৪:২৭ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ৩ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুন ১৪, ২০২১ ৮:৪৬ অপরাহ্ন
কৃষি যান্ত্রিকীকরণের সুফল পাওয়া যাচ্ছে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কৃষিকাজে যন্ত্রের ব্যবহার বাড়িয়ে কৃষিকে আধুনিক ও লাভজনক করতে নিরলস কাজ করছে। কৃষি যান্ত্রিকীকরণে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে নেয়া হয়েছে ৩ হাজার ২০ কোটি টাকার প্রকল্প। পাশাপাশি কৃষি যান্ত্রিকীকরণ ত্বরান্বিত করতে দক্ষ জনবল তৈরিতে ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে কৃষি প্রকৌশলীর ২৮৪টি পদ সৃজন করা হয়েছে। ফলে, কৃষি যান্ত্রিকীকরণের দিকে যাচ্ছে ও যান্ত্রিকীকরণের সুফল পাওয়া যাচ্ছে। এ বছরে বোরোতে ধান কাটার যন্ত্র কম্বাইন হারভেস্টার, রিপার বেশি ব্যবহৃত হওয়ায় দ্রুততার সাথে সফলভাবে ধান ঘরে তোলা সম্ভব হয়েছে।
কৃষিমন্ত্রী সোমবার রাজধানীর খামারবাড়িতে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন (কেআইবি) মিলনায়তনে ‘সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের’ জাতীয় কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘কৃষি যান্ত্রিকীকরণ’ প্রকল্পের মাধ্যমে অঞ্চলভেদে ৫০%- ৭০% ভর্তুকিতে কৃষকদেরকে কৃষিযন্ত্র দেয়া হচ্ছে। এটি সারা বিশ্বের একটি বিরল ঘটনা। এ প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষিতে নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। এর মাধ্যমে ফসল উৎপাদনে সময় ও শ্রম খরচ কমবে। কৃষক লাভবান হবে। বাংলাদেশের কৃষিও শিল্পোন্নত দেশের কৃষির মতো উন্নত ও আধুনিক হবে।
কৃষিযন্ত্রের প্রাপ্তি, ক্রয়, ব্যবহার ও মেরামত সহজতর করতে অত্যন্ত গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, আমরা পর্যায়ক্রমে স্থানীয়ভাবে কৃষিযন্ত্র তৈরি করতে চাই। বর্তমানে বেশির ভাগ যন্ত্রপাতি বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। তা আমরা কমিয়ে আনতে চাই। ইতিমধ্যে আমরা ইয়ানমার, টাটাসহ অনেক কোম্পানির সাথে কথা বলেছি, তাদেরকে অনুরোধ করেছি যাতে তারা বাংলাদেশে কৃষিযন্ত্র তৈরির কারখানা স্থাপন করে। তিনি বলেন, যন্ত্র সরবরাহকারীদেরকে যন্ত্রের মেইনটেন্যান্সে সহায়তা ও বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে হবে। এছাড়া, কৃষকদের জন্য প্রশিক্ষণে জোর দেয়া হচ্ছে- যাতে তারা নিজেরাই যন্ত্র চালনা ও মেরামত করতে পারে।
এ সময় কৃষিযন্ত্র প্রস্তুতকারী, নির্মাতা ও আমদানিকারকদের দেশে কৃষিযন্ত্র তৈরিতে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মন্ত্রী।
ভর্তুকি পাওয়ার পরও যাতে কৃষক কৃষিযন্ত্র কিনতে পারে, সেজন্য কৃষককে ঋণ দেয়ার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছেও বলে জানান কৃষিমন্ত্রী।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম বলেন, কৃষিতে যন্ত্রের ব্যবহারের মাধ্যমে কৃষক লাভবান হওয়ার পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে কর্মসংস্থান তৈরি হবে। একই সাথে, ফসলের নিবিড়তা বাড়বে ও সমলয়ে চাষ ত্বরান্বিত হবে। সময় বাঁচার ফলে আলাদা একটা ফসল করা যাবে। এর ফলে কৃষিতে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। কৃষি দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাবে ও কৃষিপণ্যের রপ্তানি বাড়বে। কৃষির ওপর ভিত্তি করে উন্নত বাংলাদেশ হবে।
উল্লেখ্য, ৩ হাজার ২০ কোটি টাকার ‘কৃষি যান্ত্রিকীকরণ’ প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২০-২১ অর্থবছর থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ৫২ হাজার কৃষি যন্ত্রপাতি সারাদেশে ৫০% ও হাওর-উপকূলীয় এলাকায় ৭০% ভর্তুকিতে কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হবে। চলমান ২০২০-২১ অর্থবছরে এ প্রকল্পের অধীনে বরাদ্দপ্রাপ্ত ২০৮ কোটি টাকার মাধ্যমে সারা দেশে ১৭৬২টি কম্বাইন হারভেস্টার, ৩৭৯টি রিপার, ৩৪টি রাইস ট্রান্সপ্লান্টারসহ প্রায় ২ হাজার ৩০০টি বিভিন্ন ধরণের কৃষিযন্ত্র কৃষকের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে। আগামী অর্থবছরে এ প্রকল্পে বরাদ্দ রয়েছে ৬৮০ কোটি টাকা।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আসাদুল্লাহর সভাপতিত্বে কর্মশালায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) মো: হাসানুজ্জামান কল্লোল, অতিরিক্ত সচিব ওয়াহিদা আক্তার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মো: হামিদুর রহমান, বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মো: বখতিয়ার, ব্রির মহাপরিচালক ড. শাহজাহান কবীর প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। প্রকল্পের কার্যক্রম তুলে ধরেন প্রকল্প পরিচালক বেনজীর আলম। এসময়, কৃষিযন্ত্র প্রস্তুতকারী-সরবরাহকারীদের প্রতিনিধিবৃন্দ, সুবিধাভোগী কৃষক এবং সারা দেশের প্রায় ৫ শতাধিক কৃষি কর্মকর্তা, কৃষি প্রকৌশলী ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৪, ২০২১ ১:১৯ অপরাহ্ন
বারোমাসি তরমুজ ও সবজি চাষে স্বাবলম্বী দিনাজপুরে নারীরা
কৃষি বিভাগ

দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের আদিবাসী অনেক নারী পরিবেশ বান্ধব কৌশলের মাধ্যমে বছরব্যাপী বিষমুক্ত ও নিরাপদ বারোমাসি তরমুজ ও সবজি চাষ করে হচ্ছেন স্বাবলম্বী। চলতি বছরে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার একটি পৌরসভা ও ৪টি ইউনিয়নে ১০০ জন আদিবাসী নারী কৃষক ১ হেক্টর জমিতে তৃপ্তি ও মধুমালা জাতের বারোমাসি তরমুজ এবং ৩ হেক্টর জমিতে বিষমুক্ত সবজি চাষ করছেন।

জানা যায়, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ, ঘোড়াঘাট এপির বাস্তবায়নে ইনোভেশন প্রকল্পের আওতায় ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি অফিসের প্রযুক্তিগত কারিগরি সহযোগিতায় আদিবাসী নারীরা এসব ফসল ও তরমুজ চাষ করেন।

জানা যায়, মাটিতে মালচিং পেপারের নিচে রোপণ করা বীজ থেকে চারা উঠে দু’পাশে দেওয়া বাঁশের তৈরি মাচার উপরে বড় হয়েছে গাছ। গাছে ঝুলছে তৃপ্তি ও মধুমালা জাতের তরমুজ। তরমুজগুলো যাতে ছিঁড়ে না পড়ে এজন্য ব্যবহার করা হয়েছে এক প্রকার নেটের ব্যাগ। মধুমালা জাতের তরমুজ হয় এক থেকে দেড় কেজি আর তৃপ্তি জাতের তরমুজ দুই থেকে তিন কেজি। বাজারে প্রতি কেজি তরমুজ ৬০ টাকা দরে বর্তমানে বিক্রি হচ্ছে। এসব তরমুজ অসময়ে পাওয়ার ফলে দামও বেশি পাওয়া যায়।

পরিবেশ বান্ধব বিভিন্ন কৌশল যেমন-ফাঁদ পদ্ধতি ও জৈব বালাই নাশক ব্যবহার করে রাসায়নিক কীটনাশকের ব্যবহার ছাড়াই প্রদর্শনীগুলোতে উৎপাদন করছে বারোমাসি তরমুজ ও বিভিন্ন জাতের বেগুন, পটল, লাউ, ঝিঙা ও শসাসহ নানা রকমের সবজি। কৃষকরা নিরাপদ সবজি উৎপাদনে ব্যবহার করছেন ফেরোমন ফাঁদ, নিম পাতা ও বিষ কাটালের রস।

ঘোড়াঘাট উপজেলা কৃষি অফিসার মো. এখলাছ হোসেন সরকার জানান, প্রান্তিক আদিবাসী নারী কৃষকরা তাদের বসত ভিটার ছোট জায়গায় বিষমুক্ত নিরাপদ ফসল ও বারোমাসি তরমুজ চাষ করে আর্থিকভাবে বাড়তি আয় করতে পারে সেজন্য তাদের প্রশিক্ষণ ও সকল ধরনের কারিগরি সহযোগিতা দিয়েছি।

ঘোড়াঘাট উপজেলার সিংড়া ইউপির শীধলগ্রামের কৃষাণী সুচিত্রা মাহাতো জানান, ওয়ার্ল্ড ভিশন এবং কৃষি অফিসের সহযোগিতায় সবজি ও তরমুজের চাষ করেছি। বিষমুক্ত হওয়ায় স্থানীয়ভাবে চাহিদা থাকায় এই তরমুজ চাষ করে ব্যাপক লাভবান হচ্ছি। ওয়াল্ড ভিশন বীজ, কাগজ ও সার দিয়ে সহযোগিতা করেন।

ঘোড়াঘাট ওয়ার্ল্ড ভিশনের ম্যানেজার রোলেন্ড গোমেজ জানান, এই এলাকায় শিশুরা যাতে ভবিষ্যতে নিরাপদ খাদ্য পায় এবং কৃষকেরা যাতে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয় সেই লক্ষ্যে নারীদের নেতৃত্বে ইনোভেশন প্রকল্পের আওতায় তাদের নিয়ে কাজ করে যাচ্ছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৪, ২০২১ ৮:৫৯ পূর্বাহ্ন
ভোলায় ৯৯ হাজার ৪৯০ হেক্টর জমিতে আউশ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
কৃষি বিভাগ

ভোলা জেলায় চলতি মৌসুমে ৯৯ হাজার ৪৯০ হেক্টর জমিতে আউশ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।এর মধ্যে উফশী ৮৩ হাজার ৫২০ ও স্থানীয় জাত ১৫ হাজার ৯৭০ হেক্টর। ইতোমধ্যে প্রায় ৭৮ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। মে মাসের মাঝামাঝি থেকে আবাদ শুরু হয়ে চলতি সপ্তাহ পর্যন্ত চলবে। নির্ধারিত জমি থেকে ২ লক্ষ ৪০ হাজার ৯২৭ মে:টন চাল উৎপাদনের টার্গেট গ্রহণ করা হয়েছে।

উপ-সহকারী উদ্বিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো: হুমায়ুন কবির জানান, বাংলাদেশে আউশ ধান আবাদে ভোলা প্রথম স্থানে রয়েছে। প্রতি বছরই এ জেলায় আউশের আবাদি জমির পরিমান বাড়ছে। এবছর হেক্টর প্রতি উফশীতে চাল উৎপাদন ধরা হয়েছে ২ শমিক ৬ মে:টন ও স্থানীয়তে ১ দশমিক ৪ মে:টন করে। শুরুর দিকে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় আউশ আবাদে বিলম্ব হয়েছে। কিন্তু গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণে মাটি নরম হওয়াতে এখন আবাদ কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।

কৃষি কর্মকর্তারা জানান, আউশ আবাদে কৃষকদের উৎসাহিত করতে জেলায় ১৫ হাজার ৮০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে উন্নত বীজ এবং সার বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। খরিপ-১/২০২১-২০২২ মৌসুমে প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় সরকারিভাবে ১২ হাজার কৃষকের প্রত্যেককে ৫ কেজি উচ্চফলনশীল জাতের বীজ, ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার প্রদান করা হয়েছে।

এছাড়া ৩ হাজার ৮০০ কৃষককে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইন্সটিটিউটের বীজ সহায়তা কর্মসূচির আওতায় ৫ কেজি করে বীজ দেওয়া হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু মো: এনায়েতউল্লাহ জানান, বৈশ্বিক মহামারি করোনা’র প্রভাবে যাতে দেশে খাদ্য সংকট সৃষ্টি না হয় সে কারণে এবার আবাদি জমির পরিমান বৃদ্ধি করা হচ্ছে। গত বছর আউশ আবাদ হয়েছে ৯৮ হাজার ৭৫৫ হেক্টা জমিতে। এ বছর আশা করা হচ্ছে আবাদ আরো বাড়বে।

তিনি জানান আগষ্টের শেষের দিকে কৃষকরা ফসল ঘরে তুলবেন। আমাদের মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা কৃষকদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে। চারা রোপণ, সুসম মাত্রায় সার প্রয়োগসহ সব ধরনের পরামর্শ কৃষকদের দেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৩, ২০২১ ৮:১৫ পূর্বাহ্ন
মাটি ছাড়া চাষ পদ্ধতি উদ্ভাবন
কৃষি গবেষনা

মাটি বিহীন হাইড্রোপনিক সবজি চাষ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন জামালপুর আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র। সম্প্রতি কৃষি গবেষণার বিজ্ঞানীরা এ পদ্ধতি উদ্ভাবন করেন। এতে কমবে চাষাবাদের খরচ, পাবে জিংক সমৃদ্ধি পুষ্টিকর খাদ্য। বাড়বে কৃষি উদ্যোক্তা, সৃষ্টি হবে বাজার, ফলে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে বড় ধরনের ভূমিকা রাখবে হাইড্রোপনিক পদ্ধতি। এই পদ্ধতিতে ১৪ ধরনের সবজি চাষ করা যায়।

হাইড্রোপনিক বা মাটি বিহীন এই পদ্ধতিতে সারা বছরে চাষ করা যায়। এটি মূলত নারিকেলের ছোবরা বিভিন্ন টবের মধ্য রেখে, চারা বপন করে নিউট্রেশন নিয়মিত নলের সাহায্যে প্রতিটি চারার গোড়ায় খাদ্য সরবরাহ করে থাকে। এতে পুষ্টিকর সবজি উৎপাদন করতে সাহায্য করে।

এখানে মূলত মোবাইলের অ্যাপসের মাধ্যমে গাছের সকল আন্ত:পরিচর্যার কাজ নিয়ন্ত্রণ করে থাকে। তাই পরিচর্যার জন্য বাড়তি কোন লোকবল প্রয়োজন হয় না। ফলে চাষের জন্য বাড়তি খরচের সুযোগ নেই। এই হাড্রোপনিক চাষ বাড়ীর ছাদে, পাহাড়ে অথবা যেসব এলাকায় পানির অভাব সেখানে চাষ করা যায়। নেট হাউজে অ্যাপস ভিত্তিক হাইড্রোপনিক কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই চাষ করা সম্ভব। বাগানের তাপমাত্রার আর্দ্রতা বেড়ে গেল সেখানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বৃষ্টি দিয়ে ঠাণ্ডা করে দিবে। গাছে কোন সমস্যা বা খাবার প্রয়োজন হলে মোবাইল ফোনে বার্তা পাঠাবে। মোবাইল অ্যাপস সাথে সাথে সেটি সমাধান করে দিবে। বাগানে না এসেও এই পদ্ধতিতে চাষ করা যায়।

বাগানে সব সময় অ্যাপসটি নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে পরিচর্যা করায় সবজি, ফল খুব সুস্বাদু হয় এবং বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। হাইড্রোপনিক চাষের সকল ডিভাইস, বুকলেট, প্রয়োজনে প্রশিক্ষণ দিবে জামালপুর আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্র।

উদ্ভাবক বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. খায়রুল মাজেদ জানান, অল্প খরচে এই পদ্ধতিতে চাষ করে অধিক লাভ করা যায়। হাইড্রোপনিক চাষের খাদ্য নিরাপদের কারনে বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। বিশেষ করে করোনা কালীন সময় শিশুদের জন্য বাড়তি জিংক সমৃদ্ধি সবজি পেতে মানুষের আগ্রহ বেশি থাকে।

জামালপুর আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মঞ্জুরুল কাদির জানান, হাইড্রোপনিক পদ্ধতিতে অল্প জায়গাতে চাষ করা যায়, এখানে কীটনাশকের পরিমাণ ও পোকার আক্রমণ কম থাকে। এই চাষ পদ্ধতিকে প্রান্তিক পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য আমরা বিভিন্ন উদ্যোগ হাতে নিয়েছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৩, ২০২১ ৮:০৪ পূর্বাহ্ন
জৈব বালাই নাশক ব্যবহারে অধিক লাভ করছেন পান চাষিরা
কৃষি বিভাগ

কুষ্টিয়ার পান চাষিরা জৈব বালাই নাশক ব্যবহার করে ব্যাপক সাফল্য লাভ করছেন। আর এই পদ্ধতিতে পান চাষ করে অধিক পান উৎপাদন করাও সম্ভব। আর এতে করে দেশের চাহিদা পূরণ করে বিদেশেও রপ্তানি করা যাচ্ছে এই পান।

জানা যায়, কুষ্টিয়া জেলা বরাবরই পান চাষের জন্য প্রসিদ্ধ। বিশেষ করে জেলার সদর, দৌলতপুর ও ভেড়ামারা উপজেলায় ব্যাপক জমিতে এ অর্থকরী ফসলের আবাদ হয় বহু বছর ধরে। এ ফসলের রোগ বালাইও কম নয়। এতদিন চাষিরা প্রচলিত কীটনাশক ব্যবহার করে বালাই দমন করে আসছিল। এ পান অনেক সময় মানবদেহের জন্য ক্ষতির কারণ হযে দাঁড়াত। এর থেকে উত্তরণের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট (বারি) কুষ্টিয়া অফিস সরেজমিন গবেষণা বিভাগ জৈব বালাইনাশক পদ্ধতি উদ্ভাবন করে। এ পদ্ধতি ব্যবহার করে ভালো ফলন পাচ্ছেন পান চাষিরা। দেশের বাজারের পাশাপাশি বিদেশেও বিষমুক্ত এ পানের চাহিদা বেড়েছে।

বারি কুষ্টিয়া অফিসের সরেজমিন গবেষণা বিভাগের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. জাহান আল মাহমুদ জানান, পান বৃহত্তর কুষ্টিয়া তথা মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা ও কুষ্টিয়া জেলার অন্যতম একটি অর্থকারি ফসল। পান চাষের প্রধান সমস্যা কয়েকটি রোগ যেমন, কান্ড পচা, পাতায় কালো দাগ, লিফ ব্লাইট ইত্যাদি।

এছাড়া কিছু পোকা মাকড়েরও আক্রমণ হয়ে থাকে। কৃষক এসব দমনের জন্য বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক ব্যাবহার করে থাকে। পান যেহেতু মানুষ সরাসরি খায় সেহেতু এ অবস্থায় খাওয়া শরীরের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। তারা ৩ বছর আগে নিরাপদ উপায়ে পান চাষের উপর গবেষণা কার্যক্রম হাতে নেন বলে জানান তিনি।

প্রকল্প পরিচালক ড. দেবাশীষ সরকার জানান, দেশের চাহিদা মিটিয়ে এ অঞ্চলের পান দেশের বাইরেও যায়। তবে বালাই দমনে কীটনাশক ব্যবহারের কারণে অনেক সময় বিদেশিরা এখানকার পান নিতে অনীহা দেখাত। তবে বর্তমানে কীটনাশকের পরিবর্তে জৈব বালাই নাশক ব্যবহারের ফলে সেই জটিলতা কেটে গেছে। এখন বিদেশে এখানকার পানের চাহিদা বেড়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১২, ২০২১ ৯:১৬ অপরাহ্ন
ইটভাটার বিষাক্ত ধোঁয়ায় ঝলসে গেছে কৃষকের স্বপ্ন
কৃষি বিভাগ

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার চান্দহর ও জামির্ত্তা ইউনিয়নে তিন ফসলি জমিকে এক ফসলি দেখিয়ে দেয়া হয়েছে ইটভাটার অনুমোদন। আর এতে করে ইটভাটার বিষাক্ত ধোঁয়ায় ঝলসে গেছে শত শত একর সোনালী ধান।তিন ফসলি জমিতে স্থাপিত ইটভাটা বন্ধের দাবিতে মানববন্ধন করে প্রতিবাদ সভাও করেছেন কৃষক। কিন্তু তাতে কোনে কাজ হয়নি। বন্ধ হয়নি ইটভাটা।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক যাচাইবাছাইয়ে অনেকের নাম বাদ দিয়ে তালিকা তৈরি, ক্ষতিপূরণ কম দেওয়া এবং তালিকায় নাম গেলেও টাকা পায়নি এমন অভিযোগও রয়েছে। কোনো নিয়মনীতিই মানছেন না ইটভাটার মালিকরা। এসব দেখারও যেনো কেউ নেই ।

চান্দহরের রিফাইতপুর, চালতাপাড়া চকের কৃষকরা জানান, ইটভাটার বিষাক্ত গ্যাসে প্রায় দেড় শ বিঘা জমির ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। গত বছরও অনেক কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ ছাড়া এবারে যে পরিমাণে ক্ষতি হয়েছে তার বদলা পাননি তারা।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা তৈরি করে ভাটা মালিকের কাছ থেকে ৫ লাখ ৯০ হাজার ৫০০ টাকা আদায় করে সঠিকভাবে বিতরণ করা হয়েছে জানিয়ে ইউপি চেয়ারম্যান শওকত হোসেন বাদল বলেন, তার ইউনিয়নে তিন ফসলি জমিতে এসব ইটভাটার ট্রেড লাইসেন্স কিংবা ডিসির অনুমতি পত্রও নেই। অবৈধ ভাটার বিরুদ্ধে বর্তমান প্রশাসন কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় এরা কোনো আইন মানছে না।

প্রকৃত কৃষক হয়েও সরকারি গুদামে ধান বিক্রির কার্ড দেওয়া হয় না তাদের জানিয়ে চাপরাইল চকের কৃষক আছাদ নুর, আবদুল করিম, আবু বকর, হাজি আবুল কালাম, আবদুল মালেক, আনোয়ার হোসেন, আশকার আলী, লোকমান, ফজল হক ও পান্নু মিয়া সহ অনেকেই জানান, ইটভাটার বিষাক্ত ধোঁয়া ও গ্যাসের কারণে কষ্টের ফসল সম্পূর্ণভাবে ঝলসে গেছে। বিঘাপ্রতি যেখানে ২৫ মণ ধান হওয়ার কথা, সেখানে হয়েছে মাত্র পাঁচ মণ। ১২০ বিঘা জমির ধান একেবারেই নষ্ট হয়ে গেছে। ফলে এবার অন্তত ৫ হাজার ৩৬১ মণ ধান কম হয়েছে। এতে ৫ কোটি ৩৬ লাখ ১ হাজার টাকার ক্ষতি হয়েছে।

মালিকদের কাছ থেকে সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করে ইউপি চেয়ারম্যান আবদুল হালিম রাজু জানান, কোনো কৃষককেই ক্ষতিপূরণ থেকে বঞ্চিত করা হয়নি।

জমির্ত্তা হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক মাহফুজুর রহমান ও সিনিয়র শিক্ষক মিজানুর রহমান জানান, আগের স্কুল কমিটির সমঝোতায় স্কুলের জমি ইটভাটায় থাকলেও বর্তমানে ঐ জমির ফসল এবং ভাটা মালিকের কাছ থেকে কোনো টাকাও পাওয়া যাচ্ছে না।

পরিবেশ অধিফতরের জেলা উপপরিচালক নুর আলম জানান, ‘আইনে আছে এক ফসলি কিংবা পতিত জমি ছাড়া ইটভাটা করা যাবে না। এ ক্ষেত্রে পরিবেশ অধিদফতর থেকে কৃষি কর্মকর্তা বরাবর চিঠি ইস্যু করা হয়। কৃষি কর্মকর্তা এক ফসলির বিষয় অনুমোদন দিলেই কেবল পরিবেশ অধিদফতর থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। এ ছাড়া অনুমোদন দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। কিন্তু আমরাও দেখি তিন ফসলি জমিতে ইটভাটা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১১, ২০২১ ৮:৫৪ পূর্বাহ্ন
ঠাকুরগাঁওয়ে শস্য বীমার ক্ষতিপূরণ পেলো চাষিরা
কৃষি বিভাগ

ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রথমবারের মতো শস্য সুরক্ষা প্রকল্পের আওতায় ফসল উৎপাদন আবহাওয়াগত ঝুঁকির বীমার দাবি পরিশোধ করা হয়েছে। বীমার দাবি পরিশোধ করেছেন ‘সিনজেটা ফাউন্ডেশন।’

বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার চিলারং ইউনিয়নর আখানগর বাজারে ক্ষতিগ্রস্ত চাষিদের এটি পরিশোধ করা হয়।

বীমার দাবি পরিশোধ অনুষ্ঠান উপস্থিত ছিলেন- ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আবু হাসান, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষ্ণ রায়, দিনাজপুর আবহাওয়া অফিসের ইনর্চাজ তোফাজ্জাল হাসান।

এছাড়াও অনলাইনে যুক্ত ছিলেন- সুইস কট্যাক্টর টিম লিডার আরাফাত হাসান, এসএফএসএ প্রজেক্ট ম্যানেজার আমিনুল মুবিন, সিনজেটা বাংলাদশ লিমিটেড হেড অব সেলস হোদায়াত উল্লাহ্, গ্রিন ডেল্টা ইনসুরেন্সর এডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর সৈয়দ মঈনউদ্দীন, সিনজেটা বাংলাদেশ লিমিটেডের চ্যানেল ডেভেলপেমেন্ট ম্যানেজার সৈয়দ নুরুজ্জামান প্রমুখ।

জানা যায়, শস্য সুরক্ষা প্রকল্প যা কৃষকের আবহাওয়াগত ঝুঁকি একটি প্রক্রিয়া যেখানে সিনজেটা বাংলাদেশ লিমিটেডের উত্তরবঙ্গর ঠাকুরগাঁও সদর ও আক্কলপুর উপজলায় কৃষিতে সিনজেটা রিটইলারের মাধ্যমে সর্বশেষ আলুর নাভি ধসা রোগের বীমা সুরক্ষায় প্রায় ১ হাজার ১৪৯ জন আলু চাষিকে বীমাভুক্ত করা হয়। পরবর্তীতে উচ্চ আর্দ্রতা এবং কম তাপমাত্রার কারণে ঠাকুরগাঁও সদরের বীমাকৃত ৫৭৮ চাষি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

যার ফলস্রুতিতে তারা বীমাদাবি হিসেবে ৫২ হাজার ২৬ টাকা পরিশাধ করা হয়। শস্য সুরক্ষা প্রকল্প নিয় সুইস এজেন্সি ফর ডেভেলপেমন্ট অ্যান্ড কো-অপারেশন (এসডিসি), সিনজেটা ফাউন্ডেশন ফর সাসটেইনবল এগ্রিকালচার বাংলাদেশ (এসএফএসএ বাংলাদশ), গ্রিন ডেল্টা ইনসুরেন্স কাম্পানী লিমিটেড বিভিন্ন এগ্রিগটরের সাথে ২০১৯ সালে কাজ শুরু করে।

এই বীমায় সর্বনিম্ন ২০ টাকা দিয়ে চাষিরা অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন। বীমার মেয়াদ ফসলের শুরু থেকে শষ্যের সময়। এই সময় ফসল উৎপাদন বিভিন্ন পরামর্শ দেয় কৃষিতে সিনজেটা। এখন পর্যন্ত ৬৩ হাজার কৃষক ৮৩ হাজার ৫২২টি বিভিন ফসলের শস্য বীমা পলিসি ক্রয়ের মাধ্যমে ফসলকে সুরক্ষা করেছে বলেও জানায় কৃষি বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট বীমা কর্তৃপক্ষ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১১, ২০২১ ৮:৪২ পূর্বাহ্ন
বরিশাল সদরের কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশাল সদরের উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বসতবাড়িতে পারিবারিক মডেল পুষ্টি বাগান স্থাপন শীর্ষক দু’দিন কৃষক প্রশিক্ষণ ৯ জুন শেষ হয়েছে।

এ উপলক্ষ্যে এক সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন অধিদপ্তরের (ডিএই) সরেজমিন উইংয়ের পরিচালক এ কে এম মনিরুল আলম।

তিনি বলেন, পারিবারিক পুষ্টি বাগানের গুরুত্বপূর্ণ অপরিসীম। এর মাধ্যমে পরিবারের নিরাপদ খাবার সরবরাহ হয়। সে সাথে পূরণ হয় পুষ্টির চাহিদাও। তিনি আবাদের পাশাপাশি সবাইকে নিয়মিত ফল-সবজি খাওয়ার আহবান জানান।

উপজেলা কৃষি অফিস আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিএই বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম এবং উপপরিচালক হৃদয়েশ্বর দত্ত।

উপজেলা কৃষি অফিসার মোসা. ফাহিমা হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার তানজিলা আহমেদ এবং মো. মাহফুজুর রহমান অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠান শেষে প্রধান অতিথি চাষিদের মাঝে সার, বীজ এবং গাছের চারাসহ বিভিন্ন কৃষি উপকরণ বিতরণ করেন। অনাবাদি পতিত জমি ও বসত বাড়ির আংগিনায় পারিবারিক সবজি ও পুষ্টি বাগান স্থাপন প্রকল্পের আওতাধীন এ প্রশিক্ষণে ৩০ জন কিষাণ-কিষাণী অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১০, ২০২১ ৪:০৮ অপরাহ্ন
ঝিনাইদহে ফল ও সবজি চাষীদের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ
কৃষি বিভাগ

ঝিনাইদহে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের আয়োজনে নিরাপদ উদ্যানতাত্বিক ফসল উৎপাদন ও সংগ্রহোত্তর প্রযুক্তি সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় ফল ও সবজি চাষীদের মাঝে কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে  এ কৃষি উপকরণ বিতরণ করা হয়।

জানা যায়,সদর উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের ৬০ জন কৃষকের মাঝে ওজন মাপা যন্ত্র, প্লাস্টিকের ক্রেট, ত্রিপল, লোহার পাতের তৈরী সাইনবোর্ড বিতরণ করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক আজগর আলী, সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিম, কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জুনায়েদ হাবীবসহ অন্যান্যরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১০, ২০২১ ৮:১৬ পূর্বাহ্ন
বরিশালে তেল ফসলের কর্মশালা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে তেলজাতীয় ফসলের ওপর দিনব্যাপী এক আঞ্চলিক কর্মশালা

বুধবার বরিশালের মৎস্য বীজ উৎপাদন খামারের হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়।

তেলজাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্প আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) সরেজমিন উইংয়ের পরিচালক এ কে এম মনিরুল আলম।

তিনি বলেন, আমাদের দেশে তেলের উৎপাদন খুবই কম; সে কারণেই শতকরা ৯০ ভাগ তেল বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়। পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, সয়াবিন ও পামওয়েলের তুলনায় সরিষা, তিল, তিসি, সূর্যমুখী স্বাস্থ্যের জন্য হিতকর। তাই ভোজ্যতেলের ঘাটতি পূরণে চাই তেলফসলের আবাদ বৃদ্ধি। এতে বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি জমির উর্বরতাও বাড়বে।

ডিএই বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাফি উদ্দিন এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলমগীর হোসেন। কিনোট উপস্থাপক হিসেবে ছিলেন প্রকল্প পরিচালক মো. জসিম উদ্দিন।

ডিএই ঝালকাঠির অতিরিক্ত উপপরিচালক মো. অলিউল আলমের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সাব্বির হোসেন। ডিএই পিরোজপুরের উপপরিচালক চিন্ময় রায়, বরিশালের উপপরিচালক হৃদয়েশ^র দত্ত, ঝালকাঠির উপপরিচালক মো. ফজলুল হক, পটুয়াখালীর উপপরিচালক এ কে এম মহিউদ্দিন, ভোলার উপপরিচালক আবু মো. এনায়েত উল্লাহ, বরগুনার উপপরিচালক আব্দুর রশিদ, বরিশাল জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সিকদার, প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার রথীন্দ্র্রনাথ বিশ্বাস, আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো.অলিমুর রহমান, পাথরঘাটা উপজেলা কৃষি অফিসার শিশির কুমার বড়াল বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা প্রমুখ। কর্মশালায় কৃষিসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ১৭৫ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop