৩:২৯ পূর্বাহ্ন

সোমবার, ২৭ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুন ১৫, ২০২২ ৮:২৯ অপরাহ্ন
প্রাণিসম্পদ খাত উন্নয়নে কাজ করছে এসিআই এনিমেল জেনেটিক্স – ড. এফ এইচ আনসারী
এগ্রিবিজনেস

ডিম আর মাংস উৎপাদনে আজ বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ। দুধ উৎপাদনে আমরা অনেক দূর এগিয়েছি, আরও এগোতে হবে। এর জন্য বাংলাদেশে রয়েছে অপার সম্ভাবনা। আর এর জন্য দরকার প্রয়োজনীয় কিছু উদ্যোগ যেমন, দুধ ও মাংস উৎপাদনশীলতার জন্য দরকার গবাদিপশুর জাতের দ্রুত উন্নয়ন বলে মন্তব্য করেন এসিআই এনিমেল এর প্রেসিডেন্ট ড. এফ এইচ আনসারী

আজ বুধবার (১৫ জুন) গাজীপুরের শ্রীপুরে এসিআই এনিমেল জেনেটিক্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন তিনি।

এসময় এসিআই এনিমেল এর প্রেসিডেন্ট ড. এফ এইচ আনসারী আরও বলেন, গবাদিপশুর জাতের দ্রুত উন্নয়নের জন্য উন্নতমানের পশুখাদ্যের পাশাপাশি দরকার উপযুক্ত ব্যবস্থাপনা ও চিকিৎসা। আর এসিআই এনিমেল জেনেটিক্স এই সেক্টরগুলোতে আগামীতে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে এর মান আরও বৃদ্ধির কাজ করবে বলে জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, আজকে খুব আনন্দের সংবাদ হলো তরুণ প্রজন্ম প্রাণিসম্পদ সেক্টরে কাজ করার জন্য এগিয়ে আসছে। আর এক্ষেত্রে দেখা যায় অনেক সময় তারা উন্নত মানের বকনা বা ষাঁড় যোগাড় করতে পারে না। তাদের জন্য আমরা দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে উন্নতমানের কিন্তু অনাদরে পড়ে থাকা ষাঁড় এনে বিতরণ করবো।

আরও পড়ুন: সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তারা প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করছে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

ড. এফ এইচ আনসারী বলেন, দীর্ঘদিন যাবৎ এসিআই প্রাণিসম্পদ এর সুরক্ষা ও উন্নয়নের জন্য নিবেদিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। গবাদিপশুর খাদ্য ও পুষ্টি, চিকিৎসা ও প্রতিশেধক, খামার ব্যবস্থাপনা সামগ্রী, আধুনীক প্রযুক্তি সম্বলিত যন্ত্রপাতি সরবরাহ করাসহ নানাবিধ কাজ করে আসছে যা আরও বৃদ্ধি করা হবে। যাতে করে প্রাণিসম্পদ খাতে ‍আরও দ্রুত উন্নয় সম্ভব হয়।

এসিআই এনিমেল জেনেটিক্স এর এই ‍উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন, গাজীপুর ৩ আসনের সংসদ ইকবাল হোসেন সবুজ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা, শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম, গাজীপুরের কালীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারজানা ইয়াসমিন, শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হুমায়ুন কবির হিমু ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, এসিআই লিমিটেডের কর্মকর্তাগণ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং প্রাণিসম্পদ খাতের উদ্যোক্তা ও খামারিগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৫, ২০২২ ৫:০৬ অপরাহ্ন
সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তারা প্রাণিসম্পদ খাতকে সমৃদ্ধ করছে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি উদ্যোক্তারা দেশের প্রাণিসম্পদ খাতকে বৈজ্ঞানিক প্রক্রিয়ায় এবং বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে সমৃদ্ধ করছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (১৫ জুন) গাজীপুরের শ্রীপুরে এসিআই এনিমেল জেনেটিক্স রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা জানান।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, কৃষিপ্রধান বাংলাদেশে কৃষির বিস্তার না হলে দেশ থমকে যাবে। সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসায় বাংলাদেশ মাছ, মাংস ও ডিমে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছে। অদূর ভবিষ্যতে দুধেও স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করবে। এটা সম্ভব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কারণে। তাঁর সরকার মনে করে মানুষের পাশে দাঁড়াতে হবে, তাদের সাহায্য করতে হবে। তারা স্বাবলম্বী হলে দেশ স্বাবলম্বী হবে।

তিনি আরও বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতের খামারিদের সরকার সব ধরনের সহযোগিতা করছে। সরকার চায় প্রাণী খাদ্য, মাছের খাদ্য দেশে উৎপাদন হোক। এক্ষেত্রে এসিআই এর মত অন্যান্য বেসরকারি খাতকেও এগিয়ে আসতে হবে। এসিআই কৃত্রিম প্রজননের সিমেন সংগ্রহ, সংরক্ষণ ও খামারিদের সরবরাহ করছে।
কৃত্রিম প্রজননের সুবিধা নেয়া খামারিদের যেন কষ্ট না হয়, সেটা এসিআইকে লক্ষ্য রাখার জন্য এস আহ্বান জানান মন্ত্রী।

তিনি আরও যোগ করেন, বর্তমান সরকার বেসরকারি খাতবান্ধব সরকার। দেশে ও দেশের বাইরে থেকে যারা বিনিয়োগ করতে চান তাদের জন্য সরকার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অপ্রতিরোধ্য গতিতে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এখন মানুষের জীবন মানের উন্নয়ন হয়েছে। অথচ একটা মহল আছে যারা এদেশের ভালো দেখলে তাদের ভালো লাগে না। তারা পদ্মা সেতু নিয়েও অপপ্রচার করছে। উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পাশে দাঁড়াতে হবে। শেখ হাসিনার পাশে দাঁড়ালে দেশ সমৃদ্ধ হবে। বেসরকারি শিল্প প্রতিষ্ঠান আরও বিকশিত হবে। সবার মুখে হাসি ফুটবে। এ ধারা অব্যাহত রাখতে আগুন সন্ত্রাসী, পেট্রোল সন্ত্রাসী এবং দেশ ধ্বংসের রাজনীতি যারা করে তাদের থেকে দূরে থাকতে হবে।

এসিআই এনিমেলের প্রেসিডেন্ট ড. ফা হ আনসারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা। শ্রীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তরিকুল ইসলাম, গাজীপুরের কালীগঞ্জ সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ফারজানা ইয়াসমিন, শ্রীপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হুমায়ুন কবির হিমু এসময় বক্তব্য প্রদান করেন। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, এসিআই লিমিটেডের কর্মকর্তাগণ, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং প্রাণিসম্পদ খাতের উদ্যোক্তা ও খামারিগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে কোরবানির পশু সংক্রান্ত সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, প্রাণিসম্পদের উৎপাদনে বাংলাদেশে একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। আমরা এখন স্বয়ংসম্পূর্ণ। কোরবানির জন্য থেকে ভারত, মিয়ানমার বা কোন দেশ থেকে একটা পশুও আনার দরকার নেই। পর্যাপ্ত পশু দেশে আছে। বিদেশ থেকে অবৈধপথেও যাতে পশু আসতে না পারে সে ব্যাপারে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। কোরবানির পশু নিয়ে সংশয়ের কোনো কারণ নেই। দেশে উৎপাদিত পশুই কোরবানির জন্য যথেষ্ট। প্রাণিসম্পদ উৎপাদনের এ গর্বের জায়গা আমরা কোনভাবে নষ্ট হতে দেবো না। বাইরে থেকে কোন পশু আসবেনা, দেশে উৎপাদিত পশুই আমাদের জন্য যথেষ্ট।

সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদে অভাবনীয় সাফল্যের জায়গায় এসেছে। এই খাতে সরকারের অনেকগুলো গবেষণা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসিআইসহ অন্যান্য বেসরকারি খাতকেও সরকার সবসময় উৎসাহিত করছে। বেসরকারি খাত কৃত্রিম প্রজননের জন্য বাইরে থেকে উন্নত জাতের পশু আমদানি করছে, ল্যাবরেটরি স্থাপন করছে। কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে উৎপাদিত উন্নত জাতের পশু থেকে মাংস ও দুধ বেশি উৎপাদন করা সম্ভব হবে। সরকার চায় এ কার্যক্রম সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে। তৃণমূল পর্যায়ে এ খাতের উৎপাদন বাড়াতে মানসম্পন্ন সিমেন উৎপাদন প্রয়োজন, কৃত্রিম প্রজননের বৈজ্ঞানিক প্রয়োগ প্রয়োজন। সরকারের পাশাপাশি এসিআই এর এ ধরণের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণ করা দরকার ।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, কোরবানির সময় প্রতিটি হাট তদারকির জন্য ভেটেরিনারি ডাক্তার থাকবে। হাটে তারা অত্যাধুনিক পদ্ধতিতে গবাদিপশুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবেন। রোগ সংক্রমিত কোন পশু বা মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর ইনজেকশন দেওয়া পশু হাটে আসলে সেটি সনাক্ত করা সম্ভব হবে।

গোখাদ্যের জন্য বিদেশের উপর নির্ভরশীল থাকলে এগিয়ে যাওয়া কঠিন উল্লেখ করে এ সময় মন্ত্রী বলেন, গোখাদ্যের জন্য বিদেশ নির্ভরতা কমাতে হবে। সরকার চায় গোখাদ্য উৎপাদনে বাংলাদেশে শিল্প স্থাপন হোক। এ শিল্প স্থাপনে কর অব্যাহতিসহ সরকার নানা সুযোগ-সুবিধা দেবে। পাশাপাশি কেউ কৃত্রিম সংকট তৈরি করলেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।

উৎপাদন বাড়লে এবং ব্যবসায়ীরা কম মুনাফা করলে মাংসের দাম কমবে বলেও এ সময় মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

এর আগে এসিআই এর জেনেটিক্স ল্যাব ও ব্রিডিং স্টেশন পরিদর্শন করেন মন্ত্রী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৫, ২০২২ ১১:২০ পূর্বাহ্ন
দেশে গরুর সংখ্যা বেড়েছে ৪০ লাখ আর ছাগল বেড়েছে প্রায় ৬১ লাখ
প্রাণিসম্পদ

দেশে গরুর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৪০ লাখ এবং ৬১ লাখের বেশি ছাগল বেড়েছে।

২০২০ সালে করা কৃষিশুমারির প্রাথমিক ফল নিজেদের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)।

বিবিএসের শুমারি অনুযায়ী, দেশে এখন গরুর সংখ্যা দুই কোটি ৪০ লাখ ১৪ হাজার ১৪৪। ২০০৮ সালে এই সংখ্যা ছিল দুই কোটি ৫৭ হাজার ৮৫৩। এক যুগের ব্যবধানে গরুর সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ৪০ লাখ। অন্যদিকে দেশে বর্তমানে ছাগলের সংখ্যা এক কোটি ৬২ লাখ ৯৫ হাজার ২০০। এক যুগ আগে ছাগলের সংখ্যা ছিল এক কোটি এক লাখ ৫৯ হাজার ৫০৯।

গরু-ছাগল ছাড়াও বিবিএসের ওই প্রতিবেদনে ভেড়া ও মহিষের হিসাবও দেওয়া হয়েছে। ২০০৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত ভেড়ার সংখ্যা প্রায় তিন গুণ বেড়ে ১৩ লাখ ৪১ হাজার ৬১৯টি হয়েছে। ২০০৮ সালে এই সংখ্যা ছিল চার লাখ ৭৮ হাজার ১৭। অন্যদিকে মহিষের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় দুই লাখ। দেশে এখন ছয় লাখ ২৯ হাজার ৬৪০টি মহিষ আছে। ২০০৮ সালে এই সংখ্যা ছিল চার লাখ ৩১ হাজারের মতো।

এক যুগের ব্যবধানে হাঁস-মুরগিসহ বিভিন্ন ধরনের পাখি পালনও ব্যাপকভাবে বেড়েছে। দেশে ১৪ কোটির বেশি দেশি ও ব্রয়লার মুরগি আছে। হাঁস আছে প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি। এক যুগের ব্যবধানে হাঁসের সংখ্যা বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে।

অন্যদিকে মাছ চাষেও ব্যাপক আগ্রহ বেড়েছে। একই সময়ের ব্যবধানে মাছ চাষের জলাশয়ের পরিমাণ দ্বিগুণের বেশি হয়েছে।

শুমারির ফল অনুযায়ী, ২০২০ সালে দেশে প্রায় ১১ লাখ একর জলাশয়ে মাছ চাষ হয়েছে। এক যুগ আগে সোয়া পাঁচ লাখ একর জলাশয়ে মাছ চাষ হতো।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৪, ২০২২ ৩:৩৬ অপরাহ্ন
এক নারী রেসার কবুতরের দাম ১৬ কোটি ৪১ লাখ! 
পাঁচমিশালি

নিউ কিম নামে বেলজিয়ামের এক নারী ‘রেসার কবুতর’ অনলাইন নিলামে রেডর্ক ১ দশমিক ৬ ইউরোতে বিক্রি হয়েছে। যার বাংলাদেশি মুদ্রায় দাম ১৬ কোটি  ৪১ লাখ ৩ হাজার ৫৬ টাকা। কবুতরটিকে কিনেছেন রহস্যময় চীনা এক নাগরিক।

বেলজিয়ামের নিলাম হাউস পিপাতে দু’সপ্তাতশহ ধরে চলা নিলামের শেষ ৩০মিনিটে সুপার ডুপার এবং হিটম্যান ছদ্মনামের দুই চীনা ক্রেতা দাম বাড়িয়ে দেন।

গত ২ নভেম্বর নিউ কিমের নিলামে দাম শুরু হয় ২০০ ইউরো দিয়ে। তবে ৯০ মিনিটের মধ্যেই দক্ষিণ আফ্রিকার একটি গ্রুপ ১ দশমিক ৩১ মিলিয়ন ইউরো দাম করে। এরপর রোববার চীনের দুই সম্পদশালী কবুতরটির দাম নিয়ে প্রতিযোগিতায় নামেন।

অবশেষে নিলামে জিতে ‘সুপার ডুপার’ পাখিটি কিনে নেন। তবে চীনের এক শিল্পপতি যার আর্মান্ডো নামে একটি পুরুষ কবুতরও রয়েছে। ওই কবুতরটি তিনি লুইস হেমিলটন প্রতিযোগিতা ব্যবহার করেছেন। গত বছর কবুতরটি ১ দশমিক ২৫  মিলিয়ন ইউরোতে তিনি বিডারদের কাছ থেকে কিনেছিলেন। নিউ কিমও হয়ত তার কাছেই যাবে।

এদিকে এত দাম পেয়ে কবুতরের মালিক তো মহাখুশি। মালিক কার্ট ভ্যান ডি ওয়েভর জানান, তিনি রীতিমত অবাক, ভাবতেই পারেননি এত দাম পাবেন।

পিআইপিএর প্রধান নির্বাহী ও প্রতিষ্ঠাতা নিকোলাস গিজেলব্রেক্ট জানান, এই দাম অবিশ্বাস্য। সাধারণত পুরুষ কবুতরের থেকে নারী কবুতরের দাম অনেক কম হয়।

নিউ কিমের বয়স দুই বছর। ২০১৮ সালে রেস প্রতিযোগিতা অংশ নেয়। বেলজিয়ামের সেরা ‘তরুণ পাখি’র খেতাব অর্জন করে।

সূত্র:স্কাই নিউজ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৪, ২০২২ ১২:৪০ অপরাহ্ন
কোরবানির ঈদ সামনে রেখে গরু মোটাতাজায় ব্যস্ত খামারীরা
প্রাণিসম্পদ

সামনে ঈদুল আজহা। তাই প্রতি বছরের মতো এবারও নরসিংদীর খামারিরা কোরবানি উপলক্ষ্যে সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে গরু মোটাতাজা করছেন। অবৈধ পথে ভারত থেকে গরু আমদানি না হলে, লাভবান হওয়ার আশা খামারিদের। এদিকে পশু মোটাতাজাকরণে ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার বন্ধে খামারগুলোতে নিয়মিত মনিটরিং করা হচ্ছে বলে জানান জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা।

কোরবানি ঈদ সামনে তাই গরুর যত্নে ব্যস্ত নরসিংদীর খামারিরা। এসব গরু এক বছর আগে দেশের বিভিন্ন হাট থেকে কিনে লালনপালন শুরু করেন তারা। দেশীয় পদ্ধতিতে মোটাতাজাকরণ করায় এ অঞ্চলের গরুর চাহিদা বেশি।

খামারিরা জানান, এ বছর পশুখাদ্যের দাম বেশি হওয়ায় গরু পালনে খরচ বেড়েছে কয়েক গুণ। ঈদের আগে দেশের বাজারে ভারতীয় গরু প্রবেশে কঠোর নজরদারির দাবি তাদের।

এদিকে পশু মোটাতাজাকরণে ক্ষতিকর ওষুধ ব্যবহার বন্ধে মাঠ পর্যায়ে তদারকির কথা জানালেন প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. হাবিবুর রহমান খান।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর আট হাজার খামারি দেশীয় পদ্ধতিতে প্রায় ৬৫ হাজার পশু মোটাতাজা করছেন। এতে ১৯০ কোটি টাকা ব্যবসার আশা তাদের।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১২, ২০২২ ৩:০০ অপরাহ্ন
কোরবানির আগেই গরুর হাটে অস্বস্তি
প্রাণিসম্পদ

খামারিরা বলেন, গরুর খাবারের দাম বেশি। তাও লাভ তুলতে বেড়েছে গরুর দাম। আগে এক বস্তা ভুসির দাম ছিল ১ হাজার টাকা। এখন দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার থেকে আড়াই হাজার টাকা।
তবে প্রান্তিক খামারিরা বলছেন, হাটে প্রত্যাশিত দাম পাচ্ছেন না। তারা বলেন, ‘আমরা যারা ছোট খামারি তারা ন্যায্যমূল্যে গরু বিক্রি করতে পারছি না। গরুর যা দাম বলছে, তাতে লাভ হবে বলে মনে হচ্ছে না।’
ভারতীয় গরু আমদানি বন্ধ হওয়ায় গবাদিপশুতে স্বয়ংসম্পূর্ণতা এসেছে। প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের দাবি, অবৈধ গরু আসা ঠেকানো গেলে লাভবান হবেন প্রান্তিক চাষিরা।
 
এ বছর কোরবানির লক্ষ্যে জেলার প্রায় ৪৬ হাজার খামারি আড়াই লাখের বেশি গরু-মহিষ লালন-পালন করেছেন। 
শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১১, ২০২২ ৫:০৪ অপরাহ্ন
পদ্মা সেতুর মাধ্যমে অর্থনীতির নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

পদ্মা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে অর্থনীতির নতুন দ্বার উন্মোচিত হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শনিবার (১১ জুন) রাজধানীর ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির নসরুল হামিদ মিলনায়তনে পদ্মা সেতু: দক্ষিণাঞ্চলের স্বপ্ন বুনন শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। বরিশাল ডিভিশনাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন, ঢাকা এ সেমিনার আয়োজন করে।

এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু নির্মাণের মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের সুখের দ্বার উন্মোচিত হয়েছে। এ সেতুর মাধ্যমে আমাদের অর্থনীতির চাকা সচল হবে। দক্ষিণাঞ্চলে শিল্প গড়ে উঠেবে, শিল্পের সাথে সাথে টাউনশিপ গড়ে উঠেবে। পদ্মা সেতু শুধু সেতু নয়, এটি আমাদের বঞ্চনার পরিসমাপ্তির উপাখ্যান। পদ্মা সেতুর সঙ্গে রেল সংযোগ স্থাপন এ অঞ্চলে রেল যোগাযোগ না থাকার বিদ্রূপের পরিসমাপ্তি।

তিনি আরও বলেন, পদ্মা সেতুর সফল বাস্তবায়নের কারণে আমাদের জিডিপিতে ১ দশমিক ২৩ শতাংশ উত্তরণ ঘটবে। আঞ্চলিক জিডিপির ২ দশমিক ৩ শতাংশ উন্নয়ন ঘটবে। পদ্মার অপর পাড়ে কৃষিজ সামগ্রী তথা পেয়ারা, আমড়া, মাল্টা, শাকসবজি, মাছ এগুলোর প্রক্রিয়াকরণ শিল্প এতদিন গড়ে উঠেনি। যাতায়াত ব্যবস্থার সংকটের কারণে দক্ষিণাঞ্চলে কেউ শিল্প স্থাপনে যেতে চাইত না। অনেক সম্ভাবনা থাকার পরও দক্ষিণাঞ্চলে এতদিন কিছুই গড়ে উঠেনি। এখন পদ্মা সেতুর কারণে দেশের দক্ষিণাঞ্চল ট্রান্স এশিয়ান হাইওয়ে এবং ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের সাথে যুক্ত হবে। এর ফলে ভারত, ভুটান ও নেপালের সঙ্গে আমাদের সরাসরি যোগাযোগ হবে। এসব দেশে রপ্তানির সুযোগ তৈরি হবে। ফরিদপুর, শরীয়তপুর, মাদারীপুর ও বৃহত্তর বরিশালের অনেক শিল্প স্থাপনের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

তিনি আরও যোগ করেন, পদ্মায় একটি ব্রীজের প্রয়োজনীয়তা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর জাপান সফরকালে তাদের বলেছিলেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর নির্মম হত্যাকাণ্ডের কারণে এটি আর আলোর মুখ দেখেনি। পরবর্তীতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন, তারপর নির্মাণ কাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এর পূর্বে ও পরে অনেক প্রক্রিয়া রয়েছে। কিন্তু পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ বাস্তবায়নের জন্য বাস্তবসম্মত পদক্ষেপ নেয়ার সময় প্রচন্ড ঝড় এসেছে। বিশ্ব ব্যাংক টাকা বরাদ্দ না হওয়া সত্বেও বলেছে এখানে দুর্নীতি হয়েছে। বেগম খালেদা জিয়া ওয়াশিংটন টাইমসে আর্টিকেলে দুর্নীতির অভিযোগ সাপোর্ট করে বলেছেন এটা না করাই উত্তম। কানাডার কোর্ট মামলার জাজমেন্ট দিয়ে বলল মুখরোচক কথা শোনা ছাড়া অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই এবং যে অভিযোগের ভিত্তিতে মামলাটি, তা গালগল্প মনে হচ্ছে। অথচ এ গালগল্পের ভিত্তিতেই পদ্মা সেতু প্রকল্পে অর্থায়ন বন্ধ হয়ে গিয়েছিল। তখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন নিজের টাকায় আমরা পদ্মা সেতু করব। পদ্মা সেতু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দৃঢ়তা, আত্মবিশ্বাস এবং সততার বিজয় গাঁথা।

মন্ত্রী বলেন, পদ্মা সেতু নিয়ে নোংরা রাজনীতি, খারাপ চর্চা এখনও চলছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর পদ্মা সেতুকে অপ্রয়োজনীয় বলেছেন। তিনি বলেছেন এত টাকা ব্যয়ে এখানে সেতু করার দরকার ছিল না। সাম্প্রতিক সময়ে তিনি ভিত্তিপ্রস্তর নিয়েও প্রশ্ন তুলছেন। এটা অসুস্থ রাজনীতির পরিচয়। সরকারের কাজের গঠনমূলক সমালোচনা হতে পারে কিন্তু ভালোকে ভালোই বলবো না, এভাবে সবকিছুর বিরোধিতার প্রবণতা রাজনীতির জন্য সুখকর নয়।

পদ্মা সেতু নিয়ে সমালোচনার জবাবে এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, পদ্মা সেতুর মত ভূপেন হাজারিকা সেতু দোতলা সেতু নয়। পদ্মা সেতু যতটা প্রশস্ত ভূপেন হাজারিকা সেতু ততটা প্রশস্ত নয়। বিশ্বের অন্যতম খরস্রোতা ও অস্থিতিশীল নদী পদ্মার বুকে সেতু নির্মাণের প্রকৌশলগত চ্যালেঞ্জ ভূপেন হাজারিকা সেতুর চেয়ে অনেক বেশি ছিল। পদ্মা সেতুর জমি অধিগ্রহণের জন্য ব্যয়িত তিনগুণ অর্থ ভূপেন হাজারিকা সেতুতে ব্যয় করতে হয় নি। বিশ্বের সর্বোচ্চ মানের যন্ত্রপাতি পদ্মা সেতুতে ব্যবহার করা হয়েছে। পদ্মা সেতু নিয়ে বিএনপির অবস্থা হয়েছে, যারে দেখতে নারি তার চলন বাঁকা। যারা উন্নয়ন পরিপন্থী, যারা দেশকে অস্থিতিশীল করতে চায় তাদের পক্ষে না থেকে পদ্মা সেতুর মাধ্যমে দক্ষিণাঞ্চলের স্বপ্ন বুননের কারিগর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাথে থাকতে হব।

বরিশাল ডিভিশনাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি তারিকুল ইসলাম মাসুমের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মাহবুব সৈকতের সঞ্চালনায় সেমিনারে সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রী এম এ মান্নান এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক এমপি, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য সৈয়দা রুবিনা আক্তার এমপি, এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এস এম পারভেজ তমাল, বরগুনা পৌরসভার মেয়র কামরুল আহসান মহারাজ ও এফবিসিসিআইয়ের পরিচালক নিজাম উদ্দিন। ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি নজরুল ইসলাম মিঠু, সাধারণ সম্পাদক নূরুল ইসলাম হাসিব, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি মানিক লাল ঘোষসহ বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ সেমিনারে বক্তব্য প্রদান করেন।

সেমিনারে ‘পদ্মা সেতু: যা সেতুর চেয়েও বড়’ শিরোনামে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকল্যাণ গবেষণা ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক তৌহিদুল হক।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১০, ২০২২ ৪:৩৬ অপরাহ্ন
গরু মোটাতাজা করতে খামারিদের করণীয়
কৃষি বিভাগ

গরু পালন লাভজনক হওয়াতে এখন আমাদের দেশের অনেকেই গরুর খামার করার প্রতি ঝুঁকছেন। তবে, এই গরু যদি হয় আরেকটু মোটাতাজা তাহলে আর কথা ই নাই। আর এর জন্য দরকার গরুর সুষম খাদ্য। আর সুষম খাদ্য প্রয়োগে আপনি আরো লাভবান হতে পারেন গরু পালনে।

খামারে গরু মোটাতাজাকরণে যেসকল আমিষ খাবার আপনার গরুকে খাওয়াবেন:

শুকনা খড়: ২ বছর বয়সের গরুর জন্য দৈহিক ওজনের শতকরা ৩ ভাগ এবং এর অধিক বয়সের গরুর জন্য শতকরা ২ ভাগ শুকনা খড় ২ থেকে ৩ ইঞ্চি করে কেটে এক রাত লালীগুড়-চিটাগুড় মিশ্রিত পানিতে ভিজিয়ে সরবরাহ করতে হবে।

কাঁচা ঘাস: গরুকে প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ কেজি কাঁচা ঘাস বা শস্য জাতীয় তাজা উদ্ভিদের উপজাত দ্রব্য যেমন- নেপিয়ার, পারা, জার্মান, দেশজ মাটি কলাই, খেসারি, দুর্বা ইত্যাদি খাওয়াতে হবে।

দানাদার খাদ্য: গরুকে প্রত্যেক দিন কমপক্ষে ১ থেকে ২ কেজি দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে হবে। নিচে ১০০ কেজি দানাদার খাদ্যের তালিকা দেয়া হলো- গম ভাঙা-গমের ভুসি ৪০ কেজি চালের কুঁড়া ২৩.৫ কেজি খেসারি বা যে কোনো ডালের ভুসি ১৫ কেজি তিলের খৈল-সরিষার খৈল ২০ কেজি লবণ ১.৫ কেজি। উল্লিখিত তালিকা ছাড়াও বাজারে প্রাপ্ত ভিটামিন মিনারেল মিশ্রণ ১% হারে খাওয়াতে হবে।

১৫০ কেজি ওজনের গবাদিপশুর খাদ্য তালিকা: খড় = ৩ কেজি কাঁচা ঘাস = ৫-৬ কেজি দানাদার খাদ্যের মিশ্রন = ১.৫-২ কেজি চিটাগুড় = ৫০০ গ্রাম ইউরিয়া = ৪৫ গ্রাম (নিয়মানুয়ায়ী) লবন = ৩৫ গ্রাম।

১০০ কেজি দৈহিক ওজনের গবাদিপশুর খাদ্য তালিকা: ধানের খড় = ২ কেজি সবুজ ঘাস = ২ কেজি (ঘাস না থাকলে খড় ব্যবহার করতে হবে দানদার খাদ্যে মিশ্রন = ১.২-২.৫ কেজি ইউরিয়া = ৩৫ গ্রাম (নিয়মানুযায়ী) চিটাগুড়া = ২০০-৪০০ গ্রাম লবণ = ২৫ গ্রাম দানাদার খাদ্যের সাথে লবন, ইউরিয়া, চিটাগুড় এক সাথে মিশিয়ে দিনে ২ বার দিতে হবে। ধানের খড় এবং কাঁচা ঘাস ছোট ছোট করে কেটে এক সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ালে ভালো ফল পাওয়া যায়।

কৃমিমুক্তকরণ ও টিকা প্রদান: গরুকে ডাক্তারের নির্দেশনা মত কৃমির ওষুধ খাওয়াতে হবে। নতুন গরু সংগ্রহের পর পরই পালের সব গরুকে একসঙ্গে কৃমিমুক্ত করা উচিত। এক্ষেত্রে প্রতি ৭৫ কেজি দৈহিক ওজনের জন্য ১ টি করে এনডেক্স বা এন্টিওয়ার্ম ট্যাবলেট ব্যবহার করা যেতে পারে।

পূর্ব থেকে টিকা না দেয়া থাকলে খামারে আনার পর পরই সব গরুকে তড়কা, বাদলা ও ক্ষুরা রোগের টিকা দিতে হবে। এ ব্যাপারে নিকটস্থ পশু হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।

ঘর তৈরি ও আবাসন ব্যবস্থাপনা: আমদের দেশের অধিকাংশ খামারী ২/৩ টি পশু মোটাতাজা করে থাকে, যার জন্য সাধারণত আধুনিক শেড করার প্রয়োজন পড়ে না। তবে যে ধরনের ঘরেই গরু রাখা হোক, ঘরের মধ্যে পর্যন্ত আলো ও বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা থাকতে হবে। ঘরের মল- মূত্র ও অন্যান্য আবর্জনা যাতে সহজেই পরিষ্কার করা যায়, সে দিকে খেয়াল রেখে ঘরে তৈরি করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১০, ২০২২ ৩:১৩ অপরাহ্ন
গরু ও ভেড়া ঢেকুর মালিককে দিতে হবে কর
পাঁচমিশালি

গরু ও ভেড়া ঢেকুর তুললে মালিককে এর জন্য দিতে হবে কর। এমন এক নিয়ম চালুর পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে নিউজিল্যান্ড। জলবায়ু পরিবর্তনের জন্য ক্ষতিকর গ্রিনহাউজ গ্যাস মিথেন নিঃসরণ কমাতে এ পরিকল্পনা নিয়েছে দেশটি। এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।

প্রতিবেদনে বলা হয়, নিউজিল্যান্ডই প্রথম দেশ যারা কৃষকদের পালন করা প্রাণী থেকে মিথেন নিঃসরণের জন্য কর আরোপের এমন পদক্ষেপ নিচ্ছে। ৫০ লাখ মানুষের দেশ নিউজিল্যান্ডে গরু-ছাগলের সংখ্যা ১ কোটি এবং ভেড়ার সংখ্যা ২ কোটি ৬০ লাখ। দেশটির মোট গ্রিনহাউজ গ্যাস বিশেষত, মিথেনের প্রায় অর্ধেকই নিঃসরণ হয় কৃষিক্ষেত্র ও গবাদি পশু থেকে।

মিথেন গ্যাস তাপমাত্রা বাড়িয়ে দিতে এবং জলবায়ু-সংকট ত্বরান্বিত করতে খুবই মারাত্মক। কার্বন ডাই অক্সাইডের তুলনায় মিথেনের উষ্ণায়ন ক্ষমতা ৮০ গুণেরও বেশি। তাই চটজলদি বিশ্ব উষ্ণায়ন প্রক্রিয়াকে ধীরগতির করতে মিথেন নিঃসরণ কমানো খুবই জরুরি বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা।

বিবিসি জানায়, নিউজিল্যান্ডে মোট মিথেন গ্যাসের ৮৫ শতাংশের বেশি নিঃসরণ হয় দুটি কৃষি উৎস গবাদিপশুর ঢেকুর এবং গোবর থেকে। সাধারণত গরুর ঢেকুর থেকে ৯০-৯৫ শতাংশ মিথেন নিঃসরণ হয়। আর ৫ থেকে ১০ শতাংশ মিথেন নিঃসরণ হয় গরুর গোবর এবং পেট ফাঁপা থেকে।

নিউজিল্যান্ডের জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী জেমস শ বলেছেন, আমাদের বায়ুমণ্ডলে যে পরিমাণ মিথেন ফেলছি তা কমাতে হবে। এর জন্য কৃষি খাতে গ্রিনহাউজ গ্যাস নিঃসরণের ওপর করারোপের কোনও বিকল্প নেই।

কর পরিকল্পনার আওতায় ২০২৫ সাল থেকে কৃষকদেরকে গ্যাস নিঃসরণের জন্য মূল্য দিতে হবে।

তবে, যে কৃষকরা খাদ্য সংযোজনীর মাধ্যমে গবাদিপশুর জন্য গুনগত মানসম্পন্ন খাবার এবং ফার্মহাউজে গাছ রোপনের মতো পদক্ষেপ নিয়ে গ্যাস নিঃসরণ কমাতে পারবে তাদেরকে প্রণোদনা দেওয়ারও পরিকল্পনা করেছে নিউজিল্যান্ড সরকার।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৯, ২০২২ ১২:১৯ অপরাহ্ন
প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা (এলডিডিপি) কল্যাণ পরিষদের বহুল প্রত্যাশিত কমিটি গঠন
প্রাণিসম্পদ

নিরাপদ প্রাণিজ আমিষ নিশ্চিত করণ সহ দুধ, ডিম ও মাংসে স্বয়ংসম্পূর্ন করতে কৃষিক্ষাতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের একান্ত প্রচেষ্টায় বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে মেগা প্রজেক্ট লাইভস্টক এন্ড ডেইরি ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট।‌৪৬৫ উপজেলায় প্রাণিসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে “প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প” (এলডিডিপি) কাজ করছে। প্রকল্পের ফিল্ড লেভেলের কর্মকর্তা হিসেবে উপজেলা পর্যায়ে লাইভস্টক এক্সটেনশন অফিসার (এলইও) গণ কাজ করছে । প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তাদের নিয়ে “প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা (এলডিডিপি) কল্যাণ পরিষদ” নামে একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে।ভোটের মাধ্যমে কমিটির সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন ডা. মো: আছাবুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন ডা. এ.এম.এম. গোলাম মর্তুজা।

 

নবগঠিত কমিটির সভাপতি ডা. মোঃ আছাবুর রহমান বলেন, “বঙ্গবন্ধুর অবদান কৃষিবিদ ক্লাস ওয়ান মর্যাদাকে সমুন্নত রেখে প্রাণিসম্পদ এর সার্বিক উন্নয়নে কাজ করে যাবো”। এছাড়া নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক ডা. এ. এম.এম. গোলাম মর্তুজা বলেন, “সুস্থ সবল মেধাবী জাতি গঠনে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর অগ্রণী ভূমিকা পালন করে আসছে। নিরাপদ প্রাণিজ আমিষের ঘাটতি পূরণ ও প্রাণিসম্পদ উন্নয়নের লক্ষ্যে “প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প” (এলডিডিপি) কাজ করছে। আমাদের এই কমিটি এলডিডিপি প্রকল্পের সাফল্য অর্জনের পাশাপাশি লাইভস্টক এক্সটেনশন অফিসার(এলইও) দের সার্বিক কল্যাণে কাজ করবে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন করে প্রাণিসম্পদ তথা দেশের উন্নয়নে অবদানের মাধ্যমে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে ভূমিকা রাখতে চাই।”

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop