১:৩১ অপরাহ্ন

শনিবার, ১৪ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুলাই ৫, ২০২১ ১০:৪৬ অপরাহ্ন
অবৈধ পথে আসা ২৭টি ভারতীয় গরু উদ্ধার
প্রাণিসম্পদ

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলায় সীমান্ত এলাকায় ভারত থেকে অবৈধ পথে আসা ২৭টি গরু উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোবার (৪ জুলাই) রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জেলার তেঁতুলিয়া উপজেলার ভজনপুর ইউনিয়নের ভূতিপুকুর এলাকায় তসলিম উদ্দিন নামে এক চোরাকারবারির বাড়ি থেকে ওই ২৭টি গরু উদ্ধার করে তেঁতুলিয়া মডেল থানা পুলিশ।

পুলিশ জানায়,রোববার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে তেঁতুলিয়া মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) ইয়াকুব আলীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল তসলিম উদ্দিন নামে ওই চোরাকারবারির বাড়িতে অভিযান চলালে পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তসলিম উদ্দিন তার বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়৷ পরে পুলিশ তার বাড়ি থেকে ভারত থেকে নিয়ে আসা ২৭টি গরু উদ্ধার করে।

বর্তমানে গরুগুলো তেঁতুলিয়া মডেল থানার হেফাজতে রয়েছে। উদ্ধার হওয়া গরুগুলোর বাজার মূল্য প্রায় ৬ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা বলে জানায় পুলিশ।

তেঁতুলিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু ছায়েম মিয়া ভারতীয় গরু উদ্ধারের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলমান রয়েছে। পরে উদ্ধার হওয়া ভারতীয় গরুগুলো কাস্টমসের মাধ্যেমে নিলামে বিক্রি করা হবে বলে জানান তিনি।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৫, ২০২১ ৭:৩৪ অপরাহ্ন
বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু বাংলাদেশে
প্রাণিসম্পদ

সাভারের আশুলিয়া উপজেলার চারি গ্রামে দেখা মিলল বিশ্বের সবচেয়ে খর্বাকার গরুর। বক্সার জাতের এই গরুর ওজন মাত্র ২৬ কেজি। আর উচ্চতা ২০ ইঞ্চি। বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরুর তকমা পেতে ইতোমধ্যেই গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন জানিয়েছে এটির মালিকপক্ষ।

জানা গেছে, শিকর এগ্রো লিমিটেড নামে একটি প্রতিষ্ঠান এই খর্বাকার জাতের গরুটির মালিক। প্রতিষ্ঠানটি বছর দুয়েক আগে নওগাঁর এক খামারির থেকে এই গরুটি ক্রয় করেন। গরুটির নাম রাণী। তাকে দিনে দুই বেলা খাবার দিতে হয়। সাধারণ গরুর তুলনায় এটির খাবার লাগে অনেকটা কম।

প্রতিষ্ঠানটির এক কর্মকর্তা জানান, তারা গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস কর্তৃপক্ষের নিকট আবেদন করেছন গত ২ জুলাই। কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যেই তাদের আবেদনের প্রাথমিক ফিডব্যাক জানিয়েছেন। সব কিছু ঠিক থাকলে আগামী ৯০ দিনের মধ্যে এই গরু বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরুর অফিসিয়াল তকমা পাবেন।
এদিকে স্থানীয় এক পশু চিকিৎসক বলেছেন, ছোট্ট এই গরুটি পুরোপুরি সুস্থ রয়েছে। এর উচ্চতা এবং ওজন আর বাড়ার সম্ভাবনা নেই।

উল্লেখ্য, এখন গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডস অনুযায়ী বিশ্বের সবচেয়ে ছোট গরু রয়েছে ভারতের কেরালা রাজ্যে। এর নাম মানিকিয়াম। উচ্চতা মোটে দুই ফুট, একটা ল্যাব্রাডার কুকুরের চেয়েও ছোট। দক্ষিণ ভারতের রাজ্য কেরালার আথোলিতে বাস মানিকিয়ামের। এর মালিক অক্ষয় এনভি নামের এক লোক।

সূত্র: বিডি প্রতিদিন

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৫, ২০২১ ৩:৪২ অপরাহ্ন
ডিজিটাল হাট উদ্বোধন করে গরু কিনলেন মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

কোরবানির পশুর ডিজিটাল হাট থেকে প্রথম ক্রেতা হিসেবে গরু কিনেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী তাজুল ইসলাম। দ্বিতীয়বারের মতো এই হাট থেকে তিনি গরু কিনলেন।

রবিবার (৪ জুলাই) ভার্চুয়াল এক সভার মাধ্যমে কোরবানির পশুর ডিজিটাল হাটের উদ্বোধন করার পরই তিনি এ হাট থেকে গরু কেনেন।

কোরবানির পশুর ডিজিটাল হাটের উদ্বোধন অনুষ্ঠানের সভাপতি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম এ সময় অনলাইন থেকে মন্ত্রীকে গরু কিনতে টেকনিক্যাল বিষয়ে সহযোগিতা করেন।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ‘আজ ডিএনসিসির এই ডিজিটাল হাটের উদ্বোধন ঘোষণার পর সবাইকে ডিজিটাল হাট থেকে গরু কিনতে উদ্বুদ্ধ করতে আমি এই গরু কিনলাম।’

নারায়ণগঞ্জ থেকে বিক্রি হওয়া এই গরুটি মন্ত্রী তাজুল ইসলাম কিনেছেন তার দাম এক লাখ ৪৮ হাজার ৭৫০ টাকা। ওজন ৩৫০ কেজি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৫, ২০২১ ৩:১১ অপরাহ্ন
অনলাইনে কোরবানির পশু ক্রয় বিক্রয় রাষ্ট্রের জন্য সহায়ক – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

করোনা পরিস্থিতিতে অনলাইনে কোরবানির পশু ক্রয়-বিক্রয় রাষ্ট্রের জন্য সহায়ক বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম

সোমবার ( জুলাই) ই-কমার্স প্লাটফর্ম ভালোকিনি ডট কম ও বেসরকারি সংস্থা গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত ‘চরাঞ্চলের গরুর অনলাইন হাট’-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা জানান

এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, “করোনার ভয়াবহ পরিস্থিতিতে জনসমাগম থেকে দূরে থাকা সবচেয়ে প্রয়োজন। এ পরিস্থিতিতে অনলাইনে কোরবানির গরু ক্রয়-বিক্রয়ের সুযোগ রাষ্ট্রের জন্য, সরকারের জন্য বড় সহায়ক। চরাঞ্চলের গরুর অনলাইন হাট শুধু ক্রেতা-বিক্রেতার সুবিধার জন্যই নয়, এটি রাষ্ট্রের সুবিধার জন্য। এজন্য সংশ্লিষ্টদের আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।”

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন। সে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কারণে আজ চরাঞ্চলের খামারিরা অনলাইন প্লাটফর্মে সংযুক্ত হতে পারছেন। চরাঞ্চলের মানুষদের জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপকূলীয় অঞ্চলে প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নাধীন রয়েছে। এ প্রকল্প থেকে প্রাণিসম্পদ উন্নয়নে সকল সহযোগিতা করা হচ্ছে। চরাঞ্চলের মানুষদের প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ নানারকম সমস্যার মধ্যে থেকে জীবন ও জীবিকা নিয়ে লড়াই করতে হয়। তাদের উৎপাদিত প্রাণিসম্পদ যাতে যথাযথ মূল্যে বিক্রয় করা হয় এবং তারা যাতে কোনভাবেই ক্ষতিগ্রস্ত না হয় এজন্য সরকারের পক্ষ থেকে সকল সহযোগিতা রয়েছে।”

চরাঞ্চলের খামারিরা উৎপাদিত প্রাণী নিয়ে যেন কোনরকম অসহায় অবস্থায় না পড়ে সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সংশ্লিষ্ট জেলা-উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের এসময় তাৎক্ষণিকভাবে নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, “খামারিদের সুবিধার্থে আমরা বৈধ বা অবৈধ কোন উপায়েই মিয়ানমার বা ভারত থেকে গবাদিপশু দেশের ভেতরে আসতে দিচ্ছি না। কারণ গবাদিপশু উৎপাদনকারীদের অনেক অর্থ ব্যয় হয়। তারা যদি ন্যায্যমূল্য না পান তাহলে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন, বেকার হয়ে যাবেন, তাদের উদ্যোক্তা হওয়ার আগ্রহ হারিয়ে যাবে, গ্রামীণ অর্থনীতির সচল চাকা অচল হয়ে যাবে। এজন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে আমি সকল খামারি ও উৎপাদকদের নিশ্চিত করছি আপনারা ন্যায্যমূল্যে গবাদিপশু বিক্রি করতে পারবেন। আমরা চাই দেশের প্রাণিসম্পদ বেড়ে উঠুক। সরকার সকল প্রকার সহযোগিতা দেবে। বাংলাদেশে প্রাণিসম্পদ খাতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে এবং এ পরিবর্তনের ধারা আমরা অব্যাহত রাখবো।”

ভালোকিনি ডট কমের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কেরামত উল্লাহ বিপ্লবের পরিচালনায় অনুষ্ঠানে গাইবান্ধা ও রংপুর অঞ্চলের প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাগণ, গণ উন্নয়ন কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা এম আব্দুস সালাম বাংলাদেশ ডেইরি ফারমার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ ইমরান হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট চরাঞ্চলের গবাদিপশুর খামারিরা অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৫, ২০২১ ৩:০১ অপরাহ্ন
করোনা যুদ্ধে জয়ী হতে হলে প্রোটিন গ্রহণের পরিমান বাড়াতে হবে
প্রাণিসম্পদ

শিশু ও প্রবীণদের জন্য প্রোটিন খুবই দরকারি

লেখকঃ ড. খালেদা ইসলাম, অধ্যাপক, পুষ্টিও খাদ্য বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

প্রাণঘাতি কোভিড-১৯ মহামারি অসংখ্য মানুষের জীবন কেড়ে নিয়েছে। যারা বেঁচে গেছেন তাঁদের শরীরেও রেখে যাচ্ছে দীর্ঘমেয়াদী ক্ষতিকর প্রভাব। এ জীবানু ক্রমাগতভাবে মিউটেট হওয়ার ফলে পরিস্থিতি দিন কে দিন অবনতি হচ্ছে। বর্তমানে ডেল্টা ভেরিয়ান্ট এবং ডেল্টা প্লাস ভেরিয়ান্ট নতুনভাবে আতংক ছড়িয়েছে। এ পরিস্থিতিতে ভাইরোলজিস্টরা একদিকে যেমন নির্ভরযোগ্য ভ্যাকসিন গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছেন অন্যদিকে তেমনি ইমিউনিটি বা এন্টিবডি বাড়াতে পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণের পরামর্শ দিচ্ছেন পুষ্টিবিদেরা।

ভাইরোলজিস্ট ও পুষ্টিবিদরা বলছেন, ভাইরাসজনিত যে কোন রোগের বিরুদ্ধে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে দরকার এন্টিবডি। জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়তে যার রোগ প্রতিরোধক্ষমতা যত বেশি, সুরক্ষিত থাকার কিংবা জীবানুর বিরুদ্ধে লড়াই করে টিকে থাকার সম্ভাবনাও তার ততই বেশি।

প্রাণঘাতি নভেল করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছে সারা পৃথিবীর মানুষ। আগামীকাল কী হবে সে কথা না ভেবে এখন তাই শরীরের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা- করোনার সংক্রমণ থেকে সুস্থ থাকতে ডিম, দুধ, মাছ, মাংস, ফল, টাটকা শাকসব্জি, ইত্যাদি পুষ্টিকর খাদ্য খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। এ খাবারগুলোতে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন ও মিনারেল আছে- যা প্রাকৃতিকভাবেই দেহে ইমিউনিটি তৈরি করে। এছাড়াও তৈরি করে ‘এন্টিজেন’ – যা করোনার মত ক্ষতিকারক ভাইরাসের বিরুদ্ধে এন্টিবডি গঠনে সহায়ক।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির ক্ষেত্রে প্রোটিনের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে। এছাড়াও সংক্রমণের হাত থেকে রক্ষায় প্রোটিন কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে। দেহে প্রোটিন বা আমিষের অভাব থাকলে জীবানু খুব সহজেই আক্রমণ করতে পারে। গুনগত ও মানগত বৈশিষ্টের দিক থেকে উদ্ভিজ্জ প্রোটিনের তুলনায় প্রাণিজ প্রোটিন রোগ প্রতিরোধে বেশ কার্যকর।

ভারতের প্রখ্যাত ভাইরাস বিশেষজ্ঞ প্রফেসর সিদ্ধার্থ জোয়ারদার অধিক পরিমাণে প্রোটিন খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন। অধ্যাপক জোয়ারদারের বক্তব্য হচ্ছে, “শরীরের দরকার প্রাণিজ প্রোটিন। সস্তায় প্রোটিন পাওয়া যায়- মুরগির মাংস ও ডিম থেকে। মাংস না খেলে প্রোটিনের ঘাটতি হবে। তাতে করোনা ভাইরাস শুধু নয়, মানবদেহে অন্য যে কোনো ভাইরাসের সংক্রমণ ঘটার আশঙ্কা থাকে। তাই পর্যাপ্ত প্রোটিন খেতে হবে।”

বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ বলেছেন- “উচ্চ মানের আমিষজাতীয় খাবার যেমন: ডিম, মুরগির মাংস ইত্যাদি বেশি করে খেতে হবে।”

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানিম্যাল নিউট্রিশন বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আল-মামুন দৈনিক সমকালকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন- প্রাণিজ আমিষ যেমন গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির মাংসে প্রচুর পরিমাণে লাইসিন, মিথিয়োনিনসহ বিভিন্ন বায়োঅ্যাকটিভ কম্পোনেন্ট পাওয়া যায়। সিসটেইন ও মিথিয়োনিন রূপান্তরিত হয় গ্লুটাথিয়নে- যা দেহে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে, রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

অধ্যাপক আল-মামুন আরও বলেন- ডিমে প্রাপ্ত কলিন এবং ট্রিপ্টোফেন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা অবস্থাতেও মানবদেহের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাবৃদ্ধিতে সহায়ক। গবেষণায় দেখা গেছে, গরুর দুধে প্রাপ্ত প্রোবায়োটিক, ভিটামিন ‘ডি’ এবং ইমুনোগ্লোবিন মানবদেহের রোগ প্রতিরোধক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে। তাঁর মতে, করোনায় যেহেতু কোনো কার্যকর চিকিৎসা আপাতত নেই, তাই প্রতিকারের চেয়ে প্রতিরোধ ব্যবস্থাই উত্তম।

অধ্যাপক আল-মামুন জানান, ব্রয়লার মুরগির মাংসে প্রচুর পরিমাণে আয়রন, সেলেনিয়াম, জিঙ্ক, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন বি১, বি৬, বি১২সহ ভিটামিন এ, ডি, ই, ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড পাওয়া যায়, যা মানবদেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে। বিভিন্ন প্রতিবেদন থেকে দেখা যাচ্ছে- এখন পর্যন্ত করোনায় যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের মধ্যে অধিকাংশ রোগীর রোগ প্রতিরোধক্ষমতা ছিল দুর্বল এবং তাঁরা বিভিন্ন রোগ যেমন ঠান্ডা, ফুসফুসজনিত সমস্যা, হার্টের রোগ, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসজনিত রোগে আক্রান্ত ছিলেন। সুতরাং করোনা যুদ্ধে জয়ী হতে হলে আমাদের ইমিউন সিস্টেম বা রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ানোর বিকল্প নেই। আর এটি সম্ভব বেশি বেশি প্রাণিজ আমিষ গ্রহণের মাধ্যমে। সুতরাং বেশি করে ডিম, দুধ ও ব্রয়লার মাংস খাই, করোনার ঝুঁকি কমাই (দৈনিক সমকাল, অন্যদৃষ্টি, ১৮ এপ্রিল ২০২০)।

 

বয়সকালে শর্করা ও চর্বিজাতীয় খাদ্য কমিয়ে প্রোটিন গ্রহণ বাড়াতে হবে

প্রোটিন সবসময় সঠিক অনুপাতে গ্রহণ করলে বার্ধক্য জীবনে শারীরিকভাবে অনেক ভালো থাকা সম্ভব। দেহের রোগপ্রতিরোধের সবচেয়ে উৎকৃষ্ট ও অনন্য সাধারণ ভূমিকার কাজটি করে থাকে প্রোটিন। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে একজন মানুষের হাড়ক্ষয়, বিপাকক্রিয়ার ধীরগতি, দাঁতে সমস্যা, শারীরিক দুর্বলতা, খুধামন্দা ও কোষ্ঠকাঠিন্য নানারকম জটিলতা দেখা যায়। যদিও প্রোটিন-চাহিদা নির্ভর করে মানুষের কাজের ধরণ, ওজন এবং শারীরিক অসুস্থতার উপর, তবুও বৃদ্ধ বয়সে প্রোটিন গ্রহণের মাত্রা প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের মতো হতে হবে। যেহেতু এই বয়সে কর্মচাঞ্চল্য কম থাকেনা, কাজেই এই সময় শর্করা ও চর্বিজাতীয় খাবারের পরিমান কমিয়ে অধিক পরিমানে আমিষ খাদ্য তালিকায় রাখতে হবে। পেশীর ক্ষয়রোধ ও হাড় মজবুত রাখার জন্য সঠিক পরিমানে প্রোটিন পথ্য হিসেবে কাজে লাগে। এই বয়সে আমিষের অভাব হলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে এবং নানান ধরনের জটিলতা দেখা দেয়।

 

শিশুদের সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে দরকার ডিম, দুধ, মাছ ও মাংস

প্রোটিন- কোষ বৃদ্ধিতে এবং দেহ কাঠামো গড়তে সাহায্য করে। শিশুর জন্য প্রোটিনের গুরুত্ব যে অপরিসীম তা বলার অপেক্ষা রাখেনা। শিশুর দৈহিক ও মানসিক বিকাশে আমিষ অসাধারণ ভূমিকা রাখে। পুষ্টিবিদদের মতে, শিশুদের প্রোটিনের পরিমাণ প্রতিদিন ১৬ গ্রাম থেকে ৬০ গ্রাম হতে পারে। একজন শিশুর সঠিকভাবে বেড়ে ওঠার জন্য প্রতিদিন একটি ডিম, এক গ্লাস দুধ এবং একদিন পর পর মাছ ও মুরগি মাংস খাবার তালিকায় রাখতে হবে। আমাদের দেহে অক্সিজেন সরবরাহের জন্য আমিষের অনেক তাৎপর্য রয়েছে। শিশুদের কোনভাবে আমিষের অভাব হলে নানাবিধ রোগ হতে পারে; যেমন- কোয়াশিয়রকর (শরীর ফুলে যাওয়া, ত্বক শুকনো ও খসখসে হয়ে যাওয়া), ম্যারাসমাস (হাত-পা সরু হয়ে যাওয়া, বৃদ্ধের মতো দেখানো), ইত্যাদি।

তাই সুস্থ যদি থাকতে চান চাহিদা মতো প্রোটিন খান।

 

প্রোটিন সচেতনতায় : বিপিআইসিসি ও ইউ.এস সয়াবিন এক্সপোর্ট কাউন্সিল
শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৫, ২০২১ ১২:৪৯ অপরাহ্ন
প্রস্তুত ১১‘শ কেজির “কিশোর বাদশা”, দাম ১৩ লাখ টাকা
প্রাণিসম্পদ

সৌদি আরব থেকে দেশে ফিরে গরুর খামার দিয়ে সফল হয়েছেন শরীফুল। কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার সবচেয়ে বড় গরু দাবি করে নাম রাখা হয়েছে ‘কিশোর বাদশা’। সবার দৃষ্টি কাড়া ‘কিশোর বাদশার’ দৈর্ঘ্য ৯ ফুট, উচ্চতা পাঁচ ফুট এবং ওজন ১১০০ কেজি যার দাম ১৩ লাখ টাকা চান শরীফুল।

এরই মধ্যে দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে অনেকেই যোগাযোগ করছেন গরুটি কেনার জন্য। দরদাম হলেও আশানুরূপ দাম এখনও ওঠেনি। ‘কিশোর বাদশার’ মালিক জানিয়েছেন বেশ কয়েকজন দাম করেছেন। সাত লাখ টাকা পর্যন্ত উঠেছে দাম।

শরীফুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন সময় গণমাধ্যমে প্রতিবেদন দেখে আমার আগ্রহ জাগে গরু মোটাতাজা করার। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের সহযোগিতায় গরুটি মোটাতাজা করেছি। বিশাল আকৃতির গরুটি ১৩ লাখ টাকা বিক্রি করতে চাই। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে কিছুটা কম হলেও বিক্রি করে দেবো। দেশের যেকোনও জায়গা থেকে যে কেউ কিনতে চাইলে পৌঁছে দেবো নিজ দায়িত্বে। তবে করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউন থাকায় গরুটি বিক্রি নিয়ে শঙ্কায় আছি।

জানা যায়, শরীফুল ইসলাম ১৪ বছর সৌদি আরবে থেকে ২০১৭ সালে দেশে ফেরেন।গত তিন বছরে বাড়ির আঙিনায় গরুর খামার গড়েন। বর্তমানে খামারে আরও আটটি গরু রয়েছে। একেকটার দাম ৮০ থেকে এক লাখ টাকার মতো। উপজেলার অনেকেই তার খামার দেখতে আসেন। পাশাপাশি পরামর্শও নেন। কেউ নতুন খামার করতে চাইলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে শরীফুলের খামার দেখতে পাঠানো হয়। তার খামারে সবমিলে প্রায় ২০ লাখ টাকার গরু আছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল মান্নান জানান, শরীফুল ইসলামের গরুটি সবদিক বিবেচনায় উপজেলার মধ্যে সেরা। আশা করছি, ন্যায্যমূল্যে বিক্রি হবে। ভালো দাম পেলে গরু পালনে আগ্রহ বাড়বে অন্য খামারিদের।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নজরুল ইসলাম জানান, এবার কোরবানির ঈদে কিশোরগঞ্জ জেলায় বিক্রির জন্য ৮২ হাজার গরু-ছাগল প্রস্তুত রয়েছে। চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি গরু-ছাগল রয়েছে। তবে লকডাউনের কারণে পশু বিক্রি নিয়ে শঙ্কায় আছেন অনেক খামারি।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৫, ২০২১ ১১:৩১ পূর্বাহ্ন
কোরবানির মাঠ কাঁপাবে ‘ভাটির রাজা’
প্রাণিসম্পদ

আসন্ন কোরবানিতে এবার আলোচনায় আসছে বিভিন্ন নামের গরু। ঠিক তেমনি সবার দৃষ্টি কেড়ে নিয়েছে এবার কিশোরগঞ্জের এক টন ওজনের ষাঁড় ‘ভাটির রাজা’। জেলার সবচেয়ে সুদর্শন ও বড় হিসেবে আলোচিত গরুটি দেখতে প্রতিদিন তার বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন উৎসুক জনতা। দূর-দূরান্ত থেকে আসছেন ক্রেতারাও। মালিক দাম হাঁকছেন ১২ লাখ টাকা। জেলার তাড়াইল উপজেলার দামিহা ইউনিয়নের মধ্য কাজলা গ্রামের খামারি মো. মতিউর রহমান এই ষাঁড়টির মালিক।

খামারি মতিউর রহমান জানান, ফ্রিজিয়ান জাতের এই ষাঁড়ের ওজন এখন প্রায় ১০০০ কেজি। প্রতিদিন এর ওজন দেড় থেকে দুই কেজি করে বাড়ছে। সারাদিনই ‘ভাটির রাজা’র যত্ন করতে হয়। খাওয়ানো, গোসল করানো ও পরিচর্যাসহ সবকিছু লক্ষ্য রাখতে হয়।

গরুটির যতটা না ওজন তার চেয়ে বেশি এটি সুন্দর। ৩০ মাস বয়সী দুই দাঁতের এই গরুটিকে এখন প্রতিদিন ২০ থেকে ২২ কেজি করে খাবার দিতে হচ্ছে। খাবারের তালিকায় রয়েছে নিজস্ব জমির কাঁচা ঘাস, শুকনো খড়, গমের ভুষি, খেসারির ভুষি, ভুট্টাভাঙা ও কলা।

আরো পড়ুন: আসন্ন কোরবানি, ফটিকছড়িতে এক মাসে ১৫ গরু চুরি!

শুধু কিশোরগঞ্জ জেলা নয়, ভাটি এলাকার মধ্যে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বড় ও সুন্দর গরুর তালিকায় ‘ভাটির রাজা’ অন্যতম। খামারি মতিউর রহমান আরো জানান, স্থানীয় এক কৃষকের কাছ থেকে দেড় বছর আগে এক বছর বয়সী ‘ভাটির রাজা’কে কিনেছিলেন তিনি। কেনার পর এটিকে সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে মোটাতাজা করার প্রক্রিয়া শুরু করেন। এর খাবারের চাহিদা মেটানোর জন্য বাড়ির পাশে একটি বিশাল ঘাসের জমিও করেছেন তিনি। ভালো দামে এবার গরুটি বিক্রি করতে পারলে, আগামীতে এ ধরনের আরো গরু তৈরি করতে তিনি উৎসাহ পাবেন বলেও জানান।

তাড়াইল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নূরজাহান বেগম জানান, গরুটির মালিক একজন সফল উদ্যোক্তা। আহমেদ এগ্রো নামে তিনি একটি খামার গড়ে তুলেছেন। গত বছর তিনি দেশি জাতের ৬টি গরু বিক্রি করেছেন। এবার প্রথম বড় জাতের গরু মোটাতাজা করেছেন তিনি। গরুটি লালন-পালনে খামারি মতিউর রহমান কোনো ধরনের হরমোন বা স্টেরয়েড ব্যবহার করেন নি।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নজরুল ইসলাম জানান, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন এলাকায় এবার বিপুল পরিমাণ গবাদিপশু লালন-পালন হচ্ছে। অনেক জায়গায় বড় বড় গরু মোটাতাজাকরণ হচ্ছে। এগুলোর নিয়মিত খোঁজ রাখা হচ্ছে। তবে তাড়াইলের এ গরুটি কিশোরগঞ্জের সবচেয়ে নান্দনিক এবং সুন্দর গরু। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় গরুটি পালনে বিভিন্ন টেকনিক্যাল সাপোর্ট দিয়েছে। আশা করছি খামারি এটির ন্যায্য মূল্য পাবেন বলে জানান তিনি।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৫, ২০২১ ১১:০১ পূর্বাহ্ন
আসন্ন কোরবানি, ফটিকছড়িতে এক মাসে ১৫ গরু চুরি!
প্রাণিসম্পদ

কোরবানি আসলেই গরু-ছাগল খামারিদের মাঝে অন্যরকম উত্তেজনা কাজ করে। তবে সেই উত্তেজনায় ধস নেমে আসে গরু চুরি হওয়ার কারনে। গরু চুরির আতঙ্কে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মানুষ দিশেহারা। গত এক মাসেই সেখানে চুরি হয়েছে অন্তত প্রায় ১৫টি গরু। চোরের কবল থেকে গরু রক্ষা করতে রাত জেগে গোয়াল পাহারা দিচ্ছেন কৃষক।

জানা যায়, গত শনিবার রাতে উপজেলার ভূজপুর থানাধীন দাঁতমারা ইউনিয়নের বালুটিলা ফুলছড়ি গ্রামের কৃষক মনির হোসেনের গোয়ালঘর থেকে তিনটি ষাঁড় চুরি হয়। এর বাজারদর আনুমানিক দুই লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন তিনি। গত এক মাসে একই এলাকার মানিক সওদাগরের দুটি, হেঁয়াকো কড়ইবাগান এলাকার রশিদ ও শফিক দুটি, নিচিন্তা এলাকার তপন মাস্টারের চারটি এবং সুবলছড়ি থেকে আসন্ন কোরবানি ঈদে বাজারের বিক্রয়যোগ্য দেড় লাখ টাকা দামের দুটি ষাঁড় চুরি হয়েছে।

দাঁতমারা ইউনিয়নের রঞ্জিত কুমার নামে একজন পশু চিকিৎসক জানান, ‘দুই মাস ধরে গরু চুরি হচ্ছে। আমি পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেছি। তবে পুলিশের তৎপরতা আমার চোখে পড়েনি। গতকাল (শনিবার) রাতেও বালুটিলা এলাকা থেকে তিনটি গরু চুরি হয়েছে। আর গরুগুলো চুরি করে গাড়িতে করেই নেয়া হচ্ছে। আমার জানামতে, গত দুই মাসে অন্তত ১১টা চুরি হয়েছে।’

এদিকে ঈদ সামনে রেখে গরু চুরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় অনেকে তাদের গরু চুরির কবল রক্ষা পেতে গরুর সঙ্গে গোয়ালঘরেই নির্ঘুম রাত পার করছেন বলে জানা গেছে।

দাঁতমারা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গোলাম আবসার জানান, ‘চুরির বিষয়টি জানতাম না। কোনো অভিযোগও পাইনি। এখন জানলাম, বিস্তারিত খোঁজ নিচ্ছি ওই এলাকায়। আমাদের টহল আরও জোরদার করা হবে বলে জানান তিনি।’

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৪, ২০২১ ৯:১২ অপরাহ্ন
‘বাংলার সম্রাট’ এবারও উঠছে হাটে!
প্রাণিসম্পদ

বাংলার সম্রাট! নামে যা কামেও তাই। গেল বছরও এটি সাড়া জাগিয়েছে। যশোরের মণিরামপুরের খামারি আসমত আলী গাইনের লালন-পালন করা ‘বাংলার সম্রাট’ নামের ষাঁড়টি এবছর কোরবানীতে গাবতলীর হাটে বিক্রির জন্য উঠতে যাচ্ছে। তবে এবছর হাসমত নয় গরুটি বিক্রির জন্য গত এক বছর ধরে লালনপালন করা হয়েছে আলমগীর র‌্যাঞ্জের খামারে।

জানা যায়, ২০২০ সালের কোরবানীর আগে হাসমত আলী থেকে ‘বাংলার বস’ ও ‘বাংলার সম্রাট’ নামের ষাঁড় দুটি কিনে নেন আলমগীর র‌্যাঞ্জের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন। বাংলার বসকে কোরবানী দিলেও ‘বাংলার সম্রাট’কে রেখে দেন আলমগীর। পরবর্তীতে এ ষাড়টিকে কেন্দ্র করেই তিনি গত এক বছরে গড়ে তুলেছেন বেশ কয়েকটি খামার।

‘বাংলার সম্রাট’কে আলমগীর হোসেন শখের বসে নিয়মিত দেখাশোনা করতেন এবং এটা দেখে বড় গরুর খামার গড়ে তোলেন। তিনি মাঝে মাঝে গরুগুলোকে নিজ হাতেও খাওয়ান উল্লেখ করে আলমগীর র‌্যাঞ্জের খামারিরা।

প্রতি বছরই কোরবানীর পশুর হাটে চমক হিসেবে থাকে বিশেষ কিছু গরু। ওজন, সাইজ ও দামের কারণে আলোচনায় থাকে পশুর হাটে আসা এসব পশু। এবারও আলোচনায় উঠতে যাচ্ছে আলমগীর র‌্যাঞ্জের ‘বাংলার সম্রাট’। ফ্রিজিয়ান জাতের এ ষাঁড়টি আলমগীর র‌্যাঞ্জের রংপুরের নিজস্ব খামারে লালনপালন করা হয়েছে। কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে গত সপ্তাহে মোহাম্মদপুরের বছিলায় তাদের শো-রুমে ষাঁড়টিকে বিক্রির জন্য আনা হয়েছে।

গত বছর এ ষাঁড়টিকে গাবতলির হাট থেকে ৮ লাখ টাকায় কিনে একবছর লালনপালন করা হয়েছে। ছিমছাম গড়নের এ ষাঁড়টির ওজন ১ হাজার কেজিরও বেশি।

ষাঁড়টির দাম এবছর ১২ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছে উল্লেখ করে খামারের এক কর্মকর্তা জানান, “বিভিন্ন খামারে একটু বড় গরু হলেই দাম কয়েক লাখ পর্যন্ত বাড়িয়ে ফেলে কিন্তু আমরা এর ওজন, গঠন অনুযায়ীই দাম নির্ধারণ করেছি।” তবে করোনার এ পরিস্থিতিতে ষাঁড়গুলো বিক্রি হবে কিনা সেটা নিয়েও কিছুটা চিন্তিত তিনি। এছাড়া এবছর চাহিদা অনুযায়ী ষাঁড় কম থাকায় বিক্রি হবে বলে আত্মবিশ্বাসী তিনি।

তিনি জানান, “ছোট ষাঁড় বিক্রিতে সাধারনত লাভ কম হয়। বড় ষাঁড়র প্রতি মানুষের আকর্ষণও বেশি আবার চাহিদাও খারাপ না। বড় ষাঁড় বিক্রি না হলে ক্ষতিটাও বেশি হয়।”

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৪, ২০২১ ৭:০৬ অপরাহ্ন
দেশের বাইরে থেকে কোরবানির পশু আসতে দেওয়া হবে না
প্রাণিসম্পদ

কোরবানিকে সামনে রেখে দেশের বাইরে থেকে গবাদিপশু আসতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

রবিবার (০৪ জুলাই) ডিএনসিসি ডিজিটাল হাটের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা জানান।

এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, “আসন্ন কোরবানির জন্য প্রায় ১ কোটি ১৯ লাখ গবাদিপশু প্রস্তুত আছে। গত দুটি কোরবানির ঈদে আমরা দেশের বাইরে থেকে পশু আসতে দেইনি। তাতে পশুর সংকট হয়নি। এবছরও দেশে পর্যাপ্ত কোরবানির পশু রয়েছে। সীমান্তেও আমরা যোগাযোগ করছি যাতে চোরাইপথে বা অন্য কোন পথে একটা পশুও দেশের ভিতর প্রবেশ করতে না পারে। কারণ আমাদের খামারিদের কথা মনে রাখতে হবে। তারা অনেক কষ্ট করে খামার তৈরি করেছে, বিনিয়োগ করেছে। তাদের পশু বিক্রি হবে না, বাইরে থেকে আসবে, এটা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বাংলাদেশে প্রাণিসম্পদের অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। দেশে এখন ৪১ কোটি ২২ লাখ ৪৪ হাজার গবাদি প্রাণি মজুদ আছে। এটা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনা এবং সকল প্রকার সহযোগিতার কারণে সরকারি-বেসরকারি খাতে এ অভাবনীয় উন্নয়ন হয়েছে।”

শ ম রেজাউল করিম বলেন, “আমরা প্রাণিসম্পদ খাতকে আরো সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। এ জন্য সবাই মিলে একত্রে কাজ করতে হবে। আমাদের দেশটা প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর। আমাদের দেশে মাংস, দুধ ডিমসহ অন্যান্য প্রাণিজাত পণ্য যেভাবে উৎপাদন করা সম্ভব, এটা পৃথিবীর অনেক দেশেই সম্ভব নয়। এসব পণ্য আমরা বিদেশে রফতানি শুরু করেছি।”

ঢাকার বাইরে প্রতিটি পৌরসভা এবং গ্রোথ সেন্টারে আধুনিক স্লটার হাউস নির্মাণেল পরিকল্পনার কথাও এসময় জানান মন্ত্রী। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “স্লটার হাউসে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে গরু জবাই হবে, যেখানে রক্ত বা বর্জ্যকে প্রক্রিয়াজাত করে ব্যবহার করা হবে।”

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো সংযুক্ত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, ডিএনসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সেলিম রেজা, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শমী কায়সার, ডেইরি অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop