১০:৪১ অপরাহ্ন

বুধবার, ২৯ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুলাই ৫, ২০২১ ১১:৩১ পূর্বাহ্ন
কোরবানির মাঠ কাঁপাবে ‘ভাটির রাজা’
প্রাণিসম্পদ

আসন্ন কোরবানিতে এবার আলোচনায় আসছে বিভিন্ন নামের গরু। ঠিক তেমনি সবার দৃষ্টি কেড়ে নিয়েছে এবার কিশোরগঞ্জের এক টন ওজনের ষাঁড় ‘ভাটির রাজা’। জেলার সবচেয়ে সুদর্শন ও বড় হিসেবে আলোচিত গরুটি দেখতে প্রতিদিন তার বাড়িতে ভিড় জমাচ্ছেন উৎসুক জনতা। দূর-দূরান্ত থেকে আসছেন ক্রেতারাও। মালিক দাম হাঁকছেন ১২ লাখ টাকা। জেলার তাড়াইল উপজেলার দামিহা ইউনিয়নের মধ্য কাজলা গ্রামের খামারি মো. মতিউর রহমান এই ষাঁড়টির মালিক।

খামারি মতিউর রহমান জানান, ফ্রিজিয়ান জাতের এই ষাঁড়ের ওজন এখন প্রায় ১০০০ কেজি। প্রতিদিন এর ওজন দেড় থেকে দুই কেজি করে বাড়ছে। সারাদিনই ‘ভাটির রাজা’র যত্ন করতে হয়। খাওয়ানো, গোসল করানো ও পরিচর্যাসহ সবকিছু লক্ষ্য রাখতে হয়।

গরুটির যতটা না ওজন তার চেয়ে বেশি এটি সুন্দর। ৩০ মাস বয়সী দুই দাঁতের এই গরুটিকে এখন প্রতিদিন ২০ থেকে ২২ কেজি করে খাবার দিতে হচ্ছে। খাবারের তালিকায় রয়েছে নিজস্ব জমির কাঁচা ঘাস, শুকনো খড়, গমের ভুষি, খেসারির ভুষি, ভুট্টাভাঙা ও কলা।

আরো পড়ুন: আসন্ন কোরবানি, ফটিকছড়িতে এক মাসে ১৫ গরু চুরি!

শুধু কিশোরগঞ্জ জেলা নয়, ভাটি এলাকার মধ্যে কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বড় ও সুন্দর গরুর তালিকায় ‘ভাটির রাজা’ অন্যতম। খামারি মতিউর রহমান আরো জানান, স্থানীয় এক কৃষকের কাছ থেকে দেড় বছর আগে এক বছর বয়সী ‘ভাটির রাজা’কে কিনেছিলেন তিনি। কেনার পর এটিকে সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে মোটাতাজা করার প্রক্রিয়া শুরু করেন। এর খাবারের চাহিদা মেটানোর জন্য বাড়ির পাশে একটি বিশাল ঘাসের জমিও করেছেন তিনি। ভালো দামে এবার গরুটি বিক্রি করতে পারলে, আগামীতে এ ধরনের আরো গরু তৈরি করতে তিনি উৎসাহ পাবেন বলেও জানান।

তাড়াইল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নূরজাহান বেগম জানান, গরুটির মালিক একজন সফল উদ্যোক্তা। আহমেদ এগ্রো নামে তিনি একটি খামার গড়ে তুলেছেন। গত বছর তিনি দেশি জাতের ৬টি গরু বিক্রি করেছেন। এবার প্রথম বড় জাতের গরু মোটাতাজা করেছেন তিনি। গরুটি লালন-পালনে খামারি মতিউর রহমান কোনো ধরনের হরমোন বা স্টেরয়েড ব্যবহার করেন নি।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নজরুল ইসলাম জানান, আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন এলাকায় এবার বিপুল পরিমাণ গবাদিপশু লালন-পালন হচ্ছে। অনেক জায়গায় বড় বড় গরু মোটাতাজাকরণ হচ্ছে। এগুলোর নিয়মিত খোঁজ রাখা হচ্ছে। তবে তাড়াইলের এ গরুটি কিশোরগঞ্জের সবচেয়ে নান্দনিক এবং সুন্দর গরু। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয় গরুটি পালনে বিভিন্ন টেকনিক্যাল সাপোর্ট দিয়েছে। আশা করছি খামারি এটির ন্যায্য মূল্য পাবেন বলে জানান তিনি।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৫, ২০২১ ১১:০১ পূর্বাহ্ন
আসন্ন কোরবানি, ফটিকছড়িতে এক মাসে ১৫ গরু চুরি!
প্রাণিসম্পদ

কোরবানি আসলেই গরু-ছাগল খামারিদের মাঝে অন্যরকম উত্তেজনা কাজ করে। তবে সেই উত্তেজনায় ধস নেমে আসে গরু চুরি হওয়ার কারনে। গরু চুরির আতঙ্কে চট্টগ্রামের ফটিকছড়ি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের মানুষ দিশেহারা। গত এক মাসেই সেখানে চুরি হয়েছে অন্তত প্রায় ১৫টি গরু। চোরের কবল থেকে গরু রক্ষা করতে রাত জেগে গোয়াল পাহারা দিচ্ছেন কৃষক।

জানা যায়, গত শনিবার রাতে উপজেলার ভূজপুর থানাধীন দাঁতমারা ইউনিয়নের বালুটিলা ফুলছড়ি গ্রামের কৃষক মনির হোসেনের গোয়ালঘর থেকে তিনটি ষাঁড় চুরি হয়। এর বাজারদর আনুমানিক দুই লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন তিনি। গত এক মাসে একই এলাকার মানিক সওদাগরের দুটি, হেঁয়াকো কড়ইবাগান এলাকার রশিদ ও শফিক দুটি, নিচিন্তা এলাকার তপন মাস্টারের চারটি এবং সুবলছড়ি থেকে আসন্ন কোরবানি ঈদে বাজারের বিক্রয়যোগ্য দেড় লাখ টাকা দামের দুটি ষাঁড় চুরি হয়েছে।

দাঁতমারা ইউনিয়নের রঞ্জিত কুমার নামে একজন পশু চিকিৎসক জানান, ‘দুই মাস ধরে গরু চুরি হচ্ছে। আমি পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেছি। তবে পুলিশের তৎপরতা আমার চোখে পড়েনি। গতকাল (শনিবার) রাতেও বালুটিলা এলাকা থেকে তিনটি গরু চুরি হয়েছে। আর গরুগুলো চুরি করে গাড়িতে করেই নেয়া হচ্ছে। আমার জানামতে, গত দুই মাসে অন্তত ১১টা চুরি হয়েছে।’

এদিকে ঈদ সামনে রেখে গরু চুরির ঘটনা বেড়ে যাওয়ায় অনেকে তাদের গরু চুরির কবল রক্ষা পেতে গরুর সঙ্গে গোয়ালঘরেই নির্ঘুম রাত পার করছেন বলে জানা গেছে।

দাঁতমারা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গোলাম আবসার জানান, ‘চুরির বিষয়টি জানতাম না। কোনো অভিযোগও পাইনি। এখন জানলাম, বিস্তারিত খোঁজ নিচ্ছি ওই এলাকায়। আমাদের টহল আরও জোরদার করা হবে বলে জানান তিনি।’

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৪, ২০২১ ৯:১২ অপরাহ্ন
‘বাংলার সম্রাট’ এবারও উঠছে হাটে!
প্রাণিসম্পদ

বাংলার সম্রাট! নামে যা কামেও তাই। গেল বছরও এটি সাড়া জাগিয়েছে। যশোরের মণিরামপুরের খামারি আসমত আলী গাইনের লালন-পালন করা ‘বাংলার সম্রাট’ নামের ষাঁড়টি এবছর কোরবানীতে গাবতলীর হাটে বিক্রির জন্য উঠতে যাচ্ছে। তবে এবছর হাসমত নয় গরুটি বিক্রির জন্য গত এক বছর ধরে লালনপালন করা হয়েছে আলমগীর র‌্যাঞ্জের খামারে।

জানা যায়, ২০২০ সালের কোরবানীর আগে হাসমত আলী থেকে ‘বাংলার বস’ ও ‘বাংলার সম্রাট’ নামের ষাঁড় দুটি কিনে নেন আলমগীর র‌্যাঞ্জের চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন। বাংলার বসকে কোরবানী দিলেও ‘বাংলার সম্রাট’কে রেখে দেন আলমগীর। পরবর্তীতে এ ষাড়টিকে কেন্দ্র করেই তিনি গত এক বছরে গড়ে তুলেছেন বেশ কয়েকটি খামার।

‘বাংলার সম্রাট’কে আলমগীর হোসেন শখের বসে নিয়মিত দেখাশোনা করতেন এবং এটা দেখে বড় গরুর খামার গড়ে তোলেন। তিনি মাঝে মাঝে গরুগুলোকে নিজ হাতেও খাওয়ান উল্লেখ করে আলমগীর র‌্যাঞ্জের খামারিরা।

প্রতি বছরই কোরবানীর পশুর হাটে চমক হিসেবে থাকে বিশেষ কিছু গরু। ওজন, সাইজ ও দামের কারণে আলোচনায় থাকে পশুর হাটে আসা এসব পশু। এবারও আলোচনায় উঠতে যাচ্ছে আলমগীর র‌্যাঞ্জের ‘বাংলার সম্রাট’। ফ্রিজিয়ান জাতের এ ষাঁড়টি আলমগীর র‌্যাঞ্জের রংপুরের নিজস্ব খামারে লালনপালন করা হয়েছে। কোরবানী ঈদকে সামনে রেখে গত সপ্তাহে মোহাম্মদপুরের বছিলায় তাদের শো-রুমে ষাঁড়টিকে বিক্রির জন্য আনা হয়েছে।

গত বছর এ ষাঁড়টিকে গাবতলির হাট থেকে ৮ লাখ টাকায় কিনে একবছর লালনপালন করা হয়েছে। ছিমছাম গড়নের এ ষাঁড়টির ওজন ১ হাজার কেজিরও বেশি।

ষাঁড়টির দাম এবছর ১২ লাখ টাকা চাওয়া হয়েছে উল্লেখ করে খামারের এক কর্মকর্তা জানান, “বিভিন্ন খামারে একটু বড় গরু হলেই দাম কয়েক লাখ পর্যন্ত বাড়িয়ে ফেলে কিন্তু আমরা এর ওজন, গঠন অনুযায়ীই দাম নির্ধারণ করেছি।” তবে করোনার এ পরিস্থিতিতে ষাঁড়গুলো বিক্রি হবে কিনা সেটা নিয়েও কিছুটা চিন্তিত তিনি। এছাড়া এবছর চাহিদা অনুযায়ী ষাঁড় কম থাকায় বিক্রি হবে বলে আত্মবিশ্বাসী তিনি।

তিনি জানান, “ছোট ষাঁড় বিক্রিতে সাধারনত লাভ কম হয়। বড় ষাঁড়র প্রতি মানুষের আকর্ষণও বেশি আবার চাহিদাও খারাপ না। বড় ষাঁড় বিক্রি না হলে ক্ষতিটাও বেশি হয়।”

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৪, ২০২১ ৭:০৬ অপরাহ্ন
দেশের বাইরে থেকে কোরবানির পশু আসতে দেওয়া হবে না
প্রাণিসম্পদ

কোরবানিকে সামনে রেখে দেশের বাইরে থেকে গবাদিপশু আসতে দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

রবিবার (০৪ জুলাই) ডিএনসিসি ডিজিটাল হাটের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা জানান।

এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, “আসন্ন কোরবানির জন্য প্রায় ১ কোটি ১৯ লাখ গবাদিপশু প্রস্তুত আছে। গত দুটি কোরবানির ঈদে আমরা দেশের বাইরে থেকে পশু আসতে দেইনি। তাতে পশুর সংকট হয়নি। এবছরও দেশে পর্যাপ্ত কোরবানির পশু রয়েছে। সীমান্তেও আমরা যোগাযোগ করছি যাতে চোরাইপথে বা অন্য কোন পথে একটা পশুও দেশের ভিতর প্রবেশ করতে না পারে। কারণ আমাদের খামারিদের কথা মনে রাখতে হবে। তারা অনেক কষ্ট করে খামার তৈরি করেছে, বিনিয়োগ করেছে। তাদের পশু বিক্রি হবে না, বাইরে থেকে আসবে, এটা কোনভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।”

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “শেখ হাসিনা সরকারের আমলে বাংলাদেশে প্রাণিসম্পদের অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। দেশে এখন ৪১ কোটি ২২ লাখ ৪৪ হাজার গবাদি প্রাণি মজুদ আছে। এটা কেউ কল্পনাও করতে পারেনি। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতা, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পরিকল্পনা এবং সকল প্রকার সহযোগিতার কারণে সরকারি-বেসরকারি খাতে এ অভাবনীয় উন্নয়ন হয়েছে।”

শ ম রেজাউল করিম বলেন, “আমরা প্রাণিসম্পদ খাতকে আরো সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে চাই। এ জন্য সবাই মিলে একত্রে কাজ করতে হবে। আমাদের দেশটা প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর। আমাদের দেশে মাংস, দুধ ডিমসহ অন্যান্য প্রাণিজাত পণ্য যেভাবে উৎপাদন করা সম্ভব, এটা পৃথিবীর অনেক দেশেই সম্ভব নয়। এসব পণ্য আমরা বিদেশে রফতানি শুরু করেছি।”

ঢাকার বাইরে প্রতিটি পৌরসভা এবং গ্রোথ সেন্টারে আধুনিক স্লটার হাউস নির্মাণেল পরিকল্পনার কথাও এসময় জানান মন্ত্রী। এ বিষয়ে তিনি বলেন, “স্লটার হাউসে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে গরু জবাই হবে, যেখানে রক্ত বা বর্জ্যকে প্রক্রিয়াজাত করে ব্যবহার করা হবে।”

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে আরো সংযুক্ত ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এমপি, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক এমপি। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সিনিয়র সচিব এন এম জিয়াউল আলম, ডিএনসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ সেলিম রেজা, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর আহমেদ জামাল, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি শমী কায়সার, ডেইরি অ্যাসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ প্রমুখ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৪, ২০২১ ৩:২৩ অপরাহ্ন
অনলাইনের গরু কেনা-বেচা, টাকা থাকবে ব্যাংকে
প্রাণিসম্পদ

অনলাইনে কোরবানির পশু কিনলে তা হাতে না পাওয়া পর্যন্ত টাকা বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা থাকবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরশন (ডিএনসিসি)ও মেয়র আতিকুল ইসলাম।

রোববার (৪ জুলাই) দুপুর ১২টায় জুম প্লাটফর্মে ‘ডিএনসিসি ডিজিটাল গরু হাট ২০২১’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে মেয়র আতিকুল ইসলাম এ কথা জানান।

আরো পড়ুন: কোরবানির ডিজিটাল হাট শুরু

আতিকুল ইসলাম বলেন, এখন থেকে অনলাইনে কোরবানির পশু কেনার পর কোনো গ্রাহকের প্রতারিত হওয়ার সুযোগ থাকবে না। গ্রাহক অনলাইনে গরু পছন্দের পর যে টাকা জমা দেন, ওই টাকা গরু হাতে না পাওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ব্যাংকে জমা থাকবে। গ্রাহক গরু বুঝে পাওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংককে জানালে টাকা ছাড় হবে।

আরো পড়ুন: চলছে কোরবানির প্রস্তুতি, সারাদেশে হাট বসবে ২,৪০০টি

তিনি আরো বলেন, অনেক সময় অনলাইনে গ্রাহক গরু কেনেন একরকম, কিন্তু ডেলিভারির পর দেখেন গরু অন্যরকম বা অসুস্থ। এমন সমস্যা দূর করতে এই পদ্ধতি নেয়া হয়েছে।এবার অনলাইন হাটে এক লাখ গরু বেচাকেনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরশন, নারায়ণগঞ্জসহ আশেপাশের এলাকার লোকজন অনলাইন প্লাটফর্ম থেকে গরু কিনতে পারবেন বলে জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী তাজুল ইসলাম, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তফা জব্বার প্রমখ অংশগ্রহণ করেন

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৪, ২০২১ ১:৫৭ অপরাহ্ন
১৫ জুলাই থেকে বসছে কেসিসির কোরবানির হাট
প্রাণিসম্পদ

আগামী ১৫ জুলাই থেকে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) নগরীর জোড়াগেট পাইকারি কাঁচাবাজারে কোরবানির পশুর হাট বসানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। গত ১ জুলাই নগর ভবনে কেসিসির বিশেষ সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়।

সভায় জানানো হয়, পশুর হাট ইজারার জন্য পরপর তিনবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও কেউ সাড়া দেয়নি। এজন্য বিগত বছরের মতো এবারও নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় হাট পরিচালিত হবে।

সভায় কোরবানির পশুর হাট সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরিচালনার লক্ষ্যে ২১নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শামসুজ্জামান মিয়া স্বপনকে আহ্বায়ক এবং ২৩নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ইমাম হাসান চৌধুরী ময়নাকে সদস্য সচিব করে পশুর হাট পরিচালনা কমিটি-২০২১ গঠন করা হয়।

হাট পরিচালনা কমিটির আহ্বায়ক শামসুজ্জামান মিয়া স্বপন জানান, করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় পশুর হাট পরিচালনায় স্বাস্থ্যবিধি কঠোরভাবে প্রতিপালন করা হবে। আগতদের বাধ্যতামূলক মাস্ক ব্যবহার, জীবাণুনাশক ব্যবহার ও সামাজিক দূরত্বকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

প্রতিবারের মতো এবারও হাটে সিসি ক্যামেরা স্থাপনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিতকরণ এবং নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের নিশ্চয়তা বিধান করা হবে। হাটে পশু আনতে কেউ যাতে হয়রানির শিকার না হন, এজন্য দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে বৈঠক করা হবে।

গত বছর কেসিসির পশুর হাটে ছয় হাজার ১৬৯টি পশু বিক্রি হয়। এর মধ্যে ছিল চার হাজার ৭৭২টি গরু, এক হাজার ৩৬০টি ছাগল ও ৩৬টি ভেড়া। এ থেকে কেসিসি রাজস্ব আয় হয় এক কোটি ৬৪ লাখ ৭৭ হাজার ৭ টাকা।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৪, ২০২১ ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন
নাটোরের ৩ লাখ ৩৫ হাজার গবাদি পশু প্রস্তুত, বিক্রি হবে অনলাইনে
প্রাণিসম্পদ

আসন্ন কোরবানির ঈদকে কেন্দ্র করে নাটোরের খামারিরা তিন লাখ ৩৪ হাজার ৯৫৮টি কোরবানির পশু প্রস্তুত করেছেন। তিন লাখ ৩৪ হাজার ৯৫৮টি কোরবানির পশুর মধ্যে এক লাখ ১৯ হাজার ৮৪টি গরু ও মহিষ, বাকিগুলো ছাগল ও ভেড়া। এসব পশুর বাজারমূল্য অন্তত ৯০০ কোটি টাকা। এবার নাটোর জেলায় প্রায় দুই লাখ ১০ হাজার কোরবানির পশু জবাই হবে বলে আশা করছে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

নাটোর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. গোলাম মোস্তফা জানিয়েছেন, সরকারি ব্যবস্থাপনায় ইতোমধ্যে নাটোর পশুর হাট ও অনলাইন ডিজিটাল পশুর হাটসহ ৯টি অনলাইন প্লাটফর্ম তাদের কাজ শুরু করেছে। আরও কয়েকটি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

এছাড়া ব্যক্তি উদ্যোগে কোরবানির পশু কেনাবেচার জন্য গড়ে উঠেছে অসংখ্য অনলাইন প্লাটফর্ম। যেগুলো থেকে ক্রেতা সহজেই পশু পছন্দ করে কিনতে পারবেন।

নাটোর জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ সূত্রে জানা যায়, জেলায় ছোট বড় মিলিয়ে মোট ১২ হাজার ১৫০টি পশুর খামার রয়েছে। এবার জেলার সবচেয়ে বৈচিত্রময় ও আকর্ষণীয় গরুর খামার করেছেন সদর উপজেলার ডালসড়ক এলাকার চাল ব্যবসায়ী রেকাত আলী। এই খামারের ১৮০টি গরুর মধ্যে বেশিরভাগ বিদেশি। এরমধ্যে রয়েছে পাকিস্তানের শাহীওয়াল, ভারতের রাজস্থান ও উলুবাড়িয়া জাতের গরু। লাল, সাদা, কালো রঙের এসব গরু লম্বায় ৯ ফুট ও উচ্চতায় ৬ ফুটেরও বেশি।

প্রতি বছর কোরবানির হাটে তোলার আগেই দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে ক্রেতারা গরু কিনতে তার খামারে ভিড় করলেও এবার পরিবেশ একেবারেই ভিন্ন। বিষয়টি মাথায় রেখে গত বছর থেকে এই ব্যবসায়ী ‘কাউ মার্কেট’ নামে একটি অনলাইন প্লাটফর্ম চালু করেছেন। এই অনলাইন প্লাটফর্ম থেকেই খামারের গরু বিক্রি করছেন তিনি।

খামারিরা জানান, প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরামর্শে পুষ্টিকর খাবার- খৈল, গম, ভুষি, ছোলাসহ সবুজ ঘাস খাইয়ে খুব সহজেই গবাদিপশু মোটাতাজা করেছেন। ক্ষতিকর স্টেরয়েড বা হরমোন ব্যবহার করা হয়নি।

কোরবানির পশু বিক্রির জন্য প্রতি বছর জেলার ১৪টি পশুর হাট প্রসিদ্ধ হলেও গত বছর থেকে হাটে না গিয়ে এলাকার মানুষ খামারে গিয়ে সরাসরি গরু কিনতে বেশি পছন্দ করছে। আর দূরের মানুষ কিনতে শুরু করেছে অনলাইনে।

প্রাণিসম্পদ বিভাগের হিসাব অনুযায়ী গত বছর জেলায় কোরবানির সাড়ে পাঁচ হাজার গরু, মহিষ অনলাইনে বিক্রি হয়েছে। তারা আশা করছেন প্রযুক্তির উন্নতি ও করোনার ভয়াবহতার কারণে এবার মানুষ হাটে গিয়ে পশু কিনতে চাইবে না। তাই এবার অনলাইনে বেচাকেনা বেড়ে যাবে কয়েকগুণ। এছাড়া করোনার প্রকোপ ঈদের আগে কমলে জেলার হাটগুলোও বসবে।

জেলার সবচেয়ে বড় কোরবানির পশুর হাট বড়াইগ্রামের মৌখাড়া হাট বসে শুক্রবার, শনিবারে বাগাতিপাড়ার পেড়াবাড়িয়া, নলডাঙ্গা ও গুরুদাসপুরের চাঁচকৈড়, রবিবার নাটোর সদরের তেবাড়িয়া, সোমবার গোপালপুরের মধুবাড়ী ও সিংড়া ফেরিঘাট, মঙ্গলবার চাঁচকৈড় ও জোনাইল, এবং বৃহস্পতিবার সদরের মোমিনপুরে গরুর হাটেও কোরবানির পশু পুরোদমে কেনাবেচা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৪, ২০২১ ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
কোরবানির ডিজিটাল হাট শুরু
প্রাণিসম্পদ

শুরু হয়েছে কোরবানির পশু কেনা-বেচার ডিজিটাল হাট। এবারের ডিজিটাল হাটে শুধু ই-ক্যাব এবং বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশন (বিডিএফএ) অনুমোদিত প্রতিষ্ঠানের খামারিরা পশু বিক্রি করতে পারবেন।

আজ রবিবার (৪ জুলাই) থেকে শুরু হচ্ছে কোরবানির পশুর ডিজিটাল হাট। ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) জেনারেল সেক্রেটারি মো. আব্দুল ওয়াহেদ তমাল এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘রবিবার থেকে ডিজিটাল কোরবানির পশুর হাট শুরু হতে যাচ্ছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, ঢাকা উত্তর সিটির মেয়রসহ অনেকের উপস্থিতিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।’

ই-ক্যাব সূত্র জানায়, গত ৩০ জুন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ডিজিটাল কোরবানির পশুর হাট ব্যবস্থাপনা বিষয়ে একটি নির্দেশিকা প্রকাশ করেছে। ডাব্লিউটিও সেলের মহাপরিচালক হাফিজুর রহমান স্বাক্ষরিত নির্দেশিকায় ডিজিটাল কোরবানির পশুর হাটে পশু ক্রয়-বিক্রয় ও স্লটারিং সেবা সংক্রান্ত গাইডলাইন দেওয়া হয়েছে।

বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসরণ করে এবারের ডিজিটাল কোরবানির হাট বাস্তবায়ন করছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ ও বাংলাদেশ ডেইরি ফার্ম অ্যাসোসিয়েশন। এতে কারিগরি সহযোগিতা দিচ্ছে এটুআইয়ের অনলাইন প্ল্যাটফর্ম একশপ।

ই-ক্যাব জানায়, নির্দেশনায় জড়িত পক্ষগুলোর দায়দায়িত্ব এবং পশু ক্রয়-বিক্রয়ের নিয়ম ঠিক করে দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া গ্রাহককে সময়মতো কোরবানির পশু দিতে না পারলে সেসব প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

তবে এই প্ল্যাটফর্মে ই-ক্যাব এবং বিডিএফএর অনুমোদিত সদস্যের প্রতিষ্ঠান শুধু অংশ নিতে পারবে। এ ছাড়া জেলা প্রশাসকদের অনুমোদিত বিক্রেতারা পশু বিক্রি করতে পারবে। ক্রেতার নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে এ ধরনের রক্ষণশীল কৌশল রাখা হয়েছে।

এই বিষয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে জুম অনলাইনে অনুষ্ঠিত একসভায় ই-ক্যাবের প্রেসিডেন্ট শমী কায়সার বলেছিলেন, ‘এই হাট যেহেতু ঈদকেন্দ্রিক এবং এবার করোনা মহামারির প্রকোপও বেড়েছে, তাই আমরা চাই ক্রেতারা অনলাইন থেকে নিরাপদে পশু ক্রয় করুক। আমরা গতবার প্রান্তিক চাষিদের যুক্ত করলেও এবার যাচাই-বাছাই করা কঠিন হবে। আমরা শুধু ভেরিফায়েড বিক্রেতাদের সুযোগ দিচ্ছি।’

সভায় ই-ক্যাবের জেনারেল সেক্রেটারি মো. আব্দুল ওয়াহেদ তমাল জানান, ‘আমরা সরকারের এবং উত্তর সিটি করপোরেশনের সহযোগিতা নিয়ে ডিজিটাল হাট সফলভাবে বাস্তবায়ন করতে চাই। তবে এবার আমরা ক্রেতা-বিক্রেতার সংযোগ ঘটিয়ে দেব। ক্রেতার আর্থিক নিরাপত্তা দিতে আমরা বাংলাদেশ ব্যাংকের সহায়তায় সাময়িক স্ক্রো সেবা ব্যবহার করার চেষ্টা করছি বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩, ২০২১ ৫:৩৪ অপরাহ্ন
স্কুল বন্ধ, হাসের খামারে ব্যস্ত ৫ম শ্রেণি পড়ুয়া রিফাত
প্রাণিসম্পদ

করোনায় সব স্তব্ধ। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহুমাস ধরে বন্ধ। ছাত্রদের সময় কাটছে আড্ডায়। আর ঠিক এই সময়টাতে ৫ম শ্রেণি পড়ুয়া রিফাত (১২) ব্যস্ত ছোট খামার নিয়ে।

বগুড়ার শাজাহানপুরের ৫ম শ্রেণিতে পড়ে রিফাত। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছন। দীর্ঘ দিন বসে থাকার পর বাসা থেকে ১০০ টি পাতি হাঁস কিনে নিয়েছিলো। গ্রামের মাঠে ঘাটে হাঁস পালন করেন। প্রথম চালানেই ভালো দামে বিক্রি করেন। তারপর থেকে পরিবার থেকে হাঁস পালন করা উদ্যোগ নেন এবং হাঁস পালন করেন।

প্রতিটি হাঁস চার মাস পালন করে ১৭০-১৮০ টাকা পিস বিক্রি করেন। এতে করে পরিবার আর্থিক দিক থেকে সাবলম্বি হতে থাকেন। রিফাতের সফলতা দেখে গ্রামের আরো ছেলে খামার দিতে অগ্রহ প্রকাশ করছে।

এলাকার বিশিষ্ট সমাজ সেবক ওরাসাতুল মোস্তফা সোহাগ জানান, রিফাতের এমন কাজে আমি খুব খুশি। তবে লেখাপড়ার যেন কোন ক্ষতি না হয় এদিকে বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। এ কাজ থেকে এলাকার যুবকদের উৎসাহ নিতে হবে, তবে সমাজের বেকারত্বের হার কমবে।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩, ২০২১ ২:৫৮ অপরাহ্ন
১০দিনের জন্য চট্টগ্রামে কোরবানির হাট বসবে ১২টি
প্রাণিসম্পদ

আর কিছুদিন পরেই কোরবানি। এই কোরবানিতে এবার চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন স্থায়ী-অস্থায়ী মিলে পশুর হাট বসাতে চায় ১২টি । এর মধ্যে তিনটি স্থায়ী পশুর হাট রয়েছে। এই তিন বাজারে সারাবছর পশু বেচাকেনা হয়। বাকি নয়টি অস্থায়ী হাট বসানোর অনুমতি চেয়ে চসিকের রাজস্ব বিভাগের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কাছে চিঠি দেয়া হয়েছে।

১২ জুলাই থেকে ২১ জুলাই ১০ দিনের জন্য এসব অস্থায়ী হাট বসাতে চায় চসিক।

জানা যায়, গত ৩১ মে চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কাছে অস্থায়ী হাট বসানোর অনুমতি চেয়ে চিঠি দেন। প্রস্তাবিত হাটগুলো হলো- কর্ণফুলী গরুবাজার (নুরনগর হাউজিং সোসাইটি), সল্টগোলা রেলক্রসিং সংলগ্ন মাঠ, স্টিলমিল বাজার, পতেঙ্গা সিটি করপোরেশন উচ্চ বিদ্যালয় মাঠ (কাঠগড়), ৪১ নম্বর ওয়ার্ডস্থ বাটারফ্লাই পার্কের দক্ষিণে টি কে গ্রুপের খালি মাঠ, আমানবাজার ওয়াসা মাঠ, মাদারবাড়ি রেলক্রসিং সংলগ্ন বালুর মাঠ, কালুরঘাট ব্রিজের উত্তর পাশের মাঠের খালি জায়গায় অস্থায়ী হাট বসাতে চায় চসিক।

চসিকের রাজস্ব বিভাগ সূত্র জানা যায়, স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিটি হাট ব্যবস্থাপনায় জোর দেয়া হবে। তাই গতবারের তুলনায় বেশি হাট বসানোর উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। কারণ হাট বেশি হলে মানুষ তার কাছের হাট থেকে কোরবানির পশু কেনার সুযোগ পাবে।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop