১০:২৮ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ২৪ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুলাই ৯, ২০২১ ৩:৩৮ অপরাহ্ন
দিনে ৪ হাজারের বেশি গরু–ছাগল বিক্রি হচ্ছে অনলাইনে!
প্রাণিসম্পদ

ঈদুল আজহা উপলক্ষে অনলাইনে শুরু হয়েছে কোরবানির পশুর হাট। ২ জুলাই অনলাইন লাইনে পশুর হাটের কার্যক্রম শুরুর পর ৭ জুলাই পর্যন্ত ৬ দিনে বিক্রি হয়েছে প্রায় সাড়ে ২৬ হাজার গবাদিপশু। ক্রেতারা ২০৬ কোটি টাকায় ওই সংখ্যক পশু কিনেছেন। ৪ হাজার ৩৮৪টি গরু গড়ে বিক্রি হচ্ছে প্রতিদিন।

জানা যায়, এই ৬ দিনে কোরবানিযোগ্য এক লাখ ৪১ হাজার গবাদিপশুর তথ্য অনলাইনে আপলোড করা হয়েছে। করোনা পরিস্থিতির অবনতির কারণে এবার অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রি বাড়বে বলে আশা করছেন বিক্রেতারা।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (খামার) জিনাত সুলতানা জানান, গত বছর ৯৪ লাখ ৫০ হাজারের মতো পশু কোরবানি হয়েছে। তার মধ্যে অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রি হয়েছে প্রায় ৭০ হাজার। এবার এখন পর্যন্ত ২৬ হাজার ৩০৮টি পশু অনলাইনে বিক্রি হয়েছে। গতবারের চেয়ে এবার করোনা পরিস্থিতি খারাপ। তাই অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রির সম্ভাবনাও বেশি।’

অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ৭ জুলাই পর্যন্ত অনলাইনে সবচেয়ে বেশি কোরবানিযোগ্য পশু বিক্রি হয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগে। বিভাগটিতে ৫১ হাজার ৬৪৯টি গবাদিপশুর তথ্য অনলাইনে আপলোড করা হয়েছে। তার মধ্যে ১১১ কোটি টাকায় ১৫ হাজার ৭৫টি পশু কেনাবেচা হয়েছে। অনলাইনে কোরবানির পশু বিক্রিতে দ্বিতীয় স্থানে ঢাকা, তৃতীয় স্থানে রয়েছে রাজশাহী বিভাগ।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (সম্প্রসারণ) ডা. দেবাশীষ দাশ জানান, ‘করোনা আসার পরে অনলাইনে গবাদিপশু বিক্রি জোরদার হয়েছে। গতবারের তুলনা এ বছর অনলাইনে গবাদিপশু বিক্রির পরিস্থিতি ভালো। গতবারের তুলনায় মানুষ বেশি সচেতনও হয়েছে।’

চলতি বছর কোরবানিযোগ্য মোট গবাদিপশুর সংখ্যা ১ কোটি ১৯ লাখ। তার মধ্যে গরু-মহিষ ৪৫ লাখ ৪৭ হাজার, ছাগল-ভেড়া ৭৩ লাখ ৬৫ হাজার এবং অন্যান্য ৪ হাজার ৭৬৫টি। কোরবানিযোগ্য গবাদিপশুর মধ্যে গৃহপালিত গবাদিপশুর সংখ্যা ৫৬ লাখ ৮০ হাজার ৪৫২টি। খামারে পালন ৬২ লাখ ৩৬ হাজার। এসব কোরবানিযোগ্য পশু উৎপাদনের খামারির সংখ্যা ৬ লাখ ৯৮ হাজার।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৯, ২০২১ ২:৫৭ অপরাহ্ন
গরু মোটাতাজা করতে খামারিরা যা করবেন
প্রাণিসম্পদ

গরু পালন লাভজনক হওয়াতে এখন আমাদের দেশের অনেকেই গরুর খামার করার প্রতি ঝুঁকছেন। তবে, এই গরু যদি হয় আরেকটু মোটাতাজা তাহলে আর কথা ই নাই। আর এর জন্য দরকার গরুর সুষম খাদ্য। আর সুষম খাদ্য প্রয়োগে আপনি আরো লাভবান হতে পারেন গরু পালনে।

খামারে গরু মোটাতাজাকরণে যেসকল আমিষ খাবার আপনার গরুকে খাওয়াবেন:
শুকনা খড়: ২ বছর বয়সের গরুর জন্য দৈহিক ওজনের শতকরা ৩ ভাগ এবং এর অধিক বয়সের গরুর জন্য শতকরা ২ ভাগ শুকনা খড় ২ থেকে ৩ ইঞ্চি করে কেটে এক রাত লালীগুড়-চিটাগুড় মিশ্রিত পানিতে ভিজিয়ে সরবরাহ করতে হবে।

কাঁচা ঘাস: গরুকে প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ কেজি কাঁচা ঘাস বা শস্য জাতীয় তাজা উদ্ভিদের উপজাত দ্রব্য যেমন- নেপিয়ার, পারা, জার্মান, দেশজ মাটি কলাই, খেসারি, দুর্বা ইত্যাদি খাওয়াতে হবে।

দানাদার খাদ্য: গরুকে প্রত্যেক দিন কমপক্ষে ১ থেকে ২ কেজি দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে হবে। নিচে ১০০ কেজি দানাদার খাদ্যের তালিকা দেয়া হলো- গম ভাঙা-গমের ভুসি ৪০ কেজি চালের কুঁড়া ২৩.৫ কেজি খেসারি বা যে কোনো ডালের ভুসি ১৫ কেজি তিলের খৈল-সরিষার খৈল ২০ কেজি লবণ ১.৫ কেজি। উল্লিখিত তালিকা ছাড়াও বাজারে প্রাপ্ত ভিটামিন মিনারেল মিশ্রণ ১% হারে খাওয়াতে হবে।

১৫০ কেজি ওজনের গবাদিপশুর খাদ্য তালিকা: খড় = ৩ কেজি কাঁচা ঘাস = ৫-৬ কেজি দানাদার খাদ্যের মিশ্রন = ১.৫-২ কেজি চিটাগুড় = ৫০০ গ্রাম ইউরিয়া = ৪৫ গ্রাম (নিয়মানুয়ায়ী) লবন = ৩৫ গ্রাম।

১০০ কেজি দৈহিক ওজনের গবাদিপশুর খাদ্য তালিকা: ধানের খড় = ২ কেজি সবুজ ঘাস = ২ কেজি (ঘাস না থাকলে খড় ব্যবহার করতে হবে দানদার খাদ্যে মিশ্রন = ১.২-২.৫ কেজি ইউরিয়া = ৩৫ গ্রাম (নিয়মানুযায়ী) চিটাগুড়া = ২০০-৪০০ গ্রাম লবণ = ২৫ গ্রাম দানাদার খাদ্যের সাথে লবন, ইউরিয়া, চিটাগুড় এক সাথে মিশিয়ে দিনে ২ বার দিতে হবে। ধানের খড় এবং কাঁচা ঘাস ছোট ছোট করে কেটে এক সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ালে ভালো ফল পাওয়া যায়।

কৃমিমুক্তকরণ ও টিকা প্রদান
গরুকে ডাক্তারের নির্দেশনা মত কৃমির ওষুধ খাওয়াতে হবে। নতুন গরু সংগ্রহের পর পরই পালের সব গরুকে একসঙ্গে কৃমিমুক্ত করা উচিত। এক্ষেত্রে প্রতি ৭৫ কেজি দৈহিক ওজনের জন্য ১ টি করে এনডেক্স বা এন্টিওয়ার্ম ট্যাবলেট ব্যবহার করা যেতে পারে।

পূর্ব থেকে টিকা না দেয়া থাকলে খামারে আনার পর পরই সব গরুকে তড়কা, বাদলা ও ক্ষুরা রোগের টিকা দিতে হবে। এ ব্যাপারে নিকটস্থ পশু হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।

ঘর তৈরি ও আবাসন ব্যবস্থাপনা
আমদের দেশের অধিকাংশ খামারী ২/৩ টি পশু মোটাতাজা করে থাকে, যার জন্য সাধারণত আধুনিক শেড করার প্রয়োজন পড়ে না। তবে যে ধরনের ঘরেই গরু রাখা হোক, ঘরের মধ্যে পর্যন্ত আলো ও বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা থাকতে হবে। ঘরের মল- মূত্র ও অন্যান্য আবর্জনা যাতে সহজেই পরিষ্কার করা যায়, সে দিকে খেয়াল রেখে ঘরে তৈরি করতে হবে।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৯, ২০২১ ২:৪২ অপরাহ্ন
মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে আসছে থাইল্যান্ডের গরু!
প্রাণিসম্পদ

আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে একটি চক্র চালাচ্ছে অবৈধভাবে গরু আমদানি। বিদেশি গরুর কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন দেশের খামারিরা। সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দেশীয় খামারিদের কথা ভেবেই মিয়ানমার থেকে গরু আমদানি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তারপরও একটি চক্র সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর অসাধু সদস্যদের সহযোগিতায় অবৈধভাবে গরু আমদানি করছে। র

সংশ্লিষ্টরা জানায়, দেশীয় বাজারে ইতিমধ্যে থাইল্যান্ডের ব্রাহামা জাতের বিপুল গরু দেখা গেছে। সীমান্তের বিভিন্ন এলাকা দিয়ে গরু আমদানি প্রতিরোধে বিজিবি কঠোর থাকলেও কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে ঢুকছে থাইল্যান্ডের এই জাতীয় গরু। যদিও ২০১৬ সালে সরকারের কৃত্রিম প্রজনন নীতিমালার অধীনে বেসরকারিভাবে এবং ব্যক্তি উদ্যোগে ব্রাহমা গরু আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

সূত্রমতে জানা যায়, মিয়ানমারের সীমান্ত রক্ষী বাহিনীর অসাধু সদস্য ও দেশীয় দালালদের সহযোগিতায় নদীপথে গরুগুলো নিয়ে আসা হচ্ছে। গত এক বছর ধরে টেকনাফ সীমান্ত দিয়ে মিয়ানমার হয়ে থাইল্যান্ডের গরু বাংলাদেশে এলেও জড়িতদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে না।

গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, এইসব গরু ক্রয় করতে গত এক বছরে কয়েক শ’ কোটি টাকা অবৈধভাবে হুন্ডির মাধ্যমে বিদেশে পাচার করেছে একটি চক্র।

কাস্টমস সূত্রে জানা যায়, চলতি বছরের মে ও জুন মাসে মিয়ানমার থেকে ২৫ হাজার ৮৬৮টি গরু ও ৪ হাজার ২৫৮টি মহিষ এসেছে। এর আগে মার্চ-এপ্রিল মাসে ১১ হাজার ৮৮৬টি গরু ও ২ হাজার ৪২৪টি মহিষ এসেছে দেশে। তবে অবৈধভাবে দেশে আসা গরুর পরিসংখ্যান জানা যায়নি। টেকনাফ কাস্টমস শুল্ক স্টেশনের আওতাধীন মিয়ানমার থেকে আমদানি করা পশুর একমাত্র পথ শাহপরীর দ্বীপ করিডোর। মিয়ানমার থেকে চোরাইপথে পশু আসা রোধ করতে ২০০৩ সালের ২৫শে মে এটি চালু করা হয়। তবে এতে নিষিদ্ধ গরু আনার কোনো সুযোগ নেই। শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধ পথে আমদানি করা হচ্ছে নিষিদ্ধ ব্রাহমা গরু।

গরুর খামারি শাহজাহান জানান, ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে গরু পালন করেও আশানুরূপ ব্যবসা হচ্ছে না। অতি মুনাফা করছে অবৈধভাবে পশু আমদানিকারীরা। সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে পশু আনা প্রসঙ্গে টেকনাফ-২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মোহাম্মদ ফয়সল হাসান খান বলেন, সীমান্ত দিয়ে এইসব হাইব্রিড গরু আসার কোনো সুযোগ নেই। কেউ যদি এইসব গরু আনে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ রয়েছে।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৮, ২০২১ ৭:৪৮ অপরাহ্ন
শাকিব খান, ডিপজলের পর এবার কাঁপাবে “হিরো আলম”
প্রাণিসম্পদ

শাকিব খান, ডিপজল, সুলতান, সিনবাদ, মানিক, রতন, রাজা-বাদশা, খোকাবাবু আর কালো মানিক এবং বাদশা মিয়ার পর এবার আসলো হিরো আলম। টাঙ্গাইলের দেলদুয়ার উপজেলার বটতলা গ্রামের প্রবাসী কামরুজ্জামানের স্ত্রী জয়নব বেগমের খামারের ফ্রিজিয়ান জাতের ৩১ মণ ওজনের ষাঁড়ের নাম রাখা হয়েছে ‘হিরো আলম’। ষাঁড়টির বয়স প্রায় ৪ বছর, লম্বায় সাড়ে ৮ ফুট। উচ্চতা ৫ ফুট ৭ ইঞ্চি। এর দাম হাঁকানো হচ্ছে ১২ লাখ টাকা।

গরুটির মালিক জয়নব বেগম জানান, তারা দীর্ঘদিন ধরে গরুর খামার করেছেন। প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদুল আজহার কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য তিনটি গরু প্রস্তুত করেছেন। তিনটির মধ্যে সব চেয়ে বড় ষাঁড়টির নাম ‘হিরো আলম’। এর ওজন প্রায় ৩১ মণ। ফ্রিজিয়ান জাতের এই ষাঁড়টি তিনি প্রায় দেড় বছর আগে পাবনা থেকে সাড়ে তিন লাখ টাকা দিয়ে ক্রয় করেন। এরপর ষাঁড়টির নামকরণ করা হয় আলোচনার শীর্ষে থাকা হিরো আলমের নামে। হিরো আলমের নামে নামকরণ আর এটি অনেক বড় আকৃতির হওয়ায় স্থানীয় লোকজন প্রতিদিনই বাড়িতে ষাঁড়টি দেখতে আসেন। হিরো আলমকে এবার ঢাকার গাবতলীর হাটে বিক্রির জন্য ওঠানো হবে। এই ষাঁড়টির দাম হাঁকা হচ্ছে ১২ লাখ টাকা বলে জানান তিনি।

গরুর নামকরণ সম্পর্কে জয়নব জানান, অনেকেই গরুর নাম রাখে শাকিব খান, ডিপজল, সুলতান, সিনবাদ, মানিক, রতন, রাজা-বাদশা, খোকাবাবু ইত্যাদি। তাই আমিও তাদের মতো আমার গরুর নাম রেখেছি হিরো আলম। হিরো আলম এখন অনেক জনপ্রিয় নাম। তাই তার নামেই নামকরণ করেছি। হিরো আলম উপজেলার সবচেয়ে বড় গরু বলেও দাবি করেন তিনি।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা এনায়েত করিম বলেন, ‘নিয়মিত ষাঁড়টিকে দেখাশোনা করা হচ্ছে। প্রাকৃতিক খাবার খাইয়ে ষাঁড়টি লালন-পালন করছেন জয়নব বেগম। তার ষাঁড়টিই উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বড়। তবে লকডাউনের কারণে কোরবানির পশু বিক্রি ও ন্যায্যমূল্য নিয়ে খামারিরা চিন্তিত রয়েছেন। আমরা অনলাইনে পশু বিক্রির জন্য অ্যাপস তৈরি করেছি। ওই অ্যাপসের মাধ্যমে যে কেউ কোরবানির পশু বিক্রি করতে পারবেন। তবে এখন পর্যন্ত অ্যাপসে হিরো আলমের দরদাম হয়নি। হিরো আলম বিক্রিতে আমরাও জয়নব বেগমকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করব।’

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৮, ২০২১ ৫:৪৩ অপরাহ্ন
শেখ হাসিনার কাছে ধনী-দরিদ্রের কোনো ব্যবধান নেই: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে ধনী-দরিদ্রের কোনো ব্যবধান নেই। তিনি মনে করেন এ দেশটা কুলি-মজুর-চাষি, ধনী-দরিদ্র সকলের দেশ।

বৃহস্পতিবার সকালে পিরোজপুর সদর উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত উপজেলায় করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষদের মাঝে মানবিক সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, এ দেশের মানুষের প্রতি মমত্ব শেখ হাসিনা যেভাবে লালন ও ধারণ করেন, এটা অতীতে কেউ পারেনি। তার অনুভূতিতে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ রাষ্ট্রের সম্মানিত নাগরিক।

মন্ত্রী বলেন, সরকারের পক্ষ থেকে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের জন্য মানবিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রতিটি নাগরিকের জন্য রাষ্ট্র তার অনিবার্য দায়িত্ব পালন করছে।

শ ম রেজাউল আরও বলেন, ‘শেখ হাসিনা যতদিন বেঁচে আছেন, ততদিন বাংলাদেশে একটি লোকও অনাহারে মারা যাবে না। একটি লোকও চিকিৎসাহীন অবস্থায় মারা যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘করোনা মহামারীসহ নানাভাবে ভয়াবহ দুর্যোগ ও প্রতিকূল অবস্থা আমরা মোকাবিলা করছি। রাষ্ট্র ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে আছে, সরকার পাশে আছে, শেখ হাসিনা পাশে আছেন।’

মন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনার হাতে যতদিন বাংলাদেশ, ততদিন পথ হারাবে না বাংলাদেশ। তিনি যতদিন সুস্থ থাকবেন, ততদিন বাংলাদেশে দল-মত, ধনী-দরিদ্র, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষ প্রতিটি মানুষই নিরাপদ থাকবেন।’

এ সময় সকলকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা এবং অপ্রয়োজনীয় বাইরে যাওয়া থেকে নিজেদের বিরত রাখার আহ্বান জানান তিনি।

শ ম রেজাউল বলেন, ‘পিরোজপুরে অক্সিজেন সংকট যাতে দেখা না দেয়, সেজন্য পর্যাপ্ত অক্সিজেন রিজার্ভের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অগ্রাধিকারভিত্তিতে পিরোজপুরের চিকিৎসা ব্যবস্থাকে বিভিন্নভাবে উন্নত করার জন্য আমরা চেষ্টা করছি। আশা করি, পিরোজপুরের মানুষকে চিকিৎসার জন্য বাইরে যেতে হবে না।’

পিরোজপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বশির আহমেদের সভাপতি অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার হায়াতুল ইসলাম খান, পিরোজপুর জেলা পূজা উদ্‌যাপন পরিষদের সভাপতি বিমল চন্দ্র মণ্ডল, সাধারণ সম্পাদক গোপাল বসু, জেলা ইমাম সমিতির সভাপতি ফারুক আব্দুল্লাহ, জেলা ব্যবসায়ী সমিতির সভাপতি গোলাম মাওলা প্রমুখ।

অনুষ্ঠানে পিরোজপুর সদর উপজেলায় করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত মোট ৬৭৫ জন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সরকারের মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়।

অনুষ্ঠানে পিরোজপুর সদর উপজেলায় করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত মোট ৬৭৫ জন বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে সরকারের মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের আওতায় নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়। করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় পরিবহন শ্রমিক, অটোচালক, নরসুন্দর, সুইপার, ধোপা, হোটেল শ্রমিক এবং দোকান কর্মচারিদের মাঝে এ সহায়তা দেওয়া হয়েছে।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৮, ২০২১ ৫:৩২ অপরাহ্ন
হাটে হাজির ম্যাজিস্ট্রেট, গরু-ছাগল নিয়ে পালালেন বিক্রেতরা
প্রাণিসম্পদ

নওগাঁর রাণীনগরের আবাদপুকুরে কঠোর বিধিনিষেধ না মেনে বসে সাপ্তাহিক হাট। আর হাটে উপস্থিত হন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার মাহাতো। ভয়ে গরু-ছাগল নিয়ে মাঠ ছেড়ে পালিয়ে যান বিক্রেতারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সপ্তাহের বুধবার বিকেলে একদিন করে আবাদপুকুরে পশুর হাট বসে। সেখানে নওগাঁসহ আশেপাশের কয়েকটি জেলা থেকে প্রায় কয়েক হাজার মানুষ জমায়েত হয়। করোনা সংক্রমণ রোধে বর্তমানে সারাদেশে সরকার ঘোষিত কঠোর বিধিনিষেধ চলছে। উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে বিধিনিষেধ অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জরিমানা করা হচ্ছে।

আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে বুধবার বিকেলে আবাদপুকুর পশুর হাটে হাজারো মানুষের সমাগম হয়। হাটে আসা বেশির ভাগ মানুষের মুখে মাস্ক ছিল না। স্বাস্থ্যবিধি মানার কোনো বালাই ছিল না। খবর পেয়ে বিকেলে পুলিশ নিয়ে হাটে উপস্থিত হন ইউএনও। এ সময় ভয়ে গরু-ছাগল নিয়ে হাট থেকে দৌড়ে পালিয়ে যান বিক্রেতারা।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার মাহাতো জানান, বিধিনিষেধের মধ্যে অন্যান্য বাজার শতভাগ স্বাস্থ্যবিধি মেনে বিকেল ৫টা পর্যন্ত চললেও পশুর হাট বন্ধ রাখতে হবে। নির্দেশনা অমান্য করায় আবাদপুকুর হাটের ইজারাদারকে ২০হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এমন অভিযান কঠোর লকডাউন চলাকালীন সময়ে অব্যাহত রাখা হবে বলেও জানান মাহাতো ।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৮, ২০২১ ১১:৩১ পূর্বাহ্ন
ক্রেতা সংকটে বিপাকে ঠাকুরগাঁওয়ের খামারিরা
প্রাণিসম্পদ

কোরবানির জন্য ঠাকুরগাঁও জেলায় আনুমানিক ৮০ হাজার ৪৫৯টি গরু ও ছাগল হৃষ্টপুষ্ট করা হয়েছে। করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়া সারা দেশের ন্যায় ঠাকুরগাঁওয়ে চলছে কঠোর লকডাউন। তবে বিক্রয় নিয়ে খামারিরা যেমন শঙ্কায় আছেন তেমনি দুশ্চিন্তায় আছেন ক্রেতারাও। অনলাইনেও কোনও সাড়া মিলছে না ক্রেতার। এমন পরিস্থিতিতে কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে জেলার ছোট বড় সকল খামারিরা বেশ দুশ্চিন্তায় রয়েছে।

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, ইতোমধ্যে অনলাইনে গরু বিক্রির জন্যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আশা করা যাচ্ছে এই খরা কেটে যাবে ঈদের দু-চারদিন আগেই। প্রশাসনের পক্ষ হতে অনলাইন ছাড়াও সামাজিক দুরত্ব বজায় রেখে কিছু হাট বাজার খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, এ বছর ঠাকুরগাঁও জেলায় আনুমানিক ৮০ হাজার ৪৫৯টি গরু ও ছাগল হৃষ্টপুষ্ট করা হয়েছে কোরবানি দেওয়ার জন্য। এছাড়াও অনেকে বাসাবাড়িতে গরু লালন পালন করে সেই হিসেবে এক লাখ ছাড়িয়ে যাবে কোরবানির পশু।

জেলা শহরের শীবগঞ্জ এলাকার ইমন এগ্রো ফার্মের মালিক খামারি রুহুল আমিনের সঙ্গে কথা হলে তিনি জানান, কোরবানির বাজারকে সামনে রেখে প্রায় পাঁচ বছর ধরে গরু লালন পালন করে আসছেন তিনি। ঈদের আগে এই সময়ে খামারে একটা গরুও অবিক্রিত থাকতো না। গেল সপ্তাহে একজন পার্টি এসে ঘুরে গেছেন। গরুর যে দাম বলছেন, তাতে ক্রয়মূল্যও থাকছে না। এ বছর খামারে দেশী গরু মোট ২০০টি রয়েছে। ব্যাংক থেকে লোন নিয়ে গরু কিনেছি। গরু বিক্রি না হলে কি যে হবে- তা নিয়ে দুশ্চিন্তায় আছি।

ঠাকুরগাঁও সদরের লোহাগাড়া এলাকার মকবুল হোসেন। সংসারে আর্থিক স্বচ্ছলতা আনতে দোকানের পাশাপাশি নিজ বাড়িতে প্রতি বছর ৪-৫টি গরু হৃষ্টপুষ্ট করে থাকেন। গত কয়েক বছর ব্যবসা ভালো হলেও করোনার কারণে এ বছর বিক্রি নিয়ে সংশয়ে আছেন। মাত্র দুজন ক্রেতা এলেও তারা তেমন কোনও দাম বলেন নি।

ঠাকুরগাঁওয়ের প্রায় সকল খামারির একই অবস্থা। করোনার পরিস্থিতে খামার কিংবা হাট কোথাও দেখা মিলছে না ক্রেতার। জেলার বড় খোচাবাড়ি হাট, শীবগঞ্জ হাট, লাহিড়ী হাট, নেকমরদ হাটসহ আরও অনেকগুলো বড় বড় গরুর হাঁট রয়েছে। যেগুলো এখন লকডাউনের কারণে শূণ্য মাঠ হিসেবে পড়ে রয়েছে। অথচ গেল বছরগুলোতে এই সময়ে হাঁটগুলো থাকতো গরু ও লোকের সমাগমে ভরপুর।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. আলতাফ হোসেন জানান, খামারিদের এই হতাশা খুব শিগগিরই লাঘব হবে। অনলাইনের মাধ্যমে গরু বিক্রয়ের জন্য প্রশাসন থেকে একটি ব্যাবস্থা করা হচ্ছে। তবে ঈদের আগে কিছু পশু বিক্রয়ের হাট নিয়ম মেনে খুলে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। খামারিরা যেন ক্ষতির সমুক্ষিন হতে না হয় সেজন্য আমরা সবসময় চেষ্টা করে যাচ্ছি বলে জানান তিনি।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৭, ২০২১ ৬:১৪ অপরাহ্ন
‘হাজার গরু কোরবানি করে হোম ডেলিভারির সক্ষমতা আছে ডিএনসিসির’
প্রাণিসম্পদ

আসন্ন ঈদুল আজহায় এক হাজার গরু কোরবানি দিয়ে হোম ডেলিভারি করার সক্ষমতা ডিএনসিসির রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম।

বুধবার রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকায় পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

নগরবাসী এবারের কোরবানির পশু অনলাইনে কিনলে আমরা সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে কোরবানি মাংস কেটে ফ্রিজার গাড়ি দিয়ে হোম ডেলিভারি দেবো।

মেয়র বলেন, আগামী ১২ই জুলাইয়ের মধ্যে কোরবানির পশু অনলাইনে বুকিং দেয়ার আহ্বান জানাচ্ছি। ১০ই জুলাই পর্যন্ত বুকিংয়ের সময় রেখেছিলাম। অনেকেই বলছেন, এটা অনেক কম সময় হয়ে যায়। তাই আমি সময় আরও দুই দিন বাড়িয়ে দিয়েছি ১২ জুলাই পর্যন্ত অনলাইনে পশু বুকিং দেয়া যাবে। এরপর প্রয়োজনে কেউ ১৮, ১৯ বা ২০ তারিখে গিয়ে কিনলেন। কিন্তু বুকিংটা ১২ তারিখের মধ্যে দিতে হবে।

এগ্রিভিউ/এসএমএ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৭, ২০২১ ১:১২ অপরাহ্ন
করোনায় লোকসানের শঙ্কা
প্রাণিসম্পদ

একদিকে হাটে গেলে জনসমাগমের মধ্যে করোনায় সংক্রমিত হওয়ার ভয়, অন্যদিকে এবারও বছরজুড়ে লালন–পালন করা গরু অথবা ছাগলটি বিক্রি করতে না পারলে লোকসানের শঙ্কা। কোরবানির পশুহাটে কেনাবেচা নিয়ে এমন উভয় সংকটে পড়ার কথা জানিয়েছেন খামারি ও ব্যবসায়ীরা।

এর মধ্যেই গতকাল মঙ্গলবার পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার করমজা হাটে জনসমাগমের যে চিত্র দেখা গেছে, তাতে হাটে যাওয়া ব্যক্তি ও তাঁদের মাধ্যমে অন্যদেরও করোনায় সংক্রমিত হওয়ার শঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদিও দেশে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের জন্য জারি করা হয়েছে কঠোর বিধিনিষেধ। তবে কোরবানির পশুহাটে সে বিধিনিষেধের আওতায় থাকা স্বাস্থ্যবিধি ছিল উপেক্ষিত।

করমজা পশুহাটে গতকাল ভিড় ছিল উপচে পড়া। হাট কমিটির পক্ষ থেকে করোনার স্বাস্থ্যবিধি মানার জন্য নানা পদক্ষেপ নেওয়া হলেও তা খুব একটা কাজে লাগাতে দেখা যায়নি। এই পশুহাট উত্তরাঞ্চলের বড় হাটগুলোর মধ্যে অন্যতম। হাট ঘুরে অনেক কোরবানির পশু আমদানি দেখা গেলেও বেচাকেনা ছিল কম।

হাটে সাঁথিয়া উপজেলার শহীদনগর গ্রামের রইজউদ্দিন জানান, এক বছর ধরে তিনি বাড়িতে দুটি ষাঁড় লালন-পালন করেছেন। সকালে হাটে নিয়ে এলেও বেলা ১টা পর্যন্ত ২টির দাম ওঠে মাত্র ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা। অথচ সপ্তাহখানেক আগে ব্যাপারীরা বাড়িতে গিয়ে ২ লাখ টাকা পর্যন্ত দাম বলেছিলেন।

সাঁথিয়ার ইউএনও এস এম জামাল আহমেদ বলেন, স্বাস্থ্যবিধি মেনে পরিচালনার জন্য হাট কমিটিকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এদিকে গাইবান্ধা জেলায় সাড়ে ১২ হাজারের বেশি খামারি এবার গরু বিক্রি নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৭টি উপজেলায় ১২ হাজার ৬৭৭টি বাণিজ্যিক পশুখামার আছে। এসব খামারে ৯০ হাজার গরু আছে। এসব গরু লালন-পালন করে কোরবানির ঈদে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করা হয়। এর মধ্যে বড় খামারে ৩৮ হাজার এবং ছোট খামারে ৫২ হাজার গরু প্রস্তুত আছে।

সূত্রঃ প্রথম আলো

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৭, ২০২১ ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন
পঙ্গুত্বের কাছে হার না মানা সফল খামারি রুহুল
পোলট্রি

সফলতার জন্য লাগে ইচ্ছা শক্তি আর প্রবল মনোবলের সাথে লেগে থাকার বাসনা। আর তেমনি একজন সফল উদ্যোক্তা খামারি শারীরিক প্রতিবন্ধী রুহুল আমিন। পঙ্গুত্ব মানেই যে অন্যের কাঁধে ভর দিয়ে চলা না তা বুঝিয়ে দিয়েছেন পঙ্গু তথা শারীরিক প্রতিবন্ধী রুহুল আমিন। ৮ বছরের ব্যবধানে চারটি খামার করে ১১ হাজার সোনালী জাতের মুরগির মালিক হয়েছেন বগুড়ার এই প্রতিবন্ধী। এছাড়া খামারে দেখভালের জন্য রয়েছেন তিন কর্মচারিও।

জানা যায়, করোনার আগে প্রতি হাজার মুরগি বিক্রি করে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা লাভ হতো। বর্তমানে ব্যবসা নিয়ে শঙ্কিত তিনি। গত দেড় বছরে তার প্রায় ৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। ৭ বছর বয়সে ভুল চিকিৎসায় দুই পা পঙ্গু হয়ে যায় রুহুলের। এরপর থেকেই জীবন নিয়ে সংগ্রাম শুরু হয় তার। নিজ সন্তানদের শিক্ষিত করার স্বপ্ন দেখেন তিনি। তবে ব্যবসা করতে না পারলে তার সে স্বপ্ন হয়তো অধরাই থেকে যাবে।

রুহুলের মুরগির খামারে পরম মমতা সহকারে মুরগি লালন-পালন করা হয়। তিনি নিজেও যেমন মুরগির যত্ন নেন, কর্মচারিরাও তেমনি যত্নের সাথে মুরগির পরিচর্যা করেন। করোনার কারণে মুরগির দাম কমে গেছে। যদিও খুচরা বাজারে লকডাউনের দোহাই দিয়ে বরং দাম বেশিই রাখা হয়। তবে সেসব সুবিধা খামারিরা পান না।

কারও কাছে হাত পেতে নয়, বরং স্বাবলম্বি হয়ে- মাথা উঁচু করেই বেঁচে থাকতে চান তিনি। মুরগির খামার করেই বাকি জীবন কাটানোর ইচ্ছে তার। তাই লোকসান কাটিয়ে স্বচ্ছলতা ফেরাতে সরকারের কাছে সহজ শর্তে ঋণ চান রুহুল আমিন।

এগ্রিভিউ/ এসএমএ

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop