৯:১৭ অপরাহ্ন

রবিবার, ২৬ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুন ৩০, ২০২২ ১১:২১ পূর্বাহ্ন
মোহনপুরে প্রাকৃতিকভাবে গরু হৃষ্টপুষ্টকরণে ব্যস্ত কৃষকরা
প্রাণিসম্পদ

রাজশাহীর মোহনপুরে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে প্রাকৃতিক উপায়ে গরু মোটাতাজাকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। প্রাকৃতিক উপায়ে হৃষ্টপুষ্টকরণ করায় এই অঞ্চলের গরুর চাহিদাও অনেক বেশি। এবার বাজারে গরুর ব্যাপক চাহিদা থাকায় গরুর খাবারের দাম কিছুটা বেশি হলেও ভারত থেকে গরু না আসলে লাভবান হবেন বলে জানিয়েছেন খামারিরা।

উপজেলায় বিভিন্ন খামার ঘুরে দেখা যায়, পরম যত্নে গরুগুলোর প্রতিনিয়ত দেখভাল করছেন খামারিরা। কারণ কোরবানির হাটে যে গরু দেখতে যতো আকর্ষণীয় হবে, তার দামও হবে ততো বেশি। তাই গরু খাদ্য তালিকাটাও বেশ সমৃদ্ধ। গরু হৃষ্টপুষ্টকরণ করতে ঘাসের পাশাপাশি দেয়া হচ্ছে প্রাকৃতিক খাবার খৈল, ভূষি, চাউলের খুদ ও খড়।

উপজেলার ময়ার মোড় গ্রামের খামারি সাইদুল ইসলাম জানান, গত ঈদে ১৬টি গরু মোটাতাজা করে প্রায় দেড় লাখ টাকার মতো লাভ করেছিলেন। এ বছর কুরবানি উপলক্ষে গত ৫-৬ মাস থেকে ১২টি গরু ২টি মহিষ মোটাতাজা করছি।

এবার গরুর খাবারের দাম ও ঔষুধের দাম অনেক বেশি। অসাধু পন্থা অবলম্বন না করে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিকভাবে কাঁচা ঘাস, খড়, গম, বুট, খুদের ভাত, খৈল-ভুষি খাইয়ে যতটুকু মোটাতাজা করার দরকার নিখুঁত খাদ্য অনুযায়ী এ পর্যন্ত করতে পারছি। যদি ভারতীয় গরু না আসে তাহলে লাভ থাকবে। অন্যথায় লোকসান হওয়া আশঙ্কা করছি।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, ঈদকে সামনে রেখে এই উপজেলায় ৬টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌরসভায় ৫২৫৭ খামারে গরু ১৮৫২৬, ছাগল ৩৬০৭২, ভেড়া ৩৬৫৬ মোটাতাজাকরণ করা হচ্ছে।

মোহনপুর উপজেলা অতিরিক্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: বিল্লাল হোসেন বলেন, উপজেলার বেশিরভাগ মানুষ কৃষি ও পশুপালনে নিয়োজিত রয়েছেন। প্রাণী সম্পদ অফিস থেকে আগ্রহী ব্যক্তিদের প্রশিক্ষণ ও প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করা হয়েছে। এ কারণে এবার উপজেলায় কুরবানির চাহিদার থেকে বেশি পশু প্রস্তুত হয়েছে।

ভারতীয় গরু আমদানি বন্ধ রাখতে পারলে কৃষক ও খামারিরা ন্যায্য মূল্যে কুরবানি পশু সরবরাহ করতে পারবেন। খামারিদের প্রাকৃতিকভাবে মোটাতাজাকরণ করতে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। কোনো খামারি যেন স্টেরয়েড বা ক্ষতিকারক ইনজেকশনের মাধ্যমে পশু হৃষ্টপুষ্ট করতে না পারে সে বিষয়ে সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে। যদি কোন খামারি ও ঔষধ বিক্রেতা এর সাথে জড়িত থাকে তাহলে তাদের তথ্য-প্রমাণ পেলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৩০, ২০২২ ১১:১১ পূর্বাহ্ন
কুরবানির জন্য সুস্থ গরু চেনার উপায়
প্রাণিসম্পদ

কুরবানি দিবেন, অথচ গরু সুস্থ হবে না এটা কি মানা যায়! তাই সুস্থ গরু সবারই চাই। এজন্য আপনাকে কতগুলো বিষয় নজরে নিয়ে গরু নির্বাচন করতে হবে। আজকের লেখায় থাকছে এমন কিছু।

কুরবানির জন্য সুস্থ গরু চেনার উপায়:
সুস্থ গরুর প্রথম বৈশিষ্ট্য হলো গরুটি সচেতন থাকবে। লেজ দিয়ে মশা-মাছি তাড়াবে, আশপাশে মানুষের উপস্থিতি বুঝতে পারবে এবং এ সময় সে নড়ে উঠবে।

গরুর নাক শুকনা থাকবে। অর্থাৎ নাক দিয়ে পানি পড়বে না। তবে নাকের নিচের অংশ (ঠোঁটের উপর কালো অংশ) ভেজা ভেজা থাকবে।

সুস্থ গরুর অন্যতম বৈশিষ্ট হলো জাবর কাটা। অনেকক্ষণ জাবর না-কাটলে সেই গরুর নানান সমস্যা আছে ধরে নিতে হবে।
গরুর গায়ের লোম মসৃণ এবং উজ্জ্বল থাকবে। লোম খাড়া থাকবে না আবার একদম ভাঙাও থাকবে না। পেছনে গোবর লেগে থাকবে না। যদি পাতলা গোবর লেগে থাকে তবে গরুর পেটে সমস্যা রয়েছে বুঝতে হবে।

গরুর মুখ দিয়ে লালা পড়বে না। আমরা অনেক সময় দেখি দূর থেকে ট্রাকে গরু অনার কারণে লালা পড়ে। গরু যথেষ্ট বিশ্রাম পাওয়ার পরও লালা ঝরছে কিনা লক্ষ্য রাখতে হবে। অনেক সময় গরুর মুখে ঘা থাকতে পারে, কিংবা দুই পায়ের চিপায় ঘা থাকতে পারে- এসব ব্যাপার খেয়াল রাখতে হবে।

স্বাভাবিকভাবে গরু শ্বাস-প্রশ্বাস নেবে। আপনি সেটা বুঝবেন না। শ্বাস-প্রশ্বাসের সময় শরীর ওঠা-নামা করলে বুঝতে হবে সেই গরুর সমস্যা আছে। স্বাভাবিক অবস্থায় গরু মিনিটে ১৫-১৬ বার শ্বাস-প্রশ্বাস নেয়।

গরুর পায়ের পেছনের মাংস চাপ দিয়ে দেখতে হবে কত দ্রুত স্বাভাবিক হচ্ছে। যদি দ্রুত স্বাভাবিক হয় তবে সমস্যা নেই। দ্রুত স্বাভাবিক না-হলে অর্থাৎ মাংস দেবে থাকলে সমস্যা।

থার্মোমিটার দিয়ে গরুর তাপমাত্রা পরীক্ষা করতে হবে। তাপমাত্রা ১০১ ডিগ্রি থাকতে হবে। পায়ুপথে থার্মোমিটার ঢুকিয়ে এক মিনিট রেখে গরুর গায়ে বা চামড়ায় চেপে ধরলেই তাপমাত্রা পরীক্ষা করা যাবে।

বিষয়গুলো বলেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি সায়েন্সের ডিন, ডা. মো. মকবুল হোসেন, একই বিভাগের প্রফেসর ডা. ফরিদা ইয়াসমিন বারি, ড. একেএম আনিসুর রহমান

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৯, ২০২২ ৪:১২ অপরাহ্ন
স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহের মৃত্যুতে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর শোক
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি নির্মল রঞ্জন গুহের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি ।

সিঙ্গাপুরে মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার সকাল সাড়ে ১০টায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।

বুধবার সকালে সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক একেএম আফজালুর রহমান বাবু মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গুরুতর অসুস্থ অবস্থায় গত ১২ জুন রাতে রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে ভর্তি করা হয় নির্মল রঞ্জন গুহকে। এরপরই তাকে নেওয়া হয় লাইফ সাপোর্টে। উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৬ জুন দুপুরে তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেওয়া হয়। এরপর থেকে সেখানেই চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৯, ২০২২ ১:২৩ অপরাহ্ন
সাত লাখ কোরবানির পশু নিয়ে প্রস্তুত পাবনার খামারিরা
প্রাণিসম্পদ

সামনের মাসেই পবিত্র কোরবানীর ঈদ। সারাদেশে পশুর হাটগুলোতে চলছে জোর প্রস্তুতি।

সারাদেশে কোরবানীর পশুর জন্য সুনাম রয়েছে পাবনার। স্থানীয়দের চাহিদা মিটিয়ে পাবনার পশু সরবরাহ হয়ে থাকে সারাদেশে।

পবিত্র ঈদ উল-আযহাকে সামনে রেখে এ বছরও বিপুলসংখ্যক পশু কোরবানীর জন্য প্রস্তুত করেছেন জেলার খামারীরা। জেলার ২৪ হাজার খামারে প্রায় ৭ লাখ কোরবানীর পশু প্রস্তুত রয়েছে এবারের ঈদ উপলক্ষে। পাবনা জেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

পাবনা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. কৃষ্ণ মোহন হাওলাদার বলেন, জেলায় চলতি বছরে প্রায় ২৪ হাজার খামারে প্রায় ৭ লাখ কোরবানীর পশু প্রস্তুত রয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ ৭৭ হাজার গরু ও মহিষ আর ৩ লাখ ৭১ হাজার ছাগল-ভেড়া।

জেলাতে সব মিলিয়ে ৩ লাখ কোরবানীর পশুর চাহিদা রয়েছে। আর সাড়ে ৩ লাখ পশু বিভিন্ন জেলার বিভিন্ন প্রান্তে সরবরাহ হবে। বিগত দুই বছর অনলাইনে পশু কেনাবেচা হলে এই বছরে করোনার সংক্রমণ কম থাকায় হাটবাজারে পশু বিক্রি বেশি হবে বলে মনে করছেন জেলা প্রাণিসম্পদ এই কর্মকর্তা।

কোরবানীর পশুর জন্য ক্রেতাদের অন্যতম ভরসার নাম পাবনা অঞ্চল। সেই ধারাবাহিকতায় এ বছরও কোরবানীর ঈদের চমক নিয়ে হাজির হয়েছেন পাবনার তরুণ অনেক পশু খামারী। ‘পাবনার বাদশা’ ‘স্বপ্নরাজ’ বিভিন্ন নামে বিশাল আকৃতির ষাঁড় নিয়ে পাবনা অঞ্চলের মান রেখেছেন খামারীরা। ষাঁড়গুলো দেখার জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ক্রেতারা আসছেন।
ঈদের আগেই পছন্দের বেশিরভাগ পশু খামার থেকে কিনে নিয়েছেন দেশের ধর্ণাঢ্য ব্যবসায়ীরা। এক খামারে রয়েছে বিশাল আকৃতির বাদশার ওজন প্রায় সাড়ে ৩২ মণ। গরুটির জন্য চাওয়া হয়েছে ২০ লাখ টাকা। পাবনার খামারে ব্রাহামা, অস্ট্রেলিয়ান ছাড়াও শাহীয়াল, ফিজিয়াম, ভুটান থেকে আনা ছোট ভুট্টি জাতের গরু রয়েছে।

গরুর পাশাপাশি বিভিন্ন জাতের খাসিও রাখা হয়েছে এ তালিকায়। মূলত ঈদের পর সারাদেশ ঘুরে বিভিন্ন জাতের গরু সংগ্রহ করে রাখা হয়। বেপারী বা ক্রেতারা খামারে এসে পছন্দ করে গরু কিনছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৯, ২০২২ ১:১৪ অপরাহ্ন
দেশি জাতের গরু চেনার উপায়
প্রাণিসম্পদ

দেশে দিন দিন দেশি জাতের গরুর জনপ্রিয়তা বাড়ছে। ফলে দেশি জাত কিভাবে চেনা যায়, সে প্রশ্ন অনেকের।

সাধারণত দেশি জাতের গরুর শরীরে বিদেশি জাত বা শংকর জাতের চেয়ে চর্বি কম থাকে। দেশি গরু আকারও কিছুটা ছোট হয়। মাংসে স্বাদ বেশি হয়, কিন্তু দুধের পরিমাণ বিদেশি গরুর তুলনায় কম হয়।

শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানিম্যাল নিউট্রিশন, জেনেটিক্স ও ব্রিডিং বিভাগের অধ্যাপক লামইয়া আসাদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, দেশি গরু চেনার উপায় হচ্ছে দেশি জাতের গরুর চামড়া শক্ত থাকে। এছাড়া এর কুঁজ থাকে এবং গলার নিচে চামড়ার ভাঁজ কম থাকে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কৃত্রিম প্রজনন বিভাগের পরিচালক ডা. ভবতোষ কান্তি সরকার গণমাধ্যমকে বলেছেন, দেশি জাতের যেসব গরু বাজারে জনপ্রিয়, তার মধ্যে মুন্সিগঞ্জের মীরকাদিম, চট্টগ্রাম ও এর আশেপাশের এলাকার আরসিসি, পাবনা ক্যাটল, সিরাজগঞ্জের ব্রিড নামে পরিচিত গরুগুলো উল্লেখযোগ্য।

পাবনা ক্যাটল

এটি পাবনা ব্রিড নামেও পরিচিত। এই জাতের গরুর বড় অংশটির রং সাদা বা সাদা মেশানো ছাই রং। এছাড়া লাল, ধূসর বা মিশ্র বর্ণেরও হয় এসব গরু। দেশীয় আবহাওয়া সহনশীল এসব গরু পালনে খাবার কম লাগে।

দেশের জাতীয় তথ্য বাতায়নে পাবনা ক্যাটল সম্পর্কে বলা হয়েছে, পাবনার চলনবিল সংলগ্ন এলাকায় এই গরুর বাস। এটি খর্বকায় মানে বেশি বড় আকৃতির নয়। এদের স্বাস্থ্য সুঠাম, রোগব্যাধি কম হয়। এটি ঘাস খায়, এর বাইরে অন্য ধরনের খাবার কমই দিতে হয়। দেশে দুধের উৎপাদন বাড়াতে ফ্রিজিয়ান গরুর সাথে এর কৃত্রিম প্রজনন করা হচ্ছে গত কয়েক বছর ধরে।

সিরাজগঞ্জ ব্রিড

এই জাতের গরু মূলত পদ্মাপারের কয়েকটি জেলায় হয়ে থাকে। এই জাতের গরুর সঙ্গে পাবনা ক্যাটলের সাদৃশ্য রয়েছে। তবে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেছেন, এটি পাবনা ক্যাটলের চেয়ে আকারে কিছুটা বড় হয়। এর কুঁজ উঁচু ও বলিষ্ঠ হয়।

এসব জাত ছাড়াও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মাংসের চাহিদা মাথায় রেখে শাহীওয়াল এবং ব্রাহমা জাতের গরুর সাথে সংকরায়ন করে আরো কিছু জাতের প্রজনন ঘটানো হয়েছে, যেগুলো কোরবানির পশুর হাটে ক্রেতাদের মন জয় করেছে।

মীরকাদিমের ধবল গাই

এটি আকারে সাধারণ গরুর চেয়ে বড়। এটি সাধারণত সাদা রংয়ের হয়। কখনো এর সঙ্গে তার গায়ে অল্প ছাই রং বা কালোর ছোপ থাকতে পারে। মীরকাদিমের গরুর মাংসে আঁশ কম থাকে, এর হাড় চিকন হয়। ফলে মাংস হয় নরম ও তেলতেলে।

এটি পালন সহজ, মানে খাবারের খরচ কম। খৈল, গম, মসুর ডালের ভুসি এবং ভুট্টা গুঁড়ার মত খাবার দিয়ে পালন করা যায়।

আরসিসি বা রেড চিটাগাং ক্যাটল

এই গরুর গায়ের রং লাল। এর ক্ষুরা মানে পায়ের রংও লাল। এটি আকারে বেশি বড় হয় না। এর কুঁজ ছোট আকারের হবে। এই গরু পালনে খাবার কম লাগে। দেশি আবহাওয়া সহনশীল বলে খামারিদের কাছে বেশ জনপ্রিয় এই গরু। মূলত এই জাত চট্টগ্রাম এবং এর আশেপাশের জেলায় বেশি উৎপাদন হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৮, ২০২২ ৪:৩১ অপরাহ্ন
কাঁঠালিয়ায় ছাগলের ঘর, খাদ্য ও ওষুধ বিতরণ
প্রাণিসম্পদ

ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় ‘দেশীয় মাছ রক্ষা করি, বিকল্প পেশায় আয় করি’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জেলেদের মধ্যে বৈধ জাল এবং বিকল্প কর্মসংস্থানের জন্য ছাগল, ছাগলের ঘর, খাদ্য ও ছাগলের ওষুধ বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার উপজেলা পরিষদ চত্বরে উপজেলা মৎস্য বিভাগের আয়োজনে দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগী ১৫ জনের মধ্যে ৩০টি ছাগল বিতরণ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার সুফল চন্দ্র গোলদারের সভাপতিত্বে বিতরণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. এমাদুল হক মনির।

বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা মৎস্য অফিসার রিপন কান্তি ঘোষ ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. হাবিবুর রহমান উজির সিকদার, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার এসএম দেলোয়ার হোসেন।

বক্তব্য রাখেন ইউপি চেয়ারম্যান মাহমুদুল হক নাহিদ সিকদার, উপজেলা নির্বাচন অফিসার রুবায়েত হোসেন, আইসিটি অফিসার অতনু কিশোর দাস মুন, প্রেস ক্লাবের সভাপতি সিকদার মো. কাজল ও সিনিয়র সহসভাপতি ফারুক হোসেন খান প্রমুখ।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৭, ২০২২ ১২:০২ অপরাহ্ন
চুয়াডাঙ্গায় অজ্ঞাত রোগে হাঁস-মুরগির মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে অজ্ঞাত রোগে হাঁস-মুরগির মৃত্যু বেড়েছে। এক সপ্তাহে উপজেলার বাঁকা ও সীমান্ত ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামে শতাধিক হাঁস-মুরগি মারা গেছে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সন্ধ্যায় সুস্থ হাঁস-মুরগি ঘরে তোলার পর সকালে মৃত অবস্থায় পাওয়া যাচ্ছে। তাই অনেকে আবার হাঁস-মুরগি অসুস্থ বুঝলেই জবাই করছে।

বাঁকা গ্রামের বাসিন্দা শাহানারা বলেন, ‘গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সুস্থ অবস্থায় মুরগি ঘরে তুলেছিলাম। সকালে দেখি দুটি মুরগি মারা গেছে। এ ছাড়া কয়েক দিনে বেশ কয়েকটি হাঁস মারা গেছে। এরপর গত কয়েক দিন সব সময় হাঁস-মুরগির খেয়াল রাখা শুরু করি। অসুস্থ অবস্থায় চারটি মুরগি জবাই করেছি।’

একই এলাকার বাসিন্দা কুলসুম বেগম বলেন, ‘হঠাৎ অসুস্থ হওয়ায় ৫টি হাঁস ও একটি মুরগি জবাই করেছি। এ ছাড়া গত কয়েক দিনে দুটি মুরগি মারা গেছে। হাঁসগুলোর কয়েক দিন ধরে খাবার খেতে পারছিল না। ডানা বাঁকা হয়ে যাচ্ছিল। সঙ্গে দ্রুত ওজন কমে যাচ্ছিল।’

শাখারিয়া গ্রামের নিহা বলেন, ‘আমার ছোট চাচির তিনটি মুরগি অসুস্থ হয়েছে মারা গেছে। আমরা এখন সব সময় হাঁস-মুরগির খেয়াল রাখার চেষ্টা করছি।’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে জীবননগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (অতিরিক্ত দায়িত্ব) মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘সঠিক সময় হাঁস-মুরগির টিকা না দিলে এসব রোগ দেখা দেয়। এ জন্য আমরা সবাইকে টিকা দেওয়ার জন্য বলি। আমরা ইতিমধ্যে মৃত একটি মুরগি সংগ্রহ করেছি।

এটা পরীক্ষার পর বলতে পারবে কী কারণে মুরগির মৃত্যু হচ্ছে।’ তিনি আরও বলেন, ধারণা করছি হাঁসগুলো ডাক প্লেগে আক্রান্ত হয়েছিল। দ্রুত এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান মোস্তাফিজুর রহমান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৭, ২০২২ ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন
খুলনায় খামারগুলোতে কোরবানির গরু বেচা-কেনা শুরু
প্রাণিসম্পদ

কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন খুলনার খামারিরা। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত ব্যস্ত গরুর পরিচর্যায়। এদিকে এবার খুলনায় আগেই কোরবানির গরু কেনাবেচা শুরু হয়ে গেছে। জেলার প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে খামারিরা বিভিন্ন সাইজের পশু সংগ্রহ করে এনেছেন। তবে গতবারের তুলনায় এবার গরুর দাম চড়া।

কারণ হিসেবে খামারিরা বলছেন, পরিবহন ও গোখাদ্যের দাম বাড়তি হওয়ায় মূলত পশুর দাম চড়া। নগরীর নিরালা সবুজবাগ এলাকায় রয়েছে কয়েকটি গরুর খামার। ঐ সব খামারে বর্তমানে গড়ে উঠেছে ছোটখাটো হাট। খামার মালিকরা জেলার গ্রামাঞ্চল ঘুরে সংগ্রহ করছেন বিভিন্ন প্রকারের পশু। ইতিমধ্যে সংগ্রহকৃত অনেক গরু বিক্রিও হয়ে গেছে।

ঢাকা এবং চট্টগ্রাম থেকে ক্রেতারা এসে খামার থেকে আগেভাহেই গরু কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। নিরালা সবুজবাগের জমজম অ্যাগ্রোর ম্যানেজার মো. ইকরাম হোসেন বলেন, ‘এবার কোরবানিযোগ্য ২২টি গরুর মধ্যে ২০টি গরু বিক্রি হয়ে গেছে। ঢাকা ও চট্টগামের ক্রেতারা গরুগুলো কিনে নিয়ে গেছেন।’ নগরীর নিরালা সবুজবাগের একটি ফার্মে সোনাডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা শামসুল আলমের সঙ্গে কথা হয়।

তিনি বলেন, ‘হাটে ঘোরাঘুরির চেয়ে খামার থেকে গরু কেনা ভালো। তবে খামারিরা গতবারের চেয়ে এবার চড়া দাম চাইছেন। খামারগুলো ঘুরে দেখে পছন্দমতো গরু দেখেই কিনব।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৬, ২০২২ ৫:৩০ অপরাহ্ন
প্রাণিসম্পদ খাতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি আন্তরিকভাবে গ্রহণ করবে সরকার : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন,
প্রাণিসম্পদ খাতে পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি ও অন্যান্য প্রক্রিয়া সরকার আন্তরিকভাবে গ্রহণ করবে। এক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদে প্রযুক্তির সাথে সাধারণ জনগণকে অভ্যস্ত করতে ও সচেতনতা সৃষ্টিতে বিশ্বব্যাংক ও অন্যান্য উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতা প্রয়োজন। বাংলাদেশের জনসাধারণ প্রাণিসম্পদ খাতে যেকোন প্রযুক্তিগত উন্নয়নকে সাদরে গ্রহণ করবে এবং সে প্রযুক্তি তারা ব্যবহার করবে।

রবিবার (২৬ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্লিন অ্যান্ড এনার্জি ইফিসিয়েন্ট কুলিং ফর লাইভস্টক সাপ্লাই চেইন ইন বাংলাদেশ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এ সময় তিনি বলেন, বাংলাদেশ গতিশীলভাবে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের প্রতিটি খাতে আমূল পরিবর্তন ঘটছে। বিশেষ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের বৈপ্লবিক পরিবর্তন সারাবিশ্বের বিশেষ নজরে এসেছে। প্রতিবেশী দেশসহ বিশ্বের অনেক দেশের সাথে তুলনামূলক বিচারে এ খাতে আমাদের অর্জন অসাধারণ। এ কারণে বিশ্বব্যাংকসহ অনেক আন্তর্জাতিক সংস্থা এ খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ করছে। দেশীয় বিশেষজ্ঞদের আন্তরিক প্রচেষ্টায় ও সাধারণ মানুষের অবদানে ইতোমধ্যে এ খাতের বিভিন্ন ক্ষেত্রে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন আন্তর্জাতিক মহলের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে। এখন বিশ্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে বলা হয় উন্নয়নের জাদুকর। এখন‌ শুধু উন্নয়ন নয় বরং টেকসই উন্নয়ন প্রয়োজন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তাঁর সরকার টেকসই ও পরিবেশবান্ধব উন্নয়নের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, জলবায়ু পরিবর্তন ও অন্যান্য প্রাকৃতিক দুর্যোগ বাংলাদেশের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। অথচ আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য দায়ী নই। আমাদের দিক থেকে কোন ত্রুটি না থাকলেও আমরা জলবায়ু পরিবর্তনের ভোগান্তির শিকার।

এ কারণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বশেষ আন্তর্জাতিক জলবায়ু সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং ক্ষতিগ্রস্ত দেশসমূহের পুনর্বাসন ও সহায়তার সুনির্দিষ্ট প্রস্তাবনা তুলে ধরেছেন।

মন্ত্রী আরও যোগ করেন, প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে বর্তমান সরকার এবং দেশের কারিগরি বিশেষজ্ঞগণের নিরলস প্রচেষ্টা রয়েছে। এ ধারাবাহিকতায় পোল্ট্রি ও ডেইরি উন্নয়ন বোর্ড গঠনসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্তৃপক্ষ গঠন ও এ সংক্রান্ত আইন প্রণয়নের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন। এ খাতের সত্যিকার উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সবধরণের চাহিদা সরকার পূরণ করবে।

বিশ্ব এখন গ্লোবাল ভিলেজে পরিণত হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী এ সময় আরও বলেন, বিশ্বের সবার কল্যাণ সমন্বিতভাবে নিশ্চিত করতে হবে। একটি দেশ উন্নত করে অপর একটি দেশকে অনুন্নত রেখে কোনভাবেই ধরিত্রীর সব মানুষের সমৃদ্ধি আনয়ন সম্ভব নয়।

বাংলাদেশের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের বিজ্ঞানীরা তাদের গবেষণা ও অন্যান্য খাতে অসাধারণ সাফল্য দেখাতে সক্ষম হয়েছে। উন্নয়নের প্রক্রিয়া সীমিত পর্যায়ে সীমাবদ্ধ না রেখে প্রান্তিক পর্যায়ে আমরা ছড়িয়ে দিতে চাই। প্রান্তিক পর্যায়ে প্রযুক্তি ছড়িয়ে দিতে না পারলে সেটা কোন কাজে আসবে না। সরকারের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদার সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী।

স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মো. আব্দুর রহিম।

কর্মশালায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্বব্যাংকের পরামর্শক সিদ্দিকা ভূঁইয়া মিশু। বাংলাদেশের ডেইরি খাতে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যক্রম উপস্থাপন করেন সংশ্লিষ্ট প্রকল্পের প্রধান কারিগরি সমন্বয়ক ড. মো. গোলাম রব্বানী।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, বিশ্বব্যাংকের সিনিয়র এগ্রিকালচার ইকোনমিস্ট ক্রিশ্চিয়ান বার্জার, মন্ত্রণালয় ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকবৃন্দ এবং প্রাণিসম্পদ খাতের উদ্যোক্তা ও খামারিগণ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৬, ২০২২ ৪:১৫ অপরাহ্ন
গরু পালনে খামারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যা করবেন
প্রাণিসম্পদ

আমাদের দেশে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ব্যাপকহারে গরু পালন করা হয়ে থাকে। গরু পালনের মাধ্যমে অনেকেই হয়েছেন স্বাবলম্বী। একটি খামার মানসম্মত ভাবে, সঠিক উপায়ে, লাভজনক ভাবে এবং সফলতার সঙ্গে পরিচালনা করার নামই খামার ব্যাবস্থাপনা। গরু পালনে লাভবান হওয়ার জন্য যথাযতভাবে খামার ব্যবস্থাপনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

খামারের জন্য স্থান নির্বাচনঃ
আমরা পরিবার ভিত্তিক ক্ষুদ্র খামার স্থাপনের জন্য আমাদের বাড়ির অ-ব্যবহারিত স্থান বেছে নিতে পারি। এ স্থানটি সাধারনতঃ বাড়ীর পুর্ব অথ বা পশ্চিম দিকে হলে ভাল হয়। সর্ব মোট ১০ টি গরুর জন্য ৩০০ বর্গ ফুট জায়গার প্রয়োজন। গরুর ঘর থেকে ২০/২৫ ফুট দূরে একটি ছোট ডোবা থাকবে যাতে সেখানে গরুর মল-মূত্র ফেলা যায়। এ ছাড়া মল মুত্র থেকে জৈব সার ও বায়ো গ্যাস উৎপাদনের জন্য বায়ো গ্যাস প্লান্ট স্থাপন করে লাভজনক ভাবে খামারের বর্জ ব্যবস্থাপনা করা যায়।

গরুর শেড নির্মানঃ
একটি পুর্ন বয়স্ক গরুর জন্য সর্ব সাকুল্যে ২৮-৩০ বর্গ ফুট জায়গার প্রয়োজন হয়। এ হিসেবেই প্রয়োজনীয় সংখ্যক গরুর জন্য শেড নির্মান করতে হবে। গরুর শেড পূর্ব – পশ্চিমে লম্বা হলে ভাল হয়। শেডের ফ্লোর, খাবার পাত্র, পানিরপাত্র ইত্যাদি পাকা হওয়া প্রয়োজন। উপরে টিন অথবা ছনের ছাউনি দেওয়া যেতে পারে। শেডের নিকটস্থ গাছ ও ডালপালা কেটে ফেলে পর্যাপ্ত আলো বাতাসের ব্যবস্থা করতে হবে। শেডে পানীয় জলের সরবরাহ ও পয়ঃনিস্কাশনের ব্যাবস্থা থাকতে হবে। খামারের চারপাশে উচু মজবুত বেষ্টনী তৈরী করতে হবে যাতে চোরের হাত থেকে খামারের গরু ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিষ-পত্র রক্ষা করা যায়।

খামারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাঃ
গোবর গবাদি পশু থেকে পাওয়া একটি অর্থকরী সম্পদ। গোবর থেকে আমরা বায়ো গ্যাস ও জৈব সার উৎপাদন করতে পারি যা থেকে জ্বালানী ও ফসলি জমির উৎকৃ্ষ্ট সারের চাহিদা পুরন করা সম্ভব। এ ছাড়া , মাছের জলজ খাদ্য উৎপাদনে পুকুরে গোবর ব্যবহার করা হয়।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop