৭:৪৯ অপরাহ্ন

বুধবার, ২৯ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুলাই ৮, ২০২১ ৫:৪৩ অপরাহ্ন
শেখ হাসিনার কাছে ধনী-দরিদ্রের কোনো ব্যবধান নেই: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ধনী-দরিদ্রের কোনো ব্যবধান নেই। তিনি মনে করেন এ দেশটা কুলি-মজুর-চাষি, ধনী-দরিদ্র সকলের দেশ।

বৃহস্পতিবার সকালে পিরোজপুর সদর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত উপজেলায় করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষদের মাঝে মানবিক সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এ দেশের মানুষের প্রতি মমত্ব শেখ হাসিনা যেভাবে লালন ও ধারণ করেন, এটা অতীতে কেউ পারেনি। তার অনুভূতিতে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ রাষ্ট্রের সম্মানিত নাগরিক।

মন্ত্রী বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য মানবিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রতিটি নাগরিকের জন্য রাষ্ট্র তার অনিবার্য দায়িত্ব পালন করছে।

শ ম রেজাউল আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনা যতদিন বেঁচে আছেন, ততদিন বাংলাদেশে একটি লোকও অনাহারে মারা যাবে না। একটি লোকও চিকিৎসাহীন অবস্থায় মারা যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘করোনা মহামারীসহ নানাভাবে ভয়াবহ দুর্যোগ ও প্রতিকূল অবস্থা আমরা মোকাবিলা করছি। রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে আছে, সরকার পাশে আছে, শেখ হাসিনা পাশে আছেন।’

মন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনার হাতে যতদিন বাংলাদেশ, ততদিন পথ হারাবে না বাংলাদেশ। তিনি যতদিন সুস্থ থাকবেন, ততদিন বাংলাদেশে দল-মত, ধনী-দরিদ্র, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষ প্রতিটি মানুষই নিরাপদ থাকবেন।’

এ সময় সকলকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং অপ্রয়োজনীয় বাইরে যাওয়া থেকে নিজেদের বিরত রাখার আহ্বান জানান তিনি।

শ ম রেজাউল বলেন, ‘পিরোজপুরে অক্সিজেন সংকট যাতে দেখা না দেয়, সেজন্য পর্যাপ্ত অক্সিজেন রিজার্ভের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অগ্রাধিকারভিত্তিতে পিরোজপুরের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে বিভিন্নভাবে উন্নত করার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। আশা করি, পিরোজপুরের মানুষকে চিকিৎসার জন্য বাইরে যেতে হবে না।’

পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বশির আহমেদের সভাপতি অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান, পিরোজপুর জেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি বিমল চন্দ্র মণ্ডল, সাধারণ সম্পাদক গোপাল বসু, জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি ফারুক আব্দুল্লাহ, জেলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মাওলা প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে পিরোজপুর সদর উপজেলায় করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত মোট ৬৭৫ জন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সরকারের মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে পিরোজপুর সদর উপজেলায় করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত মোট ৬৭৫ জন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সরকারের মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় পরিবহন শ্রমিক, অটোচালক, নরসুন্দর, সুইপার, ধোপা, হোটেল শ্রমিক এবং দোকান কর্মচারিদের মাঝে এ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৮, ২০২১ ৫:৩২ অপরাহ্ন
হাটে হাজির ম্যাজিস্ট্রেট, গরু-ছাগল নিয়ে পালালেন বিক্রেতরা
প্রাণিসম্পদ

নওগাঁর রাণীনগরের আবাদপুকুরে কঠোর বিধিনিষেধ না মেনে বসে সাপ্তাহিক হাট। আর হাটে উপস্থিত হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার মাহাতো। ভয়ে গরু-ছাগল নিয়ে মাঠ ছেড়ে পালিয়ে যান বিক্রেতারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সপ্তাহের বুধবার বিকেলে একদিন করে আবাদপুকুরে পশুর হাট বসে। সেখানে নওগাঁসহ আশেপাশের কয়েকটি জেলা থেকে প্রায় কয়েক হাজার মানুষ জমায়েত হয়। করোনা সংক্রমণ রোধে বর্তমানে সারাদেশে সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধ চলছে। উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বিধিনিষেধ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানা করা হচ্ছে।

আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বুধবার বিকেলে আবাদপুকুর পশুর হাটে হাজারো মানুষের সমাগম হয়। হাটে আসা বেশির ভাগ মানুষের মুখে মাস্ক ছিল না। স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো বালাই ছিল না। খবর পেয়ে বিকেলে পুলিশ নিয়ে হাটে উপস্থিত হন ইউএনও। এ সময় ভয়ে গরু-ছাগল নিয়ে হাট থেকে দৌড়ে পালিয়ে যান বিক্রেতারা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার মাহাতো জানান, বিধিনিষেধের মধ্যে অন্যান্য বাজার শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চললেও পশুর হাট বন্ধ রাখতে হবে। নির্দেশনা অমান্য করায় আবাদপুকুর হাটের ইজারাদারকে ২০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এমন অভিযান কঠোর লকডাউন চলাকালীন সময়ে অব্যাহত রাখা হবে বলেও জানান মাহাতো ।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৮, ২০২১ ১১:৩১ পূর্বাহ্ন
ক্রেতা সংকটে বিপাকে ঠাকুরগাঁওয়ের খামারিরা
প্রাণিসম্পদ

কোরবানির জন্য ঠাকুরগাঁও জেলায় আনুমানিক ৮০ হাজার ৪৫৯টি গরু ও ছাগল হৃষ্টপুষ্ট করা হয়েছে। করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়া সারা দেশের ন্যায় ঠাকুরগাঁওয়ে চলছে কঠোর লকডাউন। তবে বিক্রয় নিয়ে খামারিরা যেমন শঙ্কায় আছেন তেমনি দুশ্চিন্তায় আছেন ক্রেতারাও। অনলাইনেও কোনও সাড়া মিলছে না ক্রেতার। এমন পরিস্থিতিতে কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে জেলার ছোট বড় সকল খামারিরা বেশ দুশ্চিন্তায় রয়েছে।

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, ইতোমধ্যে অনলাইনে গরু বিক্রির জন্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে এই খরা কেটে যাবে ঈদের দু-চারদিন আগেই। প্রশাসনের পক্ষ হতে অনলাইন ছাড়াও সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে কিছু হাট বাজার খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, এ বছর ঠাকুরগাঁও জেলায় আনুমানিক ৮০ হাজার ৪৫৯টি গরু ও ছাগল হৃষ্টপুষ্ট করা হয়েছে কোরবানি দেওয়ার জন্য। এছাড়াও অনেকে বাসাবাড়িতে গরু লালন পালন করে সেই হিসেবে এক লাখ ছাড়িয়ে যাবে কোরবানির পশু।

জেলা শহরের শীবগঞ্জ এলাকার ইমন এগ্রো ফার্মের মালিক খামারি রুহুল আমিনের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, কোরবানির বাজারকে সামনে রেখে প্রায় পাঁচ বছর ধরে গরু লালন পালন করে আসছেন তিনি। ঈদের আগে এই সময়ে খামারে একটা গরুও অবিক্রিত থাকতো না। গেল সপ্তাহে একজন পার্টি এসে ঘুরে গেছেন। গরুর যে দাম বলছেন, তাতে ক্রয়মূল্যও থাকছে না। এ বছর খামারে দেশী গরু মোট ২০০টি রয়েছে। ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে গরু কিনেছি। গরু বিক্রি না হলে কি যে হবে- তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।

ঠাকুরগাঁও সদরের লোহাগাড়া এলাকার মকবুল হোসেন। সংসারে আর্থিক স্বচ্ছলতা আনতে দোকানের পাশাপাশি নিজ বাড়িতে প্রতি বছর ৪-৫টি গরু হৃষ্টপুষ্ট করে থাকেন। গত কয়েক বছর ব্যবসা ভালো হলেও করোনার কারণে এ বছর বিক্রি নিয়ে সংশয়ে আছেন। মাত্র দুজন ক্রেতা এলেও তারা তেমন কোনও দাম বলেন নি।

ঠাকুরগাঁওয়ের প্রায় সকল খামারির একই অবস্থা। করোনার পরিস্থিতে খামার কিংবা হাট কোথাও দেখা মিলছে না ক্রেতার। জেলার বড় খোচাবাড়ি হাট, শীবগঞ্জ হাট, লাহিড়ী হাট, নেকমরদ হাটসহ আরও অনেকগুলো বড় বড় গরুর হাঁট রয়েছে। যেগুলো এখন লকডাউনের কারণে শূণ্য মাঠ হিসেবে পড়ে রয়েছে। অথচ গেল বছরগুলোতে এই সময়ে হাঁটগুলো থাকতো গরু ও লোকের সমাগমে ভরপুর।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আলতাফ হোসেন জানান, খামারিদের এই হতাশা খুব শিগগিরই লাঘব হবে। অনলাইনের মাধ্যমে গরু বিক্রয়ের জন্য প্রশাসন থেকে একটি ব্যাবস্থা করা হচ্ছে। তবে ঈদের আগে কিছু পশু বিক্রয়ের হাট নিয়ম মেনে খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। খামারিরা যেন ক্ষতির সমুক্ষিন হতে না হয় সেজন্য আমরা সবসময় চেষ্টা করে যাচ্ছি বলে জানান তিনি।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৭, ২০২১ ৬:১৪ অপরাহ্ন
‘হাজার গরু কোরবানি করে হোম ডেলিভারির সক্ষমতা আছে ডিএনসিসির’
প্রাণিসম্পদ

আসন্ন ঈদুল আজহায় এক হাজার গরু কোরবানি দিয়ে হোম ডেলিভারি করার সক্ষমতা ডিএনসিসির রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

বুধবার রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকায় পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

নগরবাসী এবারের কোরবানির পশু অনলাইনে কিনলে আমরা সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে কোরবানি মাংস কেটে ফ্রিজার গাড়ি দিয়ে হোম ডেলিভারি দেবো।

মেয়র বলেন, আগামী ১২ই জুলাইয়ের মধ্যে কোরবানির পশু অনলাইনে বুকিং দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। ১০ই জুলাই পর্যন্ত বুকিংয়ের সময় রেখেছিলাম। অনেকেই বলছেন, এটা অনেক কম সময় হয়ে যায়। তাই আমি সময় আরও দুই দিন বাড়িয়ে দিয়েছি ১২ জুলাই পর্যন্ত অনলাইনে পশু বুকিং দেয়া যাবে। এরপর প্রয়োজনে কেউ ১৮, ১৯ বা ২০ তারিখে গিয়ে কিনলেন। কিন্তু বুকিংটা ১২ তারিখের মধ্যে দিতে হবে।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৭, ২০২১ ১:১২ অপরাহ্ন
করোনায় লোকসানের শঙ্কা
প্রাণিসম্পদ

একদিকে হাটে গেলে জনসমাগমের মধ্যে করোনায় সংক্রমিত হওয়ার ভয়, অন্যদিকে এবারও বছরজুড়ে লালন–পালন করা গরু অথবা ছাগলটি বিক্রি করতে না পারলে লোকসানের শঙ্কা। কোরবানির পশুহাটে কেনাবেচা নিয়ে এমন উভয় সংকটে পড়ার কথা জানিয়েছেন খামারি ও ব্যবসায়ীরা।

এর মধ্যেই গতকাল মঙ্গলবার পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার করমজা হাটে জনসমাগমের যে চিত্র দেখা গেছে, তাতে হাটে যাওয়া ব্যক্তি ও তাঁদের মাধ্যমে অন্যদেরও করোনায় সংক্রমিত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদিও দেশে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য জারি করা হয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ। তবে কোরবানির পশুহাটে সে বিধিনিষেধের আওতায় থাকা স্বাস্থ্যবিধি ছিল উপেক্ষিত।

করমজা পশুহাটে গতকাল ভিড় ছিল উপচে পড়া। হাট কমিটির পক্ষ থেকে করোনার স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য নানা পদক্ষেপ নেওয়া হলেও তা খুব একটা কাজে লাগাতে দেখা যায়নি। এই পশুহাট উত্তরাঞ্চলের বড় হাটগুলোর মধ্যে অন্যতম। হাট ঘুরে অনেক কোরবানির পশু আমদানি দেখা গেলেও বেচাকেনা ছিল কম।

হাটে সাঁথিয়া উপজেলার শহীদনগর গ্রামের রইজউদ্দিন জানান, এক বছর ধরে তিনি বাড়িতে দুটি ষাঁড় লালন-পালন করেছেন। সকালে হাটে নিয়ে এলেও বেলা ১টা পর্যন্ত ২টির দাম ওঠে মাত্র ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। অথচ সপ্তাহখানেক আগে ব্যাপারীরা বাড়িতে গিয়ে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত দাম বলেছিলেন।

সাঁথিয়ার ইউএনও এস এম জামাল আহমেদ বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিচালনার জন্য হাট কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে গাইবান্ধা জেলায় সাড়ে ১২ হাজারের বেশি খামারি এবার গরু বিক্রি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৭টি উপজেলায় ১২ হাজার ৬৭৭টি বাণিজ্যিক পশুখামার আছে। এসব খামারে ৯০ হাজার গরু আছে। এসব গরু লালন-পালন করে কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়। এর মধ্যে বড় খামারে ৩৮ হাজার এবং ছোট খামারে ৫২ হাজার গরু প্রস্তুত আছে।

সূত্রঃ প্রথম আলো

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৭, ২০২১ ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন
পঙ্গুত্বের কাছে হার না মানা সফল খামারি রুহুল
পোলট্রি

সফলতার জন্য লাগে ইচ্ছা শক্তি আর প্রবল মনোবলের সাথে লেগে থাকার বাসনা। আর তেমনি একজন সফল উদ্যোক্তা খামারি শারীরিক প্রতিবন্ধী রুহুল আমিন। পঙ্গুত্ব মানেই যে অন্যের কাঁধে ভর দিয়ে চলা না তা বুঝিয়ে দিয়েছেন পঙ্গু তথা শারীরিক প্রতিবন্ধী রুহুল আমিন। ৮ বছরের ব্যবধানে চারটি খামার করে ১১ হাজার সোনালী জাতের মুরগির মালিক হয়েছেন বগুড়ার এই প্রতিবন্ধী। এছাড়া খামারে দেখভালের জন্য রয়েছেন তিন কর্মচারিও।

জানা যায়, করোনার আগে প্রতি হাজার মুরগি বিক্রি করে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা লাভ হতো। বর্তমানে ব্যবসা নিয়ে শঙ্কিত তিনি। গত দেড় বছরে তার প্রায় ৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। ৭ বছর বয়সে ভুল চিকিৎসায় দুই পা পঙ্গু হয়ে যায় রুহুলের। এরপর থেকেই জীবন নিয়ে সংগ্রাম শুরু হয় তার। নিজ সন্তানদের শিক্ষিত করার স্বপ্ন দেখেন তিনি। তবে ব্যবসা করতে না পারলে তার সে স্বপ্ন হয়তো অধরাই থেকে যাবে।

রুহুলের মুরগির খামারে পরম মমতা সহকারে মুরগি লালন-পালন করা হয়। তিনি নিজেও যেমন মুরগির যত্ন নেন, কর্মচারিরাও তেমনি যত্নের সাথে মুরগির পরিচর্যা করেন। করোনার কারণে মুরগির দাম কমে গেছে। যদিও খুচরা বাজারে লকডাউনের দোহাই দিয়ে বরং দাম বেশিই রাখা হয়। তবে সেসব সুবিধা খামারিরা পান না।

কারও কাছে হাত পেতে নয়, বরং স্বাবলম্বি হয়ে- মাথা উঁচু করেই বেঁচে থাকতে চান তিনি। মুরগির খামার করেই বাকি জীবন কাটানোর ইচ্ছে তার। তাই লোকসান কাটিয়ে স্বচ্ছলতা ফেরাতে সরকারের কাছে সহজ শর্তে ঋণ চান রুহুল আমিন।

এগ্রিভিউ/ এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৭, ২০২১ ৯:৩০ পূর্বাহ্ন
দেশি গরু চিনার উপায়
প্রাণিসম্পদ

সাধারণভাবে দেশি গরু বিদেশি জাত বা সংকর জাতের চেয়ে আকারে কিছুটা ছোট হয়। দেশি জাতের গরুর শরীরে চর্বি কম থাকে। মাংসে স্বাদ বেশি হয়, কিন্তু দুধের পরিমাণ বিদেশী গরুর তুলনায় কম হয়। কোরবানির সময় মানুষ সাধারণত বেশি মাংস হবে এমন জাতের গরু খোঁজে। কিন্তু যেহেতু দেশি জাতের জনপ্রিয়তা বাড়ছে, ফলে দেশি জাত কিভাবে চেনা যায়, সে প্রশ্ন অনেকের।

শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানিম্যাল নিউট্রিশন, জেনেটিক্স ও ব্রিডিং বিভাগের অধ্যাপক লামইয়া আসাদ বলেছেন, দেশি গরু চেনার উপায় হচ্ছে দেশি জাতের গরুর চামড়া শক্ত থাকে। এছাড়া এর কুঁজ থাকে এবং গলার নিচে চামড়ার ভাঁজ কম থাকে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কৃত্রিম প্রজনন বিভাগের পরিচালক ডা. ভবতোষ কান্তি সরকার জানিয়েছেন, দেশি জাতের যেসব গরু বাজারে জনপ্রিয়, তার মধ্যে মুন্সিগঞ্জের মীরকাদিম, চট্টগ্রাম ও এর আশেপাশের এলাকার আরসিসি, পাবনা ক্যাটল, সিরাজগঞ্জের ব্রিড নামে পরিচিত গরুগুলো উল্লেখযোগ্য।

এসব প্রজাতির বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে চলুন কিছুটা জেনে নেয়া যাক:

মীরকাদিমের ধবল গাই
এক সময় ঢাকার পুরনো অংশের বাসিন্দাদের কাছে মুন্সীগঞ্জের মীরকাদিমের ধবল গাই ছিল খুব জনপ্রিয়। এখন কেবল পুরনো ঢাকা নয়, নগরকেন্দ্রিক ঈদের হাটে কোরবানির জন্য এই গরুর চাহিদা ব্যাপক। এটি আকারে সাধারণ গরুর চেয়ে বড়।

অধ্যাপক লামইয়া আসাদ বলেছেন, এই গরুর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এটি সাধারণত সাদা রংয়ের হয়।

কখনো এর সঙ্গে তার গায়ে অল্প ছাই রং বা কালোর ছোপ থাকতে পারে। এটি পালন সহজ, মানে খাবারের খরচ কম। খৈল, গম, মসুর ডালের ভুসি এবং ভুট্টা গুঁড়ার মত খাবার দিয়ে পালন করা যায়। মীরকাদিমের গরুর মাংসে আঁশ কম থাকে, এর হাড় চিকন হয়। ফলে মাংস হয় নরম ও তেলতেলে।

তবে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর বলছে, দেশে মীরকাদিম ভালো জাতের ষাঁড়ের সংকট আছে, যে কারণে এই জাতের উন্নয়ন প্রক্রিয়া ধীরে হচ্ছে। ভালো জাতের এবং সরাসরি আত্মীয় নয় এমন ষাঁড়ের বীজ নিয়ে সংকরায়নের চেষ্টা করছে সরকার।

আরসিসি বা রেড চিটাগাং ক্যাটল
এই গরুর গায়ের রং লাল। এর ক্ষুরা মানে পায়ের রংও লাল। এটি আকারে বেশি বড় হয় না। এর কুঁজ ছোট আকারের হবে। এই গরু পালনে খাবার কম লাগে। দেশি আবহাওয়া সহনশীল বলে খামারিদের কাছে বেশ জনপ্রিয় এই গরু। মূলত এই জাত চট্টগ্রাম এবং এর আশেপাশের জেলায় বেশি উৎপাদন হয়।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. সরকার বলেছেন, সরকার যেসব দেশি জাত নিয়ে গবেষণা করছে, তার মধ্যে এই আরসিসিকে সবচেয়ে বেশি প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে। এর কারণ হিসেবে তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, এটি কেবল চট্টগ্রাম ও পার্বত্য জেলা নয়, দেশের অন্য যেকোন জায়গাতেই এই গরু পালন করা সম্ভব। সে কারণে এই জাত উন্নয়নের চেষ্টা করা হচ্ছে।

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে শুধু আরসিসি জাতের গরু নিয়ে সরকার একটি খামার করেছে, যার মাধ্যমে আসছে বছরগুলোতে বাজারে আরো দেশি গরু সরবারহ সম্ভব হবে বলে মনে করেন ডা. সরকার।

পাবনা ক্যাটল
এটি পাবনা ব্রিড নামেও পরিচিত। এই জাতের গরুর বড় অংশটির রং সাদা বা সাদা মেশানো ছাই রং। এছাড়া লাল, ধূসর বা মিশ্র বর্ণেরও হয় এসব গরু। দেশীয় আবহাওয়া সহনশীল এসব গরু পালনে খাবার কম লাগে।

বাংলাদেশের জাতীয় তথ্য বাতায়নে পাবনা ক্যাটল সম্পর্কে বলা হয়েছে, পাবনার চলনবিল সংলগ্ন এলাকায় এই গরুর বাস। এটি খর্বকায় মানে বেশি বড় আকৃতির নয়। এদের স্বাস্থ্য সুঠাম, রোগব্যাধি কম হয়। এটি ঘাস খায়, এর বাইরে অন্য ধরনের খাবার কমই দিতে হয়। দেশে দুধের উৎপাদন বাড়াতে ফ্রিজিয়ান গরুর সাথে এর কৃত্রিম প্রজনন করা হচ্ছে গত কয়েক বছর ধরে।

সিরাজগঞ্জ ব্রিড
এই জাতের গরু মূলত পদ্মাপারের কয়েকটি জেলায় হয়ে থাকে। এই জাতের গরুর সঙ্গে পাবনা ক্যাটলের সাদৃশ্য রয়েছে।

তবে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেছেন, এটি পাবনা ক্যাটলের চেয়ে আকারে কিছুটা বড় হয়। এর কুঁজ উঁচু ও বলিষ্ঠ হয়।

এসব জাত ছাড়াও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে মাংসের চাহিদা মাথায় রেখে শাহীওয়াল এবং ব্রাহমা জাতের গরুর সাথে সংকরায়ন করে আরো কিছু জাতের প্রজনন ঘটানো হয়েছে, যেগুলো কোরবানির পশুর হাটে ক্রেতাদের মন জয় করেছে। সূত্র: বিবিসি বাংলা

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৬, ২০২১ ৮:৪৭ অপরাহ্ন
কোরবানিতে যেভাবে জনপ্রিয় দেশি জাতের গরু 
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশে দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আযহা আসছে আর কয়েকদিন পরেই, যা কোরবানির ঈদ নামেও পরিচিত। এই ঈদকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে বহু খামারি বছর জুড়ে পশু পালন করেন। আর ঈদের বাজারে গিয়ে ক্রেতাও নাদুসনুদুস ও দশাসই আকারের গরুই খোঁজেন। যে কারণে স্থানীয় খামারিরা সাধারণত বিদেশি জাতের দ্রুত বর্ধনশীল গরু বেছে নেন।কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে দেখা যাচ্ছে দেশি জাতের গরুর চাহিদা বেড়েছে।

এদিকে, সরকারও দেশি গরুর নানা জাত নিয়ে গবেষণা করছে, যাতে কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে এসব জাতের গরুর উন্নয়ন ও সংখ্যা বাড়ানো যায়।

দেশি গরুর চাহিদা কিভাবে বেড়েছে?
বাংলাদেশে যত পশু কোরবানি হয়, একটা সময় তার বড় অংশটি আসতো প্রতিবেশী ভারত থেকে। কিন্তু ২০১৪ সালে ভারতে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশে গরু আসা বন্ধে সীমান্তে কড়াকড়ি করা হয়। সীমান্তে কড়াকড়ির কারণে এক পর্যায়ে বাংলাদেশে দেশীয় পর্যায়ে মাংসের চাহিদা পূরণ নিয়ে সংশয় তৈরি হয়।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডা. ভবতোষ কান্তি সরকার জানিয়েছেন, সেসময় দেশীয় মাংসের চাহিদা পূরণে বিশেষ করে কোরবানির সময়কার চাহিদা পূরণে সরকার ব্যাপকভাবে দেশীয় গরুর জাত উন্নয়নে মনোযোগ দেয়।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ‘বিফ ক্যাটল ডেভেলপমেন্ট’ নামে একটি প্রকল্প রয়েছে যার মাধ্যমে ভিন্ন জাতের উচ্চ-ফলনশীল গরুর সাথে দেশি জাতের গরুর সংকরায়নের চেষ্টা করা হচ্ছে।

ডা. সরকার বলেছেন, সরকারি গবেষণাগারে গবেষণায় মাংস এবং দুধের পরিমাণ দুই-ই বাড়ানোর দিকে জোর দেয়া হচ্ছে।একই সাথে গত দুই দশকে দেশে কৃষি খামারের সংখ্যা অনেক বেড়েছে, যেখানে দেশি জাতের গরু উৎপাদন করা হচ্ছে। সূত্র: বিবিসি বাংলা

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৬, ২০২১ ৬:০৬ অপরাহ্ন
বিমানবন্দরে আটক মার্কিন গরু, নেয়া হয়েছে কোয়ারেন্টিনে
প্রাণিসম্পদ

অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে নিয়ে আসায় সাদেক এগ্রোর ১৮টি ব্রাহমা গরু শাহজালাল বিমানবন্দর কাস্টমস থেকে আটক করে সাভার প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কোয়ারেন্টিনে নেয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ জুলাই) কাস্টমস থেকে সাভার কোয়ারেন্টিনে নেওয়া গরুর মধ্যে ষাঁড়, গাভী ও বকনা রয়েছে বলে জানায় অধিদপ্তর।

এ বিষয়ে সাদেক এগ্রোর স্বত্বাধিকারী ইমরান হোসাইন জানান, মন্ত্রণালয়ে এ বিষয়ে ৭ থেকে ৮ মাস আগে অনুমতির জন্য আবেদন করেও কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি। এরইমধ্যে আমেরিকা থেকে না জানিয়েই গরুগুলো বুকিং দেওয়া হয়।

সাভার প্রধান প্রাণি প্রজনন ও ডেইরি ফার্মের পরিচালক এস এম আউয়াল হক জানান, এক বছর ধরে দেশে ব্রাহমা জাত সম্প্রসারণ বন্ধ। দুধ উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কায় এই ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ব্রাহমা জাত নিয়ে আসা অবৈধ। এ বিষয়ে মামলা হবে, আদালত এর রায় দেবে বলে জানান তিনি।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৬, ২০২১ ১:৫৯ অপরাহ্ন
মানিকগঞ্জের সাহেবের দাম ৩০ লাখ!
প্রাণিসম্পদ

মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার হরগজ নয়াপাড়া গ্রামে আসন্ন ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে ৪০ মণ ওজনের একটি ষাঁড় প্রস্তুত করেছেন খামারি নোমাজ আলী। তিনি গরুটির জন্য ৩০ লাখ টাকা দাম হাঁকাচ্ছেন। গত চার বছর ধরে ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড়টি লালন-পালন করছেন তিনি।

নোমাজ আলীর বড় ছেলে জানান, সাহেবের খাবারের মেন্যুতে আমরা প্রতিদিনই ‘সাহেবি’ খাবার পরিবেশন করে থাকি। মাল্টা, পেয়ারা, কলা, মিষ্টি কুমড়াসহ বিভিন্ন ফল নিয়মিত খাওয়াচ্ছি। দিনে কয়েকবার গোসল করাতে হয়। স্বাস্থ্যের দিক চিন্তা করে তিনটি ফ্যান সবসময় চালু রাখা হয়েছে। সাহেবি আচরণ, বড় আকার ও বেশি ওজন হওয়ায় পরিবারের সবার সম্মতিতে তার নাম দিয়েছি ‘মানিকগঞ্জের সাহেব’।

ষাঁড়টি দেখতে প্রতিদিন শত শত মানুষ আসছেন নোমাজ আলীর বাড়িতে। কেউ সেলফিসহ ছবি তুলে আপলোড দিচ্ছেন ফেসবুকে।

ষাঁড়ের মালিক নোমাজ আলী জানান, গত চার বছর ধরে ষাঁড়টি লালন-পালন করে আসছি। গত বছরও বিক্রি করতে চেয়েছিলাম। কিন্তু করোনা ও বন্যার কারণে ভালো দাম পাইনি। এখন তো লকডাউন চলছে। দুশ্চিন্তায় আছি কী হবে? এই ষাঁড়টি আকারে জেলার সবচেয়ে বড়। স্থানীয় পশু চিকিৎসক শামীম মোল্লার পরিমাপ অনুযায়ী ষাঁড়টির ওজন ৪০ মণ। দাম চাচ্ছি ৩০ লাখ টাকা। তবে বাড়ি থেকে কিনলে কিছু কমেও বিক্রি করবো।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মনির হোসেন জানান, ফ্রিজিয়ান জাতের ষাঁড়টি আমি দেখেছি। আকারে অনেক বড়। তবে তা ওজনে ৪০ মণ নাও হতে পারে। আমি আমার কার্যালয় থেকে লোক পাঠিয়েছি ষাঁড়টির সঠিক পরিমাপ করার জন্য। নোমাজ আলীর মতো জেলার অনেকেই বড় বড় ষাঁড় লালন-পালন এবং ঈদুল আজহায় বিক্রি করে থাকেন।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop