৮:৪০ পূর্বাহ্ন

শনিবার, ১৪ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুলাই ১১, ২০২১ ৫:৫০ অপরাহ্ন
‘সুলতান’ দেশের সবচেয়ে বড় গরু বলে দাবি খামারির!
প্রাণিসম্পদ

গরুটির ওজন ৪২ মণ। কানাডিয়ান জাতের বীজ থেকে এই ষাঁড় গরুর দেওয়া হয়েছে জন্ম। নাম রাখা হয়েছে সুলতান। লম্বায় ১০ ফুট আর উচ্চতায় ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি। বয়স সাড়ে তিন বছর। এই গরুকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গরু বলে দাবি করছেন গরুর মালিক।

শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার বাঘবেড় ইউনিয়নে রাণীগাঁও গ্রামের খামারি গরুর মালিক রুহুল আমীন জানান,উন্নত কানাডিয়ান জাতের বীজ থেকে এই ষাঁড় গরুর জন্ম দেওয়া হয়েছে। অনেকটা সখ করেই বিশালদেহী ষাঁড়টির নাম দিয়েছেন ‘সুলতান’। এই সুলতান এখন হয়ে উঠেছে শেরপুর জেলার অন্যতম আকর্ষণীয় কোরবানির পশু। কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বিক্রির জন্য অনেক যত্ন করে সুলতানকে বড় করেছেন। নিজ বাড়িতে ৪২ মণ ওজনের এই কানাডিয়ান প্রজাতির ষাঁড় পালনে করে চমক দেখিয়েছেন তিনি। এই ষাঁড়কে প্রতিদিন খড় ও ঘাস ছাড়াও খৈল ভুষি, ভাতের মার, খুদিসহ অন্তত ১০ কেজি খাবার দিতে হয়। আর সারাক্ষণ ফ্যানের বাতাসের মাঝে রাখতে হয়।

আরো পড়ুন: চাঁদপুরে অনলাইনে জমে উঠেছে গরু বিক্রি

রুহুল আমীন আরও জানান, বাংলাদেশে বিভিন্ন বড় বড় খামার পরিদর্শন করেছি। আমার এই সুলতানই হয়তো বর্তমানে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় গরু। এই গরুর মতো বড় ষাঁড় গরু দেশের আর কোথাও নেই বলে আমার ধারণা। তার বয়স ও ওজনের ওপর ভিত্তি করে দাম হাঁকছেন ২০ লাখ টাকা। তবে আলোচনা সাপেক্ষে দাম কমবেশি হতে পারে।’

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মতিউর রহমান জানান, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের অনলাইন পেজে সেই গরুর ছবিসহ বিস্তারিত বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। সেখান থেকে ক্রেতারা পছন্দ করে নিতে পারবেন। তার জন্যও বিক্রিটা সহজ হবে বলে জানান তিনি।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১১, ২০২১ ৫:২৯ অপরাহ্ন
চাঁদপুরে অনলাইনে জমে উঠেছে গরু বিক্রি
প্রাণিসম্পদ

করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় চলছে কঠোর লকডাউন। আর এই কঠোল লকডাউনে কোরবানির গরু বিক্রি করার জন্য চাঁদপুরে হাট না বসায় অনলাইনে গরু বেচাকেনার কার্যক্রম শুরু করেছেন চাঁদপুরের খামারিরা।মহামারীর মধ্যে জনসাধারণের স্বাস্থ্য ঝুঁকি এড়াতে প্রশাসনও অনলাইনে গরু বেচাকেনায় উদ্বুদ্ধ করছেন স্থানীয় খামারিদের।

খামারগুলোতে দেখা যায়, কোরবানি ঈদকে সামনে শেষ মুহূর্তের কাজ সারছেন খামারিরা। ভালো দাম পেতে গরুকে প্রাকৃতিক উপায়ে মোটাতাজা করা হচ্ছে। নিয়মিত খৈল, ভুসি, কাঁচা ঘাস, ভিটামিন ও ক্যালসিয়াম খাওয়ানো হচ্ছে। সব মিলিয়ে ব্যস্ত সময় কাটছে গরুর খামারের শ্রমিকদের।

শহরের প্রফেসর পাড়া এলাকার ক্রেতা আবুল কাউসার বলেন, কোরবানিতো দেওয়াই লাগবে। তাই গরু কিনতে অনলাইনের সহায়তা নিচ্ছি। খামারিা গরুর ছবি বিভিন্ন পেইজে শেয়ার করছে। তা দেখে পছন্দের গরু কেনার চেষ্টা করছি।”
তবে খামারিরা এবছর গরুর দাম বেশি চাচ্ছেন বলে দাবি এ ক্রেতার।

চাঁদপুরের জেলা প্রশাসক অঞ্জনা খান মজলিশ জানান, স্থানীয় খামারিারা অনলাইনের মাধ্যমে তাদের পশুগুলো বিক্রি করছে। বিষয়টি আমাদের জন্য অত্যন্ত ইতিবাচক। করোনাভাইরাসের এই সময়টাতে অনলাইনে পশু বিক্রি করায় জনসমাগম এড়ানো সম্ভব হচ্ছে। এতে করে ক্রেতা-বিক্রেতা সহজেই স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে পারবেন।”

তিনি বলেন, যেহেতু আগামী ১৪ জুলাই পর্যন্ত মন্ত্রী পরিষদ বিভাগের বিধিনিষেধ আছে। তাই ১৪ তারিখ পর্যন্ত জেলার কোথাও গরুর হাট বসানোর অনুমতি দিচ্ছি না। এরপরে নির্দেশনা পেলে হাট বসানোর বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হবে।

চাঁদপুর জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. বখতিয়ার উদ্দিন জানান, জেলায় পর্যাপ্ত পরিমাণে কোরবানির পশু মজুদ রয়েছে। অবৈধভাবে বিদেশী পশু যেন দেশে ঢুকতে না পারে, সেব্যাপারে সরকার পর্যবেক্ষণ করছে।

চাঁদপুর জেলা প্রাণী সম্পদ অফিসের তথ্য মতে, এ বছর জেলার ৮ উপজেলায় ছোট বড় ৩ হাজার ২শ খামারি ১ লাখ ১৭ হাজার গবাদী পালন করেছেন। এর মধ্যে গরু রয়েছে প্রায় ৭৮ হাজার এবং ছাগল ও ভেড়া রয়েছে ৩৯ হাজার। জেলায় কোরবানির চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ১৮ হাজার পশুর।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১১, ২০২১ ১১:২৫ পূর্বাহ্ন
চাহিদার চেয়ে গরু-ছাগল বেশি খুলনা-রংপুরে, ঘাটতি ঢাকা-বরিশালে
প্রাণিসম্পদ

গত বছর সারাদেশে কোরবানি জন্য লালন-পালনকৃত পশুর সংখ্যা ছিল প্রায় ১ কোটি ১৮ লাখ ৯৭ হাজার ৫০০টি। আসন্ন ঈদুল আযহায় মাঠ পর্যায়ের তথ্য অনুযায়ী কোরবানিযোগ্য ৪৫ লাখ ৪৭ হাজার গরু-মহিষ, ৭৩ লাখ ৬৫ হাজার ছাগল ভেড়া, ৪ হাজার ৭৬৫টি অন্যান্য প্রজাতিসহ (উট, দুম্বা) সর্বমোট প্রায় ১ কোটি ১৯ লাখ ১৬ হাজার ৭৬৫টি গবাদি পশু প্রস্তুত আছে। তবে কোরবানি উপলক্ষ্যে গরু-ছাগলে ঘাটতি রয়েছে ঢাকা, বরিশাল, সিলেট ও ময়মনসিংহসহ চার বিভাগে। অন্যদিকে গরু-ছাগলে বাড়তি রয়েছে চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী ও রংপুরে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আসন্ন পবিত্র ঈদুল আযহা উপলক্ষ্যে প্রস্তুতিমূলক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার কার্যপত্র থেকে এসব তথ্য জানানো হয়।

আসন্ন কোরবানির ঈদে ঢাকা বিভাগে মোট কোরবানির পশুর চাহিদা ২৪ লাখ ৪২ হাজার ৩৩০টি। এর মধ্যে কোরবানির পশু প্রস্তুত রয়েছে মাত্র ১১ লাখ ৫৫ হাজার ৪৩২টি। এবং ঘাটতি রয়েছে ১২ লাখ ৮৬ হাজার ৮৯০টি।

এর পরেই কোরবানির পশুর ঘাটতি রয়েছে বরিশাল বিভাগে। এই বিভাগে মোট কোরবানির পশুর চাহিদা ৫ লাখ ২৩ হাজার ৮০টি। এর মধ্যে কোরবানির পশুর ঘাটতি রয়েছে ২ লাখ ৫৮ হাজার ৬৬৬টি। সিলেট বিভাগে মোট কোরবানির পশুর চাহিদা ৪ লাখ ৭৪ হাজার ৬০৩টি। এই বিভাগে ২ লাখ ৯ হাজার ৫১৮টি পশুর ঘাটতি রয়েছে। সব থেকে কম ঘাটতি রয়েছে ময়মনসিংহ বিভাগে ৭০ হাজার ৮৪৭টি। এই বিভাগে মোট চাহিদা ৩ লাখ ৮৪ হাজার ১২০টি।

রংপুর বিভাগে ১৪ লাখ ৬৬ হাজার ২৩০টি কোরবানির পশু বাড়তি রয়েছে যা দেশের মধ্যে সব থেকে বেশি। এই বিভাগে কোরবানির জন্য মোট পশুর চাহিদা ১০ লাখ ২৪ হাজার ৯৩টি। চাহিদার থেকে বেশি কোরবানির পশু প্রস্তুত করে এই বিভাগ। চট্টগ্রাম বিভাগে ৯ লাখ ৬১ হাজার ৫৪৪টি পশু কোরবানির জন্য বাড়তি রয়েছে। চট্টগ্রামে মোট চাহিদা ২০ লাখ ৯২ হাজার ৬২৩টি।

খুলনা বিভাগে কোরবানির জন্য ১৬ লাখ ৭৮ হাজার ২০৩টি পশু প্রস্তুত রয়েছে। এই বিভাগে চাহিদা মাত্র ৯ লাখ ৭১ হাজার ৬৩৪টি ফলে বাড়তি রয়েছে ৭ লাখ ৬৫টি হাজার ৬৯টি পশু। রাজশাহী বিভাগে ২৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮৬৮টি কোরবানির পশু প্রস্তুত রয়েছে। এই বিভাগে মোট চাহিদা ২০ লাখ ৯ হাজার ৪৫৮টি। মোট চাহিদা ৬ লাখ ৮৬ হাজার ৪১০টি কোরবানির পশু বাড়তি রয়েছে রাজশাহী বিভাগে।

দেশে পর্যাপ্ত কোরবানির পশু প্রস্তুত আছে। যাতে করে করোনা সংকটের মধ্যে প্রতিবেশি দেশ ভারত ও মায়ানমার থেকে কোনো কোরবানির পশু প্রবেশ না করতে পারে সেই জন্য সীমান্ত সিলগালা করা হবে। দেশের বাহির থেকে গবাদিপশু আসা বন্ধের বিষয়ে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। জেলা প্রশাসকরা, জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা বিজিবি এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা সীমান্তবর্তী জেলাসমূহে অবৈধ বা বৈধ পথে গবাদিপশু বন্ধ করা হবে।

কোরবানির ঈদের ১ মাস আগে থেকে কোরবানি শেষ না হওয়া পর্যন্ত সময়ে সীমান্ত পথে দেশের বাইরে থেকে গবাদি পশু আসতে দেওয়া হবে না। গবাদিপশু প্রবেশ রোধে বিজিবিকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেওয়ার জন্য জননিরাপত্ত্বা বিভাগকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে চিঠি দেওয়া হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ জানান, দেশে কোরবানিযোগ্য পর্যাপ্ত পশু মজুদ আছে। এবারের কোরবানির প্রেক্ষাপট ভিন্ন। করোনা ভাইরাস দেশে বাড়ছে। নানা বিষয়কে সামনে নিয়ে বাইরের দেশ থেকে কোরবানির পশু ঢুকতে দেওয়া হবে না। তবে কিছু বিভাগে পশু ঘাটতি আছে কিছু বিভাগে বাড়তি রয়েছে। যেখানে কোরবানির পশু ঘাটতি আছে চাহিদা অনুযায়ী সেখানে ট্রেন দেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১০, ২০২১ ১১:০৭ অপরাহ্ন
কুড়িগ্রামে বসছে হাট, বিক্রি হচ্ছে ভারতীয় গরু!
প্রাণিসম্পদ

দেশব্যাপি করোনা প্রকোপ বাড়াতে চলছে কঠোর লকডাউন। আর এই লকডাউনেও কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী হাটে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষা বসেছে পশুর হাট। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম দেশের বাইরে থেকে গবাদি পশু আসতে দেওয়া হবে না এমন আশ্বাস দিলেও শনিবার (১০ জুলাই) সীমান্তবর্তী এই উপজেলায় পশুর হাটে বিপুল পরিমাণ ভারতীয় গরু বিক্রি হতে দেখা গেছে।

জানা যায়, হাটে প্রচুর পরিমাণ দেশি গরুর পাশাপাশি সীমান্ত পথে আনা ভারতীয় গরুও রয়েছে। দুপুর নাগাদ এসব ভারতীয় গরু হাটে কেনাবেচার পর তা দেশের বিভিন্ন স্থানে পরিবহনের জন্য হাটের পাশেই একটি মিনি ট্রাক স্ট্যান্ডে জড়ো করা হয়।

হাটে ভারতীয় গরুর উপস্থিতির সত্যতা স্বীকার করে ভূরুঙ্গামারী হাট ইজারাদার আনোয়ারুল হক জানান, ‘বিজিবির কঠোর অবস্থানের কারণে এবার ভারতীয় গরু আমদানি একেবারেই কম। এরপরও চোরাই পথে কিছু গরু আসছে। বিজিবি সেগুলো ধরে নিলাম করছে। সেই নিলামের গরুগুলোই হাটে বিক্রি হচ্ছে। তবে সে সংখ্যা আগের তুলনায় অনেক কম।’

জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানান, ‘পশুর হাটে স্বাস্থ্যবিধি প্রতিপালনে আমরা সংশ্লিষ্টদের কঠোর নির্দেশনা দিয়েছি। মাস্ক পরাসহ বড় মাঠে হাট বসানোর জন্য বলা হয়েছে। আমি বিষয়টি নিয়ে ইউএনওর সঙ্গে কথা বলবো।’

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১০, ২০২১ ৯:২১ অপরাহ্ন
৩৭ কেজির মেসি’র দাম হাঁকা হচ্ছে ১২ লাখ টাকা
প্রাণিসম্পদ

মেসির উচ্চতা মাত্র ২৭ ইঞ্চি! বয়স ৪ বছর আর ওজন ৩৭ কেজি। দেখতে খর্বাকৃতির হলেও বিখ্যাত ফুটবলার মেসির মতই ক্ষিপ্র তার গতি। তাই মালিক আদর করে খর্বাকৃতির ওই ষাঁড়ের নাম রেখেছেন মেসি। আশপাশের কয়েক গ্রামের মানুষ মেসিকে দেখতে ভিড় জমাচ্ছেন প্রতিদিন।

মালিক নেত্রকোনার আজিজুর রহমান শখের বশে বছরখানেক আগে কিনেছিলেন। আর্জেটিনা ফুটবল দলের সমর্থক আজিজুর প্রিয় ফুটবল তারকার নামে এর নাম রাখেন ‘মেসি’।

ইতোমধ্যে মেসির দামও উঠেছে চার লাখ টাকা। কিন্তু এখনই মেসিকে ছাড়ছেন না তার মালিক। মূল্য ১০ থেকে ১২ লাখ হলে হয়তো ছেড়ে দেবেন তার শখের মেসিকে। মালিকের দাবী, চার বছর বয়সের এটাই দেশের সবচেয়ে ছোট ষাঁড়।

মেসির মালিক আজিজুর বলেন, ‘আমি খালিয়াজুরিতে চাকরি করি। সেখানে আসা-যাওয়ার পথে খর্বাকৃতি ষাঁড়টির সন্ধান পাই। মদন উপজেলার জাহাঙ্গীরপুর থেকে এক বছর আগে শখের বশে এটি ৪০ হাজার টাকা দিয়ে কিনেছিলাম। বাড়িতে এনে এটির ক্ষিপ্রগতি দেখে প্রিয় ফুটবল তারকার নামের সঙ্গে মিলিয়ে মেসি নাম রেখেছি

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মনোরঞ্জন ধর বলেন, গরুটি দেশি জাতের। এর জন্ম দেওয়া গাভিটি স্বাভাবিক ছিল বলে তিনি খোঁজ নিয়ে জেনেছেন। এটি ওই গাভির ৩ নম্বর বাছুর ছিল। জন্মগত ত্রুটির কারণে এমনটি হয়ে থাকতে পারে। দেশে এ রকম ছোট ষাঁড় তাঁর জানামতে আর নেই বলে জানালেন এই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১০, ২০২১ ৬:০৩ অপরাহ্ন
ডিজিটাল পশুর হাট থেকে গরু কিনবেন যেভাবে
প্রাণিসম্পদ

চলেছে কঠোর লকডাউন আর আসন্ন কোরবানির ঈদ। এই ‍ঈদকে সামনে রেখে চালু হয়েছে ডিজিটাল পশুর হাট। পশুর হাট থেকে সহজেই ঘরে বসে গরু, ছাগল সহ অন্য পশুও ক্রয় করার সুবিধা রয়েছে। বাজারে গিয়ে কোরবানির পশু কেনার মাধ্যমে যাতে করোনা সংক্রমণ ছড়িয়ে না পড়ে সে বিষয়টি লক্ষ্য রেখেই এমন ব্যবস্থা চালু করেছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন।

ডিজিটাল হাট ডট নেট (https://digitalhaat.net/) এই ওয়েব ঠিকানায় প্রবেশ করে ডিএনসিসির পশুর হাট থেকে গরু কেনা যাবে। এছাড়া এ প্ল্যাটফর্ম থেকে ক্রেতা চাইলে পশু জবাই করিয়ে নেওয়ারও সুযোগ পাবে। এক্ষেত্রে ১০ জুলাইয়ের মধ্যে বুকিং দিতে হবে। তবে কোরবানির জন্য পশু ক্রয় করা যাবে ঈদের আগের দিন পর্যন্ত।

একজন ক্রেতা এ ওয়েবসাইটে সহজেই প্রবেশ করে পশুর আকৃতি, রং এবং ওজন দেখে নিতে পারেন। এরপর পছন্দ হলেই তিনি এটি অর্ডার দিতে পারেন। অনলাইন পশুর হাটটিতে বিক্রেতাদের ফোন নম্বরও দেওয়া হয়েছে। যাতে ক্রেতা, বিক্রেতার সঙ্গে যোগাযোগ করে আরো নিশ্চিত হয়ে নিতে পারেন।

এই সাইটের মাধ্যমে একজন ক্রেতা পশু অর্ডার দিয়ে পরে তা বাতিলও করতে পারবেন। এক্ষেত্রে কোনো যৌক্তিক কারণ ব্যতিত ক্রেতা চাইলে ঈদের সাত দিন আগে অর্ডার বাতিল করতে পারবেন। সেক্ষেত্রে অনলাইন চার্জ ও সার্ভিস চার্জ কর্তন করে ক্রেতাকে ৩ কার্যদিবসের মধ্যে মূল্য ফেরত দিতে হবে। সাত দিনের কম সময়ে কোনো অর্ডার বাতিল করা যাবে না।

পশু ক্রয়ের পর বিকাশ, রকেট, নগদ মোবাইল ব্যাংকিংসহ ব্যাংক অ্যাকাউন্টের মাধ্যমেও ঢাকা পাঠানো যাবে। টাকা পাঠানোর পর এর প্রমাণাদি ক্রেতা নিজের কাছে সংরক্ষণে রাখবে। অর্ডারকৃত গরু হাতে পাওয়ার পর তাতে যদি কোনো সমস্যা থাকে তাহলে ক্রেতা ই-ক্যাবের গঠিত অভিযোগ সেলে ফোন বা ইমেইলের মাধ্যমে অভিযোগ জানাতে পারবেন।

অভিযোগ গ্রহণের সর্বোচ্চ তিন কার্যদিবসের মধ্যে অভিযোগকারী ও অভিযুক্তের ব্যাপারে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মার্স এসোসিয়েশন এবং ই-ক্যাব সমন্বিতভাবে দোষীদের বিরুদ্ধে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে পারবে।

ডিজিটাল এ পশুর হাটে সাধারণ কোনো বিক্রেতা পশু বিক্রি করতে পারবেন না। ডিজিটাল হাটে পশু বিক্রির জন্য ই-কমার্স এসোসিয়েশন অথবা বাংলাদেশ ডেইরি ফার্ম এসোসিয়েশন এর সদস্য হতে হবে। তাহলেই তার গরু বিক্রি করা যাবে।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১০, ২০২১ ৩:৪১ অপরাহ্ন
ক্যাটল স্পেশাল ট্রেনে ৫৯২ টাকায় গরু যাবে ঢাকায়
প্রাণিসম্পদ

কোরবানির পশু পরিবহনের জন্য আগামী ১৭ থেকে ১৯ জুলাই থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী-ঢাকা (তেজগাঁও) রুটে চালু করা হচ্ছে ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন সার্ভিস। ক্যাটল স্পেশাল ট্রেনে প্রতিটি গরুর জন্য ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৯২ টাকা।

শনিবার (১০ জুলাই) চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার ওবাইদুল্লাহ গণমাধ্যমকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

স্টেশন মাস্টার জানান, ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন চালানোর বিষয়ে রেল মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত গতকাল শুক্রবার (৯ জুলাই) চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশনকে চিঠির মাধ্যমে জানানো হয়। এখন ট্রেনে পশু পরিবহনের প্রস্তুতি চলছে। প্রতিটি ওয়াগনে ২০টি করে গরু পরিবহন করা যাবে। ট্রেনটি বিকেল সাড়ে ৪টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ স্টেশন ছাড়বে। রাত আড়াইটা থেকে পৌনে ৪টার মধ্যে তেজগাঁওয়ে পৌঁছাবে। ফিরতি ট্রেন ভোর ৫টায় তেজগাঁও থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জের উদ্দেশে রওনা দেবে।

তিনি আরও জানান, এ ট্রেনে করে ঢাকায় গরু পাঠাতে আগ্রহী ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেকেই এ ট্রেন ব্যবহারে আগ্রহ দেখিয়েছেন। ১৭ জুলাই ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন চালুর সিদ্ধান্ত হলেও এর আগেই যদি ব্যবসায়ীরা ওয়াগন বুক করেন, তাহলে ওয়াগন এনে ম্যাংগো স্পেশাল ট্রেনের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হবে।

এগ্রিভিই/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১০, ২০২১ ১২:১৭ অপরাহ্ন
কোরবানির পশু বিক্রি নিয়ে হতাশায় খামার মালিকরা
প্রাণিসম্পদ

কোরবানির ঈদ দুয়ারে কড়া নাড়ছে। এই সময় মহা ব্যস্ত থাকার কথা কোরবানির পশু খামারিদের। করোনাভাইরাসের কারণে চলমান লকডাউন অব্যাহত থাকায় পশুর হাট বন্ধ থাকায় এখন পর্যন্ত কোরবানির পশু বিক্রি করতে পারেনি খামারি ও মালিকরা। পশু বিক্রি অনিশ্চিত হওয়ায় চরম বিপাকে খামার মালিকরা।

জেলা প্রাণী সম্পদ অফিস সূত্র জানায়, গাইবান্ধায় বাণিজ্যিক ও ক্ষুদ্র প্রান্তিক খামারের সংখ্যা ১২ হাজার ৬৭৭টি। এবার জেলায় মোট ৬৭ হাজার পশু কোরবানির লক্ষমাত্রা রয়েছে। এরপরও ২২ হাজার পশু উদ্বৃত্ত থাকবে।

জেলায় কোরবানির ইদকে সামনে রেখে লাভবান হওয়ার আশায় বাণিজ্যিক খামারিরা বিশেষ করে দেশি-বিদেশি গরু পালন করেছেন। স্থাপনা নির্মাণ, গো খাদ্য, পরিচর্যা, কর্মচারীদের বেতন, চিকিৎসাসহ নানা খাতে অর্থ ব্যয় করে মোটা তাজা করা হয় গরুগুলোকে। ব্যক্তিগত অর্থের বাইরে এ জন্য ব্যাংক লোন, সুদের ওপর ধারদেনাও করেন তারা। গত বছর সীমিতভাবে পশুর হাট চালু হওয়ায় লোকসান তেমন গুনতে হয়নি। কিন্তু এবার বিধিনিষেধের কড়াকড়িতে বেচা কেনা তেমন নেই বললেই চলে। যানবাহন বন্ধ থাকায় ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনাসহ বড় শহর থেকে গরু কিনতে আসছেন না ক্রেতারা। তাই বিপাকে খামারিরা। তারা চান স্বাস্থবিধি মেনে হাট বাজার খুলে দেওয়া হোক।

গাইবান্ধার সাদুল্যাপরের ভাতগ্রামের গরু খামারি আবদুর রশিদ জানান, সরকারি বিধিনিষেধের আওতায় থেকেই গরু বিক্রি করতে চাই। এক বছরের প্রাণান্তকর চেষ্টাতে এই গরুগুলোকে ক্রেতাদের সামনে তুলে ধরার উপযোগী করা হয়েছে। কিন্তু হাট বন্ধ, তাই লোকসানের আশংকায় রয়েছি। অনলাইনে ক্রেতাদের তেমন আগ্রহ নেই বলেই মনে হচ্ছে। এখন আমরা সরকারি সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ১৫টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় সহস্রাধিক  খামার রয়েছে। বিশেষ করে উপজেলার ৬টি ইউনিয়নের তিস্তার চরাঞ্চলে প্রান্তিক খামার ও ব্যক্তিগত পশু পালনের সংখ্যা অনেক। প্রতি বছর কোরবানির সময় উপজেলার চরাঞ্চলের কোরবানির পশু দেশের বিভিন্ন জেলায় রপ্তানি করা হত। আসন্ন কোরবানির ঈদে তা করতে না পারায় পশু বিক্রি অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। স্বল্পপুঁজির গরুর খামারিরা সারা বছর এই সময়ের আয় দিয়েই পাড়ি দেন।

উপজেলা প্রাণি সম্পদ দপ্তর জানায়, উপজেলায় বিক্রয়ের জন্য গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ মিলে কমপক্ষে ২০ হাজার কোরবানির পশু রয়েছে। যার আনুমানিক মূল্য ৮০ কোটি টাকা। এর বেশির ভাগই চরাঞ্চলে। এ ছাড়া বিভিন্ন বেসরকারি সংগঠনের মাধ্যমে গ্রামে গ্রামে নারী উদ্যোক্তাদের খামারেও রয়েছে অসংখ্য গরু ছাগল। এই নারী উদ্যোক্তাদের ১০০টি গরু ইতিমধ্যে অনলাইন পোর্টাল দরাজ বাংলাদেশের মাধ্যমে বিক্রি হয়েছে।

বেলকার প্রান্তিক খামারি আকবর আলী জানান, তিনি প্রতি বছর কোরবানির ইদে কমপক্ষে ১০টি গরু বিক্রি করেন। বর্তমানে তার খামারে ৬টি গরু রয়েছে। আসন্ন কোরবানির ঈদে গরু বিক্রি করতে না পারলে তার অনেক লোকসান হবে। তাছাড়া ওইসব গরু আর খামারে রাখা যাবে না। শেষ পর্যন্ত অনেক ক্ষতি করে বিক্রি করতে হবে।

সুন্দরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোহাম্মদ আল মারুফ জানান, সরকারি নির্দেশনার বাইরে কোনো কিছু করার সুযোগ নেই। তবে সরকারি নিদের্শনা পেলে পশুর হাট চালু করার ব্যবস্থা করা হবে।

জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মাছুদার রহমান সরকার বলেন, করোনা পরিস্থিতিতে আপাতত হাট চালু করা সম্ভব হয়নি। তবে ক্রেতারা গ্রামে গ্রামে খোঁজ নিয়ে যাতে পছন্দের পশুটি কিনতে পারেন যে জন্য বিভাগের কর্মকর্তা, কর্মচারী মাঠ কর্মীরা সক্রিয় রয়েছেন। প্রচারণাও চলছে। যেহেতু সময় আছে তাই ক্রেতারা  আসবেন। শেষ পর্যন্ত ক্রেতা বিক্রেতা কারও কোনো অসুবিধা হবে না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১০, ২০২১ ১১:২১ পূর্বাহ্ন
কোটি টাকা আয় করা খামারী নাসিরের স্বপ্নভঙ্গ!
প্রাণিসম্পদ

বর্তমানে প্রায় ৪‘শ গরুর খামারী বেনাপোলের পুটখালী গ্রামের খামারি নাসির উদ্দিন (৩৬)। আর এই খামার থেকে তিনি প্রতিবছর লাভ করেন প্রায় কোটি টাকার উপরে। তবে এবার করোনা সংক্রমণে কঠিন লকডাউনে তার স্বপ্ন ভেস্তে যাওয়া অবস্থা। কোটি টাকার স্বপ্ন এবার লসে পরিণত হতে যাচ্ছে তার।

জানা গেছে, খামারে আছে প্রায় ৪০০ গরু। ছাগল ও ভেড়া আছে শতাধিক। মহিষ আছে প্রায় অর্ধশতাধিক। তবে এবছর করোনার দাপটে দেশের দক্ষিণ পশ্চিম সীমান্তের এই খামার ব্যবসায়ীর মাথায় হাত। হতাশা প্রকাশ করেছে ওই ব্যবসায়ীসহ খামারের প্রায় ৭০ জন কর্মচারী। পরিস্থিতি এমন থাকলে এবার লোকশান গুনতে হবে বলে ধারণা করছেন তারা।

৮ বছর আগে তিনি সামান্য কিছু গরু দিয়ে শুরু করেন খামার। এরপর আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি তার। একের পর এক তিনি গরু খামার বৃদ্ধি করে এগিয়ে যায়। এখন ওই খামারে আছে প্রায় ৪০০ গরু। শতাধিক ছাগল ও ভেড়া। আরো আছে প্রায় অর্ধশতাধিক মহিষ। এছাড়া তার খামারে আছে উন্নত জাতের গাভী গরু। সেখান থেকে প্রতিদিন প্রায় ৮০০ লিটার দুধ উৎপাদন হয়। এই খামারের প্রতিটি গরুর মূল্য নিম্ন ৪ লাখ টাকা থেকে ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত।

এবছর যেভাবে করোনা মহামারি সংক্রমণে দেশে ‘লকডাউন’ চলছে তাতে গরু পশুহাটে তুলতে না পারলে তিনি লোকসানের মুখে পড়বেন। এমনটাই জানালেন খামারি নাসির উদ্দিন।

নাসির জানান, প্রতিদিন প্রায় এক লাখ ২০ হাজার টাকার খাদ্য দিতে হয়। প্রতিবছর রাজধানী ঢাকা সহ চট্রগ্রাম থেকে আসে ব্যপারীরা। এছাড়া ট্রাকে করে এসব গরু ঢাকা চট্রগ্রাম নিয়েও বিক্রি করা হয়। তবে এবার পড়েছি মহাসংকটে। করোনা মহামারির কারণে পশুহাট বন্ধ করে দেওয়ায় গরুর ব্যপারীও আসছে না আবার বড় বড় শহরেও নিতে পারছি না।

আর কোরাবানি আসার আগে গরুর পিছনে খরচও বেড়ে যায়। গায়ে মাংস বৃদ্ধির জন্য প্রতিদিন একটু বেশি বেশি করে খাবার দিতে হয়। যাতে প্রতিটি গরুর প্রতিদিন এক কেজি করে মাংস বৃদ্ধি পায়। সারাবছর গরু লালন পালন করে কোরবানির বাজার ধরে গরু ছাগল মহিষ ভেড়া বিক্রি করে তার প্রায় এক কোটি টাকার উপরে লাভ থাকে। তবে এবছর কি হবে জানি না। প্রতিটি কর্মচারীকে মাসে ১০ থেকে ১৪ হাজার পর্যন্ত বেতন দিতে হয় বলে জানান তিনি।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ১০, ২০২১ ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
দিনে ৪ লিটার করে দুধ দিচ্ছে বাছুর!
প্রাণিসম্পদ

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার খলিশাউড় ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের হায়দার আলী (৫২) নামে এক কৃষকের ‘ময়না’ নামের এক বকনা বাছুর দিনে চার লিটার করে দুধ দিচ্ছে। এ ঘটনা এলাকায় চাঞ্চল্যর সৃষ্টি হয়েছে। অনেকেই দুধ কিনে নিচ্ছেন, কেউ কেউ গরুটি বেশি দাম দিয়ে কিনে নিতেও আগ্রহ প্রকাশ করছেন।

কৃষক হায়দার আলী জানান, তিনি প্রতিদিন সকাল ও বিকালে দুধ সংগ্রহ করেন। বিকালেও এ পরিমাণ দুধ সংগ্রহ করেন। এক বেলা দুধ সংগ্রহ না করলে এই বাছুর গরুটির ওলান ফুলে শক্ত হয়ে যায়। তিনি গত এক মাস ছয় দিন ধরে এভাবে দুধ সংগ্রহ করছেন।দিনে দুইবার চার লিটারের বেশি দুধ দেয় গরুটি। প্রথম প্রথম সবাইকে টাকা ছাড়াই দুধ দিতাম। গত দুই সপ্তাহ ধরে দুধ বিক্রি শুরু করেছি বলে জানা হায়দার।

কৃষক হায়দার আলী জানান, গত দুই বছর আগে একটি বিদেশি জাতের গাভী এই বাছুরটিসহ ৮০ হাজার টাকা দিয়ে কিনে আনেন। পরে তার মেজো মেয়ে বাছুরটির নাম রাখে ‘ময়না’। গত চার মাস আগে গাভীটি আরেকটি বাছুর জন্ম দিলে তিনি ১ লাখ ১৫ হাজার টাকায় সেটি বিক্রি করেন। আর ময়না নামের বাছুরকে লালন-পালন করে আসছেন। মাসখানেক আগে সেটিকে গোসল করাতে গেলে গরুটির ওলান ফোলা দেখে ধারণা করেন- এর ওলানে দুধ জমেছে।

তিনি তাৎক্ষণিক গরুটির ওলান থেকে দুধ সংগ্রহ করেন। প্রথম দুই দিন এক লিটার দুধ পান তিনি। এখন চার লিটার, কখনো সাড়ে চার লিটার দুধ সংগ্রহ করেন। বিষয়টি শুনে আশ্চর্য হয়ে প্রতিবেশীসহ বিভিন্ন গ্রাম থেকে মানুষ তা দেখার জন্য বাড়িতে ভিড় করেন।

তিনি জানান, অনেকেই আমার এই গরুডারে বেশি টেহার লোভ দেখাইয়া কিন্না নিত চাইতাছে। আমি গরিব মানুষ। গরুডা বিক্রি করতাম না। এইডা অহন আমার সোনার হরিণ। প্রত্যেক দিন চার কেজি দুধ বেচি। ৩২০ টেহা পাই। তা দিয়া সংসারের খরচ করি। আল্লার কাছে শুকরিয়া আদায় করি।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মতিউর রহমান জানান, হরমোনের কারণে এমনটা হয়। অক্সিটোসিন হরমোন যদি বেড়ে যায় তাহলে এরকম বকনা গরু থেকে দুধ আসতে পারে। এটা নিয়ে কৌতূহলের কিছু নেই। যদি এই দুধ স্বাস্থ্যসম্মত হয় তাহলে এটা যে কেউ খেতে পারেন বলে জানান এই কর্মকর্তা।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop