ষম হয়েছি।

ওসি আরো জানান, আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশাকরি আরও গরু ও মহিষ জব্দ করা সম্ভব হবে।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. তারিকুর ইসলাম জানান, মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে কয়েকদিন ধরে বান্দরবানের আলীকদমসহ বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে গরু-মহিষ দেশে এনে পাচারের চেষ্টা করছে চোরা কারবারীরা। এসব অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে পুলিশ সজাগ রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৬, ২০২২ ২:৩১ অপরাহ্ন
ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে তৃতীয় ইউকেআরআই জিসিআরএফ ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব অ্যানুয়েল কনফারেন্স, ২০২২
প্রাণিসম্পদ

রেডিসন ব্লু, ঢাকা, ওয়াটার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে তৃতীয় ইউকেআরআই জিসিআরএফ ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব অ্যানুয়েল কনফারেন্স, ২০২২ । ২৫ অক্টোবর শুরু হওয়া এই কনফারেন্স শেষ হবে আগামীকাল ২৭শে অক্টোবর ।

ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব (OHPH) পাঁচ বছর মেয়াদী একটি প্রয়োগিক প্রকল্প যা গ্লোবাল চ্যালেঞ্জ রিসার্চ ফান্ড এর মাধ্যমে ইউকে (যুক্তরাজ্য) রিসার্চ এন্ড ইনোভেশন এর অর্থায়নে ২০১৯ সালে চালু হয়। জনসাধারণের পাশাপাশি প্রাণী স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য, আন্তঃক্ষেত্রসমূহের সহযোগিতা এবং যোগাযোগমূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে ওয়ান হেলথ্ বিষয়ক কার্যক্রম প্রসার লাভ করেছে।এতে অবদানের লক্ষ্যে, সারা বিশ্বে বিভিন্ন সংস্থা এবং প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করে, যেখানে ওয়ান হেলথ্  বাংলাদেশ হাব টিম এর কার্যকরী সহযোগী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এবং অ্যানিমেল সাইন্সেস ইউনিভার্সিটি (সিভাসু), বাংলাদেশ লাইভস্টক রিসার্চ ইন্সটিটিউট (বিএলআরআই) এবং ইন্সটিটিউট অব ইপিডেমিওলজি ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড রিসার্চ (আইইডিসিআর)

ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, মুরগির মাংস এবং ডিম উত্পাদনের চাহিদাকে বৃদ্ধি করছে।দ্রুততার সাথে বাড়তে থাকা পোল্ট্রি শিল্প, জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকির বিভিন্ন কারণ যেমন নতুন রোগের উদ্ভব ও তা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়া সহ বিভিন্ন ধরনের মহামারী এবং অতিরিক্ত এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের কারণে এন্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স এর মতো সমস্যাগুলো তৈরি করছে।

দক্ষিণ এবং দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় বিপদমুক্ত এবং টেকসই পোল্ট্রি উত্পাদন খুবই জরুরি এবং ইউকেআরআই জিসিআরএফ, ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব এর গবেষকবৃন্দ বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলংকা এবং ভিয়েতনামের প্রতিবন্ধকতাসমূহকে চিহ্নিত এবং নতুন কোনো সম্ভাবনাময় উপায়ের পরামর্শ দেয়ার জন্যে কাজ করছেন। যেখানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন রয়্যাল ভেটেরিনারি কলেজ (আরভিসি), যুক্তরাজ্য এবং এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ ও যুক্তরাজ্যে এর সহযোগী সদস্যবৃন্দ।

হাব প্রকল্প ল্যাবরেটরি, ক্লিনিক্যাল, ভেটেরিনারি এবং গবেষকদের একত্রে নিয়ে বিপদমুক্ত খাদ্য উত্পাদনের লক্ষ্যে ওয়ান হেলথ্ এর ভূমিকায় কাজ করছে ।এর গবেষণায় কিভাবে এবং কেনো ক্রমপ্রসারিত পোল্ট্রি উত্পাদন সংক্রামক রোগ বাড়াচ্ছে এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবহার, পদ্ধতি এবং পরিবেশ সমূহের বিষয়ে অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত সচিব ড নাহিদ রশিদ, বাংলাদেশ মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ।ইউকেআরআই জিসিআরএফ, ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব এর পরিচালক প্রফেসর ফিওনা টমলে’র হাব প্রজেক্টের সার্বিক অবস্থার উপস্থাপন এবং নারিশ পোল্ট্রি এবং হ্যাচারি লিমিটেড ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব শামসুল আরেফিন খালেদ এরদক্ষিণ এশিয়ায় পোল্ট্রি উত্পাদন শিল্পের অগ্রগতি, সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জ বিষয়ক প্রধান বক্তব্যের  মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব. ম্যাট ক্যানেল (উন্নয়ন পরিচালক, ব্রিটিশ হাই কমিশান বাংলাদেশ), ড. রশিদ জামান (স্বাস্থ্য সচিব, ব্রিটিশ হাই কমিশান বাংলাদেশ), অধ্যাপক ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ (উপাচার্য, সিভাসু), অধ্যাপক ড. নিতীশ চন্দ্র দেবনাথ (সাবেক উপাচার্য, সিভাসু), ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা (মহাপরিচালক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর), মেজর জেনারেল মোহাম্মদ ইউসুফ (মহাপরিচালক, ওষুধ প্রশাসন), ডা. এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন (মহাপরিচালক, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট), অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির (অতিরিক্ত সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর), এবং মো. জাহিদুল কবির (উপ-প্রধান বন সংরক্ষক)।

দেশি ও বিদেশির গবেষকদের মধ্যে অধ্যাপক ফিওনা টমলে (পরিচালক, ইউকেআরআই জিসিআরএফ, ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব), ড. ড্যান ভিংক (প্রোগ্রাম ম্যানেজার, ইউকেআরআই জিসিআরএফ, ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব), প্রফেসর মোঃ আহসানুল হক (জাতীয় সমন্বায়ক, বাংলাদেশ, ইউকেআরআই জিসিআরএফ, ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব), অধ্যাপক পরিতোষ কুমার বিশ্বাস (সিভাসু)।

৩০ মাস ভার্চুয়াল যোগাযোগের পর সরাসরিভাবে যোগাযোগের জন্যে আয়োজিত এই সম্মেলনটি আয়োজন করা হয়েছে পোল্ট্রির উপর চলমান গবেষণাসমূহ, আসন্ন গবেষণাসমূহের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, হাব গবেষকদের সক্ষমতাবৃদ্ধি, এবং হাব প্রকল্পের অর্জিত প্রভাব বিষয়ে যৌক্তিক এবং গভীর আলোচনা পর্ব নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ইউকেআরআই জিসিআরএফ ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব এর প্রথম অ্যানুয়েল কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছিল ভারতের গুজরাট শহরে তবে কোভিড মহামারীর কারণে দ্বিতীয় কনফারেন্সটি অনলাইনেই সম্পন্ন করা হয়

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৫, ২০২২ ৪:০৪ অপরাহ্ন
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে ৫২ জনের চাকরির সুযোগ
চাকুরির খবর

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অধীন ‘একটি এপিডিমিওলজি সেল ও ২৪টি কোয়ারেন্টিন স্টেশন’–এর জন্য অস্থায়ী রাজস্ব খাতে সৃজনকৃত একাধিক পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে । এই প্রতিষ্ঠানে ৫২ জন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

১. পদের নাম: ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ান
পদসংখ্যা: ২৪
যোগ্যতা: বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি বা সমমান পাস।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

২. পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদসংখ্যা: ২৩
যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস। কম্পিউটার ব্যবহারসংক্রান্ত ওয়ার্ড প্রসেসিং, ডেটা এন্ট্রি ও টাইপিং ইত্যাদির সর্বনিম্ন গতি বাংলায় প্রতি মিনিটে সর্বনিম্ন ২০ শব্দ ও ইংরেজিতে সর্বনিম্ন ২০ শব্দ থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

৩. পদের নাম: ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট
পদসংখ্যা: ৫
যোগ্যতা: অস্টম শ্রেণি পাসসহ দুই বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা (গ্রেড-২০)

বয়সসীমা

প্রার্থীর বয়স ২০২০ সালের ২৫ মার্চ ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে এতিম, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য। বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর।

আবেদন যেভাবে

আগ্রহী প্রার্থীদের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের চাকরিসংক্রান্ত ওয়েবসাইটের এই লিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আবেদনপদ্ধতি, ফি জমাদান, শর্তাবলি ও নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এই লিংকে পাওয়া যাবে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ০৮/০৯/২০১৯ তারিখের নম্বর–৩৩.০১.০০০০.১০১.১১.৮৭৫.১৯-২২৬২ সংখ্যক স্মারকে জারিকৃত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী যেসব প্রার্থী আবেদন করেছেন, তাঁদের নতুন করে আবেদন করার প্রয়োজন নেই ।

আবেদন ফি

পরীক্ষার ফি বাবদ বাংলাদেশ ব্যাংক/সোনালী ব্যাংক লিমিটেড থেকে ১ ও ২ নম্বর পদের জন্য ২০০ টাকা এবং ৩ নম্বর পদের জন্য ১০০ টাকা অফেরতযোগ্য মূল্যমানের ট্রেজারি চালান মহাপরিচালক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ, ঢাকা বরাবরে ১-৪৪৪১-০০০০-২০৩১ কোডে জমা দিতে হবে। ট্রেজারি চালানের নম্বর, তারিখ, ব্যাংকের নাম ও ঠিকানা অনলাইনে পূরণ করে ট্রেজারি চালানের স্ক্যান কপি আবেদনে সংযুক্ত করতে হবে।

আবেদনের সময়সীমা: আবেদন চলছে। ২৮ অক্টোবর ২০২২, বেলা তিনটা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন আগ্রহীরা।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop