১১:৫৭ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ১৫ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুন ২, ২০২১ ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন
আখাউড়ায় ৩ গরু চোরকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দিল জনতা
প্রাণিসম্পদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় তিন গরু চোরকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে সাধারণ জনগণ।

মঙ্গলবার(১ জুন) বিকালে উপজেলার সদর দক্ষিণ ইউনিয়নের হিরাপুর গ্রাম থেকে তাদেরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, সাইফুল ইসলাম, সাইফুল ভূইয়া ও মাহিন। তাদের সবার সবার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বিরাসার গ্রামে।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে হিরাপুর জমাদ্দার বাড়ি এলাকায় অপরিচিত ৫-৬ জন লোক ঘোরাঘুরি করছে বিষয়টি তাদের নজরে আসে। একপর্যায়ে দুপুর ২টার দিকে ঘাস খাওয়া অবস্থায় একটি গরু তারা টেনে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় উঠানোর চেষ্টা করে। এ সময় গরুর মালিকের ছেলে জাহিদ দেখে দৌঁড়ে তাদের আটকায়।

পরে স্থানীয় জনতা এসে তাদের প্রথমে গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাদেরকে আটক করে গরুসহ থানায় নিয়ে আসে।

জাহিদ জানান, দুপুরের দিকে আমাদের একটি গরু রাস্তা সংলগ্ন জায়গায় ঘাস খাচ্ছিল। এ সময় ২-৩ জন লোক গরুটি টেনে অটোরিকশায় উঠানোর চেষ্টা করে। পরে দৌড়ে গিয়ে তাদের আটকানো হয়।

দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জালাল হোসেন জানান, বেশ কিছুদিন ধরে হিরাপুর এলাকায় হাঁস-মুরগি ও গরু ছাগল চুরির ঘটনা ঘটছে। সংঘবদ্ধ একটি চক্র এ চুরির ঘটনা ঘটাচ্ছে।

আখাউড়া থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, গরুসহ তিনজনকে জনতা আটক করে পুলিশের কাছে সপোর্দ করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১, ২০২১ ৪:৩৭ অপরাহ্ন
বর্ষায় দুগ্ধ খামারিরা থাকে লোকসানের শঙ্কায়!
প্রাণিসম্পদ

বর্ষার সিজন বলতেই যেন গরু-ছাগল খামারিদের এক করুণ অবস্থা। আর তাতে খুব বেশি শঙ্কায় থাকেন দুগ্ধ খামারিরা।পানিতে সবুজ চারণ ভূমি তলিয়ে যায় পানিতে। একদিকে দাম কম, অন্যদিকে দফায় দফায় গো খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধিতে লোকসান গুণতে হয় খামারিদের। যারা দুধ সংগ্রহ করে তারা এই সময়টাতে দাম দেয় কম আবার দুধ না নেয়ারও অভিযোগ অনেক খামারির।

জানা যায়, ১৯৭৩ সালে সমবায়ভিত্তিক রাষ্ট্রায়ত্ত্ব প্রতিষ্ঠান মিল্কভিটার দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে এই অঞ্চলে গড়ে ওঠে গরুর শত শত খামার। বর্তমানে এখানে গড়ে উঠেছে প্রায় ৪৫টি বেসরকারি দুধ শিতলীকরণ কোম্পানি। গবাদি পশু সারা বছরই খামার সংলগ্ন গো-চারণ ভূমিতে রাখা হয়। সেখানে সবুজ ঘাঁসের পাশাপাশি খড়, বিভিন্ন প্রকারের ভুষি, খৈল খাইয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে লালন করা হয় গবাদি পশুগুলোকে।

আরো পড়ুন: দুগ্ধ শিল্পকে বিশ্বমানের করতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের আহ্বান প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর

বর্ষায় কাঁচা ঘাস না পাওয়ায় বাড়তি খাবার কিনতে হয়। কিন্তু এ সময়ই দুধের দাম কমে যায় বলে এক খামারি জানান।

আরেকজন খামারি দুগ্ধ শিল্পকে লোকসানের হাত থেকে রক্ষায় দুধের মূল্য বৃদ্ধিসহ কর্তৃপক্ষের যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়ে বলেন, সরকারের কাছে অনুরোধ, দুধের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি গোখাদ্যের সঠিক মূল্যের দিকেও যেন নজর দেওয়া হয়।

আরো পড়ুন : দ্বন্দ্বের জেরে মরল হাজার মুরগি

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আক্তারুজ্জামান ভূঁইয়া জানান, আমরা এমন উদ্যোগ নিচ্ছি যেন মধ্য খামারিরা সরাসরি নিজেদের উৎপাদিত দুধ বিক্রি করতে পারে।

জেলায় মোট খামারের সংখ্যা প্রায় ২৫ হাজার। গাভীর সংখ্যা প্রায় দেড় লাখ। আর প্রতিদিন প্রায় সাড়ে সাত লাখ লিটার দুধ উৎপাদন হয় বলে জানা যায় প্রাণিসম্পদ অফিসের তথ্যে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১, ২০২১ ৪:২০ অপরাহ্ন
দুগ্ধ শিল্পকে বিশ্বমানের করতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের আহ্বান প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর
প্রাণিসম্পদ

আজ ১ লা জুন বিশ্ব দুগ্ধ দিবস। এই দিবসে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম দেশের দুগ্ধ শিল্পকে এগিয়ে নিতে ও বিশ্বমানের করার জন্য বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১ জুন) রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার অরগানাইজেশন ওফ দ্যা ইউনাইটেড নেশনস আয়োজিত বিশ্ব দুগ্ধ দিবস ২০২১ ও ডেইরি সপ্তাহ উপলক্ষে আয়োজিত সেমিনারে এ আহ্বান জানান তিনি।

প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শেখ আজিজুর রহমান এতে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, ব্যবসায়ীসহ প্রায় ১৫০ জন ডেলিগেট অংশ নেন।

সেমিনারে এফএও বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ড. সিম্পসন বলেন, বাংলাদেশের দুগ্ধ খাত অনেকটাই এগিয়েছে। সরকারের সঙ্গে এ খাত এগিয়ে নিতে সব ধরনের সহায়তা করে যাবে এফএও।

সেমিনারে প্যানেল আলোচনায় চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিমেল সায়েন্স ইউনিভার্সিটি সাবেক ভিসি ডা. নিতিশ চন্দ্র দেবনাথ বলেন, বর্তমানে প্রচলিত ধরা থেকে ডাক্তারদের বের হয়ে আসতে হবে। তাদের রোগীদের ভুল পরামর্শ না দিয়ে বলতে হবে হার্টের সমস্যা বা উচ্চ রক্তচাপ থাকলেও দুধ খেতে হবে। কারণ দুধের মধ্যে এমন উপাদান রয়েছে, যা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। দুগ্ধ শিল্পের উৎপাদনে একটা আন্দোলনে যেতে হবে মন্ত্রণালয়কে বলেও তিনি জানান।

বক্তারা বলেন, শুধু কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানের দিকে তাকিয়ে নয়, গ্রামীণ অর্থনীতিকে সমৃদ্ধ করার জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। আগামী বাজেট মৎস্য, প্রাণী ও একোয়া বান্ধব বাজেটের দাবি জানান তারা।

সচিব রওনক মাহমুদ বলেন, দুধের বহুমুখী খাদ্যপণ্য উৎপাদনের দিকে যেতে হবে। এছাড়া দুধের উৎপাদন বাড়াতে যা প্রয়োজন তাই করবে সরকার। তবে প্রবৃদ্ধি বাড়লেও আমরা এই সেক্টরকে হাইলাইট করতে পারিনি। জিডিপিতে অবদানের পরিসংখ্যানে পিছিয়ে আছে এ মন্ত্রণালয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১, ২০২১ ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন
কোরবানিকে সামনে রেখে ব্যস্ত খুলনার গরু খামারিরা
প্রাণিসম্পদ

আসন্ন কোরবানিতে গরুতে লাভবান হওয়ার আশায় খুলনার জেলার খামারিরা গরু নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তারা এই উপলক্ষে গরু-ছাগল মোটাতাজাকরণে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন। অধিক পুষ্ট গরু-ছাগলের ক্রেতার কাছে চাহিদা অনেক বেশি। সেখানকার খামারিরা তাই এই সময়টাতে ব্যস্ত সময় পার করেন।

জানা যায়, কোরবানির চাহিদার তুলনায় এ জেলায় ৪০ শতাংশ পশু প্রস্তুত করা হচ্ছে। এবার করোনার তাণ্ডবে অর্থনীতির অবস্থা সব দিকেই নাজেহাল। আর এই শঙ্কায় স্বল্প সংখ্যক পশু প্রস্তুত করেছেন তারা। নিরাপদ মাংস নিশ্চিতে খামারিদের বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

জেলা প্রাণি সম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়,গত বছর কোরবানির ঈদে জেলায় ৭৪ হাজার ৮০০ গবাদীপশু কোরবানি করা হয়। এগুলোর মধ্যে ৩৮ হাজার ষাঁড়-বলদ এবং ৩২ হাজার ৮৬৯ টি ছাগল-ভেড়া। শুধুমাত্র নগরীতে বারো হাজার ১৮৬ ​টি ষাঁড়-বলদ কোরবানি হয়।

গত বছর কোরবানির পর পরই খামারিরা নতুন করে ষাড়, ছাগল মোটা তাজাকরণ প্রকল্পের কাজ শুরু করেন। ইয়াসের কারণে কয়রা উপজেলায় এ প্রকল্পে যথারীতি খাদ্য সরবরাহ করা সম্ভব হয়নি। এ ছাড়া করোনায় মন্দা অর্থনীতির কারণে অন্যান্য উপজেলার খামারিরা খুব বেশি বিনিয়োগ করেননি।

খুলনা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক ডাঃ মোঃ আমিনুল ইসলাম জানান, আসন্ন কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে অনেক খামারি গবাদিপশু মোটাতাজা করছেন। স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে মাংস উৎপাদনের জন্য আমরা তাদের পরামর্শ দিচ্ছি বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৩১, ২০২১ ১১:২৫ অপরাহ্ন
আগামীকাল বিশ্ব দুগ্ধ দিবস
প্রাণিসম্পদ

আগামীকাল বিশ্ব দুগ্ধ দিবস। ২০০১ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) ১ জুন তারিখকে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। ঐ বছর থেকে বৈশ্বিক খাদ্য হিসেবে দুধের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং দৈনন্দিন খাদ্য গ্রহণে দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত পণ্য অন্তর্ভুক্ত করাকে উৎসাহিত করতে প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী এ দিবসটি উদযাপন হয়ে আসছে।

বিশ্ব দুগ্ধ দিবস ২০২১ এর প্রতিপাদ্য হচ্ছে, “Sustainability in the dairy sector with messages around the environment, nutrition and socio-economics.”মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এ বছর দেশব্যাপী দিবসটি পালন করছে। এর অংশ হিসেবে ১ জুন থেকে ৭ জুন পর্যন্ত দুগ্ধ সপ্তাহ পালিত হবে।

আগামীকাল (১ জুন) বিশ্ব দুগ্ধ দিবস ও দুগ্ধ সপ্তাহ ২০২১ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

এদিন সকালে সুসজ্জিত পরিবহণের মাধ্যমে রাজধানীর খামারবাড়ি মোড়সহ অন্যান্য স্থানে জনসচেতনতামূলক প্রচার কার্যক্রম, টি-শার্ট বিতরণ ও দরিদ্রের দুধ খাওয়ানো কর্মসূচি পালন করা হবে।

একইদিন বিশ্ব দুগ্ধ দিবস ২০২১ উপলক্ষ্যে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার যৌথ আয়োজনে একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হবে।

এছাড়া দুগ্ধ সপ্তাহের কর্মসূচির অংশ হিসেবে সরকারি শিশু পরিবার ও নির্দিষ্ট সংখ্যক দরিদ্র মানুষকে বিনামূল্যে দুধ পান করানো, জেলা ও উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের মাধ্যমে দুগ্ধ পণ্য বহুমুখীকরণে পরামর্শ ক্যাম্পেইন পরিচালনা, প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর
আয়োজন, বিনামূল্যে প্রাণিসম্পদ চিকিৎসা ক্যাম্পেইন পরিচালনা, বিনামূল্যে প্রাণিসম্পদের জন্য কৃমিনাশক ঔষধ বিতরণ ও
টিকা প্রদান ক্যাম্পেইন পরিচালনা এবং মিডিয়া ডায়ালগ আয়োজনসহ জনসচেতনতামূলক অন্যান্য প্রচার কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৮, ২০২১ ৯:২১ অপরাহ্ন
আসন্ন কোরবানিকে সামনে নিয়ে চট্টগ্রাম পশু খামারিদের প্রস্তুতি শুরু
প্রাণিসম্পদ

চট্টগ্রামের পশুর হাটে আসন্ন কোরবানির পশুর বাজারকে কেন্দ্র করে খামারিদের চলছে প্রস্তুতি। প্রান্তিক কৃষক থেকে শুরু করে একেবারে বড় খামারিরাও এবার স্বপ্ন দেখছেন গতবারের লাভ-লোকসানকে  কাটিয়ে উঠার। আর তাই তারা নিচ্ছেন ব্যাপক প্রস্তুতি।

চট্টগ্রাম জেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, আসন্ন কোরবানি ঈদে চট্টগ্রাম শহরসহ পুরো জেলায় ৭ লক্ষ গরুর চাহিদা রয়েছে। জেলার বিভিন্ন খামারি ও প্রান্তিক পশুপালনকারীদের থেকে প্রাপ্ত তথ্যে ৫ লক্ষ গরুর যোগান রয়েছে এবার। ঘাটতি রয়েছে আরো ২ লক্ষ প্রায়। তবে এই চাহিদা খুব সহজেই পূরণ হয়ে যাবে দেশের অভ্যন্তরের উত্তরাঞ্চলের গরু দিয়ে। বিশেষ করে নোয়াখালী, সিরাজগঞ্জ, মাদারীপুর জেলা থেকে আসা গরুতেই প্রায় বছরই ঘাটতি চাহিদা পূরণ হয়।

চট্টগ্রাম জেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগের উপ পরিচালক ডা. মো. রেজাউল হক জানান, চট্টগ্রামের চাহিদার তুলনায় যে পরিমাণ গরু রয়েছে তাও কম নয়। তবে শিল্প ও বাণিজ্যিক এলাকার কারণেই শহরের জন্য ঘাটতিটা বেশি থাকে। ইতোমধ্যে জেলার মীরসরাই, চন্দনাইশ ও ফটিকছড়ি উপজেলায় গড়ে ওঠা খামারের গরুতে ঘাটতি আর থাকবে না এমনটাই আশা করছি।

তিনি আরো বলেন, আর বেশি দূরে নয় চট্টগ্রাম থেকেই দেশের অন্যান্য স্থানে কোরবানির পশু সরবরাহ করা হবে। আবার মীরসরাই অঞ্চলের খামারেও এখন ভালো জাতের বড় গরু লালন হচ্ছে।

মীরসরাই উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. শ্যামল চন্দ্র পোদ্দার জানান, মীরসরাই উপজেলায় বর্তমানে ২৬৬টি ছোট বড় খামার রয়েছে। এবারও কোরবানির জন্য প্রায় ৩৩ হাজার ষাঁড়, বলদ ও মহিষ বিক্রির জন্য প্রস্তুতি রয়েছে। যা এই অঞ্চলের কোরবানির পশুর চাহিদা থেকেও পরিমাণে কয়েক হাজার বেশি। তবে উন্নত ও ভাল জাতের গরুগুলো ঢাকা-চট্টগ্রামে বিক্রির জন্য নেয়া হতে পারে।

ফারদিন এগ্রোর খামারি মাস্টার রেজাউল করিম জানান, আমি গতবছর করোনার জন্য বাজারে আশানুরূপ দাম পাইনি, তাই এবার অনলাইনে প্রচারণার কথা ভাবছি। এবার করোনার আতংক কিছুটা কম বলে আশা করছি লাভবান হতে পারবো। মীরসরাই উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শ্যামল পোদ্দার বলেন, বাজারে অসুস্থ বা কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা অসুস্থ পশুর দিকে আমাদের নজরদারি রয়েছে। তবে তিনি কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা ওষুধ সেবনে গরুর যে কোনো সময় প্রাণহানি ঘটতে পারে বলে খামারিদের সতর্ক করে দেন। এতে লাভের বিপরীতে লোকসানের ঝুঁকিই বেশি থাকবে।

হাইতকান্দি ইউনিয়নের প্রান্তিক গরু খামারি মিয়া চান বলেন, গত কয়েক বছর ধরে অনেক শ্রম ও ত্যাগের পর খামারটা দাঁড় করেছি। গেল বছর নানা প্রতিকূলতায় বেশি সুবিধা হয় নি; এবার আশা করছি গরুর দাম ভালো পাব।
মেহেদীনগরের মহিষ খামারের মোশাররফ বলেন, দিনে দিনে মহিষের মাংসের চাহিদা বাড়ছে। তাই গত বছরের তুলনায় এ বছর বেড়েছে মহিষের খামারও।

পশু সম্পদ কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে এবার মীরসরাই উপজেলায় ৫ হাজারের বেশি মহিষের লালন পালন হয়েছে। খামারগুলোতে ছাগল-ভেড়াও রয়েছে প্রায় সাড়ে ৯ হাজার।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৮, ২০২১ ২:৩৭ অপরাহ্ন
এমবিএ পাশ করে গরুর খামার করে সফল উদ্যোক্তা ফারহাদ
প্রাণিসম্পদ

একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ শেষ করে নিজ এলাকায় গরুর খামার গড়ে তুলেছেন কুমিল্লার মেঘনা উপজেলার লুটেরচর গ্রামের সন্তান ফারহাদ উল্লাহ শিকদার। এতে তিনি যেমন উদ্যোক্তা হয়েছেন, তেমনি কর্মস্থান হয়েছে গ্রামের খেটে খাওয়া কয়েকজন শ্রমিকের।

জানা যায়, তিনি ২০২০ সালে এমবিএ পাশ করেন। বেশ কিছুদিন একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেছেন। শুরু থেকেই নিজে কিছু করার মানসিকতা ছিলো তার। আর তাই রাজধানী ছেড়ে নিজ এলাকায় চলে আসেন তিনি। এবং এক বন্ধুকে সাথে নিয়ে গড়ে তুলেন ”ফার্ম হাউজ এগ্রো” নামে একটি গরু খামার।

এ বছরের শুরুতেই এর অনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু করেন। ফার্ম হাউজটিতে বিভিন্ন জাতের ৪৬টি ষাঁড় গরু রয়েছে। তারমধ্যে, শাহীওয়াল, সিন্দি, বলদ, অস্ট্রেলিয়ান ও নেপালী। কমপক্ষে ২ বছর থেকে ৬ মাস পর্যন্ত লালন পালন করা হবে এসকল ষাড়দের। দেশের বিভিন্ন গরুর বাজার থেকে কমমূল্যে সংগ্রহ করেছে এসকল গরু। দেশীয় খাবার প্রয়োজনীয় ঔষধ ব্যবহার করা হচ্ছে নিয়মিত। খামারের সকল গরুই পর্যাপ্ত বয়সের হয়েছে। আসছে কুরবানী ঈদেই এদের বাজারজাত করা হবে বলে জানা গেছে।

হাউজটির পরিচালক সিয়াম আহাম্মেদ জানান, গরু কিনতে গিয়ে আর্টিফেসিয়ালী, ফেট এবং ইনজেকশন দেখেছি। আমরা তুলনামূলক দুর্বল গরু সংগ্রহ করেছি। আমাদের এই খামারের গরু আমরা নিজেরাও খাবো। সে জন্যে, ভালো মানের খাবার পরিবেশন করছি। এবং মাঠের সবুজ ঘাঁস খেতে দিচ্ছি। এখানে হাইব্রিড কোন খাবার বা ইনজেকশন পুস করানো হচ্ছে না। তাই শারীরিক দুর্বল গরুগুলো এখন চমৎকার গঠনে বেড়ে উঠেছে। আমরা আশা করছি আসছে কুরবানী ঈদে এসকল গরু বাজারজাত করবো এবং বাজারমূল্যে বিক্রি করলেও আমরা অধিক লাভবান হবে।

খামারটির উদ্যোক্তা মো. ফারহাদ উল্লাহ শিকদার জানান, প্রধানমন্ত্রী যখন বলছে তরুণদের উদ্যোক্তা হয়ে দেশের উন্নয়নে কাজ করতে। সে লক্ষে দেশের কৃষিখাতে অবদান রাখাতে আমাদের এই উদ্যোগ। দেশে মাংসের চাহিদা মিটাতে আমরা গরু খামারের বিষয়টিই বেছে নিয়েছি। আপনারা জানেন ইন্ডিয়া থেকে গরু না আসলে আমাদের বাজার পূর্ণতা পেতো না। এখন দেশে উৎপাদিত গরুতেই বাজার পূর্ণ হচ্ছে।

মেঘনা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাইফুল্লাহ মিয়া রতন সিকদার জানান, আমাদের তরুণরা যখন চাকুরীর পিছনে ছুটছে। তখন মেঘনার তরুণরা উচ্চ শিক্ষা লাভ করে গ্রামে এসে কৃষি কাজে সম্পৃক্ত হচ্ছে। শিক্ষিত তরুণদের এমন উদ্যোগ গ্রাম ও রাষ্ট্রের উন্নয়নে অংশিদার হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৭, ২০২১ ৯:২৯ পূর্বাহ্ন
অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা গণমাধ্যম ও রাষ্ট্রের মাঝে দূরত্ব সৃষ্টি করবে না: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

কোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা গণমাধ্যম ও রাষ্ট্রের মাঝে কোনভাবেই দূরত্ব সৃষ্টি করবে না বলে আশা প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (২৬ মে) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ২৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদানকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এসময় তিনি বলেন, “বর্তমান সরকার গণমাধ্যমবান্ধব সরকার। গণমাধ্যমের সাথে কোন দূরত্ব বর্তমান সরকার চায় না। বঙ্গবন্ধু গণমাধ্যমকে অনেক গুরুত্ব দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকারও গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। রাষ্ট্রের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হচ্ছে গণমাধ্যম। গণমাধ্যমের বিভাজন দেশের কল্যাণে আসে না, মানুষের কল্যাণেও আসে না। এক্ষেত্রে গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের ঐক্য ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি রক্ষা করতে পেরেছে। এজন্য এ সংগঠন যারা সৃষ্টি করেছেন এবং যারা অব্যাহতভাবে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তাদের প্রতি দেশের একজন নাগরিক হিসেবে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি।”

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সদস্যদের শুভকামনা জানিয়ে এসময় তিনি আরো বলেন, “রাষ্ট্র পরিচালনার ক্ষেত্রে যত ভুল-ত্রুটি সামনে তুলে ধরা হবে তত বেশি রাষ্ট্র উপকৃত হবে। সংশোধন হয়ে জনকল্যাণে কাজ করার সুযোগ পাবে। এভাবে গুণগত মানোন্নয়নসহ রাষ্ট্রের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকেও সামনে নিয়ে আসতে হবে। তাহলে মানুষ বুঝতে পারবে এদেশকে স্বাধীন করার জন্য ত্রিশ লক্ষ শহিদের রক্ত দেয়াটা সঠিক ছিল। মানুষ বুঝতে পারবে আজকের বাংলাদেশ বিশ্বের বিস্ময়, উন্নয়নের রোল মডেল।”

ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি মুরসালিন নোমানীর সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক মসিউর রহমান খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ। পানিসম্পদ উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক তথ্য উপদেষ্টা ইকবাল সোবহান চৌধুরী, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সাধারণ সম্পাদক ইলিয়াস খান ও কোষাধ্যক্ষ শাহেদ চৌধুরী, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি ও দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদক সাইফুল আলম, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউয়িনের সাবেক সভাপতি মনজুরুল আহসান বুলবুল, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি কুদ্দুস আফ্রাদ এবং ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির বর্তমান ও সাবেক নেতৃবৃন্দ অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন।

এর আগে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির ২৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বেলুন উড়িয়ে র‌্যালি উদ্বোধন করেন এবং র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৭, ২০২১ ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
ফুলগাছ খাওয়ায় ছাগল মালিকের ২ হাজার টাকা জরিমানা করলেন ইউএনও!
প্রাণিসম্পদ

বগুড়ার আদমদীঘি উপজেলা পরিষদ চত্বরে ছাগল বাগানের ফুলগাছের পাতা খাওয়ার অপরাধে ছাগলের মালিককে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দুই হাজার টাকা জরিমানা করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও)। ছাগলটি পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়ারও অভিযোগ উঠেছে।

তবে ইউএনও সীমা শারমিন জানান, জরিমানার টাকা পরিশোধ না করায় ছাগলটি ভিন্ন স্থানে জিম্মায় রাখা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলা পরিষদ চত্বরের ডাকবাংলো-সংলগ্ন বাসিন্দা জিল্লুর রহমানের স্ত্রী সাহারা খাতুন মুরগি ও ছাগল পালন করেন। তার একটি ছাগল ১৭ মে দিনেরবেলা উপজেলা পরিষদ চত্বরে ঢুকে ফুলগাছের পাতা খায় ও নষ্ট করে। এসময় নির্দেশ পেয়ে ওই ছাগলটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার নিরাপত্তাকর্মী ছাগলটিকে আটক করে রাখেন। সাহারা খাতুন ছাগলটি খোঁজাখুঁজির এক পর্যায়ে উপজেলা চত্বরের ভেতর ছাগল বেঁধে রেখে ঘাস খাওয়ানো অবস্থায় দেখতে পান।

তিনি ছাগল আনতে গেলে তাকে ফিরিয়ে দেন এক নিরাপত্তাকর্মী। এরপর তাকে জানানো হয়, ফুলগাছের পাতা খাওয়ার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জরিমানার টাকা দিয়ে ছাগল ছেড়ে নিয়ে যেতে। কিন্তু সাহারা খাতুন টাকা পরিশোধ করতে না পারায় ছাগলও নিতে পারেননি।

সাহারা খাতুন জানান, তাকে ছাগলটি না দিয়ে তাড়িয়ে দেয়া হয়েছে এবং স্থানীয় বাজারে ছাগলটি পাঁচ হাজার টাকায় বিক্রি করে দেয়া হয়েছে। ইউএনও তার বাসার গৃহকর্মী মারফত খবর পাঠিয়েছেন যে জরিমানার দুই হাজার টাকা বাদ দিয়ে তিন হাজার টাকা ছাগল মালিককে নিয়ে আসতে।

এ ব্যাপারে ইউএনও সীমা শারমিন সাংবাদিকদের জানান, ফুলের গাছ খাওয়া নিয়ে ছাগলের মালিককে চার দফা নিষেধ করা হয়েছে। এরপর ফুলগাছ খাওয়ার অপরাধে মালিকের অজান্তে ছাগলকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের আওতায় এনে মালিকের দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। ছাগল বিক্রি করা হয়নি। একজনের জিম্মায় রাখা হয়েছে। ছাগল মালিক সঠিক বলছেন না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২৬, ২০২১ ১১:২৪ অপরাহ্ন
ভোলায় ঝড়ে ২৫০ ঘরবাড়ি বিধ্বস্ত, নিখোঁজ নয় শতাধিক গরু-মহিষ
প্রাণিসম্পদ

ভোলায় ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ৩০টি দ্বীপ ডুবে অন্তত ৫০ হাজার মানুষ হয়ে পড়ছেন পানিবন্দি। বিধ্বস্ত হয়েছে ২৫০ ঘরবাড়ি। এছাড়া নিখোঁজ হয়েছে নয় শতাধিক গরু ও মহিষ।

এদিকে, ভোলা উপকূলে এখনো বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করছে। তারপরও কেউ কেউ আশ্রয়কেন্দ্র ছেড়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন।

সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে মনপুরা ও চরফ্যাশন উপজেলা। এ দুই উপজেলার দ্বীপ চরগুলো ঝড়ের কবলে লণ্ড-ভণ্ড হয়ে গেছে। এছাড়া লালমোহনের বিভিন্ন চরাঞ্চলও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

এদিকে, ঝড়ে নিহত দু’জনের পরিবারকে ২০ হাজার করে ৪০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. মোতিহার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

মোতিহার হোসেন জানান, বেশিরভাগ চরে পানি সরে গেছে। চরনিজাম, ঢালচরসহ বেশ কয়েকটি চরের প্রায় দেড় হাজার মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে আনা হয়েছিল। পানি নেমে যাওয়ায় তাদের বেশিরভাগই আশ্রয়কেন্দ্র ছাড়তে শুরু করেছেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop