৭:১২ পূর্বাহ্ন

সোমবার, ২৭ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ২৩, ২০২২ ৬:৩২ অপরাহ্ন
কামারখন্দে আউশ ধানের বাম্পার ফলন
কৃষি বিভাগ

সিরাগঞ্জের কামারখন্দে বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে কৃষাণ-কৃষাণীরা চাষাবাদ করেছেন আউশ ধান।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এবছর উপজেলার চারটি ইউনিয়নে ৪০ হেক্টর জমিতে আউশ ধানের আবাদ করা হয়েছে। প্রতি বিঘায় ১৭ থেকে ১৮ মণ ধান উৎপাদন হচ্ছে।

উপজেলার হায়দারপুর গ্রামের কৃষক মানিক হোসেন জানান, তার ১০ বিঘা জমি প্রতি বছর আউশ মৌসুমে পতিত থাকে। কিন্তু এবছর কৃষি অফিসের দেওয়া বীজ ও সার দিয়ে সেই ১০ বিঘা জমিতে আউশ ধানের আবাদ করেছি, ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে বলে জানান মানিক।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার সাদাত জানান, উপজেলার কৃষকরা আউশ মৌসুমে ধান আবাদ করতে চান না। আউশ ধান রোপণের মাধ্যমে উৎপাদন বাড়াতে উপজেলার ২০০ কৃষককে বিনামূল্যে আউশ ধানের বীজ ও সার প্রদান করা হয়েছে। এবছর উপজেলায় ৪০ হেক্টর জমিতে গুচ্ছ পদ্ধতিতে আউশ ধানের আবাদ হয়েছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৩, ২০২২ ৫:৪০ অপরাহ্ন
বাকৃবিতে বঙ্গবন্ধুর কৃষি দর্শন ও কৃষি বান্ধব বর্তমান সরকার শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

 

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) শিক্ষক সমিতির আয়োজনে জাতীয় শোক দিবস ২০২২ উপলক্ষে ‘বঙ্গবন্ধুর কৃষি দর্শন ও কৃষি বান্ধব বর্তমান সরকার’ শীর্ষক আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২২ আগস্ট ) ভার্চুয়াল এই আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বাকৃবি শিক্ষক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড. মোহা: রেজাউল করিম এর সঞ্চালনায় এবং শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড.মো: আব্দুস সালাম এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা মন্ত্রণালযের প্রতিমন্ত্রী প্রফেসর ড. শামসুল আলম এবং প্রধান পৃষ্ঠপোষক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড.লুৎফুল হাসান।

পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. শামসুল আলম বলেছেন, বঙ্গবন্ধু ছিলেন একজন দূরদর্শী নেতা। তিনি ১৯৭২ সালে ফিরে আসার পর দেশে দুর্বার গতিতে উন্নয়ন শুরু হয়। যার ফলে এই দেশ এগিয়ে গেছে অনেক দূর, যা অন্য কোন দেশের নেতার পক্ষেই সম্ভব ছিলো না।

বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর ড.গোলাম ফারুক মানিক, নীল দলের আহ্বায়ক প্রফেসর ড. সৈয়দ মোহাম্মদ এহসানুর রহমান, ছাত্র বিষয়ক উপদেষ্টা প্রফেসর ড. খান মো. সাইফুল ইসলাম, প্রোক্টর প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মহির উদ্দিন, অফিসার পরিষদ সভাপতি খাইরুল আলম নান্নুসহ গণতান্ত্রিক শিক্ষক ফোরামের নেতৃবৃন্দসহ সিনিয়র শিক্ষকবৃন্দ বক্তব্য প্রদান করেছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৩, ২০২২ ৮:৪২ পূর্বাহ্ন
প্রাকৃতিক উপায়ে ফসলের পোকা দমন করবেন যেভাবে
কৃষি গবেষনা

প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে ফসলের বিভিন্ন ধরনের রোগ ও পোকা দমন করার একটি সহজ উপায় রয়েছে। ৫০ মিলিলিটার কেরোসিন তেলে ৮৫ গ্রাম থেঁতলানো রসুন মিশিয়ে ২৪ ঘণ্টা রেখে দিতে হবে। এরপর ৯৫০ মিলিলিটার পানি ও ১০ মিলিলিটার তরল সাবান মিশিয়ে ভালোভাবে নেড়ে নিয়ে বোতলে রেখে দিতে হবে। ১৯ লিটার পানি সঙ্গে ১ ভাগ মিশ্রণ মিশিয়ে সকালেও বিকেলে স্প্রেয়ার দিয়ে আক্রান্ত গাছে স্প্রে করতে

এই মিশ্রণটি আমেরিকান বোল ওয়ার্ম, আর্মি ওয়ার্ম, পেঁয়াজের চিরুনি পোকা, আলুর টিউবার মথ, রুট নট নিমাটোড (কৃমি), আখের কাণ্ড ছিদ্রকারী পোকা, ব্যাকটেরিয়া ঘটিত রোগ, ডাউনি মিলডিউ ও ধানের ঝলসা রোগ প্রতিরোধে খুবই কার্যকরী।

অন্যদিকে বিভিন্ন ধরনের পাতা খেকো পোকা ও জাব পোকা নিয়ন্ত্রণে ১ কেজি পেঁয়াজ থেঁতো করে ১ লিটার পানির সঙ্গে মিশিয়ে ২৪ ঘণ্টা রেখে দেওয়ার পর কচলিয়ে রস নিংড়ে নিতে হবে। প্রাপ্ত নির্যাসের সাথে ১০ লিটার পানি মিশিয়ে আক্রান্ত ফসলে স্প্রে করতে হবে।

প্রাকৃতিক সার প্রয়োগ ও জৈব কীটনাশক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ফসলের উৎপাদন খরচ শতকরা ২৫-৩০ শতাংশ হ্রাস করা সম্ভব। উচ্চ পুষ্টিমানসম্পন্ন প্রযুক্তিতে উৎপাদিত জৈব সার, শাক-সবজি ও অন্যান্য ফসলের প্রয়োজনীয় নাইট্রোজেন, ফসফরাস ও পটাশিয়ামের সঙ্গে অণুখাদ্যের যোগান দেয়।

প্রাকৃতিক পদ্ধতিতে উৎপন্ন কীটনাশক ও ছত্রাকনাশকগুলো ফসলে কোনো রকম দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ব্যতি রেখে, পোকা ও রোগ দমনে কার্যকরী ভূমিকা পালন করে। এতে মাটির স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও উর্বরতা দীর্ঘমেয়াদী হয়। উৎপাদিত ফসল হয় স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ।

বন্ধুপোকা মাকড়ের (পরজীবি ও পরভোজী) সংরক্ষণের জন্য জমির পাশে অব্যবহৃত জায়গায় ত্রিধারা, উঁচুটি, শালিঞ্চে ইত্যাদি আগাছা জাতীয় গাছের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে। এসব বন্ধুপোকা ফসলের অন্যান্য ক্ষতিকর পোকামাকড় খেয়ে ফেলে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৯, ২০২২ ১০:৪৯ পূর্বাহ্ন
তিল চাষে এগিয়ে সাতক্ষীরা
কৃষি বিভাগ

কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের উদ্ভাবিত বিনা তিল-২ চাষ করে সফল হচ্ছেন সাতক্ষীরার চাষিরা। চাষের মাধ্যমে বিঘা প্রতি ৭মণ তিল উৎপাদিত হচ্ছে। স্থানীয় বাজার সহ সারা দেশে তিলের ব্যাপক চাহিদা ও দাম ভালো থাকায় লাভবান হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন চাষিরা। এতে ভোজ্য তেলের ঘাটতি ও চাহিদা মেটানো সম্ভব বলে মনে করছেন কৃষি বিভাগ।

জানা যায়, সাতক্ষীরা অঞ্চল একটি খরা প্রবণ এলাকা। খরার কারণে কিছু চাষ করতে না পারায় চাষীরা তাদের জমি ফেলে রাখতেন। কৃষি বিভাগের পরামর্শে এখন সেই ফেলে রাখা জমিতে তিল চাষ করে প্রত্যাশার চাইতে বেশি অর্থ আয় করতে পারছেন তারা। এই তিল কালো এবং গাছে ৩-৪ টি প্রধান শাখা হয়। অনেকগুলো উপশাখা হয় বলে ফলনও বেশি হয়।

খুলনা কৃষি বিদ্যালয়ের প্রফেসর রাকিবুল হাসান জানান, তিলের তেলে রয়েছে অনেক পুষ্টিগুণ এবং ওমেগা থ্রি ফ্যাটি এসিড। এই তেল ত্বক ও স্বাস্থ্যের জন্য খুবই উপকারি। তিল চাষে খরচ অনেক কম, আগাছা পরিষ্কার করা ও পানির তেমন প্রয়োজন হয় না। তাই দিন দিন তিল চাষের দিকে ঝুঁকছেন চাষিরা।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. বাবুল আকতার জানা, চাষীদের দেওয়া হয়েছে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ এবং বিনামূল্যে আড়াই কেজি তিল বীজ বিতরণ করা হয়েছে। এই মৌসুমে পতিত জমিতে তিল চাষ করে সাতক্ষীরার কৃষকরা লাভবান হয়েছেন। আশা করছি আগামীতে তিল চাষ আরো বৃদ্ধি পাবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৮, ২০২২ ১১:৩০ পূর্বাহ্ন
ট্রেতে চারা লাগানোর দিকে ঝুঁকছেন কুমিল্লার চাষিরা
কৃষি বিভাগ

জেলায় ট্রেতে চারা লাগানো দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। এতে কমছে খরচ। বাড়ছে ফসল উৎপাদন। তিন ফসলি জমিতে অতিরিক্ত ফসল হিসেবে সরিষাকে যুক্ত করতে কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের সাহায্যে চারা রোপণ করা হচ্ছে।

এজন্য সিডলিং ট্রেতে চারা তৈরির জন্য বীজ বপন করা হচ্ছে। তাছাড়া পাকা ধানের জমি কাটা হচ্ছে কম্বাইন হারভেস্টারের মাধ্যমে। বুড়িচং উপজেলার ভারেল্লা দক্ষিণ ইউনিয়নের রামপুর গ্রামের কৃষকদের এমন উৎসবে ব্যস্ত থাকতে দেখা গেছে।

এছাড়া প্রয়োজনের সময় শ্রমিক পাওয়া যায় না। অনেক সময় বিভিন্ন কারণে শ্রমিক মজুরি দ্বিগুণ পর্যন্ত হয়ে যায়। এখন সব চিন্তা থেকে আমরা মুক্ত।

বুড়িচং উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, উপজেলার রামপুর ও পাহাড়পুর গ্রামে ২০ বিঘা জমিতে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের সাহায্যে চারা রোপণ ও কম্বাইন হারভেস্টারের সাহায্যে ধান কাটার উদ্যোগে গ্রহণ করা হয়েছে। সে নিরিখে এখন সিডলিং ট্রেতে চারা তৈরির জন্য বীজ বপন করছেন কৃষকরা। এতে তাদের সময় ও খরচ বাঁচে।

বুড়িচং উপজেলায় কার্যক্রমটির সমন্বয়কারী কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার বানিন রায় বাসসকে জানান, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট কুমিল্লা আঞ্চলিক কার্যালয়ের অর্থায়নে এ কাজটি হচ্ছে। দুটি উদ্দেশ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি।

প্রথমত কৃষিতে যান্ত্রিকীকরণ বিশেষ করে রাইস ট্রান্সপ্লান্টারের ব্যবহারকে জনপ্রিয় করা। দ্বিতীয়ত যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে ১০-১৫ দিন বাঁচিয়ে শস্য বিন্যাসে নতুন ফসল সরিষার অন্তর্ভুক্তি। তাছাড়া স্বল্প খরচে চারা রোপণ ও কর্তনের মাধ্যমে কৃষকের বিঘা প্রতি ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা অর্থ সাশ্রয় হবে ও শ্রমিক সংকটের চিন্তা কিছুটা লাঘব হবে।

ইতোমধ্যে আউশ ধান কাম্বাইন হারভেস্টারের মাধ্যমে কাটা হচ্ছে। পরবর্তীতে রোপা আমনও কাটা হবে বলে জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৮, ২০২২ ১১:২২ পূর্বাহ্ন
নওগাঁয় কৃষকদের মাঝে প্রণোদনার বীজ-সার বিতরণ
কৃষি বিভাগ

জেলায় চলতি মৌসুমের আমন এবং আউশ চাষে মোট ২৩ হাজার ৫শ কৃষকের মধ্যে ১ কোটি ১৯ লাখ ৮৫ হাজার টাকা মূল্যের কৃষি প্রণোদনা হিসেবে বীজ ও সার বিতরণ  করা হয়েছে। এর মধ্যে চলতি রোপা আমন মৌসুমে ৭ হাজার জন কৃষকের মধ্যে ৭ হাজার বিঘা জমির বিপরীতে মোট ৩৫ লক্ষ ৭০ হাজার টাকা এবং ১৬ হাজার ৫শ জন কৃষকের মধ্যে ১৬ হাজার ৫শ বিঘা জমির বিপরীতে মোট ৮৪ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা মূল্যের প্রণোদনা বিতরণ করা হয়েছে।

কৃষি সম্পসারণ অধিদপ্তর নওগাঁ’র উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আবু হোসেন জানিয়েছেন, প্রণোদনা হিসেবে প্রত্যেক কৃষককে তাঁদের এক বিঘা জমির বিপরীতে ৫ কেজি করে বীজ, ১০ কেজি করে ডিএপি এবং ১০ কেজি করে এমওপি দেয়া হয়েছে। প্রতি কেজি বীজ ৪০ টাকা টাকা হিসেবে ২০০ টাকা, প্রতি কেজি ডিএপি ১৬ টাকা হিসেবে ১৬০ টাকা এবং প্রতি কেজি এমওপি ১৫ টাকা হিসেবে ১৫০ টাকা হারে প্রত্যেক কৃষক পেয়েছেন ৫১০ টাকার সামগ্রী। সেই হিসেবে ৭ হাজার আমন চাষের কৃষকের মধ্যে প্রণোদনা দেয়া হয়েছে ৩৫ লক্ষ ৭০ হাজার টাকার সামগ্রী।

উপজেলা ভিত্তিক আমন মৌসুমে প্রণোদনা প্রাপ্ত কৃষকের সংখ্যা হচ্ছে নওগাঁ সদর সদর উপজেলায় ৪৫০ জন কৃষক, রানীনগর উপজেলায় ৬৩৫ জন কৃষক, আত্রাই উপজেলায় ২৯০ জন কৃষক, বদলগাছি উপজেলায় ৫৩০ জন কৃষক, মহাদেবপুর উপজেলায় ৮৫০ জন কৃষক, পত্নীতলা উপজেলায় ৯০০ জন কৃষক, ধামইরহাট উপজেলায় ৭১০ জন কৃষক, সাপাহার উপজেলায় ৪৫০ জন কৃষক, পোরশা উপজেলায় ৬০০ জন কৃষক, মান্দা উপজেলায় ৬৩৫জন কৃষক এবং নিয়ামতপুর উপজেলায় ৯৫০ জন কৃষক।

অপরদিকে এ বছর আউশ চাষে কৃষকদের আগ্রহী করে তুলতে জেলায় ১৬ হাজার ৫শ জন কৃষককে একই পরিমাণ প্রণোদনা দেয়া হয়েছে। উপজেলাভিত্তিক আউশ চাষে প্রণোদন্প্রাাপ্ত কৃষকের সংখ্যা হচ্ছে সদর উপজেলায় ১ হাজার ৯শ জন। রানীনগর উপজেলায় ১ হাজার ২শ জন, আত্রাই উপজেলায় ৯০০ জন, বদলগাছি উপজেলায় ১ হাজার ২শ জন, মহাদেবপুর উপজেলায় ২ হাজার ১শ জন, পত্নীতলা উপজেলায় ১ হাজার ৫শ জন, ধামইরহাট উপজেলায় ১ হাজার ৩শ জন, সাপাহার উপজেলায় ১ হাজার ১শ জন, পোরশা উপজেলায় ১ হাজার ১শ জন, মান্দা উপজেলায় ২ হাজার ২শ জন এবং নিয়ামতপুর উপজেলায় ২ হাজার জন। উল্লেখিত সংখ্যক কৃষকদের মধ্যে অনুরুপ জনপ্রতি ৫১০ টাকা করে বীজ ও সার বিতরণের জন্য ব্যয় হয়েছে ৮৪ লক্ষ ১৫ হাজার টাকা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৮, ২০২২ ৮:১২ পূর্বাহ্ন
সেপ্টেম্বরে কৃষি গুচ্ছ পরীক্ষা,আসন প্রতি লড়বেন ২৩ শিক্ষার্থী
কৃষি বিভাগ

কৃষিবিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রি প্রদানকারী ৮টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষা হবে আগামী ১০ সেপ্টেম্বর।

ইতোমধ্যেই আবেদন প্রক্রিয়া শেষ করেছে গুচ্ছ কৃষি ভর্তি কমিটি। মোট আসন সংখ্যা ৩৫৩৯ টির বিপরীতে মোট আবেদন করেছে ৭৯ হাজার একশত ৪৭ জন শিক্ষার্থী। সে হিসাবে কৃষি গুচ্ছের ১টি আসনের জন্যে লড়বেন প্রায় ২৩ জন পরিক্ষার্থী। 

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কৃষি গুচ্ছ ভর্তি কমিটির দায়িত্বে থাকা শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া।

আবেদনের ক্ষেত্রে বিগত বছরগুলোতে আসন সংখ্যার ১০ গুণ ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসার সুযোগ পেতেন। তবে এবার এ সিলেকশন পদ্ধতি বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ।

এবছর আবেদনের যোগ্যতা সর্বমোট ন্যূনতম ৮.৫ করা হয়েছিল। এ যোগ্যতার মধ্যে প্রত্যেক ভর্তিচ্ছুক পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পেরেছে।

এবছর ভর্তি পরীক্ষায় আসন সংখ্যা আগের মতোই রয়েছে। তবে এ গুচ্ছের সঙ্গে নতুন ‍যুক্ত হওয়া হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯০টি আসন যোগ হয়েছে।

এ ছাড়াও বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ১১৬টি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৩০টি, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০৪টি, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৩১টি, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৪৩টি, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৪৫টি, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫০টি আসন রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৭, ২০২২ ৮:২২ অপরাহ্ন
স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি কখনোই ক্ষমতায় আসতে পারবে না: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, সংবিধান অনুযায়ী আগামী জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি কখনোই বাংলাদেশে ক্ষমতায় আসতে পারবে না। যারা ষড়যন্ত্র করছে তাদের পায়ের নিচে মাটি নেই।

বুধবার (১৭ আগস্ট) সকালে রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভায় এ সব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতাবিরোধীরা এখনো ষড়যন্ত্র করছে, বঙ্গবন্ধুর হত্যাকাণ্ড ইতিহাসের কলঙ্কজনক অধ্যায় ছিল। বঙ্গবন্ধু সবসময় দুঃখী মানুষের কষ্টের কথা ভাবতেন। দেশের মানুষের অর্থনৈতিক মুক্তির কথা ভাবতেন। ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখতেন তিনি।

শেখ মুজিব ছাড়া বাংলাদেশের অস্তিত্ব চিন্তা করা যায় না। বাংলাদেশে এখন ক্ষুধার হাহাকার নেই বলেও জানান তিনি।

তিনি আরও বলেন, সরকার আপ্রাণ চেষ্টা করছে সংকট নিরসনে। সবার কষ্ট হচ্ছে। বাংলাদেশ কখনো শ্রীলঙ্কা হবে না।

প্রসঙ্গত ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট কালরাতে ধানমন্ডির ৩২ নম্বরের বাসভবনে বঙ্গবন্ধু ছাড়াও তার সহধর্মিণী বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব, তিন ছেলে শেখ কামাল, শেখ জামাল ও শিশুপুত্র শেখ রাসেল, পুত্রবধূ সুলতানা কামাল ও রোজী জামাল, বঙ্গবন্ধুর একমাত্র ভাই শেখ আবু নাসেরসহ আরো অনেককে হত্যা করা হয়। বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা সে সময় বিদেশে অবস্থান করায় এ হত্যাকাণ্ড থেকে প্রাণে বেঁচে যান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৬, ২০২২ ২:৩৩ অপরাহ্ন
প্রায় দুই যুগ ধরে কৃষকের আস্থা অর্জনকারী ব্রি ধান ২৮
কৃষি বিভাগ

প্রায় দুই যুগ ধরে কৃষকের আস্থা অর্জনকারী ব্রি ধান ২৮ এর জায়গা দখল করেছে ব্রি ধান ৫৮। মেহেরপুর জেলায় চলতি বছরে বোরো ধান মৌসুমে ব্রি ধান ২৮ এ ব্যাপকভাবে ব্লাস্ট রোগে আক্রমণ করে। বিপরীতে অনেকটাই ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধী ও উচ্চ ফলনশীল জাত ব্রি ধান ৫৮।

ফলে কৃষকের মাঝে আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত লেটেস্ট এই ভ্যারাইটি।

মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, সদ্য শেষ হওয়া বেরো মৌসুমে জেলায় ২৩ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। সেখানে অর্জিত হয়েছে প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর। ধান উৎপাদন হয়েছে প্রায় এক লাখ মে. টন। ব্লাস্ট সংক্রমিত জমি থেকে ধানের ফলন কম হলেও উচ্চ ফলনশীল ব্রি ধান ৫৮, ব্রি ধান ২৯ এবং ব্রি ধান ৬৩ তে অধিক ফলনের কারণে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছেছে।

গাংনী উপজেলার সাহারবাটি গ্রামের কৃষক তহসিন আলী জানান, তিনি এবারের বোরো মৌসুমে এক একর জমিতে ব্রি ধান ৫৮ আবাদ করেছিলেন। একই মাঠে অনেক কৃষকের ক্ষেতে ব্রি ধান ২৮ ব্লাস্ট নামক ছত্রাকে নষ্ট হলেও তার ক্ষেত ভালো ছিল। তাই ফলন ভালো হয়েছে। এছাড়াও ধান গাছ খাড়া থাকায় বিচুলি করতে পেরে গো খাদ্যের সংকট মিটেছে।

ভাটপাড়া গ্রামের কৃষক সোহেল রানা জানান, কৃষি অফিসের প্রদর্শনীর আওতায় তিনি দেড় বিঘা জমিতে ব্রি ধান ৫৮ আবাদ করেছিলেন। বিঘায় (৩৩ শতক) ফলন হয়েছে ৩০ মণের উপরে। তার পাশের ক্ষেতের কৃষকদের ব্রি ধান ২৮ এর ফলন হয়েছে ২০-২২ মণ। ব্রি ধান ৫৮ দেখতে অনেকটাই ২৮ এর মতো হওয়ায় ভালো দামে বিক্রি হয়েছে। আগামী মৌসুমে এ অঞ্চলের মানুষ ব্রি ধান ৫৮ চাষের উপর জোর দেবেন বলেও জানান তিনি।

রাইপুর গ্রামের কৃষক হাফিজুর রহমান মোকলেছ বলেন, ‘আমি এবার ২০ বিঘা জমিতে ব্রি ধান ৬৩ আবাদ করে ব্যাপক ফলন পেয়েছি। যা বিঘায় ২৫-৩০ মণ। ধান লম্বা ও সরু যা মিনিকেট সাদৃশ্য। ফলে অন্যান্য ধানের চেয়ে প্রতি মণে ১০০-২০০ টাকা বেশি দরে বিক্রি করতে পেরেছি। এর ভাত সু-স্বাদু ও ঝরঝরে হওয়ায় সহজেই মানুষ আকৃষ্ট হচ্ছেন।’

মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক ডক্টর আখতারুজ্জামান জানান, ‘আমাদের ব্রি’র বিজ্ঞানিরা নিরলসভাবে চেষ্টা করে সময় উপযোগী বিভিন্ন প্রকার ভ্যারইটি উদ্ভাবন করছেন। বোরো ধানের উচ্চ ফলনশীল জাত ব্রি ধান ৫৮ এবং ব্রি ধান ৬৩ সত্যিই কৃষকদের জন্য উপকারী। এর আবাদ সম্প্রসারণের জন্য আমরা চেষ্টা করছি। ব্রি ধান ২৮ দীর্ঘ দুই যুগ ধরে আবাদ করা হচ্ছে। ফলে এতে অনেক রোগ বালাই ঢুকে গেছে। নির্বিঘ্নে ধান আবাদের জন্য ব্রি উদ্ভাবিত নতুন নতুন জাতের ধান আবাদে কৃষকদের প্রতি পরামর্শ দিচ্ছি।’

জানা গেছে, ব্রি ধান ২৮ চাষাবাদের জন্য ১৯৯৪ সালে জাতীয় বীজ বোর্ড থেকে অনুমোদিত হয়। এর পরে আরও অনেক জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্যতম জাত হচ্ছে ব্রি ধান ২৯, ৫৮ ও ৬৩। এদের মধ্যে ব্রি ধান ২৯ এর জীবনকাল একটু বেশি। দেশের যে অঞ্চলগুলোতে ব্রি ধান ২৮ ও ২৯ চাষাবাদ হয় সেই অঞ্চলগুলোতে চাষাবাদ এবং ফলন পরীক্ষার পর ২০১২ সালে ব্রি ধান ৫৮ চাষাবাদের জন্য অনুমোদন দেয় জাতীয় বীজ বোর্ড। ঝড় বৃষ্টিতে ধান গাছ হেলে পড়ে না তাই ফলন বিপর্যয় হওয়ার আশঙ্কা কম।

অন্যদিকে ব্রি ধান ২৮ সহজেই হেলে পড়ে। ৫৮ ও ৬৩ জাতের অন্যতম বৈশিষ্ট হল শীষ থেকে ধান ঝরে পড়ে না। ব্রি ধান ২৮ এর প্রায় সমান জীবন কাল হওয়ায় একই সময়ে কাটা মাড়াই করা যায়। প্রতি হেক্টরে ব্রি ধান ২৮ এর ফলন ৫.৫ থেকে ৬ মেট্রিক টন, ব্রি ধান ২৯ এর ফলন ৭.৫ মেট্রিক টন, ব্রি ধান ৫৮ এর ফলন ৭ থেকে ৭.৫ মেট্রিক টন, ব্রি ধান ৬৩ এর ফলন ৬.৫ থেকে ৭ মেট্রিক টন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৬, ২০২২ ৯:১৬ পূর্বাহ্ন
পিরোজপুরে আমড়ার ফলন ভালো ,তবে দামে হতাশ চাষিরা!
কৃষি বিভাগ

পিরোজপুর কাউখালীতে এ বছর আমড়ার বাম্পার ফলন হয়েছে। দেশে আমড়ার চাহিদা দিন দিন বাড়ছে। আমড়ার মৌসুমে বাজার ছাড়াও পথে পথে প্রচুর বিক্রি হয়। আমড়ার পুষ্টিগুন দিয়ে অর্থকরী ফল হিসেবেও নিজের জায়গা করে নিয়েছে। ফলন ও বাজার দর ভালো থাকার ফলে আমড়া চাষে আগ্রহী হচ্ছেন চাষিরা।

গত চার বছরের তুলনায় এই উপজেলায় চলতি মৌসুমে আমড়ার ভালো ফলন হয়েছে। কিন্তু আমড়ার আমড়ার বাজার দর কম হওয়ায় চাষিদের মুখে হাসি নেই। বরিশাল বিভাগের বিভিন্ন উপজেলায় আমড়ার ফলন বেশি হয় বলেই ‘বরিশালের আমড়া’ নামে এই ফলের পরিচিতি বেশি।

পিরোজপুর জেলার কাউখালী উপজেলা ছাড়াও স্বরূপকাঠী ও নাজিরপুরে আমড়ার আবাদ হয় বেশি। এসব এলাকায় প্রত্যেকটি বাড়িতে আমড়া গাছ রয়েছে। এমন কোনো বাড়ি নেই যে বাড়িতে আমড়া গাছ নেই। অনেকে পতিত জমির আইলে এবং কেউ কেউ ফসলি জমিতে আমড়ার বাগান করেছেন। কোনো কোনো চাষির বাগান থেকে বছরে লাখ লাখ টাকা আয় হয়। শ্রাবণ ভাদ্র মাসে আমড়া পরিপক্ব হলে বেপারীরা ফাল্গুন চৈত্র মাসে কুড়ি দেখেই আগাম টাকা দিয়ে বাগান কিনে রাখেন। আবার অনেক চাষি নিজেরাই বাজারে আমড়া বিক্রি করেন।

উপজেলার প্রধান বন্দর লঞ্চঘাট, দণি বাজার, পাঙ্গাশিয়াসহ বিভিন্ন বড় বাজারে রয়েছে আমড়ার আড়ত। ওই সব আড়ত থেকে আমড়া চলে যায় ঢাকা, চাঁদপুর, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, মেঘনাঘাটসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়।

উপজেলার চিরাপাড়া গ্রামের আমড়া চাষি মিরাজ হাওলাদার বলেন, আমড়া বিক্রির মধ্যস্থদের অধিক মুনাফার কারণে আমড়া উৎপাদনকারী গৃহস্থরা ন্যায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। সে কারণেই আমড়া চাষিরা বাম্পার ফলনে খুশি হলেও দামে খুশি নন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আলী আজিম শরীফ বলেন, গত ২ বছরের চেয়ে এ বছর আমড়ার ফলন বৃদ্ধিতে দাম কমে গেছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop