২:৩৯ পূর্বাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মে ৮, ২০২২ ২:৩২ অপরাহ্ন
জয়পুরহাটে পতিত জমিতে সবজি চাষে কৃষকদের বাড়তি আয়
কৃষি বিভাগ

শস্য বিন্যাস কর্মসচির আওতায় বাড়ির পাশে এবং রাস্তার দু’পাশে পতিত জমিতে সবজি চাষ পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বাড়তি আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করেছে স্থানীয় কৃষকদের।

শস্য ভান্ডার নামে পরিচিত জয়পুরহাট জেলায় কাঁচা রাস্তা রয়েছে এক হাজার ৫৯৬ কিলোমিটার এবং পাকা রাস্তা রয়েছে ৩৪২ দশমিক ৫৯ কিলোমিটার।

রাস্তার দু’পাশের জমি গুলো মূলত পতিত হিসেবে পড়ে থাকে। সেই পতিত জমি গুলোতে বিভিন্ন প্রকার সবজি বিশেষ করে লাউ, শিম, চিচিঙ্গা, ঝিঙ্গা, পুইশাক ও করোলা চাষ করা যায় সহজেই। সরেজমিন পাঁচবিবি উপজেলার দহতপুর থেকে পাথরঘাটা রাস্তা ঘুরে দেখা যায়, সড়কের দু’পাশের পতিত জমিতে বিভিন্ন সবজি চাষ করে লাভবান হয়েছেন আলম হোসেন, আব্দুস সাত্তার ও আব্দুর রহমান। সবজি চাষ করে পরিবারের পুষ্টি চাহিদা পূরণের পাশাপাশি বিক্রি করে সংসারে বাড়তি আয় করা সম্ভব হয়।

দহতপুর গ্রামের আলম হোসেন জানান, একই মাচা ব্যবহার করে সারা বছর বিভিন্ন সবজি চাষ করা হয়।

জাকস ফাউন্ডেশনের কৃষি কর্মকর্তা শাহাদত হোসেন শাহিন বলেন, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা এক ইঞ্চি জায়গাও যেন অনাবাদি না থাকে। সেই ঘোষণা বাস্তবায়নে কাজ করা হচ্ছে। একই মাচা ব্যবহার করে সবজি চাষ করায় উৎপাদন খরচ কম পড়ে। এতে লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা। যার কারণে রাস্তার পাশে পড়ে থাকা পতিত জমিতে সবজি চাষ দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে।

জাকস ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক মো. নূরুল আমিন বলেন, পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের দিক নির্দেশনায় শস্য বিন্যাস কর্মসূচির আওতায় পতিত জমিতে সবজি চাষের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

 

 

সূত্র: বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৭, ২০২২ ১:২১ অপরাহ্ন
পঞ্চগড়ে প্রতি কেজি শসা ৫০ পয়সা, হতাশায় কৃষক
কৃষি বিভাগ

চলতি মৌসুমে শসার বাম্পার ফলন হলেও ন্যায দাম পাচ্ছে না চাষিরা। বর্তমানে শসার দাম কম, লাভের বদলে উল্টো লোকসানে পুঁজি হারিয়ে পথে বসেছেন চাষীরা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ২১০ হেক্টর জমিতে শসার চাষ হয়েছে। ফলনও হয়েছে ভালো। বেশি চাষাবাদ হয়েছে সদর উপজেলার হাফিজাবাদ ও হাড়িভাসা ইউনিয়নে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় শসার ফলনও হয়েছে ভালো। রমজানের শুরুতে প্রতি কেজি শসা ২০ থেকে ২৫ টাকায় বিক্রি করলেও বর্তমানে শসা বিক্রি হচ্ছে ৫০ পয়সা কেজি দরে।

কৃষকরা বলছেন, প্রতিবিঘা জমিতে শসা চাষে ৪০-৫০ হাজার টাকা খরচ হলেও চারভাগের একভাগ টাকাও উঠবে না। এক বিঘা জমিতে শসা পাওয়া যায় ২৫০ থেকে ৩০০ মণ। ৫০ পয়সা কেজি দরে বিক্রি করে তারা পাচ্ছেন ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা। বাকি টাকা তাঁদের লোকসান গুনতে হচ্ছে। এমনকি বর্তমানে মজুরি খরচও ওঠাতে পারছেন না তাঁরা। তাই অনেকে ক্ষোভে শসা ক্ষেতের পরিচর্যাও বাদ দিয়ে দিয়েছেন।

সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের বনগ্রামের চাষি মতিয়ার রহমানের বলেন, এ বছর আমি এক একর জমিতে শসার আবাদ করেছি। খরচ হয়েছে প্রায় ৫০ হাজার টাকা। এখন যে দাম, তাতে শ্রমিকদের মুজুরি খরচই উঠছে না।

জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক মো. শামীম জানালেন, তাদের পক্ষ থেকে কৃষকদের নিয়মিত পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৫, ২০২২ ৩:২৯ অপরাহ্ন
কুমিল্লায় সাথী ফসলের চাষে লাভবান হচ্ছেন কৃষক
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি, তিতাস, চান্দিনা, দেবীদ্বারসহ কয়েকটি উপজেলার কৃষকেরা তাদের জমিতে তিন সাথী ফসলের (ভুট্টা, ধনেপাতা, আলু) আগাম চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। তারা ভুট্টা চাষের পাশাপাশি প্রতিটি জমিতে ধনেপাতা ও আলুর চাষ করে রীতিমতো কৃষি অঙ্গনে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।

এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ভুট্টার বাম্পার ফলনের পাশাপাশি জমিতে আলু ও ধনেপাতার চাষও বেশ ভালো হয়েছে। এতে ধনেপাতা ও আলু বিক্রি থেকেই কৃষকের ভুট্টা চাষের খরচ উঠে আসে। তিন সাথী ফসলে লাভবান হওয়ায় কৃষকের মুখে আনন্দের হাসি ফুটে উঠেছে। জেলার দাউদকান্দি, তিতাস, চান্দিনা, দেবীদ্বারসহ কয়েকটি উপজেলা এলাকা ঘুরে কৃষকের সঙ্গে কথা বলে তাদের সাফল্যের এসব বিষয় জানা গেছে।

সরেজমিন জেলার দাউদকান্দি উপজেলা এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ঐ উপজেলার পাঁচগাছিয়া, দৌলতপুর, জিংলাতলী, মারুকা, মালিগাঁও, বারপাড়া, সুন্দলপুর, হরিপুর, ঢাকারগাঁও, গোয়ালমারী, রাঙ্গাশিমুলিয়া, ডাকখোলাসহ বিভিন্ন গ্রামের মাঠ জুড়ে ভুট্টা আর ভুট্টা। এখন ভুট্টা সংগ্রহের উৎসব চলছে। প্রতিটি বাড়ির উঠানে, ঘরের চালায়, ভবনের ছাদে, স্থানীয় স্কুল-মাদ্রাসা ও মক্তবের মাঠে কিষাণ-কিষাণীরা  ভুট্টা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউবা ফসলের মাঠে গিয়ে ভুট্টা সংগ্রহ করছেন। কেউ জ্বালানির জন্য ভুট্টার মোচা, ভুট্টার ছোবড়া ও ভুট্টাগাছ সংগ্রহ করছেন। আবার বসতবাড়িগুলোর উঠানে উঠানে কেউ ভুট্টা শুকাচ্ছেন। দেখা গেছে, ভুট্টা চাষের পাশাপাশি প্রতিটি জমিতে আলু ও ধনেপাতার চাষও করেছেন কৃষকেরা।

মনির হোসেন, কবির উদ্দিন, রমিজ হোসেন, জাকির হোসেনসহ অন্তত ১০ জন কৃষকের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, বীজ, চাষ, সার, কৃষিশ্রমিক ও পরিচর্যাসহ একই খরচে জমিতে ভুট্টার পাশাপাশি ধনেপাতা ও আলুর চাষ করা যায়। এতে ভুট্টা চাষের খরচ ধনেপাতা ও আলু বিক্রি থেকে উঠে আসে। এভাবে ভুট্টার আয়ের পুরোটাই তাদের লাভ হয়।

গোয়ালমারী গ্রামের কৃষক সোহেল মিয়া বলেন, তিনি সাড়ে ১২ বিঘা জমিতে অগ্রহায়ণ মাসের শেষ সপ্তাহে প্রথমে ধনেপাতা বপন করেন। একই জমিতে পৌষ মাসের প্রথম সপ্তাহে বপন করেন ভুট্টা। ধনেপাতা বিক্রির পর একই জমিতে মাঘ মাসের শেষ সপ্তাহে ভুট্টার সঙ্গে আলু চাষ করেন। আলু তোলার পর বৈশাখ মাসের প্রথম সপ্তাহে ভুট্টা সংগ্রহ করেন।

তিনি আরো বলেন, আবাদকৃত জমি থেকে ৮৫ হাজার টাকার ধনেপাতা এবং ৬৫ হাজার টাকার আলু বিক্রি করেন। সেখানে ১৫ হাজার টাকা লাভ হয়েছে। আর বাজারে প্রতি মণ ভুট্টার দাম ৭৮০ টাকা। ভুট্টা বিক্রিতে এবার প্রায় আড়াই লাখ টাকা লাভ হবে। প্রতি বিঘা জমির ভুট্টাগাছ ১২ হাজার টাকা দরে বিক্রি হয়েছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লার উপপরিচালক মো. মিজানুর রহমান বলেন, চলতি বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় তিন সাথী ফসল (ভুট্টা, ধনেপাতা, আলু) আবাদে সংশ্লিষ্ট এলাকার প্রায় সব কৃষকই শতভাগ লাভবান হয়েছেন। ভুট্টা আগাম চাষ করা গেলে এবং ব্যবস্থাপনা ভালো হলে উচ্চ ফলন পাওয়া সম্ভব। এ ব্যাপারে আমরা কৃষকদের পরামর্শসহ নানাভাবে সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি।

 

 

সূত্রঃ বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৫, ২০২২ ১:০৫ অপরাহ্ন
মাগুরায় বাম্পার ফলনেও বিপাকে পেঁয়াজ চাষিরা
কৃষি বিভাগ

মাগুরায় চলতি মৌসুমে পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হয়েছে। ইতোমধ্যে পেঁয়াজ তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। কিন্তু বাজারে দাম কম থাকায় লোকসানের আশংকা করছেন কৃষকরা। পেঁয়াজের ন্যায্য দাম নিশ্চিতের পাশাপাশি আমদানি নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়েছেন তারা।

কৃষি বিভাগ বলছে, পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা যেমন ছাড়িয়েছে, তেমনি পেঁয়াজের ফলনও ভালো হয়েছে। তবে পেঁয়াজ সংরক্ষণ করতে পারলে লাভবান হবেন কৃষকরা।

দেশে পেঁয়াজ উৎপাদনের অন্যতম জেলা মাগুরা। আর এখানে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজের আবাদ হয় শ্রীপুর উপজেলায়। গত কয়েক মৌসুমে পেঁয়াজের ভাল দাম পাওয়ায় লাভের আশায় তারা বেশি পেঁয়াজ চাষ করেছেন, যা লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গেছে। এছাড়া আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় পেঁয়াজের ফলনও ভাল হয়েছে। কৃষকরা এখন ব্যস্ত পেঁয়াজ তোলা ও বিক্রি নিয়ে।

জেলায় বারি পেঁয়াজ-১ ও লালতীর কিংসহ দেশীয় জাতের বিভিন্ন পেঁয়াজের উৎপাদন ভালো হয়েছে। ভালো ফলন হওয়ায় প্রতি শতকে প্রায় এক থেকে দেড় মণ পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে।

বাজারে সরবরাহ বেশি থাকায় কাঙ্খিত দাম পাচ্ছেন না তারা। লাভ দূরে থাক, উৎপাদন খরচ ওঠা নিয়েই দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষক। স্থানীয় বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি মণ বড় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭২০ টাকায়, মাঝারি আকারের ৬৮০ টাকায় এবং ছোট আকারের ৪৪০ টাকায়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর জেলায় পেঁয়াজ চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১০ হাজার ৩৭০ হেক্টর জমিতে। সেখানে কৃষকরা চাষ করছেন ১১ হাজার ৯৮৪ হেক্টর জমিতে। যা লক্ষ্যমাত্রার তুলানায় ১ হাজার ৬১৪ হেক্টর বেশি। জেলার চার উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি পেঁয়াজ চাষ হয়েছে শ্রীপুরে। এ উপজেলায় পেঁয়াজ চাষ হয়েছে ৬ হাজার ৬৯৫ হেক্টর জমিতে। এছাড়া সদর উপজেলায় ১ হাজার ২০৫ হেক্টর, শালিখায় ৬৯০ হেক্টর ও মহম্মদপুর উপজেলায় ৩ হাজার ৩৯৪ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে। চাষ করা জমি থেকে ১ লাখ ৫৯ হাজার ৩৮৭ মেট্রিক টন পেঁয়াজ উৎপাদন হবে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সালমা জাহান নিপা বলেন, অনূকুল আবহাওয়ায় এ বছর পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হয়েছে। এছাড়া মাঠ পর্যায়ে কৃষি অফিসের লোকজন নিয়মিত পেঁয়াজ চাষিদের পরামর্শ ও তদারকি অব্যাহত রাখায় পেঁয়াজের উৎপাদন ভাল হয়েছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২, ২০২২ ২:৪০ অপরাহ্ন
গাইবান্ধায় বোরো ধানে ব্লাস্ট রোগের আক্রমণ, দিশেহারা কৃষক
কৃষি বিভাগ

গাইবান্ধা জেলার একাধিক উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উঠতি বোরো ধানের বেশ কিছু খেতে ব্যাপক আকারে ব্লাস্ট রোগ ছড়িয়ে পড়েছে। ধান চিটা হয়ে যাওয়ায় ক্ষতির মুখে আনেক চাষি। কীটনাশক প্রয়োগেও সুফল মিলছে না বলে জানিয়েছেন তারা। এর ফলে ব্যাপক ফসলহানির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

মাত্র দু-তিন দিন সময়ের মধ্যে শীর্ষ বের হওয়া কাঁচা ধানগাছ হঠাৎ করে হলুদ বর্ণ ধারণ করে শুকিয়ে যাচ্ছে। কৃষি বিভাগ এটিকে ব্লাস্ট রোগ বলে চিহ্নিত করেছে। অসময়ে হঠাৎ এ রোগের আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।

এবার চড়া দামে চারা, সার ও কীটনাশক কিনে ধানের চাষ করেছিল কৃষকরা। কিন্তু ঘরে তোলার আগেই স্বপ্নের ধানে ব্লাস্ট রোগের আক্রমণে দিশেহারা তারা। ফসল বাঁচাতে কীটনাশক ব্যবহার করেও কোনো প্রতিকার মিলছে না।

চাষীদের অভিযোগ, এব্যাপারে কৃষি বিভাগের কর্মকর্তাদের সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক বেলাল হোসেন বলেন, কৃষকদের ব্লাস্ট রোগ প্রতিরোধে নানা পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। নিয়ম মেনে ওষুধ প্রয়োগ করার পরামর্শও কৃষি বিভাগ দিয়েছে বলে জানান তিনি।

চলতি বছর গাইবান্ধা জেলায় ১ লাখ ২৮ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো ধানের আবাদ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৫ লাখ ১৫ হাজার টন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২, ২০২২ ১:১৩ অপরাহ্ন
হাওরের ৯০ ভাগ বোরো ধান কাটা শেষ- কৃষি মন্ত্রণালয়
কৃষি বিভাগ

এখন পর্যন্ত হাওরের প্রায় ৯০ শতাংশ ধান কাটা শেষ হয়েছে। এর মধ্যে কিশোরগঞ্জে ৮০%, নেত্রকোনায় ১০০%, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ৬৮%, সিলেটে ৯২%, মৌলভীবাজারে ৮৮%, হবিগঞ্জে ৯০% এবং সুনামগঞ্জে ৯৫% ধান কাটা শেষ হয়েছে।

রোববার (১ মে) কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মো: কামরুল ইসলাম ভূইয়ার স্বাক্ষরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের হিসেব অনুযায়ী, এ বছর দেশের হাওরভুক্ত ৭টি জেলা কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সিলেট, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ এবং সুনামগঞ্জের হাওরে বোরো ধান আবাদ হয়েছে ৪ লাখ ৫২ হাজার ১৩৮ হেক্টর জমিতে। ৪ লাখ ৫০০ হেক্টর জমিতে শেষ হয়েছে ধান কাটা। আর হাওরের বাইরে উঁচু জমিতে (নন-হাওর) আবাদ হয়েছে ৪ লাখ ৯৮ হাজার ১৮০ হেক্টর জমিতে।

মোট (হাওর ও নন-হাওর মিলে) আবাদ হয়েছে ৯ লাখ ৫০ হাজার ৩১৮ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৫ লাখ ৭১ হাজার ৬০০ হেক্টর জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে, যা শতকরা হিসাবে ৬০ ভাগ (হাওরে ৯০%, নন-হাওরে ৩২%)।

সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ধান কাটার যন্ত্র কম্বাইন হারভেস্টার ও রিপার দেয়ায় হাওরে দ্রুততার সাথে ধান কাটা সম্ভব হচ্ছে। শুধু সুনামগঞ্জ জেলাতেই ৫৭৭টি কম্বাইন হারভেস্টার ধান কাটায় ব্যবহৃত হচ্ছে। এর ফলে বৈরি পরিবেশের মধ্যেও দ্রুততার সাথে বোরো ধান কাটা সম্ভব হয়েছে।

বৈরি আবহাওয়ার মধ্যে পাকা ধান দ্রুততার সাথে কাটার জন্য শুরু থেকেই কৃষি মন্ত্রণালয় কৃষকদেরকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে। ধান কাটার যন্ত্র কম্বাইন হারভেস্টার ও রিপার পর্যাপ্ত বরাদ্দ দেয়ার পাশাপাশি অন্যান্য জেলা থেকেও নিয়ে আসা হয়েছে। প্রায় ১ হাজার ৬০০ কম্বাইন হারভেস্টার ও রিপার ধান কাটায় ব্যবহৃত হচ্ছে। যার মধ্যে ৩০০টি কম্বাইন হারভেস্টার অন্যান্য জেলা থেকে নিয়ে আসা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১, ২০২২ ২:৫৭ অপরাহ্ন
ঢেঁড়শ চাষ করবেন যেভাবে
কৃষি বিভাগ

ঢেঁড়শ এদেশের একটি জনপ্রিয় সবজি। ঢেঁড়শে প্রচুর পরিমাসে ভিটামিন নি ও সি এবং এছাড়াও পর্যাপ্ত পরিমানে আয়োজিন, ভিটামিন “এ“ ও বিভিন্ন  খনিজ পদার্থ রয়েছে। ঢেঁড়শ নিয়মিত খেলে গলাফোলা রোগ হবার সম্ভাবনা থাকে না এবং এটা হজম শক্তি বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে।

মাটি:
দোআশ ও বেলে দোআশ ঢেঁড়শ চাষের জন্য সবচেয়ে উপযোগী। পানি নিষ্কাশনের সুবিধা  থাকলে এটেল মাটিতেও চাষ করা যায়

জাত:
শাউনি,পারবনি কানি-, বারী ঢেঁড়শ, পুশা সাওয়ানী, পেন্টা গ্রীন, কাবুলী ডোয়ার্ফ, জাপানী প্যাসিফিক গ্রীন এসব ঢেঁড়শের চাষ উপযোগী জাত। শেষের দুটো জাত সারা বৎসর ব্যাপী চাষ করা চলে।

সময়:
সারা বছরই চাষ করা যায়। তবে সাধারণতঃ গ্রীষ্মকালে এর চাষ করা হয়। ফাল্গুন চৈত্র ও আশ্বিন-কার্তিক মাস বীজ বোনার উপযুক্ত সময়।

বীজের পরিমাণ:
প্রতি শতকে  ২০ গ্রাম, হেক্টর প্রতি ৪- ৫ কেজি বীজ লাগে।

বীজ বপন:
বীজ বোনার আগে ২৪ ঘন্টা ভিজিয়ে নিতে হয়। গভীরভাবে চাষ ও মই দিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে চাষের জমি তৈরি করতে হয়। মাটি থেকে সারির দুরত্ব হবে ৭৫ সেমি.। বীজ সারিতে ৪৫ সেমি. দূরে দূরে ২-৩ টি করে বীজ বুনতে হয়। জাত অনুযায়ী চারা থেকে চারা এবং সারি থেকে সারির দুরত্ব ১৫ সেমি. কমানো বা বাড়ানো যেতে পারে। শীতকালে গাছ ছোট হয় বলে দূরত্ব কমানো যেতে পারে। চারা গজানোর পর প্রতি গর্তে একটি করে সুস্থ সবল চারা রেখে বাকী চারা গর্ত থেকে উঠিয়ে ফেলতে হবে।

সারের পরিমাণ:
সার               এক শতকে              হেক্টর প্রতি
গোবর            ৭৫ কেজি               ১৮ টন
সরিষার খৈল      ১.৭৫ কেজি            ৪২৫ কেজি
ইউরিয়া          ২৩০ গ্রাম গ্রাম         ৫৫-৬০ কেজি
টিএসপি          ৩৫০ গ্রাম গ্রাম         ৮৫-৯০ কেজি
এমও পি         ২৩০ গ্রাম গ্রাম          ৫৫-৬০ কেজি

সার প্রয়োগের নিয়ম:
জমি তৈরি করার সময় ইউরিয়া সার বাদে বাকি সব সার মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে। সার মেশানের ১০-১৫ দিন পর জমিতে ঢেঁড়শ বীজ বপন করতে হয়। ইউরিয়া সার সমান দু‘কিস্তিতে উপরি প্রয়োগ করতে হয়। প্রথম কিস্তিতে চারা গজানোর ২০-২৫ দিন পর এবং ২ য় কিস্তিতে দিতে হবে চারা গজানোর ৪০-৫০ দিন পর।

পরিচর্যা:
নিড়ানী দিয়ে মাটির উপরিভাগ মাঝে মাঝে আলগা করে দিতে হবে। জমি সব সময় আগাছা মুক্ত রাখতে হবে। মাটির প্রকার ভেদ অনুযায়ী ১০/১২ দিন পর পর সেচ দেয়া প্রয়োজন। প্রতি কিস্তিতে সার প্রয়োগের পর জমিতে সেচ দিতে হবে।

পোকামাকড় ব্যবস্থাপনা:
ঢেঁড়শের ফল ছিদ্রকারী পোকাই সবচে বেশি ক্ষতি করে। এ ছাড়া জাব পোকা, সাদা মাছি, ছাতরা পোকা, লাল গান্ধি ইত্যাদিও ক্ষতি করে।

রোগ ব্যবস্থাপনা:
হলদে শিরা স্বচ্ছতা ঢেঁড়শের প্রধান ক্ষতিকর রোগ। এ ছাড়া মোজেইক ও পাতায় দাগ রোগও দেখা যায়।

ফসল সংগ্রহ:
বীজ বোনার ৬-৮ সপ্তাহের  মধ্যে এবং ফুল ফোটার ৩-৫ দিনের মধ্যে ফল আসা শুরু হয়। জাত ভেদে ফল ৮-১০  সেমি. লম্বা হলেই সংগ্রহ করতে হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৩০, ২০২২ ১২:৫৮ অপরাহ্ন
নেদারল্যান্ডসে হর্টিকালচার এক্সপোতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ
কৃষি বিভাগ

নেদারল্যান্ডসে ৭ম আন্তর্জাতিক হর্টিকালচার এক্সিবিশনে সরকারীভাবে প্রথমবারের মতো অংশগ্রহণ করছে বাংলাদেশ। ছয় মাসব্যাপী এই এক্সপো শুরু হয়েছে ১৪ এপ্রিল, চলবে আগামী ৯ অক্টোবর পর্যন্ত।

বাংলাদেশসহ ৩২টি দেশ অফিশিয়াল পার্টনার হিসেবে প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণ করছে। এছাড়া অন্য প্যাভিলিয়ন হচ্ছে: ন্যাশনাল ৬২টি, গ্রীন হাউস ১৬টি, হাইটেক গ্রীন হাউস ১৫টি, এক্সপিরিয়েন্স গ্রীন হাউস ৬২টি, নার্সারি ৯০টি, পার্টনার্স ২৫টি, প্যারেনিয়াল ১২টি, ফ্লাওয়ার বালব ১২টি, এ্যাক্সোটিক প্লান্ট ৫টি ও ডাইভারস ১৫টি।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে এক্সপোতে বাংলাদেশের অংশগ্রহণ বিষয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আবদুর রাজ্জাক এমপি।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ উন্নয়নশীল দেশ থেকে উন্নত দেশের কাতারে শামিল হতে জোরেশোরে অগ্রসর হচ্ছে। আমরা বর্তমানে কৃষিকে বাণিজ্যিক ও লাভজনক করতে কাজ করছি। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশের মাধ্যমে কৃষিপণ্যের রফতানি বাড়াতে প্রচেষ্টা চলছে। এ এক্সপোতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে দেশের অর্জিত বিস্ময়কর সাফল্য ও কৃষিপণ্যের রফতানি সম্ভাবনা বিশ্ব দরবারে তুলে ধরা সম্ভব হবে। এর মাধ্যমে বাংলাদেশের মর্যাদা ও সম্মান আরও নতুন মাত্রায় উন্নীত হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

মন্ত্রী জানান, সরকারের পাশাপাশি দেশের এসিআই, প্রাণ গ্রুপ, হাশেম ফুডস, স্কয়ার ফুডস, গ্লোবপ্যাক ফুডস, বাংলাদেশ ফ্রুটস, ভেজিটেবলস এ্যান্ড এ্যালাইড প্রোডাক্টস এক্সপোর্টার্স এ্যাসোসিয়েশনসহ প্রায় ২০টির মতো বেসরকারী প্রতিষ্ঠান এতে অংশগ্রহণ করছে। বেসরকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ নিজ খরচে যাতায়াতসহ বিভিন্ন পণ্য নিয়ে এক্সপোতে অংশগ্রহণ করছে।

এবারের এক্সপোর্টি নেদারল্যান্ডসের আলমিরে শহরের অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রায় ৬০ হেক্টর বা ১৫০ একর জমি নিয়ে এই এক্সপোর আয়োজন।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৯, ২০২২ ৪:১১ অপরাহ্ন
বগুড়ায় বোরো ধানের বাম্পার ফলন; ধান কাটা ও মাড়াই ব্যস্ত কৃষক
কৃষি বিভাগ

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বোরো ধান কাটতে ও মাড়াই করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন বগুড়ার কৃষকরা। বগুড়ায় এবারও বোরোর বাম্পার ফলনের আশাবাদ ব্যক্ত করছেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর।

ইতোমধ্যে জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলায় বোরো ধান কাটা-মাড়াই চলছে। তবে ঝড় ও শীলাবৃষ্টির আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে কৃষক। অনেকে ঝড়ো হাওয়া ও বৃষ্টির ভয়ে আগেই ধান কাটা শুরু করেছে। তবে আগামাী মাসের ১০ তারিখ থেকে পুরোপুরি বোরো ধান কাটা শুরু হবে।

নন্দীগ্রাম উপজেলার কৃষক আসগর আলী বলেন, এবার জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলা বিঘা প্রতি ২৪ থেকে ২৮ মন জিরাসাইল ফসল উৎপাদন হবে। এখন বাজারের ভেজা ধান ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা। আর শুকনা ধান (জিরাসাইল) ধান ১০০০ টাকা থেকে ১১০০ টাকা।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক এনামুল হক জানান জেলা এবার ১ লাখ ৮৭ হাজার ৪১৫ হেক্টর জামিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। সেখানে এবার এই লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করছেন তিনি। গতবছর বোরো উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৮ লাখ ৭ হাজার ৬২৩ টন (চাল)।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৮, ২০২২ ৪:৪৭ অপরাহ্ন
বরিশালে ভাসমান কৃষি প্রযুক্তি বিষয়ক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে ভাসমান কৃষির আধুনিক প্রযুক্তির বিষয়ক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুরের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে ভাসমান কৃষি প্রকল্পের উদ্যোগে এই কৃষক মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন।

ভাসমান কৃষি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম কিবরিয়া।

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মাহবুবুর রহমানের সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রফিকুল ইসলাম, ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মোস্তাক আহমেদ, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম, এসও মো. রাজি উদ্দিন, মো. মাহবুবুর রহমান, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন, আমাদের দেশে জনসংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে, কমছে জমির পরিমাণ। এর মধ্য দিয়ে ২০৪১ সালে উন্নত দেশে পরিণত করতে হবে। তাই অনাবাদি জমি চাষের আওতায় আনা দরকার। এর অংশ হিসেবে জলাশয়ে ভাসমান বেডে ফসল আবাদে রয়েছে যথেষ্ট সুযোগ। এগুলোতে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে অধিক শস্য উৎপাদন সম্ভব। আর তা বাস্তবায়ন হলে বাংলার কৃষি হবে বিশ্বসেরা।

প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার বলেন, এ প্রকল্পের আওতায় দেশের ৭১ টি উপজেলায় ভাসমান বেডে ফসল উৎপাদনের কাজ চলমান আছে। যেসব জলাশয়ে ঢেউ বা খুব স্রোত নেই, এমন জায়গায় বেড তৈরি করে বিভিন্ন ফসল আবাদ করা যাবে। এর মাধ্যমে দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

অনুষ্ঠানে বাবুগঞ্জ, উজিরপুর, বানারীপাড়া, নেছারাবাদ এবং কালকিনির ৮০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

এর আগে ক্যাম্পাসের হলরুমে একই বিষয়ের ওপর কৃষক প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে ৩০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop