১০:৩২ অপরাহ্ন

শুক্রবার, ১৩ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুলাই ৩০, ২০২১ ৫:৪৩ অপরাহ্ন
সংসদ সদস্য অধ্যাপক আলী আশরাফের মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর শোক
প্রাণিসম্পদ

কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক ডেপুটি স্পিকার অধ্যাপক মোঃ আলী আশরাফের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

আজ এক শোকবার্তায় মন্ত্রী জানান, “অধ্যাপক মোঃ আলী আশরাফের মতো প্রবীণ ও অভিজ্ঞ রাজনীতিকের মৃত্যু এদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ ও প্রজ্ঞা এদেশের রাজনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে। তিনি দীর্ঘকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন”।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩০, ২০২১ ৩:১৯ অপরাহ্ন
গবাদিপশুর দানাদার খাদ্য ব্যবহারে যা করবেন
প্রাণিসম্পদ

আমরা গবাদিপশুর পুষ্টি চাহিদা মেটানোর জন্য দানাদার খাবারের সাথে বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন ও মিনারেল ফুড সাপ্লিমেন্ট হিসেবে দিয়ে থাকি। এই গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে দানাদার খাদ্যের প্রচলন আমাদের দেশে ব্যাপক। তবে শুধুই দানাদার খাদ্য গবাদিপশুর প্রকৃত খাবার নয়।

দানাদার খাদ্য ব্যবহারের কৌশল:

শুরুতেই যে বীজগুলো(যেমন- গম, ভুট্টা ইত্যাদি) অঙ্কুরিত করবেন সেগুলো ভালভাবে পানিতে ধুয়ে নিন। এরপর একটি পাত্রে পরিস্কার পানিতে বীজ গুলোকে গমের ক্ষেত্রে ৮-১২ঘণ্টা এবং ভুট্টার ক্ষেত্রে ২০-২৪ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে।

এভাবে ভিজিয়ে রাখার পর বীজগুলোকে পুনরায় পানিতে কয়েকবার করে ধুয়ে নিন এবং শষ্যদানা থেকে পানি ছেঁকে নিন।
এবারে একটি পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে নিন এবং এটি দিয়ে বীজসমৃদ্ধ পাত্রটি ঢেকে ফেলুন অথবা ভেজা কাপড় দিয়ে শষ্যদান পুটলি বেধে ছায়াযুক্ত এমন একটি স্থানে রেখে দিন যেখানে তাপমাত্রা খুব বেশি নয়।

এভাবে ২৪ ঘন্টার মধ্যেই আপনার শষ্যদানা অঙ্কুরিত হবে।এবার অঙ্কুরিত শস্যদানা ধুয়ে নিয়ে গবাদীপশুকে পরিবেশন করুন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৯, ২০২১ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
বাছুর ছাড়াই প্রতিদিন ৪ লিটার দুধ দিচ্ছে বকনা গরু
প্রাণিসম্পদ

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার খলিশাউড়া ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের কৃষক হায়দার আলীর দুই বছর বয়সী বকনা গরু বাছুর জন্ম না দিয়েই প্রতিদিন সকালে দুই লিটার বিকালে দুই লিটার করে দুধ দিচ্ছে ।

জানা যায়, কৃষক হায়দার আলী কয়েক বছর আগে সংসারের অভাব দূর করার জন্য একটি গাভি কেনেন। কিছুদিন পর গাভিটি একটি বাছুর জন্ম দেয়। বাছুর বড় না হতেই নিজের কাছে রেখে গাভিটি বিক্রি করে দেন হায়দার। দুই বছর না যেতেই বাছুরের শরীরে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখতে পান হায়দার আলী। ওলান বড় দেখে দুই মাস আগে দুধ নেওয়ার চেষ্টা করেন তার স্ত্রী। প্রথমে এক লিটার পরে দুই লিটার- এখন দিনে চার লিটার করে দুধ পাচ্ছেন।

আর্থিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় গরুকে ভালো খাবার দিতে পারছেন না বলে জানান হায়দার আলীর স্ত্রী। পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো গেলে ১০-১২ লিটার দুধ পাওয়া যেতো বলে জানান তিনি।

হায়দার আলী জানান, এই গরুর দুধের অনেক চাহিদা। নেত্রকোনা ছাড়াও আশপাশের জেলার লোকজন এসে দুধ নিয়ে যাচ্ছেন। এই গরুর দুধ খেয়ে মানুষ উপকার পাচ্ছে বলেও জানিয়েছেন।

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিচালক ডা. সুশান্ত কুমার পাল বাংলা জানান, বডিতে হরমোনাল ইমব্যালেন্স হওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে বাছুর জন্ম না দিয়েই গরু দুধ দিতে পারে, এটা সম্পূর্ণ বিজ্ঞানসম্মত। গরুটিকে পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হলে ছয় মাসের মতো এভাবেই দুধ দেবে। তবে পর্যাপ্ত খাবার না পেলে দুধ কমে যাবে। এটি কোনও আশ্চর্যজনক ঘটনা নয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৮, ২০২১ ৯:০৯ অপরাহ্ন
১২ লক্ষ টাকার জন্য খামারের মালিক-কর্মচারীকে হত্যার অভিযোগে মামলা
প্রাণিসম্পদ

কুমিল্লার লালমাইয়ে গরু বিক্রির প্রায় ১২ লক্ষ টাকার জন্য খামারের মালিক-কর্মচারীকে হত্যার অভিযোগে মামলা হয়েছে। মালিক নিহত শরীফের পিতা হাছান আহমেদ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, ঈদ উল আযহার ৪দিন আগে ৬টি গরু ১১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করে শরীফ। সেই টাকার জন্য অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা দু’জনকে হত্যা করে।

নিহতদের পরিবারের সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গ্রামবাসীর সূত্র জানায়, ইছাপুরা গ্রামের হাছান আহম্মদের একমাত্র ছেলে হায়াতের নবী শরীফ (২৮)। ছোটকাল থেকেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিতেন। পারিবারিকভাবে গরু পালন করতেন। প্রথম দিকে বেলঘর বাজারস্থ একটি মুদি দোকানে চাকরি করতেন। গত বছর থেকে বাড়িতে ছোট পরিসরে বাণিজ্যিকভাবে গরু পালন শুরু করেন। গ্রামে একটি মুদি দোকান প্রতিষ্ঠা করেন। ব্যবসায়ের সহায়তার জন্য কর্মচারী হিসেবে চাকরি দেন একই গ্রামের আবুল হাশেম এর ছেলে ফয়েজ আহমেদ পরানকে (১৮)। মালিক কর্মচারীর ব্যবধান কমিয়ে শরীফ যে কোন কাজে ফয়েজকে আপন ভাইয়ের মতো আদর করতেন।

ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও ব্যবসায়িক সকল কাজে বিশ্বাস করতেন। নিজে যা খেতেন, ফয়েজকেও খাওয়াতেন। নিজে যেমন পোশাক পরতেন ফয়েজকেও তেমন পরাতেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দু’জনের পোশাক একই ডিজাইন ও একই রঙের হতো। প্রতিদিন ব্যবসায়ীক কাজ শেষে শরীফের নিজের কক্ষে একই খাটে দু’জন রাত্রিযাপন করতেন।

নিহত শরীফের পিতা হাছান আহমেদ জানান, পরিকল্পিতভাবেই দু’জনকে হত্যা করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার রাতে লালমাই থানায় মামলা করেছি।

লালমাই থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আইয়ুব জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে ফয়েজ আহমেদকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তার গলায় জখম ও খামচির দাগ রয়েছে। শরিফের লাশ ছিল ঝুলন্ত। ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এলে ও মরদেহের বিভিন্ন আলামত পর্যালোচনা করে মৃত্যুর মূল কারণ উদ্ঘাটন করা হবে।

এদিকে বুধবার বিকালে কুমিল্লার পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, হত্যা মামলাটি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য- মঙ্গলবার শরীফের মরদেহ ঘরের দক্ষিণ পাশের কক্ষের সিলিংয়ের সাথে ঝুলন্ত ছিলো। ফয়েজের মরদেহ খাটে পড়ে ছিলো। ফয়েজের গলায় হালকা দাগ রয়েছে। নাক মুখ থেকে রক্তক্ষরণ হয়। সূত্র:বিডিপ্রতিদিন

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৮, ২০২১ ৫:৩৫ অপরাহ্ন
আট‘শ হাঁসের মৃত্যুতে ভেঙে গেছে তরুণ উদ্যোক্তার স্বপ্ন
প্রাণিসম্পদ

বেকারত্ব ঘুচিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখে উপজেলার পলবান্ধা ইউনিয়নের উত্তর সিরাজাবাদ এলাকার আবুল হাসেম খানের ছেলে আব্দুল আওয়াল খান জিন্নাত (২৮)গত চার মাস আগে নেত্রকোনার সরকারি হাঁসের ফার্ম থেকে ১হাজার ২৫ টি বেইজিং জাতের হাঁসের বাচ্চা নিয়ে গড়ে তুলেন খামার। সম্প্রতি অজ্ঞাত মড়কে তার ৮‘শ হাসের মৃত্যুতে প্রায় ৪লাখ টাকার ক্ষতিতে স্বপ্ন ভেঙে যায় তার।

জিন্নাত জানান, রোববার রাতে ৩-৪টি হাঁস অসুস্থ হয়ে মারা যায়। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. আব্দুল আলিমের পরামর্শে ঔষধ খাওয়ালেও কোন কাজ হয়নি। পরবর্তীতে মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে হাঁসগুলো একে একে মারা যেতে শুরু করে।

তিনি আরও জানান, অনেক স্বপ্ন আশা নিয়ে হাঁসের খামার শুরু করলেও হাঁসগুলো মারা যাওয়ায় আমার অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেল। হাঁসগুলোর মৃত্যুতে আমার চার লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান এই তরুণ খামারী।

উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসের ভেটানারি সার্জন ডাক্তার আব্দুল আলিম বলেন, ‘মৃত একটি হাঁসকে পোষ্টমর্টেম করে ওষুধ লিখে প্রেসক্রিপশন করে দিয়েছি। লকডাউনের কারণে আমি লাইভ রিস্কস্ নিয়ে তার খামারে যেতে পারেনি বলে তিনি জানান।’

বিষয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. ছানোয়ার হোসেন বলেন, ‘এতো গুলো হাঁস মারা গেল বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। হাঁস গুলো কি কারণে মারা গেছে আমি জানি না। তবে আজ (মঙ্গলবার) ওই খামারির বাড়িতে গিয়ে আমি খোঁজখবর নিবো’।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৮, ২০২১ ৪:৪০ অপরাহ্ন
এক টন ওজনের আট লাখ টাকার ‘কালা মানিক’ আর নেই!
প্রাণিসম্পদ

এক টন ওজনের ব্রাহমা জাতের কালা মানিককে পালন করা হয়েছিলো কোরবানির জন্য। আট লাখ টাকা বিক্রির পর রোগ ধরা পড়লে ফেরত দেন ক্রেতা। অবশেষে নিজ বাড়িতেই মারা যান কালা মানিক। শোকে কাতর কৃষক দ্বীন মোহাম্মাদ। মানিকের মৃত্যুর খবরে আসেন শত শত মানুষ।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের বসন্তপুর গ্রামে দরিদ্র কৃষক দ্বীন মোহাম্মদের বাড়িতে মারা যায়। পরে দুপুরে গর্ত খুড়ে কালা মানিককে পুঁতে ফেলা হয়েছে।

কৃষক দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, ‘বাড়িতে শেড দিয়ে তৈরি খামারে ব্রাহমা জাতের গরুটি বড় করে তুলি। এটির ওজন প্রায় এক টন। আদর করেই তার নাম দিয়েছি ‘কালা মানিক’। ঈদের আগে ঢাকার এক ব্যবসায়ী গরুটি আট লাখ টাকায় ক্রয় করেছিলেন।

এরপর গরুর শরীরে রোগ ধরা পড়ার খবর ওই ব্যবসায়ীকে জানানো হয়। পরে ব্যবসায়ী আর গরুটি নেননি। নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খাওয়ালেও রোগ ভালো হয়নি। মঙ্গলবার সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি-গরুটি আর জীবিত নেই। এতে আমার আট লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।’

তিন আরও বলেন, ‘গরুর খাবার ও চিকিৎসা বাবদ মানুষের থেকে অনেক টাকা ঋণ করেছি। মনে করেছিলাম চিকিৎসায় রোগ ভালো হয়ে যাবে। আমি শেষ হয়ে গেছি ।’ এভাবেই আর্তনাদ করতে থাকেন কৃষক দ্বীন মোহাম্মাদ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৭, ২০২১ ৩:০১ অপরাহ্ন
প্রাণিসম্পদ খাতের বিকাশে সার্কভুক্ত দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

সার্ক অঞ্চলে প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন ও বিকাশে সার্কভুক্ত দেশগুলোকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) সার্ক কৃষি কেন্দ্র আয়োজিত সার্ক অঞ্চলে প্রাণিসম্পদ ও প্রাণিজাত পণ্যের আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে গাইডলাইন ও পলিসি সমন্বয় সংক্রান্ত আঞ্চলিক বিশেষজ্ঞদের এক ভার্চুয়াল পরামর্শক সভার উদ্বোধন পর্বে সচিবালয়ের নিজ দপ্তর কক্ষ থেকে সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

আঞ্চলিক খাদ্য নিরাপত্তা, অর্থনীতি ও জীবনযাত্রা এবং দক্ষিণ এশিয়ার জনগণের সুস্বাস্থ্য ও কল্যাণের জন্য সার্ক অঞ্চলে প্রাণিসম্পদ ও প্রাণিজাত পণ্যের আঞ্চলিক বাণিজ্য সম্প্রসারণে গাইডলাইন ও পলিসি সমন্বয় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে এসময় মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

এবিষয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, “সার্কভুক্ত অনেক দেশ প্রাণিজ আমিষ উৎপাদনে শুধু স্বয়ংসম্পূর্ণই নয় বরং উদ্বৃত্ত। সে দেশগুলো রফতানির মাধ্যমে প্রাণিজ আমিষের বৈশ্বিক সরবরাহ চেইন ঠিক রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।”

এসময় মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে ১৩টি খাতে বিশ্বের সেরা দশটি স্থান অর্জন করেছে। যার মধ্যে বিশ্বে ইলিশ আহরণে প্রথম, ধান উৎপাদনে তৃতীয়, অভ্যন্তরীণ মুক্ত জলাশয়ের মাছ উৎপাদনে তৃতীয়, বদ্ধ জলাশয়ের মাছ উৎপাদনে পঞ্চম, ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল উৎপাদনে চতুর্থ, সবজি উৎপাদনে তৃতীয়, আলু উৎপাদনে ষষ্ঠ স্থান অর্জন উল্লেখযোগ্য।”   

এ বিষয়ে প্রধান অতিথি আরো যোগ করেন, “খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জন, আত্মকর্মসংস্থান সৃষ্টি, বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন, নারীর ক্ষমতায়ন এবং মেধাবি জাতি গঠনে প্রাণিসম্পদ খাতের গুরুত্ব অপরিসীম। প্রাণিসম্পদ থেকে উৎপাদিত দুধ, ডিম, মাংস ও অন্যান্য প্রক্রিয়াজাত খাদ্য অপুষ্টি দূর করে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের নানা পদক্ষেপ তথা কৃত্রিম প্রজনন, পোলট্রি ও ডেইরি খাতে গবেষণা বৃদ্ধি, শিক্ষিত উদ্যেক্তা তৈরি, সহজ শর্তে ও স্বল্প সুদে ঋণ প্রদানসহ বিভিন্ন রকম প্রণোদণা প্রদানের কারণে  বিগত ১২ বছরে বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতে অভূতপূর্ব অগ্রগতি সাধন হয়েছে। বাংলাদেশ এখন মাংস ও ডিম উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং ৪-৫ বছরের মধ্যে দুধ উৎপাদনেও স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করবে। পোলট্রি ও ডেইরি খাতের ব্যাপক সাফল্যের কারণে প্রাণিজাত খাদ্যের বহুমুখীকরণ ও রফতানিতে বাংলাদেশ সরকার জোর দিচ্ছে। গুণগত মানসম্পন্ন ও নিরাপদ প্রাণিজাত পণ্য উৎপাদন এক্ষেত্রে একটি চ্যালেঞ্জ। এ চ্যালেঞ্জ উত্তরণে আন্তর্জাতিকমানের প্রাণিসম্পদ উৎপাদন উপকরণ ও প্রাণিজাত খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ গবেষণাগার স্থাপন করা হয়েছে। পাশাপাশি সরকার এ খাতের উদ্যোক্তাদের কর অব্যাহতিসহ নানা সুবিধা দিচ্ছে।”

“প্রাণিসম্পদ খাত স্বাস্থ্যকর দক্ষিণ এশিয়া গড়ে তুলতে অবদান রেখেছে এবং অবদান রাখছে। পাশাপাশি  বাংলাদেশসহ সার্কভুক্ত দেশগুলোর জনগণের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি এনে দিচ্ছে। এদেশগুলোতে লাখ লাখ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবিকা এ খাতের উপর নির্ভরশীল। বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোভিড-১৯ থেকে মুক্তি লাভ, ক্ষুধা দূর করা, পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা, খাদ্যের সাথে জড়িত অসংক্রামক ব্যাধি তথা হৃদরোগ, ডায়াবেটিস ও ক্যান্সারের ঝুঁকি হ্রাস করার বিষয়গুলো আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক স্বাস্থ্য নীতিতে আধিপত্য বিস্তার করছে। এজন্য টেকসই খাদ্য উৎপাদন, স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা ও খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক্ষেত্রে সার্ক অঞ্চলের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শক সভা অত্যন্ত সময়োপযোগী।”- যোগ করেন প্রধান অতিথি।

সার্ক কৃষি কেন্দ্রের পরিচালক ড. মোঃ বক্তীয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে সভার উদ্বোধন পর্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার ও ভুটানের কৃষি ও খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের মহাপরিচালক ড. তাশি সামদুপ। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন সার্ক কৃষি কেন্দ্রের সিনিয়র প্রোগ্রাম স্পেশালিস্ট (প্রাণিসম্পদ) ড. আশীষ কুমার সামন্ত। এছাড়া সার্ক সদস্য দেশসমূহের প্রাণিসম্পদ খাতের বিশেষজ্ঞ, উদ্যোক্তা ও পেশাজীবী এবং সার্ক কৃষি কেন্দ্রের কর্মকর্তাগণ উদ্বোধন পর্বে অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৬, ২০২১ ৫:৩৩ অপরাহ্ন
কুমিল্লায় বিদ্যুতের তারে ৫ গরুর মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামে বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে একটি খুঁটির উপর থেকে তার ছিঁড়ে মাটিতে পড়েছিল। সেই তারে জড়িয়ে ফরিদ মজুমদার (৬৫) এর পাঁচটি গরু মারা গেছে।

সোমবার (২৬ জুলাই) সকালে উপজেলার কালিকাপুর ইউনিয়নের বিজয়পুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পল্লী বিদ্যুতের মিয়াবাজার জোনাল অফিসের এজিএম মশিউল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত গরুর মালিক ফরিদ মজুমদার  জানান, প্রতিদিনের মতো গরুগুলো নিয়ে মাঠে যাচ্ছিলেন। পল্লী বিদ্যুতের একটি খুঁটির নিচে আগে থেকে ছিঁড়ে পড়া তারে জড়িয়ে পাঁচটি গরু মুহূর্তেই মারা যায়। এ সময় প্রাণ বাঁচাতে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করি।

খবর পেয়ে কালিকাপুর ইউপি চেয়ারম্যান ভিপি মাহবুব হোসেন মজুমদার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, পল্লী বিদ্যুতের খাম খেয়ালির জন্যই অসহায় কৃষক ফরিদ মিয়া মজুমদারের পাঁচটি গরু মারা যায়। তিনি পল্লী বিদ্যুতের কাছে এর ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।

পল্লী বিদ্যুৎ কুমিল্লা অঞ্চলের জিএম মোস্তাফিজুর রহমান জানান, এ বিষয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করা হবে। কমিটির রিপোর্টের সাপেক্ষে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে ক্ষতিপূরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

পল্লী বিদ্যুত মিয়াবাজার জোনাল অফিসের এজিএম মশিউল আলম জানান, বৈদ্যুতিক গোলযোগের কারণে একটি খুঁটির উপর থেকে তার ছিঁড়ে মাটিতে পড়েছিল। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে না জানানোর কারণে এ দুর্ঘনা ঘটেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৬, ২০২১ ১:২৯ অপরাহ্ন
রাজশাহীতে অবিক্রিত কোরবানীর পশু ৪৪ হাজার!
প্রাণিসম্পদ

রাজশাহী জেলায় কোরবানির বাজারকে কেন্দ্র করে খামারি ও সাধারণ কৃষকেরা এবার  ৩ লাখ ৮২ হাজার পশু প্রস্তুত করেছিল। কোরবানি হয়েছে প্রায় ৩ লাখ ৯ হাজারটি। ফলে এবার অবিক্রিত থেকে গেছে প্রায় ৭৩ হাজার কোরবানীর পশু।

রাজশাহী জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, রাজশাহীতে এবার কোরবানীর জন্য গরু পালন হয়েছে ১ লাখ ৬ হাজার ৬৬৬টি। তার মধ্যে কোরবানি হয়েছে ৬২ হাজার ৮৫৪টি। অবিক্রি থেকে গেছে ৪৩ হাজার ৮১২টি গরু।

ঈদের বাজার সামনে রেখে রাজশাহীদে মহিষ পালন করা হয়েছে ২ হাজার ৯৫৬টি। এর মধ্যে মাত্র ৩১৫টি মহিষ কোরবানি হয়েছে।

তবে ছাগল বিক্রির লক্ষ্যমাত্রা প্রায় অর্জিত হয়েছে। রাজশাহীতে ছাগল প্রস্তুত ছিল প্রায় ২ লাখ ৪৩ হাজার। এর মধ্যে কোরবানি হয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার। ভেড়া পালা হয়েছিল প্রায় ৩৫ হাজার। কোরবানি হয়েছে প্রায় ২০ হাজার ৬৬৩ টি।

রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার সুজন ইসলাম জানান, স্থানীয় বাজারে বিক্রি করতে না পেরে ৩০টি গরু ঢাকায় নিয়ে গেলেও সেখানে বিক্রি হয়েছে ১৯টি। যেগুলোর দাম তিন লাখের নিচে। আর তিন লাখের ওপরে যে ১১টি গরুর দাম, সেগুলো বিক্রি হয়নি। তাই অবিক্রীত গরুগুলো নিয়ে খামারে ফেরত আসেন।

রাজশাহী জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইসমাইল হক জানান, মুক্তবাজার অর্থনীতির যুগে কে কতটা পশু পালন করবে, এটা নির্ধারণ করে দেওয়া যায় না। তাই যে যাঁর মতো করে পশু পালন করেন।আমরা সরকারকে ধারণা দিয়েছি যে স্থানীয়ভাবে পালন করা পশুতেই কোরবানির চাহিদা মেটানো যাবে। কোরবানির জন্য বাইরে থেকে পশু আমদানি করার প্রয়োজন পড়বে না। তাই বাইরে থেকে কোনো পশু আমদানি করা হয়নি। তারপরও অনেক পশু অবিক্রীত থেকে গেছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৬, ২০২১ ৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
গরু ‘লুট করতে’ চালককে খুন, গ্রেপ্তার ২
প্রাণিসম্পদ

মাগুরা থেকে ট্রাকচালক মো. আব্দুল রহমান ওরফে আবদুল (৩৫) গরু নিয়ে চট্টগ্রামে যাচ্ছিলেন। সীতাকুণ্ডে পৌঁছাতেই হঠাৎ এগিয়ে আসা একটি পিকআপ থেকে সঙ্কেত দেখায় ট্রাক থামানোর জন্য। কিন্তু তিনি ট্রাক না থামালে পিকআপের সন্ত্রাসীরা গুলি করে তাকে। এরপর গরু না নিয়েই পালিয়ে যায় তারা।

সন্ত্রাসীদের গুলিতে সেদিন মারা যায় আব্দুল রহমান। এ ঘটনায় সন্ত্রাসীদের ধরতে অভিযানে নামে র‌্যাব। এক পর্যায়ে এ ঘটনার সাথে দুই জনকে শনাক্ত করা হয়। তাদেরকে ঢাকার সাভার থানার দেওগা এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

রোববার বিষয়টি জানিয়েছেন র‌্যাব-৭ এর সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) মো. নুরুল আবছার।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- রাউজান থানার চুনাতিয়া গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের ছেলে সাদ্দাম হোসেন ওরফে বাঁচা (৩১) ও মো. তুহিন (১৯)। তারা বর্তমানে বায়েজিদ থানার আরেফিন নগর এলাকায় বসবাস করতেন। এছাড়া গ্রেপ্তার দুই ভাই সীতাকুণ্ড থানার লিংক রোড এলাকার সংঘবদ্ধ ডাকাত দলের সদস্য।

সহকারী পরিচালক নুরুল আবছার জানান, সাভারের দেওগা এলাকায় এক অভিযানে দুইজন সন্দেহভাজন আসামিকে আটক করে র‌্যাব সদস্যরা। তারা প্রাথমিক জিজ্ঞাসায় গরু লুট ও চালক হত্যার সাথে জড়িত বলে স্বীকার করেছে। তাদের সাথে সংঘবদ্ধ ডাকাত চক্রের জড়িতদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।গ্রেপ্তার আসামিদের পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে সীতাকুণ্ড থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলেও জানান র‌্যাবের এই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop