৯:০৩ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৩ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ২০, ২০২১ ৫:২১ অপরাহ্ন
৩৫টি দিয়ে শুরু করে এখন ১ হাজার দেশি মুরগির মালিক সাইদুল
পোলট্রি

ব্রাহ্মণবাড়িয়া নবীনগরের সাইদুল ইসলাম স্বল্প পুঁজিতে মুরগির ব্যবসা শুরু করে এখন বেশ স্বাবলম্বী। উপজেলার জিনোদপুর ইউনিয়নের চারপারা গ্রামের সাবেক ইউপি সদস্য মরহুম আব্দুর রহমানের একমাত্র ছেলে তিনি। পেশায় ছিল একজন ক্ষুদ্র কাপড় ব্যবসায়ী। ২০২০ সালে কোভিট-১৯ বাংলাদেশে আক্রমণের পর থেকে লকডাউনে দোকানপাট খুলতে না পারায় আর্থিক সংকটে পড়ে যান সাইদুল ইসলাম।

ইউটিউব দেখে দেশি মুরগি পালনে আগ্রহী হয়ে শুরু করেন দেশি মুরগি পালন। সাইদুল ইসলাম তার নিজ বাড়িতে প্রথমে একটি ছোট মুরগির সেড তৈরি করে ৩৫টি দেশি মুরগি পালন শুরু করেন। এরপর তার আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। বর্তমানে তার দুইটি ভালোমানের মুরগির সেড এবং ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় ১ হাজার দেশি মুরগি রয়েছে।

দেশি মুরগি পালনের ব্যাপারে সাইদুল ইসলাম জানান, বহুদিনের প্রবল ইচ্ছা ও মনোভাব থাকায় আমি আমার নিজ জমিতে দেশি মুরগি পালন শুরু করি। মুরগি পালনে আমি স্বাবলম্বী হয়েছি। বর্তমানে আমার দুইটি মুরগির সেড রয়েছে এতে আমার মুরগি জায়গা হয় না, আমি আরো দুইটি মুরগির সেড তৈরি করবো।

বর্তমানে প্রতি মাসে সেখান থেকে প্রায় ৫০ হাজার টাকা উপার্জন করা সম্ভব এবং সামনে আরো মুরগির ফার্ম বাড়ানোর মধ্য দিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির মুরগি পালনের ইচ্ছা আছে তার। তার দেশি মুরগির খামারে প্রতি কেজি মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকায়। এবং প্রতিটি মুরগির বাচ্চা বিক্রয় আকার ভেদে ৫০ থেকে ৭০ টাকায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২০, ২০২১ ৯:৫৮ পূর্বাহ্ন
কৃমিনাশক ওষুধে প্রাণ গেল একে একে ১৪ ভেড়ার
প্রাণিসম্পদ

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার কমলাপুর গ্রামের আবজাল হোসেন ও আরজিনা বেগমের একমাত্র সম্বল ছিল ৩০টি ভেড়া। কিন্তু কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ানোর পর একে একে তাদের ১৪টি ভেড়া মারা গেছে। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছে হতদরিদ্র পরিবারটি।

বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) ছয়টি ও বুধবার (১৮ আগস্ট) আটটি ভেড়া মারা যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত আবজাল ও আরজিনা বেগম জানান, তাদের চাষযোগ্য কোনো জমি নেই। মাত্র তিন শতক জমির ওপর টিনের ঝুপড়িতে স্বামী-স্ত্রীর বসবাস। বাড়ির সঙ্গে আরও ১০ শতক জমিতে গড়ে তুলেন ভেড়ার খামার। গত পাঁচ বছর ধরেই ভেড়া লালন পালন করে আসছেন তারা। মাত্র পাঁচটি ভেড়া থেকে এখন ৩০টি।

তারা আরও জানান, সম্প্রতি তারা লক্ষ্য করেন ভেড়াগুলো ঠিকমতো মল ত্যাগ করছে না। বিষয়টি মঙ্গলবার কালীগঞ্জ প্রাণি সম্পদ অধিদফতরের গিয়ে জানান। সেখানকার চিকিৎসকরা কৃমিনাশক ওষুধ দিয়ে বলে দেন গর্ভবতী ভেড়াকে এই ওষুধ খাওয়ানো যাবে না।

বুধবার সকালে তাদের কথামতো নিয়ম মেনে খামারের ১৮টি ভেড়াকে ওষুধ খাওয়ানো হয়। এরপরই ভেড়াগুলো অসুস্থ হয়ে পড়ে। রাতেই আটটি ভেড়া মারা যায়। বৃহস্পতিবার আরও ছয়টি ভেড়া মারা যায়। অসুস্থ রয়েছে আরও চারটি।

এদিকে, ঘটনার পর মৃত ভেড়ার নমুনা সংগ্রহ করেছে উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিস।

কালীগঞ্জ উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার এএসএম আতিকুজ্জামান জানান, খবর পেয়ে আমাদের টিম ঘটনাস্থলে যায় এবং অসুস্থ ভেড়ার চিকিৎসা দেয়। এছাড়া মৃত ভেড়ার নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। মূলত কৃমি ওষুধ সকালে খাওয়াতে হয়। প্রাণিদের বিশ্রামে রাখতে হয়। কিন্তু খামারি আফজাল হোসেন কৃমিনাশক ওষুধ খাইয়ে মাঠে ভেড়াগুলো চরাতে নিয়ে যান। এর কারণেই ভেড়াগুলো অসুস্থ হয়ে পড়ে এবং মারা যায়। তবে প্রাণি সম্পদ অফিস থেকে যতটুকু সহযোগিতা করা যায়, তা করা হবে।

এছাড়া স্থানীয় সুন্দরপুর দুর্গাপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ইলিয়াস রহমান মিঠু খামার পরিদর্শন করেছেন।চেয়ারম্যান জানান, খবর পেয়ে তিনি বুধবার ক্ষতিগ্রস্ত খামারির বাড়িতে যান। সেখানে তিনি আটটি মৃত ভেড়া দেখেছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৯, ২০২১ ৭:৩৯ অপরাহ্ন
সোর্স ট্রেস এবং এগ্রো সল্যুশন‘র সাথে আফতাব ফিড প্রোডাক্টস লি. এর সমঝোতা চুক্তি
পোলট্রি

সোর্স ট্রেস(আমেরিকা ভিত্তিক কৃষি বিষয়ক সমস্যা সমাধানের জন্য এ্যাপ উন্নয়নে বিশ্বখ্যাত আইটি কোম্পানী) আফতাব ফিড প্রোডাক্টস লিমিটেড এর জন্য ডিজিটাল ফিড সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট এর উপর একটি অত্যাধুনিক এ্যাপস এর উন্নয়ন এবং মাঠ পর্যায়ে মাছ চাষীদের চাষ সম্পর্কিত বিভিন্ন সমস্যার তাৎক্ষণিক সমাধানের জন্য এগ্রো সল্যুশন একটি কল সার্ভিস সেন্টার চালু করে সেবা প্রদানের নিমিত্তে আফতাব ফিড প্রোডাক্টস লিমিটেড ও উক্ত দুটি সংস্থার মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠিত হয়।

সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আফতাব ফিড প্রোডাক্টস লিমিটেড এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (অপারেশন) জনাব এটিএম হাবিবুল্লাহ, অপারেটিভ ডিরেক্টর (সেলস এন্ড মার্কেটিং) জনাব নুরুল মোর্শেদ খান এবং সোর্স ট্রেস এর পক্ষে উপস্থিত ছিলেন সংস্থাটির ভাইস প্রেসিডেন্ট জনাব এ কে এম রেশাদ আলম ও এগ্রো সল্যুশন এর পক্ষে ছিলেন কনসালটেন্ট জনাব অংতুন আইয়ে।

ফিড দ্য ফিউচার বাংলাদেশ অ্যাকুয়াকালচার অ্যাক্টিভিটি প্রকল্পের আওতায় সমঝোতা চুক্তিটি সম্পাদিত হয় এবং প্রকল্পটির সার্বিক কারিগরী সহায়তায় রয়েছেন ওয়ার্ল্ড ফিশ ও মাঠ পর্যায়ে উক্ত প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছেন আফতাব ফিড প্রোডাক্টস লিমিটেড।

উক্ত অনুষ্ঠানে আফতাব ফিড প্রোডাক্টস লিমিটেড এর পক্ষে আরও উপস্থিত ছিলেন জনাব মো: শহীদ কবির ও জনাব সাকিব রেজওয়ান ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৯, ২০২১ ৬:০৮ অপরাহ্ন
মারা গেল পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট গরু ‘রানী’
প্রাণিসম্পদ

গত ঈদে সবচেয়ে ছোট হওয়ায় আলোচনায় এসেছিল সাভারের ‘রানী’। দুঃসংবাদ হচ্ছে, গরুটি মারা গেছে। গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম লেখানোর প্রক্রিয়াও শুরু করলেও, সনদ পাওয়ার আগেই মারা যায় রানী। পেটে গ্যাস জমে বক্সার ভুট্টি জাতের খর্বাকৃতির গরুটি মারা গেছে বলে জানিয়েছেন উপজেলা পশু চিকিৎসকরা।

বৃহস্পতিবার (১৯ আগস্ট) বিকেলে সাভার প্রাণিসম্পদ দফতর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (সম্প্রসারণ) আব্দুল মোতালিব বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আব্দুল মোতালিব জানান, গত বুধবার হঠাৎ গরুটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। গরুটির পেট ফোলা ছিল। চিকিৎসা চালিয়ে গেলেও কোনো উন্নতি না হওয়ায় গরুটি আমাদের কাছে নিয়ে আসা হয়। এখানেও আমাদের ভেটেরিনারি সার্জনসহ কয়েকজন মিলে চিকিৎসা দেন। এর পরও ছোট গরুটির কোনো উন্নতি হয়নি। পরে দুপুর ২টার দিকে মারা যায়।

সাভারের আশুলিয়ার গ্রাম চারিগ্রাম এলাকার শিকড় অ্যাগ্রো ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড প্রাণী চিকিৎসক আতিকুজ্জামান জুয়েল জানান, বক্সার ভুট্টি জাতের এ খর্বাকৃতির গরুটির পেটে গ্যাস জমে মারা গেছে। ছোট আকৃতি ও গঠনে ভিন্ন হওয়ায় প্রায়ই অসুস্থ হয়ে যেত রানী। বিশেষ করে পেট ফুলে যেত। অনেকবার সুস্থ করে তোলা সম্ভব হলেও, এবার আমরা ব্যর্থ হয়েছি। সকাল থেকে রানী অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রাণী চিকিৎসালয়ে নিয়ে যাওয়া হয় রানীকে। এরপর চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পেটে গ্যাস জমে রানীর মৃত্যু হয়েছে।

২০ ইঞ্চি উচ্চতা এবং ২৬ কেজি ওজনের সাদা রঙের ছোট্ট এই গাভী গত কোরবানির ঈদ থেকেই আলোচিত ছিল। এটির বয়স ছিল আড়াই বছর। গরু প্রজাতির জন্য দুই দাঁত উঠলেই প্রাপ্তবয়স্ক বিবেচনা করা হয়। সেই হিসেবে রানীর দুটি দাঁত থাকলেও তাকে দেখলে বাছুর বলে মনে হতে পারে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৯, ২০২১ ১১:০২ পূর্বাহ্ন
যেসব কারণে কবুতর রোগে আক্রান্ত হয়
প্রাণিসম্পদ

শখের বসে আবার কেউ বাণিজ্যিক ভিত্তিতে কবুতর পালন করে থাকেন। সঠিকভাবে যত্ন না নিলে কবুতর অনেক সময় রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। যেসব কারণে কবুতর বেশি রোগে আক্রান্ত হয় সেগুলো আমাদের দেশের অনেকেই জানেন না। কেউ

যেসব কারণে কবুতর বেশি রোগে আক্রান্ত হয়:
কবুতর পালনের ঘর বা খাঁচা ময়লাযুক্ত হলে কবুতরের রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে। তাই কবুতর থাকার স্থান ও খাঁচা সব সময় ময়লা ও জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে।কবুতর পালনের ঘরে পর্যাপ্ত পরিমাণে আলো ও বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে। তা না হলে কবুতর রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

কবুতর পালনের বাসস্থান শুকনো থাকা জরুরী। থাকার স্থান স্যাঁতস্যাঁতে ভাব থাকলে কবুতর রোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও অনেক বেশি থাকে।কম জায়গায় বেশি কবুতর রাখলেও রোগে আক্রান্ত সম্ভাবনা থাকে।

অন্য কারো থেকে বা বাজার থেকে কবুতর এণে সরাসরি নিজের কবুতর এর সাথে রাখলে। আক্রান্ত কবুতর দেখে বা ধরে বা হাট থেকে এসে সরাসরি কবুতরের কাছে গেলেও রোগের সম্ভাবনা থাকে।কবুতরের খামারে রোগে আক্রান্ত বুনো কবুতর বা পাখির আগমন ঘটলেও রোগ হয়ে থাকে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৮, ২০২১ ৬:৫৯ অপরাহ্ন
বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় মাছের চাষ প্রযুক্তি সম্প্রসারণ করছে সরকার: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় প্রজাতির মাছের চাষ প্রযুক্তি সম্প্রসারণে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।
বুধবার (১৮ আগস্ট) বরিশালের কাশিপুরে বরিশাল বিভাগীয় মৎস্য দপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য চাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্পের বরিশাল বিভাগের ২০২০-২১ অর্থবছরের মূল্যায়ন ও অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, “মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট ইতোমধ্যে গবেষণার মাধ্যমে বিলুপ্ত হতে যাওয়া দেশীয় ৩০ প্রজাতির মাছের প্রজনন কৌশল ও চাষ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। মৎস্য অধিদপ্তরের মাধ্যমে বিলুপ্তপ্রায় মাছের চাষ প্রযুক্তি আমরা সারা দেশে ছড়িয়ে দিচ্ছি। ফলে দেশীয় মাছ আবার বাঙালির পাতে ফিরে আসছে। ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য চাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্পের মাধ্যমে একেবারে মাঠ পর্যায়ে মাছ চাষের আধুনিক কৌশল ও পদ্ধতি সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। এভাবে মাছ চাষে একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন সাধিত হচ্ছে।”
 শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, “মাছ চাষ সম্প্রসারণের মাধ্যমে বেকারত্ব দূর হচ্ছে, উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে, গ্রামীণ অর্থনীতির চাকা সচল হচ্ছে। করোনাকালে গ্রামাঞ্চলে অর্থনৈতিক বিপর্যয়ের হাত থেকে রক্ষা পেতে মৎস্য চাষের বিকল্প নেই। অপরদিকে করোনা থেকে রক্ষা পেতে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো প্রয়োজন। এক্ষেত্রে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে।”
এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, “শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে বাংলাদেশ বেরিয়ে এসেছে। তিনি বঙ্গবন্ধুর হত্যাকান্ড, জেল হত্যাকান্ডসহ আলোচিত বিভিন্ন হত্যাকান্ডের বিচার করেছেন, যুদ্ধাপরাধীদের বিচার করেছেন। শেখ হাসিনা সরকার প্রমাণ করেছে কেউ আইনের উর্ধ্বে নয়।”
বরিশালের বিভাগীয় কমিশনার মোঃ সাইফুল হাসান বাদলের সভাপতিত্বে বরিশালের জেলা প্রশাসক জসীম উদ্দীন হায়দার, বিভাগীয় মৎস্য দপ্তরের উপপরিচালক আনিছুর রহমান তালুকদার, জেলা মৎস্য কর্মকর্তা, বরিশাল মোঃ আসাদুজ্জামান, ইউনিয়ন পর্যায়ে মৎস্য চাষ প্রযুক্তি সেবা সম্প্রসারণ প্রকল্পের পরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমানসহ মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগে কর্মরত কর্মকর্তাগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৭, ২০২১ ৮:৪০ অপরাহ্ন
বিএলআরআই‘র পূর্ণ মহাপরিচালক হলেন ড. মো: আবদুল জলিল
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)-এর পূর্ণ মহাপরিচালক (গ্রেড-২) পদে নিয়োগ পেলেন বিএলআরআই-এর বর্তমান মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ড. মোঃ আবদুল জলিল।

আজ মঙ্গলবার(১৭ আগস্ট)রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত এক প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী তিনি এই পদে নিয়োগ পান।

ইতোপূর্বে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জারিকৃত অফিস আদেশ অনুযায়ী তিনি গত ০৪/০৩/২০২১ খ্রিঃ মহাপরিচালক পদে চলতি দায়িত্ব এবং ১৫/০৩/২০২১ খ্রিঃ মহাপরিচালক পদে অতিরিক্ত দায়িত্ব লাভ করেন।

তাঁর এই সাফল্যে বিএলআরআই-এর সকল স্তরের বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ অত্যন্ত আনন্দিত এবং গর্বিত। বিএলআরআই-এর সকল স্তরের বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের পক্ষ থেকে তাঁকে প্রাণঢালা অভিনন্দন। একই সাথে তাঁর ভবিষ্যৎ কর্মজীবনের সাফল্য, উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি এবং তাঁর ও তাঁর পরিবারের সকল সদস্যের সর্বাঙ্গীন মঙ্গল ও সুস্বাস্থ্য কামনা করি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৭, ২০২১ ৭:২৭ অপরাহ্ন
মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হোক রাজনীতির ব্রত: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, “মানুষের পাশে দাঁড়ানোই হোক রাজনীতির ব্রত। আমাদের এ মন্ত্রে দীক্ষিত থাকতে হবে। আমাদের স্বপ্ন থাকবে মানুষের কল্যাণে বঙ্গবন্ধু যেভাবে কাজ করেছেন, শেখ হাসিনা যেভাবে কাজ করছেন সেভাবে আমরা কাজ করবো।”

মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট) সকালে পিরোজপুর সদর উপজেলা পরিষদের শহিদ ওমর ফারুক মিলনায়তনে পিরোজপুর জেলা যুবলীগের আয়োজনে স্থানীয় করোনা আক্রান্ত রোগীদের জন্য শেখ ফজলুল হক মনি ও আরজু মনি ফ্রি অক্সিজেন ব্যাংকের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সচিবালয়ের নিজ দপ্তর থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, “বঙ্গবন্ধু বলতেন মানুষের কল্যাণে যা কিছু করা সেটাই সেবা, সেটাই রাজনীতি। বঙ্গবন্ধু কন্যা একই কথা বলেন। তিনি বলেন, বিত্ত-বৈভবের জন্য রাজনীতি নয়। রাজনীতি হচ্ছে মানুষের জন্য কী করতে পারলাম, কী অবদান রাখতে পারলাম। সেই রাজনীতি শেখ হাসিনাসহ বঙ্গবন্ধু পরিবারের সদস্যরা বহন করে চলেছেন। বঙ্গবন্ধুর পরিবার জাতির জন্য গৌরবের সাথে কাজ করে যাচ্ছেন।”

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, “বঙ্গবন্ধুর আদর্শের উত্তরসূরি ছিলেন শেখ ফজলুল হক মনি। রাজনীতিতে তার অবদান অসামান্য। শেখ ফজলুল হক মনির স্ত্রী আরজু মনিও রাজনৈতিক পরিবার থেকে উঠে এসেছিলেন। তাদের সন্তানরাও রাজনীতিতে স্বচ্ছ অবস্থানে থেকে দেশের জন্য কাজ করছেন।”

পিরোজপুর জেলা যুবলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান ফুলুর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল আহসান গাজীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হাকিম হাওলাদার। বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল অনুষ্ঠানে সংযুক্ত হয়ে বক্তব্য প্রদান করেন। অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে কেন্দ্রীয় যুবলীগের সদস্য কামরুজ্জামান খান শামীম, পিরোজপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোপাল বসু এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য প্রদান করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৭, ২০২১ ১১:০৬ পূর্বাহ্ন
কবুতর পালনে মাসে ৫০,০০০ টাকা আয় করেন রাজীব
প্রাণিসম্পদ

টাঙ্গাইল জেলায় কবুতর খামারির তালিকায় এক নাম্বারে রাজীবের নাম। এসএসসি পাস করার পর সংসারের অভাব অনটনের কারণে বেশিদূর লেখাপড়া করা হয়নি তার। নিজের অদম্য ইচ্ছা আর পরিবারের সহযোগিতায় মাত্র পাঁচ জোড়া কবুতর দিয়ে তিনি ব্যবসা শুরু করেন পাঁচ বছর আগে। এখন তার খামারে প্রায় তিনশ’ জোড়া দেশি-বিদেশি কবুতর রয়েছে। জেলার শ্রেষ্ঠ খামারি হিসেবে তিনি যেমন খেতাব পেয়েছেন।

রাজীব জানান, ছোট থেকে স্বপ্ন দেখতেন একদিন মালিক হবেন কবুতর খামারের। স্বপ্ন পূরণও হয়েছে। শুরুটা মাত্র ৫ জোড়া দিয়ে হলেও এখন তার প্রায় ৩০০ জোড়া কবুতর। পাঁচ বছরের প্রচেষ্টায় বদলে গেছে তার ভাগ্যের চাকা। এখন দেশের কবুতরপ্রেমীদের কাছে এক পরিচিত মুখ রাজীব। সারা দেশের বিভিন্ন জেলা-উপজেলা থেকে আসেন কবুতর পালক শিখতে ও ক্রয় করতে।
খামারের নাম দিয়েছেন রাজীব পিজন হাউজ। দেশি-বিদেশিসহ খামারে রয়েছে প্রায় ৫০ প্রজাতির ফেঞ্চি কবুতর।

এর মধ্যে প্রমেনিয়াম পটার, বারলেস রেসার, ফ্রেন্স মুন্ডিয়ান, পাকিস্তানি ডেনিস, জার্মান ডেনিশ, কুবার্গলার্ক, মুর হেড, কালো বিউটি হুমা, ব্লু পটার, অ্যারাবিয়ান টাম্পিটার, বুখরা, বাশিরাজ কোকা, হল্যান্ড জেকোবিন আমেরিকান সু কিং, লাল বোম্বাই, সাদা বিউটি হুমা, ব্লু রেসার, স্টেচার, বারাম্বার টামপিটারসহ ভিন্ন ভিন্ন বহু প্রজাতির কবুতর রয়েছে তার খামারে। তার খামারে রয়েছে ১০ হাজার থেকে ৫৫ হাজার টাকা মূল্যের কবুতর। দেখতে যেমন বাহারি তেমন চমৎকার। বিদেশি জাতের কবুতর প্রথমে তিনি বিদেশি আমদানিকারকদের মাধ্যমে সংগ্রহ করেছেন। পরে ডিম থেকে বাচ্চা উৎপাদন করে তা বাজারজাত করছেন। কঠোর পরিশ্রম, মেধা ও শ্রমের বিনিময়ে আজ এ পর্যন্ত এসেছেন বলে জানান তিনি।

তরুণ এই উদ্যোক্তার এখন মাসিক আয় প্রায় ৪০-৫০ হাজার টাকা। এই টাকা দিয়েই তিনি বাবার সংসারে হাল ধরেছেন, বোনদের বিয়ে দিয়েছেন। তিনি আরও জানান, যখন বেকারত্ব দেশের বিরাট হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে তখন এই চ্যালেঞ্জিং কাজটি হাতে নিই। যেন বেকার তরুণরা এমন উদ্যোক্তা হয়ে স্বাবলম্বী হতে পারেন। করোনা মহামারিতে ব্যবসা অনেকটা ক্ষতিগ্রস্ত বলে জানান তিনি।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে কাজে লাগিয়ে যোগাযোগ করেন প্রান্তিক অঞ্চলের অনেক খামারি ও কবুতরপ্রেমীরা। কেউ কেউ ছুটে আসেন শখের বশে কিনতে। তবে রাজীব শিক্ষার্থী বা তরুণদের কাছে কবুতর কম মূলে বিক্রি করেন বলে জানান।

ঘাটাইল উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা আবদুল মান্নান জানান, করোনাকালীন সংকটে বেকারত্ব দূরীকরণে রাজীবের মতো উদ্যোক্তা ঘরে ঘরে গড়ে উঠুক। তাকে সঠিক পরামর্শ দিয়ে পর্যাপ্ত সহযোগিতা করার চেষ্টা করছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৬, ২০২১ ১১:২৭ অপরাহ্ন
চিড়িয়াখানায় নতুন অতিথি দুর্জয় ও অবন্তিকা
প্রাণিসম্পদ

করোনায় পুরো দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা বেসামাল হলেও প্রকৃতি যেন সেজেছে নতুন সাজে। তাই তো লকডাউনকে কাজে লাগিয়ে এবার রাজধানীর মিরপুরে জাতীয় চিড়িয়াখানায় টগর-বেলী বাঘ দম্পতির পরিবারে জন্ম নিয়েছে নতুন দুটি শাবক। চিড়িয়াখানার নিরিবিলি পরিবেশে প্রথম বাচ্চা দিলো রয়েল বেঙ্গল জাতের এই বাঘ দম্পতি।

সোমবার (১৬ আগস্ট) বাঘ শাবকদের চিড়িয়াখানার খাঁচায় উন্মুক্ত করা হয়। আনুষ্ঠানিকভাবে বাঘ শাবক দুটির নামকরণ করছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। প্রায় আড়াই মাস আগে জন্ম নেয়া পুরুষ শাবকের নাম রাখা হয়েছে দুর্জয় আর মেয়ে শাবকের নাম অবন্তিকা। এছাড়া চিড়িয়াখানায় ধারণক্ষমতার অতিরিক্ত হওয়ায় ২১০টি বক অবমুক্ত করেন মন্ত্রী।

এ সময় আগামী ১৯ আগস্ট চিড়িয়াখানা দর্শনার্থীদের জন্য খুলে দেয়া হবে বলে জানান প্রানীসম্পদমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, চিড়িয়াখানা খুললেও স্বাস্থ্য বিধি কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হবে। দর্শনার্থীদের জন্য থাকবে স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা।

তিনি জানান, করোনার কারণে বন্ধ থাকায় চিড়িয়াখানায় বিভিন্ন প্রজাতির বেশকিছু প্রাণীর জন্ম হয়েছে। বর্তমানে চিড়িয়াখানায় হরিণ, জলহস্তী, বক প্রজাতির পাখি সহ অনেক প্রাণীই প্রয়োজনের তুলনায় বেশি রয়েছে। এ সব প্রাণী পর্যায়ক্রমে অন্য চিড়িয়াখানায় স্থানান্তর করা হবে।

এছাড়া চিড়িয়াখানাকে সাফারি পার্কের আদলে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে জানান শ ম রেজাউল করিম।

চলতি বছর করোনার প্রকোপ বাড়লে গত ২ এপ্রিল থেকে বন্ধ হয়ে যায় চিড়িয়াখানা। এর আগে ২০২০ সালে আট মাস বন্ধ থাকার পর নভেম্বরের ১ তারিখ খুলে দেয়া হয় বিনোদন কেন্দ্রটি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop