৫:২০ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ৩ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুন ৯, ২০২১ ৮:৫৩ পূর্বাহ্ন
৬ জেলায় ১ লাখ ৬৬ হাজার ৩৩৮ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ
কৃষি বিভাগ

দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে চলতি মৌসুমে ৬ জেলা যশোর, ঝিনাইদহ, মাগুরা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুরে ১লাখ ৬৬হাজার ৩শ’৩৮ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে।আবাদকৃত জমিতে ২০লাখ ৮৫হাজার ৯১০ বেল পাট উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, গত বছর পাটের দাম ভালো পাওয়ায় এবছর বেশি জমিতে কৃষকরা পাটের আবাদ করেছেন।

কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ বছর পাটের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে ।

যশোর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলায় মোট ১লাখ ৬৬হাজার ৩শ’৩৮ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে।এর মধ্যে যশোর জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ২৬হাজার ১শ’২৫হেক্টর জমিতে,ঝিনাইদহ জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ২২হাজার ৮শ’৬০ হেক্টর জমিতে, মাগুরা জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ৩৫হাজার ৮শ’২০ হেক্টর জমিতে, কুষ্টিয়া জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ৪০হাজার ৯শ’৬৬ হেক্টর জমিতে, চুয়াডাঙ্গা জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ২০হাজার ৫শ’২৭ হেক্টর জমিতে এবং মেহেরপুর জেলায় পাটের আবাদ হয়েছে ২০হাজার ৪০ হেক্টর জমিতে।

জানা গেছে,যশোর সদর উপজেলার, বাঘারপাড়া উপজেলার,ঝিকরগাছা উপজেলার,চৌগাছা উপজেলার এবং মাগুরা জেলার বিভিন্ন উপজেলার মাঠের পর মাঠ জুড়ে পাটের পরিচর্যার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষাণ-কৃষাণীরা।

যশোর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক জাহিদুল আমিন জানান,কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে পাট চাষেিদর উদ্বুদ্ধকরণ,পরামর্শ,উঠান বৈঠক,নতুন নতুন জাতের বীজ সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংক পাট চাষে সহজশর্তে কৃষকদের লোন প্রদান করছে। গত কয়েক বছর যাবত পাটের দাম ভালো থাকায় এ অঞ্চলের জেলাগুলোতে পাটের আবাদ দিন দিন বাড়ছে বলে ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৮, ২০২১ ৭:০৫ অপরাহ্ন
বরিশালে বিনা উদ্ভাবিত আমন ধানের ওপর কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে বিনা উদ্ভাবিত ‘উচ্চ ফলনশীল আমন ধানের জাত পরিচিতি, ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং বীজ সংরক্ষণ পদ্ধতি’ শীর্ষক দিনব্যাপী এক কৃৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত।

আজ মঙ্গলবার(৮ জুন) বরিশালের রহমতপুরের বিনার ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিনা) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালী উদ্বোধন করেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম।

তিনি বলেন, দক্ষিণাঞ্চলের শস্যনিবিড়তা বাড়ানো দরকার। যেহেতু বিনা উদ্ভাবিত আমন ধানের উচ্চ ফলনশীল জাত রয়েছে, যার জীবণকাল কম। তাই এসব জাত ব্যবহারের মাধ্যমে এ অঞ্চলে বছরে অন্তত তিনটি ফসল ফলানো সম্ভব।

বিনা উপকেন্দ্র ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোহেল রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিনার মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং কর্মসূচী পরিচালক ড. মো. সিদ্দিকুর রহমান, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলমগীর হোসেন, আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন এবং বিনার মৃত্তিকা বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. হাবিবুর রহমান। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন বিনার বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার।

প্রশিক্ষণে বরিশাল সদর, বাবুগঞ্জ ও উজিরপুর উপজেলার ৭৫ জন কৃষক এবং সংশ্লিষ্ট ৫ জন উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন। প্র্রশিক্ষণ শেষে কৃষকদের মাঝে বিনাধান-১১ ও বিনাধান-১৭ জাতের আমনের বীজ বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৭, ২০২১ ৩:২৭ অপরাহ্ন
মাশরুমের চাষ সম্প্রসারণ করতে প্রকল্প গ্রহণের কাজ চলছে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

মাশরুমের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে ও সারা দেশে মাশরুমের চাষ সম্প্রসারণ করতে প্রকল্প গ্রহণের কাজ চলছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক, এমপি বলেন, দেশে অর্থকরী ফসল মাশরুম চাষের সম্ভাবনা অনেক বেশি। এই সম্ভাবনাকে সর্বোচ্চ কাজে লাগাতে হবে। ইতোমধ্যে মাশরুমের উন্নত জাত ও চাষের প্রযুক্তি উদ্ভাবিত হয়েছে। এখন সারা দেশে দ্রুততার সাথে কৃষক ও উদ্যোক্তা পর্যায়ে সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয় করা প্রয়োজন। সেজন্য, উন্নয়ন প্রকল্প গ্রহণের কাজ চলছে। পাশাপাশি অন্যান্য উদ্যোগও অব্যাহত আছে।কৃষিমন্ত্রী রবিবার সাভারে মাশরুম উন্নয়ন ইনস্টিটিউটে মাশরুম চাষি ও উদ্যোক্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের কৃষিবান্ধব নীতি ও নানান প্রণোদনার ফলে বিগত ১২ বছরে কৃষিতে বিস্ময়কর সাফল্য অর্জিত হয়েছে। দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ। সরকারের এখন লক্ষ্য কৃষিকে বাণিজ্যিকীকরণ ও লাভজনক করা এবং সকলের জন্য পুষ্টিসম্মত খাদ্য নিশ্চিত করা। এক্ষেত্রে মাশরুমের সম্ভাবনা অনেক। এটির চাষ সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয় করতে পারলে তা বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বড় ভূমিকা রাখতে পারবে। দেশে লাখ লাখ শিক্ষিত বেকার যুবক রয়েছে যারা চাকরির জন্য চেষ্টা করছে। তাদেরকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে উদ্যোক্তা করতে পারলে মাশরুমের স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক বাজার তৈরি হবে। অন্যদিকে, মাশরুম অত্যন্ত পুষ্টিগুণ সম্পন্ন হওয়ায় সহজেই মানুষের পুষ্টি চাহিদার অনেকটা পূরণ হবে।
মাশরুম উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের তথ্যানুসারে, মাশরুম উৎপাদন দ্রুত বেড়ে যাচ্ছে। দেশে বর্তমানে প্রায় ৪০ হাজার মেট্রিক টন মাশরুম প্রতি বছর উৎপাদন হচ্ছে যার আর্থিক মূল্য প্রায় ৮০০ কোটি টাকা। প্রায় দেড় লক্ষ মানুষ মাশরুম ও মাশরুমজাত পণ্য উৎপাদন ও বিপণন সংশ্লিষ্ট কাজে যুক্ত হয়েছেন। অন্যদিকে, বিশ্বের অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ প্রায় সব দেশেই মাশরুম আমদানি করে থাকে । বাংলাদেশ থেকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মাশরুম রপ্তানির অনেক সুযোগ রয়েছে।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আসাদুল্লাহ এর সভাপতিত্বে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডা. মো: এনামুর রহমান, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্তি সচিব (সম্প্রসারণ) মো: হাসানুজ্জামান কল্লোল, সাভার উপজেলা চেয়ারম্যান মঞ্জরুল আলম রাজিব, পৌর মেয়র আব্দুল গণি প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এছাড়া, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সারাদেশ থেকে মাশরুম চাষী ও উদ্যোক্তাদের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
‘বাংলাদেশে মাশরুম চাষের প্রয়োজনীয়তা, সুযোগ ও সম্ভাবনা’ শীর্ষক প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন মাশরুম উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের উপ-পরিচালক ফেরদৌস আহমেদ। প্রবন্ধে বলা হয়, বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মাশরুম একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ফসল। একদিকে, মাশরুম একটি পুষ্টিকর, সুস্বাদু ও ঔষধিগুণসম্পন্ন খাবার, অন্যদিকে তা চাষ করার জন্য কোন আবাদী জমির প্রয়োজন হয় না। ঘনবসতিপূর্ণ ও দ্রুত বর্ধনশীল জনসংখ্যার বাংলাদেশে খাবারের চাহিদা বাড়ছে অথচ খাবার যোগান দেয়ার জমি প্রতিবছর কমছে। এই অবস্থায়, অনুৎপাদনশীল ফেলনা জমির স্বল্প পরিমাণ ব্যবহার করেই বিপুল পরিমাণ মাশরুম উৎপাদন করা যায়। তাছাড়া, বাংলাদেশের আবহাওয়া সারাবছর মাশরুম চাষের জন্য উপযোগী। দেশে মাশরুম চাষের উৎপাদন মাধ্যমের (যেমন খড়) পর্যাপ্ততা রয়েছে। মাশরুম চাষ পরিবেশবান্ধব ও প্রাকৃতিক দুর্যোগসহনশীল।
মাশরুম উন্নয়ন ইনস্টিটিউট এ পর্যন্ত বিদেশ থেকে মাশরুমের ১৬২টি জাত দেশে এনেছে এবং সেগুলো দেশে চাষের উপযোগী প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। দেশের পাহাড়ি ও বনাঞ্চল থেকেও ১৪০ টি জাত সংগ্রহ করেছে। এছাড়া, ইনস্টিটিউটে মাননিয়ন্ত্রণ ও মাননিশ্চিত করণে আধুনিক ল্যাব স্থাপন করা হয়েছে। ল্যাবে মাশরুমের পুষ্টি ও ঔষধিগুণসহ ভিটামিন, মিনারেল প্রভৃতি নির্ণয় করা হচ্ছে।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৭, ২০২১ ৯:৪২ পূর্বাহ্ন
লকডাউনে লোকসানে সবজি চাষিরা!
কৃষি বিভাগ

করোনা সংক্রমণে বিপাকে পড়ছেন নরসিংদীর সবজি চাষিরা। এই সময়টাতে বাজাদের সবজির দাম কমে যাওয়ায় তাদের মাঝে বিরাজ করছে হতাশা।

জানা যায়, লকডাউনের কারণে এবং যানবাহন চলাচল সীমিত হওয়ায় নরসিংদী থেকে সবজি এখন বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে স্থানীয় বাজারে এর চাহিদা কমে যাওয়ায় এখন বেচা-কেনা হচ্ছে অনেক কম দামে। আর তাতে কৃষকরা তাদের চাহিদা মোতাবেক সবজি বিক্রি করতে না পেলে ক্ষতির সম্মুখিন হচ্ছেন।

একজন কৃষক জানান, আগে প্রতিদিন নরসিংদী জেলার বিভিন্ন হাটবাজার থেকে শত শত ট্রাকযোগে সবজি সরবরাহ হত। কিন্তু লকডাউনের কারণে এখন ক্রেতা সাধারণরা সবজি নিতে আসছে না। ফলে পাইকারি সবজি বাজার এখন ক্রেতাশূন্য হয়ে পড়েছে। বাধ্য হয়েই কৃষকরা কম দামে স্থানীয় বাজারে সবজি বিক্রি করছে।

কৃষকদের প্রনোদনা না দিলে আগামীতে কেউ সবজি চাষ করতে পারবে না। এ বছর যারা সবজি চাষ করেছে প্রত্যেক কৃষকই লোকসান করেছেন বলে জানান কৃষকরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৬, ২০২১ ৩:৩৭ অপরাহ্ন
মনপুরায় দুই দিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

মনপুরা জেলার মনপুরা উপজেলায় কৃষক-কৃষাণীদের দুই দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।

শনিবার(৫ মে) সকাল ১০টায় উদ্বোধন করা হয়।

অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙ্গীণায় পারিবারিক পুষ্টিবাগান স্থাপন প্রকল্পের আওতায় মনপুরা ডাক বাংলোর হলরুমে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু মো: এনায়েতউল্লাহ। অনুষ্ঠানে উপজেলার ৩০ জন কৃষক-কৃষাণী অংশ্রহণ করেন।

এখানে প্রধান অতিথি বলেন, এ প্রকল্পের আওতায় উপজেলার ৪টি ইউনিয়নে ১০০ জন করে মোট ৪০০ কৃষককে পর্যায়ক্রমে প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হবে। প্রত্যেক কৃষককে ৩ বছরের জন্য বাড়ির পাশের দেড় শতাংশ জমিতে সবজি বাগান প্রদর্শনীর জন্য বীজ, সারসহ সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হবে। মনপুরার মাটি অত্যন্ত উর্বর। তাই বাড়ির পাশের সকল অনাবাদি পতিত জমি কাজে লাগানোই তাদের মূূল উদ্দেশ্য বলে জানান তিনি।

উপজেলা কৃষি অফিসের আয়োজনে উপজেলা কৃষি অফিসার আকাশ বৈরাগীর সভাপতিত্বে আরো বক্তব্য রাখেন , উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো: আসাদুজ্জামান, জেলা কার্যালয়ের উপ-সহকারী উদ্বিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো: হুমায়ুন কবির, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন প্রমূখ।

পরে উপজেলা কৃষি অফিসের হলরুমে বরিশাল, পটুয়াখালী, ভোলা, ঝালকাঠী, বরগুনা, মাদারীপুর ও শরিয়তপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় খরিপ-১, ২০২০-২১ ৩০ জন কৃষক-কৃষাণীর প্রশিক্ষণের উদ্বোধন করেন কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক আবু মো: এনায়েতউল্লাহ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৪, ২০২১ ৯:৪৬ অপরাহ্ন
হাটহাজারীতে কৃষিতে উপকারী নভেল বেসিলাসের উপর জাতীয় সেমিনার অনুষ্ঠিত
কৃষি গবেষনা

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু।। ব্যাক্টেরিয়ার নাম শুনলেই মানুষ আগে ভয় পেতো, এখন আর ভয় নয়, বন্ধু হিসেবে বেসিলাস ব্যাক্টেরিয়াকে গ্রহণ করা যাবে, আর মানুষের সাথে যার মিল সবচেয়ে বেশি। মিলের সাদৃশ্যকে বিবেচনায় এনে প্রকৃতি হতে শতকরা ৭৬ ভাগ উপকারি ব্যাক্টেরিয়া সংগ্রহ করা যাবে উদ্ভাবনীয় প্রযুক্তির মাধ্যমে।

কৃষিতে উপকারী নভেল বেসিলাস ব্যাক্টেরিয়ার ব্যবহার ও প্রয়োগোত্তর ফলাফল নিয়ে শুক্রবার (৪ জুন)চট্রগ্রামের হাটহাজারিতে এক ব্যতিক্রম ধরণের জাতীয় সেমিনারে এমনটিই জানালেন প্রধান গবেষক ড. মুহাম্মদ তোফাজ্জল হোসেন।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ড. খলিলুর রহমান ভূইয়া, এর সভাপতিত্বে সেমিনারের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর পরিচালক (প্রশশিক্ষণ ও যোগাযোগ) ড. মুহাম্মদ সামসুল আলম।

পরে মেমিনারের কারিগরি সেশনে প্রধান আলোচক হিসাবে র্ভাচুয়ালী যোগ দেন দিয়ে গুরুত্বর্পূন বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর মহাপরিচালক ড. মো. নাজিরুল ইসলাম।

মহাপরিচালক ড.মো.নাজিরুল ইসলাম বলেন, নভেল বেসিলাস এর প্রয়োগ একটি নতুন বিষয় যার উপর ইতোমধ্যেই কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট অনেকটা পথ এগিয়েছে।

আরো জোড়ালো গবেষণার মাধ্যমে নয়া এই পরিবেশ বান্ধব উপকারী ব্যাক্টেরিয়ার উপর জোর দিতে হবে। সারা দেশ ব্যাপী এই প্রযুক্তি কৃষকের কাছে সহজ ভাবে পৌছে দিতে হবে। উপসচিব নাসিমা খনম গবেষণাটি খরা, বন্যা এলাকাতেও ছড়িয়ে দেবার আহবান জানান।

আরও আলোচনা করেন কৃষি সম্প্রসারণের চট্টগ্রামের অতিরিক্ত পরিচালক মো. মঞ্জরুল হুদা, মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, ড. খলিলুর রহমান ভূইয়া, ড. মো. আবু হেনা ছরোয়ার জাহান ,প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ইকবাল ফারুক, উপসচিব নাসিমা খানম প্রমুখ।

প্রকল্পের প্রধান গবেষক ও উর্ধবতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং কর্মসুচি পরিচালক ড.মু. তোফাজ্জল হোসেন রনি মুল বিষয়বস্তু তুলে ধরেন। সেমিনারের সেশন চেয়ারম্যান ড. সামসুল আলম বলেন, কৃষিতে উপকারী বেসিলাস এর ব্যবহার কৃষি বন্ধব যা একটি ভাল উদ্যোগ। উন্নত দেশের ন্যায় আমরা এখন তা শুরু করেছি। মুলত ব্যাক্টেরিয়াগুলো শক্তিশালি পেপ্টাইডোগ্লাইকোন এর মাধ্যমে প্রতিকুল অবস্থায় গাছকে খাদ্যরস গ্রহণে সহয়তা করে শক্তিশালি করে এবং এন্টাগনাস্টিক হিসেবে কাজ করে যার ফলে জীবাণুরা অবস্থান করতে পারেনা।

ফলে,গাছ আর ঢলে পড়ে না। প্রধান গবেষক ড. হোসেন বলেন, ব্যাক্টেরিয়ার সাথে প্রাণীকুলের মধ্যে মানুষের সাথে সবচেয়ে বেশি মিল যা শতকরা ৩৭ ভাগ যেখানে বানরের সাথে মাত্র ৬ ভাগ। সুতরাং বন্ধুপ্রিয় মিলের সাদৃশ্যকে কেন্দ্র করে অঞ্চল ভিত্তিক এই গবেষণার কার্যক্রম আরো বাড়াতে হবে। উপকারি ব্যাক্টেরিয়া ব্যাহার করে বেগুনের ঢ্লে পড়া রোগ দমন করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, দেশে বড় আকারে বায়ো-সেন্টার করে এ ধরনের কাজকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। এর ফলেই ব্যাক্টেরিয়ার উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব হবে। ব্যাক্টেরিয়ার জীবন ব্যবস্থাপনা, সংরক্ষণ, কালচার, নামকরণ এবং কৃষিতে উপকারী বেসিলাস এর ব্যবহার প্রয়োগ এবং ঢলে পড়া রোগ দমন ব্যবস্থাপনা নিয়ে সেমিনারে আলোচনা করা হয়।

পরে কারিগরি সেশন চেয়ারম্যান আগুন্তক গবেষক, সসম্প্রসারণ কর্মকর্তাদের মাঝে ব্যাক্টেরিয়াল পণ্য হস্তান্তর করেন। সেমিনারে বিজ্ঞানী,কৃষক,সরকারি-বেসরকারী প্রতিনিধি,গণমাধ্যম কর্মি ও আমন্ত্রিত অতিথিগণ অংশ নেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২, ২০২১ ৮:৪৬ অপরাহ্ন
বরিশাল অঞ্চলে কৃষিকথার সর্বোচ্চ গ্রাহক করায় কৃষি কর্মকর্তাদের ধন্যবাদপত্র প্রদান
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): মাসিক কৃষিকথা পত্রিকার সর্বোচ্চ গ্রাহক দেওয়ার জন্য বরিশাল অঞ্চলের ৪ জন উপজেলা কৃষি অফিসারকে ধন্যবাদপত্র প্রদান করা হয়।

ধন্যবাদ পাওয়া অফিসাররা হলেন, ঝালকাঠি সদরের মো. রিফাত সিকদার, নলছিটির ইসরাত জাহান মিলি, ভোলা সদরের মুহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন এবং লালমোহনের এ এফ এম শাহাবুদ্দিন।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের উদ্যোগে ৩১ মে বরিশালের খামারবাড়িতে এ উপলক্ষে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এতে অন্যান্যের মধ্যে উপস্তিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক ড. মো. আলমগীর হোসেন, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রফি উদ্দিন, ডিএই পিরোজপুরের উপপরিচালক চিন্ময় রায়, বরিশালের উপপরিচালক হৃদয়েশ^র দত্ত, ঝালকাঠির উপপরিচালক মো. ফজলুল হক, বরগুনার উপপরিচালক আব্দুর রশিদ, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের যুগ্ম পরিচালক ড. একেএম মিজানুর রহমান, ঝালকাঠির জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. মনিরুল ইসলাম, পটুয়াখালীর জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. খায়রুল ইসলাম মল্লিক, ভোলার জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. রাশেদ হাসনাত, আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন প্রমুখ।

উল্লেখ্য, কৃষিকথা কৃষি বিষয়ক মাসিক পত্রিকা। ৮০ বছর ধরে নিয়মিত প্রকাশিত হচ্ছে। দেশের সেরা কৃষিবিদদের লেখা এ পত্রিকায় স্থান পায়। বর্তমানে গ্রাহক সংখ্যা প্রায় ৭০ হাজার। যেহেতু সরকারি পত্রিকা, তাই ভর্তূকি দিয়ে কৃষকদের সরবরাহ করা হয়। ডাকমাশুলসহ বছরে খরচ ৫০ টাকা। এজেন্ট হলে আরো কম। মাত্র ৪২ টাকা। ২০টি পত্রিকা হলেই এজেন্ট হওয়া যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২, ২০২১ ১২:৫০ পূর্বাহ্ন
ফুলবাড়ীতে পাটের বাম্পার ফলনে কৃষকের মুখে হাসি
কৃষি বিভাগ

চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রাম জেলার ফুলবাড়ীতে পাটের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দেওয়ায় পাট চাষিদের মূখে ফুটেছে আনন্দের হাসি।

জানা যায়, পাটের বাজার মূল্য ভাল পাওয়ায় কৃষকরা ব্যাপক হারে এ বছর পাট চাষ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গত বছরের চেয়ে পাটের বাম্পার ফলনের আশা করছেন এবং এবারও ভালো দামের স্বপ্ন দেখছেন প্রান্তিক চাষিরা।

বিলুপ্ত ছিটমহল দাসিয়ারছড়ার পাট চাষি মিজানুর রহমান জানান, ‘এবছর প্রায় ৬ বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছি। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় এ বছর পাটের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। আশা করছি এবছরও পাটের ভালো দাম পাবো।’

নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের কৃষক মন্ডল মিয়া জানান, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগিতায় এবছর আড়াই বিঘা জমিতে পাট চাষ করেছেন। পাট চাষে খরচ একটু বেশি হলেও সে তুলনায় লাভ অনেক বেশি।এবার পাটের ফলন ভালই দেখা যাচ্ছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুর রশিদ জানান, এ বছর উপজেলা কৃষি বিভাগ ৭৪৫ হেক্টর জমিতে পাট চাষের লক্ষ্য মাত্রা নির্ধারণ করা হলেও মাঠ পর্যায়ে দেখা গেছে এ বছর উপজেলার ৬ টি ইউনিয়নে প্রায় ১ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ করেছেন প্রান্তিক চাষিরা।

পরিবেশবান্ধব পাটের মোড়কসহ বিভিন্ন কাছে ব্যবহার বেড়ে যাওয়া ও বাজার মূল্য ভালো পাওয়ায় পাট চাষের ঝুঁকছেন কৃষক। আবহাওয়া অনুক’ল থাকায় এবছরও পাটের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। আশা করি কৃষকরা তাদের উৎপাদিত স্বপ্নের সোনালী ফসল ঘরে তুলতে পারবে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১, ২০২১ ১১:২২ পূর্বাহ্ন
জৈব বালাই নাশক ব্যবহারে অধিক পান উৎপাদন করছেন চাষিরা
কৃষি বিভাগ

কুষ্টিয়ার পান চাষিরা জৈব বালাই নাশক ব্যবহার করে ব্যাপক সাফল্য লাভ করছেন। আর এই পদ্ধতিতে পান চাষ করে অধিক পান উৎপাদন করাও সম্ভব। আর এতে করে দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও রপ্তানি করা যাচ্ছে এই পান।

জানা যায়, কুষ্টিয়া জেলা বরাবরই পান চাষের জন্য প্রসিদ্ধ। বিশেষ করে জেলার সদর, দৌলতপুর ও ভেড়ামারা উপজেলায় ব্যাপক জমিতে এ অর্থকরী ফসলের আবাদ হয় বহু বছর ধরে। এ ফসলের রোগ বালাইও কম নয়। এতদিন চাষিরা প্রচলিত কীটনাশক ব্যবহার করে বালাই দমন করে আসছিল। এ পান অনেক সময় মানবদেহের জন্য ক্ষতির কারণ হযে দাঁড়াত। এর থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট (বারি) কুষ্টিয়া অফিস সরেজমিন গবেষণা বিভাগ জৈব বালাইনাশক পদ্ধতি উদ্ভাবন করে। এ পদ্ধতি ব্যবহার করে ভালো ফলন পাচ্ছেন পান চাষিরা। দেশের বাজারের পাশাপাশি বিদেশেও বিষমুক্ত এ পানের চাহিদা বেড়েছে।

বারি কুষ্টিয়া অফিসের সরেজমিন গবেষণা বিভাগের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. জাহান আল মাহমুদ জানান, পান বৃহত্তর কুষ্টিয়া তথা মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার অন্যতম একটি অর্থকারি ফসল। পান চাষের প্রধান সমস্যা কয়েকটি রোগ যেমন, কান্ড পচা, পাতায় কালো দাগ, লিফ ব্লাইট ইত্যাদি।

এছাড়া কিছু পোকা মাকড়েরও আক্রমণ হয়ে থাকে। কৃষক এসব দমনের জন্য বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক ব্যাবহার করে থাকে। পান যেহেতু মানুষ সরাসরি খায় সেহেতু এ অবস্থায় খাওয়া শরীরের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। তারা ৩ বছর আগে নিরাপদ উপায়ে পান চাষের উপর গবেষণা কার্যক্রম হাতে নেন বলে জানান তিনি।

প্রকল্প পরিচালক ড. দেবাশীষ সরকার জানান, দেশের চাহিদা মিটিয়ে এ অঞ্চলের পান দেশের বাইরেও যায়। তবে বালাই দমনে কীটনাশক ব্যবহারের কারণে অনেক সময় বিদেশিরা এখানকার পান নিতে অনীহা দেখাত। তবে বর্তমানে কীটনাশকের পরিবর্তে জৈব বালাই নাশক ব্যবহারের ফলে সেই জটিলতা কেটে গেছে। এখন বিদেশে এখানকার পানের চাহিদা বেড়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৩১, ২০২১ ১০:৩৫ অপরাহ্ন
বরিশালে ফসল উৎপাদনে টেকসই কৃষি তথ্যের ভূমিকা শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে কৃষি তথ্য সার্ভিস আয়োজিত ফসল উৎপাদনে টেকসই কৃষি তথ্যের ভূমিকা শীর্ষক দিনব্যাপী এক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সোমবার(৩০ মে) বরিশালের খামারবাড়িতে অনুষ্ঠিত হওয়া অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম।

অনুষ্ঠানে গেস্ট অব অনার ছিলেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক ড. মো. আলমগীর হোসেন এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রফি উদ্দিন। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনা করেন পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষি সম্প্রসারণ ও গ্রামীণ উন্নয়ন বিভাগের প্রফেসর ড. মো. মামুন-উর-রশিদ।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর পিরোজপুরের উপপরিচালক চিন্ময় রায়, বরিশালের উপপরিচালক হৃদয়েশ্বর দত্ত, ঝালকাঠির উপপরিচালক মো. ফজলুল হক, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের যুগ্ম পরিচালক ড. একেএম মিজানুর রহমান, ঝালকাঠির জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. মনিরুল ইসলাম, পটুয়াখালীর জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. খায়রুল ইসলাম মল্লিক, ভোলার জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. রাশেদ হাসনাত, আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন বরগুনার অতিরিক্ত উপপরিচালক এস এম বদরুল আলম, বরিশালের অতিরিক্ত উপপরিচালক সাবিনা ইয়াসমিন, ভোলা সদরের উপজেলা কৃষি অফিসার মুহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন, লালমোহনের উপজেলা কৃষি অফিসার এএফএম শাহাবুদ্দিন প্রমুখ।

সভাপতি বলেন, মাঠের প্রত্যেকটি ফসলের জাত সম্পর্কে তথ্য থাকা চাই। কৃষকের কাছ থেকে সঠিক সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধান করতে হবে। জলবায়ু পরিবর্তনের সাথে খাপখাইয়ে ফসলের উন্নত জাত উদ্ভাবন করা দরকার। আর তা চাষিদের দোরগোড়ায় পৌঁছানো জরুরি। এসবের মাধ্যমে ফসল উৎপাদন টেকসই হবে। অনুষ্ঠানে কৃষি সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৪৫ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop