৮:৫৩ অপরাহ্ন

শনিবার, ১৪ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুন ২৮, ২০২১ ১১:২৯ অপরাহ্ন
দ্বিতীয় ধাপে প্রণোদনা পেলেন ১৭৯২১ ক্ষতিগ্রস্ত খামারি 
পোলট্রি

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত আরও ১ লাখ ৭৯ হাজার ২১ জন খামারিকে দ্বিতীয় ধাপে ২১৬ কোটি ৮৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা নগদ প্রণোদনা দিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

রোববার (২৭ জুন) রাজধানীর ফার্মগেটে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ প্রণোদনা দেওয়ার কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের খামারিদের অতীতে কখনোই আমরা প্রণোদনা দিতে পারিনি। এর একটা শুভসূচনা এ বছর আমরা করলাম, যার পুরো কৃতিত্ব প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার। তিনি নির্দেশনা দিয়েছেন, আমাদের অনুপ্রাণিত করেছেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে টিকিয়ে রাখার জন্য সরকার বিভিন্ন রকম উদ্যোগ নিয়েছে। এ দু’টি খাতকে কীভাবে সম্প্রসারিত করা যায়, সেজন্য সরকার ব্যবস্থা নিয়েছে।

আরও বলেন, করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারিরা যাতে ঘুরে দাঁড়াতে পারে সেজন্য আমরা প্রণোদনা কার্যক্রম হাতে নিয়েছি। ৬ লাখ ৯৮ হাজার ৭৪ জন খামারিকে ৮৪৬ কোটি টাকা প্রণোদনার সংস্থান রাখা হয়েছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ৪ লাখ ৭৬ হাজার ৮১ জন খামারিকে ৫৫৭ কোটি ৩৮ লাখ ২০ হাজার ৭৪ টাকা নগদ প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় ধাপে ১ লাখ ৭৯ হাজার ২১ জন খামারিকে ২১৬ কোটি ৮৬ লাখ ৩০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। এরপরও যাচাই-বাছাই করে করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত অবশিষ্ট খামারিদের প্রণোদনা দেওয়া হবে। লক্ষ্য একটাই মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত যাতে কোনোভাবেই হয়ে না যায়। ভেঙে না পড়ে। আশা করি, এ প্রণোদনা দিয়ে খামারিরা ঘুরে দাঁড়াতে পারবে। শেখ হাসিনা সরকার খামারিদের পাশে আছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. শেখ আজিজুর রহমান। ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ। মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৮, ২০২১ ১১:০৩ অপরাহ্ন
ভারতীয় গরুর প্রবেশ নিয়ে শঙ্কায় খামারিরা!
প্রাণিসম্পদ

আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে খামারিদের মাঝে চলছে ব্যাপক প্রস্তুতি। সারাদেশে খামারিরা তাদের গরু-ছাগল কোরবানির জন্য প্রস্তুতে এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। তেমনি ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ১২ হাজার খামারি প্রায় সাড়ে প্রায় সোয়া লাখ গবাদিপশু প্রস্তুত করেছে আসন্ন কোরবানির জন্য।

এত কষ্ট করে কোরবানির পশু প্রস্তুত করা ব্রাহ্মণবাড়িয়ার খামারিদের অনেকে জানায়, সীমান্তবর্তী এই জেলায় ভারতীয় গরুর আধিক্য ঠেকানো না গেলে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তারা। এছাড়া ভারতীয় গরু এবং সঙ্গে আসা লোকদের মাধ্যমে ছড়াবে করোনা। ত

জানা যায়, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ত্রিপুরা সীমান্তবর্তী কসবা উপজেলার বায়েক ইউনিয়নের নয়নপুর গরু বাজারে আসা প্রায় শতভাগ গরু ভারতীয়। এসব গরু সীমান্তের বিভিন্ন পকেট দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে। গরুর সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে ভারতীয় নাগরিকেরাও এ দেশে গরু নিয়ে প্রবেশ করছেন। ফলে করোনার ভারতীয় ধরন আরও বড় আকারে ছড়ানোর ঝুঁকি রয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অন্যতম বড় খামার নিউ প্রিন্স ডেইরি ফার্মের স্বত্বাধিকারী মো. নাসির উদ্দিন জানান, বাজারে স্বাস্থ্যসম্মত মোটাতাজা গরু সরবরাহের লক্ষ্য নিয়ে তিনি কাজ করছেন। তার খামারে বিভিন্ন জাতের গরু রয়েছে। এর মধ্যে শাহিওয়াল, ফাইটার, নেপালী ঘির, রাজস্থানি, ওয়েস্টার্ন ফ্রিজিয়ান, উরবারী ষাঁড়, গইয়াল এবং মহিষ রয়েছে। সবমিলিয়ে অন্তত আড়াই শতাধিক গবাদি পশু রয়েছে। এর মধ্যে তিনি এ বছর ১২৮টি গরু-মহিষ বাজারজাতের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। তার খামারে দেড় লাখ থেকে সাড়ে সাত লাখ টাকা দামের গরু রয়েছে।

তার প্রত্যাশা বাজারে ভারতীয় গরুর আধিক্য না থাকলে ১২৮টি গরু অন্তত চার কোটি টাকা বিক্রি করতে পারবেন। সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, বাজারে যেন ভারতীয় গরু প্রবেশ বন্ধ রাখা হয়। অন্যথায় গত দুই বছর ধরে খামারিরা লোকসান দিয়ে আসছেন। এ বছরও যদি লোকসান হয় তাহলে খামারিরা আর ঘুরে দাঁড়াতে পারবে না।

আরেকজন খামারি জানান, আমরা খামারিরা গরুর যত্ন নিয়ে বাজারজাতের প্রস্তুতি নিচ্ছি। আশা করছি, এবার কোরবানির ঈদে গরুর ভালো দাম পাবো। ভারত থেকে যদি গরু আসে, তাহলে আমরা ন্যায্য মূল্য পাবো না। আমাদের লোকসানের পাল্লা ভারী হয়ে যাবে। আর ঘুরে দাঁড়ানোর ক্ষমতা থাকবে না।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এবিএম সাইফুজ্জামান জানান, ইতোপূর্বে প্রতি উপজেলা থেকে ২০ জন করে মোট ১৮০ জন খামারিদেরকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। তারা বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে খামার গড়ে তুলেছেন। সীমান্ত অঞ্চলে ভারতীয় গরুর প্রবেশ ঠেকাতে স্থানীয় প্রশাসন ও বিজিবিকে এ বিষয়ে বলা হয়েছে। কারণ ভারতীয় গরু আনা নেওয়ার সময় লোকজন আসা যাওয়া করবে। এতে করে করোনা ঝুঁকি বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। চলতি বছর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় এক লাখ সাত হাজার গরু কোরবানির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর বিপরীতে এক লাখ ২৪ হাজার ৭২৭টি গরু প্রস্তুত রাখা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৮, ২০২১ ৯:৫২ অপরাহ্ন
নরসিংদী ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের কমিটি ঘোষণা; এনভিএসএ সভাপতি খালেদ, সম্পাদক তুহিন
প্রাণিসম্পদ

নরসিংদী ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস এসোসিয়েশনের কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী খালেদ হাসান শান্তকে সভাপতি এবং সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তোফাজ্জল হোসেন তুহিনকে সাধারণ সম্পাদক করে নরসিংদী ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস এসোসিয়েশন (এনভিএসএ) ২০২১-২২ বর্ষের প্রতিষ্ঠা কালিন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষক লীগের কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বাংলাদেশ ভেটেরিনারি এসোসিয়েশন এর মহাসচিব ভেটরত্ন ডাঃ মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান মোল্লা ভাইয়ের দিক নির্দেশনায়, বাংলাদেশ ভেটেরিনারি স্টুডেন্ট ফেডারেশন এর সভাপতি ইমতিয়াজ আবির এবং সাধারণ সম্পাদক রতন রহমানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ২৭ জুন (রবিবার) ৮৫ সদস্যবিশিষ্ট (N.V.S.A.) এর প্রতিষ্ঠা কালিন কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়।

সংগঠনের সভাপতি খালেদ হাসান শান্ত বলেন, “ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীদের একত্রীকরণ এবং সাধারণ মানুষের মাঝে ভেটেরিনারি পেশা সম্পর্কে সচেতনতা এবং ভেটেরিনারি পেশার গুরুত্ব বৃদ্ধি করাই নরসিংদী ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশনের মূল উদ্দেশ্য। এই সংগঠনের মাধ্যমে ভেটেরিনারি পেশার উন্নতির জন্য যে কোনো ধরনের কার্যক্রমে আমরা তৎপর থাকব। আমরা সকল ভেটেরিনারিয়ানদের সহযোগিতায় ভেটেরিনারি পেশাকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাবো এবং প্রাণী স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সর্বদা কাজ করে যাবো ইনশাআল্লাহ।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল হোসেন তুহিন বলেন, নরসিংদী ভেটেরিনারি সেক্টরের উর্বর ভূমি।এনভিএসএ সাংগঠনিকভাবে বৃহৎ পরিসরে পেশার স্বার্থে কাজ করে যাবে সবসময়। প্রাণিস্বাস্থ্য সেবাকে কে আমরা মানুষের দোরগোড়ায় পৌছে দিতে চাই। ভেটেরিনারি পেশার সমস্যা ও সমাধানকল্পে সবসময় আমাদের সংগঠন কাজ করে যাবে।আশা রাখি সকলের সহযোগিতায় সংগঠনকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবো এবং পদপ্রাপ্ত সকল সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। শীঘ্রই কয়েকটি কার্যক্রম পরিচালনার আশ্বাস দিয়েছেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৮, ২০২১ ৯:৩৮ অপরাহ্ন
সরকারি চাকরিজীবীদের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী‘র
প্রাণিসম্পদ

গতানুগতিক চাকরির ধারা থেকে বের হয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের প্রজাতন্ত্রের সেবক হিসেবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

সোমবার (২৮ জুন) বিকেলে রাজধানীর সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের ২০২০-২১ অর্থবছরের জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

শুদ্ধাচার পুরস্কার কর্মস্থলে দায়িত্বশীল আচরণের স্বীকৃতি উল্লেখ করে এসময় কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, “দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ সবসময় জাগ্রত রাখতে হবে। দেশপ্রেম, কর্তব্যনিষ্ঠা, সততা, ঐকান্তিক ইচ্ছা ও নিরলস প্রচেষ্টা নিজের মধ্যে কঠোরভাবে ধারণ করতে হবে। কীর্তির মধ্য দিয়ে নিজেদের স্মরণীয় করে রাখতে হবে।”

কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে মন্ত্রী আরো বলেন, “আপনাদের কাজের প্রতি আন্তরিকতা, একাগ্রতা ও আত্মনিবেদন যেন অন্যদের উৎসাহিত করে, উদ্বুদ্ধ করে। দায়িত্বনিষ্ঠ না হলে সেটা সততা নয়। কাজে সৃজনশীলতা না থাকলে সেটা নৈতিকতা পরিপন্থী। কোন অজুহাতে কাজ আটকে রাখা পুরোমাত্রায় অনৈতিকতা। দাপ্তরিক কর্মসম্পাদনে এ বিষয়টি সব সময় পরিহার করতে হবে।”

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদের সভাপতিত্বে মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্ মোঃ ইমদাদুল হক, শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সুবোল বোস মনি ও মোঃ তৌফিকুল আরিফসহ মন্ত্রণালয়ের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

২০২০-২১ অর্থবছরে তিনটি ভিন্ন শ্রেণিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের জাতীয় শুদ্ধাচার পুরস্কার অর্জন করেন মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ড. অমিতাভ চক্রবর্তী এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অফিস সহায়ক রুহুল আমিন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৭, ২০২১ ১১:০১ পূর্বাহ্ন
নাফনদী সাঁতরে টেকনাফে দুই বুনো হাতি!
প্রাণিসম্পদ

মিয়ানমার থেকে নাফনদী সাঁতরে দুটি বুনো মা হাতি কক্সবাজারের টেকনাফে প্রবেশ করেছে।

শনিবার (২৬ জুন) হাতি দুটি উদ্ধার করে বনাঞ্চলে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বনবিভাগের টেকনাফ রেঞ্জ কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক আহমেদ।

সৈয়দ আশিক আহমেদ জানান, নাফনদী সাঁতরে কক্সবাজারের টেকনাফ পৌরসভার জালিয়াপাড়া সংলগ্ন এলাকা দিয়ে বনাঞ্চলে প্রবেশের চেষ্টা করছিল হাতি দুটি। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা চেষ্টার পর হাতি দুটি পাহাড়ের দিকে ঢুকিয়ে দেয়া সম্ভব হয়। হাতি দুটি ঠিক মিয়ানমার থেকে আসছিল কিনা বলা যাচ্ছে না। তবে গত বছরের আগস্ট মাসে মিয়ানমার থেকে সাঁতরে আরও একটি হাতি এসেছিল।

টেকনাফ সদর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য মোহাম্মদ এনাম জানান, হাতি দুটি নাফনদী পেরিয়ে জালিয়া পাড়া ঢুকে পড়ে। পরে সেটি উদ্ধার করে গভীর জঙ্গলে ছেড়ে দেয়া হয়েছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৬, ২০২১ ৯:০৫ অপরাহ্ন
দুধের লিটার ২০ টাকা! মাটিতে ঢেলে প্রতিবাদ
প্রাণিসম্পদ

নাটোরের সিংড়ায় লকডাউনের কারণে বাইরে থেকে দুধ ব্যাবসায়ী না আসায় এবং দুধের ন্যায্য দাম না পাওয়াতে দুধ মাটিতে ঢেলে প্রতিবাদ করেছে দুগ্ধ খামারিরা। আজ শনিবার সকালে উপজেলার কলম ইউনিয়নের বাহাদুরপুর বটতলা এলাকায় প্রায় ৩০ জন দুগ্ধ খামারি মাটিতে দুধ ঢেলে এই প্রতিবাদ জানান।

খামারিরা জানায়, দুধের দাম ৫০ থেকে ৬০ টাকা লিটার হলেও চলমান লকডাউনের কারণে এখন তাদের ১৫ থেকে ২০ টাকা দরে বিক্রয় করতে হয় দুধ। এতে প্রতিদিন লোকসান গুনতে হচ্ছে এই এলাকার খামারিদের। গরু লালনের খরচও না ওঠায় আগ্রহ হারিয়ে ফেলছে অনেক খামারি।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. খুরশীদ আলম বলেন, উপজেলার ১২টি ইউনিয়নে প্রায় ৬০০টি দুগ্ধ খামার আছে। আমরা কলম, চামারী, হাতিয়ান্দহ, ইটালী ও ডাহিয়া ইউনিয়নসহ দুগ্ধ খামার এলাকার  সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুধ শীতলীকরণ কেন্দ্র গড়ে তোলার জন্য সুপারিশ পাঠিয়েছি। আশা করছি, আগামীতে এই এলাকায় দুধ শীতলীকরন কেন্দ্রে গড়ে উঠলে খামারিরা সরকারি ব্যবস্থাপনায় দুধের ন্যায্য মূল্য পাবে।

-কালের কণ্ঠে

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৬, ২০২১ ৭:৪৭ অপরাহ্ন
দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় গবেষণা অপরিহার্য
প্রাণিসম্পদ

দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় গবেষণা অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।
অদ্য ২৭/০৬/২০২১ খ্রিঃ তারিখ রোজ শনিবার সকালে রাজধানী ঢাকার প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী জনাব শ ম রেজাউল করিম, এমপি প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) কর্তৃক বাস্তবায়িত পোল্ট্রি গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্পের ইনসেপশন, অগ্রগতি ও পরিকল্পনা কর্মশালা উদ্বোধন কালে একথা বলেন।
এবিষয়ে মন্ত্রী আরও বলেন, “দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে প্রাণিসম্পদ খাতের ব্যাপক ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। এ খাতের বর্তমান অবস্থাকে ছাড়িয়ে আরো সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। পোল্ট্রি খাতের উন্নয়ন জোরদার করার জন্য গবেষণাকে সম্প্রসারিত করতে হবে, আরো গভীরে যেতে হবে। বিজ্ঞানী ও গবেষকদের মেধাকে আরো বিকশিত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিটি খাতে গবেষণায়ে জোর দেওয়ার কথা বলেন। গতানুগতিকতার বাইরে যখনই গবেষণায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তখনই সারাদেশে পোল্ট্রি খাত বিকশিত হয়েছে। এতে পুষ্টি চাহিদা পূরণের মাধ্যমে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়েছে, গড় আয়ু বেড়েছে, মাতৃমৃত্যু কমেছে, শিশু মৃত্যু কমেছে। এমনকি করোনায় সৃষ্ট বেকাররা পোল্ট্রি খাতে নিজেদের সম্পৃক্ত করে তাদের বেকারত্ব দূর করছে, উদ্যোক্তা হচ্ছে। এতে গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হচ্ছে।”
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার স্বপ্ন ও সাধনাকে বাস্তবায়নে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন উল্লেখ করে এসময় মন্ত্রী বলেন, “মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসাধারণ দূরদৃষ্টি ছিল। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনে বঙ্গবন্ধু প্রাণিসম্পদ খাতকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তাঁর দৃষ্টি অত্যন্ত পরিকল্পিত ও বিজ্ঞানসম্মত ছিল। তাঁর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি মাংস, দুধ, ডিম সংক্রান্ত খাতকে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে পোল্ট্রি গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্পসহ এ খাতের সকল প্রকল্পকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।”
উক্ত আয়োজনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব রওনক মাহমুদ এবং সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা) মোঃ তৌফিকুল আরিফ এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমান। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটির সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল।
অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এবং পোল্ট্রি গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্পের চলমান কার্যক্রমের সার-সংক্ষেপ উপস্থাপন করেন পোল্ট্রি গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোঃ সাজেদুল করিম সরকার। স্বাগত বক্তব্যের পর পোল্ট্রি গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্পের অগ্রগতি ও চলমান কার্যক্রম নিয়ে নির্মিত একটি ভিডিওচিত্র প্রদর্শন করা হয়।
ভিডিওচিত্র প্রদর্শনের পর প্রকল্পের অগ্রগতি ও কর্মপরিকল্পনার উপর উন্মুক্ত আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। সভাপতি ড. মোঃ আবদুল জলিল মহোদয়ের সঞ্চালনায় এসময় অনুষ্ঠানে উপস্থিত বিশেষজ্ঞ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে আগত প্রতিনিধিবৃন্দ প্রকল্পের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন। বক্তাদের আলোচনায় প্রকল্পটির বিভিন্ন উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা, প্রকল্পটির সবল ও দুর্বল দিক, প্রকল্পটির সমস্যা ও সম্ভবনা, বিদ্যমান সমস্যা দূরীকরণের সমাধানসহ নানা বিষয় উঠে আসে। বিশেষ করে এসময় বক্তারা পোল্ট্রিখাত নিয়ে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্ন বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বর্তমান বাস্তবতায় একটি পোল্ট্রি গবেষণা ইনস্টিটিউট বা একটি পোল্ট্রি গবেষণা সেন্টার স্থাপনের আশু প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরেন।
করোনা পরিস্থিতিতে যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি মেনে উক্ত আয়োজনে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে অংশগ্রহণ করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, পোল্ট্রি উৎপাদন ও খামার ব্যবস্থাপনার সাথে জড়িত বিশেষজ্ঞ ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ, বিএলআরআই-এর ঊর্ধ্বতন বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তাবৃন্দ এবং বিভিন্ন গণমাধ্যম হতে আগত প্রতিনিধিবৃন্দ।
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এবং বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের তত্ত্বাবধানে পোল্ট্রি গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্পটি পরিচালিত হচ্ছে।
পোল্ট্রি সংক্রান্ত গবেষণা জোরদারকরণের লক্ষ্যে জুলাই ২০১৯ থেকে জুন ২০২৪ মেয়াদেকালে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ১২৭ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটি গ্রহণ করা হয়। প্রকল্পটি বিএলআরআই এর প্রধান কাযালয় (সাভার), আঞ্চলিক কেন্দ্র (রাজশাহী, নাইক্ষ্যংছড়ি, যশোর, ফরিদপুর) এবং নীলফামারী জেলার সৈয়দপুর উপজেলায় বাস্তবায়িত হচ্ছে।
গবেষণার মাধ্যমে নিরাপদ পোল্ট্রি মাংস ও ডিমের উৎপাদন বৃদ্ধিতে প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি উদ্ভাবনের লক্ষ্যে পরিচালিত এই প্রকল্পের উদ্দেশ্যসমূহ হচ্ছে পোল্ট্রির প্রজাতিসমূহ সংগ্রহ, সংরক্ষণ, জাত উন্নয়ন এবং অধিক মাংস ও ডিম উৎপাদনশীল স্ট্রেইন উদ্ভাবন; ইনস্টিটিউট কর্তৃক উদ্ভাবিত পোল্ট্রি প্রযুক্তিগুলোর ভেলিডেশন, সংস্কারকরণ এবং প্রয়োজনীয় প্রযুক্তি উদ্ভাবন; অপ্রচলিত ও বিদ্যমান পোল্ট্রি খাদ্য উপাদানসমূহের পুষ্টিগতমান নিরূপণ এবং গবেষণার মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে পোল্ট্রির মাংস ও ডিমের প্রক্রিয়াজাতকরণ ও ভ্যালু এডিশন; পোল্ট্রি বিষয়ক বিভিন্ন ক্ষেত্রে গবেষণা কার্যক্রম গ্রহণের মাধ্যমে নিরাপদ মাংস ও ডিমের উৎপাদন বৃদ্ধি; পোল্ট্রি খামারীদের প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রদান ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং বিএলআরআই-এর পোল্ট্রি বিষয়ক গবেষণা কার্যক্রমের গুণগতমান বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান/ল্যাবের সহিত সমন্বিত গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৬, ২০২১ ৬:২৮ অপরাহ্ন
দেশের উন্নয়নে প্রাণিসম্পদ খাতের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে প্রাণিসম্পদ খাতের ব্যাপক ভূমিকা রয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শনিবার (২৬ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন পোল্ট্রি গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্পের ইনসেপশন, অগ্রগতি ও পর্যালোচনা কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, “দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধিতে প্রাণিসম্পদ খাতের ব্যাপক ভূমিকা রাখার সুযোগ রয়েছে। এ খাতের বর্তমান অবস্থাকে ছাড়িয়ে আরো সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। পোল্ট্রি খাতের উন্নয়ন জোরদার করার জন্য গবেষণাকে সম্প্রসারিত করতে হবে, আরো গভীরে যেতে হবে। বিজ্ঞানী ও গবেষকদের মেধাকে আরো বিকশিত করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিটি খাতে গবেষণায়ে জোর দেওয়ার কথা বলেন। গতানুগতিকতার বাইরে যখনই গবেষণায় গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে তখনই সারাদেশে পোল্ট্রি খাত বিকশিত হয়েছে। এতে পুষ্টি চাহিদা পূরণের মাধ্যমে মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেড়েছে, গড় আয়ু বেড়েছে, মাতৃমৃত্যু কমেছে, শিশু মৃত্যু কমেছে। এমনকি করোনায় সৃষ্ট বেকাররা পোল্ট্রি খাতে নিজেদের সম্পৃক্ত করে তাদের বেকারত্ব দূর করছে, উদ্যোক্তা হচ্ছে। এতে গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হচ্ছে।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতির পিতার স্বপ্ন ও সাধনাকে বাস্তবায়নে পরিশ্রম করে যাচ্ছেন উল্লেখ করে এসময় মন্ত্রী বলেন, “মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের অসাধারণ দূরদৃষ্টি ছিল। যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠনে বঙ্গবন্ধু প্রাণিসম্পদ খাতকে গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তাঁর দৃষ্টি অত্যন্ত পরিকল্পিত ও বিজ্ঞানসম্মত ছিল। তাঁর সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি মাংস, দুধ, ডিম সংক্রান্ত খাতকে সম্প্রসারণের লক্ষ্যে পোল্ট্রি গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্পসহ এ খাতের সকল প্রকল্পকে গুরুত্ব দিচ্ছেন।”

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিলের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মোঃ তৌফিকুল আরিফ এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমান। স্বাগত বক্তব্য ও প্রকল্পের কার্যক্রম উপস্থাপন করেন প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ সাজেদুল করিম সরকার। মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বিএলআরআই ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাক্তন ও বর্তমান কর্মকর্তা ও বিজ্ঞানীগণ এবং পোল্ট্রি খাতের বিশেষজ্ঞ ও বিভিন্ন সংগঠনের প্রতিনিধিবৃন্দ কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট পোল্ট্রি গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে। জুলাই ২০১৯ থেকে জুন ২০২৪ মেয়াদে ১২৭ কোটি ৮৫ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। প্রকল্পটি রাজশাহী জেলার গোদাগাড়ি, বান্দরবান জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি, যশোর জেলার সদর উপজেলা, ফরিদপুর জেলার ভাংগা এবং নীলফামারী জেলার সৈয়দপুরে বাস্তবায়িত হচ্ছে। প্রকল্পের অন্যতম উদ্দেশ্য হচ্ছে পোল্ট্রি প্রজাতি সংগ্রহ, সংরক্ষণ, জাত উন্নয়ন এবং অধিক মাংস ও ডিম উৎপাদনশীল স্ট্রেইন উদ্ভাবন, অপ্রচলিত ও বিদ্যমান পোল্ট্রি খাদ্য উপাদানসমূহের পুষ্টিমান নিরূপণ এবং গবেষণার মাধ্যমে সাশ্রয়ী মূল্যে পোল্ট্রির মাংস ও ডিমের প্রক্রিয়াজাতকরণ ও মূল্য সংযোজন, গবেষণার মাধ্যমে নিরাপদ মাংস ও ডিমের উৎপাদন বৃদ্ধি, পোল্ট্রি খামারিদের প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রদান ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন এবং বিএলআরআই-এর পোল্ট্রি বিষয়ক গবেষণা কার্যক্রমের গুণগতমান বৃদ্ধির লক্ষ্যে দেশি-বিদেশি বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও ল্যাবের সাথে সমন্বিত গবেষণা কার্যক্রম পরিচালনার সুযোগ সৃষ্টি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৬, ২০২১ ১:৫৯ অপরাহ্ন
কোরবানির জন্য প্রস্তুত গরু-ছাগল বিক্রি নিয়ে শঙ্কায় কুষ্টিয়ার খামারীরা
প্রাণিসম্পদ

আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন সীমান্তবর্তী জেলা কুষ্টিয়ার খামারীরা। এই জেলায় যে পরিমাণ গরু ও ছাগল কোরবানি কেন্দ্রিক প্রস্তুত করা হয় তা স্থানীয় চাহিদা পূরণের পাশাপশি দেশের চাহিদার বড় একটি অংশ পূরণ হয়ে থাকে। ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় কোরবানির জন্য দেশীয় গরু হিসেবে কুষ্টিয়া জেলার গরুর রয়েছে বিশেষ চাহিদা।

গরু মোটাতাজা করা কুষ্টিয়ার ঐতিহ্য। এ জেলায় এমন বাড়ি খুঁজে পাওয়া যাবে না, যেখানে দু’একটি গরু নেই। এখানকার খামারী ও কৃষকরা কোরবানির ঈদের পরে কমদামে ছোট গরু কিনে লালন পালন শুরু করে। অল্প অল্প করে টাকা বিনিয়োগ করে এসব খামারে ও বাড়িতে বাড়িতে পারিবারিক আদলে গরুকে মোটাতাজা করে তারা। উদ্দেশ্য, পরের কোরবানির ঈদে বিক্রি করে একবারে হাতে টাকা পাওয়া ও কিছু লাভের আশা।

কুষ্টিয়া সদরের হাটশ হরিপুরের খামারী জাকিরুল ইসলাম ও খাজানগরের খামারী ওমর ফারুক জানান, কোরবানির পশু বাজারে তোলার সময় ঘনিয়ে এলেও মহামারি করোনাভাইরাস নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় ভুগছেন তারা। আসছে কোরবানির জন্য দেশে যথেষ্ঠ গরু প্রস্তুত করা হয়েছে। তাই এই শিল্পকে টিকিয়ে রাখতে এবং খামারীদের লোকসানের হাত থেকে বাঁচাতে ভারত থেকে গরু আমদানি না করতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানান তারা।

কুষ্টিয়া জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের তথ্যমতে, জেলায় এবার কোরবানির জন্য প্রায় এক লাখ গরুকে মোটাতাজা করা হয়েছে। কুষ্টিয়ার চাহিদা পূরণ করে প্রায় ৭০ শতাংশ গরু দেশের বিভিন্ন স্থানে চলে যাবে। এছাড়াও এবার ৬০ হাজার ছাগল ও কিছু মহিষও কোরবানির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে।

কোনো রকম ক্ষতিকর উপাদান ছাড়াই মাঠের ঘাস ও স্বাভাবিক খাবারে এসব গরু মোটাতাজা হয়েছে বলে নিশ্চিত করে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জানান, করোনাভাইরাসের প্রার্দুভাবে ক্ষতিগ্রস্ত আট হাজার খামারীদের প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। খামারীদের গরু ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রির করার জন্য প্রশিক্ষণ ও পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। খামারীরা এবার কোরবানির গরুর নায্য দাম পাবেন বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৬, ২০২১ ১২:০৭ অপরাহ্ন
ছাগল মোটাতাজা করবেন যেভাবে
প্রাণিসম্পদ

বর্তমানে ছাগলের খামারের দিকে ঝুঁকছেন অনেকেই। এর মাধ্যমে সফলতা তথা স্বাবলম্বী হয়েছেন অনেক চাষি। তবে এই ছাগল যদি হয় আরো মোটাতাজা তাহলে এর ফলাফল আসবে আরো বেশি। তাই যারা ছাগল পালন করেন তাদের ছাগল মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি জানা দরকার। তাহলে আরো লাভবান হতে পারবেন এই পেশায়।

ছাগল মোটাতাজাকরণের মাধ্যমে সফল হওয়ার উপায়:
ছাগল পালন করে লাভবান হওয়ার জন্য ভাল মানের ছাগল বাছাই করা সবচেয়ে জরুরী। ছাগল পালন করতে রোগমুক্ত কিন্তু শুকনো শরীরের ছাগল নির্বাচন করতে হবে। এতে এই ছাগলকে পরিচর্যা ও খাদ্য প্রদানের মাধ্যমে সহজেই মোটাতাজা করা যায়। আর এই মোটাতাজা করা ছাগল থেকে সহজেই লাভবান হওয়া যায়। ভাল মানের ব্রিড সংগ্রহ করতে না পারলে উন্নত মানের ছাগল পাওয়া যায় না। আর ভাল মানের ছাগল সংগ্রহ করার মাধ্যমেই ছাগল পালনে লাভবান হওয়া যায়।

ছাগল পালনে লাভবান হওয়ার জন্য ছাগলের কৃমি দমন করা অতি গুরুত্বপূর্ণ একটি কাজ। ছাগলকে সঠিক সময়ে কৃমি মুক্ত করাতে না পারলে ছাগলের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অবনতি হয়ে থাকে। তাই ছাগলকে প্রতি ৪ মাস পর পর কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়াতে হবে।ছাগলকে রোগমুক্ত রাখার জন্য ছাগলকে সময়মতো সংক্রামক রোগের ভ্যাকসিন দেওয়া প্রয়োজন। এক্ষেত্রে ছাগলকে প্রতি বছর রোগের ধরণ অনুযায়ী বিভিন্ন রোগের ভ্যাকসিন প্রদান করতে হবে।

ছাগলকে মোটাতাজা করার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময়কাল নির্ধারণ করতে হবে। এতে করে একটি সময় অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।
এছাড়া ছাগলের খামার থেকে লাভবান হওয়ার জন্য ছাগলকে খাদ্য প্রদান করা অতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। মূলত ছাগলের খাদ্য ব্যবস্থার উপর ভিত্তি করেই ছাগলের স্বাস্থ্য নির্ভর করে থাকে। তাই ছাগল পালনে লাভবান হবে খাদ্য ব্যবস্থার উপর জোর দিতে হবে। এক্ষেত্রে ছাগলের বয়স অনুযায়ী খাদ্য তালিকা করতে হবে।

ছাগলের স্বাস্থ্য ভাল রাখার জন্য ছাগলকে যথাসম্ভব ছেড়ে দিয়ে পালন করতে হবে। এর ফলে যেমনি ছাগলের শরীর সুস্থ থাকবে তেমিন আনুসাঙ্গিক খরচও কমে আসবে অনেকগুনে। ছাগল পালনে লাভবান হওয়ার জন্য নিয়মিত ছাগলের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে। প্রয়োজনে নিয়মিত ছাগলের ওজন মাপতে হবে।

ছাগলের নিয়মিত কিছু দুর্ঘটনা ও সাধারণ রোগের চিকিৎসা ব্যবস্থা পালনকারীদের জেনে রাখতে হবে। এর ফলে সামান্য সমস্যাতেই ডাক্তার ডাকতে হবে না। যার কারণে চিকিৎসা খরচ থেকে বেঁচে যাওয়া যায়।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop