১:০১ অপরাহ্ন

রবিবার, ৩ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ৮, ২০২১ ৬:৫১ অপরাহ্ন
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্ভাবন ও সেবা সহজিকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উদ্ভাবনী কর্মপরিকল্পনা ২০২০-২১ এর অংশ হিসেবে উদ্ভাবন ও সেবা সহজিকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (০৮ মার্চ) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও চীফ ইনোভেশন কর্মকর্তা মোঃ তৌফিকুল আরিফের সঞ্চালনায়  মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, মন্ত্রণালয়ের অতিলিক্ত সচিব শাহ্ মোঃ ইমদাদুল হক, শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তরের উপপরিচালক (যুগ্মসচিব) মোঃ শেফাউল করিম, মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সুবোধ চন্দ্র ঢালী ও শাহীন মাহবুবাসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মাকর্তাগণ এবং মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তরসমূহের উদ্ভাবনী কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব বলেন, “উদ্ভাবন ও সেবা সহজিকরণ বিষয়ে দপ্তর-সংস্থার উদ্যোগ বাস্তবে প্রয়োগ ঘটাতে হবে। সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে নিজ নিজ দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজ করতে হবে। একইসাথে মানুষ হিসেবে আমরা নিজের জন্য অন্যের কাছ থেকে যা কিছু প্রত্যাশা করি সে দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সেবাপ্রার্থীদের সেবা দেয়া নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি উদ্ভাবনগুলো হতে হবে টেকসই যাতে সেগুলো জনকল্যাণে নিবেদন করা সম্ভব হয়।”

কর্মশালায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের সফল উদ্ভাবকগণ তাদের উদ্ভাবনী ধারণা বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন ।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৭, ২০২১ ৮:১২ অপরাহ্ন
বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। তাঁর ৭ মার্চের ভাষণই ছিলো স্বাধীনতা সংগ্রামের ঘোষণা বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম।

রোববার (০৭ মার্চ) ঐতিহাসিক ৭ মার্চ জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে পিরোজপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় রাজধানীর সচিবালয়ের নিজ দপ্তর থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু সেদিন তার ভাষণে পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছেন, ‘আপনাদের যার যা আছে, তাই নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ুন’। তার সেদিনের ভাষণকে বিশ্বের বিস্ময় বলা হয়। তিনি সেদিন নিজের জীবন বাজি রেখে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন। এমন নেতার জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। কিছু কুচক্রী মহল তার ঘোষণাকে বিকৃত করতে চায়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে স্বাধীনতা সংগ্রামের সব নির্দেশনা রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘এবছর বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের পঞ্চাশতম বছরে আমরা পদার্পণ করেছি। এ ভাষণ ইউনেস্কো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে তালিকাভূক্ত করে সংরক্ষণ করেছে। জাতিসংঘের সকল দাফতরিক ভাষায় অনূদিত হয়ে সকলের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে এ ভাষণ। এ ভাষণ আজ শুধু বাঙালির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণ পৃথিবীর বিস্ময়কর ও কল্পনাতীত এমন একটি সৃষ্টি যে সৃষ্টির ভেতর অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের দিক-নির্দশনা নিহিত ছিলো। তাই এটি ইতিহাসের মহাকাব্য। এটি একটি দর্শন। যে কারণে এ ভাষণ বারবার গবেষণার দাবি রাখে।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘সম্প্রতি কমনওয়েলথ বিশ্বের যে তিন জন নারী নেতাকে করোনা পরিস্থতি মোকাবেলায় সাহসী সাফল্যের জন্য স্বীকৃতি দিয়েছে তার অন্যতম বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। জাতিসংঘ বিশ্বখ্যাত নেতৃত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিবেচনা করে। বিশ্বখ্যাত ম্যাগাজিন বঙ্গবন্ধু কন্যাকে বিশ্বের অন্যতম সৎ ও পরিশ্রমী প্রধানমন্ত্রী বলছে। বঙ্গবন্ধুর প্রদর্শিত পথেই শেখ হাসিনা আমাদের এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এ কারণে আজ বাংলাদেশ বিশ্বের বিস্ময়। বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে বলা হয় উন্নয়নের জাদুকর।

জাতীয় ঐক্যের প্রশ্নে দল-মত নির্বিশেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধা রাখার জন্য মন্ত্রী সকলকে আহ্বান জানান। বিভ্রান্ত না হয়ে স্বাধীনতাবিরোধী ও প্রতিক্রিয়াশীলদের রাষ্ট্র ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত না করারও অনুরোধ জানান তিনি।

জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের হলরুমে জেলা প্রশাসক আবু আলী মোহাম্মাদ সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা মো. আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাকিম হাওলাদার। এছাড়া এ উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ওবায়দুর রহমান জানান, উপজেলার স্বাধীনতা মঞ্চে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৭, ২০২১ ৫:২৩ অপরাহ্ন
কয়েলের আগুনে দগ্ধ কৃষকের ৭টি গরু!
প্রাণিসম্পদ

রাজশাহীতে বাগমারার কাচারীকোয়ালীপাড়া ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামে আগুনে কৃষকের সাতটি গরু আগুনে দগ্ধ হয়েছে। মারা গিয়েছে একটি।

শনিবার (৭ মার্চ) রাতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। হালিমা বিবি ৪৫ নামের এক নারীও আগুন নেভাতে গিয়ে হয়েছেন দগ্ধ।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মোহনপুর গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম শনিবার গোয়ালঘরে দুইটি গরু রেখে দরজা বন্ধ করে নিজের ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। তার গোয়ালঘরের পাশাপাশি প্রতিবেশী হাবিবুর রহমান, ছবির উদ্দিন ও জালাল উদ্দিনেরও গোয়ালঘর রয়েছে। রাতের কোনো এক সময়ে নজরুল ইসলামের গোয়ালঘরে রাখা কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। সেখান থেকে আগুন পাশের হাবিবুর রহমান, ছবির উদ্দিন ও জালাল উদ্দিনের গোয়ালঘরে ছড়িয়ে পড়ে।

এসময় গোয়ালঘরে থাকা গরু ছোটাছুটি শুরু করে। মধ্যরাতে লোকজন টের পেয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। ততক্ষণে পাশাপাশি থাকা চারটি গোয়ালঘর পুড়ে ভস্মিভূত হয়ে যায়। পরে দগ্ধ অবস্থায় সাতটি গরু উদ্ধার করা হয়। তবে কৃষক নজরুল ইসলামের একটি গরু জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে মৃত অবস্থায় তার গরুটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান বলেন, গোয়ালঘরগুলো পাশাপাশি হওয়ার কারণে সবগুলো গরুই পুড়ে গেছে। মশার জন্য জ্বালানো কয়েল থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। এটি একটি দুর্ঘটনা, তাই কোনো মামলা হয়নি। তবে কেউ অভিযোগ করলে অবশ্যই বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হবে বলে জানান ওসি মোস্তাক আহম্মেদ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৬, ২০২১ ৬:০৩ অপরাহ্ন
ঝালকাঠিতে গরুর ক্ষুরা রোগের সয়লাভ, দিশেহারা কৃষক
প্রাণিসম্পদ

হঠাৎ করে ব্যাপক হারে ঝালকাঠি জেলার চার উপজেলায় দেখা দিয়েছে গরুর ক্ষুরা রোগ। এই রোগে জেলার বিভিন্ন গ্রামের খামারে ও কৃষকের কয়েক হাজার গরু আক্রান্ত হয়েছে। মারাত্মক ঝুঁকিতে আছে বাছুর ও গর্ভবতী গাভী।

তবে এখন পর্যন্ত কোনো গরু মারা যায়নি বলে জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে। জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, সংক্রামক ভাইরাস ক্ষুরা রোগ থেকে প্রতিকার পেতে প্রতি ছয় মাস পর পর টিকা দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। আক্রান্ত হলে স্বাভাবিক পদ্ধতিতে সুস্থ করার নির্দেশনা দেয়া হয় বলেও জানায় সূত্রটি।

কৃষক ও খামারীরা জানান, আক্রান্ত পশুর চিকিৎসা ব্যয় বেশি হওয়ায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন তারা।

ঝালকাঠি সদর উপজেলা ভেটেরেনারি সার্জন (ভারপ্রাপ্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা) ডা. মো. সরোয়ার হাসান বলেন,আবহাওয়াজনিত কারণে এই রোগ শুরু হয়েছে। আমরা আক্রান্ত পশুগুলোর চিকিৎসায় পরামর্শ সহায়তা দিচ্ছি। যেহেতু ক্ষুরা রোগ ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। তাই এর তাৎক্ষণিক সুস্থ করার কোনো ব্যবস্থা নেই। এছাড়াও সুস্থ গরুগুলোকে ক্ষুরা রোগে প্রতিরোধের ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে।

ডা. মো. সরোয়ার হাসান আরো জানান, ক্ষুরা রোগ অতি তীব্র প্রকৃতির সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত পশুর মুখ ও পায়ে ঘা হবার ফলে খাদ্য গ্রহণ করতে পারে না এবং খুঁড়িয়ে হাটে। ক্ষুরা রোগ অত্যন্ত সংক্রামক হওয়ায় কোনো এলাকায় এ রোগ দেখা দিলে একশত ভাগ পশুই তাতে আক্রান্ত হয়। বাতাসের সাহায্যে এ ভাইরাস ৬০-৭০ কিলোমিটার দূরবর্তী এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে।

গ্রামাঞ্চলে অনেক সময় আক্রান্ত পশুকে দূর-দূরান্তের হাটবাজারে বিক্রির জন্য নেয়া হয়। তখন ভাইরাস বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ক্ষুরা রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটায়। আক্রান্ত পশুর পরিচর্যাকারীর জামা-কাপড়, জুতা ইত্যাদির সাহায্যেও ভাইরাস বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে।

ঝালকাঠি জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সাহেব আলী বলেন, গরুর তড়কা, বাদলা, গলাফুলা ও ক্ষুরা রোগ সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। এ ভাইরাস বাতাসের মাধ্যমে একপশু থেকে অন্য পশুতে ছড়িয়ে আক্রান্ত হয়ে থাকে। আমরা কৃষক ও খামারিদের সর্বাত্মক পরামর্শ ও সহযোগিতা দিচ্ছি।

ঝালকাঠিতে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের চিকিৎসকসহ জনবল সংকট থাকায় গবাদি প্রাণীর চিকিৎসা ব্যবস্থা চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে । দীর্ঘদিন ধরে এই প্রাণী সম্পদ অফিসের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো শূন্য থাকায় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এই জেলার কয়েক হাজার হাঁস মুরগি ও গবাদিপশু।

৫৮টি পদের মধ্যে ২১টি পদই রয়েছে শূন্য। ৩৭জন কর্মকর্তা-কর্মচারী দিয়ে চলছে অফিসের কার্যক্রম। জেলার চার উপজেলায় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রয়েছেন তিনজন, ভেটেরেনারি সার্জন পাঁচজনের স্থানে রয়েছে দুইজন। ঘাটতি থাকায় কর্মকর্তাদের বেগ পেতে হচ্ছে স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায়।

প্রাণী সম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, সরকারিভাবে এ জেলায় একটি জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতর, চার উপজেলায় চারটি প্রাণিসম্পদ অফিস, চারটি কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র ও একটি ডাকরিয়ারিং সেন্টার আছে।

জানা যায়, প্রতিদিন গড়ে ১০০-১৫০ জন বিভিন্ন সেবা যেমন কৃত্রিম প্রজনন, ছাগলের ঠান্ডা কাশিসহ ভ্যাকসিন দিতে আসতো। বর্তমানে যথাযথ চিকিৎসা না পেয়ে গ্রামের হাতুড়ে ডাক্তারদের শরণাপন্ন হতে হচ্ছে খামারিদের।

অপরদিকে একসময় এই হাসপাতালটি হতে সপ্তাহে একদিন বিনা মূল্যে হাঁস-মুরগির ভ্যাকসিন দেয়া হতো। বর্তমানে সেটা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়েছে। কারণ বর্তমানে বাজারে হাজারের নিচে ২০-২৫টির হাঁস মুরগির কোনো ভ্যাকসিন পাওয়া যায় না।

এখানে অধিকাংশ পদ শূন্য থাকায় বিপুল জনগোষ্ঠির প্রাণিসম্পদ চিকিৎসায় তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। জনবল সংকটের কথা জানিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার লিখিতভাবে জানানো হলেও কোনো লাভ হয়নি বলে জানান জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সাহেব আলী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৬, ২০২১ ১০:৫১ পূর্বাহ্ন
মাত্রাতিরিক্ত ফিড খাওয়ানোয় স্ট্রোকে মারা যাচ্ছে গরু
প্রাণিসম্পদ

ঘাস না দিয়ে ফিড খাওয়ানোয় রোগপ্রতিরোধ শক্তি হারাচ্ছে প্রাণীরা। যার ফলে ঝালকাঠিতে স্ট্রোক করে প্রাণ হারাচ্ছে গবাদিপশু।
গরুর ক্ষুরা চাল রোগের পাশাপাশি স্ট্রোক রোগ নিয়ে চরম আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছে খামারি এবং কৃষকরা।

জানা যায়, রাজাপুর উপজেলার নারিকেল বাড়িয়া ইউপি সদস্য মো. কুদ্দুস হোসেন ফ্রিজিয়ান জাতের কয়েকটি দুগ্ধ গাভী পালন করছেন। গোয়ালে রেখে বাজারের ফিডে ভরসা করেই বড় করা হয়েছে এই গাভীগুলোকে। তারমধ্যে দেড় মাস পূর্বে একটি গাভি বাচ্চা দেয়। দুধ উৎপাদন হতো প্রায় সাত লিটার।

বুধবার (০৩ মার্চ) সকালে ৭টার দিকে দুধ দোহন করার সময়ে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় গাভীটির এবং শরীর ঠান্ডা হয়ে আসে। মুঠোফোনে প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে নির্দেশনা অনুযায়ী, শরীর গরম করতে ছ্যাকা দেয়া শুরু হয়।

ইতোমধ্যে গাভিটি শুয়ে পড়ে এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই মুখে ফেনা তুলে মারা যায়। পরে মাটিতে গর্ত করে গাভীটিকে পুতে রাখা হয়। গাভিটির বাজারমূল্য ছিল দেড় লক্ষাধিক টাকা।

শুধু নারিকেল বাড়িয়ায়ই না, রাজাপুর মেডিকেল মোড় সংলগ্ন এলাকায় মঙ্গলবার (০২ মার্চ) সকালেও এভাবে আরেকটি গাভী মারা যায়। এছাড়াও জেলার বিভিন্ন প্রত্যন্ত এলাকায় হিট স্ট্রোক বা অজ্ঞাত কারণে গরু মরে যাবার খবর পাওয়া যায়।

ডা. মো. সরোয়ার হাসান পরামর্শ জানিয়ে বলেন, ‘গরুর হিট স্ট্রোক সাধারণত গরমকালে হয়ে থাকে। এই গরমকালে গরুকে রোদের মধ্যে বেঁধে রাখলে হিট স্ট্রোক হতে পারে। তাই কোনভাবেই গরুকে খোলা মাঠে বেঁধে রাখা যাবে না’।

তীব্র গরমে গরুকে ঠান্ডা পানি পান করানো গেলে গরুর শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং গরুর হিট স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও অনেকগুণে কমে যায়। এছাড়া শরীরের তাপমাত্রা খুব বেড়ে গেলে সম্ভব হলে গরুর মাথায় ঠান্ডা বরফ দিয়ে ঘষে দিতে হবে বলে জানান এই কর্মকর্তা।

ঝালকাঠি সদর উপজেলা ভেটেরেনারি সার্জন (ভারপ্রাপ্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা) ডা. মো. সরোয়ার হাসান বলেন, ‘গবাদি পশুকে ঘাস খাওয়ানোর পরামর্শ সবসময়ই দেই। ঘাসের বিকল্প খাবার হিসেবে ফিড খাওয়াতে বলি। কিন্তু অনেক খামারি বা কৃষক আছেন যারা ফিডের ওপরেই পুরো ভরসা করে গবাদিপশু পালন করেন। এতে পশুর শরীরে অতিরিক্ত চর্বি হয়ে দ্রুত মোটা হয়ে গেলেও রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়’।

শীতে এ প্রতিকূল আবহাওয়ায় বুঝা না গেলেও গরমের সময়ে বেশি দেখা যায়। গরমে উচ্চ রক্তচাপ শুরু হলে মানুষের মতোই গরুও স্ট্রোক করে। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা না পেলে শ্বাসকষ্ট দেখা দেয় এবং মারা যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৫, ২০২১ ১১:৩৬ অপরাহ্ন
আগুনে পুড়ে চার গরুর মৃত্যু!
প্রাণিসম্পদ

গাজীপুরের শ্রীপুরে গোয়ালঘরে লাগা আগুনে এক কৃষকের চারটি গরু পুড়ে মারা গেছে। এ সময় বাছুরসহ আরও দুটি গরু অগ্নিদগ্ধ হয়। মশা তাড়ানোর জন্য দেওয়া ধোঁয়ার আগুন থেকেই এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) দিবাগত মধ্যরাতে উপজেলার গাজীপুর ফাজিল মাদ্রাসার পাশে কৃষক আব্দুল খালেকের গোয়াল ঘরে এ ঘটনা ঘটে।

কৃষক আব্দুল খালেক জানান, মশার উপদ্রব থেকে গরুকে রক্ষা করার জন্য গোয়ালঘরে ধোঁয়া দেওয়া হয়। গোয়ালঘরে ছয়টি গরু রশি দিয়ে বেঁধে রেখে তিনি ঘুমাতে যান। রাত ১২টার দিকে গোয়ালঘরে আগুনের লেলিহান শিখা ও ধোঁয়া দেখে প্রতিবেশীদের ডাক-চিৎকারে তিনি ঘুম থেকে ওঠেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নেভালেও গোয়ালঘরে থাকা থাকা ছয়টি গরু পুড়ে চারটি মারা যায়।

বাছুরসহ আরও একটি গরুর অবস্থাও আশঙ্কাজনক। মশা তাড়ানোর জন্য দেওয়া ধোঁয়ার আগুন থেকেই এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৫, ২০২১ ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
বরিশালে চুরি যাওয়া ৭৪ গরু মহিষ উদ্ধার, আটক ১
প্রাণিসম্পদ

বরিশানে চুরি হওয়া ৭৪টি গরু উদ্ধার করেছে পুলিশ। জেলার হিজলা উপজেলার মাঠিয়াল গ্রাম থেকে চোরাইকৃত পশু উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত গবাদিপশুগুলোর মধ্যে ৩৪টি গরু ও ৪০টি মহিষ রয়েছে। এ ঘটনায় চোরচক্রের সরদার শাহজাহান রাঢ়ীকে আটক করা হয়েছে।

আটককৃত শাহজাহান রাঢ়ী হিজলা থানার মাঠিয়াল গ্রামের মৃত কাজল রাঢ়ীর ছেলে।

বৃহস্পতিবার রাতে জেলা পুলিশ সূত্রে জানা যায়, শাহজাহান রাঢ়ী তার সংঘবদ্ধ চোরচক্রের সদস্যদের মাধ্যমে বরিশাল, ভোলা, শরিয়তপুর, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর ও নোয়াখালী থেকে গবাদি পশু চুরি করে এনে হিজলা থানার ধুলখোলা ইউনিয়নে মাঠিয়াল গ্রামে রাখতো। পরবর্তীতে সেখান থেকে পর্যায়ক্রমে গবাদিপশুগুলো বিক্রি করা হতো।

পুলিশ সুপার মো. মারুফ হোসেন জানিয়েছেন, গ্রেফতারকৃত চোর সরদার শাহজাহান রাঘীর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৪, ২০২১ ১০:৩৯ অপরাহ্ন
বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট এর নব-নিযুক্ত মহাপরিচালক হলেন ড. মোঃ আবদুল জলিল
পোলট্রি

আজ বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিএলআরআই) এর বিদায়ী মহাপরিচালক ড. নাথু রাম সরকার মহোদয়ের বিদায়ী সংবর্ধনা ও নব-নিযুক্ত মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল মহোদয়ের বরন করা হয়।
উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রাণিসম্পদ-২) জনাব শাহ্ মোঃ ইমদাদুল হক। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রাণিসম্পদ-২) ড. অমিতাভ চক্রবর্ত্তী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থি ছিলেন বিএলআরআই এর বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ, প্রকল্প পরিচালকগণসহ সকল স্তরের বিজ্ঞানী, কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ।
বিএলআরআই এর বিদায়ী মহাপরিচালক ড. নাথু রাম সরকার মহোদয়ের সভাপতিত্বে বিকাল ৪.০০ ঘটিকায় বিএলআরআই এর চতুর্থ তলার সম্মেলন কক্ষে  অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিএলআরআই এর অতিরিক্ত পরিচালক জনাব মোঃ আজহারুল আমিন। বিদায়ী মহাপরিচালক এর উদ্দেশ্যে মানপত্র পাঠ করেন পোল্ট্রি উৎপাদন গবেষণা বিভাগের বিভাগীয় প্রধান ড. শাকিলা ফারুক। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বিদায়ী মহাপরিচালকের উদ্দেশ্যে স্মৃতিচারণ করেন বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মচারী ও কর্মকর্তাবৃন্দ। এসময় বক্তারা তাঁর উদ্ভাবনী কৃতিত্ব, কর্মকুশলতা, ক্ষমাশীলতা, ভদ্রতা, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে তাঁর সুনাম, ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা ইত্যাদি নানা বিষয় তুলে ধরেন।
প্রধান অতিথি জনাব শাহ্ মোঃ ইমদাদুল হক মহোদয় তাঁর বক্তব্যে বলেন, “ড. নাথু রাম সরকার ছিলেন একজন নিরেট ভদ্রলোক। কাজের মাধ্যমে তিনি দেশে-বিদেশে পরিচিতি লাভ করেছিলেন। আপনারা তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে গবেষণার কাজে আত্মনিয়োগের মাধ্যমে মেধা ও মননের প্রয়োগ ঘটিয়ে স্বীয় দায়িত্ব সুষ্ঠুভাবে পালন করার মধ্য দিয়ে একেক জন নাথু রাম সরকার হয়ে উঠবেন, দেশ ও জাতির জন্য সুফল বয়ে আনবেন বলে প্রত্যাশা করছি।” একই সাথে তিনি বিদায়ী মহাপরিচালক যেন ভবিষ্যতেও প্রতিষ্ঠানের সাথে তাঁর সম্পর্ক অক্ষুণ্ণ রাখেন সেই আহ্বান জানিয়ে ও বিদায়ী মহাপরিচালকের দীর্ঘায়ু ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।
বিশেষ অতিথি ড. অমিতাভ চক্রবর্ত্তী তাঁর বক্তব্যে বলেন, “বিদায় অনুষ্ঠান কষ্ট দেয়, যখন বিদায়ী অতিথি হন প্রিয় ব্যক্তি। ড. নাথু রাম সরকার তাঁর কর্মদক্ষতা, প্রজ্ঞা, সদ্বিচ্ছা ও ঐকান্তিকতা দিয়ে প্রতিষ্ঠানের জন্য নিরলসভাবে কাজ করে গেছেন।” একই সাথে বিদায়ী মহাপরিচালকের দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা যেন কাজে লাগানো হয় সেই আহ্বান জানান।
নব-নিযুক্ত মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল তাঁর বক্তব্যে বলেন, “আজকের এই আয়োজন বিদায় অনুষ্ঠান নয়, আনুষ্ঠানিকতা মাত্র। ড. নাথু রাম সরকার অত্যন্ত সফলতার সাথে তাঁর দীর্ঘ ত্রিশ বছরের কর্মজীবন অতিবাহিত করেছেন। বিদায় বেলাতেও তিনি ৪১ জন কর্মকর্তার পদোন্নতির ব্যবস্থা করে গেছেন, যা ইতোপূর্বে আর কেউ দিতে পারেননি। তিনি একজন ভদ্র, উদার ও বড় মন-মানসিকতার মানুষ। মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিই প্রমাণ করে জাতীয় ক্ষেত্রে তাঁর অবদান কতটুকু।” একই সাথে তিনি কৃষিবিদদের অবদানের যথার্থ স্বীকৃতি প্রদান করায় বর্তমান সরকার এবং প্রবিধান-পদোন্নতি বিভিন্ন বিষয়ে সহযোগিতা করার জন্য মন্ত্রণালয়কে ও মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিদেরকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। পাশাপাশি তিনি তাঁর দায়িত্ব পালনকালে বিএলআরআই এর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য পেনশন চালু করার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন বলে প্রতিশ্রুতি দেন।
বিদায়ী মহাপরিচালক ড. নাথু রাম সরকার তাঁর বিদায়ী বক্তব্যে বলেন, “আমি গর্বিত ও সম্মানিত অনুভব করছি। বিএলআরআইকে আমি চিরদিন মনে রাখবো। চেষ্টা করেছি নিজের সর্বোচ্চটা দেওয়ার, যখন যে দায়িত্ব পেয়েছি তা যতটা সম্ভব পালন করার চেষ্টা করেছি। মন্ত্রণালয় থেকে সব সময় সর্বোচ্চ সহযোগিতা পেয়েছি। মন্ত্রণালয়ের এই পরিবেশ, এই সহযোগিতা পূর্ণ মনোভাব বজায় থাকলে আমার বিজ্ঞানীরা যেকোন চ্যালেঞ্জ নিতে সদা প্রস্তুত। আমার দ্বার বিএলআরআই এর জন্য সর্বদা উন্মুক্ত।” প্রতিষ্ঠানের জনবল বৃদ্ধিতে মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতা কামনা করে এবং উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি তাঁর বক্তব্য শেষ করেন।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৪, ২০২১ ৬:০০ অপরাহ্ন
সিরাজগঞ্জে উদ্ধার চুরি হওয়া বগুড়ার ৪ গরু
প্রাণিসম্পদ

বগুড়ার শেরপুর উপজেলা থেকে চুরি হওয়া চারটি গরু সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। বুধবার বিকালে কামারখন্দ থানা পুলিশ গরুগুলো উদ্ধার করে। এছাড়া দুজনকে আটক করে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার শেরপুর থানা পুলিশের কাছে কামারখন্দ থানা পুলিশ গরুগুলো হস্তান্তর করে।

এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে। তারা হলেন—সিরাজগঞ্জ জেলার কামারখন্দ থানার পাকুরিয়া গ্রামের হাফিজুর রহমান (৩০) ও একই থানার চৌবাড়িয়া গ্রামের বাদশা সরকার (৫০)।

শেরপুর থানা পুলিশের এসআই মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, গত মঙ্গলবার রাতে শেরপুরের সীমাবাড়ি ইউনিয়নের সীমাবাড়ি গ্রামে গোলাম রহমান সরকারের গোয়ালঘরের তালা ভেঙে চারটি বিদেশি গরু চুরি করে নিয়ে যায়।

এ ঘটনায় গোলাম রহমান সরকার বুধবার থানায় মামলা করার পর শেরপুর থানা পুলিশ ওই রাতেই আশপাশের জেলা ও থানাগুলোতে চুরির সংবাদ বিশেষ বার্তা মারফত অবগত করে।

কামারখন্দ থানা পুলিশ মামলা করার আগেই গত বুধবার বিকালে শেরপুর থেকে চুরি যাওয়া চারটি গরুসহ দুই ব্যক্তিকে সন্দেহজনক হিসেবে আটক করে। পরে তাদের আটক দেখিয়ে শেরপুর থানায় হস্তান্তর করেন।

চুরির ঘটনায় সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ থেকে আটক হওয়া ওই দুজনকে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে জানান শেরপুর থানার ওসি মো. শহিদুল ইসলাম।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৪, ২০২১ ১:১৭ অপরাহ্ন
পোরশায় ক্ষুরা রোগের প্রার্দুভাব, ৩ গরুর মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

নওগাঁর পোরশা উপজেলার গরুর ক্ষুরা রোগের ব্যাপক প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। এ রোগে আক্রান্ত হয়ে এক সপ্তাহে তিনটি গরু মারা গেছে। ফলে গরুর মালিকরা বিপাকে পড়েছে। এ অবস্থায় স্থানীয়ভাবে বিভিন্ন প্রকার অ্যান্টিবায়োটিক ওষুধ ও কবিরাজি ওষুধ ব্যবহার করেও রোগ ভালো হচ্ছে না।

জানা গেছে, উপজেলার ঘাটনগর ইউনিয়নের নিস্কিনপুর, তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের ছাতিয়া ও নিতপুর ইউনিয়নের সোহাতী গ্রামে গরুর ক্ষুরা রোগের ব্যাপক প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। প্রথম অবস্থায় ক্ষুরা রোগ গরুর পায়ে ও মুখে আক্রমণ করছে এবং ১/২ দিনের মধ্যে গরু কাঁপুনি দিয়ে মারা যাচ্ছে।

এ পর্যন্ত প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে কেউ আসেনি বলে অভিযোগ রয়েছে। পূর্বে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে এ রোগের কোনো প্রকার টিকা দেয়াসহ কোনো পরামর্শ দেয়া হয়নি। আগে থেকে টিকা দেওয়া থাকলে তাদের গরুগুলো হয়তো মারা যেত না বলে কৃষকরা ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

নিস্কিনপুর গ্রামের রেজাউল করিমের রোববার ৩০ হাজার টাকা দামের একটি বকনা গরু, মঙ্গলবার তার ভাই আব্দুর রশিদের প্রায় এক লাখ টাকা মূল্যের একটি গাভি ও তার চাচাতো ভাই আব্দুল আলীর ৩০ হাজার টাকা দামের একটি বকনা গরু মারা গেছে।

পোরশা উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ও ভেটেরিনারি সার্জন ডা. শরিফুল ইসলাম জানান, আমরা ক্ষুরা রোগের কথা শুনেছি এবং ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। তবে ক্ষুরা রোগের পর্যাপ্ত টিকা না থাকার কথা তিনি জানান। ক্ষুরা রোগ হলে গরু কিছু খেতে পারে না। এক সময় না খেয়ে গরু মারা যায়। এ সময় গরুকে স্যালাইনসহ তরল খাওয়ানোর জন্য পরামর্শ দেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop