৫:৪৩ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ১ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ৮, ২০২১ ১১:০৫ পূর্বাহ্ন
জুমের সোনালী পাকা ধানে ভরে উঠেছে পাহাড়
কৃষি বিভাগ

জুমের সোনালী পাকা ধানে ভরপুর পাহাড়। জুমের ফলন ভালো হওয়ায় চোখে মুখে এখন আনন্দ দেখা যাচ্ছে জুম চাষীদের। রাঙ্গামাটির জুমিয়ারা এখন ব্যস্ত পাকা ধানের ফসল বাড়িতে তোলার কাজে।

পার্বত্য চট্টগ্রামের ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীদের সনাতনী কৃষি হচ্ছে পাহাড়ের ঐতিহ্যবাহী জুম চাষ। জুম চাষের প্রস্তুতিকালে প্রথমে ফাল্গুন-চৈত্র মাসে আগুনে পুড়িয়ে জুম চাষের জন্য জমিকে উপযুক্ত করে তোলা হয়।

এরপর বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে প্রস্তুতকৃত পোড়া জুমের মাটিতে দা দিয়ে গর্ত খুঁড়ে একসঙ্গে ধান, মারফা, মিষ্টি কুমড়া, তুলা, তিল, ভুট্টাসহ পাহাড়ে একসাথে বিভিন্ন প্রজাতির বীজ বপন করে জুমিয়ারা।

আষাঢ়-শ্রাবণ মাসেই জুমের ধান পাকা শুরু হয়। ভাদ্র-আশ্বীন মাসে ঘরে তোলা হয় জুমের ফসল। এ বছর জুমে পোকামাকড়ের উপদ্রব না থাকায় জুমের ফলন ভালো হয়েছে বলে জানিয়েছেন জুম চাষীরা।

মাঠ পর্যায়ে কাজ করা কৃষি বিভাগের কর্মকর্মারা বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে(বাসস) জানান, পাহাড়ে জুমিয়ারা স্থানীয় জাতের ধানের পাশাপাশি সাথী ফসল হিসেবে বিভিন্ন প্রজাতির সবজীর চাষ ও করেছে। পাহাড়ে জুম চাষসহ বিভিন্ন প্রজাতির সাথী ফসল চাষে কৃষি বিভাগের বিভিন্ন পরামর্শ নিয়ে কাজ করায় এবার ফলন ও ভালো হয়েছে বলে জানিয়েছেন মাঠ পর্যায়ে থাকা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তারা।

রাঙ্গামাটি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষ্ণ প্রসাদ মল্লিক বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থাকে(বাসস) বলেন, চলতি বছর শুধু রাঙ্গামাটি জেলায় জুম চাষ হয়েছে ৫ হাজার ৮৮০ হেক্টর জমিতে।

যার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধারা হয়েছে হেক্টর প্রতি ১ দশামিক ৩০ টন। এবার জুমের ফসল ভালো হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, পাহাড়ে জুম চাষের ফলে এখানকার খাদ্য চাহিদা পূরণে তা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

পাহাড়ে প্রায় বিভিন্ন জাতের জুমে ধান চাষ হয়ে থাকে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে- হরিণ বিনি, পাধাতটারা, আমেই, কালা কবরক, লঙ লঙ, মেলে (কুকী), কামারাঙা, তোর্গী, বাধেইয়া, কবরক, লেঙদাচিকন, গেলঙ, পাত্তেগী, গুরি, বিনি, কবাবিনি ও লোবাবিনি।

পাহাড়ে এখন জুমের পাকা সোনালি ফসল ঘরে তোলা শুরু করেছে চাষীরা। শুরু হয়েছে পাকা ধান কাটা। দীর্ঘ প্রায় নয় মাসের পরিশ্রমে ফলানো ফসল ঘরে তুলছেন জুমচাষীরা। গত বছরের মতো এবার মৌসুমেও করোনার কারণে চাষাবাদে নানা প্রতিবন্ধকতা থাকলে ও জুমের ফলন ভালো হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষক। সব ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবেন বলে আশা তাদের।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৮, ২০২১ ১০:১১ পূর্বাহ্ন
শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত বগুড়ার কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

বগুড়ার কৃষকেরা আগাম শীতকালীন সবজি চাষে মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ভোর থেকে বিকেল পযর্ন্ত হাড় ভাঙ্গা পরিশ্রম করে যাচ্ছে কৃষকেরা সবার আগে সব সবজি বাজারে নিতে। যদিও শীতকালীন সবজি চাষ করার জন্য জমি তৈরী করতে গিয়ে বৈরী আবহাওয়ায় কিছুটা বেগ পেতে হয় কৃষকদের।

জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার এনায়েত পুর, উত্তর শ্যামপুর, মাঝপাড়া, বাকসন, জামালপুর, বারুগারী, মেদিনীপাড়া, উথলী, নারায়নপুর, রায়নগর, হরিপুর, কাজীপুর, এলাকার কৃষকেরা শীতকালীল সবজি মুলা, বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, সিম, লালশাক, পালংশাক, পুঁইশাক ও পেঁয়াজ কৃষকেরা শীত নামার পূর্বেই বাজারে নিয়ে আসে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র বলছে, বগুড়ায় শীতকালীন সবজি বরাবরের মত ভালো চাষ হয়ে থাকে। গত বছর বন্যা থাকার পরেও ভালো সবজি চাষ হয়েছে। এবছরও ভালো সবজি পাওয়ার আশায় কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তারা কাজ করছে। বগুড়ার প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চলের কৃষকেরা শীতকালীন সবজি চাষে মাঠে নেমেছে। এবছর ১৮ হাজার ১৮৮ হেক্টর জমিতে শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর বিপরীতে ফলন ধরা হয়েছে ৪ লাখ ২৭ হাজার ৩৪৩ মেট্রিক টন। আর গত বছর সবজির ফলন হয়েছিল ৪ লাখ ৩৮ হাজার মেট্রিক টন, যা চাষ হয়েছিল ১৭ হাজার ৯১২ হেক্টর জমিতে।

উত্তর শ্যামপুর গ্রামের কৃষক জিন্নাহ বলেন, আমি ৪০ শতক জমিতে ফুলকপি চাষ করেছি। এবছর শ্রমিকের মজরি একটু বেশি, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো ফলন পাওয়া যাবে এবং দাম ভালো পাওয়ার আশা করছি।

শিবগঞ্জ উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা মোঃ আল মোজাহিদ জানান, এ বছর উপজেলায় এক হাজার ৮০০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ধরনের শীতকালীন সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। শীতকালীন সবজির দিকে উপজেলার কৃষকদের বিশেষ নজর থাকে। এবছর এক হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন ধরনের শাক-সবজি চাষাবাদ হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারও বাম্পার ফলনের আশা করছি।

বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা ফরিদুর রহমান জানান, বগুড়ায় সবজি চাষ শুরু হয়েছে। গত বছর ভালো ফলন পাওয়া গিয়েছিল। এবারও বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছি। এ বছর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪ লাখ ২৭হাজার ৩৪৩ মেট্রিক টন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৭, ২০২১ ৯:৫৯ অপরাহ্ন
রাণীশংকৈলে মাল্টা ও কমলা চাষের দিকে ঝুঁকছেন চাষিরা
কৃষি বিভাগ

প্রতিটি গাছে থোকায় থোকায় দুলছে মালটা, কমলা, বাদামি লেবু এ যেন এক মনোমুগ্ধকর দৃশ্য। দেখলেই যেন চোখ জুড়িয়ে যায়। দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ মাল্টা বাগান দেখতে আসছেন। এমনই দৃশ্য দেখা গেছে উত্তরের জনপদ ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলার নেকমরদ করনাইট নতুন বাড়ি গ্রামের কৃষক মাহমুদুল হাসান মুকুল সহ ঐ এলাকার কয়েকটি বাগানে।

জানা যায়, ২০১৪ সালে কৃষক মাহমুদুল হাসান মুকুল সর্বপ্রথম ২টি কমলা গাছ লাগান। এতে তেমন কোন ফলাফল না পাওয়ায় তিনি ২০১৫ সালে রাণীশংকৈল উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ শুরু করেন। সে সময় রাণীশংকৈল সাইট্রাস ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট চলছিল। আগ্রহ দেখে কৃষি বিভাগ তাকে মাল্টা-কমলা চাষের প্রশিক্ষণ শেষে বারি মাল্টা-১ জাতের ৮০টি, ৬টি কমলা লেবু, ১২টি কলম্ব লেবু, ১০টি বাতাবি লেবু চারা দেয়। পরে তিনি চারাগুলো বাড়ির পেছনের চল্লিশ শতক জমিতে রোপণ করেন। গাছ লাগানোর ৩ বছরের মধ্যে তার বাগানের তিন চতুর্থাংশ থোকায় থোকায় মাল্টা, কমলা এবং লেবু ধরতে শুরু করে।

২০১৯ সালে তার বাগান থেকে প্রথম ১২ হাজার টাকা আয় করেন। পরের বছরে ২০২০ সালে তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। পরের বছর ৭৫ হাজার টাকার মাল্টা, কমলা এবং লেবু বিক্রয় করে এ ফল চাষাবাদে ব্যাপক আশাবাদী ও উদ্বুদ্ধ হন। তবে এবছর সব খরচ বাদ দিয়ে ৯০ হাজার টাকা আয় করতে পারবেন বলে ধারণা করেছেন।

কৃষক মাহমুদুল হাসান মুকুল জানান, বাণিজ্যকভাবে চাষের পরিকল্পনা থাকলেও তা প্রশিক্ষণ ও কৃষি বিভাগের সহায়তা ছাড়া সম্ভব ছিল না। প্রথমে স্বল্প পরিসরে শুরু করলেও এখন তা ব্যাপকভাবে চাষের পরিকল্পনা নিয়ে কমলা, মাল্টা ও বাতাবি লেবুর বাগান করে চাষ করছি। ফলন যেমন ভালো হচ্ছে,তেমনি আশানুরুপ লাভও হচ্ছে। আমার দেখে এখন এ এলাকার অনেক কৃষক ও বেকার যুবকরাও এ বাগান করার উদ্যাগে নিয়েছেন। যা দেখেই ভালো লাগছে।

তিনি আরো জানান,ফলের স্বাদ ঠিক অন্যান্য অঞ্চলের ফল গুলোর মতই সুস্বাদু ও রসালো। উপজেলা কৃষি অফিসারের পরামর্শে তিনি এ ফল গুলোর চাষাবাদ করে যাচ্ছেন। কৃষি অফিস থেকে সর্বোপরি সব ধরনের দিকনির্দেশনা দেওয়া হচ্ছে। একদিন তিনি টিভিতে ড্রাগন চাষ দেখে ড্রাগন চাষে উদ্বুদ্ধ হন। পরে তিনি ৮টি ড্রাগন গাছ লাগান এতেও তিনি আশানুরূপ ফল পাচ্ছেন বলে জানান তিনি।

সরেজমিন গিয়ে কথা হয় একই ইউনিয়নের কুমরগঞ্জ গ্রামের আরেক মাল্টা চাষি শিক্ষক সাদেকুল ইসলামের সাথে,তিনি জানান শিক্ষকতার পাশাপাশি ৬ বিঘা জমিতে তিনি মাল্টা চাষ করেছেন উপজেলা কৃষি অফিসার সঞ্জয় দেবনাথের পরামর্শ ও সহযোগিতা নিয়ে। প্রতি বিঘা জমিতে ১ শত করে মাল্টা গাছ রোণন করেছেন। প্রতিটি গাছের ২বছর ৮মাস বয়স হয়েছে। তার ২ একর জমিতে এবার ৫০ মণের অধিক মাল্টা উৎপাদন করতে সক্ষম হয়েছেন। এবারই প্রথম পর্যায়ে তিনি দেড় লক্ষ টাকার মত বাগানের মাল্টা বিক্রি করবেন বলে আশা করেছেন। উৎপাদিত ফল জেলার চাহিদা পূরণের পাশাপাশি পাঠানো হচ্ছে দেশের অন্যান্য স্থানেও বলে জানান তিনি ।

অপরদিকে তার মাল্টার পাশাপাশি প্রায় এক একর জমিতে ২০০ টি কমলালেবু ও ১০০ টি ড্রাগন গাছও রয়েছে। যা থেকে পরবর্তীতে বাগান পরিচর্যার মাধ্যমে আরও বেশি সাফল্যের আশা করছেন।

স্থানীয় বাসিন্দা ও নেকমরদ ইউনিয়ন বঙ্গবন্ধু শিশু কিশোর মেলার সভাপতি রাফসান জানি সানি বলেন, শিক্ষক সাদেকুল ইসলাম ও পার্শবর্তী এলাকা করনাইট গ্রামের কৃষক মাহমুদুল হাসান মুকুল চাচার মাল্টা, কমলা ও ড্রাগন চাষ করে আমাদের এসব চাষে আগ্রহ সৃষ্টি করে দিয়েছেন। তাদের এ সফলতা দেখে আমরাও এমন ফল চাষের চিন্তা ভাবনা করছি।

রাণীশংকৈল উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্র জানায়, উপজেলায় নতুন পুরাতন বাগান মিলে ১৬ হেক্টর জমিতে মাল্টা চাষ হয়েছে। অনেকে আগ্রহী হয়ে মাল্টা বাগানের কাজ শুরু করেছেন। জেলার চাহিদা পূরণ করে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এ মাল্টা বাজারজাত করা হচ্ছে।
রাণীশংকৈল উপজেলা কৃষি অফিসার সঞ্জয় দেবনাথ জানান, আবহাওয়া ও মাটি চাষের উপযোগী হওয়ার কারণে ভালো ফলনও পাচ্ছেন চাষিরা। মার্চ-এপ্রিল মাসে বারি মাল্টা-১ গাছে ফুল আসে। আগস্ট-সেপ্টেম্বর মাসে ফল পাকে। ৫-৬টা মাল্টা ওজনে এক কেজি হয়।

তিনি আরো বলেন আমরা সাইট্রাস প্রজেক্টর আওতায় আগ্রহীদের প্রশিক্ষণ দিয়ে থাকি। মাল্টা বা লেবু জাতীয় ফল অল্প খরচে চাষিরা বেশি লাভবান হয়। কৃষকেরা যেভাবে মাল্টা চাষে ঝুঁকছেন এক সময় রানীশংকৈলের মাল্টা চাষিরা দেশের অর্থনৈতিক বিনিয়োগে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবেন বলে আমরা আশা করছি। বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৭, ২০২১ ৮:৪৭ পূর্বাহ্ন
ধনে পাতা চাষে ফিরে পাচ্ছে আর্থিক সচ্ছলতা
কৃষি বিভাগ

জেলার বরুড়ায় ধনেপাতা চাষে অনেক কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। অনেক কৃষক লাভজনক এ চাষের মাধ্যমে ফিরে পাচ্ছে আর্থিক সচ্ছলতাও। উপজেলার হরিপুর, কালির বাজার এলাকার কৃষক ধনেপাতা চাষ করে সফলতা পেয়েছেন। উর্বর পলি মাটিতে ধনেপাতা চাষে বেশ সফলতা পাচ্ছে স্থানীয় কৃষকরা। উর্বর পলি মাটিতে খুবই দ্রুত বেড়ে উঠে ধনেপাতা গাছ।

সরেজমিনে হরিপুর এলাকায় গিয়ে কথা হয় মোঃ কামরুল নামের এক ধনেপাতা চাষির সাথে। তিনি জানান, ধনেপাতা চাষ অত্যন্ত লাভজনক একটি চাষ। এটির চাষাবাদের ফল বেশ দ্রুতই পাওয়া যায়। তিনি আরো জানান, নিজে ২০ শতক জায়গায় ধনে পাতা চাষ করেছেন। এছাড়া প্রায় ৩৫ শতক জায়গায় করা একটি ধনে পাতার ক্ষেত অন্যের কাছ থেকে কিনেন ৪০ হাজার টাকায়। বর্তমানে ধনে পাতার বাজার মূল্য প্রতিকেজি ৬০-৭০ টাকা বলেও তিনি জানান। বরুড়ায় উৎপাদিত ধনেপাতা এখানকার হাট বাজারের চাহিদা মিটিয়ে নগরীর বিভিন্ন হাট বাজারেও নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

জানা যায়, ধনিয়ার পাতা মসলা বা খাদ্য সুগন্ধিকারক হিসেবে বিভিন্ন দেশে ব্যবহার করা হয়। এ দেশের মতো ভারত, থাইল্যান্ড, ভিয়েতনাম, ফ্লোরিডা, হাওয়াই প্রভৃতি দেশেও রান্নার মসলা হিসেবে ধনিয়া বহুলভাবে ব্যবহৃত হয়। সাধারণত এর কাঁচা পাতা ব্যবহার হয়। শুকালে এর পাতার তীব্র সুগন্ধ নষ্ট হয় না। ধনিয়া যে শুধু রান্নাকে সুগন্ধময় ও সুস্বাদু করে তাই নয়, এর ভেষজ মূল্যও আছে। জ্বর, হাইপার টেনশন, অ্যাজমা, পাকস্থলীর জ্বালা পোড়া, কৃমি, সাপে কামড়ানো, ডায়রিয়া, ম্যালেরিয়া ইত্যাদি রোগের চিকিৎসায় ধনিয়া সফলভাবে ব্যবহার হয়ে আসছে।

পুষ্টি বিজ্ঞানীদের মতে, ধনিয়া পাতার রয়েছে- ১১ জাতের এসেনশিয়াল অয়েল, ৬ ধরনের অ্যাসিড, ভিটামিন, মিনারেল এবং অন্যান্য ফাইবার, ম্যাংগানিজ আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন-এ, ভিটামিন-সি, ভিটামিন-কে, ফসফরাস, ক্লোরিন ও প্রোটিন। এ উদ্ভিদ অ্যান্টিসেপ্টিক, অ্যান্টিফাঙ্গাল এবং যেকোনও চুলকানি ও চামড়ার জ্বলনে গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ।

এ বিষয়ে বরুড়া উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ নজরুল ইসলাম জানান, ধনে পাতা চাষ একটি লাভজনক ও মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় এবং চাহিদাপূর্ণ একটি উপাদান। প্রতিটি পরিবারে তরিতরকারি রান্নার কাজে এটি অবশ্যই ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এটির চাষাবাদে প্রাথমিক অবস্থায় অতিরিক্ত বৃষ্টি ও পানি থেকে রক্ষা করলেই হয়। বরুড়ার বিভিন্ন এলাকায় ধনে পাতা চাষে কৃষকরা বেশ লাভবান হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৫, ২০২১ ৩:৪১ অপরাহ্ন
এ বছর ৩ টন মাল্টা উৎপাদন করবেন আল আমিন
কৃষি বিভাগ

চার বছর আগে জেলার রাজনগর উপজেলার রাজনগর ইউনিয়নের নন্দিউড়া গ্রামের আল আমিন শখের বশে, কৃষিবিদ শেখ আজিজুর রহমানের পরামর্শে দুই বিঘা জমিতে মাটি উচুঁ করে মাল্টা চাষ শুরু করেন। মাল্টা চাষ করে আল আমিন এখন সফল ও স্বাবলম্বী হয়েছেন।

কৃষি বিভাগ সুত্রে জানা গেছে, ৪ বছর আগে রাজস্ব প্রকল্পের আওতায় প্রর্দশনীর দিয়ে আল আমিনকে মাল্টা চাষে উৎসাহিত করা হয়। এখন সে স্বাবলম্বী। নিজ উদ্যাগেই চাষ করে যাচ্ছেন।

২০২০ সালে দেড়টন মাল্টা উৎপাদন হয়েছে আল আমিনের । বিক্রি করেন ১ লাখ টাকা। প্রতিবছর মাল্টার উৎপাদন বৃদ্ধি হওয়ায় আল আমিন অল্প পরিশ্রমে বেশি লাভের আশায় আছেন। এ বছর ৩ টন মাল্টা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। ঠিকমত বাজারজাত করতে পারলে ৩ লাখ টাকা লাভ করতে পারবেন। তাকে অনুসরণ করে এলাকার অনেকেই মাল্টা চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

আল আমিন জানান, বিগত কয়েক বছর আগে বিভিন্ন জাতের ফলে ফরমালিন ব্যবহারের হিরিক পরে। যা মানব দেহের জন্য ক্ষতিকারক। মানুষ নিরাপদ ফল খাওয়ার কথা ভুলে গিয়ে ছিল। ভেজালমুক্ত ফল উপহার দেওয়ার কথা চিন্তা করেই কৃষি বিভাগের সহযোগীতা নিয়ে মাল্টার বাগান করেছি। অল্প পরিশ্রমে কম খরচে মাল্টা চাষ করে লাভবান হওয়া যায়।

তার বাগানে বারি-১ থাইল্যান্ড জাতের ২০০টি মাল্টার গাছ রয়েছে। চারা রোপণের দুই বছর পর ফলন শুরু করে। তিন বছর পর একটি গাছে পূর্ণাঙ্গরূপে ফল ধরা শুরু করে। প্রতিটি গাছে ৩০০ থেকে ৪০০টি ফল আসে। তার বাগান দেখে অনেকেই মাল্টা চাষের প্রস্তুতি নিচ্ছে।

রাজনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ ইফফাত আরা ইসলাম জানান, মাল্টা চাষ করে আল আমিন সফল হয়েছেন। কৃষি বিভাগ সব সময় তাকে পরামর্শ দিয়ে থাকে। তার বাগানে গিয়ে দেখেছি মাল্টাগুলো পাকা শুরু হয়েছে। পরিপক্ক না হওয়া পর্যন্ত বাজারজাত না করতে বলেছি।

মৌলভীবাজার কৃষি অধিদপ্তরের উপ-সহকারী পরিচালক কাজী লুৎফুল বারি জানান, কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় মৌলভীবাজারের বিভিন্ন অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে মাল্টা চাষ শুরু হয়েছে। চাষিদের উদ্বুদ্ধ করেছেন আশানুরূপ ফলন হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৫, ২০২১ ৩:৩১ অপরাহ্ন
বিকল্প আয়ের উৎস এখন শাপলা
কৃষি বিভাগ

বিল, ঝিল আর জলাভূমিতে এখন প্রাকৃতিকভাবে ফোটা শাপলার সমারোহ দেখা যাচ্ছে নদী বেষ্টিত মুন্সিগঞ্জে। বাজারে চাহিদা থাকায় নয়নজুড়ানো শাপলা তুলে বিক্রি এখন বিকল্প আয়ের উৎস হয়ে উঠেছে শত শত কর্মহীন কৃষকের। প্রাকৃতিকভাবে হওয়ায় উৎপাদনে প্রয়োজন নেই পুঁজির। বিনা পুঁজিতেই শাপলা আহরণ ও বিক্রি করে আর্থিকভাবে লাভবান তারা। বিভিন্ন বয়সী মানুষ ঝুঁকছেন এ কাজে।

জানা যায়, জেলার টঙ্গীবাড়ী, সিরাজদিখানের জলাভূমি ও শ্রীনগরের আড়িয়াল বিল থেকে প্রতিদিন শত শত নৌকায় শাপলা আহরণ চলছে। ভোর থেকে বিকেল পর্যন্ত চলে শাপলা তোলার কাজ। একেক জন প্রতিদিন ১০০-২০০ আটি পর্যন্ত শাপলা তুলে থাকেন। পাইকারি প্রতি আটি শাপলা বিক্রি করছেন ৩-৫ টাকা।

স্থানীয় বাজারে বিক্রির পাশাপাশি অধিকাংশ শাপলা বিক্রি হয় রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন বাজারে। দিনভর জলাভূমিতে থেকে আহরণের পর শাপলা রাখা হয় রাস্তার পাশে। বিকেলে ট্রাক-পিকআপ যোগে পাইকাররা এসব শাপলা নিয়ে যান ঢাকার বাজারগুলোয়। পাশের জেলা ও টাটকা থাকায় ঢাকার বাজারগুলোয় মুন্সিগঞ্জের শাপলার বেশ চাহিদা।

ফরিদ শেখ নামক একজন জানান, ‘উন্নাকালে জমিতে কাজ করি। এখন বর্ষার পানিতে জমিজমা সব তলাই গেছে। জমির কোনো কাজ নাই। তাই উপার্জন করতে শাপলা তুলি। ১০০-১৫০ আটি শাপলা তুলতে পারি প্রতিদিন। বিক্রি কইরা ৫০০-৭০০ টাকা আয় হয়। এই দিয়ে সংসার চলে যাচ্ছে।’

সনাতন মন্ডল জানান, ‘শ্রাবণ থেকে চলতি আশ্বিন মাস পর্যন্ত বিলে শাপলা ফোটে। কোনো পুঁজির দরকার হয় না। শাপলা তুলতে একটু পরিশ্রম হয় আর কি। সারাদিন শাপলা তুলে বিলের পাশে রাস্তায় রাখি। পরে বিকালে পাইকাররা ট্রাক দিয়ে নিয়া যায়। এখন ৩ টাকা দেয়। অবার চাহিদা বেশি থাকলে ৫ টাকাও দেয়। ট্রাকে উঠানোর পর আমাদের টাকা দিলে বাসায় চলে যাই। আর পরদিন সকালে আসি।’

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. খুরশীদ আলম জানান, ‘শাপলা চাষ করতে হয় না। প্রাকৃতিকভাবে মুন্সিগঞ্জে প্রচুর শাপলা হয়ে থাকে। পুষ্টির চাহিদা পূরণে উল্লেখ্যযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে শাপলা। যেহেতু বাজারে খাদ্য হিসেবে চাহিদা আছে। তাই শাপলা তুলে বিক্রি করে কর্মসংস্থানের সুযোগ আছে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৪, ২০২১ ৬:১৯ অপরাহ্ন
কৃষিখাতে পারস্পরিক সহযোগিতার সমঝোতা স্মারক সই করবে নেদারল্যান্ড
কৃষি বিভাগ

কৃষিপণ্য রপ্তানি ও প্রক্রিয়াজাতে নেদারল্যান্ডের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ। এ ছাড়া কৃষিখাতে পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য সমঝোতা স্মারক সই করতে চায় বাংলাদেশ।

আজ সোমবার বিকালে সচিবালয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক, এমপির সাথে ঢাকায় নিযুক্ত নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত অ্যান জিরার্ড ভ্যান লিউভেন (Anne Gerard van Leeuwen) এর সাক্ষাৎকালে কৃষিমন্ত্রী এ আগ্রহ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদনের অভাবনীয় সাফল্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, রপ্তানি ও প্রক্রিয়াজাতে বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে। দেশের আম,আনারস, কলা, টমেটো, আলু ও শাকসবজি প্রভৃতি রপ্তানি ও প্রক্রিয়াজাতের সম্ভাবনা অনেক। এক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডের প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রয়োজন। উত্তম কৃষিচর্চা (জিএপি) মেনে উৎপাদনেও নেদারল্যান্ডের সহযোগিতা দরকার।

এছাড়া, পূর্বাচলের ২ একর জমিতে আধুনিক প্যাকিং হাউজ নির্মাণ ও আধুনিক টেস্টিং ল্যাব স্থাপনে সহযোগিতা এবং কৃষিখাতে নেদারল্যান্ডের বিনিয়োগ কামনা করেন মন্ত্রী।

নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত অ্যান জিরার্ড ভ্যান লিউভেন কৃষিখাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বলেন, কৃষিতে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য শীঘ্রই বাংলাদেশের সাথে সমঝোতা স্মারক সই করা হবে। নেদারল্যান্ডের প্রাইভেট সেক্টরকে সম্পৃক্ত করার বিষয়েও উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

প্ল্যান্ট ভ্যারাইটি প্রটেকশন, এগ্রিকালচারাল ট্রান্সফর্মেশন প্রোগ্রাম (এটিপি), ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট, টেস্টিং ল্যাব ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সংযোগ স্থাপন প্রভৃতি বিষয়ে দুদেশ একসাথে কাজ করবে । এছাড়া, কৃষিখাতে সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে নেদারল্যান্ড থেকে ট্রেড মিশন আসা ও বাংলাদেশ থেকে একটি এক্সপার্ট মিশন যাওয়ার ব্যাপারে দুদেশ সম্মত হয়।

সাক্ষাৎকালে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো: রুহুল আমিন তালুকদার, উপসচিব ফারহানা আইরিছ, নেদারল্যান্ডের ঢাকা দূতাবাসের প্রথম সচিব ফোলকার্ট ডি জেগার, পানি ও কৃষি বিষয়ে নিযুক্ত প্রতিনিধি মার্টজিন ভ্যান ডি গ্রুয়েপ, সিনিয়র পলিসি এডভাইজর ওসমান হারুনি উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৪, ২০২১ ১০:১৬ পূর্বাহ্ন
ঘেরের বেড়িতে গ্রীষ্মকালীন তরমুজের ফলন
কৃষি বিভাগ

জেলার কেশবপুর উপজেলার বিল খুকশিয়ায় মাছের ঘেরের বেড়িতে গ্রীষ্মকালীন তরমুজের ভালো ফলনে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।চাষিরা গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ করে সফলতা পেয়েছেন।এখানে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষে ভাগ্য বদল হয়েছে অনেক কৃষকের।মাছ চাষের পাশাপাশি তরমুজ চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে অনেক চাষি লাভবান হয়েছেন বলে জানান কৃষি কর্মকর্তা।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রথমবারের মত মাছের ঘেরের বেড়িতে গ্রীষ্মকালীন তরমুজের আবাদে ভালো ফলন পেয়ে বেশ লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। এলাকার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছে যাচ্ছে গ্রীষ্মকালীন এ তরমুজ।

গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষে লাভবান হওয়ায় অনেক কৃষক নতুন করে এ আবাদে ঝুঁকছেন। কৃষি কর্মকর্তারা তরমুজ আবাদ পরিদর্শন করে চাষিদের এ আবাদে উদ্বুদ্ধ করছেন।কেশবপুর উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে শ্রীহরি নদীর তীরে অবস্থিত বিল খুকশিয়া। এ বিলের ৬ হাজার ৩৭৫ বিঘা ফসলি জমি দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর যাবত জলাবদ্ধ থাকায় কৃষকেরা ঠিকমত ফসল ফলাতে পারতেন না। বিলের জলাবদ্ধতা নিরসন করে ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে ২০০৫ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড শ্রীহরি নদীতে নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে এবং বিল খুকশিয়ার তলদেশ উঁচু করার জন্য জোয়ার-আঁধার টিআরএম প্রকল্প গ্রহণ করে। কৃষকরা বিলটিতে মাছের ঘের তৈরি করেন এবং মাছের ঘেরের বেড়িতে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ শুরু করেন।চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে তরমুজ চাষ করে কৃষকরা ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন।

সূত্রে জানা গেছে, বিল খুকশিয়ায় বেশির ভাগ ঘেরের বেড়িতে তরমুজ চাষ করা হয়েছে।এ বিলে তরমুজ চাষ করা কৃষক আব্দুল কুদ্দুস জানান, তিনি ৭বিঘা জমির ঘেরের পাড়ে মান্দা তৈরি করে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন।

চাষি মহসিন উদ্দিন বলেন, তিনি ১৩ বিঘা মাছের ঘেরের বেড়িতে ১ হাজার ৪০০টি তরমুজের মান্দা তৈরি করে ইতোমধ্যে ফলন পেয়েছেন ২৭৫ মণ।তিনি প্রতি মণ তরমুজ ১ হাজার ২০০ টাকা করে বিক্রি করছেন। সর্বোচ্চ ১২ কেজি ওজনের তরমুজ পেয়েছেন তিনি। কাকবাঁধাল গ্রামের আব্দুল হালিম বলেন, তিনি ১২০টি মান্দা তৈরি করে তরমুজের চাষ করেছেন।উৎপাদিত তরমুজ ট্রাকে করে নিয়ে সাভারের আশুলিয়ায় পাইকারি বিক্রি করে থাকি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঋতুরাজ সরকার বলেন, বিল খুকশিয়ায় মাছের ঘেরের বেড়িতে তরমুজ চাষ এ এলাকার কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করছে।কানাইডাঙ্গা,কাকবাঁধাল ও ডহুরী গ্রামের এ বিলে এবছর প্রায় ২শ’ চাষি তরমুজ চাষ করেছেন।এখানে সর্বোচ্চ ১৪ কেজি ওজনের তরমুজ উৎপাদিত হয়েছে।তরমুজ চাষিদের তরমুজ ন্যায্যমূল্যে বিক্রির জন্য সভারের আশুলিয়ায় মার্কেটিংয়ের ব্যাপারে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হয়েছে। এশিয়ান-১, পাকিজা সুপার, ব্লাক কিং, ব্লাক কুইং জাতের তরমুজ এখানে বেশি আবাদ করা হয়েছে। তরমুজ চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোরের উপ-পরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, কেশবপুরের বিল খুকশিয়ায় মাছের ঘেরের বেড়িতে গ্রীষ্মকালীন তরমুজের দৃষ্টি নন্দন চাষ হচ্ছে।এখানকার তরমুজ চাষিরা বর্তমান সময়ে ভালো দাম পেয়ে খুশি।উৎপাদিত গ্রীষ্মকালীন তরমুজ স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যশোর জেলা শহরসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলায় পাইকারি বিক্রি হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৩, ২০২১ ৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
২১০ হেক্টর জমিতে হলুদের আবাদ
কৃষি বিভাগ

মুনাফা বেশি হওয়ায় কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার নোয়াপাড়া বেশিরভাগ কৃষক হলুদ চাষে আগ্রহী হয়ে ওঠেছেন। এখানকার মাটিও হলুদ চাষের জন্য বেশ উপযোগী। এটি এখন মসলা জাতীয় অর্থকরী ফসল হলুদের গ্রাম নামেই পরিচিতি পেয়েছে। নোয়াপাড়া গ্রাম ছাড়াও কুমিল্লার লালমাই, বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়ায় হলুদ চাষ হয়ে থাকে। এবছর এসব এলাকায় প্রায় ২১০ হেক্টর জমিতে হলুদ চাষ হয়েছে।

নোয়াপাড়া গ্রামের হলুদ চাষিরা জানান, ডিমলা, বারী ও স্থানীয় উন্নত জাতের হলুদের চাষ করে থাকেন তারা। মাস তিনেক আগ থেকেই জমিতে হুলুদ রোপণ করা হয়েছে। ছয় থেকে সাত মাস পরিচর্যা করতে হয়। এরপর পুরো ফলন মিলবে। হলুদ চাষি খালেদ হোসনে বাসসকে জানান, অন্য ফসলের চেয়ে হলুদ চাষে খরচ কম। তবে মুনাফা ভালো হয়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে হলুদ চাষ করে লোকসান গুনতে হয়না। চাষি মনোয়ার হোসেন বলেন হলুদ চাষে খরচ কম লাভ বেশি হওয়ার কারণে কুমিল্লায় হলুদ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান জানান, কৃষি বিভাগ চাষিদের সবসময় সহযোগিতা, পরামর্শ দিয়ে থাকে। এমনকি মসলা জাতীয় ফসল উৎপাদনে কৃষি ঋণ সহযোগিতা কোন চাষি চাইলে আমরা যথাযথ নিয়মে তার ব্যবস্থা করে দিতে প্রস্তুুত আছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৩, ২০২১ ৯:২৯ পূর্বাহ্ন
পরিচালক,সরেজমিন উইং মহোদয়ের আরডিএডিপির ভার্মি কম্পোস্ট পরিদর্শন
কৃষি বিভাগ

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ভার্মি কম্পোস্ট প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন কৃষিবিদ এ কে এম ম‌নিরুল আলম,প‌রিচালক,স‌রেজ‌মিন উইং, কৃ‌ষি সম্প্রসারণ অ‌ধিদপ্তর, খামারবা‌ড়ি,ঢাকা।

শনিবার (২অক্টোবর) সয়দাবাদ ইউনিয়নের সদানন্দপুর গ্রামে স্থাপিত ভার্মি কম্পোষ্ট প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।

তিনি ভার্মি কম্পোষ্ট প্রদর্শনীর সফল বাস্তবায়ন দেখে সন্তুষ্ঠি প্রকাশ করেন এবং মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষায ভার্মি কম্পোষ্ট উৎপাদন উপজেলায় কৃষকের মাঝে সম্প্রসারণের আহবান জানান।

বাগানটি পরিদর্শনে আরো উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ মোঃ ইউসুফ রানা মন্ডল, অ‌তি‌রিক্ত প‌রিচালক, ডিএই, বগুড়া অঞ্চল, বগুড়া,কৃষিবিদ মোঃ আবু হানিফ, উপ প‌রিচালক, ডিএই, সিরাজগঞ্জ , কৃষিবিদ জনাব মোঃ রোস্তম আলী,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা,সিরাজগঞ্জ সদর।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা ও জৈব সারের ব্যবহার বাড়াতে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় অত্র প্রকল্পের আওতায় ৪ টি ভার্মি কম্পোষ্ট প্রদর্শনী স্থাপন করা হয়েছে এবং সফলভাবে বাস্তবায়ন ও সম্প্রসারণ হচ্ছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop