৮:৫১ পূর্বাহ্ন

সোমবার, ২৭ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ১৫, ২০২২ ১১:০৭ পূর্বাহ্ন
চাঁদপুরের ‘গেন্ডারি’র সুনাম দেশজুড়ে
কৃষি বিভাগ

দেশজুড়ে বাড়ছে চাঁদপুরের ‘গেন্ডারি’ জাতের আখের সুনাম। তবে বর্তমানে ‘চাঁদপুর গেন্ডারি’র পাশাপাশি রং বিলাস আখের আবাদও বেড়েছে। একই জমিতে মিশ্র আখের আবাদ করেছেন অনেক চাষিরা। ফলন ভালো হলেও অনেক জমিতে ছত্রাক জাতীয় রোগে আক্রান্ত হয়েছে আখ। চাঁদপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ বছর জেলায় আখ আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬২০ হেক্টর, আবাদ হয়েছে ৬৪০ হেক্টর। এর মধ্যে বেশি আবাদ হয়েছে ফরিদগঞ্জ উপজেলায়।

আখচাষি শিপন মিয়া জানান, চলতি মৌসুমে ২২ শতাংশ জমিতে ‘চাঁদপুর গেন্ডারি’র পাশাপাশি রং বিলাস আবাদ করেছি। উভয় জাতের আখই ভালো ফলন হয়েছে। রং বিলাস আখ সাইজে অনেক লম্বা হয়। তবে চিবিয়ে খাওয়ার জন্য ‘চাঁদপুর গেন্ডারি’ স্থানীয় লোকজনের কাছে জনপ্রিয়।

ফরিদগঞ্জ উপজেলার আখচাষি কলন্দর খান জানান, রং বিলাস জাতের আখ আবাদ করেছি। মিশ্রসহ আখের আবাদের পরিমান ১শ’ ২০ শতাংশ। রং বিলাস খুবই মিষ্টি ও রসালো। ফলনও খুব ভালো হয়েছে। আশা করছি বাজারে ভালো দাম পাবো।

চাঁদপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. জালাল উদ্দিন জানানর, এ বছর চাঁদপুর জেলায় চিবিয়ে খাওয়া আখের আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬২০ হেক্টর, আবাদ হয়েছে ৬৪০ হেক্টর। জলাবদ্ধতার কারণে কৃষকদের কিছুটা ক্ষতি হয়েছে। জলবাদ্ধতা ও ছত্রাক জাতীয় রোগ থেকে রক্ষায় কৃষকদের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৫, ২০২২ ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন
মিরসরাইয়ের কচু যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়
কৃষি বিভাগ

মিরসরাইয়ের কৃষকরা দিন দিন কচু চাষের দিকে ঝুঁকছেন। কচু চাষে পরিশ্রম বেশি হলেও লাভ বেশি বলে চাষের হার বাড়ছে। স্থানীয় বাজারসহ সারাদেশে কচুর চাহিদা থাকায় কচু চাষে প্রতিনিয়ত নতুন নতুন চাষি যুক্ত হচ্ছেন। মিরসরাইয়ের কচু যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন জায়গায়।

মিরসরাই উপজেলার ১১ নং মঘাদিয়া ইউনিয়নের কচুয়া এলাকার কৃষক নুর হোসেন ও নওশা মিয়া বলেন, তারা এবছর ৬০ শতক জমিতে কচু চাষ করে ইতোমধ্যে ১ লাখ ৩২ হাজার টাকার কচু বিক্রিও করেছেন। জমিতে যা কচু আছে তা আরও ১৫ দিন বিক্রি করতে পারবেন বলে জানান তারা। বলেন, কচু চাষে কষ্ট বেশি হলেও লাভও বেশি হয়। কচুর পাশাপাশি কচুর ফুল ও লতি বিক্রি করা যায়। এখানকার কচু স্থানীয় বাজারসহ বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয়।

মিরসরাই উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা কাজী নুরুল আলম বলেন, উপজেলায় এবার ১৫০ একর জমিতে কচু চাষ করা হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের চাষ হলেও সর্বোচ্চ চাষ হয় মিরসরাই পৌরসভা ও মঘাদিয়া ইউনিয়নে। এসব এলাকার কৃষকরা কচু চাষে ভালো করেছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৪, ২০২২ ৬:৪৪ অপরাহ্ন
সোনাগাজীতে উচ্চ ফলনশীল পাঁচ জাতের ধানের চমক
কৃষি গবেষনা

বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট ফেনীর সোনাগাজী আঞ্চলিক কার্যালয়ের কৃষি বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত পাঁচটি উচ্চ ফলনশীল জাতের ধানের ভালো ফলন হয়েছে।

২০২২ সালে আউশ মৌসুমের জন্য ব্রি৪৮, ব্রি৮২, ব্রি৮৩, ব্রি৮৫, ও ব্রি৯৮ সহ পাঁচ জাতের উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান উদ্ভাবন করেন বিজ্ঞানীরা।

এসব জাতের ধান কম খরচে উপজেলার দুটি ইউনিয়নের প্রায় ৪০ হেক্টর জমিতে পরীক্ষামূলক চাষ করে সফলতা পাওয়া গেছে।

এসব ধান কাটার উদ্দেশ্যে শনিবার (১৩ আগস্ট) সকালে সোনাগাজী সদর ইউনিয়নের চরশাহাপুরে শস্য কর্তন ও মাঠ দিবসের আয়োজন করে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।

ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট সোনাগাজী আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. বিশ্বজিৎ কর্মকারের সভাপতিত্বে ও জ্যৈষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নাঈম আহমদের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর।

আরও উপস্থিত ছিলেন- জ্যৈষ্ঠ বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. আদিল, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আসিব বিশ্বাস, আরিফুল ইসলাম খলিদ, কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তা মাহমুদ আলম, স্থানীয় কৃষক মো. কামাল উদ্দিন ও শেখ বাহার প্রমুখ।

ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর বলেন, টেকসই ধান প্রযুক্তি উদ্ভাবনে বিজ্ঞানীরা নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছেন। বাংলাদেশে তথা সোনাগাজীতে উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান চাষে তৃণমূল কৃষকদের আগ্রহ থাকতে হবে। এরই মধ্যে আউশ মৌসুমে যেসব ধান উদ্ভাবিত হয়েছে সেসব ধান স্বল্প সময়ে স্বল্প খরচে কৃষকরা ঘরে তুলতে পারবেন। মাত্র ১১০দিনে এ ধানগুলো কৃষকরা ঘরে তুলতে পারবেন। ধানগুলো অধিক পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ও পরিবেশ বান্ধব। তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশকে খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন দেশ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে এসব জাতের ধান চাষের বিকল্প নাই। নতুন উদ্ভাবিত ধানগুলোতে সারও কম লাগে পোকা মাকড়ও কম ধরে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৪, ২০২২ ১১:১৯ পূর্বাহ্ন
বিষমুক্ত সবজি চাষে সাড়া জাগিয়েছেন জিহাদ
কৃষি বিভাগ

কোন প্রকার রাসায়নিক ব্যবহার ছাড়া বাগেরহাটে বিষমুক্ত নিরাপদ সবজি চাষ করে সাড়া জাগিয়েছেন শেখ জিহাদ হোসেন (৫০) নামের এক কৃষক।

কৃষক শেখ জিহাদ হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে আমি সবজি চাষ করি। সবজি চাষ করতে আমাদের প্রচুর পরিমাণ রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার করতে হতো। সব সময় একটি বিষয় চিন্তা করতাম কিভাবে রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ছাড়া সবজি চাষ করা যায়। ভাবতে ভাবতে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাসহ কৃষি বিষয়ে অভিজ্ঞ লোকজনদের সঙ্গে কথা বলে জানলাম সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা পদ্বতিতে নিরাপদ সবজি চাষ করা যায়।

বিষয়টি নিয়ে অনেক চিন্তাভাবনা ও জেনে শুনে গেল বছর কোন রাসায়নিক সার ও কীটনাশক ব্যবহার ছাড়াই সবজি চাষের পরিকল্পনা করি। দেড় বিঘা (৭৮ শতক) জমিতে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা পদ্বতিতে হাইব্রিড সুপার সুমি জাতের ঢেঁড়স চাষ করি। এবার ফলনও ভাল হয়েছে। দেড় বিঘা জমিতে ১৫ মেট্রিকটন ঢেঁড়স উৎপাদনের আশা তার। প্রতিদিন ১২০ থেকে ১৩০ কেজি ঢেঁড়স বিক্রি করছেন তিনি। ৫৫ হাজার টাকা ব্যয়ের এই জমি থেকে দুই লাখ টাকার ঢেড়স বিক্রির আশা করছেন তিনি।

এর বাইরে গতানুগতিক পদ্ধতিতে কিছু জমিতে বেগুন, কাকরোল, ডাটাশাক, লালশাকসহ নানা সবজি উৎপাদন করেছি। আশা করি আগামী বছর সব জমিতে সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা পদ্বতিতে নিরাপদ সবজি চাষ করতে পারব। সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনা পদ্ধতি সম্পর্কে জিহাদ বলেন, এই পদ্ধতিতে পোকা-মাকড় তাড়ানোর জন্য কোন বিষ ব্যবহার করা হয় না। এর জন্য আলোর ফাঁদ, ডালপোতা ফাঁদ, হলুদ পেপার, সাদা পেপার ফাঁদ পাতা হয় সবজি ক্ষেতে। এছাড়া নিমপাতা, বেলপাতা ও মেগনির নির্জাস দিয়ে সবজি খেতকে পোকামাকড় মুক্ত করা হয়।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর, বাগেরহাটের প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা মোতাহার হোসেন বলেন, আমরা বিভিন্ন সময় বিষমুক্ত সবজি চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করি। জিহাদ বিষমুক্ত ঢেঁড়স চাষের আগ্রহ পোষণ করলে, আমরা তাকে সার্বিক সহযোগিতা করেছি। তার বিষমুক্ত ঢেঁড়স সরাসরি ভোক্তা পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার জন্যও আমরা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশনা নিয়েছি। অন্যান্য এলাকার কৃষকরাও যাতে বিষমুক্ত সবজি চাষে উদ্বুদ্ধ হন এজন্য আমরা কাজ করছি।

২০০৬ সালে পোশাক কারখানা থেকে চাকরি ছেড়ে বাড়ির পাশে অন্যের জমি লিজ নিয়ে সবজি ও ফল চাষ শুরু করেন শেখ জিহাদ হোসেন। সফলতাও পেয়েছেন তিনি। ২০০৮ সালে শেখ জিহাদ হোসেন সবজি চাষে অবদান রাখায় সফল চাষী হিসেবে জেলা প্রশাসন থেকে পুরস্কার পান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৩, ২০২২ ৯:৩৫ পূর্বাহ্ন
মেহেরপুরে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষের দিকে ঝুঁকছেন চাষিরা
কৃষি গবেষনা

বেগুনগাছে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে গ্রীষ্মকালীন টমেটো চাষ করে সফল হয়েছেন, জেলা সদর উপজেলার হিজুলী গ্রামের কৃষক ফারুক হোসেন। কৃষি বিভাগের সার্বিক সহায়তায় পরীক্ষামলূক ভাবে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষে অভাবনীয় সফলতা পেয়েছেন এ কৃষক। এতে করে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষে আশার আলো দেখছেন এ জেলার কৃষকরা।

কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়- সদর উপজেলার আমঝুপি ইউনিয়নের হিজুলী গ্রামের ফারুক হোসেন ৫ কাঠা জমিতে বারি হাইব্রিড ৮ জাতের টমেটো চাষ করেছেন গ্রাফটিং পদ্ধতিতে। এখন কাঁচা-পাকা টমেটোয় ভরে গেছে গাছ। ইতোমধ্যে প্রায় ৩০ হাজার টাকার টমেটো বিক্রিও করেছেন তিনি। আরও ৪০ হাজার টাকার বিক্রির আশা করছেন।

মেহেরপুর সদর উপজেলার গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষ করা ফারুক হোসেন বলেন- উপজেলা কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় প্রথমে পরীক্ষামূলক ভাবে ৫ কাঠা জমিতে গ্রাফটিং করেছি। ফলন ও পর্যাপ্ত দাম পাচ্ছি। আগামীতে আরও ১ বিঘা লাগানোর পরিকল্পনা করছি।

সদর উপজেলা কৃষি বিভাগের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা আশরাফুল ইসলাম বলেন- বেগুন চারার গোড়ার দিকের অংশের সঙ্গে টমেটোর চারার ওপরের দিকের অংশ জোড়া দিয়ে করা হয় গ্রাফটিং। এভাবে লাগানো টমেটোর চারা বড় হয়ে ঢলে পড়ে না, রোগ বালাইও তেমন হয় না। উপরন্ত ফলন মেলে প্রচুর। সাধারণ একটি গাছে ৫ থেকে ১০ কেজি টমেটো পাওয়া যায়। কিন্তু গ্রাফটিং পদ্ধতিতে চাষ করা প্রতিটি গাছে মেলে ১৫ থেকে ২০ কেজি টমেটো। গ্রাফটিং করা টমেটো গাছ পানি সহনীয়। ফলে ভারি বৃষ্টিতেও এই টমেটো গাছ নষ্ট হয় না।

গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষ দেখতে আসছেন স্থানীয় কৃষকরা। অসময়ে টমেটো। বাজারে চাহিদাও বেশ। অনেক কৃষক ইতোমধ্যে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষ করতে আগ্রহী হয়েছেন। স্থানীয় কৃষক রবিউল ইসলাম দেখতে এসেছিলেন টমেটোর গ্রাফটিং। তিনি বলেন- গ্রাফটিং পদ্ধতিতে এতো বেশি ফলন দেয় আমার জানা ছিল না। সেই সঙ্গে একই গাছে বেগুনও ধরেছে। আমি নিজেও এই পদ্ধতিতে চাষ করবো বলে প্রস্তুতি নিচ্ছি।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা নাসরিন পারভীন বলেন- আমাদের পক্ষ থেকে কৃষকদের সার্বিক পরামর্শ ও প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। কৃষি বিভাগের পরামর্শ গ্রহণ করে গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটো জাত বারি-৮ চাষ করে সফলতার মুখ দেখেছেন কয়েকজন কৃষক। সদর উপজেলায় ১৫ কাঠা জমিতে ৩ জন চাষি গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটোর চাষ করছেন। কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। মেহেরপুরে এ জাতের টমেটোর চাষ ছিল না। বর্তমানে কৃষকরা গ্রাফটিং পদ্ধতিতে টমেটো চাষে উৎসাহিত হচ্ছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৩, ২০২২ ৯:১৫ পূর্বাহ্ন
কেঁচো সার বিক্রি করে দিন বদলেছে ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষাণীদের
কৃষি বিভাগ

কেঁচো সার উৎপাদন করে বেকারত্ব দূর করার পাশাপাশি নিজের ভাগ্য পরিবর্তন করছেন জেলার রাণীশংকৈল উপজেলার কৃষাণীরা। বাড়ছে নারীদের কাজের পরিধি ও আয়। এতে নারীরা একদিকে স্বাবলম্বী হচ্ছে । আর অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে এ এলাকার নারীরা এখন আত্মমর্যাদায় বাঁচার স্বপ্ন দেখছেন।

কৃষাণীদের এই কেঁচো সারের গুণগত মান ভালো হওয়ায় স্থানীয় কৃষক ও নিজস্ব চাহিদা পূরণ করে জেলার কৃষকদের চাহিদা পূরণ করছে। সার বিক্রি করে তারা প্রতিমাসে আয় করছেন লাখ টাকা। মাত্র এক বছরের মধ্যে নিজেদের সফল খামারি হিসেবে গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছেন। কৃষিণীরা আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হতে দেখে এখন জেলার অনেক যুবক ও নারীরা বিষমুক্ত এ জৈব সার উৎপাদনে ঝুঁকছেন।

জানা যায়, কমিউনিটি ডেভেলপমেন্ট এসোসিয়েশন (সিডিএ) দিনাজপুরের আর্থিক সহায়তায় রাণীশংকৈল উপজেলার গাংগুয়া গ্রামে জৈব কৃষি চর্চা নারী উন্নয়ন জনসংগঠনের ৩৬ জন নারীকে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে গতবছর এ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়। এ সংগঠনের সহায়তায় গড়ে তোলা হয়েছে কেঁচো সার তৈরির শেড।

ফসলের ক্ষেতে রাসায়নিক সার ব্যবহারে অতিরিক্ত ব্যায় করতে হয় কৃষকদের। আর এই ব্যায় কমিয়ে আনতে কেঁচো দিয়ে তৈরীকৃত সার উৎপাদন শুরু করেন তারা। হাতের নাগালে ভালো মানের সার পাওয়ায় এখন কৃষকরা তা কম দামে ক্রয় করে ফসলী জমিতে প্রয়োগ করছেন। ফলে ফসলের উৎপাদনও বৃদ্ধি হচ্ছে।

কৃষক আশরাফ আলী ও রহিমউদ্দিন বলেন, এ বছর কেঁচো সার দিয়ে ধান ও মরিচের আবাদ করেছি। ফলন অনেক ভালো হয়েছে।

জনসংগঠনের সদস্য কুলসুম আক্তার জানান, সিডিএর সহযোগিতায় গতবছর আমরা ২০টি হাউস তৈরি করি। এ শেড থেকে যে সার উৎপাদন হয় সেগুলো আমরা ১৫-১৮ টাকা কেজি দরে বিক্রি করি। এপর্যন্ত আমরা এই শেড থেকে লক্ষাধিক টাকার অধিক কেঁচো সার বিক্রি করেছি।

রহমত আলী নামের এক সদস্য জানান, শেডের ভিতরে অর্থাৎ বাড়িতে কেঁচো সার উৎপাদন যেমন সহজ তেমনি এর চাহিদাও বেশি। এ কাজ থেকে বিনা ঝামেলায় অতিরিক্ত আয় হয়, পাশাপাশি নিজেদের জমিতেও ব্যবহার করছি এ সার। এর সারের ব্যবহারের চাহিদা দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ বিষয়ে সিডিএর মহলবাড়ি ইউনিট ব্যবস্থাপক আহসান হাবিব বলেন, গোবর, তরকারির খোসাসহ আবর্জনা দিয়ে কেঁচোর মাধ্যমে প্রক্রিয়া করে আদর্শ ভার্মি কম্পোস্ট তৈরি করা হয়। এগুলো ফসলের জন্য খুবই উপকারী। গতবছর আমরা আমাদের এনজিও থেকে আর্থিকভাবে সহযোগিতা করে এই জনসংগঠনের সদস্যদের টিনের শেডে ২০টি হাউস তৈরি করে দিই। এখন তারা সার উৎপাদনের মাধ্যমে স্থানীয় কৃষকদের মাঝে বিক্রি করে আর্থিকভাবে ভালোই স্বাবলম্বী হয়েছে।

এ ব্য্পাারে রাণীশংকৈল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সঞ্জয় দেবনাথ বলেন, কেঁচো সারটি ফসল উৎপাদনের জন্য অনেক ভালো। এ সার ব্যবহারের খরচও অনেক কম। এছাড়া সারটি দিন-দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। আমরা কৃষকদের জৈব সার ব্যবহারে এবং কৃষকদের রাসায়নিক সারের ব্যবহার কমিয়ে কম্পোস্ট সারের ব্যবহার বাড়াতে পরামর্শ দিয়ে থাকি।

এতে নারীরা একদিকে স্বাবলম্বী হচ্ছে আর অন্যদিকে তাদের কর্মসংস্থান বাড়ছে। আর অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়ে এ এলাকার নারীরা এখন আতœমর্যাদায় বাচার স্বপ্ন দেখছেন। এ এলাকার নারীরা কেঁচো সার বিক্রিতে আরো ভালো করবে এবং এ ব্যবসায় নারীদের অগ্রগতির পথকে প্রসারিত করবে বলেও আশা প্রকাশ করেন এ কৃষিবিদ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১২, ২০২২ ৫:০২ অপরাহ্ন
কেজিতে ৫০ টাকা বেড়েছে ব্রয়লার, সবজির দামও চড়া!
কৃষি বিভাগ

সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ৫০ টাকা বেড়েছে ব্রয়লার মুরগির দাম। গত সপ্তাহে ১৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হওয়া ব্রয়লার এ সপ্তাহে বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকা কেজি দরে। চড়া দর সবজির বাজারেও। কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে প্রায় সকল সবজির দর। পেঁপে ছাড়া ৭০ টাকার কমে মিলছে না কোনো সবজি।

রাজধানীর কয়েকটা বাজার ঘুরে দরের এ চিত্র দেখা য়ায়। নিত্যপণ্যের দাম বাড়ার মিছিলে এখন অগ্রণী ভূমিকায় রয়েছে কাঁচামরিচ। প্রতি কেজি কাঁচামরিচের জন্য এখন গুনতে হচ্ছে ৩২০ থেকে ৩৫০ টাকা। গতকালও ৩০০ থেকে ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে কাঁচামরিচ। এক রাতের ব্যবধানে কেজিতে বাড়ল ৩০ টাকা।

ব্যবসায়ীরা জানান, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহন খরচ বেড়েছে। এর প্রভাব পড়েছে কাঁচাবাজারে।
সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা প্রায় সকল সবজির দাম।

বাজার ভেদে টমেটো বিক্রি হচ্ছে ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে, কাকরোল ৭০ থেকে ৮০ টাকা, ঢেড়স ৭০ টাকা, বেগুন ৭০-৮০ টাকা, করল্লা ৭০ টাকা, চিচিংগা ৭০ থেকে ৮০ টাকা, শশা ৬০ থেকে ৭০ টাকা, বরবটি ৭০ টাকা, পটল বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা কেজি দরে।
কচুর মুখী ৮০ টাকা, কচুর লতি ৭০ টাকা, দুন্দল ৭০ টাকা। একই দামে বিক্রি হচ্ছে ঝিঙা। পেঁপে বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে। ফুল কপি ৫০ টাকা পিস, মিষ্টি কুমড়ার ফালি ২০ তগেকে ৩০ টাকা, কলার হালি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, লেবুর হালি ৩০ থেকে ৪০ টাকা।
গরুর মাংস বিক্রি হচ্ছে ৭০০ থেকে ৭৫০ টাকা কেজি দরে। ৯০০ থেকে হাজার টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে খাসির মাংস। কেজিতে এক লাফে ৫০ টাকা বেড়ে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ২১০ টাকা দরে।
বাজার ভেদে রুই মাছ বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩৮০ টাকা কেজি দরে। কাতল ৩২০ থেকে ৪০০ টাকা, নলা মাছ ২৪০ থেকে ৩২০ টাকা, তেলাপিয়া মাছ ১৮০ থেকে ২৫০ টাকা, পাঙ্গাশ মাছ ১৪০ থেকে ৩৫০ টাকা, শিং মাছ ৬০০ থেকে ৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে।

আকারভেদে চিংড়ি বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ১৫০০ টাকায়, কাচকি ৪০০ থেকে ৬০০ টাকা ও পাবদা ৫০০ থেকে ৭০০ টাকা দরে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১২, ২০২২ ১০:০৯ পূর্বাহ্ন
প্রিমিয়ার ব্যাংকের অর্থায়নে কৃষকের কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ
কৃষি বিভাগ

দি প্রিমিয়ার ব্যাংক লিমিটেড এর অর্থায়নে সিও (সোসিও ইকোনোমিক হেল্থ এডুকেশন অর্গানাইজেশন) এর পরিচালনায় সম্প্রতি এক অনাড়ম্বর অনুষ্ঠানের মাধ্যমে কৃষকদের মাঝে প্রকাশ্যে কৃষি ও পল্লী ঋণ বিতরণ কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়।

ঝিনাইদহ শহরের জোহান ড্রীম ভ্যালি পার্ক মিলনায়তনে অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক মনিরা বেগম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ব্যাংকের এসইভিপি ও প্রধান কর্মকর্তা, এসএমই এবং কৃষি ঋণ বিভাগ মোহাম্মদ ইমতিয়াজ উদ্দিন, ব্যাংকের গুলশান গ্লাস হাউজ শাখার ব্যবস্থাপক মো. হাসিবুল আসাদ, সিও এর প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক মো. সামছুল আলম ও ২৩৯ জন কৃষাণ-কৃষাণী।

অনুষ্ঠানে দশজন কৃষককে চেক প্রদানের মাধ্যমে প্রকাশ্যে কৃষি ঋণ প্রদান করা হয়। প্রধান অতিথি মনিরা বেগম বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষুধা ও দারিদ্র মুক্ত সমৃদ্ধ দেশ গড়তে কাজ করে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় দেশের অর্থনীতির অন্যতম চালিকা শক্তি কৃষি খাতকে অগ্রাধিকার দিয়ে কৃষি উৎপাদন বাড়াতে ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে উৎপাদনমুখী কাজে সম্পৃক্ত করতে দেশব্যাপি কৃষকদের মাঝে কৃষি ঋণ বিতরণে প্রিমিয়ার ব্যাংকের এই উদ্যোগ সত্যিই প্রশংসনীয়।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১১, ২০২২ ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
শরীয়তপুরে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে পাটের আবাদ
কৃষি বিভাগ

অনুকূল আবহাওয়া ও সময়মত সার-বীজ পাওয়ায় চলতি মৌসুমে শরীয়তপুরে লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে অধিক পরিমাণ জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। বড় ধরনের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে পাটের ভালো ফলনের আশা করছে কৃষক ও কৃষি বিভাগ। এবছর জেলায় ২৯ হাজার ৫৬০ হেক্টর জমিতে পাটের আবাদ হয়েছে। ইতোমধ্যে কৃষক ৮০ শতাংশ পাট জমি থেকে কেটে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছে।

শরীয়তপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) গোলাম রাসূল জানান, অনুকূল আবহাওয়ার কারণে ও সময়মতো সার-বীজ পাওয়ায় অন্যান্য বছরের তুলনায় জেলার কৃষকরা অনেক বেশী জমিতে পাটের আবাদ করেছে। এ ছাড়াও পাটের বাজারমূল্য তুলনামুলক বেশী থাকাটাও অধিক পরিমাণ পাট চাষের একটি কারণ।

এবছর জেলায় পাট আবাদের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ২৭ হাজার ৬২৮ হেক্টর। লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করে আবাদ হয়েছে ২৯ হাজার ৫৬০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে শরীয়তপুর সদর উপজেলায় ৫ হাজার ৭৯০, নড়িয়া উপজেলায় ৩ হাজার ৬৫০, জাজিরা উপজেলায় ১০ হাজার ৩৪০, ভেদরগঞ্জে উপজেলায় ৫ হাজার ১৩০, ডামুড্যা উপজেলায় ১ হাজার ৫০০ ও গোসাইরহাট উপজেলায় ৩ হাজার ১৫০ হেক্টরে দেশী, তোষা, মেসতা ও কেনাফ জাতের পাটের আবাদ হয়েছে।

জাজিরা উপজেলার মুলনা ইউনিয়নের মিরাসার গ্রামের পাট চাষি মো: মোশাররফ মোল্লা জানান, এ বছর আবহাওয়া পাট চাষের অনুকূলে থাকায় আমরা পাটের আবাদ বেশি করেছি। ফলনও হয়েছে বেশ ভালো। বর্তমানে বাজারে প্রতিমণ পাট প্রকার ভেদে ৩ হাজার ৬০০ টাকা থেকে ২ হাজার ২০০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। এবছর পাট আবাদ করে আমরা বেশ লাভবান হয়েছি। আশা করছি মৌসুমের শেষ দিকে আমরা আরও বেশি দাম পাবো।

জাজিরা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: জামাল হোসেন বলেন, পাটের সোনালী দিন ফিরিয়ে আনতে বর্তমান কৃষি বান্ধব সরকার উন্নতমানের পাটের বীজ উৎপাদন থেকে শুরু করে সরবরাহ করে মানসম্মত পাট উৎপাদনে উদ্বুদ্ধ করে আসছে। এ মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ও কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সার্বিক সহায়তায় অধিক পরিমাণ আবাদ করে ফলনও পেয়েছে বেশ ভালো।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১১, ২০২২ ১০:১৫ পূর্বাহ্ন
এক লাখ ৮০ হাজার হেক্টর জমিতে চলছে ভোলায় আমন আবাদ
কৃষি বিভাগ

ভোলা জেলার ৭ উপজেলায় চলতি মৌসুমে ১ লাখ ৭৯ হাজার ২’শ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ কার্যক্রম চলছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত আবাদ হয়েছে ১৮ হাজার ৬’শ ২০ হেক্টর জমিতে। চলতি মাসের প্রথম থেকে আবাদ শুরু হয়ে চলবে আগামী মাসের শেষ পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে আমনের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করবে বলে কৃষি বিভাগ আশা প্রকাশ করে। এবছর ৭ হাজার কৃষককে আমনের প্রণোদনা প্রদান করা হয়েছে। এছাড়া নির্দিষ্ট জমি থেকে ৬ লাখ ৮০ হাজার ২’শ মেট্রিকটন চাল উৎপাদনের টার্গেট ধরা হয়েছে।

কৃষি কর্মকর্তারা জানায়, মোট আমন আবাদের মধ্যে উফশী ১৬ হাজার, স্থানীয় ২ হাজার ৬’শ ও হাইব্রিড ২০ হেক্টর জমিতে আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রাকৃত ১ লাখ ৭৯ হাজার ২’শ হেক্টর জমির মধ্যে উফশী ১ লাখ ৫৭ হাজার ও স্থানীয় ২২ হাজার ২’শ হেক্টর রয়েছে। শেষ পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে জেলায় আমনের বাম্পার ফলনের কথা জানান তারা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো: হুমায়ুন কবির জানান, জেলায় প্রায় প্রতি বছরই আমনের বাম্পার ফলন হয়ে আসছে। এবছর বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় ৪’শ প্রদর্শনীর ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়া জেলার ৭ হাজার কৃষকের প্রত্যেকের জন্য ৫ কেজি করে উন্নত জাতের বীজ, ১০ কেজি এমওপি ও ১০ কেজি ডিএপি সার প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। এ জেলায় সাধারণত ব্রীধান-৫২, ৭৬, ৭৭, ৪০, ৫১, ৪৯, বিআর-২৩, ১১ ও বিনা ধান-৭, ১১, ১৭ ও ৪ জাতের আবাদ বেশি করা হয়।

কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়, জেলার মোট আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রার মধ্যে সদর উপজেলায় ২৪ হাজার ১’শ হেক্টর, দৌলতখানে ১৭ হাজার, বোরহানউদ্দিনে ১৮ হাজার ৪’শ, লালমোহনে ২৩ হাজার ৫’শ, তজুমদ্দিনে ১১ হাজার ৯’শ ৯০, চরফ্যাশনে ৭২ হাজার ৮৫ ও মনপুরায় ১২ হাজার ১’শ ২৫ হেক্টর জমি রয়েছে।

সদর উপজেলার দক্ষিণ দিঘলদী ইউনিয়নের বালিয়া এলাকার কৃষক হাতেম আলী, কামরুল ইসলাম ও আব্দুল খালেক বলেন, তারা প্রত্যেকে ২ একর করে জমিতে আমন আবাদ করছেন। ইতোমধ্যে চারা রোপণ শুরু করেছেন। কৃষি বিভাগ থেকে সব ধরনের পরামর্শ সেবা পাচ্ছেন বলে জানান তারা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক হাসান ওয়ারিসুল কবির বলেন, জেলায় আউশের চেয়ে আমনের অবস্থা ভালো রয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে কৃষকদের সঠিক জাত নির্বাচন, সারিবদ্ধ চারা রোপণ, সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগসহ সব ধরনের পরামর্শ সেবা প্রদান অব্যাহত আছে।

তিনি বলেন, কৃষকদের সমস্যা সমাধানে মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা সচেষ্ট রয়েছে। বিভিন্ন প্রকল্পের আওতায় আধুনিক পদ্ধতিতে আমন ধান রোপণে প্রায় ৫’শ কৃষককে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। সব কিছু ঠিক থাকলে জেলায় আমনের বাম্পার ফলনের কথা জানান তিনি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop