১১:০১ অপরাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ১৯, ২০২১ ৭:০৮ অপরাহ্ন
কৃষকদের ধান কেটে দিতে নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী‘র
কৃষি বিভাগ

বোরো মৌসুমে কৃষকদের ধান কাটতে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কৃষকলীগের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা প্রদানকালে দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনার কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘কৃষকদের ধান কাটার ব্যাপারে নেত্রীর নির্দেশনা রয়েছে। গতবারের মতো এবারও আমাদের সহযোগী সংগঠনগুলো ধান কাটার ব্যাপারে কৃষকদের পাশে দাঁড়াবে। সহযোগিতা করবে, এটাই আমি আশা করছি।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গের অভিঘাত শুরু হয়েছে। এ সময় কৃষকলীগের অনেক দায়িত্ব রয়েছে। আমাদের অন্যান্য সহযোগী সংগঠনেরও দায়িত্ব রয়েছে। বিশেষ করে ধানকাটার বিষয়টিতে গতবার কৃষক লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ অংশ নিয়েছিল। ঠিক এবারও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চাইছেন, আমাদের কৃষক লীগ ধান কাটার মৌসুম কৃষকদের পাশে দাঁড়াবে। ধান কেটে প্রয়োজনে কৃষকদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেবে।’

এ সময় ওবায়দুল কাদের কৃষকদের কল্যাণে কৃষকলীগের সবাইকে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করার আহ্বান জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৯, ২০২১ ৪:৫০ অপরাহ্ন
“ব্রি উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল জাতগুলো খাদ্য উৎপাদনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে”
কৃষি গবেষনা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) কর্তৃক উদ্ভাবিত নতুন নতুন অভিঘাত সহনশীল ও উচ্চ ফলনশীল জাতগুলো দেশের খাদ্য নিরাপত্তাকে টেকসই করবে এবং ভবিষ্যতে খাদ্য উৎপাদনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে মন্তব্য করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জনাব মেসবাহুল ইসলাম

তিনি সোমবার (১৯ এপ্রিল) ব্রি উদ্ভাবিত উচ্চ তাপ সহনশীল ধানের প্রস্তাবিত জাত এবং বাসমতি টাইপ ধান, হাইব্রিড ধানের গবেষণা ও বিভিন্ন পুষ্টিগুণ সম্পন্ন জাতের প্লটসমূহ পরিদর্শন শেষে ব্রি প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্সে এর মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে ব্রির মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর সচিব‘কে বিভিন্ন গবেষণা প্লট সর্ম্পকে ব্রিফ করেন।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বলেন, আমাদের দেশের কৃষকরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী চাষাবাদ প্রক্রিয়ায় রূপান্তর বা পরিবর্তন নিয়ে আসছেন। ধানের জমি অনেক ক্ষেত্রে হাই ভ্যালু ফসলের জন্য ছেড়ে দিতে হচ্ছে। এখন আমাদের কে অল্প জমিতে অধিক ধান ফলাতে হবে। এজন্য অভিঘাত সহনশীল ও উচ্চ ফলনশীল জাত ব্যবহার করতে হবে।

তিনি বলেন, মানুষের রুচির পরিবর্তন হচ্ছে। এখন মানুষ সরু চাল খেতে পছন্দ করে। আগে সরু ও সুগন্ধি ধানের জাতগুলো যেখানে হেক্টর প্রতি ২-৩ টন ফলন দিত এখন ব্রি উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল সুগন্ধি জাতগুলো ৫-৬ টন ফলন দিচ্ছে যা অত্যন্ত আশা ব্যঞ্জক। এ সময় তিনি ব্রির বিজ্ঞানীদের উচ্চ তাপমাত্রা সহিষ্ণু জাত উদ্ভাবনের গবেষণা কার্যক্রমের অগ্রগতি দেখে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন।

পরিদর্শনকালে ব্রির মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ওয়াহেদা আক্তার, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আসাদুল্লাহ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. নাজিরুল ইসলাম, জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমীর মহাপরিচালক ড. আখতারুজ্জামান, ব্রি’র পরিচালক (গবেষণা) ড. কৃষ্ণপদ হালদার, পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. মো. আবু বকর ছিদ্দিক এবং বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৯, ২০২১ ৪:৩৭ অপরাহ্ন
বগুড়ায় আউশ চাষে ৭৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা প্রণোদনা কৃষি মন্ত্রণালয়ের
কৃষি বিভাগ

বগুড়া জেলায় এবার আউশ চাষে ৯ হাজার কৃষককে ৭৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা প্রণোদনা দিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তরেরর উপ-পরিচালক মো:দুলাল হোসেন জানান, এক জন কৃষক এক বিঘার জন্য প্রণোদনা পাবে। এতে ৯ হাজার বিঘা জমিতে আউশ চাষ হবে বলে তিনি জানান।

আমান ও আউশের মাঝখানে যাতে জমি অলস পড়ে না থাকে এবং দেশে চালের ঘাটতি মেটাতে কৃষি বিভাগ প্রণোদনা দিয়ে কৃষকদের আউশ চাষে উৎসাহ দিয়ে আসছে বেশ কয়েক বছর ধরে।

জেলা কৃষি কর্মকর্তার এক তথ্যে জানা গেছে জেলায় এবার এ ২৯ হাজার ২৩৫ হেক্টর জমিতে আউশ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। যা থেকে ৭৫ হাজার ৮শ’ মেট্রিকটন আউশ(চাল আকারে) ফসল পওয়ার যাবে বলে আশা করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

জেলার কৃষি কর্মকর্তারা জানান, ইতোমধ্যে আউশ বীজ তলার কাজ শুরু হয়ে গেছে। আগামী মে মাসে আউশ ধান রোপণ শুরু হবে।

তারা আরো জানান, ৯ হাজার কৃষককে যে পৌনে ৭৮ লাখ টাকা প্রণোদনার কৃষি উপকরণ দেয়া হচ্ছে তাতে একজন কৃষক পাবে ৫ কেজি বীজ, ২০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি এম ও পি সার।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহকারী কৃষি অফিসার ফরিদ উদ্দিন জানান, বৃষ্টি আউশ চাষের জন্য উপকারী। যদি আবহাওয়া অনুকূল থাকে তবে এবার আউশের লক্ষ্যমাত্র অতিক্রম করবে। এখন অনাবৃষ্টি কারণে কৃষকরা সেচ দিয়ে বীজতলা প্রস্তুত করছে। তবে বৃষ্টি হলে এ সমস্যা দূর হবে এমনটাই আশাবাদ করছেন তারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৯, ২০২১ ৩:৫০ অপরাহ্ন
বিশ্বের দশটি দেশে রফতানি হচ্ছে জয়পুরহাটের আলু
এগ্রিবিজনেস

জয়পুরহাট জেলায় সম্প্রতি আলু উত্তোলন শেষ হয়েছে। বরেন্দ্র অঞ্চল হিসেবে পরিচিত এই জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক পরিমাণ জমিতে আলুর চাষ হয়েছে। দেশের চাহিদা মিটিয়ে বহির্বিশ্বের দশটি দেশ তথা মালেয়শিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, জাপান, ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, কুয়েত, নেপাল, রাশিয়া ও দুবাইয়ে রফতানি করা হচ্ছে জয়পুরহাটের আলু। এই অঞ্চলের আলু অত্যন্ত উন্নত মানের হওয়ায় দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের মাটিতেও এর চাহিদা অনেক। অন্যান্য বারের তুলনায় এবার আলুর দাম ভালো পাওয়ায় বেশ খুশি কৃষকরাও।

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার আলু রফতানিকারক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সূচি এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. সুজাউল ইসলাম সুজা জানান, গত ৯ বছর যাবত আমি বহির্বিশ্বের ৮টি দেশে আলু রফতানি করে আসছি। আলু রফতানি করতে প্রথমে আমি জমি নির্বাচন করি, পরে সেই জমিতে স্থানীয় কৃষি বিভাগের তত্ত্বাবধানে আলু রোগ বালাই মুক্ত করে ফলন নিশ্চিত করার পর আলু পরিপক্ক হলে তা তোলা হয়। এক পর্যায়ে বাছাইয়ের পর গ্রেটিং করে ৫কেজি, ১০ কেজি, ২০ কেজি প্যাকেট করে রফতানির জন্য প্রস্তুত করে প্রক্রিয়াজাতের কাজ শেষ হলে তা ঢাকায় রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয় সেখান থেকে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে রফতানি করা হয়। এই কাজে কৃষি বিভাগের ছাড়পত্র পেতে অনেক ভোগান্তির শিকার হতে হয় ফলে অনেকেই অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে বিদেশে আলু রফতানি করছে।

তিনি বলেন আমার কোম্পানিতে বর্তমানে শতাধিক শ্রমিক কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। চলতি ২০২০-২১ মৌসুমে জেলায় ৪১৩১৫ হেক্টর জমিতে আলুর চাষ হয়েছে। আলু উৎপাদন হয়েছে ৯ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন। গত মৌসুমে আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩৮৫০০ হেক্টর জমিতে। আলু উৎপাদন হয়েছিল ৮ লাখ ৩৫ হাজার মেট্রিক টন। আলু উৎপাদনে উদ্বৃত্ত জেলা হিসেবে পরিচিত জয়পুরহাট।

তিনি আরো বলেন, ফলন ভালো হওয়ায় স্থানীয় কৃষকরা গ্যানোলা, মিউজিকা, ডায়মন্ড, এস্টোরিকস, কার্ডিনাল , রোজেটা ও দেশি জাতের আলু বেশি চাষ করে থাকে। জেলার ১৫ টি কোল্ড স্টোরেজে প্রায় ১লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন আলু সংরক্ষণ করা হয়েছে।

জয়পুরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক স ম মেফতাহুল বারি জানান, জেলায় আলু চাষ সফল করতে স্থানীয় কৃষকদের মাঠ পর্যায়ে প্রশিক্ষণসহ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক মনিটরিং তদারকি ও কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করেছে। বিএডিসি’র পক্ষ থেকে কৃষকদের মাঝে উন্নত জাতের আলু বীজ সরবরাহ করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত অনেক পাইকারী ক্রেতারা জমি থেকেই আলু কিনে নিয়ে গেছে। এবার বাজারেও আলু প্রকার ভেদে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কেজি বিক্রি হওয়ায় কৃষকরা বেশ খুশি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৯, ২০২১ ২:১৭ অপরাহ্ন
ব্রি-২৮ ধান চাষ করে ব্যাপক ক্ষতির মুখে কৃষকরা
কৃষি গবেষনা

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে আগাম জাতের উচ্চ ফলনশীল ব্রি-২৮ জাতের ধান চাষ করে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছেন কৃষকরা। ধানের নেক ব্লাস্ট (শীষ মরা) রোগের আক্রমণে তারা এখন দিশেহারা। অধিক খরচে আবাদ করে কৃষকের মাথায় এখন হাত পড়েছে।

অনেকেই এখন জমির ধান কেটে বাড়িতে আনতে চান না বলে জানিয়েছেন। ব্রি-২৮ জাতের ধানে চিটার পরিমাণ বেশি হওয়ায় খড় ছাড়া আর কিছুই পাওয়া যাবে না বলে ধান কাটতে অনীহা কৃষকদের। তাদের দাবি শীষ মরা রোগে আক্রান্ত ধানের খড়ও গবাদিপশু খেতে চায় না।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৫শ’ হেক্টর বেশি জমিতে ধান চাষ হয়েছে। এবছর ১৬ হাজার ২১২ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের ধান চাষ হয়। যার মধ্যে ৩ হাজার ১শ হেক্টর জমিতে ব্রি-২৮ ধান চাষ করা হয়েছে।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা গেছে উপজেলার সোনাহাট ইউনিয়নের দক্ষিণ ভরতের ছড়া, উজির পাড়া, মাহিগঞ্জ, লক্ষী মোড়, পাইকেরছড়া ইউনিয়নের পাটেশ্বরী ব্রিজ পাড়, বেলদহ, আন্ধারীঝাড় ইউনিয়নের মোগলকাটা, ভূরুঙ্গামারী ইউনিয়নের দেওয়ানের খামার, বাগভান্ডার, ঈশ্বরবরুয়া, কামাত আঙ্গারীয়া, তিলাই ইউনিয়নের পশ্চিম ছাট গোপালপুর, বানিয়াটারী, পাথরডুবি ইউনিয়নের মইদাম, বাঁশজানী, শিলখুড়ি ইউনিয়নের উত্তর তিলাই, দক্ষিণ ধলডাঙ্গা ও কাঠগীর এলাকায় ব্রি-২৮ জাতের ধানের শীষ শুকিয়ে সাদা হয়ে চিটায় পরিণত হয়েছে। কৃষকদের মতে এই রোগের নাম ‘শীষ মরা’ আর কৃষি অফিসের মতে এটি ‘নেক ব্লাস্ট’ রোগ।

আন্ধারীঝাড়ের কৃষক ফজলুর রহমান জানান, এক বিঘা ধান কেটে বাড়িতে নিয়েছি, এই ধানের খড় গরুও খেতে চায় না। অপর কৃষক রফিকুল জানান, বিঘা প্রতি ছয় মণ ধান দেয়ার চুক্তিতে তিন বিঘা জমিতে ব্রি-২৮ ধান চাষ করেছি। শীষ মরা রোগে সমস্ত জমির ধান চিটা হয়ে গেছে। লাভ তো দুরের কথা, খরচ উঠবে না। জমির মালিক যদি ছাড় না দেন বাজার থেকে ধান কিনে দিতে হবে তাকে।

পাইকের ছড়ার বেলদহ গ্রামের কৃষক ভুট্টু জানান, ধানের শীষের গোড়ার দিকে কালো দাগ হয়, দুইদিনের মধ্যে সমস্ত শীষ শুকিয়ে সাদা হয়ে যায়। ওষুধ দিয়েও কাজ হচ্ছে না। তিনি আরো জানান, তার এক প্রতিবেশীর এক বিঘা জমিতে ১ মণের কম ধান হয়েছে। দক্ষিণ ভরতের ছড়ার কৃষক ইদ্রিস আলী জানান, এক বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছি, ওই জমিতে ৩/৪ মণ ধান হবে কিনা তা নিয়ে সন্দেহ রয়েছে।

একই এলাকার কৃষক শাহ আলম জানান, ৩৮ শতাংশ জমিতে ধান লাগিয়েছিলাম। ধানের যে অবস্থা তাতে ধান কাটা আর না কাটা একই সমান।

অধিকাংশ কৃষকের দাবি উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের পরামর্শে ক্ষেতে ওষুধ স্প্রে করেও শীষ মরা ঠেকানো সম্ভব হয়নি।

সোনাহাট ডিগ্রী কলেজের কৃষি বিভাগের প্রভাষক আজিজুল হক বলেন, ধানের শীষ বের হওয়া শুরু হলে জমিতে সব সময় দুই আড়াই ইঞ্চি পানি রাখলে এবং পটাশিয়াম ও ছত্রাক নাশক স্প্রে করলে ধানের শীষ সাদা হয়ে ধান এত বেশী নষ্ট হবে না এবং ধান নেকব্লাষ্টে আক্রান্ত কম হবে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান জানান, নেকব্লাস্ট দমনে কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। ব্রি-২৮ জাতটি বর্তমান সময়োপযোগী নয়। কৃষি অফিসের তৎপরতায় ব্রি-২৮ জাতের ধান চাষ গত বছরের তুলনায় এবছর অর্ধেকে নামিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। জমিতে অধিক পরিমাণে ইউরিয়া ও ডিএপি সার প্রয়োগ, পরিমাণ মতো এমওপি সার প্রয়োগ না করার কারণে নেকব্লাস্টের পরিমান বেড়ে গেছে। প্রাথমিক লক্ষণ দেখা দেয়া জমিতে ৬৬ লিটার ওষুধ মেশানো পানি স্প্রে করতে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে কৃষি অফিস থেকে। কৃষকরা সঠিকভাবে স্প্রে না করায় নেক ব্লাস্ট প্রতিরোধ সম্ভব হচ্ছে না। তিনি কৃষকদের ব্রি-২৮ জাতের পরিবর্তে ব্রি-৭৪, ব্রি-৮৬, ব্রি-৮৯ ও ব্রি-৯২ জাত চাষ করার পরামর্শ প্রদান করেন।

 

সূত্রঃ কালের কণ্ঠ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৯, ২০২১ ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
সাদুল্যাপুরে বাড়ছে বিষমুক্ত সবজি চাষ
কৃষি গবেষনা

সাদুল্যাপুর উপজেলার হাট-বাজারে মিলছে বিষমুক্ত সবজি। আর এই বিষমুক্ত সবজির চাহিদা ব্যাপক থাকায় কৃষকরাও হচ্ছেন লাভবান।সেক্সফেরোমন পদ্ধতি ব্যবহার করে কৃষকরা এখন কোনো প্রকার কীটনাশক ছাড়াই বেগুন, পটোল, করলা, ঢ্যাঁড়শ, শসা, টমেটো, বরবটি, ঝিঙ্গা, চিচিঙ্গা, মিষ্টিকুমড়া, চালকুমড়া, লালশাক এবং পুইশাক চাষ করছেন তারা।

কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ থেকে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে উপজেলায় ৪৬০ হেক্টর জমিতে বিষমুক্ত সবজি চাষ হয়েছে। এর মধ্যে বেগুন ১০৫ হেক্টর জমিতে, পটোল ৫৫ হেক্টরে, করলা ১০০ হেক্টরে, শসা ৮০ হেক্টরে, টমেটো ২০ হেক্টরে, ঝিঙ্গা ৮ হেক্টরে, চিচিঙ্গা ১০ হেক্টরে, চালকুমড়া ১২ হেক্টরে, মিষ্টিকুমড়া ১৫ হেক্টরে, বরবটি ২০ হেক্টরে, ঢ্যাঁড়শ ১০ হেক্টরে, লালশাক ১০ হেক্টরে এবং পুইশাক চাষ করা হয়েছে ১৫ হেক্টর জমিতে। বিষমুক্ত উপায়ে চাষ পদ্ধতির এসব ফসল এখন হাট-বাজারে পাওয়া যাচ্ছে।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবু বক্কর সিদ্দিক জানান, ভালো ফলনের আশায় কৃষকরা এক সময় বেগুনসহ বিভিন্ন সবজি ক্ষেতে নানা ধরনের কীটনাশক স্প্রে করতেন। এসব কীটনাশক মানবদেহের জন্য অত্যন্ত\হক্ষতিকর। তাই তাদের সেক্সফেরোমন পদ্ধতিতে কীটনাশক ছাড়াই বেগুনসহ অন্যান্য সবজি চাষ পদ্ধতি শেখানো হয়েছে। এভাবে সবজি চাষ করে তারা\হবেশ ভালো ফলন পাচ্ছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মাহবুবুল আলম বসুনিয়া জানান, কৃষকদের বিষমুক্ত উপায়ে সবজি চাষে আগ্রহী করে তুলতে বিভিন্নভাবে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তাদের উপজেলা পরিষদের কৃষক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে এনে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ দিয়ে বিষমুক্ত সবজি চাষের সুফল ও গুণাগুণ সম্পর্কে বোঝানো হয়েছে। যার কারণে তারা এখন বিষমুক্ত সবজি চাষে অনুপ্রাণিত হয়েছেন।

তিনি আরো জানান, বর্তমানে উপজেলার ধাপেরহাট, ইদিলপুর, ভাতগ্রাম, ফরিদপুর ও জামালপুর ইউনিয়নে সর্বাধিক জমিতে এখন বিষমুক্ত সবজি চাষ করেছেন কৃষকরা। তাতে বেশ ভালো উৎপাদন হচ্ছে।

উপজেলার ইসলামপুর গ্রামের কৃষক জাহিদুল ইসলাম জানান, কৃষি বিভাগের পরামর্শে তিনি বিষমুক্ত সবজি চাষ করে আশাতীত ফলন পেয়েছেন। এ সবজি বাজারে নিয়ে গেলে নিমেষেই বিক্রি হয়। ক্রেতারাও এ সবজি খোঁজেন এবং তুলনামূলক বেশি দামেই কেনেন।\হসবজি বিক্রেতা মুন্না সাহা জানান, অন্য যে কোনো সবজির চেয়ে বেশি দামে বিক্রি হয় বিষমুক্ত সবজি। অনেক ক্রেতা আগেই জানিয়ে রাখেন বিষমুক্ত সবজির কথা। এতে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা খাজানুর রহমান জানান, কৃষকদের\হকীটনাশক ছাড়াই ফসল ফলাতে উৎসাহ দেওয়া হচ্ছে। এতে কৃষক, কৃষি ও ক্রেতারা সবাই উপকৃত হবেন বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৮, ২০২১ ৫:২৪ অপরাহ্ন
হিট শকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তায় ৪২ কোটি টাকার প্রণোদনা : কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

সম্প্রতি দেশজুড়ে উচ্চ তাপমাত্রা বা হিট শকে ধানের ক্ষয়ক্ষতির প্রেক্ষিতে ব্রি উদ্ভাবিত উচ্চ তাপ সহনশীল ধানের জাত এবং এ সংক্রান্ত গবেষণার অগ্রগতি পর্যবেক্ষণের জন্য আজ রোববার (১৮ এপ্রিল ২০২১) বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণা মাঠে ছুটে আসেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি। ভবিষ্যতে উচ্চ তাপমাত্রাজনিত বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য বিজ্ঞানীরা কি ধরনের গবেষণা করছেন মূলত সে সম্পর্কে বাস্তব ধারণা লাভের জন্য তিনি অনেকটা আকস্মিকভাবেই ব্রির গবেষণা মাঠ পরিদর্শন করেন।

প্রায় ঘণ্টাধিককাল ধরে তিনি গাজীপুরে ব্রির গবেষণা মাঠে উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীল ধানের গবেষণা প্লটসহ ব্লাস্ট ও বিএলবি প্রতিরোধী ধানের অগ্রগামি জাত, ব্রি উদ্ভাবিত বাসমতি টাইপ ধান, হাইব্রিড ধানের গবেষণা এবং ব্ল্যাক রাইসসহ বিভিন্ন উন্নত গুণ সম্পন্ন জাতের প্লটসমূহ পরিদর্শন করে তিনি সন্তোষ প্রকাশ করেন। পরিদর্শনকালে ব্রির মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর মন্ত্রীকে বিভিন্ন গবেষণা প্লট সর্ম্পকে ব্রিফ করেন।

উল্লেখ্য, বৈশ্বিক আবহাওয়া পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব বুঝতে পেরে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ২০১৩ সাল থেকে উচ্চ তাপমাত্রা সহিষ্ণু জাত উদ্ভাবনের গবেষণা শুরু করে। উচ্চ তাপমাত্রা সহিষ্ণু এন২২ (ঘ২২) জাতের সাথে বোরো মওসুমের জনপ্রিয় আধুনিক জাত ব্রি ধান২৮ এর সঙ্করায়ণ করে মার্কার এসিসটেড ব্যাকক্রসিং পদ্ধতির মাধ্যমে একটি অগ্রগামি সারি নির্বাচন করেছে যা মধ্যম মাত্রার উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীল। এ সারিটি বর্তমানে আঞ্চলিক ফলন পরীক্ষণ পর্যায়ে রয়েছে। ফলন ও অন্যান্য বৈশিষ্ট্য গ্রহণযোগ্য বলে বিবেচিত হলে এটিকে জাত হিসেবে অনুমোদনের জন্য জাতীয় বীজ বোর্ডে আবেদন করা হবে। জাত হিসেবে অনুমোদিত হলে ফুল ফোটা পর্যায়ে তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রী সেলসিয়াসের বেশি হলেও এ সারিটি আশানুরূপ ফলন দিতে পারবে।

পরিদর্শনকালে তিনি সুপার হাইব্রিড ইউএস৮৮ (টঝ-৮৮) এবং ব্রি উদ্ভাবিত বোরো মওসুমের ব্রি হাইব্রিড ধান৩, ব্রি হাইব্রিড ধান৫, ব্রি হাইব্রিড ধান৮ (প্রস্তাবিত) এবং বহুল প্রচলিত হাইব্রিড ঝখ-৮ ও তেজ গোল্ডের ফলনের তুলনামূলক পরীক্ষণ এবং ব্রি হাইব্রিড ধান৫ এর বীজ উৎপাদন প্লট পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি খাদ্য নিরাপত্তায় ব্রির বিজ্ঞানীদের প্রস্তুতি ও গবেষণা অগ্রগতি দেখে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেন এবং ব্রি বিজ্ঞানীদের অভিনন্দন জানান। এ সময় বিএডিসির চেয়ারম্যান ড. অমিতাভ সরকার, ব্রি’র পরিচালক (গবেষণা) ড. কৃষ্ণপদ হালদার, পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. মো. আবু বকর ছিদ্দিক এবং বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।

পরিদর্শনকালে কৃষিমন্ত্রী ড. মো, আব্দুর রাজ্জাক বলেন, দেশজুড়ে হিট শকে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের সহায়তার জন্য সরকার ইতোমধ্যে ৪২কোটি টাকার প্রণোদনা প্যাকেজ ও সহায়তা কর্মসূচিসহ বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। একই সঙ্গে ভবিষ্যতে যাতে দেশের মেহনতি কৃষক ভাইদের এমন বিপর্যয় এর মুখোমুখি হতে না হয় সেজন্যেই উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীল এবং রোগ ও পোকামাকড় প্রতিরোধক উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবনের বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে। মন্ত্রী বর্তমানে বৈরী পরিবেশ উপযোগী বিভিন্ন সহনশীল ও পুষ্টিগুণ সম্পন্ন জাত উদ্ভাবনের গবেষণা অগ্রগতি ও ভবিষ্যত পরিকল্পনা দেখে ব্রির বিজ্ঞানীদের ভূয়শী প্রশংসা করেন।

এসময় ব্রিতে বহুল প্রত্যাশিত পেনশন স্কিম চালু করায় ব্রির সর্বস্তরের বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শ্রমিকরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও মাননীয় কৃষিমন্ত্রীকে ধণ্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান।

এর আগে রোববার সকালে তিনি গাজীপুরের নীলের পাড়ায় কম্বাইন হার্ভেস্টারের মাধ্যমে স্কয়ার হসপিটালের বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্রফেসর ডা. সানোয়ার হোসেনের আবাদকৃত ব্রি ধান৫০ (বাংলামতি) এর শস্য কর্তন প্রত্যক্ষ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৮, ২০২১ ৪:৪২ অপরাহ্ন
পেঁপে চাষে আগ্রহ বাড়ছে বাগেরহাটের চাষিদের
কৃষি বিভাগ

স্বল্প খরচে অধিক লাভ হওয়ায় পেঁপে চাষের দিকে আগ্রহ বাড়ছে বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের প্রান্তিক চাষিদের। ভাল ফলন পেতে বারি জাতের শাহিরাচি, কাশিমপুরী, হানিডিউ, পুশাজাজেন্টসহ বিভিন্ন জাতের পেঁপের চাষ করার পরামর্শ দিচ্ছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জের কৃষক মো. আব্দুল খালেক শেখ জানান, এ বছর ১০ বিঘা জমিতে পেঁপে গাছ লাগিয়েছেন। প্রথম বার পেঁপের চারা লাগানোসহ বিভিন্ন ধরনের পরিচর্যায় প্রতি বিঘা জমিতে খরচ হয়েছে ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। বর্তমানে প্রতিমণ পেঁপে ৩শ’ টাকা দরে বিক্রি করছেন। চলতি বছর ৬ থেকে ৮ লাখ টাকার পেঁপে বিক্রি হবে বলে আশা করছেন তিনি।

একই গ্রামের কৃষক মো. কাদের শেখ জানান, পেঁপে একটি লাভজনক ফসল। তিনি এ বছর ৩ বিঘা জমিতে পেঁপে গাছ লাগিয়েছেন। চলতি বছরে এ ক্ষেত থেকে প্রায় ২ থেকে আড়াই লাখ টাকার পেঁপে বিক্রি হবে।

কৃষি বিভাগের সূত্রমতে, চলতি মৌসুমে জেলার মোড়েলগঞ্জ উপজেলায় ৪৯৮ হেক্টর জমিতে পেঁপে চাষ হয়েছে। যেখান থেকে প্রায় ৭০ হাজার মেট্রিক টন পেঁপে উৎপাদিত হবে বলে আশা করছেন তারা। এছাড়াও ভাল ফলন পেতে বারি জাতের শাহিরাচি, কাশিমপুরী, হানিডিউ, পুশাজাজেন্টসহ বিভিন্ন জাতের পেঁপের চাষ করার পরামর্শ দিচ্ছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

মোরেলগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সিফাত আল-মারুফ জানান, একবার চারা লাগালে ৩ বছর পর্যন্ত ফলন পাওয়া যায়। যারফলে দিন দিন পেঁপে চাষিদের সংখ্যা বাড়ছে। এছাড়াও বাজারে পেপের ব্যাপক চাহিদা থাকার পাশাপাশি চাষিরা ভালো দাম পাচ্ছেন বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৮, ২০২১ ৩:৫১ অপরাহ্ন
খুলনায় দরিদ্র পরিবারের মাঝে বিনামূল্যে সবজি বিতরণ
কৃষি বিভাগ

করোনা সংক্রমণ রোধে সারাদেশে চলছে কঠোর লকডাউন। আর এই লকডাউন এবং পবিত্র রমজানে মাস উপলক্ষে খুলনায় কর্মহীন হতদরিদ্রদের মধ্যে শুরু হয়েছে বিনামূল্যে সবজি বিতরণ।

শনিবার (১৭ এপ্রিল) মহানগরীর চার নম্বর ওয়ার্ডের দৌলতপুর দেয়ানা যশোর মোড় এলাকায় মধ্যবিত্ত ও দরিদ্র পরিবারের মধ্যে সবজি বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মো. শফিকুর রহমান পলাশ।

মহানগর যুবলীগের আহ্বায়ক মো. শফিকুর রহমান পলাশ বলেন, করোনার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে দেশব্যাপী চলছে কঠোর লকডাউন। এতে কর্মহীন হয়ে পড়েছেন খেটে খাওয়া মানুষ। কর্মহীন ও দরিদ্র এসব মানুষের জন্য সহায়তার হাত বাড়িয়েছে খুলনা মহানগর যুবলীগ। যার ধারাবাহিকতা লকডাউন চলাকালীন সময় প্রতিটি ওয়ার্ডে বিনামূল্যে সবজি, ইফতার ও খাদ্যসামগ্রী বিতরণ কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। ৪ নম্বর ওয়ার্ড দিয়ে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম প্রতিটি ওয়ার্ডে পর্যায়ক্রমে শুরু হবে।

খুলনা মহানগর যুবলীগের আয়োজনে সরকারি বিএল কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক আহ্বায়ক ও মহানগর যুবলীগের সদস্য মেহেদী হাসান মোড়লের উদ্যোগে সবজি বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি নুর ইসলাম, দৌলতপুর থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম, চার নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ ওহিদুজ্জামান, চার নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক আবু আসলাম মোড়ল, মহানগর যুবলীগের সদস্য অভিজিৎ চক্রবর্তী দেবু, আওয়ামী লীগ নেতা আশরাফুজ্জামান খোকন, শেখ শহিদুল ইসলাম, রফিকুল ইসলাম বাপ্পী, সাফায়েত হোসেন, হাবিব মোড়ল, মাহবুব মোড়ল, সাবেক ছাত্রনেতা বাচ্চু মোড়ল, পলাশ মন্ডল, আসাদুজ্জামান আসাদ, নওরজ জাহান আদর, যুবলীগ নেতা ইবাদ মোড়ল, আরিফ মোড়ল, ইব্রাহিম মোড়ল, শেখ নাদিম, সুমন দাস, ছাত্রনেতা রিপন মোড়ল, লিপু মোড়ল, নাজিম হোসেন ইমু, আল আমিন প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৭, ২০২১ ৫:৪০ অপরাহ্ন
যমুনার চরে জৈব পদ্ধতিতে বাড়ছে চাষাবাদ
কৃষি বিভাগ

বগুড়ার ধুনট উপজেলায় যমুনা নদীর চরগুলোতে এ মৌসুমে আবাদ করা হয়েছে মরিচ, মশুর, বুট, খেসারি কালাই, ভুট্টা, বেগুন, মিষ্টি আলু, তিল, তিশি, কালো জিরা, চিনা বাদামসহ নানা ফসল। চারদিকে দেখা মিলে যেন সবুজের সমারোহ।

বৈশাখী চরের ভুলু মন্ডল জানান, চর ভেঙে যাওয়ার পর এখন বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের পশ্চিমপাড়ে বানিয়াজান গ্রামে বাড়ি করেছি। বর্ষাকালে সব পানিতে একাকার থাকলেও গ্রীষ্মে জেগে ওঠে জমি। চর বলতে শুধুই বালু নয়, পলিও পড়ে। সেই পলিমাটিতে ফসলের বীজ বপন করলেই অনেক ফসল পাওয়া যায়। সার, সেচ দিতে হয় না।তিন বিঘা জমিতে বাদাম করেছেন। এক বিঘার বাদাম জমি থেকে উঠিয়েছেন। সার, কীটনাশক, পানি ছাড়াই পেয়েছেন আট মণ।

রাধানগর চরের লিয়াকত আলী জানান, বন্যায় ফসল নষ্ট হয়। তবু একটি ফসল ঘরে উঠাতে পারলেই সারা বছরের খাবার হয়। চরের লোকের এক ফসলেই সারা বছর চলে যায়। এখন চরে বাদাম, মশুর, খেসারি, মরিচ, মিষ্টি আলু, কালো জিরা, তিল, তিশি, ভুট্টার মৌসুম চলছে। ফলনও হয়েছে প্রচুর।

নিউ সারিয়াকান্দি চরের আব্দুল মালেক, আব্দুল আজিজ জানান, চরের সবজি থেকে শুরু করে সব ফসলের স্বাদই আলাদা। সার-কীটনাশক ছাড়া চাষ করা হয় বলে এলাকার লোকজন যারা শহরে থাকে তারা এখান থেকে চাল-ডালসহ বিভিন্ন জিনিস নিয়ে যায়।

ধুনট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মশিদুল হক বলেন, সার, কীটনাশক ছাড়া স্বল্প খরচে কৃষকরা চরে অর্গানিক (জৈব) ফসল উৎপাদন করে। ফলনও হয় প্রচুর। চরের মানুষ এসব অর্গানিক ফসল, সবজি খাওয়ায় তাদের শরীর ভাল থাকে। রোগব্যাধি কম। স্বাদও ভাল। তাই এর চাহিদাও অনেক বেশি। শুধু তাই নয়, চরে ঘাস, খড় খাওয়া গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির রোগও কম হয়। এখন চরেই শুধু অর্গানিক ফসল উৎপাদন হচ্ছে বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop