৯:৫১ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ২৯ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ১৪, ২০২১ ৪:১৫ অপরাহ্ন
মানুষের কামড়ে মারা গেল বিষধর সাপ
পাঁচমিশালি

ঘটনাটি ভারতের ওড়িশার দানাদাগি ব্লকের সালিজাঙ্গা পঞ্চায়েতের। ধানক্ষেত থেকে কাজ করে ফেরার পথে বিষধর সাপ ছোবল মেরেছিল ৪৫ বছরের এক ব্যক্তিকে। কামড় খেলেও সাপটিকে ধরে ফেলেন তিনি। প্রতিশোধ নিতে বেশ কয়েকবার কামড়ে দেন সাপটিকে। আর তাতেই মৃত্যু হয় সাপটির। এতে মারা গেছে সাপটি।

গাম্ভারিপাতিয়া গ্রামের বাসিন্দা কিশোর বাদ্রা। বুধবার সন্ধ্যায় ধানক্ষেত থেকে ফেরার পথে সাপে কামড়ায় তাকে। এই বিষয়ে কিশোর বলেন, ‘বাড়ি ফেরার পথে আমার পায়ে কিছু কামড়ায়। সঙ্গে সঙ্গে টর্চ জ্বেলে দেখি, বিষাক্ত কালাচ সাপ।

কামড়ানোর প্রতিশোধ নিতে আমি ধরে ফেলি সাপকে। এর পর কামড়াতে থাকি। আমার কামড় খেয়ে ওখানেই মরে গিয়েছে সাপটি।’

সেই মৃত সাপ হাতে নিয়েই বাড়ি আসেন কিশোর। গোটা ঘটনার কথা জানান তার স্ত্রীকে। প্রতিবেশীরাও জেনে ফেলেন এই ঘটনার কথা। তার পর গ্রাম জুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়ায় কিশোরের কীর্তি।

কালাচ সাপের কামড় খাওয়া কিশোরকে নিকটস্থ হাসপাতালে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন প্রতিবেশীরা। কিন্তু সে পথে হাঁটেননি তিনি।

এ ব্যাপারে কিশোর বলেন, বিষাক্ত কালাচ সাপ কামড়ালেও তেমন কোনও সমস্যা হয়নি আমার। আমি গ্রামের এক হাতুড়ে চিকিৎসকের কাছে গিয়েছিলাম এবং সুস্থ হয়ে গেছি। সূত্র: আনন্দবাজার

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৪, ২০২১ ২:৫১ অপরাহ্ন
বঙ্গবন্ধু হত্যার দৃশ্যমান অপরাধীদের বিচার হয়েছে :মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

ইতিহাসের দায় মোচনে অবিলম্বে বঙ্গবন্ধু হত্যাকাণ্ডের ষড়যন্ত্রকারী ও উপকারভোগী এবং এ হত্যাকাণ্ডে বিভিন্নভাবে সম্পৃক্তদের স্বরূপ উন্মোচন প্রয়োজন বলে মন্তব্য করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, “বঙ্গবন্ধু হত্যার দৃশ্যমান অপরাধীদের বিচার হয়েছে। কিন্তু বৃহত্তর পরিসরে ষড়যন্ত্রের সাথে যারা জড়িত ছিল তাদের বিচার হয় নি।

শনিবার (১৪ আগস্ট) জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদ আয়োজিত‘বঙ্গবন্ধুর রাজনৈতিক দর্শন ও আজকের বাংলাদেশ’শীর্ষক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে সংযুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এবিষয়ে মন্ত্রী বলেন, বঙ্গবন্ধুর নিরাপত্তার জন্য সিভিল ও অন্যান্য এজেন্সির যারা দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তি ছিলেন, এমনকি যারা রাজনৈতিকভাবে যুক্ত ছিলেন তারা সেদিন কেন ব্যর্থ হলেন, তাদের ভূমিকা কী ছিল সেটাও খুঁজে বের করতে হবে। এজন্য বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যারা জড়িত ছিলেন, যারা উপকারভোগী, যারা ষড়যন্ত্র জানার পরও চুপ ছিলেন সকলের স্বরূপ উন্মোচনের জন্য একটা উচ্চক্ষমতা সম্পন্ন তদন্ত কমিশন গঠন করা প্রয়োজন।

অথবা বঙ্গবন্ধু হত্যা মামলাটি ফৌজদারী কার্যবিধি অনুসারে আবারো তদন্ত করে সম্পৃক্তদের সম্পর্কে তুলে ধরা দরকার। তাহলে ইতিহাসে রেকর্ড থাকবে বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে কারা কীভাবে জড়িত ছিল। এ কাজটি অসম্পূর্ণ রয়ে গেছে। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার সময়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার খুনি, ষড়যন্ত্রকারী ও সুবিধাভোগীদের স্বরূপ উন্মোচন করতে না পারলে ইতিহাসে আমাদের দায় থেকে যাবে।”

এ সময় শ ম রেজাউল করিম আরো যোগ করেন,“বঙ্গবন্ধুর লক্ষ্য ছিল একটা স্বাধীন সার্বভৌম রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা, যেখানে ধর্মীয় উগ্রতা থাকবে না, ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য থাকবে না। বঙ্গবন্ধুর দর্শন ছিল মানুষের মুখে হাসি ফোটানো, ধনী-দরিদ্রের ব্যবধান দূর করা, ধর্মীয় ও অন্যান্য বৈষম্য দূর করে সকলকে একটি প্লাটফর্মে এনে বাঙালি প্লাটফর্ম প্রতিষ্ঠা করা। সেই দর্শনের ধারবাহিকতায় তিনি যখন দ্বিতীয় বিপ্লবের কর্মসূচি দিয়েছিলেন, তিনি যখন যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়েছেন, তখন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রে বঙ্গবন্ধু নির্মম হত্যাকান্ডের শিকার হন।”

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কার্যকরী সভাপতি রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন হালদারের সঞ্চালনায় ভার্চুয়াল আলোচনায় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে যুক্ত ছিলেন বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও ১৪ দলের সমন্বয়ক আমির হোসেন আমু। আলোচনা সভায় সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য প্রদান করেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসান। এছাড়াও আগরতলা ষড়যন্ত্র মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত ফ্লাইট সার্জেন্ট (অব.) আবদুল জলিল, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা, সহসভাপতি অরুণা বিশ্বাস আলোচনা সভায় বক্তব্য প্রদান করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১৩, ২০২১ ১০:৪১ অপরাহ্ন
প্রতিবন্ধী প্রেম কুমারের একরাতেই চুরি হলো ৩ গরু
প্রাণিসম্পদ

ফরিদপুরের মধুখালীতে একরাতে প্রতিবন্ধী প্রেম কুমারের (৪১) তিনটি গরু নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা। সবমিলিয়ে গরু তিনটির দাম দুই লাখ টাকারও বেশি বলে জানান তিনি।

শুক্রবার (১৩ আগস্ট) বিকেলে এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, উপজেলার মেগচামী ইউনিয়নের কালীনগর গ্রামে মৃত নবদ্বীপ মণ্ডলের চার ছেলের মধ্যে প্রেম কুমার তৃতীয়। বিয়ের পর তিন ভাই আলাদা হয়ে যাওয়ায় বৃদ্ধা সাবিত্রী মণ্ডল প্রতিবন্ধী ছেলেকে নিয়ে স্বামীর ভিটেয় বসবাস করেন।

প্রেম কুমার জানান, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার (১২ আগস্ট) রাতে গোয়াল ঘরে দরজায় তালা দিয়ে ঘুমিয়ে পড়ি। সকালে ঘুম থেকে উঠে আমার মা গোয়ালঘরে গিয়ে দেখেন আমাদের তিন গরু নাই। তালা ভেঙে গরুগুলো নিয়ে গেছে চোরেরা। সবমিলিয়ে গরু তিনটির দাম দুই লাখ টাকারও বেশি। এখন আমার সহায় সম্বল সব শেষ।

সাবিত্রী মণ্ডল জানান, ভোরে ঘুম থেকে উঠে দেখি গোয়াল ঘরের দরজা খোলা গরু নাই। আমার সন্তানের সারাজীবনের কষ্টের গরু নিয়ে গেল চুরি করে। প্রতিবন্ধী হওয়ায় কেউ কাজে নেয় না। তাই ছোটবেলা থেকে পরের গরু লালনপালন করে নিজের তিনটি গরু হয়। সারাদিন ওই গরু নিয়েই থাকতো। এখন ছেলের ভিক্ষা করা ছাড়া পথ নাই।

মধুখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শহিদুল ইসলামের লিখিত অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১১, ২০২১ ৩:৫১ অপরাহ্ন
২৮ আগস্ট থেকে ৩ সেপ্টেম্বর জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন 
প্রাণিসম্পদ

আগামী ২৮ আগস্ট থেকে ০৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক দেশব্যাপী জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (১১ আগস্ট) রাজধানীর সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২১ উপলক্ষে আয়োজিত প্রস্তুতিমূলক সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা জানান।

এ বিষয়ে তিনি আরও বলেন, আগামী ২৮ অগাস্ট থেকে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২১ শুরু হচ্ছে। ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক এটি পালন করা হবে। জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের এবারের প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে ‘বেশি বেশি মাছ চাষ করি, বেকারত্ব দূর করি’। ১ম দিন ২৮ আগস্ট মৎস্য সপ্তাহের বিভিন্ন কর্মসূচি নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করা হবে।

২য় দিন ২৯ আগস্ট রাজধানীর ওসমানী ম্মৃতি মিলনায়তনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২১ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হবে। উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করবেন। উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে তিনি জাতীয় সংসদের লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করবেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সুবোল বোস মনি ও মো. তৌফিকুল আরিফ, যুগ্ম সচিব এস এম ফেরদৌস আলম ও ড. মো. মশিউর রহমান, মৎস্য অধিদফতরের অতিরিক্ত মহাপিরচালক খ. মাহবুবুল হকসহ মন্ত্রণালয় ও মৎস্য অধিদফতরের ঊধ্বর্তন কর্মকর্তাগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১১, ২০২১ ৩:৪১ অপরাহ্ন
ভেড়ার শরীরে বহিঃপরজীবীর আক্রমণ রোধে যা করবেন
প্রাণিসম্পদ

ভেড়া লাভজনক হওয়ায় আমাদের দেশের গ্রামাঞ্চলগুলোতে প্রচুর পরিমাণে ভেড়া পালন করা হয়ে থাকে। ভেড়া পালনে অনেক সময় বহিঃ পরজীবীর আক্রমন লক্ষ্য করা যায়।

বহিঃপরজীবীর আক্রমন রোধে যা করতে হবে:

ভেড়াকে বহিঃপরজীবীর আক্রমন থেকে রক্ষার জন্য খোলামেলা ও মুক্ত পরিবেশে বেড়ে উঠার সুযোগ করে দিতে হবে। ভেড়ার থাকার স্থানে যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ আলো ও বাতাস চলাচল করতে পারে সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে। এতে ভেড়ার শরীরে বহিঃপরজীবীর আক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা অনেক কমে যাবে ও ভেড়া সুস্থ থাকবে। ভেড়ার শরীরে যাতে কোন বহিঃপরজীবীর আক্রমণ না ঘটে সেজন্য পানিতে জীবাণুনাশক মিশিয়ে নিয়মিত ভেড়াকে গোসল করিয়ে দিতে হবে। এভাবে নিয়মিত গোসল করাতে পারলে বহিঃপরজীবীর আক্রমণের সম্ভাবনা অনেকাংশেই কমে যাবে।

ভেড়ার থাকার স্থানকে নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। সম্ভব হলে পানির সাথে জীবাণুনাশক মিশিয়ে ভেড়ার থাকার ভালোভাবে জীবাণুমুক্ত করতে হবে। তবে এক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে যাতে কোনভাবেই ভেড়ার থাকার স্থানে পানি জমা হয়ে না থাকে।ভেড়ার বহিঃপরজীবী আক্রমণ ঠেকাতে মাঝে মাঝে জীবাণুনাশক ওষুধ দিয়ে স্প্রে করে দিতে হবে। আর এতে করে বহিঃপরজীবীর আক্রমণ অনেকগুনে কমে আসবে এবং খামারে রোগের প্রাদুর্ভাব কমে যাবে।

ভেড়াকে গোসল করানোর পর মাঝে মাঝে চিরুনি নিয়ে শরীরের লোম আচড়িয়ে দিতে হবে। এতে করে শরীরের কোন অংশে পরজীবী থাকলে তা সহজেই বের হয়ে আসবে এবং সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে। ভেড়ার থাকার স্থানে যাবে অন্য কোন প্রাণী প্রবেশ করতে না পারে সেদিকেও বিশেষভাবে নজর দিতে হবে। বাইরের পশু-পাখি প্রবেশ করলে অনেক সময় তাদের মাধ্যমে ভেড়ার শরীরে বহিঃপরজীবীর আক্রমণ ঘটতে পারে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১০, ২০২১ ১০:২৩ অপরাহ্ন
ঘোড়াশালে ডিবি পুলিশ পরিচয়ে গরু লুট!
প্রাণিসম্পদ

নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকায় ডিবি পুলিশের পরিচয় দিয়ে একটি প্রাইভেট প্রতিষ্ঠানের কেমিক্যাল কারখানা থেকে ১০টি গরুসহ নগদ নগদ ৩০ হাজার টাকা লুটের ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (৯ আগস্ট) রাতে ঘোড়াশাল পৌর এলাকার ভাগদী গ্রামে এনকে কেমিক্যাল কারখানায় এই ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার (১০ আগস্ট) সকালে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালকের ছোট বোন জেসমিন আফরোজ বাদী হয়ে অজ্ঞাত ১০-১৫ জনের বিরুদ্ধে পলাশ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন পলাশ থানার ওসি মোহাম্মদ ইলিয়াছ।

পুলিশ ও প্রতিষ্ঠান সূত্রে জানা যায়, রাতে ১০-১৫ জন ব্যক্তি ডিবি পুলিশ পরিচয়ে কারখানায় প্রবেশ করে। সেখানে কর্মচারীদের একে একে ডেকে এনে হাত-পা বেঁধে কারখানার একটি কক্ষে বন্দী করে। পরে ট্রাক দিয়ে কারখানায় থাকা ১০টি গরু ও নগদ ৩০ হাজার টাকা লুট করে নেয়।

কারখানার ইনার্জ মো. লিটন মিয়া জানান, কারখানায় গরুর খামার ও বাগান দেখাশুনার জন্য ৭ থেকে ৮ জন কর্মচারী রয়েছে। লুটকারীরা নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে কারখানায় প্রবেশ করে কর্মচারীদের একটি মরদেহের পরিচয় জানার কথা বলে একে একে ডেকে আনে। পরে তাদের বেঁধে এসব লুট করে নেয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১০, ২০২১ ৫:৫৪ অপরাহ্ন
ড. মুহাম্মদ মমিনুজ্জামানের মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর শোক
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)-এর স্বাদুপানি কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মুহাম্মদ মমিনুজ্জামান খান করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করেছেন।

আজ সকাল ৫টা ৫৬ মিনিটে তিনি রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৪৬ বছর। তিনি স্ত্রী ও এক কন্যাসহ অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।

তার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব উভয়েই ড. মুহাম্মদ মমিনুজ্জামান খানের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শোক প্রকাশ করে বলেন, ড. মুহাম্মদ মমিনুজ্জামান খান ছিলেন একজন মেধাবী কর্মকর্তা। কর্মক্ষেত্রে তিনি নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশের মৎস্য গবেষণায় এ ক্ষণজন্মা কর্মকর্তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব শোক প্রকাশ করে বলেন, ড. মুহাম্মদ মমিনুজ্জামান খানের মৃত্যু দেশের মৎস্য গবেষণায় বিরাট ক্ষতি। তার মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় গভীরভাবে শোকাহত।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১০, ২০২১ ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
গরু-ছাগলের খামার করে ঘুরে দাঁড়ালেন মনোয়ারা
প্রাণিসম্পদ

গরু ও ছাগলের খামার গড়ে সাফল্য পেয়েছেন মনোয়ারা খাতুন নামে এক গৃহিনী। সাতক্ষীরার কলারোয়া উপজেলার হেলাতলা ইউনিয়নের খলসী গ্রামে একটি সমিতি থেকে ১৫হাজার টাকা ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে মনোয়ারারশুরু করেন হাস-মুরগী ও ছাগল পালন। এর পর থেকে তাকে আর পেছনে ফিরতে হয়নি। বর্তমানে তার খামারে গরু রয়েছে ২টি, ছাগল রয়েছে-৩ টি ও হাস-মুরগী রয়েছে-১৫টি।

মনোয়ারা খাতুন জানান, তিনি খুব গবির ও অসহায়। খুব কষ্টে তার সংসার চলছিলো। স্বামী পরের ক্ষেত খামারে কাজ করে তাদের সংসার চলে। ঠিক সেই মুহুর্তে খলসী গ্রামের মনোয়ারা নামে এক গৃহবধুর সাথে তার পরিচয় হয়।

তিনি মনোয়ারাকে জানান খলসী গ্রামে নামে একটি সমিতি রয়েছে। ওই সমিতি তে ২০ টাকা দিয়ে সদস্য হওয়ার পরামর্শ দেয়। তার কথা মতো ২০ টাকা দিয়ে সদস্য হন। এর পর সমিতি থেকে ১৫হাজার টাকা ক্ষুদ্র ঋণ গ্রহণ করেন মনোয়ারা। আর সেই টাকা দিয়ে নিজ বাড়ীতে বসে হাস-মুরগী ও ছাগল পালন শুরু করেন।

তিনি আরো জানান, সমিতি থেকে পর্যায় ক্রমে ঋণ নিয়ে তিনি গাভী পালন শুরু করেন। বর্তমানে মনোয়ারা খাতুন একটি পাকা বাড়ী করেছেন। গরু পালনের জন্য পাকা গোয়াল ঘরও করেছেন। বাড়ীতে বিদ্যুৎ সংযোগ নিয়েছেন। এক ছেলে ট্রাক ড্রাইভার, আর মেয়ে পড়াশুনা করছেন। মাঠে এক বিঘা কৃষি জমি বন্দক নিয়েছেন। এবার সেই জমিতে ধান চাষ করেছেন। এখন আর মনোয়ারার স্বামী সিরাজুল খন্দকার বাড়ীতে বসে থাকেনা, তিনি গরু বেচা কেনারও কাজ করেন।

মনোয়ারার স্বামী সিরাজুল খন্দকার জানান, এনজিও  সমিতি থেকে তার স্ত্রী ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে আজ তার পরিবার ভালই আছেন। ১৫ সালে তারা অনেক খারাপ সময় পার করেছে। ঠিক সেই সময় তাদের পাশে এসে দা৭ড়িয়েছে এটি।

এনজিও সংস্থা উত্তরণ এর ম্যানেজার শেখ রিয়াজুল ইসলাম জানান, মনোয়ারা শুকতারা সমিতি থেকে ক্ষুদ্র ঋণ নিয়ে গরু-ছাগল ও হাস-মুরগী পালন শুরু করেন। তিনি কয়েক বার তার বাড়ীতে গিয়েছেন। পরিবারের সদস্যরা সকলেই পরিশ্রমী। ১৫ সালে ক্ষুদ্র ঋণ নিলেও অদ্যবদি এক বারও ঋণ খেলাপি করেননি মনোয়ারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৯, ২০২১ ৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
লকডাউনে হৃষ্টপুষ্ট সাফারি পার্কের পশু-পাখি
প্রাণ ও প্রকৃতি

করোনায় মানুষে চলমান কাজ থেমে গেলেও থেমে যাইনি পশু পাখির সতেজতা। কারণ পশু পাখির জন্য উপযুক্ত পরিবেশ হলো নির্মল প্রকৃতি। আর করোনার বিধিনিষেধের মাঝে পশু-পাখি পাচ্ছে তার শতভাগ।ঠিক তেমনি কারণে শেখ মুজিব সাফারি পার্ক। প্রকৃতির নির্জনতায় বেড়েছে প্রাণীদের প্রজনন সক্ষমতা। প্রাণীদের নিয়মিত পরিচর্যার কারণে মোটাতাজাও হয়ে উঠেছে পশু পাখি। তাদের ঘরেও এসেছে অনেক নতুন অতিথি। লকডাউনের এ সময়ে মৃত্যু কিংবা অসুস্থতার শিকার হয়নি প্রাণী।

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তবিবুর রহমান জানান, দুই দফা লকডাউনে আট মাসের বেশি বন্ধ রাখা হয় পার্কটি। এসময় বেশ কিছু প্রাণী বাচ্চা প্রসব করেছে।

দ্বিতীয় ধাপের লকডাউনে পার্কে জেব্রার ৫টি, চিত্রা হরিণের ১৩টি, ওয়াইন্ড বিস্টের ৬টি, উট পাখির ১১টি, ইমু পাখির ৫টি এবং ময়ুরের ১১টি বাচ্চা এসেছে।

প্রাণীদের প্রজনন ও বিশেষ পরিচর্যার কথা বিবেচনা করে প্রতি বছর তুলনামূলক কম দর্শনার্থী আসার সময় অর্থাৎ মার্চ থেকে থেকে মে এই তিনমাস পার্ক বন্ধ রাখার জন্য ঊর্ধ্বতন কতৃপক্ষের কাছে সুপারিশ পাঠানোর কথা জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।

অতিরিক্ত জনসমাগমের কারণে বন্যপ্রাণীরা মানুষের ওপর বেশ বিরক্ত। করোনার সময়ে সে জায়গায় তারা বেশ খানিকটা স্বস্তি পেয়েছে। কেবল বন্যপ্রাণী নয়, যেসব প্রাণী খাঁচায় ছিল তাদের আচরণেও এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন। এটা ধরে রাখতে পারলে একদিকে যেমন বাড়বে প্রাণীদের সংখ্যা অন্যদিকে দর্শনার্থীরা পাবেন বাড়তি আনন্দ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৮, ২০২১ ৫:২০ অপরাহ্ন
মান্দায় উদ্ধার চোরাই গরু, আটক-২
প্রাণিসম্পদ

নওগাঁর মান্দা উপজেলার বর্দ্দপুর গ্রাম থেকে চুরি যাওয়া তিনটি গরুসহ চোর সিন্ডিকেটের ২ সদস্যকে আটক করা হয়েছে।

শনিবার দুপুরে জয়পুরহাট নতুন গরুবাজার হাট থেকে গরুসহ তাদের আটক করে পুলিশ।

আটককৃতরা হলেন, জয়পুরহাট জেলার ক্ষেতলাল উপজেলার তিলবাদুল কামারবাড়ি গ্রামের আব্দুল আজিজের ছেলে আকতার আলম প্রাং (৪৮) ও তিলবাদুল সাকিদারপাড়া গ্রামের ইছার উদ্দিনের ছেলে সাহাদত আলী (৫৮)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শুক্রবার রাতে উপজেলার মৈনম ইউনিয়নের বর্দ্দপুর গ্রামের মোয়াজ্জেম হোসেন সাবুর বাড়ি থেকে তিনটি গরু চুরি যায়। এরপর শনিবার সকালে গরুমালিক সাবু জয়পুরহাট সদরের নতুনহাটে গিয়ে গরুগুলো শনাক্ত করেন। পরে মান্দা থানা পুলিশ জয়পুরহাট সদর থানা পুলিশের সহায়তায় গরুসহ দুইচোরকে আটক করে।

গৃহকর্তা মোয়াজ্জেম হোসেন সাবু জানান, শুক্রবার রাত ৯টার দিকে খাবার খেয়ে তাঁরা ঘুমিয়ে পড়েন। শনিবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে শয়নঘর থেকে বের হতে গিয়ে বুঝতে পারেন বাইরে থেকে ঘরের দরজা বন্ধ। বিষয়টি মুঠোফোনে প্রতিবেশি ভোলাকে জানালে তিনি এসে দরজা খুলে দেন। এরপর গরু চুরির বিষয়টি তাঁরা জানতে পারেন।

তিনি আরো বলেন, চোরের বাড়ির প্রাচীর টপকে ভেতরে প্রবেশ করে। পরে সদর দরজার তালা কেটে সেডে থাকা গাভী-বাছুর ও একটি বকনা গরু চুরি করে নিয়ে যায়। চুরি যাওয়া গরুগুলোর মূল্য এক লাখ টাকা হবে বলে দাবি করেন তিনি।

মান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিনুর রহমান বলেন, চুরি যাওয়া গরুগুলো জয়পুরহাট সদরের নতুনহাট থেকে গরুগুলো উদ্ধারসহ আকতার আলম ও সাহাদত আলীকে আটক করা হয়েছে। ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop