৬:৪২ অপরাহ্ন

রবিবার, ৩ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ১১, ২০২১ ১২:২৪ অপরাহ্ন
লাল ও মিষ্টি তরমুজ চেনার উপায়
কৃষি বিভাগ

মিষ্টি তরমুজ কিভাবে চিনব? এই প্রশ্ন এখন খুবই কমন কারণ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে রসালো ফল তরমুজ। এই গরমে এক গ্লাস ঠান্ডা তরমুজের রস দূর করতে পারে ক্লান্তি। তরমুজ শরীরে পানির ঘাটতি পূরণ করে। শরীরে এনার্জি তৈরি করে দেয়। গরমে এই ফলটির চাহিদাও তেমনই থাকে। তরমুজে ২১ শতাংশ ভিটামিন সি, ১৮ শতাংশ ভিটামিন এ, ৫ শতাংশ পটাশিয়াম, ৪ শতাংশ ম্যাগনেশিয়াম এবং ৩ শতাংশ ভিটামিন বি১, বি৫ এবং বি৬ আছে। ত্বক ও চুল প্রাকৃতিভাবে সুন্দর রাখে তরমুজে থাকা ভিটামিন এ ও সি। এর অ্যা‌ন্টিঅ‌ক্সি‌ডেন্ট ক্যান্সার প্র‌তি‌রোধী ও  তারুণ্য ধ‌রে রাখ‌তে খুবই  কার্যকরী।

তবে তরমুজ কিনতে গিয়ে ঠকে যাবেন না আবার! অনেক সময় বাইরে থেকে দেখে ভালো মনে হলেও কাটার পর দেখা যায় তরমুজ ফ্যাকাশে, খেতেও পানসে।

জেনে নিন কীভাবে চিনবেন লাল এবং মিষ্টি তরমুজঃ

১: তরমুজের মাথার দিক খেয়াল করুন। যদি দেখেন হলুদ রঙ ধরেছে, তাহলে তাহলে বুঝবেন তরমুজ পাকা।

২: তরমুজ হাতে নিয়ে দেখুন। যদি ভিতরটা ফাঁপা মনে হয় তাহলে বুঝবেন তরমুজ এখনও কাঁচা রয়েছে। পাকা তরমুজে প্রচুর রস থাকে। ফলে তরমুজ ভারি হয়।

৩: তরমুজের গায়ে টোকা দিন। অতিরিক্ত ভারি আওয়াজ (ঠন ঠন অাওয়াজ) হলে বুঝবেন তরমুজ বেশি পেকে গেছে।

৪ঃ তরমুজের আকৃতি খেয়াল করুন। যদি তরমুজ পুরো সমান হয়, তাহলে বুঝবেন পাকা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

৫ঃবাইরের উজ্জ্বল রঙ দেখে বিভ্রান্ত হবেন না। পাকা তরমুজ সাধারণত গাঢ়, কালচে হয় দেখতে। চকচ‌কে উজ্জল রং হ‌লে সে‌টি কাঁচা তরমুজ।

৬ঃ খুব বড় বা খুব ছোট তরমুজ না কিনে মাঝারি আকারের তরমুজ কেনাই ভালো।

 

সতর্কতা ঃ রাস্তার মোড়ে মোড়ে বা বাজারে খোলা অবস্থায় রাখা কাটা তরমুজ খাবেন না। তরমুজ কেটে ফ্রিজে ভরে রাখবেন না। এতে খাদ্য উপাদান কমে যায়। যেকোন ফল কেটে খোলা অবস্থায় রাখবেন না। এতে ভিটামিন সি নষ্ট হয়ে যায়। তরমুজে শাঁস অধিক লাল করার জন্য অসাধু ব্যবসায়ীরা কৃত্রিম রং ভিতরে প্রবেশ করিয়ে থাকে এমন তরমুজ কিনবেন না খাবেন না। তরমুজ কাটার পর শাঁস হাতে লাগলে কিছু রং হাতে লাগে এ তরমুজটি খাবেন না।

কতটুকু খাবেনঃ তরমুজের এত গুণ থাকা সত্ত্বেও একবারে খুব বেশি তরমুজ খাওয়া ঠিক নয়। গবেষক ও পুষ্টিবিদেরা বলেন, ১০০ গ্রাম তরমুজে ৩০ ক্যালরি থাকে। এ ছাড়া প্রতি ১০০ গ্রামে ৩.৩ গ্রাম চিনি থাকে। তরমুজে যেহেতু পানির পরিমাণ বেশি, তাই ৫০০ গ্রাম পর্যন্ত তরমুজ খাওয়া অনেকের কাছে সহজ মনে হতে পারে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১১, ২০২১ ৮:৪৫ পূর্বাহ্ন
যমুনার চরে ভুট্টার বাম্পার ফলন
কৃষি বিভাগ

টাঙ্গাইল জেলার কালিহাতী উপজেলার যমুনার নদীর চরাঞ্চলে ভুট্টার বাম্পার ফলন হয়েছে। নদীর বুকে জেগে ওঠা প্রতিটি চরে হচ্ছে ভুট্টা চাষ।

কৃষকরা জানিয়েছেন, এ বছর ভুট্টার বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে তারা বড় দুশ্চিন্তা করছেন প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ে। কেননা দুর্যোগের কারণে ভুট্টা ছড়া ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে, প্রতিবারের মতো এবারও টাঙ্গাইলের কালিহাতীর যমুনা নদীর চরঞ্চলে গত বছরের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ২০২০ ও ২০২১ অর্থ বছরে ১২৫ হেক্টর জমিতে ভুট্টা চাষ করা হয়েছে।

জানা যায়, উপজেলার গোহালিয়াবাড়ী, পটল, পাইকড়া, নারান্দিয়া, সহদেবপুর ও বাংড়া ইউনিয়নসহ ছয় ইউনিয়ন ও দুই পৌরসভায় আংশিক কিছু এলাকায় ভুট্টা চাষাবাদ করা হয়েছে। এতেও ভালো ফলন হয়েছে। ১ বিঘা জমিতে চরাঞ্চলে ধান চাষ করলে ১২ থেকে ১৫ মন ধান হয় অপর দিকে ১ বিঘা জমিতে ভূট্টা হয় ৩৫ থেকে ৪০ মন। ১ মন ধানের দাম ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা। ভুট্টার দামও ধানের মতই। ভুট্টা চাষে কীটনাশক ও সারের ব্যবহারও কম হয়। অন্যান্য রবি শস্যের চেয়েও ভুট্টার ফলন বেশি।

তাছাড়া সহজে চাষাবাদযোগ্য এবং অধিক লাভজনক হওয়ায় ভুট্টা চাষে কৃষকরা বেশি আগ্রহী হয়েছে। তাছাড়া ভুট্টা গাছ গো-খাদ্য আর ডাটা জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার হওয়ায় কৃষকরা ভুট্টা চাষে আরো বেশি আগ্রহ সহকারে চাষাবাদ করে থাকে।

আরো জানা যায়, যমুনা নদীর অংশে উপজেলার চরঞ্চলে জেগে ওঠা চরের প্রায় প্রতিটি জমিতে ভুট্টা লাগানো হয়েছে। বাতাসে দোল খাচ্ছে ভুট্টা পাতাগুলো। মৌ-মাছিরা ভুট্টা ফুলের রেণু থেকে মধু সংগ্রহ করছে। যা চোখে পড়ার মত ছিল। মনের আনন্দে ভুট্টা কৃষকরা ভুট্টা গাছের গোড়ায় নিয়মিত কীটনাশক প্রয়োগ, পানি সেচ, আগাছা পরিস্কার করছে।

পাইকড়া ইউনিয়নের কালোহা গ্রামের ভুট্টা চাষী দেলোয়ার হোসেন জানান, গতবার জমিতে আমরা ধান চাষ করেছিলাম। ভুট্টা চাষে অনেকেই লাভবান হয়েছে। তাই তাদের দেখে ও পরামর্শে প্রথমবারের মতো আমরা ভুট্টা চাষে আগ্রহ হয়ে আমার ১৬০ শতাংশ জমিতে ৭৭২০ জাতের ভুট্টা চাষ করেছি। অন্যান্য ফসলের তুলনায় ভুট্টা চাষে খুবই খরচ কম হয়েছে। জমি চাষ, সার, কীটনাশক, পানি সেচ, শ্রমিক খরচ ও ভুট্টার বীজ কেনা বাবদ এবং ভুট্টা ঘরে তোলা পর্যন্ত ৫০ হাজার টাকার মতো খরচ হবে। যা ধান চাষের তুলনায় প্রায় অর্ধেক খরচ। ১৬০ শতাংশ জমিতে তার ১৬০ মন ভুট্টা হবে বলে আশাবাদী তিনি।

উপজেলার দূর্গাপুর ইউনিয়ন কদিম হামজানী গ্রামের ভুট্টা চাষী মনিরুজ্জামান জানান, আমি গতবছর ১ শতাংশ জমিতে ভুট্টা চাষ করেছিলাম। ভুট্টা চাষে ধান চাষের চেয়েও লাভ বেশি। এজন্য এ বছর ২৫০ শতাংশ জমতি ভুট্টা লাগিয়েছি। আশা করছি প্রতি শতাংশে ১ মন করে ভুট্টা পবো। উপজেলার চরঞ্চলের শুকনো মৌসুমে জেগে ওঠা বালুচরে বর্ষাকালে পলিমাটি পড়ে। যা বিভিন্ন ফসল চাষাবাদ করার জন্য উপযোগি। কম খরচে ও কম কীটনাশক ব্যবহার করে অধিক ফলন হয়।

কালিহাতী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাজ্জাদ হোসেন তালুকদার জানান, উপজেলার যমুনা চরাঞ্চলের লোকেরা অন্য ফসলের চেয়ে এবার ভুট্টা চাষে আগ্রহ বেশি। ভুট্টা চাষ অধিক লাভজনক একটি ফসল। উপজেলার ৩৫০ জন প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র-দরিদ্র কৃষকদের মাঝে প্রণোদনা হিসেবে সুপার সাইন জাতের ভুট্টার বীজ দেয়া হয়েছে। প্রতি বিঘা জমির জন্য ২ কেজি সুপার সাইন ভুট্টার বীজ, ২০ কেজি ডিএপি সার, ১০ কেজি এমওপি সার বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

কৃষি অফিস থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরণের সার্বিক সহযোগিতা করে আসছে। আমাদের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তারা কৃষকদের সাথে নিরলসভাবে যোগাযোগ রক্ষা করে সার্বিক পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। এবার হেক্টর প্রতি প্রায় ১০ টন উৎপাদন হতে পারে বলে আশা করছেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১০, ২০২১ ১:৫৪ অপরাহ্ন
সুনামগঞ্জে ইরি-বোরো ধান কাটায় ব্যস্ত কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

সুনামগঞ্জ জেলার দিরাই উপজেলার সর্বত্র ধান কাটা আর মাড়াইয়ে ব্যাস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। কোথাও কৃষি শ্রমিক, কোথাও আবার হারভেস্টর মেশিন দিয়ে ধান কাটা হচ্ছে সেখানকার কৃষকরা।

কৃষি বিভাগের মতে, আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবার বাম্পার ফলন হয়েছে। এবছর উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫০০ হেক্টর বেশি জমিতে ধান আবাদ করা হয়েছে।

দিরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু মো. মনিরুজ্জামান জানান, এবছর দিরাইয়ে পর্যাপ্ত কৃষি শ্রমিক রয়েছে। পাশাপাশি উপজেলায় ধান কাটার হারভেস্টর মেশিন রয়েছে ৪৫টি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান, কৃষি প্রণোদনা হিসেবে ৮ হাজার ৮০০ কৃষককে হাইব্রিড বীজ দেয়া হয়েছে। এছাড়াও ৯৫০জন কৃষককে সার ও সরিষা এবং ভূট্টার বীজ প্রদান করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১০, ২০২১ ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন
ঝালকাঠিতে পানিতে তলিয়ে গেলো ক্ষেত, লোকসানে তরমুজ চাষি
কৃষি বিভাগ

ঝালকাঠিতে তরমুজ চাষে লাভের আশায় লাখ লাখ টাকার ঋণ নিয়ে তরমুজ চাষ করে কৃষক। অথচ সম্প্রতি পূর্ণিমার জোয়ারের পানিতে তরমুজ ক্ষেত তলিয়ে যাওয়ায় মাঠেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে আধাপাকা ফলন। মাথায় হাত কৃষকের। পরামর্শ দিয়ে কৃষকদের পাশে দাঁড়িয়ে ক্ষতি পুষিয়ে নেওয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানান কৃষি বিভাগ।

জানা গেছে, ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলার বিশখালি নদীপাড়ের গ্রাম মানকী সুন্দর। এ গ্রামের ৮ কৃষক মিলে ১০ একর জমিতে তরমুজের আবাদ করেন। সঙ্গে আরও ১০ জন দিনমজুরের অক্লান্ত শ্রমে যখন মাঠে হেসে ওঠে তরমুজের ফলন। কিন্তু পূর্ণিমার জোয়ারের পানিতে সেই হাসি কান্নায় পরিণত হয়। ঋণের টাকায় পুঁজি খাটিয়ে ৬০ লাখ টাকার তরমুজ বিক্রির আশা দুঃস্বপ্নে রূপ নিয়েছে। গত কয়েক বছর ধরে বেশ লাভজনক হওয়ায় জেলার চরাঞ্চলে ছোট ছোট দল বেঁধে চাষিরা তরমুজ চাষের প্রকল্প গড়ে তোলেন।

পানি একদিন পর নেমে গেলেও বেশির ভাগ তরমুজ গাছের গোড়া নষ্ট হয়ে গেছে। এতে আকারে বড় হবে না ফলনের একটি বড় অংশ।

শুধু মানকীসুন্দর গ্রামের তরমুজই নয়, বন্যার কবলে পড়েছে সদর উপজেলার পোনাবালিয়া, বিনয়কাঠি, ধানসিঁড়ি, রাজাপুর উপজেলার সাঙ্গর, সুক্তাগর, কেওতা, পালটসহ কাঁঠালিয়া ও নলছিটি উপজেলায় তরমুজ চাষ।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. ফজলুল হকক্ষতির কথা স্বীকার করে জানান, বন্যাসহ বৈরী আবহাওয়ার কবল থেকে চরাঞ্চলের তরমুজ রক্ষায় বাঁধ নির্মাণ জরুরি ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১০, ২০২১ ১০:৪২ পূর্বাহ্ন
বশেমুরকৃবি‘র গবেষণায় শিমের নতুন জাত উদ্ভাবন
কৃষি গবেষনা

কৌলিতত্ত্ব ও উদ্ভিদ প্রজনন বিভাগের প্রফেসর ড. মো. গোলাম রসুল‘র নেতৃত্বে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক শিমের নতুন জাত উদ্ভাবন করেছেন। এটি অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় বীজ বোর্ড।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানায়, বর্তমানে বাংলাদেশে বছরে ২০ হাজার ৮৮০ হেক্টর জমিতে ১ লাখ ৪৪ হাাজর ৫০ টন সিম উৎপাদিত হচ্ছে (বিবিএস, ২০২০)। দেশের প্রায় সব জাতগুলো মৌসুমের একই সময়ে ফলন দেয় এবং বেশিরভাগ চাষি একই সময়ে তাদের শিম বাজারে নিয়ে আসেন। এতে করে শিমের বাজারমূল্য হ্রাস পায়। তাছাড়া খরা, লবণাক্ততা, অতিবৃষ্টি, পোকামাকড় (এফিড) বা রোগবালাইয়ের আক্রমণে উৎপাদন কমে যায়।

বাংলাদেশের মোট আয়তনের ৩৭% উপকূলীয় এলাকা। ওই এলাকাতে চাষ উপযোগী সবজি তথা শিমের অনুমোদিত উফশি তেমন জাত নেই। এমতাবস্থায়, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা, টেকসই খাদ্য উৎপাদন বজায় রাখা এবং খরা, অতিবৃষ্টি ও লবণাক্ততার প্রভাব প্রতিরোধসহ বিস্তৃত উপকূলীয় এলাকায় চাষযোগ্য নতুন জাত উদ্ভাবনই সর্বোত্তম ও বিকল্প উপায়।

এই জাতের বীজ রোপণ করতে হবে গোবর-মাটির মিশ্রণে ভরা (অর্ধেক-অর্ধেক) ছোট পলিথিন ব্যাগে। চারা গজালে মাঠে গর্তে লাগাতে হবে। প্রতি গর্তে ১০ কেজি পচা গোবর, ১০ গ্রাম ইউরিয়া (দুইবারে), ৩০ গ্রাম টিএসপি ও ২০ গ্রাম পটাশ সার প্রয়োগ করতে হবে। এক কঞ্চি বিশিষ্ট বাউনি বা মাচা চাষ পদ্ধতি অনুসরণ করতে হবে।

কৃষি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, নতুন বিইউ শিম-৭ জাতটি লবণসহনশীল ও উচ্চফলনশীল। এ জাতটি দেশের বিস্তৃত দক্ষিণাঞ্চলে শীত মৌসুমে পতিত থাকা জমির সুষ্ঠু ব্যবহার ও অধিক পরিমাণ সবজি উৎপাদন বাড়িয়ে তুলতে সক্ষম হবে।

প্রফেসর ড. মো. গোলাম রসুল জানান, নতুন উদ্ভাবিত এ জাতে গাছপ্রতি ২ দশমিক ৪ থেকে ৩ দশমিক ৫ কেজি সিম উৎপাদিত হয়। সেই হিসেবে হেক্টর প্রতি সম্ভাব্য সর্বোচ্চ ফলনশীলতা ৩৫ টন।

তিনি বলছেন, ১২ ডিএস/এম লবণাক্ততা সহনশীল হওয়ায় এই জাতের শিম ১৯টি উপকূলীয় জেলাসহ সারাদেশে আবাদ করা সম্ভব। বিশ্বে টাটকা সবজিতে ০.৫ থেকে ৩২.০ মাইক্রোগ্রাম/গ্রাম অ্যান্থসায়নিন পাওয়া যায়। নতুন জাতটিতে উচ্চমাত্রায় অ্যান্থসায়ানিনের উপস্থিতি নিশ্চিত করা গেছে।

অ্যান্থসায়নিন হলো পোলিফেনোলিক রঞ্জক যা পরাগায়নে সাহায্যকারী পতঙ্গ এবং বীজ বিস্তারককে আকর্ষণ করে ফসলের বংশ বিস্তারের ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের প্রাকৃতিক প্রতিকূলতার বিরুদ্ধে গাছকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখে। শাকসবজিতে প্রাপ্ত অ্যান্থসায়নিন মানবদেহের ভাস্কুলার প্রদাহ হ্রাস এবং থ্রম্বোসিস (রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধা) প্রতিরোধে যথেষ্ট কার্যকরী বলে চিকিৎসা বিজ্ঞানে স্বীকৃত।

প্রফেসর ড. মো. গোলাম রসুল জানান, প্রায় সব জাতের শিমই জাব পোকা এবং জ্যাসিড দ্বারা আক্রান্ত হয়। শীতের অর্থাৎ ফেব্রুয়ারিতে তাপমাত্রা বাড়ার কারণে সিমের প্রধান পতঙ্গ শত্রু। অর্থাৎ এফিড এবং জ্যাসিড মাত্রাতিরিক্তভাবে বংশবিস্তারের কারণে ফসলটি মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হয়ে ফলন কমে যায়, যা থেকে নতুন জাতটি প্রতিরোধী।

অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে রোপণ করলে ১৩০ দিনে এই সিম সংগ্রহ করা যায়। তবে বীজ সংগ্রহের জন্য আরও ২০ দিন সময় বেশি লাগবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১০, ২০২১ ৭:০৪ পূর্বাহ্ন
আমের গুটি ঝরে পড়ার কারণ ও প্রতিকার
কৃষি বিভাগ

আম চাষিদের জন্য চলতি মৌসুম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এ সময় অনেক চাষিকে নানা ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়। এরমধ্যে আমের গুটি ঝরা অন্যতম। আম গাছে গুটি আসার পর নানা কারণে তা ঝরে যায়। তাই এসব কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে জানতে হবে।

প্রাকৃতিক কারণ: আম গাছে প্রতি মুকুলে ১ হাজার থেকে ৬ হাজারটি পর্যন্ত পুরুষ ও স্ত্রী ফুল থাকে। তারমধ্যে প্রাথমিকভাবে প্রতি থোকায় জাতভেদে এক থেকে ৩০টি আমের গুটি ধরতে দেখা যায়। গুটি আসার ২৫-৫০ দিনের মধ্যে প্রতি থোকায় মাত্র এক-দু’টি গুটি থাকে। বাকি গুটি প্রাকৃতিক বা অভ্যন্তরীণ কারণে ঝরে যায়। তবে কোন কোন মুকুলে চার-পাঁচটি আম ধরতে দেখা যায়। এ ক্ষেত্রে আমের আকার ছোট হয়।

প্রতিকার: অতিরিক্ত গুটি ঝরে না পড়লে আমের আকার ছোট হয়। ফলে আমের গুণগতমান ও ফলন কমে যায়। প্রতিটি মুকুলে একটি করে গুটি থাকলে সে বছর আমের বাম্পার ফলন হয়। তবে প্রতি মুকুলে আমের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য ফুল ফোটার ১০-২০ দিন পর দুইবার দশ লিটার পানিতে ৬ গ্রাম হারে বোরিক অ্যাসিড স্প্রে করলে ভালো হয়। এছাড়া সব ফুল ফোটা অবস্থায় জিবেরেলিক অ্যাসিড প্রতি লিটার পানিতে ৫০ মিলিগ্রাম হারে স্প্রে করলে আমের গুটি ঝরা কমে যায়।

মাটিতে রসের অভাব: মাটিতে রসের অভাব হলেও আমের গুটি ঝরে যায়। আমের বৃদ্ধির প্রাথমিক পর্যায়ে অর্থাৎ মার্চ-এপ্রিল মাসে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় মাটিতে রসের অভাব দেখা দেয়। মাটিতে রসের অভাব হলে আমের বোঁটায় তাড়াতাড়ি নির্মোচন স্তর গঠিত হয়। ফলে আমের গুটি ঝরে যায়।

প্রতিকার: মাটিতে রসের অভাবে আমের গুটি ঝরে গেলে গাছের চারপাশে নিয়মিত সেচ দিতে হবে। আমের গুটি মটরদানার মতো হলেই প্রথমে একবার গাছের গোড়ায় পানি সেচ দিতে হবে। প্রথম সেচ দেওয়ার পর থেকে বৃষ্টিপাত না হওয়া পর্যন্ত ১৫ দিন পরপর সেচ দিতে হবে। সেচের পাশাপাশি হরমোন প্রয়োগ করেও আমের গুটি ঝরা কমানো যায়। আমের গুটি মটরদানার মতো হলে প্রতি লিটার পানিতে ২০ গ্রাম ইউরিয়া সার অথবা প্রতি ৪.৫ লিটার পানিতে দুই মিলিলিটার হারে প্লানোফিক্স হরমোন পানিতে মিশিয়ে হালকা সূর্যের আলোয় আমের গুটিতে স্প্রে করলে গুটি ঝরা কমে যায়।

পোকার আক্রমণে: গুটি আসার পর প্রাথমিক পর্যায়ে আমের গুটিতে হপার পোকার আক্রমণ হতে পারে। এ পোকার পূর্ণবয়স্ক মথ ও কিড়া গুটির রস শোষণ করে খায়, ফলে আমের গুটি শুকিয়ে ঝরে যায়।

প্রতিকার: গুটি মটরদানার মতো হলেই কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক একসাথে পানিতে মিশিয়ে গুটিতে স্প্রে করতে হবে। কীটনাশকের মধ্যে সাইপরমেথ্রিন ১০ ইসি বা ল্যামডা সাই হ্যালাথ্রিন ২.৫ ইসি বা ফেন ভেলারেট ২০ ইসি গ্রুপের যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে এক মিলিলিটার হারে এবং ছত্রাকনাশকের মধ্যে মেনকোজেব ৮০ ডচ গ্রুপের যে কোন একটি প্রতি লিটার পানিতে দুই গ্রাম হারে একসাথে মিশিয়ে গুটিতে স্প্রে করতে হবে।

ফল ছিদ্রকারী পোকা: আমের গুটি মার্বেল আকৃতির হলে ফল ছিদ্রকারী পোকার আক্রমণ হতে পরে। এ ক্ষেত্রে পূর্ণবয়স্ক পোকা আমের নিচের অংশে খোসার ওপরে ডিম পাড়ে। কয়েক দিনের মধ্যে ডিম ফুটে লার্ভা বের হয় এবং লার্ভা খুব ছোট বিন্দুর মতো ছিদ্র করে আমের ভেতর ঢুকে পড়ে। প্রথমে শাঁস ও পরে আঁটি খাওয়া শুরু করে। পরে আক্রান্ত স্থান কালো হয়ে যায় এবং কোনো কোনো সময় আম ঝরে পড়ে।

প্রতিকার: এ সমস্যা দেখা দিলে আমবাগান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। এমনকি গাছের মরা ডালপালা ছেঁটে ফেলতে হবে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৯, ২০২১ ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন
গোপালগঞ্জে ভাসমান ধাপে পেঁয়াজ চাষে সাফল্য
কৃষি গবেষনা

গোপালগঞ্জের সদর উপজেলার নকড়ীরচর গ্রামের ঐতিহ্যবাহী বর্ণির বাঁওড়ে ১২ ভাসমান ধাপে পেঁয়াজ চাষের জন্য কৃষককে আর্থিক সহায়তা, বীজ ও পরামর্শ দেয় সদর উপজেলা কৃষি অফিস। আর তাতে নানারকম সবজি চাষ শেষে এই সময়ের প্রচুর চাহিদাসম্পন্ন ফসল পেঁয়াজ পরীক্ষামূলক চাষে সাফল্য এসেছে।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সেকেন্দার আলী জানান, বর্ষা শেষে নভেম্বর মাসে যখন পানি নামতে শুরু করে তখন কচুরিপানা দিয়ে পেঁয়াজ চাষের ধাপ তৈরি করতে হয় ।

কচুরিপানা দিয়ে তৈরি ভাসমান ধাপে পেঁয়াজ চাষে দেশে প্রথমবারের মতো এই সফলতা এসেছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভাসমান ধাপে সবজি ও মসলা চাষে সনাতনী পদ্ধতির পরিবর্তে এসেছে আধুনিক পদ্ধতি। আগে ভাসমান ধাপ দিয়ে বেড বানিয়ে ওপর লতাবিহীন বিভিন্ন শাক ও সবজি উৎপাদন করা হতো।

বর্তমানে লাউ, কুমড়া, ঢ্যাঁড়স, করলার পাশাপাশি উৎপাদন হচ্ছে মসলা জাতীয় ফসল হলুদ ও আদা। এবার এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ভাসমান বেডে পেঁয়াজ চাষ।

ভাসমান বেডে সবজি ও মসলা চাষ গবেষণা সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়করণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক বিজয় কৃষ্ণ বিশ্বাসের পরামর্শে ভাসমান ধাপে প্রথম পরীক্ষামূলক পেঁয়াজ চাষ করা হয়। ভাসমান বেডে সাধারণত পেঁয়াজ ভালো হয় না। কিন্তু গোপালগঞ্জে ভাসমান বেডে পরীক্ষামূলক পেঁয়াজ চাষ সফল হয়েছে। প্রতি হেক্টরে ১১ টন পেঁয়াজ উৎপাদিত হয়েছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৮, ২০২১ ৫:৩৫ অপরাহ্ন
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে এ বছর বোরোর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা
কৃষি গবেষনা

চলতি মৌসুমে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৪ জেলায় ২লাখ ৩৮ হাজার ২৯০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর বোরোর বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন।চালের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় এ অঞ্চলের কৃষকরা অধিক জমিতে বোরো চাষ করেছেন বলে জানা গেছে।

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৪ জেলা হচ্ছে-নড়াইল, খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতিে মৗসুমে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের এ ৪ জেলায় মোট ২লাখ ৩৮ হাজার ২শ’৯০ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১০লাখ ৬১হাজার ৪শ’৪৯ মেট্রিক মেট্রিক টন চাল। এর মধ্যে নড়াইল জেলায় বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪৭হাজার ৮শ’৭০ হেক্টর জমিতে এবং উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২লাখ ৬ হাজার ৬শ’১০ মেট্রিক মেট্রিক টন চাল।খুলনা জেলায় বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫৭হাজার ৫শ’৪০ হেক্টর জমিতে এবং উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২লাখ ৫৭হাজার ৫শ’৪ মেট্রিক টন চাল। সাতক্ষীরা জেলায় বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৮০হাজার হেক্টর জমিতে এবং উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩লাখ ৫১ হাজার ২শ’ মেট্রিক টন চাল এবং বাগেরহাট জেলায় বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫২হাজার ৮শ’৮০ হেক্টর জমিতে এবং উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২লাখ ৪৬ হাজার ১শ’৩৫ মেট্রিক টন চাল।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,নড়াইল সদর উপজেলার, লোহাগড়া উপজেলার মাঠের পর মাঠ সবুজের সমারোহ।কৃষাণ-কৃষাণীরা বোরো ধানের পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন।আগাম জাতের পাকা বোরো ধান চলতি মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে কাটা শুরু হবে বলে কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষকরা জানিয়েছেন। সবুজ ও আধাপাকা বোরো ধানের শীষে প্রকৃতির সৌন্দর্য যেমন বেড়েছে তেমনি অর্থনৈতিক সচ্ছলতার স্বপ্নে বিভোর কৃষাণ-কৃষাণীরা।

নড়াইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দীপক কুমার রায় জানান,কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে বোরো চাষিদের উদ্বুদ্ধকরণ,পরামর্শ,মাঠ দিবস,উঠান বৈঠক,নতুন নতুন জাতের বীজ সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকসহ বিভিন্ন ব্যাংক চাষিদের প্রয়োজনীয় কৃষি লোন প্রদান করেছে।বাজারে সারেরও কোন সংকট নেই। বিভিন্ন জাতের চালের চাহিদা ব্যাপক থাকায় এ অঞ্চলে বোরো চাষ দিন দিন বাড়ছে বলে তিনি জানান।বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৮, ২০২১ ৪:৫৪ অপরাহ্ন
স্ট্রবেরি চাষে সাড়া ফেলেছেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের চাষিরা
কৃষি বিভাগ

আমের রাজধানী বলে খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জ। আর সেখানেই এবার স্ট্রবেরি চাষে দারুণ সাড়া ফেলেছেন সেখানকার চাষিরা। জেলার চাহিদা মিটিয়ে সরবরাহ করা হচ্ছে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে চাঁপাইনবাবগঞ্চের স্ট্রবেরি।

দুলোভপুর গ্রামের স্ট্রবেরি চাষি আবদুল সোহেল জানান, তিন বছর আগে দুই বিঘা নিজের জমিতে স্ট্রবেরি চাষ শুরু করেন। তখন হতেই তিনি লাভবান হচ্ছেন। এবার আরও অন্যের দুই বিঘা জমি লিজ নিয়ে স্ট্রবেরি চাষ করছেন।

তিনি আরো জানান, স্ট্রবেরি চাষে বেশি খরচ হয় সেচ দিতে। এখন পর্যন্ত ২৫-৩০ বার সেচ দিয়েছেন। তাতে মোট খরচ হয়েছে দুই লাখ টাকা। সে জমি হতে এবার তিনি সাড়ে চার লাখ টাকার স্ট্রবেরি বিক্রির আশা করছেন।

কৃষকরা জানান, কয়েক বছর থেকেই বাণিজ্যিকভাবে জেলার বিভিন্ন স্থানে স্ট্রবেরি চাষ শুরু হয়েছে। শীতকালীন দেশের ফল হলেও লাভবান হওয়ায় এর প্রতি ঝুঁকছেন এখানকার চাষিরা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক পরিচালক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম জানান, চলতি মৌসুমে চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় ২১ হেক্টোর জমিতে স্ট্রবেরি চাষ হচ্ছে। স্ট্রবেরির চাহিদা ব্যাপক থাকায় দিন দিন এর চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এছাড়া ফলন যেন ভালো হয় এবং কৃষরা যেন আরও উদ্ধুদ্ধ হয়-সে বিষয়ে মাঠ পর্যায়ে কাজ করছে কৃষি বিভাগ।

তিনি আরও বলেন, স্ট্রবেরি রসালো ও পুষ্টিকর ফল। স্বাদে অতুলনীয় হওয়ায় এটি সারাবিশ্বে সমাদৃত। দেশের আবহাওয়ায় আশ্বিন মাসই (মধ্য সেপ্টেম্বর থেকে মধ্য অক্টোবর) স্ট্রবেরির রোপণের উপযুক্ত সময়।

তবে নভেম্বর-ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত চারা রোপণ করা যায়। ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে গাছে ফুল আসতে শুরু করে এবং ডিসেম্বরের শেষ ভাগ থেকে এপ্রিল পর্যন্ত ফল আহরণ করা যায়। অল্প বিনিয়োগে বেশি মুনাফা হওয়ায় এটি চাষে কৃষকদের আগ্রহ অনেক বেশি বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৮, ২০২১ ১১:৫১ পূর্বাহ্ন
সুনামগঞ্জে জমি নিয়ে সংঘর্ষে চাচা-ভাতিজা নিহত
কৃষি বিভাগ

সুনামগঞ্জের ডুংরিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে সংঘর্ষে চাচা-ভাতিজা নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দু’জন।বৃহস্পতিবার সকালের দিকে এ ঘটনা ঘটে। নিহতরা হলেন- আব্দুল তাহিদ ও রিপন মিয়া।

পুলিশ জানায়, জমিজমা নিয়ে গ্রামের ওসমান মিয়ার ছেলে আব্দুল তাহিদের (৬২) সঙ্গে তার ভাই রাফিদ মিয়ার ছেলে রিপন মিয়ার (৪২) বিরোধ ছিল। বিরোধের জের ধরেই বৃহস্পতিবার সকালে চাচা-ভাতিজার পরিবারের মধ্যে দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মারামারি শুরু হয়। এ সময় গুরুতর আহত হন আব্দুল তাহিদ ও রিপন মিয়া। আহত অবস্থায় তাদের সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক দু’জনকেই মৃত ঘোষণা করেন।

দক্ষিণ সুনামগঞ্জ থানার ওসি মুক্তাদীর আহমদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, দুই পরিবারের স্বজনদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়ায় গ্রামে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সম্পদ নিয়ে পারিবারিক বিরোধের জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop