১২:৩৪ অপরাহ্ন

শুক্রবার, ১৩ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৭, ২০২১ ৯:১৫ পূর্বাহ্ন
বজ্রাঘাতে মারা গেল কৃষকের ৪ গরু
প্রাণিসম্পদ

বজ্রাঘাতে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে আবুল লতিফ নামের এক কৃষকের ৪টি গাভী মারা গেছে।

সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার তালম ইউনিয়নের চৌড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নাজির উদ্দিন জানান, সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে প্রচণ্ড বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে বজ্রাঘাতও হয়।

এ সময় বজ্রাঘাতে কৃষক আব্দুল লতিফের গোয়াল ঘরে থাকা ৫টি গাভীর মধ্যে ৪টি গাভী মারা যায়। গুরুতর আহত হয় আরও একটি গাভী। বজ্রাঘাতে তার ৪টি গাভী মারা যাওয়ায় প্রায় তিন লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেজবাউল করিম আরটিভি নিউজকে বলেন, খুবই দুঃখজনক ঘটনা। প্রাকৃতিক ঘটনায় কারো হাত নেই। তবে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে উপজেলা প্রশাসন থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৬, ২০২১ ৬:১২ অপরাহ্ন
কেঁচো সারের খামার পরিদর্শনে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ
প্রাণিসম্পদ

ফরিদপুরের তানিয়া পারভীন কেঁচো সার উৎপাদন করে এখন স্বাবলম্বী। আর এই সার উৎপাদনে যৌথভাবে কাজ করছেন জেলা প্রানি সম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ। উদ্যোগতা তানিয়া পারভীনকে প্রশিক্ষণ, পরমর্শ ও উৎপাদিত সার বাজারজাত করারও ব্যবস্থা করছেন তারা।

জেলা প্রণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. নুরুল্লাহ্ মো. আহসান তানিয়া পারভীনের সারের প্রজেক্ট পরিদর্শণ করেন। এ সময় উৎপাদিত সারের গুনগত মান ঠিক রাখা ও সার বাজার জাতের বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন।

এছাড়াও জেলা প্রাণি সম্পদের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সার উৎপাদন ও বাজারজাত করা বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তানিয়া আহমেদ।

জেলা প্রণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নুরুল্লাহ্ মো. আহসান বলেন, তানিয়া বেগমের উৎপাদিত সারের গুনগত মান অনেক ভালো। আমরা তার এই খামারের পরিধি বৃদ্ধির বিষয়ে আমাদের অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করবো। ্এই ধরনের উদ্যোগতাদের পামে প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তর সবসময় পাশে থাকবে।

উল্লেখ্য, তানিয়া পারভীন ফরিদপুর পৌরসভার শোভাররামপুর মহল্লার বাসিন্দা। তার উৎপাদিত সারের গুণগত মান ভালো হওয়ায়, স্থানীয় কৃষকদের চাহিদা পুরণ করে, এখন দেশের বিভিন্ন জেলার কৃষকদের চাহিদা পুরন করছে। জেলার বাইরে সার যাচ্ছে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলায় ট্রাককে ট্রাক সার যাচ্ছে প্রতিদিন। প্রতি মাসে উৎপাদন করছেন ৩ থেকে ৪টন সার। সার বিক্রি করে প্রতি মাসে আয় করছেন ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। সার উৎপাদন করে হয়েছেন স্বাবলম্বী। তার খামারে কাজ করে তিন জন নারীও ভালো আছেন।

তানিয়া একাই স্বাবলম্বী হননি, অনেক নারীকেও করেছেন স্বাবলম্বী। তানিয়ার সাফল্য দেখে, অন্য নারীরাও তানিয়ার থেকে পরমর্শ নিয়ে গড়ে তুলেছেন কেঁচো সারের খামার। তারাও এখন তানিয়ার মতো সার উৎপাদন করছেন এবং বিক্রয় করে স্বামী সংসার নিয়ে ভালোই আছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৩, ২০২১ ৬:৩৮ অপরাহ্ন
সোনালি মুরগি পালনে ঝুঁকছেন আনোয়ারায় তরুণরা
পোলট্রি

করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় আনোয়ারার তরুণরা ঝুঁকছে সোনালি মুরগি পালনে। এতে করে ভাগ্যবদল হচ্ছে সেখান যুবকদের। প্রশংসা কুড়াচ্ছেন তরুণরা।

জানা যায়, ঘরের ছাদে, বসতবাড়ির আঙ্গিনা, পুকুর পাড়সহ খালি জায়গায় গড়ে উঠেছে ফার্ম।

উদ্যোক্তা মোহাম্মদ এনাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। তাই বাড়ির আঙ্গিনার খালি জায়গায় সোনালি মুরগির ফার্ম করেছি। এ পর্যন্ত তিন বার বাচ্চা তুলে প্রতিবারেই ৭০-৮০ হাজার টাকা লাভ হয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তরুণেরা বিশেষ করে কলেজ শিক্ষার্থীরা মুরগী পালনে ঝুঁকছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৩, ২০২১ ৪:২০ অপরাহ্ন
মৎস্যসম্পদের বহুমুখী ব্যবহারের ক্ষেত্র সৃষ্টি করতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ করার জন্য মৎস্যসম্পদের বহুমুখী ব্যবহারের ক্ষেত্র সৃষ্টি করতে হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

শুক্রবার (০৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২১ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা জানান।

এ বিষয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, “মৎস্যসম্পদের বহুমুখী ব্যবহারের ক্ষেত্র সৃষ্টির জন্য আমাদের কাজ করতে হবে। শুধু ভাতের সাথে মাছ খাওয়া নয়, মাছ থেকে কী কী পণ্য তৈরি করা যায় সেটা নিয়ে গবেষণা করতে হবে। পৃথিবীর অনেক দেশে মৎস্য ও মৎস্যজাতীয় জলজ সম্পদ থেকে বিভিন্ন বেকারি পণ্য তৈরি হচ্ছে। মাছ থেকে চিপস, ফিস বল বা অন্যান্য খাবার তৈরি করা যেতে পারে। মাছের বহুবিধ ব্যবহারে মানুষকে আকৃষ্ট করতে হবে। অনেকে স্বাভাবিকভাবে মাছ খায়না কিন্তু রেস্তোরায় মাছ দিয়ে তৈরি খাবার খেতে চায়। পুষ্টি চাহিদা পূরণে এক প্রক্রিয়ায় মাছ না খেলে মানুষকে অন্য প্রক্রিয়ায় খাওয়াতে হবে। আমরা চাই মাছের বহুমুখী পণ্যের বিকাশ হোক।”

দেশের বাইরে থেকে আমদানি করা মৎস্য খাদ্য উপকরণ দেশে তৈরির শিল্প স্থাপনে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসার জন্য এ সময় আহ্বান জানান মন্ত্রী। কর অব্যাহতি সুযোগসহ রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যে ধরনের সহযোগিতা লাগবে তা দেওয়া হবে বলেও এসময় আশ্বস্ত করেন তিনি। আমাদের মৎস্যসম্পদ বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় কোন অংশে কম নয় উল্লেখ করে দেশের সমুদ্র অঞ্চল, বদ্ধ জলাশয় ও উন্মুক্ত জলাশয়সহ মৎস্য চাষ উপযোগী সব ক্ষেত্রের সর্বোচ্চ ব্যবহারের জন্য সৃজনশীল কাজ করার উপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, “মৎস্য খাতের যে কোন সমস্যা সমাধানে সরকারের পক্ষ থেকে যা কিছু করণীয় সেটা করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান তাঁর সরকার আমলে মৎস্য খাত বিকশিত হোক। সেজন্য তিনি এ খাতে সকল সহযোগিতার দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। মৎস্যজীবী নয় এমন মানুষের কার্ড বাতিল করে প্রকৃত মৎস্যজীবীদের কার্ড দেয়া এবং তাদের কাছে যথাযথভাবে সরকারি সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়ার ব্যাপারে পূর্বের চেয়ে বেশি গুরুত্বারোপ করে আমরা কাজ করছি।”

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, “বিদেশে মৎস্য রপ্তানির ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থে রপ্তানির সাথে সংশ্লিষ্টদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। যাতে কোন রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান জাল সনদ অথবা রাসায়নিক মিশ্রিত মৎস্য রপ্তানি না করে। মৎস্য খাতে কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে ভালো কাজ করা ব্যক্তিরা ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাদের বিরুদ্ধে তথ্য দিলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ খাতে ভালো কাজ করা ব্যক্তিদের আমরা সহযোগিতা করতে চাই।”

এ সময় তিনি বলেন, “মৎস্য খাত সংশ্লিষ্টদের উদ্বুদ্ধ করা, উচ্ছ্বসিত করা ও কাজে সম্পৃক্ত করা, এ খাতের প্রতি জনগণকে আগ্রহী করে তোলা এবং এ খাতের সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের মাধ্যমে খাতটিকে গতিশীল করার জন্য প্রতি বছর মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন করা হয়। পাশাপাশি এ খাতে উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করাও মৎস্য সপ্তাহের অন্যতম লক্ষ্য। করোনায় সৃষ্ট বেকারত্ব দূর করতে মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ একটা ক্ষেত্র হতে পারে। এ কারণে এ বছর মৎস্য সপ্তাহে বিষয়টিকে প্রতিপাদ্য হিসেবে রাখা হয়েছে।”

মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস আফরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য ও জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২১ উদযাপনের সাথে সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের বাস্তবায়িত কার্যক্রম তুলে ধরেন মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক (অভ্যন্তরীণ মৎস্য) আজিজুল হক। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনিস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগের উপপরিচালক মোঃ আনিছুর রহমান তালুকদার, যশোর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আনিছুর রহমান, ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ এর সদস্য সচিব মোঃ আহসানুজ্জমান, বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমানউল্লাহ, বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি সাইদুর রহমান অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ২০৪১ সালের মধ্যে মাছের উৎপাদন দ্বিগুণ করার প্রত্যয়ের কথা জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মোঃ তৌফিকুল আরিফসহ মন্ত্রণালয় ও মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকতাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মাঠ পর্যায়ের মৎস্য কর্মকর্তাগণ ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে সংযুক্ত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২, ২০২১ ১০:১০ অপরাহ্ন
গরুকেই ‘জাতীয় পশু’ করতে চায় ভারত
পাঁচমিশালি

১৯৭৩ সালের এপ্রিল মাসে ভারতের জাতীয় পশু হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয় বাঘকে। এর আগে সিংহ ছিলো ভারতের জাতীয় পশু। আর এখন গরুকে জাতীয় পশু করার পক্ষে সুপারিশ করেছে ইলাহাবাদ হাইকোর্ট। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) গরু হত্যা সংক্রান্ত একটি মামলায় অভিযুক্তের জামিনের আবেদনের শুনানিতে বিচারপতি শেখরকুমার যাদব এ সুপারিশ করেন।

গরুকে জাতীয় পশু করার পক্ষে বিচারপতি শেখরকুমার যাদবের বক্তব্য, ‘‘গরু ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। তাই গরুকেই দেশের জাতীয় পশু করা উচিত।’’

গরু হত্যা সংক্রান্ত মামলার শুনানির পর উত্তরপ্রদেশ গরু হত্যা বিরোধী আইনে অভিযুক্ত জাবেদ নামের এক ব্যক্তির জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি যাদব।

জামিন খারিজের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি জানান, গরু সম্পর্কে ভারতীয় সমাজে ভাবাবেগ রয়েছে। অভিযুক্তকে জামিন দেওয়া হলে সামাজিক সম্প্রীতি বিঘ্নিত হবে। ভারতীয় নাগরিকদের মতোই গরুর মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত করতে সংসদ বিল পাশ করিয়ে নতুন আইন প্রণয়নেরও সুপারিশ করেন তিনি। এছাড়া, বিচারপতি বলেন, ‘‘গরুর ভাল হলে তবেই দেশের ভাল হবে।’’

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালেও হিন্দু ধর্মগুরু ও সাধুদের একটি সভায় বাঘকে সরিয়ে গরুকে জাতীয় পশুর স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি উঠেছিল।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২, ২০২১ ৬:১৯ অপরাহ্ন
সংসদ সদস্য হাসিবুর রহমান স্বপনের মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর শোক
প্রাণিসম্পদ

সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য, শাহজাদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসিবুর রহমান স্বপনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

মন্ত্রী আজ এক শোক বার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১, ২০২১ ৬:২৩ অপরাহ্ন
সুনীল অর্থনীতির বিকাশে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

সুনীল অর্থনীতির বিকাশে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

বুধবার (০১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর ফার্মগেটের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২১ উপলক্ষ্যে আয়োজিত ‘উপকূলীয় মৎস্যসম্পদ উন্নয়ন ব্যবস্থাপনা: সুনীল অর্থনীতি ও রুপকল্প ২০৪১ প্রেক্ষিত’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা জানান। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) এ সেমিনার আয়োজন করে।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বেস্ট ডিপ্লোমেসির মাধ্যমে বাংলাদেশের প্রায় সমপরিমাণ সমুদ্রসীমায় আমাদের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই সমুদ্র আমাদের সুনীল অর্থনীতির সবচেয়ে বড় সম্ভার। সমুদ্রে থাকা জলজ সম্পদ তথা প্রচলিত বা অপ্রচলিত মাছ, সীউইড সঠিকভাবে সংগ্রহ করতে পারলে এগুলো বহির্বিশ্বে রপ্তানির ক্ষেত্রে আমাদের সবচেয়ে বড় যোগান হবে। সুনীল অর্থনীতির বিকাশ ঘটাতে হলে প্রচলিত মৎস্য, অপ্রচলিত মৎস্য এবং সীউইডকে পরিচর্যা করে এ ক্ষেত্রকে উপযুক্ত করে নিয়ে আসতে হবে। সামুদ্রিক এ মৎস্যসম্পদ আমাদের খাদ্য ও পুষ্টির যোগানের পাশাপাশি রপ্তানির মাধ্যমে সুনীল অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করবে”।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, “রূপকল্প ২০৪১ হচ্ছে সুখী, সমৃদ্ধ, আধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা পরিপূর্ণভাবে প্রতিষ্ঠা করা। বাংলাদেশকে অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করতে পারলে বাংলাদেশ উন্নত হবে। অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ করতে হলে আমাদের অর্থনীতিকে জাগ্রত করতে হবে। আর অর্থনীতিকে জাগ্রত করতে আমাদের সম্পদ রপ্তানি করতে হবে। এজন্য সুনীল অর্থনীতির বিকাশ ঘটাতে হবে। সুনীল অর্থনীতিকে কার্যকর করতে হবে। আর এ কাজে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারে”।

এ সময় তিনি বলেন, “জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বাধীনতা পরবর্তীতে দূরদৃষ্টি দিয়ে ঘোষণা করেছিলেন, মাছ হবে দ্বিতীয় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী সম্পদ। একসময় নানা কারণে দেশে মাছের সংকট দেখা দিয়েছিল। মাছ দুর্লভ হয়ে গিয়েছিল, হারিয়ে যাচ্ছিলো। সে জায়গা থেকে গবেষণা ও সঠিক পরিচর্যার মাধ্যমে ৩১ প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় মাছ আমরা ফিরিয়ে এনেছি। সরকারের সঠিক ভূমিকা ও ব্যবস্থাপনার কারণে মাছের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে।”

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “সমুদ্রের মৎস্যসম্পদ আহরণে সরকার গভীর সমুদ্রে টুনা ও সমজাতীয় মাছ অহরণে প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। ইলিশ ব্যবস্থাপনা ও গবেষণা প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। দেশের উপকূলীয় অঞ্চল, পার্বত্য অঞ্চলসহ ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলে স্থান উপযোগী প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। মৎস্য খাতে রাষ্ট্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে।”

“উপকূলীয় মৎস্য সম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে বেকারত্ব দূর হতে পারে, উদ্যোক্তা তৈরি হতে পারে, খাবারের বড় জোগান তৈরি হতে পারে এবং গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হতে পারে। এ জন্য মৎস্যসম্পদের উন্নয়সে সবাই মিলে কাজ করতে হবে”- যোগ করেন মন্ত্রী।

“মৎস্য খাতে যারা গবেষণা করছেন, বিভিন্ন প্রকল্প পরিচালনা করছেন, মাঠে কাজ করছেন এবং যারা ব্যবস্থাপনা করছেন তাদের সবার দায়িত্ব রয়েছে। তাদের নিজ নিজ কাজের ক্ষেত্রকে ধারণ করতে হবে, দায় নিতে হবে। সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে প্রত্যেককেই অবদান রাখতে হবে।”-জানান মন্ত্রী।

বিএফআরআই-এর মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদের সভাপতিত্বে সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএফআরআই-এর প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ আব্দুল লতিফ। মন্ত্রণালয়, মৎস্য অধিদপ্তর ও বিএফআরআই এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, মৎস্য বিজ্ঞানী, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও মৎস্যজীবী প্রতিনিধি সেমিনারে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৩১, ২০২১ ৬:২১ অপরাহ্ন
শেখ হাসিনা ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, “শেখ হাসিনা ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি প্রতিষ্ঠা করেছেন, রাষ্ট্রের সকলেই সমান সুযোগ লাভ করবেন। ধর্মের ভিত্তিতে কাউকে অধিক সুযোগ-সুবিধা দেওয়া বা বঞ্চিত করা হবে না। শেখ হাসিনা বাংলাদেশে সকল ধর্ম, সকল শ্রেণি, সকল বর্ণের মানুষের জন্য সমান রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করেছেন। তিনি মনে করেন এটা বাঙালিদের রাষ্ট্র। রাষ্ট্রীয়ভাবে সবাই সমঅধিকারসম্পন্ন নাগরিক হিসেবে তার অধিকার ভোগ করবেন”।

মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদের শহীদ ওমর ফারুক মিলনায়তনে জন্মাষ্টমী উপলক্ষ্যে হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে আয়োজিত আলোচনা ও প্রার্থনা রাজধানীর সচিবালয়ের নিজ দপ্তর কক্ষ থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, “মানুষের কল্যাণে ও দেশের সেবায় অন্যায়ের বিরুদ্ধে এবং সত্যের পক্ষে আমরা যাতে সম্মিলিতভাবে কাজ করতে পারি, অন্যদের অনুপ্রাণিত করতে পারি সে লক্ষ্য নিয়ে আমাদের প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হতে হবে। কোন ধর্মই খারাপ কোন কিছু বহন করে না। সর্কল ধর্ম-মতের মানুষদের ভালো চিন্তা-চেতনার সম্মিলিত প্রচেষ্টা আমাদের ‍সুন্দর বাংলাদেশ বিনির্মাণে ভূমিকা পালন করছে।”

“মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা হয়। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে সপরিবারে হত্যার মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশকে ধ্বংস করে ফেলা হয়। সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র ব্যবস্থা কায়েম করা হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সরকার প্রতিষ্ঠিত করে। শেখ হাসিনা যতদিন আছেন, আওয়ামী লীগ যতদিন আছে ততদিন সব ধর্মাবলম্বীদের একই অধিকার থাকবে। আমরা চাই বাংলাদেশ হোক হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সকলের জন্য শান্তির ও নিরাপদ আশ্রয়স্থল।”-যোগ করেন মন্ত্রী।

প্রত্যেক ধর্মের মোলিক সত্তা একই উল্লেখ করে শ ম রেজাউল করিম আরো যোগ করেন, “মত ও পথ ভিন্ন হলেও আমাদের সবার বিশ্বাসের জায়গা এক। মৌলিক জায়গায় কোন পার্থক্য নেই। আমাদের ব্রত হওয়া উচিত মানুষের কল্যাণ ও দেশের উন্নয়ন।”

একাত্তরের পরাজিত সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন নামে আবির্ভূত হয় উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “মাঝে মাঝে দুষ্ট প্রকৃতির লোকরা মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে চায়। তবে তাদের সংখ্যা নগন্য। তাদেরকে প্রতিহত করতে হবে। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের অপচেষ্টা কঠোরভাবে দমন করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে। সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যের সুন্দর বাংলাদেশ অর্জনের ক্ষেত্রে সব সম্প্রদায়ের মানুষেরা রক্ত দিয়েছে। দেশের সর্বোচ্চ আইন সংবিধানে সব ধর্মের মানুষের অধিকার একইভাবে লেখা রয়েছে। এ অধিকার বাস্তবায়নের জন্য বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা কাজ করে যাচ্ছেন। ”

হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি সুরঞ্জিত দত্ত লিটুর সভাপতিত্বে সভায় পিরোজপূর জেলা পূজা উদাযাপন পরিষেদের সভাপতি বিমল চন্দ্র মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক গোপাল বসু, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার গৌতম নারায়ণ চৌধুরী, মন্দিরভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম, পিরোজপুর জেলা কার্যালয়ের সহকারী প্রকল্প পরিচালক প্রিয়াংকা সিকদার প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৩০, ২০২১ ৬:২৮ অপরাহ্ন
এবারের ‘ডিজিটাল হাটে’ চারগুণ বেশি পশু বিক্রি
প্রাণিসম্পদ

পবিত্র ঈদুল আজহায় হাট ঘুরে পছন্দের পশু কেনা চিরায়ত এক ঐতিহ্য। করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারির কারণে পশুর হাটে লেগেছে প্রযুক্তির ছোঁয়া। এখন অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে খামার থেকেই লাখো পশু বিক্রি করছেন ব্যাপারীরা। ঘরে বসে পছন্দের পশু কিনতে পারছেন ক্রেতারা। আধুনিক এই ব্যবস্থাপনার নাম ‘ডিজিটাল হাট’।

২০২০ সালের ঈদুল আজহার সময় দেশে ডিজিটাল হাটের আনুষ্ঠানিক বিকাশ ঘটে। ডিজিটাল হাট বাস্তবায়ন করেছে ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ইক্যাব) এবং বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিডিএফএ)। এবারের ঈদুল আজহা ঘিরে (জুলাইয়ে) এ হাটের আরও বিস্তৃতি ঘটে। ব্যবস্থাপনায় সরকারের একাধিক মন্ত্রণালয়, সংস্থা, ব্যাংক, বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যুক্ত হয়। এতে ডিজিটাল পশুর হাটে মানুষের আস্থা তৈরি হয়। ফলে গত বছরের তুলনায় এবার চারগুণের বেশি পশু বিক্রি হয়। আগামীতে এ হাটের আরও প্রসার ঘটবে বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

ডিজিটাল হাট
গত ২১ জুলাই ঈদুল আজহা উদযাপিত হয় দেশে। কোরবানির এ ঈদ ঘিরে গত ৪ জুলাই এক লাখ পশু অনলাইনে বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা নিয়ে ঢাকায় যাত্রা শুরু হয় ডিজিটাল কোরবানি হাটের। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে এবং ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) তত্ত্বাবধানে এই হাট বাস্তবায়ন করেছে ইক্যাব এবং বিডিএফএ। এই প্ল্যাটফর্মে সারাদেশের এক হাজার ৮৪৩টি অনলাইন হাট যুক্ত হয়। ঈদের আগ দিন পর্যন্ত তারা তিন লাখ ৮৭ হাজার ৫৭৮টি পশু বিক্রি করেছে। এর মধ্যে গরু ও মহিষ বিক্রি হয়েছে দুই লাখ ৯৬ হাজার ৭১০টি এবং ছাগল ও ভেড়া ৯০ হাজার ৮৬৯টি। পশুগুলোর মোট মূল্য দাঁড়ায় দুই হাজার ৭৩৫ কোটি ১১ লাখ ১৫ হাজার ৬৭৮ টাকা।

ইক্যাব সূত্র জানায়, এবার ডিজিটাল হাটে পশু বিক্রির পাশাপাশি স্লটারিং সেবাও (জবাই ও মাংস প্রক্রিয়াকরণ) চালু করেছিল তারা। এ পদ্ধতিতে ২৬৫টি পশু স্লটারিং করে যথাসময়ে ক্রেতার বাসায় পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। অন্যান্য পশু ক্রেতাদের বাসায় সরাসরি ডেলিভারি করা হয়েছে। ৮০ শতাংশ পশু ঈদের একদিন আগে ডেলিভারি দেওয়া হয়েছে। বাকি ২০ শতাংশ পশুর ডেলিভারি সম্পন্ন হয় ঈদের আগের দিন। এভাবে গত বছর ঈদুল আজহার সময় তাদের প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে ৮৭ হাজার পশু অনলাইনে বিক্রি হয়েছিল।

ইক্যাব সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ তমাল বলেন, আমাদের প্ল্যাটফর্মে সারাদেশের এক হাজার ৮৪৩টি অনলাইন হাট থেকে তিন লাখ ৮৭ হাজার পশু বিক্রি হয়েছে। এতে প্রান্তিক কৃষক ও খামারিরা যেমন লাভবান হয়েছেন, তেমনি ন্যায্যমূল্যে পশু কিনতে পেরেছেন ক্রেতারা। ডিজিটাল কোরবানির হাট করোনাকালীন চাপে থাকা গ্রামীণ অর্থনীতিতে কিছুটা হলেও প্রাণের সঞ্চার করেছে।

গত জুনে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় ১৩টি হাট ইজারা দেয় ডিএনসিসি। কিন্তু জুলাইয়ে করোনা সংক্রমণ বাড়তে থাকায় হাটের সংখ্যা কমিয়ে আনে সংস্থাটি। তখন ডিজিটাল হাট ব্যবস্থাপনায় গুরুত্ব দেন ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম।

তিনি জাগো নিউজকে বলেন, করোনার কারণে এবার অনলাইনে পশু বিক্রি প্রাধান্য পেয়েছে। এছাড়া সরকারি সেবাগুলো দিন দিন আধুনিক হচ্ছে এবং সেটির সুফল মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে যাচ্ছে। প্রযুক্তির সুবিধায় সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে বদলে দেওয়ার মাধ্যমে ডিজিটাল বাংলাদেশের সুফল ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে। এবার ডিজিটাল হাট মানুষের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জাগিয়েছে। আগামী বছরও ঈদুল আজহায় ডিজিটাল পশুর হাট আয়োজন করা হবে।

 

সূত্র: জাগো নিউজ
শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৯, ২০২১ ১২:৩২ অপরাহ্ন
হেলিকপ্টারে নামানো হলো গরু
প্রাণিসম্পদ

হেলিকপ্টারের সাহায্যে পাহাড় থেকে আহত গরু নামানো হয়েছে। এভাবে একে একে নামিয়ে আনা হয়েছে ১০টি গরু। এরই মধ্য গরু উদ্ধারের ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গেছে।

সুইজারল্যান্ডের আল্পস পার্বত্য এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

পায়ে চোট লাগায় খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে হাঁটছিল গরুটি। এই অবস্থায় পাহাড় থেকে হাঁটিয়ে সমতলে নামালে আঘাত আরো বাড়তে পারত। তাই পাহাড় থেকে গরু নামাতে হেলিকপ্টার ডেকে আনেন গরুর মালিক কৃষক ড্যাং।

পরে হেলিকপ্টারের সাহায্যেই পাহাড় থেকে সমতলে নামিয়ে আনেন প্রিয় পোষ্যকে। খবর এসবিএস নিউজের।

স্থানীয়রা জানান, দুর্গম পাহাড়ের ওপর অনেক জায়গাতেই গাড়ি নিয়ে প্রবেশ সম্ভব না। তাই বিকল্প হিসেবে আহত গরুদের উদ্ধারে ব্যবহার করা হয়েছে হেলিকপ্টার।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মাঝ আকাশে হেলিকপ্টার থেকে ঝুলছে আহত গরুটি। তার সারা শরীরে হার্নেস লাগানো। এভাবেই সুইস আল্পস থেকে সমতলে নামানো হয় গরুটিকে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop