৩:২০ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ৯, ২০২১ ৫:০২ অপরাহ্ন
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে প্রশিক্ষণে গুরুত্বারোপ খাদ্যমন্ত্রীর
কৃষি বিভাগ

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে খাদ্যকর্মী, গৃহিণীসহ খাদ্য চেইনে যারা যুক্ত আছে, তাদের সবাই কে প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করেছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। রাজধানী কৃষিবিদ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের প্রকল্প অবহিতকরণ ও কৌশলগত পরিকল্পনা অবমুক্তকরণ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ অভিমত ব্যক্ত করেন।

তিনি বলেন, সুস্থ সবল জাতি গঠনে সবাই কে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি প্রধানমন্ত্রী ও জাইকা কে ধন্যবাদ প্রদান করেন নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধি প্রকল্পে সহায়তা করার জন্য। এবং তিনি ভেজালকারীদের হুঁশিয়ারি দেন।

অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি খাদ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি দীপংকর তালুকদার বলেন, ভোজন রসিক বাঙ্গালির স্বাস্থ্য ও জীবন সুরক্ষায় উৎপাদন থেকে ভোক্তার প্লেট পর্যন্ত নিরাপদ ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য ও সঠিকভাবে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্যপক্ষ কে কাজ করে যেতে হবে। এবং এ প্রকল্প নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কাজ কে আরো বেগবান করবে।

নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে দেশব্যাপী নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের ভূমিকা উল্লেখ করেন খাদ্য সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম। তিনি বলেন, নিরাপদ খাদ্য সংশ্লিষ্ট প্রশাসনিক পদ্ধতি শক্তিশালীকরণ, পরিদর্শন ও নজরদারি, খাদ্য পরীক্ষা, প্রশিক্ষণ এবং সচেতনতা বৃদ্ধিতে এ প্রকল্প ভূমিকা রাখবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত এইচ ই ইতো নাওকি অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, জাইকা কর্তৃক গৃহীত প্রকল্প বাংলাদেশে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। জাপানের অভিজ্ঞতা কে কাজে লাগিয়ে নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতে এ প্রকল্প ভূমিকা রাখবে। বাংলাদেশের উন্নয়নের অগ্রযাত্রার সঙ্গী হয়ে জাপান কাজ করে যাবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

বাংলাদেশ সরকার এবং জাইকার সহায়তায় গৃহীত প্রকল্পের মাধ্যমে নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম গতিশীল ও সুসংগিত হবে বলে বিশ্বাস করেন- বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল কাইউম সরকার। সমাপনী বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

কর্তৃপক্ষের সদস্য মো. রেজাউল করিম এর স্বাগত বক্তব্য শুরু হওয়া এ অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. লতিফুল বারী। বর্তমান বাংলাদেশে বহাল থাকা খাদ্য নিরাপদতার বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোকপাত করা সহ বিভিন্ন সমস্যার সমাধানকল্পে উত্তরণের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৯, ২০২১ ৪:৪১ অপরাহ্ন
ফরিদপুরে ৩ হাজার ৯০০ কৃষক পেলেন বীজ-সার
কৃষি বিভাগ

ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলায় প্রণোদনা পুনর্বাসন কর্মসূচির আওতায় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (০৯ ডিসেম্বর) দুপুরে এ কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

জানা গেছে, ৩ হাজার ৫০০ জন কৃষকের প্রত্যেককে ২ কেজি হাইব্রিড ধানের বীজ, ৪০০ জন কৃষকের প্রত্যেককে ৫ কেজি করে উফশী ধানের বীজ এবং ১০ কেজি ডাই অ্যামোনিয়াম ফসফেট (ডিএপি), ১০ কেজি মিউরেট অব পটাশ (এমওপি) সার বিতরণ করা হয়।

এ উপলক্ষে বৃহস্পতিবার (০৯ ডিসেম্বর) বোয়ালমারী উপজেলা পরিষদ হল কক্ষে সার ও বীজ প্রণোদনা কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। বোয়ালমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রেজাউল করিম এর উদ্বোধন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মোসা. রেখা পারভীন, কৃষি কর্মকর্তা প্রীতম কুমার হোড়, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা স্বপন কুমার বিশ্বাসসহ উপকারভোগী কৃষকরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৯, ২০২১ ২:৫৫ অপরাহ্ন
ঊর্ধ্বমুখী পেঁয়াজের দাম, কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা
কৃষি বিভাগ

হঠাৎ করেই রাজধানীর বাজারগুলোতে পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিকহারে বেড়ে গেছে। দুদিনেই কেজিতে পেঁয়াজের দাম বেড়েছে ২০ টাকা পর্যন্ত। দেশি পেঁয়াজের মজুদ ফুরিয়ে আসায় পেঁয়াজের এই দাম বেড়েছে বলে অভিমত ব্যবসায়ীদের।

তারা বলছেন, দেশি পেঁয়াজের যে মজুদ ছিল তা প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। এ কারণে এখন পেঁয়াজের দাম বাড়তি। তবে মুড়ি কাটা (পাতাসহ) পেঁয়াজ আসতে শুরু করেছে। তাই এবার পেঁয়াজের দাম খুব বেশি বাড়ার সম্ভাবনা কম।

বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, ব্যবসায়ীরা মান অনুযায়ী দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি করছেন ৭০ থেকে ৮০ টাকা। যা দুদিন আগে ছিল ৫৫ থেকে ৬০ টাকা।

দেশি পেঁয়াজের পাশাপাশি দাম বেড়েছে আমদানি করা ভারতীয় পেঁয়াজের। দুদিন আগে ৪৫ থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া আমদানি করা পেঁয়াজ এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা।

পেঁয়াজের এই দামের বিষয়ে মালিবাগ হাজীপাড়া বৌবাজারের ব্যবসায়ী মো. জাহাঙ্গীর বলেন, দুদিন আগে দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি করেছি ৬০ টাকা করে। এখন সেই পেঁয়াজের কেজি ৭৫ টাকা বিক্রি করতে হচ্ছে। হঠাৎ করেই পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম বেড়ে গেছে। তাই আমরা বাড়তি দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছি।

খিলগাঁও বাজারের ব্যবসায়ী সোহেল রানা বলেন, গত দুই দিনে পাইকারি বাজারে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০ টাকা। বাড়তি দামে কেনার কারণে আমরাও বেশি দামে বিক্রি করছি। দুদিন আগে দেশি পেঁয়াজের কেজি ছিল ৬০ টাকা, এখন সেই পেঁয়াজের কেজি ৮০ টাকা বিক্রি করতে হচ্ছে।

পেঁয়াজের দাম বাড়ার কারণ কি- এমন প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, পাইকাররা বলছেন দেশি পেঁয়াজের মজুদ শেষ হয়ে যাচ্ছে। গোডাউনে খুব বেশি পেঁয়াজ নেই। এ কারণেই দাম বেড়েছে।

এই ব্যবসায়ী আরও বলেন, আমাদের ধারণা এখন পেঁয়াজের দাম বাড়লেও এবার খুব বেশি বাড়বে না। কারণ ইতোমধ্যেই বাজারে মুড়ি কাটা পেঁয়াজ আসা শুরু হয়েছে। অল্প কিছুদিনের মধ্যে নতুন পেঁয়াজ বাজারে চলে আসতে পারে।

কারওয়ানবাজারের ব্যবসায়ী লোকমান হোসেন বলেন, বাজারে এখন পেঁয়াজের সরবরাহ কম, এ কারণে দাম বেড়েছে। আজ (বৃহস্পতিবার) আমরা দেশি পেঁয়াজের কেজি বিক্রি করছি ৬২-৬৪ টাকা। আগে এই পেঁয়াজের কেজি বিক্রি করেছি ৪৭-৪৮ টাকা। এ হিসাবে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কেজিতে বেড়েছে ১৫-১৬ টাকা।

তিনি বলেন, এখন বাজারে পেঁয়াজ কম তাই দাম বেড়েছে। বাজারে পেঁয়াজের সরবরাহ বাড়লে আবার দাম কমে যাবে। আমাদের ধারণা পেঁয়াজের দাম খুব বেশিদিন বাড়তি থাকবে না। কারণ অল্পদিনের মধ্যেই বাজারে নতুন পেঁয়াজ চলে আসবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৯, ২০২১ ১:৩৯ অপরাহ্ন
সোনাগাজীতে কৃষকদের থেকে ধান সংগ্রহের উদ্বোধন
কৃষি বিভাগ

ফেনীর সোনাগাজী উপজেলায় সরাসরি কৃষকদের থেকে সরকার নির্ধারিত দামে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন ধান সংগ্রহের কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৯ ডিসেম্বর) সকালে সোনাগাজী উপজেলা খাদ্য গুদামে আনুষ্ঠানিকভাবে ধান সংগ্রহ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জহির উদ্দিন মাহমুদ লিপটন।

এসময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) এ এম জহিরুল হায়াত, সহকারী কমিশনার (ভূমি) লিখন বনিক, উপজেলা কৃষি অফিসার সাজ্জাদ হোসেন মজুমদার, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা শফি উদ্দিন আহমেদ, খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জাহাঙ্গীর আলম।

উল্লেখ্য, সোনাগাজী উপজেলা খাদ্য গুদামে ১ হাজার ৫০ টন আমন ধান সংগ্রহ করা হবে। একজন কৃষক ২৭ টাকা কেজি ধরে সর্বোচ্চ ৩টন ধান বিক্রি করতে পারবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৯, ২০২১ ১২:০২ অপরাহ্ন
যশোরে জাওয়াদের প্রভাবে ২৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত
কৃষি বিভাগ

ঘুর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে যশোর জেলার ৮ উপজেলায় প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।শীতকালীন সবজি, বোরো বীজতলা, পাকা রোপা আমন, সরিষা ও মসুর ডাল ক্ষেতের সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ফসলের তালিকায় রয়েছে শীতকালীন সবজি, বোরো বীজতলা, পাকা রোপা আমন, সরিষা ,আলু, গম, পেঁয়াজ,ভূট্টা,মিষ্টি আলু, চিনাবাদাম,সূর্যমুখী , মটরসুটি,খেসারি, মসুর ডাল, ধনিয়া,আখ, মরিচ ও পান। টানা চারদিনের বৃষ্টিতে মোট ২৪হাজার ৮৪২ হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এরমধ্যে ৪ হাজার ১৪৮ হেক্টর জমির রোপা আমন ধান, ২৫৩ হেক্টর জমির বোরো বীজতলা, ২৫৬ হেক্টর জমির আলু, ২০৬ হেক্টর জমির গম, ২১৬ হেক্টর জমির পেঁয়াজ, ৪ হাজার ১৬৩ হেক্টর জমির মসুর, ৯ হাজার ৯১০ হেক্টর জমির সরিষা, ৪ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমির শীতকালীন সবজি, ১৫০ হেক্টর জমির ভুট্টা, ১৫ হেক্টর জমির মিষ্টি আলু, ২৫ হেক্টর জমির চিনাবাদাম, ১০ হেক্টর জমির সূর্যমুখী, ২০০ হেক্টর জমির মটরশুটি, ১৫০ হেক্টর জমির খেসারি, ৭৫ হেক্টর জমির রসুন, ১০ হেক্টর জমির ধনিয়া, ৭৫ হেক্টর জমির আখ, ৩শ’ হেক্টর জমির মরিচ ও ১০ হেক্টর জমির পানের ক্ষেত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

যশোর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, ঘূণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে জেলায় প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর জমির ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে গিয়ে কৃষকদের ক্ষতি নিরুপণের কার্যক্ষম চালাচ্ছেন।সামনের দিনে কৃষকরা আবার কিভাবে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারেন সে ব্যাপারের কৃষকদেরকে পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।আবহাওয়া পরিবর্তনসহ দ্রুত পানি নিষ্কাশন হলে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ কমে আসবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৯, ২০২১ ১১:৩১ পূর্বাহ্ন
মুন্সিগঞ্জে আলু চাষে ব্যস্ত কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

এখন আলু চাষে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মুন্সিগঞ্জের কৃষকেরা। সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত শ্রমিক ও পরিবারের লোকজন নিয়ে আলু চাষ করছেন তারা। তবে এবছর সার ও আলু বীজের দাম বেশি বলে তাদের অভিযোগ। এ কারণে জেলায় আলুচাষের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ নাও হতে পারে। 

দেশে সবচেয়ে বেশি আলু উৎপাদন হয় মুন্সিগঞ্জে। প্রতিবছর মৌসুম এলেই আলু চাষে ব্যস্ত হয়ে পড়েন এখানকার কৃষকরা। এবারও একই চিত্র। তবে আলুর আবাদ করতে গিয়ে সার ও বীজের দামের কারণে ক্ষুব্ধ চাষীরা। তারা বলছেন, সরকার নির্ধারিত দামের চেয়েও বেশি দাম নেওয়া হচ্ছে ।

তবে আলু বীজের অতিরিক্ত দাম নেয়ার অভিযোগ মানতে নারাজ কৃৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

দাম নিয়ে কৃষক ও কৃষি কর্মকর্তাদের মধ্যে ভিন্নমত থাকলেও এবছর আলু চাষে আগ্রহ তুলনামূলক কমই দেখা যাচ্ছে। মুন্সিগঞ্জে ২০২১-২২ অর্থবছরে ৩৭ হাজার ৯’শ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। তবে এ পর্যন্ত আবাদ হয়েছে ৯ হাজার ৮’শ ৮০ হেক্টর জমিতে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৮, ২০২১ ৩:৩১ অপরাহ্ন
জয়পুরহাটে ৩৩০ হেক্টর জমিতে শীতকালীন মরিচ চাষ
কৃষি বিভাগ

জেলায় চলতি ২০২১-২০২২ রবি মৌসুমে শীতকালীন মরিচের চাষ হয়েছে ৩৩০ হেক্টর জমিতে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হেক্টর অতিরিক্ত।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জয়পুরহাট জেলায় চলতি ২০২১-২০২২ রবি মৌসুমে শীতকালীন ৩২০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে চাষ হয়েছে ৩৩০ হেক্টর জমিতে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ১০ হেক্টর বেশি। এতে কাঁচা মরিচের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৫৮০ মেট্রিক টন।এ ছাড়াও জেলায় এবার গ্রীষ্মকালীন খরিপ-১ মৌসুমে ১৮৫ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হয়। যেখানে মরিচের উৎপাদন হয়েছিল ৩৪০ মেট্রিক টন মরিচ।

বর্তমান বাজারে পাওয়া যাচ্ছে চলতি ২০২১-২০২২ মৌসুমের মরিচ। গ্রীষ্মকালীন মরিচের সঙ্গে শীতকালীন মরিচ বাজারে আসতে শুরু করার ফলে দাম কিছুটা কমেছে বলে জানায় স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

জেলা শহরের নতুনহাট, মাছবাজার ও ক্ষেতলাল উপজেলার বটতলী বাজার ঘুরে দেখা যায় কাঁচা মরিচ পাইকারী বিক্রি হচ্ছে প্রকার ভেদে ৪৪ থেকে ৫০ টাকা কেজি। যদিও জেলা শহরের খুচরা বাজারে প্রকার ভেদে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে কাঁচা মরিচ।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মো: শফিকুল ইসলাম জানান, আবহাওয়া ভালো থাকায় এবার মরিচের আবাদ ভালো হয়েছে। বাজারে আগাম জাতের মরিচের আমদানি হওয়ায় দাম একটু কমেছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৮, ২০২১ ২:৫৬ অপরাহ্ন
পানির নিচে আমন চাষিদের স্বপ্ন
কৃষি বিভাগ

লক্ষ্মীপুরের কমলনগর উপজেলার উত্তর চরলরেন্স গ্রামের কৃষক আব্দুল মতিন হাওলাদার তিন একর জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছেন। চাষাবাদের শুরু থেকেই আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার ধানের উৎপাদন ভালো হয়েছে।

সপ্তাহ খানেকের মধ্যেই ধান গোলায় তুলতে পারবেন- এমন স্বপ্ন দেখছেন তিনি। কিন্তু অসময়ের বৃষ্টি তার সর্বনাশ ডেকে এনেছে। তিন একর জমির ধানের মধ্যে দুই একর জমির ধান বৃষ্টি শুরুর আগে কেটেছেন। বাকিগুলো কাটার সুযোগ পাননি।

আব্দুল মতিন বলেন, সবেমাত্র পাকা ধান কেটে জমিতে রেখে দিয়েছি। ইচ্ছে ছিলো জমিতে রেখেই মেশিনের মাধ্যমে ধান মাড়াই করবো। এখান থেকে ধান বাড়িতে নিয়ে সিদ্ধ করে শুকাবো এবং খড়গুলো শুকিয়ে সংরক্ষণ করবো। কিন্তু টানা বৃষ্টির কারণে কেটে রাখা পাকা ধান বৃষ্টির পানিতে পড়ে আছে। এছাড়া বাকি যে এক একর জমির ধান কাটতে পারিনি- সেগুলো মাটিতে নুয়ে পড়েছে। ধান পাকা হওয়ায় অনেকগুলো মাটিতে ঝরে পড়েছে। এতে ব্যাপক ক্ষতির সম্মূখীন হতে হবে।

একই এলাকার কৃষক মো. আমজাদ হোসেন স্বপন বলেন, এক একর জমিতে আমন ধানের আবাদ করেছি। ফলন ভালো হয়েছে। কিন্তু বৃষ্টির কারণে ধানের গাছ ভেঙে শুয়ে পড়েছে। যেসব ধানের গোঁছায় পানি লেগে আছে, সেগুলো থেকে অঙ্কুর গজাচ্ছে। ফলে ফলন ভালো হলেও বৃষ্টির কারণে ব্যাপক লোকসান হবে।

ঘূর্ণিঝড় ‘জাওয়াদ’ এর প্রভাবে লক্ষ্মীপুরে তিনদিন ধরে টানা বৃষ্টি হয়েছে। অসময়ের এ বৃষ্টির কারণে আমন ধানের ক্ষেতসহ ফসলি জমিতে পানি জমে গেছে। এতে কৃষক আব্দুল মতিন এবং আমজাদ হোসেনের মতো লক্ষ্মীপুরে এমন শত শত কৃষক ক্ষেতে থাকা আমন ধান দুচিন্তার মধ্যে পড়েছেন। ভালো ফলনে মুখে হাসি থাকলেও বর্তমান পরিস্থিতিতে তারা শঙ্কার মধ্যে পড়েছেন। আবহাওয়া স্বাভাবিক না হলে ক্ষেতের বাকি ধান ঘরে তোলা অনিশ্চিত হয়ে পড়বে। তবে অনেকে বৃষ্টি শুরুর আগেই ধান কেটে ঘরে তুলতে সক্ষম হয়েছেন।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চর আলী হাসান গ্রামের কৃষক সফিকুল ইসলাম জানান, বৃষ্টির আগে ধান কেটে ক্ষেতের মধ্যে ফেলে রেখেছি। বৃষ্টি শুরুর পর থেকে কাটা ধানগুলো ক্ষেতের মধ্যে পড়ে আছে। ধানের গাছ ভিজে থাকায় মাড়াই করা সম্ভব নয়। আমাদের এলাকার বেশিরভাগ ক্ষেতের ধান শুয়ে পড়েছে। শুয়ে পড়া ধান কাটতে সময় বেশি লাগে। ফলে ধানকাটা খরচ বেড়ে যাবে।

এদিকে বৃষ্টিতে ধানের পাশাপাশি খড়ের ক্ষতিরও আশঙ্কা করছে কৃষকরা। অনেকে আগাম ধান কেটে খড়গুলো ক্ষেতের মধ্যে শুকোতে দিয়েছেন। তবে বৃষ্টির পানিতে ভিজে থাকার কারণে খড়গুলো পচে যাচ্ছে। ফলে এর প্রভাব পড়বে গো-খাদ্যের ওপর।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের হিসেব মতে, অসময়ের বৃষ্টিতে লক্ষ্মীপুরে ধানসহ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এর মধ্যে বৃষ্টির পানিতে ১৫০ হেক্টর জমির ধান আক্রান্ত হয়েছে। চলতি বছর ৮১ হাজার ২৬৫ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে। ধানের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ ১৯ হাজার ৭৭৬ মেট্রিক টন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী পরিচালক মো. আবুল হোসেন বলেন, মৌসুমের শুরুতে বেশিরভাগ জমির ধান কেটে ফেলা হয়েছে। তবে ১৫০ হেক্টর জমির ধান বৃষ্টিতে আক্রান্ত হয়েছে। কি পরিমাণ ক্ষতি হয়েছে- তা এখনো নিরুপন করা হয়নি।

তিনি বলেন, এবার আমন ধানের উৎপাদন ভালো হয়েছিলো। আমরা আশা করেছিলাম উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। কিন্তু বৃষ্টির কারণে কৃষকরা কিছুটা ক্ষতির মধ্যে পড়েছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৮, ২০২১ ১:৫৮ অপরাহ্ন
লালমনিরহাটে আলু চাষে সার সংকট
কৃষি বিভাগ

আলু চাষের শুরুতেই লালমনিরহাটে সারের সংকট দেখা দিয়েছে। চাষিদের অভিযোগ, সংকট তৈরি করে ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীরা বাড়িয়ে দিয়েছে আলু চাষের জন্য প্রয়োজনীয় টিএসপি, ডিএপি ও এমওপি সারের দাম। সরকার নির্ধারিত দামের চেয়ে বস্তাপ্রতি ২৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বেশি আদায় করছে বিক্রেতারা।

মৌসুমের শুরুতেই সারের দামে নৈরাজ্য শুরু হলেও এখন পর্যন্ত জেলা অথবা উপজেলা সার মনিটরিং কমিটি কারও বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। চাষিরা বলছেন, লালমনিরহাটে সব ধরনের সারের পর্যাপ্ত বরাদ্দ থাকলেও ডিলার ও খুচরা কারবারিরা কারসাজি করে দাম বাড়িয়েছে। অন্যদিকে সার উত্তোলন ও চলাচলের বিষয়ে কোনো মনিটরিং ব্যবস্থা নেই। যাদের ওপর মনিটরিংয়ের দায়িত্ব রয়েছে তারাও এই কারসাজির সঙ্গে জড়িত।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তাদের সঙ্গে ডিলার ও খুচরা কারবারিদের গভীর যোগাযোগ রয়েছে। কোন ডিলার তার নামে বরাদ্দ করা সার উত্তোলন করে গুদামে রেখে বিক্রি করছে তা মনিটরিং কমিটি দেখছে না। ফলে এক এলাকার সার অন্য এলাকায় অবাধে চলে যাচ্ছে। তাদের অভিযোগ, লালমনিরহাটের জন্য বরাদ্দকৃত সার তুলে কতিপয় ডিলার যশোরের নওয়াপাড়া মোকামেই বিক্রি করে দিয়ে আসছে। ওইসব সার চলে যাচ্ছে সিন্ডিকেটের গুদামে। এসব সার অবৈধ লাইনে চলে যাচ্ছে অন্য জেলার মজুদ কারবারিদের কাছে। এর ফলে লালমনিরহাটে সারের সংকট তীব্র হয়েছে।

জেলার কালিগঞ্জের শিয়াল খোয়ার আলু চাষি মিরাজুল ইসলাম, সদরের হরাটির সফিউল আলম ও আদিতমারীর কমলাবাড়ীর আজিজুলের অভিযোগ, দেশের যেসব জেলায় সবচেয়ে বেশি আলু চাষ হয় লালমনিরহাট তার মধ্যে অন্যতম। দুই সপ্তাহ আগে লালমনিরহাটে আগাম আলু আবাদ শুরু হয়েছে। এখন মাঠে মাঠে জমি তৈরিতে ব্যস্ত চাষিরা।

চাষিরা জানান, আলুর জমি তৈরির সময়েই পর্যাপ্ত পরিমাণ টিএসপি, ডিওপি ও এমওপি সারের প্রয়োজন। কিন্তু চাষিরা সার পাচ্ছেন না ডিলারদের দোকানে। আবার অনুমোদিত নয় এমন অবৈধ সার বিক্রেতাদের দোকানে দোকানে এসব সরকারি সার বিক্রি হচ্ছে চড়া দামে।

সদরের মহেন্দ্রনগরের আলু চাষি শরিফুল ইসলাম বলেন, চাষি পর্যায়ে প্রতি কেজি ২২ টাকা হিসাবে ৫০ কেজির এক বস্তা টিএসপির দাম ১ হাজার ১০০ টাকা নির্ধারণ করা আছে। কিন্তু খুচরা বিক্রেতারা এসব সার চাষিদের কাছে বিক্রি করছে ১ হাজার ২৫০ টাকা থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা করে। প্রতি কেজি এমওপির দাম ১৫ টাকা হিসাবে ৫০ কেজির এক বস্তার দাম ৭৫০ টাকা।লালমনিরহাটের ৫ উপজেলায় বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার টাকা বস্তা করে। একইভাবে ১৬ টাকা প্রতি কেজির ডিএপির ৫০ কেজির বস্তার বিক্রি মূল্য ৮০০ টাকা হলেও চাষিরা কিনছেন ১ হাজার টাকা থেকে হাজার ৫০ টাকা করে। আর চাষিরা ডিলারদের দোকানে গিয়ে কোনো সার পাচ্ছে না। এভাবেই লালমনিরহাটে সার বিক্রিতে নৈরাজ্য চালাচ্ছে ডিলার ও খুচরা বিক্রেতারা।

জানা গেছে, চলতি অক্টোবর থেকে লালমনিরহাটে আগাম আলু চাষ মৌসুম শুরু হয়েছে। এবার আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২০ হাজার ৬৯৩ হেক্টর। এই পরিমাণ জমি থেকে সাড়ে ৪ লাখ টন আলু ফলনের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে। শুধু আলু চাষকে সফল করতে বিএডিসির ৭১ জন ডিলারের জন্য ২ হাজার ৬৭৩ মেট্রিক টন বিভিন্ন ধরনের নন-ইউরিয়া সার বরাদ্দ করেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৮, ২০২১ ১১:৫৬ পূর্বাহ্ন
ফরিদপুরে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি
কৃষি বিভাগ

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে দু’দিনের টানা বৃৃষ্টিতে ফরিদপুরে প্রায় ২০ হাজার হেক্টর জমির পেঁয়াজ, রসুন ও আলু সহ বিভিন্ন ফসলের ক্ষতি হয়েছে। বৃৃৃষ্টির পানিতে ডুুবে গেছে মুড়িকাটা পেঁয়াজের ক্ষেত। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন চাষীরা। এদিকে, সরেজমিনে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণের জন্য কৃষি কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে কৃষি বিভাগ।

দেশে মোট উৎপাদিত পেঁয়াজের সিংহভাগই চাষ হয় ফরিদপুরে। চলতি মৌসুমে জেলার পাঁচ হাজার হেক্টরেরও বেশি জমিতে মুড়িকাটা পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে। চাষীদের এখন ক্ষেত থেকে পেঁয়াজ ঘরে তোলার কথা। কিন্তু হঠাৎ ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদের প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে পেঁয়াজ, রসুন, আলু ও সরিষা ক্ষেতের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এতে মাথায় হাত কৃষকদের।

এদিকে, কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠে গিয়ে ক্ষয়ক্ষতি পর্যবেক্ষণ করার নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. মো: হযরত আলী।

দু’দিনের টানা বৃষ্টিতে ফরিদপুরে ২০ হাজার হেক্টর জমির ফসল কমবেশি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop