১১:২৭ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৩ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ১০, ২০২১ ৫:৫৪ অপরাহ্ন
ড. মুহাম্মদ মমিনুজ্জামানের মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর শোক
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)-এর স্বাদুপানি কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ মমিনুজ্জামান খান করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।

আজ সকাল ৫টা ৫৬ মিনিটে তিনি রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৬ বছর। তিনি স্ত্রী ও এক কন্যাসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব উভয়েই ড. মুহাম্মদ মমিনুজ্জামান খানের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শোক প্রকাশ করে বলেন, ড. মুহাম্মদ মমিনুজ্জামান খান ছিলেন একজন মেধাবী কর্মকর্তা। কর্মক্ষেত্রে তিনি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশের মৎস্য গবেষণায় এ ক্ষণজন্মা কর্মকর্তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব শোক প্রকাশ করে বলেন, ড. মুহাম্মদ মমিনুজ্জামান খানের মৃত্যু দেশের মৎস্য গবেষণায় বিরাট ক্ষতি। তার মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় গভীরভাবে শোকাহত।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১০, ২০২১ ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
গরু-ছাগলের খামার করে ঘুরে দাঁড়ালেন মনোয়ারা
প্রাণিসম্পদ

গরু ও ছাগলের খামার গড়ে সাফল্য পেয়েছেন মনোয়ারা খাতুন নামে এক গৃহিনী। সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের খলসী গ্রামে একটি সমিতি থেকে ১৫হাজার টাকা ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে মনোয়ারারশুরু করেন হাস-মুরগী ও ছাগল পালন। এর পর থেকে তাকে আর পেছনে ফিরতে হয়নি। বর্তমানে তার খামারে গরু রয়েছে ২টি, ছাগল রয়েছে-৩ টি ও হাস-মুরগী রয়েছে-১৫টি।

মনোয়ারা খাতুন জানান, তিনি খুব গবির ও অসহায়। খুব কষ্টে তার সংসার চলছিলো। স্বামী পরের ক্ষেত খামারে কাজ করে তাদের সংসার চলে। ঠিক সেই মুহুর্তে খলসী গ্রামের মনোয়ারা নামে এক গৃহবধুর সাথে তার পরিচয় হয়।

তিনি মনোয়ারাকে জানান খলসী গ্রামে নামে একটি সমিতি রয়েছে। ওই সমিতি তে ২০ টাকা দিয়ে সদস্য হওয়ার পরামর্শ দেয়। তার কথা মতো ২০ টাকা দিয়ে সদস্য হন। এর পর সমিতি থেকে ১৫হাজার টাকা ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহণ করেন মনোয়ারা। আর সেই টাকা দিয়ে নিজ বাড়ীতে বসে হাস-মুরগী ও ছাগল পালন শুরু করেন।

তিনি আরো জানান, সমিতি থেকে পর্যায় ক্রমে ঋণ নিয়ে তিনি গাভী পালন শুরু করেন। বর্তমানে মনোয়ারা খাতুন একটি পাকা বাড়ী করেছেন। গরু পালনের জন্য পাকা গোয়াল ঘরও করেছেন। বাড়ীতে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েছেন। এক ছেলে ট্রাক ড্রাইভার, আর মেয়ে পড়াশুনা করছেন। মাঠে এক বিঘা কৃষি জমি বন্দক নিয়েছেন। এবার সেই জমিতে ধান চাষ করেছেন। এখন আর মনোয়ারার স্বামী সিরাজুল খন্দকার বাড়ীতে বসে থাকেনা, তিনি গরু বেচা কেনারও কাজ করেন।

মনোয়ারার স্বামী সিরাজুল খন্দকার জানান, এনজিও  সমিতি থেকে তার স্ত্রী ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে আজ তার পরিবার ভালই আছেন। ১৫ সালে তারা অনেক খারাপ সময় পার করেছে। ঠিক সেই সময় তাদের পাশে এসে দা৭ড়িয়েছে এটি।

এনজিও সংস্থা উত্তরণ এর ম্যানেজার শেখ রিয়াজুল ইসলাম জানান, মনোয়ারা শুকতারা সমিতি থেকে ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে গরু-ছাগল ও হাস-মুরগী পালন শুরু করেন। তিনি কয়েক বার তার বাড়ীতে গিয়েছেন। পরিবারের সদস্যরা সকলেই পরিশ্রমী। ১৫ সালে ক্ষুদ্র ঋণ নিলেও অদ্যবদি এক বারও ঋণ খেলাপি করেননি মনোয়ারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৯, ২০২১ ৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
লকডাউনে হৃষ্টপুষ্ট সাফারি পার্কের পশু-পাখি
প্রাণ ও প্রকৃতি

করোনায় মানুষে চলমান কাজ থেমে গেলেও থেমে যাইনি পশু পাখির সতেজতা। কারণ পশু পাখির জন্য উপযুক্ত পরিবেশ হলো নির্মল প্রকৃতি। আর করোনার বিধিনিষেধের মাঝে পশু-পাখি পাচ্ছে তার শতভাগ।ঠিক তেমনি কারণে শেখ মুজিব সাফারি পার্ক। প্রকৃতির নির্জনতায় বেড়েছে প্রাণীদের প্রজনন সক্ষমতা। প্রাণীদের নিয়মিত পরিচর্যার কারণে মোটাতাজাও হয়ে উঠেছে পশু পাখি। তাদের ঘরেও এসেছে অনেক নতুন অতিথি। লকডাউনের এ সময়ে মৃত্যু কিংবা অসুস্থতার শিকার হয়নি প্রাণী।

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তবিবুর রহমান জানান, দুই দফা লকডাউনে আট মাসের বেশি বন্ধ রাখা হয় পার্কটি। এসময় বেশ কিছু প্রাণী বাচ্চা প্রসব করেছে।

দ্বিতীয় ধাপের লকডাউনে পার্কে জেব্রার ৫টি, চিত্রা হরিণের ১৩টি, ওয়াইন্ড বিস্টের ৬টি, উট পাখির ১১টি, ইমু পাখির ৫টি এবং ময়ুরের ১১টি বাচ্চা এসেছে।

প্রাণীদের প্রজনন ও বিশেষ পরিচর্যার কথা বিবেচনা করে প্রতি বছর তুলনামূলক কম দর্শনার্থী আসার সময় অর্থাৎ মার্চ থেকে থেকে মে এই তিনমাস পার্ক বন্ধ রাখার জন্য ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছে সুপারিশ পাঠানোর কথা জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।

অতিরিক্ত জনসমাগমের কারণে বন্যপ্রাণীরা মানুষের ওপর বেশ বিরক্ত। করোনার সময়ে সে জায়গায় তারা বেশ খানিকটা স্বস্তি পেয়েছে। কেবল বন্যপ্রাণী নয়, যেসব প্রাণী খাঁচায় ছিল তাদের আচরণেও এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন। এটা ধরে রাখতে পারলে একদিকে যেমন বাড়বে প্রাণীদের সংখ্যা অন্যদিকে দর্শনার্থীরা পাবেন বাড়তি আনন্দ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৮, ২০২১ ৫:২০ অপরাহ্ন
মান্দায় উদ্ধার চোরাই গরু, আটক-২
প্রাণিসম্পদ

নওগাঁর মান্দা উপজেলার বর্দ্দপুর গ্রাম থেকে চুরি যাওয়া তিনটি গরুসহ চোর সিন্ডিকেটের ২ সদস্যকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে জয়পুরহাট নতুন গরুবাজার হাট থেকে গরুসহ তাদের আটক করে পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন, জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার তিলবাদুল কামারবাড়ি গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে আকতার আলম প্রাং (৪৮) ও তিলবাদুল সাকিদারপাড়া গ্রামের ইছার উদ্দিনের ছেলে সাহাদত আলী (৫৮)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে উপজেলার মৈনম ইউনিয়নের বর্দ্দপুর গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেন সাবুর বাড়ি থেকে তিনটি গরু চুরি যায়। এরপর শনিবার সকালে গরুমালিক সাবু জয়পুরহাট সদরের নতুনহাটে গিয়ে গরুগুলো শনাক্ত করেন। পরে মান্দা থানা পুলিশ জয়পুরহাট সদর থানা পুলিশের সহায়তায় গরুসহ দুইচোরকে আটক করে।

গৃহকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন সাবু জানান, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে খাবার খেয়ে তাঁরা ঘুমিয়ে পড়েন। শনিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে শয়নঘর থেকে বের হতে গিয়ে বুঝতে পারেন বাইরে থেকে ঘরের দরজা বন্ধ। বিষয়টি মুঠোফোনে প্রতিবেশি ভোলাকে জানালে তিনি এসে দরজা খুলে দেন। এরপর গরু চুরির বিষয়টি তাঁরা জানতে পারেন।

তিনি আরো বলেন, চোরের বাড়ির প্রাচীর টপকে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে সদর দরজার তালা কেটে সেডে থাকা গাভী-বাছুর ও একটি বকনা গরু চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি যাওয়া গরুগুলোর মূল্য এক লাখ টাকা হবে বলে দাবি করেন তিনি।

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর রহমান বলেন, চুরি যাওয়া গরুগুলো জয়পুরহাট সদরের নতুনহাট থেকে গরুগুলো উদ্ধারসহ আকতার আলম ও সাহাদত আলীকে আটক করা হয়েছে। ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৭, ২০২১ ৫:২৯ অপরাহ্ন
ছাগল পালনে লাভ পেতে খামারিদের করণীয়
প্রাণিসম্পদ

আমাদের দেশে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ব্যাপকহারে ছাগল পালন করা হয়ে থাকে। ছাগল পালনের মাধ্যমে অনেকেই অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। তবে লাভজনক উপায়ে ছাগল পালনে খামারিদের করণীয় কি সে বিষয়ে অনেকেরই তেমন কোন ধারণা নেই।

লাভজনক উপায়ে ছাগল পালনে খামারিদের করণীয়:
ছাগল পালনে লাভবান হওয়ার জন্য খামারে তুলনামূলকভাবে সহজলভ্য খাদ্য উপকরণ দিয়ে খাদ্য তৈরি করতে হবে। আর যদি সম্ভব হয় তাহলে যে খাদ্য তালিকা তৈরি করছেন তার পুষ্টিগুণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে হবে। খামারে ভালো ও স্বাস্থ্যবান ছাগলগুলোকে বাচ্চা উৎপাদনের জন্য নির্বাচন করতে হবে। কারণ ভালো মানের বাচ্চা পাওয়ার জন্য ভালো জাতের ছাগল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ছাগলের খামারে যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ আলো ও বাতাস চলাচল করতে পারে সেভাবেই খামার নির্মাণ করতে পারে। আলো ও বাতাস ঠিকমতো চলাচল করতে না পারলে ছাগল অসুস্থ হবে। ছাগল সুস্থ না থাকলে খামারের উৎপাদন কমে যাবে এবং খামারের খরচ বেড়ে যাবে।

ছাগলের খামারে বিভিন্ন রোগের টিকা সময়মতো দিতে হবে। সময়মতো ছাগলের টিকা প্রদান করা না হলে ছাগল নানা জটিল রোগের দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। তাই ছাগলের খামারে নিয়মিত প্রয়োজনীয় রোগের টিকা প্রদান করতে হবে। ছাগলের খামারে বাচ্চা উৎপাদনের জন্য যে পাঁঠা দিয়ে ব্রিড করানো হবে সেই পাঁঠার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে হবে। এছাড়াও ঐ পাঁঠা দিয়ে আগে যেসব বাচ্চা উৎপাদন হয়েছে সেই বাচ্চাগুলো কেমন হয়েছে সেই বিষয়েও ভালোভাবে জেনে নিতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৭, ২০২১ ১১:২১ পূর্বাহ্ন
কুকুরের দুধ খেয়ে বেড়ে উঠছে বিড়ালের বাচ্চা!
প্রাণিসম্পদ

দু‘টো বাচ্চা প্রসব করার পর মারা যায় মা বিড়ালটি। মা মারা যাওয়ায় দুধের অভাবে মারা যায় একটি বিড়াল ছানা। বেঁচে থাকা অন্য বিড়ালটিকে বাঁচাতে ছুটে আসে একটি কুকুর।সেই কুকুরটি শুরু থেকেই বিড়াল বাচ্চাটিকে দুধ খাওয়াচ্ছে। এভাবে ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছে মা হারা বিড়াল বাচ্চাটি।

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে পল্লী চিকিৎসক শ্রী আশিষ চন্দ বর্মণের বাড়ির উঠানে এমন চিত্র দেখা গেছে। দেখা যায়, মা হারা একটি বিড়াল বাচ্চাকে দুধ খাওয়াচ্ছে একটি কুকুর। যেন মাতৃস্নেহ-মমতা সব কিছু দিয়েই আঁকড়ে ধরে রেখেছে কুকুরটি। বিড়াল বাচ্চাটিও পরম আগ্রহে কুকুরের দুধ পান করছে অনায়াসে।

আশিষ চন্দ্র জানান, ‘মমতাময়ী কুকুরটা অনেক দিন যাবৎ এভাবেই বিড়াল বাচ্চাটাকে বুকের দুধ পান করিয়ে আসছে। এতে ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছে বিড়াল বাচ্চাটি।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল জলিল জানান, এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এটি শুধু এক প্রাণির সঙ্গে অন্য প্রাণির ভালোবাসা।

স্থানীয় ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন জানান, ঘটনাটি প্রথমে বিরল মনে হয়। পরে আমি নিজে ওই বাড়িতে গিয়ে দেখি বিড়ালের বাচ্চাটি কুকুরের দুধ খাচ্ছে। এ যেনো কুকুর-বিড়ালের অন্যরকম মমতা ও ভালোবাসা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৭, ২০২১ ১২:৪২ পূর্বাহ্ন
জুরাছড়িতে বজ্রপাতে ৫ গরুর মৃত্যু!
প্রাণিসম্পদ

রাঙামাটি জুরাছড়ি উপজেলায় বজ্রপাতে পাঁচটি গরু মৃত্যু হয়েছে । ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার জুরাছড়ি উপজেলার বনযোগীছড়া ইউনিয়নের দুর্গম বাদল পড়া (শুকনাছড়ি) গ্রামে। ৫টি গরু দাম আনুমানিক ২ -৩ লক্ষ টাকা বলে জানা যায়।

এলাকাবাসীরা জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ধুলকুলছড়া ও পাঁচপতিমাছড়া জলবায়ু সহনশীল কমিটির সভাপতি সন্তোষ বিকাশ চাকমা তার নিজস্ব এসব গরু নিয়মিত ভাবে গোয়ালে বাঁধে। সন্ধ্যায় হঠাৎ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে ঘটনাস্থলেই গরু গুলো মাটিতে লুটিয়ে পড়ে মারা যায়। ৫টি গরু দাম আনুমানিক ২ -৩ লক্ষ টাকা বলে জানা যায়।

গরুর মালিক জানান, আমার সবই শেষ। আমি বিশাল ক্ষতিগ্রস্ত হলাম। প্রশাসনের সহযোগিতার অনুরোধ জানান তিনি। বনযোগীছড়া ইউপি চেয়ারম্যান সন্তোষ বিকাশ চাকমা জানান, খবর পেয়ে সকালে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করা হয়েছে।

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ৫টি গরু ৩ লক্ষ টাকা বাজার মূল্য হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিতেন্দ্র কুমার নাথ জানান, বজ্রপাতে সন্তোষ বিকাশ চাকমা নামের এক কৃষকের পাঁচটি গরু মারা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৬, ২০২১ ৭:৩৭ অপরাহ্ন
একটি দিয়ে শুরু করে ৩৯টি ছাগলের মালিক রোজিনা
প্রাণিসম্পদ

বাড়ির ছাদে ছাগল পালন করে স্বাবলম্বী হয়েছেন গাইবান্ধা গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার দুর্গাপুর এলাকার রোজিনা বেগম (৩০)। মাত্র একটি ছাগল দিয়ে খামার শুরু করে এখন তিনি ৩৯টি ছাগল পালন করছেন ছাদে। ছাগলের লালন পালনের সব কাজ ছাদেই করেন। পাশাপাশি একই বাড়িতে হাঁস-মুরগি, কবুতর এবং গরুও পালন করছেন তিনি।

জানা যায়, সাত শতক বসতভিটায় রোজিনার একতলা পাকা বাড়ি। ছাদে ছাগলের খামার। একটি কক্ষে হাঁস-মুরগি, একটি কক্ষে কবুতর। আরেকটি কক্ষে গরু-বাছুর। দুটি কক্ষে তারা থাকেন। জনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত বাড়িটি যেন পশুপাখিদের অভয়ারণ্য। তার খামারে দুইজন নারীর কর্মসংস্থান হয়েছে।

রোজিনার স্বামী সাইফুল ইসলাম মালেশিয়া প্রবাসী। দীর্ঘ ১২ বছর ধরে তিনি সেখানে থাকেন। একমাত্র মেয়ে শিখা খাতুন দশম শ্রেণীতে পড়ছে। দুর্গাপুরের বাড়িতে মা ও মেয়ের সংসার। মেয়ে বিদ্যালয়ে গেলে মা একাকী হয়ে পড়তেন। অবসর সময় একা কাটে না। ২০১৬ সালের মাঝামাঝি শিখা খাতুন উপবৃত্তি পায় ১ হাজার ৩০০ টাকা। পুরো টাকা দিয়ে একটি ছাগল কিনেন।

প্রথমবরাই ছাগলটি তিনটি বাচ্চা দেয়। এভাবেই গত পাঁচ বছরে তার খামারে ছাগলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭টি। মাঝে মাঝে ছাগল বিক্রি করে শিখার লেখাপড়াসহ অন্যান্য খরচ চলে। বর্তমানে তার খামারে ৩৯টি ছাগল রয়েছে।

এ দিকে ছাগল পালন লাভজনক হওয়ায় রোজিনা একই বাড়িতে হাঁস-মুরগি, কবুতর এবং গরুও পালন শুরু করেন। বর্তমানে তার বাড়িতে ১৫০টি কবুতর, দুটি গরু, ৫৫টি হাঁস-মুরগি রয়েছে। এসব থেকেও তার আয় হচ্ছে। খামারের আয় দিয়ে তার সংসার চলে। প্রবাসী স্বামীর আয় মেয়ের বিয়ে এবং ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করছেন। ছাগল পালনের সাফল্যের জন্য উপজেলা প্রাণিসম্পদ থেকে রোজিনা বেগম সেরা ছাগল খামারি হিসেবে পুরস্কারও পেয়েছেন।

দুর্গাপুর এলাকার বাসিন্দা ফজেল হোসেন জানান, আমরা পুরুষ মানুষ হয়ে যা পারিনি, রোজিনা আপা সেটা করেছে। পশুপাখি বিক্রির সময় তাকে আমরা সহায়তা করি।

রোজিনা বেগম জানান, বাড়ির ছাদে কাপড় শুকানো ছাড়া কোনো কাজ হতো না। সেই ছাদে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরামর্শে তিনি ছাগল পালন করছেন। দিনে খোলা ছাদে ছাগল ঘুরে বেড়ায়। রাতে ছাদের একপাশে টিনের চালার নিচে ছাগল রাখা হয়। খাবার ও পরিচর্যা ছাদেই চলে।

তিনি আরও জানান, একসময় সময় কাটানোর জন্য ছাগল পালন করতাম। এখন এই ব্যবসা লাভজনক হয়েছে। বুদ্ধি খাটিয়ে যে কেউ পরিশ্রম করলে সাফল্য অর্জন করতে পারে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মাছুদার রহমান সরকার জানান, ওই খামারিকে ছাগল পালনে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। বিনামূল্যে তার খামারের পশুপাখিদের চিকিৎসা সহায়তা দেয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৬, ২০২১ ১১:০০ পূর্বাহ্ন
উন্নত পদ্ধতিতে যেভাবে তৈরি করবেন গোবর সার
প্রাণিসম্পদ

জৈব সার তৈরী ও সংরক্ষণের ব্যাপারে প্রত্যেক কৃষক ভাইয়ের যত্নবান হওয়া উচিত। কেবল উদ্যোগ নিয়েই নিজস্ব সম্পদ কাজে লাগিয়ে প্রায় বিনা খরচে জৈব সার তৈরী করা সম্ভব। আজকে জানবো কিভাবে আপনি তৈরি করবেন গোবর সার।

উন্নত পদ্ধতিতে যেভাবে তৈরি করবেন গোবর সার:

গোয়াল ঘরের কাছাকাছি সামান্য উঁচু স্থান বেছে নিয়ে ১.৫মিটার চওড়া, ৩ মিটার লম্বা ও ১মিটার গভীর গর্ত তৈরী করুন।গোবরের পরিমাণ বুঝেগর্ত ছোট, বড় বা একাধিক গর্ত করতে পারেন।

গর্তের তলা ভালোভাবে পিটিয়ে সেখানে খড়/কাঁকর/বালি বিছিয়েনিন যাতে পানি সহজে শুষে নিতে পারে অথবা গর্তের তলা এবং চারপাশে গোবর দিয়ে ভালভাবেলেপে নিতে পারেন।গর্তের চারিদিকেই তলদেশের দিকে একটু ঢালু রাখতে হবে এবংগর্তের উপরে চারপাশে আইল দিয়ে উঁচু করে রাখতে হবে যেন বর্ষার পানি গর্তে যেতে নাপারে।

গর্তের পাশ থেকেগোবর ফেলে গর্তটি ভরতে থাকুন অথবা গর্তটিকে কয়েকটি ভাগেভাগ করে কয়েক দিনে এক একটিঅংশ ভরে পুরো গর্ত ভরাট করা ভালো।

গর্তে গোবর ফলারফাঁকে ফাঁকে পুকুর বা ডোবার তলার মিহি মাটি ফেলুন, এতে স্তর আঁটসাট হয়এবং সার গ্যাস হয়ে উবে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। প্রায় দেড় মাস পর সারের গাদা ওলটপালট করে দিতেহবে।যদিগাদা শুকিয়ে যায় তবে গো-চনা দিয়ে ভিজিয়ে দিন কারণ, গো-চনাও একটিউৎকৃষ্টসার।

গোবরের সাথে টিআসপি (ঞঝচ) ব্যবহার করলে জৈব সারের মান ভালো হয়।গোবরের গাদার প্রতি টনের জন্য ১৫-২০ কেজিটিএসপি ব্যবহার করতে পারেন।

কড়া রোদে গোবর যেনশুকিয়ে না যায় আবার বৃষ্টিতে ধুয়ে না যায় সে জন্য গাদার ওপরে চালা দিয়েদিন।খড়, খেজুর পাতা কিংবা তালপাতা দিয়ে কম খরচে এই চালা তৈরী করতেপারেন।

এমনিভাবে সংরক্ষণের ২ মাসের মধ্যেইগোবর পচে উত্তম মানের সার তৈরী হয় যা পরবর্তীতে জমিতে ব্যবহার করার উপযোগীহয়।জৈবসার ব্যবহার করে রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভশীলতা কমিয়ে আনুন এবং পরিবেশ সংরক্ষণেসচেষ্ট হন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৬, ২০২১ ৯:৩৬ পূর্বাহ্ন
গাজীপুরে গরু ব্যবসায়ীদের ১৩ লাখ টাকা লুট, গ্রেপ্তার ৪
প্রাণিসম্পদ

গাজীপুরে গরু ব্যবসায়ীদের ১৩ লাখ টাকা লুটের ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নাটোর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও সাভারের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৫ দিন পর চারজনকে গ্রেফতার করেছে ।

বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) বিকেলে গাজীপুর পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গ্রেফতাররা হলেন- নাটোরের সিংরাই থানার বনপুরী গ্রামের রজব আলী (৩০), একই গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম (২৩), নাটোর সদর থানার লক্ষ্মীপুর খোলাবাজার এলাকার আবুল বাশার ওরফে বাদশা (৪৫) ও রাজশাহীর বেলপুকুর থানার মহেলদা গ্রামের মাইনুল ইসলাম (৩০)।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ বলেন, ঈদের আগের দিন গত ২০ জুলাই (মঙ্গলবার) মনজুরুল হকসহ ছয় ব্যবসায়ী ময়মনসিংহের গফরগাঁও থেকে ১৪ টি গরু নিয়ে ঢাকায় যাত্রা করেন। সেখানে ১৩ লাখ টাকায় গরুগুলো বিক্রির পর ট্রাকে করে বাড়িতে রওনা দেন। গাজীপুরের সালনা ব্রিজের কাছে পৌঁছালে ডাকাতরা তাদের মারধর করে টাকাসহ মোবাইল লুট করে নিয়ে যান।

এ ঘটনায় জয়দেবপুর থানায় একটি মামলা হয়। পুলিশ অভিযান চালিয়ে নাটোর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও সাভারের বিভিন্ন এলাকা থেকে চারজন গ্রেফতার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে এক লাখ টাকা ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ট্রাকটি জব্দ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন, গাজীপুর গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop