৩:৩৫ পূর্বাহ্ন

শনিবার, ১৪ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুলাই ১৬, ২০২১ ৩:৩০ অপরাহ্ন
যার উপর কোরবানি ওয়াজিব
প্রাণিসম্পদ

প্রাপ্তবয়স্ক, সুস্থ মস্তিষ্কসম্পন্ন প্রত্যেক মুসলিম নর-নারী, যে ১০ জিলহজ ফজর থেকে ১২ জিলহজ সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হবে তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব।

টাকা-পয়সা, সোনা-রুপা, অলংকার, বসবাস ও খোরাকির প্রয়োজনে আসে না এমন জমি, প্রয়োজন অতিরিক্ত বাড়ি, ব্যবসায়িক পণ্য ও অপ্রয়োজনীয় সব আসবাবপত্র কোরবানির নেসাবের ক্ষেত্রে হিসাবযোগ্য।

আর নেসাবের পরিমাণ হলো সোনার ক্ষেত্রে সাড়ে সাত (৭.৫) ভরি, রুপার ক্ষেত্রে সাড়ে বায়ান্ন (৫২.৫) ভরি। টাকা-পয়সা ও অন্যান্য বস্তুর ক্ষেত্রে এসবের মূল্য সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপার মূল্যের সমপরিমাণ হওয়া। আর সোনা বা রুপা কিংবা টাকা-পয়সা এগুলোর কোনো একটি যদি পৃথকভাবে নেসাব পরিমাণ না থাকে কিন্তু প্রয়োজন অতিরিক্ত একাধিক বস্তু মিলে সাড়ে বায়ান্ন তোলা রুপার মূল্যের সমপরিমাণ হয়ে যায় তাহলেও তার ওপর কোরবানি করা ওয়াজিব। আল মুহিতুল বুরহানি : ৮/৪৫৫

আরো পড়ুন : জেনে নিন কোরবানির পশুর বয়সসীমা

নেসাবের মেয়াদ:
কুরবানীর নেসাব পুরো বছর থাকা জরুরি নয়; বরং কুরবানীর তিন দিন থাকলে এমনকি ১২ তারিখ সূর্যাস্তের কিছু আগে নেসাব পরিমাণ সম্পদের মালিক হয়ে গেলেও কুরবানী ওয়াজিব হবে।-বাদায়েউস সানায়ে ৪/১৯৬, রদ্দুল মুহতার ৬/৩১২)

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৬, ২০২১ ১২:০৭ অপরাহ্ন
জেনে নিন কোরবানির পশুর বয়সসীমা
প্রাণিসম্পদ

ইসলাম সার্বজনীন জীবন ব্যবস্থার নাম। ইসলামে সবকিছুর রয়েছে নির্ভূল এবং শৃঙ্খল সমাধান। কোরবানির পশুর বয়সেরও রয়েছে সঠিক সমাধান। আজ জানবো কোরবানির পশুর বয়সসীমা সম্পর্কে।

কোরবানির পশুর বয়সসীমা:

মাসআলা : উট কমপক্ষে ৫ বছরের হতে হবে। গরু ও মহিষ কমপক্ষে ২ বছরের হতে হবে। আর ছাগল, ভেড়া ও দুম্বা কমপক্ষে ১ বছরের হতে হবে। তবে ভেড়া ও দুম্বা যদি ১ বছরের কিছু কমও হয়, কিন্তু এমন হৃষ্টপুষ্ট হয় যে, দেখতে ১ বছরের মতো মনে হয় তাহলে তা দ্বারাও কুরবানী করা জায়েয। অবশ্য এক্ষেত্রে কমপক্ষে ৬ মাস বয়সের হতে হবে।

উল্লেখ্য, ছাগলের বয়স ১ বছরের কম হলে কোনো অবস্থাতেই তা দ্বারা কুরবানী জায়েয হবে না। -ফাতাওয়া কাযীখান ৩/৩৪৮; বাদায়েউস সানায়ে ৪/২০৫-২০৬

মাসআলা : উট, গরু, মহিষ সাত ভাগে এবং সাতের কমে যেকোনো সংখ্যা যেমন দুই, তিন, চার, পাঁচ ও ছয় ভাগে কুরবানী করা জায়েয। অর্থাৎ কুরবানীর পশুতে এক সপ্তমাংশ বা এর অধিক যে কোন অংশে অংশীদার হওয়া জায়েয। এক্ষেত্রে ভগ্নাংশ- যেমন, দেড় ভাগ, আড়াই ভাগ, সাড়ে তিন ভাগ হলেও কোনো সমস্যা নেই। -সহীহ মুসলিম, হাদীস ১৩১৮; বাদায়েউস সানায়ে ৪/২০৭

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৬, ২০২১ ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন
বাসে করে বাড়ি গেল কোরবানির গরু (ভিডিও)
প্রাণিসম্পদ

আসন্ন কোরবানির ঈদ তথা ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ৪৬টি শর্ত মেনে এবার ঢাকাসহ সারাদেশে কোরবানির গরুর হাট বসেছে৷ ১৭ জুলাইর আগে গরুর হাট বসানো যাবে না বলে শর্ত দেওয়া হয়েছে৷ কিন্তু হাটে গরু আনা শুরু হয়েছে ১০ দিন আগেই৷ এই সুযোগে অনেকেই শখের গরু কিনেও ফেলছেন। গরু কিনার পর তা বাড়ি নিয়ে যাওয়া নিয়েও ক্রেতাদের মাঝে দেখা যায় নানা রকম হতাশা। কেউতো আবার গরু বাসে করেই নিয়ে যাচ্ছেন বাড়ি।

টানা লকডাউনের কারণে রাজধানীতে গরু আনা-নেওয়ায় জন্য পরিবহণ সংকট চলছে। তবুও গরু কিনে বাড়িতে আনার জন্য বিকল্প উপায় অবলম্বন করছেন কেউ কেউ।বৃহস্পতিবার এমনটাই দেখা গেল রাজধানী ঢাকায়। গরু আনার জন্য পরিবহণ না পেয়ে যাত্রীবাহি বাসের যাত্রীর বানিয়ে গরুকে নিয়ে আনলেন ক্রেতা।

ঘটনাটির ভিডিও রীতিমতো ফেসবুকে ভাইরাল। ভাইরাল সেই ভিডিওতে দেখা গেছে, গাবতলী থেকে সদরঘাট রুটের ৮ নম্বর বাসে চড়িয়ে গরুকে নিয়ে এলেন ক্রেতা। বাস থেকে গরু নামতে দেখে উৎসুক জনতা ভিড় জমায়। অনেকে ভিডিও করেন। গরুটি বাস থেকে প্রথমে নামতেই চাইছিল না। চার-পাঁচজনের জোরজবরদস্তিতে গলার রশি টেনে, পিঠ চাপড়িয়ে একে বাস থেকে নামানো হয়।

ক্রেতারা জানান, ভ্যানম পিকআপ মেলেনি। তাই বাসেই আনতে হলো। গাবতলী থেকে কিনেছেন তারা। ১ লাখ ১০ হাজার টাকা গরুটির দাম বলে জানান ক্রেতারা।

ভিডিওটি দেখতে ক্লিক করুন এখানে: বাসে করে বাড়ি গেল কোরবানির গরু

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৫, ২০২১ ৭:২২ অপরাহ্ন
১৩ দিনে দুই লাখের বেশি পশু বিক্রি অনলাইনে!
প্রাণিসম্পদ

করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় কঠোর বিধিনিষেধের মাঝে চলছে অনলাইনে ক্রয়-বিক্রয়। দেশে এ বছর কোরবানির পশু রয়েছে ১ কোটি ১৯ লাখ ১৬ হাজার ৭৬৫টি। গত ২ জুলাই থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত ১৩ দিনে দুই লাখের বেশি পশু বিক্রি হয়েছে অনলাইনে। যার বাজার মূল্য প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকারও বেশি। বিভিন্ন অনলাইন বাজারে কোরবানির পশুর ছবি আপলোড হয়েছে ১৪ লাখ ৫৫ হাজার ৬৬০টি। প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের কোরবানিযোগ্য পশু বিক্রয় কার্যক্রম অগ্রগতির সর্বশেষ প্রতিবেদনে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

সূত্র জানায়, বুধবার একদিনেই ২৯ হাজার ৯৭টি পশু বিক্রি হয়েছে ১৮৩ কোটি আট লাখ ৪৬ হাজার ২৮৬ টাকায়। আর গত ১৩ দিনে মোট ২ লাখ ১৩ হাজার ৯৯৩টি পশু বিক্রি হয়েছে, যার বাজারমূল্য এক হাজার ৫১১ কোটি ৭৭ লাখ ৯৫ হাজার ৮২২ টাকা। মোট বাজারের সংখ্যা এক হাজার ৭৭৮টি।

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের দেওয়া তথ্য থেকৈ জানা যায়, অনলাইনে পশু বিক্রিতে সবচেয়ে বেশি এগিয়ে চট্টগ্রাম বিভাগ। এ বিভাগে মোট এক লাখ ২৬ হাজার ৪৬৫টি পশু বিক্রি হয়েছে, যার বাজারদর ৮৯৪ কোটি ৪৩ লাখ ১৪ হাজার ৯৪৮ টাকা।

পরের স্থানে রয়েছে ঢাকা বিভাগ। এ বিভাগে এখন পর্যন্ত ২৫ হাজার ৮৫১টি পশু বিক্রি হয়েছে ২৬১ কোটি ৪২ লাখ ৪৮ হাজার ১৪৭ টাকায়।

রাজশাহী বিভাগে ২৯ হাজার ৩০০ গবাদি পশু বিক্রি হয়েছে ১৬২ কোটি ২১ লাখ ৬৬ হাজার ৯৯ টাকায়। খুলনা বিভাগে আট হাজার ১৪৮টি কোরবানির পশু বিক্রি হয়েছে ৫৩ কোটি ৫৪ লাখ এক হাজার ২০০ টাকায়। বরিশাল বিভাগে এক হাজার ৩৮৭টি গবাদি পশু বিক্রি হয়েছে নয় কোটি ৮৭ লাখ ৭২ হাজার ৪০০ টাকায়।

সিলেট বিভাগে দুই হাজার ২৫২টি কোরবানির পশু বিক্রি হয়েছে ১৩ কোটি ৪২ লাখ ৭৩ হাজার ৫২৮ টাকায়। রংপুর বিভাগে ১৯ হাজার ৯২৫টি পশু বিক্রি হয়েছে ১১১ কোটি আট লাখ ৮২ হাজার ৮৫০ টাকায়। ময়মনসিংহ বিভাগে ৬৬৫টি পশু বিক্রি হয়েছে পাঁচ কোটি ৭৭ লাখ ৩৫ হাজার ৭৫০ টাকায়।

মোট দুই লাখ ১৩ হাজার ৯৯৩টি পশু বিক্রি হয়েছে। এর মধ্যে গবাদিপশুর সংখ্যা এক লাখ ৬৭ হাজার ৭২৯টি এবং ছাগল ও ভেড়া রয়েছে ৪৬ হাজার ২৬৪টি। সবমিলিয়ে কোরবানির মোট বাজারমূল্য এক হাজার ৫১১ কোটি ৭৭ লাখ ৯৫ হাজার ৮২২ টাকা।

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের সম্প্রসারণ শাখার পরিচালক ডা. দেবাশীষ দাশ জানান, সারাদেশে ৪৯৫টি উপজেলায় আমাদের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা অনলাইনে পশু বিক্রির কার্যক্রমে খামারিদের সহায়তা করছেন। কোনো খামারি চাইলে স্থানীয় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করে তাদের পশু অনলাইনে বিক্রি করতে পারেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৫, ২০২১ ৬:৪৮ অপরাহ্ন
‘এক ক্লিকে হাট থেকে হাতে’
প্রাণিসম্পদ

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের ডিজিটাল হাট-এর স্লোগান হচ্ছে, ‘এক ক্লিকে হাট থেকে হাতে’। সেখানে বিভিন্ন অনলাইন হাট থেকে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে দেশি-বিদেশি নানা জাতের পশু বাছাই করা যাবে।

ডিজিটাল হাটে যেসব অনলাইন শপ রয়েছে সেগুলো থেকে পশু পছন্দ করে অনলাইনে পেমেন্ট দিয়ে কুরবানির পশু ক্রয় করা যাবে।গরুর পাশাপাশি ছাগল, ভেড়া, উট, দুম্বা, মহিষ-সবই রয়েছে এই ডিজিটাল হাটে। রয়েছে জেলা ভিত্তিক আলাদা হাটের লিংকও।

এছাড়া বাংলাদেশের কোন প্রান্তে কোন হাট কখন বসে সেই তথ্যও পাওয়া যাবে এই হাটে।

এদিকে ডিজিটাল হাট থেকে গরু কেনার পর সেটি ক্রেতার বাড়িতে পৌঁছে দেবেন বিক্রেতা। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত গরু বেচা-কেনা হবে এই হাটে। এমনকি এই হাট থেকে গরু কেনার পর সেটি জবাই এবং প্রক্রিয়া ও প্যাকেট জাত করে ক্রেতার বাসায় পৌঁছে দেয়ার ব্যবস্থা করা হয়।

বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের জেনারেল সেক্রেটারি শাহ ইমরান জানান, শুধু ক্রেতার বাসায় নয় বরং মাংস যাদের মধ্যে বণ্টন করা হবে ঠিকানা দিলে তাদেরও ঘরে পৌঁছে দেয়ার মতো সেবা দিয়ে থাকে তার প্রতিষ্ঠান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৫, ২০২১ ২:১০ অপরাহ্ন
২০টি দিয়ে শুরু করে একবছরে ২৫০ গরু-মহিষের মালিক এরশাদ
প্রাণিসম্পদ

২০টি গরু দিয়ে শুরু করে এক বছরের ব্যবধানে এখন প্রায় ২৫০টি গরু-মহিষের মালিক কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার রৌহা গ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা এরশাদ উদ্দিন।

জানা যায়, এরশাদ ২০২০ সালে করোনা মহামারি সংক্রমণে ২০টি গরু দিয়ে খামার শুরু করে বর্তমানে ২৫০টির মতো গরু-মহিষের মালিক। প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাজা করায় এক বছরের মধ্যেই তার খামারের সুনাম ছড়িয়ে পড়েছে দেশের বিভিন্ন স্থানে। এ বছর কোরবানির ঈদ সামনে রেখে এরশাদ উদ্দিনের জেসি এগ্রো খামার থেকে এরই মধ্যে দুই কোটি ৪৫ লাখ টাকায় ১১০টি গরু বিক্রি হয়েছে।

গত মঙ্গলবার এসব গরু ট্রাকে চট্টগ্রামে নেওয়া হয়। আকৃতি অনুযায়ী এখানে দেড় থেকে চার লাখ টাকা দামের গরু রয়েছে। খামারে আরও ৭০টি বড় আকারের গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত আছে।

খামার মালিক এরশাদ উদ্দিন জানান, বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ হওয়ায় তার খামারের সুনাম দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে পড়েছে। বিভিন্ন জেলা থেকে রুচিশীল ক্রেতা ও পাইকাররা আসছেন। অনেকে ফোনে যোগাযোগ করে ছবিও নিয়েছেন। এরই মধ্যে খামারের ১১০টি গরু বিক্রি হয়েছে।

গরুগুলোর সাইজ বিবেচনায় ৭০ হাজার থেকে চার লাখ টাকায় বিক্রি করেছি। আরও ৭০ থেকে ৯০টি বড় আকারের গরু বিক্রির জন্য প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আশা করি, ভালো দাম পাবো।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম জানান, খামারটি পরিদর্শন করেছি। খুবই সুন্দর ও পরিপাটিভাবে সাজানো। আমাদের পক্ষ থেকে খামারের সার্বিক খোঁজখবর রাখা হয়। খামারের কর্মীদেরও প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। অর্গানিক পদ্ধতিতে দেশীয় শংকর জাতের গরু-মহিষ লালনপালন বেশ লাভজনক। এগুলোর মাংসও মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য নিরাপদ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৫, ২০২১ ১:৩৬ অপরাহ্ন
ছাগলের কৃমি দমনে যা করবেন
প্রাণিসম্পদ

ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন বাংলাদেশের খামারীদের ভাগ্যবদলের অন্যতম পাথেয়। ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের মাংস যেমন সুস্বাদু, চামড়া তেমনি আন্তর্জাতিকভাবে উন্নতমানের বলে স্বীকৃত। তবে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলেও নিতে হয় আলাদা যত্ন। বিশেষ করে কৃমি দমনে কার্যকরী পদক্ষেপ খামারীদের জন্য বেশ উপকারী।

ছাগলের বাচ্চার কৃমি দমনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ:

কৃমি দমন : কৃমি ছাগলের মারাত্মক সমস্যা। বয়স্ক ছাগল ও বাচ্চার কৃমি দমনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, শুধু পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহ ও উন্নত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই আশানুরূপ উৎপাদন পাওয়া যায় না।

কৃমির জন্য উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। কাজেই কাছের প্রাণিসম্পদ হাসপাতাল থেকে ছাগলের মল পরীক্ষা করে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ছাগলকে নিয়মিত কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়াতে হবে।

১-৪ মাস পর্যন্ত বাচ্চা দের কৃমি মুক্ত করার পদ্ধতি:

১। বাচ্চা ছাগল, ভেড়া, গাড়ল:- বিভিন্ন খামারী এরং ছাগল পালন কারীর সাথে আলোচনা করে এবং নিজে অভিজ্ঞতা থেকে একটি সাধারণ বিষয় লক্ষ্যণীয় হল ছাগলের ক্ষেত্রে বাচ্চা জন্মানোর প্রথম ১ মাস বাচ্চা গুলোর দৈহিক বৃদ্ধি ভাল থাকে এবং দেখতে খুব সুন্দর থাকে কৃমি মুক্ত না করা বাচ্চাগুলো দ্বিতীয় মাস থেকেই আস্তে আস্তে দৈহিক বৃদ্ধি এবং সৈন্দর্য কমতে থাকে, দিন দিন শুকিয়ে যায় আর পেটের সাইজ বড় হতে থাকে,খুবই ঘন ঘন পাতলা পায়খানা হয়, আবার পায়খানার সাথে সাদা সাদা ফিতা কৃমি,হুক কৃমি,চাবুক কৃমি বের হতে থাকে ।

বাচ্চাগুলো খুবই দূর্বল হয়ে ধীরে ধীরে হাড় চামড়ার সাথে ভেসে উঠে কিছু বাচ্চা মারা যায় আবার কিছু বাচ্চা বছর পার হলেও শরির স্বাস্হ্য খারাপ হতেই থাকে । আমারা খামারে সাধারণতঃএই সমস্যার সন্মুখিন হচ্ছি বা হতে পারি। সেজন্য নিচের নিয়মে ছাগল,গাড়লের বাচ্চাদের কৃমি মুক্ত করতে পারলে খামার কে লাভবান করা সম্ভব।

বাচ্চাকে ১ মাস বয়স হলে নিওট্যাক্স,বা এক্সট্রাস মানুষের সিরাপ জেনেরিক নেইম লিভামিসোল প্রতি কেজি দৈহিক ওজনের জন্য ১ এমএল হিসেবে খাওয়াতে হবে । (বিঃদ্রঃ কৃমির প্রভাব দেখা দিলে ১৫দিন বয়স থেকেও দেওয়া যেতে পারে।) দুই মাস বয়স পূর্ন হলে এলটিভেট জেনেরিক নেইম লিভামিসোল + ট্রাইক্লাবেন্ডাজল ৪০ কেজি দৈহিক ওজনের জন্য ১ টি ট্যাবলেট হিসেবে খাওয়াতে হবে ।

তিন মাস বয়স হলে এমেকটিন প্লাস জেনেরিক নেইম আইভারমেকটিন + ক্লোরসুলন ২৫ কেজি হিসেবে ১ এমএল চামড়ার নীচে ইঞ্জেকশন দিতে হবে। চার মাস বয়স হলে প্যারাক্লিয়র ফেনবেন্ডাজল গ্রুপের ট্যাবলেট ১০-২০ কেজির জন্য ১ টি । তার ৭-৮ মাস পূর্ণ হলে বড় ছাগলের রুটিনে কৃমি মুক্ত করতে হবে ।

বাচ্চা গাড়ল, ভেড়া, ছাগলের ক্ষেত্রে যেহেতু ১-২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত মায়ের দুধ পান করে তাই কৃমির ঔষধ খাওয়ানোর পর লিভারটনিক না খাওয়াতে পারলে তেমন কোন সমস্যা হবে না আর ৩-৪ মাসে কৃমির ঔষধের দেওয়ার পর লিভারটনিক খাওয়াতে হবে ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৪, ২০২১ ১০:৪০ অপরাহ্ন
কোরবানি পশুর হাটে মানতে হবে যেসব নির্দেশনা
প্রাণিসম্পদ

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে পশুর হাট ব্যবস্থাপনায় নিম্নলিখিত নির্দেশনাসমূহ পালনের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে সরকার।

নির্দেশনাগুলো হলো:

  • আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে অনলাইনের পাশাপাশি যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি এবং সরকারি অন্যান্য নির্দেশনা মেনে কোরবানির পশুর হাট বসাতে হবে।
  • কোরবানির পশুর হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের একমুখী চলাচল থাকতে হবে অর্থাৎ প্রবেশপথ এবং বহির্গমন পথ পৃথক করতে হবে।
  • হাতে পর্যাপ্ত সময় রেখে পশু ক্রয় নিশ্চিত করতে হবে।
  • বৃদ্ধ ও শিশুদের পশুর হাটে প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।
  • পশুর হাটে জাল টাকা সনাক্তরণে সংশ্লিষ্টদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।
  • হাটে আগত সকলে যাতে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে তা নিশ্চিত করতে হবে।
  • হাটে আগত ক্রেতা-বিক্রেতা প্রত্যেকের তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র, হাত ধোয়ার জন্য পর্যাপ্ত বেসিন, পানি এবং জীবাণুনাশক সাবান রাখতে হবে।
  • অনলাইনে পশু ক্রয়-বিক্রয়ে মানুষকে উৎসাহিত করতে হবে। অনলাইনের মাধ্যমে পশু কেনা-বেচার জন্য সকল ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ ও ই-ক্যাবের যৌথ উদ্যোগে এবং এটুআই এর কারিগরি সহায়তায় এ ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। এর আওতায় www.digitalhaat.net প্ল্যাটফর্মে সারাদেশের ২৪১টি ডিজিটাল হাট যুক্ত করা হয়েছে।
  • যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় এমন স্থানে পশুর হাট বসানো যাবে না। এ নির্দেশ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
  • পশুর হাটে সামাজিক দূরত্ব মেনে লাইনে দাঁড়ানো, প্রবেশ ও বের হওয়া নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হবে।
  • সরকার নির্ধারিত স্থানে পশু কোরবানি দিতে হবে।
  • পশু কোরবানির পর ২৪ ঘন্টার মধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষদেরকে বর্জ্য অপসারণের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৪, ২০২১ ১০:১৫ অপরাহ্ন
কোরবানির পশুবাহী যানবাহনের নিরাপত্তা ও ফেরিতে অগ্রাধিকার প্রদানে চিঠি
প্রাণিসম্পদ

কোরবানির পশুবাহী যানবাহনের নিরাপত্তা বিধান ও যানবাহনসমূহকে ফেরি পারাপারে অগ্রাধিকার প্রদানের জন্য চিঠি দিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

আজ বুধবার (১৪ জুলাই) রাজধানীর সচিবালয়ে আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে কোরবানির পশুর বিপণনে বিকল্প বাজার ব্যবস্থাপনা বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক সভা শেষে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগে এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে।

চিঠিতে কোরবানির পশুবাহী যানসমূহ যাতে কোনো চাঁদাবাজি বা হয়রানি ছাড়াই নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারে সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ এবং এ ধরনের যানবাহন যাতে ফেরি পারাপারে ও রাস্তায় অগ্রাধিকার পায় সে বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

অপরদিকে কোরবানির পশু পরিবহন, বিক্রয় ও বিক্রয় পরবর্তীতে গবাদিপশুর ব্যবসায়ীরা যাতে ছিনতাই, ডাকাতি বা কোন প্রকার নিরাপত্তাহীনতায় না পড়েন সে ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য আজ জননিরাপত্তা বিভাগে অপর একটি চিঠি পাঠিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১৪, ২০২১ ৬:১৭ অপরাহ্ন
কোরবানি নিয়ে কোন ধরনের অব্যবস্থাপনা মেনে নেওয়া হবে না: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

আসন্ন ঈদুল আযহায় কোরবানি নিয়ে কোন ধরনের অব্যবস্থাপনা মেনে নেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

বুধবার (১৪ জুলাই) রাজধানীর সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে কোরবানির পশুর বিপণনে বিকল্প বাজার ব্যবস্থাপনা এবং প্রাণিজ পণ্যের বিপণন বিষয়ে মন্ত্রণালয় আয়োজিত এক ভার্চুয়াল সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা জানান।

এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, “পবিত্র ঈদুল আযহা বাঙালিসহ বিশ্বের অন্যান্য মুসলমানদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পর্ব। তবে কোরবানি উদযাপন করতে গিয়ে যাতে আমরা বিপদ ডেকে না আনি সেটা খেয়াল রাখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ডিজিটাল পদ্ধতিতে কোরবানির পশু ক্রয়-বিক্রয়কে উৎসাহিত করছেন। সেটি বাস্তবায়নে আমরা সবাই মিলে কাজ করছি। সে কাজের প্রক্রিয়ায় যদি কেউ বাধা সৃষ্টি করে তাহলে ধরে নেওয়া হবে করোনাকালে মানুষের সমাগম এড়িয়ে সুন্দরভাবে কাজ করার প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। এটা আমরা কঠোরভাবে নেবো। কোরবানির ডিজিটাল ব্যবস্থাকে ব্যাহত করার কর্মকান্ডে কেউ সম্পৃক্ত হলে তাদের তাৎক্ষণিকভাবে আইনের আওতায় আনা হবে।”

এ বিষয়ে তিনি আরো যোগ করেন, “অনলাইন পদ্ধতিতে বিক্রি হওয়া কোরবানির পশু পরিবহনের ক্ষেত্রে যাদের প্রমাণাদি আছে তাদেরকে যাতে পথে হয়রানি করা না হয় সে বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। হয়রানি করলে সেটা চাঁদাবাজি হবে, ফৌজদারি অপরাধ হবে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন ও জেলা পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। বাজারের নির্ধারিত এলাকার বাইরে পশু পরিবহন ও বিক্রয়ের ক্ষেত্রে কোনভাবেই হাসিল আদায় করা যাবে না। এটা নিশ্চিত করতে হবে। শেখ হাসিনা সরকার সকল প্রকার সহযোগিতা দিতে মানুষের পাশে আছে।”

কোরবানির হাট-বাজারে যাতে চাঁদাবাজি বা ডাকাতি না হয় এজন্য স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগে সম্পৃক্তদের নজরদারি বাড়ানোর জন্য এসময় নির্দেশনা দেন মন্ত্রী। ক্রেতা-বিক্রেতাদেরও এ বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানান তিনি। সরকার এ বিষয়ে সহায়তা করবে বলেও আশ্বস্ত করেন তিনি।

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে এসময় মন্ত্রী বলেন, “করোনা পরিস্থিতিতে আপনাদের কাছ থেকে সর্বোচ্চ পরিশ্রম আশা করি। আমাদের কাজের জায়গা কোনভাবেই স্থবির করা যাবে না। তবে সবাইকে স্বাস্থাবিধি অনুসরণ করে কাজ করতে হবে। কোরবানি স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার সকল প্রস্তুতি নিতে হবে। বাজারে যাতে অসুস্থ বা রুগন্ পশু বিক্রয় না হয় সে বিষয়ে ভেটেরিনারি সার্জনরা কাজ করবে।”

এসময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বরেন “আমরা চাই কোরবানির জন্য প্রস্তুতকৃত ১ কোটি ১৯ লাখ গবাদিপশুর একটিও অবশিষ্ট থাকবে না। অনলাইনে ২৫ শতাংশ গবাদিপশু বিক্রয় হবে বলে আমরা আশা করছি।”

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সুবোল বোস মনি ও মোঃ তৌফিকুল আরিফসহ মন্ত্রণালয়ের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাগণ সভায় অংশগ্রহণ করেন। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. খন্দকার আজিজুল ইসলাম, স্থানীয় সরকার বিভাগের অতিরিক্ত সচিব দীপক চক্রবর্তী, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমান, বিভাগীয় কমিশনারগণ, জেলা প্রশাসকবৃন্দ, বিভাগীয় মৎস্য দপ্তর ও প্রাণিসম্পদ দপ্তরের প্রধানগণ, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ-এর সভাপতি শমী কায়সার, জেলা ও উপজেলা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাগণ, গবাদিপশু ব্যবসায়ী সমিতির প্রতিনিধি, বাংলাদেশ ডেইরি ফারমার্স অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি প্রমুখ সভায় ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

এদিন সকালে মন্ত্রী নিজ নির্বাচনী এলাকা পিরোজপুরের নাজিরপুরে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে করোনা মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবহন শ্রমিকদের প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে মানবিক সহায়তা বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop