১০:৫০ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ২৯ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ৭, ২০২১ ৫:২৯ অপরাহ্ন
ছাগল পালনে লাভ পেতে খামারিদের করণীয়
প্রাণিসম্পদ

আমাদের দেশে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ব্যাপকহারে ছাগল পালন করা হয়ে থাকে। ছাগল পালনের মাধ্যমে অনেকেই অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। তবে লাভজনক উপায়ে ছাগল পালনে খামারিদের করণীয় কি সে বিষয়ে অনেকেরই তেমন কোন ধারণা নেই।

লাভজনক উপায়ে ছাগল পালনে খামারিদের করণীয়:
ছাগল পালনে লাভবান হওয়ার জন্য খামারে তুলনামূলকভাবে সহজলভ্য খাদ্য উপকরণ দিয়ে খাদ্য তৈরি করতে হবে। আর যদি সম্ভব হয় তাহলে যে খাদ্য তালিকা তৈরি করছেন তার পুষ্টিগুণ সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জেনে নিতে হবে। খামারে ভালো ও স্বাস্থ্যবান ছাগলগুলোকে বাচ্চা উৎপাদনের জন্য নির্বাচন করতে হবে। কারণ ভালো মানের বাচ্চা পাওয়ার জন্য ভালো জাতের ছাগল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে।

ছাগলের খামারে যাতে পর্যাপ্ত পরিমাণ আলো ও বাতাস চলাচল করতে পারে সেভাবেই খামার নির্মাণ করতে পারে। আলো ও বাতাস ঠিকমতো চলাচল করতে না পারলে ছাগল অসুস্থ হবে। ছাগল সুস্থ না থাকলে খামারের উৎপাদন কমে যাবে এবং খামারের খরচ বেড়ে যাবে।

ছাগলের খামারে বিভিন্ন রোগের টিকা সময়মতো দিতে হবে। সময়মতো ছাগলের টিকা প্রদান করা না হলে ছাগল নানা জটিল রোগের দ্বারা আক্রান্ত হতে পারে। তাই ছাগলের খামারে নিয়মিত প্রয়োজনীয় রোগের টিকা প্রদান করতে হবে। ছাগলের খামারে বাচ্চা উৎপাদনের জন্য যে পাঁঠা দিয়ে ব্রিড করানো হবে সেই পাঁঠার সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য জানতে হবে। এছাড়াও ঐ পাঁঠা দিয়ে আগে যেসব বাচ্চা উৎপাদন হয়েছে সেই বাচ্চাগুলো কেমন হয়েছে সেই বিষয়েও ভালোভাবে জেনে নিতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৭, ২০২১ ১১:২১ পূর্বাহ্ন
কুকুরের দুধ খেয়ে বেড়ে উঠছে বিড়ালের বাচ্চা!
প্রাণিসম্পদ

দু‘টো বাচ্চা প্রসব করার পর মারা যায় মা বিড়ালটি। মা মারা যাওয়ায় দুধের অভাবে মারা যায় একটি বিড়াল ছানা। বেঁচে থাকা অন্য বিড়ালটিকে বাঁচাতে ছুটে আসে একটি কুকুর।সেই কুকুরটি শুরু থেকেই বিড়াল বাচ্চাটিকে দুধ খাওয়াচ্ছে। এভাবে ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছে মা হারা বিড়াল বাচ্চাটি।

টাঙ্গাইলের সখীপুর উপজেলার কাকড়াজান ইউনিয়নের দুর্গাপুর গ্রামে পল্লী চিকিৎসক শ্রী আশিষ চন্দ বর্মণের বাড়ির উঠানে এমন চিত্র দেখা গেছে। দেখা যায়, মা হারা একটি বিড়াল বাচ্চাকে দুধ খাওয়াচ্ছে একটি কুকুর। যেন মাতৃস্নেহ-মমতা সব কিছু দিয়েই আঁকড়ে ধরে রেখেছে কুকুরটি। বিড়াল বাচ্চাটিও পরম আগ্রহে কুকুরের দুধ পান করছে অনায়াসে।

আশিষ চন্দ্র জানান, ‘মমতাময়ী কুকুরটা অনেক দিন যাবৎ এভাবেই বিড়াল বাচ্চাটাকে বুকের দুধ পান করিয়ে আসছে। এতে ধীরে ধীরে বেড়ে উঠছে বিড়াল বাচ্চাটি।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আব্দুল জলিল জানান, এতে অবাক হওয়ার কিছু নেই। এটি শুধু এক প্রাণির সঙ্গে অন্য প্রাণির ভালোবাসা।

স্থানীয় ইউপি সদস্য দেলোয়ার হোসেন জানান, ঘটনাটি প্রথমে বিরল মনে হয়। পরে আমি নিজে ওই বাড়িতে গিয়ে দেখি বিড়ালের বাচ্চাটি কুকুরের দুধ খাচ্ছে। এ যেনো কুকুর-বিড়ালের অন্যরকম মমতা ও ভালোবাসা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৭, ২০২১ ১২:৪২ পূর্বাহ্ন
জুরাছড়িতে বজ্রপাতে ৫ গরুর মৃত্যু!
প্রাণিসম্পদ

রাঙামাটি জুরাছড়ি উপজেলায় বজ্রপাতে পাঁচটি গরু মৃত্যু হয়েছে । ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার জুরাছড়ি উপজেলার বনযোগীছড়া ইউনিয়নের দুর্গম বাদল পড়া (শুকনাছড়ি) গ্রামে। ৫টি গরু দাম আনুমানিক ২ -৩ লক্ষ টাকা বলে জানা যায়।

এলাকাবাসীরা জানান, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ধুলকুলছড়া ও পাঁচপতিমাছড়া জলবায়ু সহনশীল কমিটির সভাপতি সন্তোষ বিকাশ চাকমা তার নিজস্ব এসব গরু নিয়মিত ভাবে গোয়ালে বাঁধে। সন্ধ্যায় হঠাৎ বজ্রপাতের ঘটনা ঘটলে ঘটনাস্থলেই গরু গুলো মাটিতে লুটিয়ে পড়ে মারা যায়। ৫টি গরু দাম আনুমানিক ২ -৩ লক্ষ টাকা বলে জানা যায়।

গরুর মালিক জানান, আমার সবই শেষ। আমি বিশাল ক্ষতিগ্রস্ত হলাম। প্রশাসনের সহযোগিতার অনুরোধ জানান তিনি। বনযোগীছড়া ইউপি চেয়ারম্যান সন্তোষ বিকাশ চাকমা জানান, খবর পেয়ে সকালে ঘটনাস্থলে গিয়েছি। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনকে অবগত করা হয়েছে।

উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা মো. মাহফুজুর আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, ৫টি গরু ৩ লক্ষ টাকা বাজার মূল্য হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার জিতেন্দ্র কুমার নাথ জানান, বজ্রপাতে সন্তোষ বিকাশ চাকমা নামের এক কৃষকের পাঁচটি গরু মারা গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৬, ২০২১ ৭:৩৭ অপরাহ্ন
একটি দিয়ে শুরু করে ৩৯টি ছাগলের মালিক রোজিনা
প্রাণিসম্পদ

বাড়ির ছাদে ছাগল পালন করে স্বাবলম্বী হয়েছেন গাইবান্ধা গোবিন্দগঞ্জ পৌরসভার দুর্গাপুর এলাকার রোজিনা বেগম (৩০)। মাত্র একটি ছাগল দিয়ে খামার শুরু করে এখন তিনি ৩৯টি ছাগল পালন করছেন ছাদে। ছাগলের লালন পালনের সব কাজ ছাদেই করেন। পাশাপাশি একই বাড়িতে হাঁস-মুরগি, কবুতর এবং গরুও পালন করছেন তিনি।

জানা যায়, সাত শতক বসতভিটায় রোজিনার একতলা পাকা বাড়ি। ছাদে ছাগলের খামার। একটি কক্ষে হাঁস-মুরগি, একটি কক্ষে কবুতর। আরেকটি কক্ষে গরু-বাছুর। দুটি কক্ষে তারা থাকেন। জনবসতিপূর্ণ এলাকায় অবস্থিত বাড়িটি যেন পশুপাখিদের অভয়ারণ্য। তার খামারে দুইজন নারীর কর্মসংস্থান হয়েছে।

রোজিনার স্বামী সাইফুল ইসলাম মালেশিয়া প্রবাসী। দীর্ঘ ১২ বছর ধরে তিনি সেখানে থাকেন। একমাত্র মেয়ে শিখা খাতুন দশম শ্রেণীতে পড়ছে। দুর্গাপুরের বাড়িতে মা ও মেয়ের সংসার। মেয়ে বিদ্যালয়ে গেলে মা একাকী হয়ে পড়তেন। অবসর সময় একা কাটে না। ২০১৬ সালের মাঝামাঝি শিখা খাতুন উপবৃত্তি পায় ১ হাজার ৩০০ টাকা। পুরো টাকা দিয়ে একটি ছাগল কিনেন।

প্রথমবরাই ছাগলটি তিনটি বাচ্চা দেয়। এভাবেই গত পাঁচ বছরে তার খামারে ছাগলের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৪৭টি। মাঝে মাঝে ছাগল বিক্রি করে শিখার লেখাপড়াসহ অন্যান্য খরচ চলে। বর্তমানে তার খামারে ৩৯টি ছাগল রয়েছে।

এ দিকে ছাগল পালন লাভজনক হওয়ায় রোজিনা একই বাড়িতে হাঁস-মুরগি, কবুতর এবং গরুও পালন শুরু করেন। বর্তমানে তার বাড়িতে ১৫০টি কবুতর, দুটি গরু, ৫৫টি হাঁস-মুরগি রয়েছে। এসব থেকেও তার আয় হচ্ছে। খামারের আয় দিয়ে তার সংসার চলে। প্রবাসী স্বামীর আয় মেয়ের বিয়ে এবং ভবিষ্যতের জন্য সঞ্চয় করছেন। ছাগল পালনের সাফল্যের জন্য উপজেলা প্রাণিসম্পদ থেকে রোজিনা বেগম সেরা ছাগল খামারি হিসেবে পুরস্কারও পেয়েছেন।

দুর্গাপুর এলাকার বাসিন্দা ফজেল হোসেন জানান, আমরা পুরুষ মানুষ হয়ে যা পারিনি, রোজিনা আপা সেটা করেছে। পশুপাখি বিক্রির সময় তাকে আমরা সহায়তা করি।

রোজিনা বেগম জানান, বাড়ির ছাদে কাপড় শুকানো ছাড়া কোনো কাজ হতো না। সেই ছাদে জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরামর্শে তিনি ছাগল পালন করছেন। দিনে খোলা ছাদে ছাগল ঘুরে বেড়ায়। রাতে ছাদের একপাশে টিনের চালার নিচে ছাগল রাখা হয়। খাবার ও পরিচর্যা ছাদেই চলে।

তিনি আরও জানান, একসময় সময় কাটানোর জন্য ছাগল পালন করতাম। এখন এই ব্যবসা লাভজনক হয়েছে। বুদ্ধি খাটিয়ে যে কেউ পরিশ্রম করলে সাফল্য অর্জন করতে পারে।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মাছুদার রহমান সরকার জানান, ওই খামারিকে ছাগল পালনে প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। বিনামূল্যে তার খামারের পশুপাখিদের চিকিৎসা সহায়তা দেয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৬, ২০২১ ১১:০০ পূর্বাহ্ন
উন্নত পদ্ধতিতে যেভাবে তৈরি করবেন গোবর সার
প্রাণিসম্পদ

জৈব সার তৈরী ও সংরক্ষণের ব্যাপারে প্রত্যেক কৃষক ভাইয়ের যত্নবান হওয়া উচিত। কেবল উদ্যোগ নিয়েই নিজস্ব সম্পদ কাজে লাগিয়ে প্রায় বিনা খরচে জৈব সার তৈরী করা সম্ভব। আজকে জানবো কিভাবে আপনি তৈরি করবেন গোবর সার।

উন্নত পদ্ধতিতে যেভাবে তৈরি করবেন গোবর সার:

গোয়াল ঘরের কাছাকাছি সামান্য উঁচু স্থান বেছে নিয়ে ১.৫মিটার চওড়া, ৩ মিটার লম্বা ও ১মিটার গভীর গর্ত তৈরী করুন।গোবরের পরিমাণ বুঝেগর্ত ছোট, বড় বা একাধিক গর্ত করতে পারেন।

গর্তের তলা ভালোভাবে পিটিয়ে সেখানে খড়/কাঁকর/বালি বিছিয়েনিন যাতে পানি সহজে শুষে নিতে পারে অথবা গর্তের তলা এবং চারপাশে গোবর দিয়ে ভালভাবেলেপে নিতে পারেন।গর্তের চারিদিকেই তলদেশের দিকে একটু ঢালু রাখতে হবে এবংগর্তের উপরে চারপাশে আইল দিয়ে উঁচু করে রাখতে হবে যেন বর্ষার পানি গর্তে যেতে নাপারে।

গর্তের পাশ থেকেগোবর ফেলে গর্তটি ভরতে থাকুন অথবা গর্তটিকে কয়েকটি ভাগেভাগ করে কয়েক দিনে এক একটিঅংশ ভরে পুরো গর্ত ভরাট করা ভালো।

গর্তে গোবর ফলারফাঁকে ফাঁকে পুকুর বা ডোবার তলার মিহি মাটি ফেলুন, এতে স্তর আঁটসাট হয়এবং সার গ্যাস হয়ে উবে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। প্রায় দেড় মাস পর সারের গাদা ওলটপালট করে দিতেহবে।যদিগাদা শুকিয়ে যায় তবে গো-চনা দিয়ে ভিজিয়ে দিন কারণ, গো-চনাও একটিউৎকৃষ্টসার।

গোবরের সাথে টিআসপি (ঞঝচ) ব্যবহার করলে জৈব সারের মান ভালো হয়।গোবরের গাদার প্রতি টনের জন্য ১৫-২০ কেজিটিএসপি ব্যবহার করতে পারেন।

কড়া রোদে গোবর যেনশুকিয়ে না যায় আবার বৃষ্টিতে ধুয়ে না যায় সে জন্য গাদার ওপরে চালা দিয়েদিন।খড়, খেজুর পাতা কিংবা তালপাতা দিয়ে কম খরচে এই চালা তৈরী করতেপারেন।

এমনিভাবে সংরক্ষণের ২ মাসের মধ্যেইগোবর পচে উত্তম মানের সার তৈরী হয় যা পরবর্তীতে জমিতে ব্যবহার করার উপযোগীহয়।জৈবসার ব্যবহার করে রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভশীলতা কমিয়ে আনুন এবং পরিবেশ সংরক্ষণেসচেষ্ট হন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৬, ২০২১ ৯:৩৬ পূর্বাহ্ন
গাজীপুরে গরু ব্যবসায়ীদের ১৩ লাখ টাকা লুট, গ্রেপ্তার ৪
প্রাণিসম্পদ

গাজীপুরে গরু ব্যবসায়ীদের ১৩ লাখ টাকা লুটের ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নাটোর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও সাভারের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৫ দিন পর চারজনকে গ্রেফতার করেছে ।

বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) বিকেলে গাজীপুর পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গ্রেফতাররা হলেন- নাটোরের সিংরাই থানার বনপুরী গ্রামের রজব আলী (৩০), একই গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম (২৩), নাটোর সদর থানার লক্ষ্মীপুর খোলাবাজার এলাকার আবুল বাশার ওরফে বাদশা (৪৫) ও রাজশাহীর বেলপুকুর থানার মহেলদা গ্রামের মাইনুল ইসলাম (৩০)।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ বলেন, ঈদের আগের দিন গত ২০ জুলাই (মঙ্গলবার) মনজুরুল হকসহ ছয় ব্যবসায়ী ময়মনসিংহের গফরগাঁও থেকে ১৪ টি গরু নিয়ে ঢাকায় যাত্রা করেন। সেখানে ১৩ লাখ টাকায় গরুগুলো বিক্রির পর ট্রাকে করে বাড়িতে রওনা দেন। গাজীপুরের সালনা ব্রিজের কাছে পৌঁছালে ডাকাতরা তাদের মারধর করে টাকাসহ মোবাইল লুট করে নিয়ে যান।

এ ঘটনায় জয়দেবপুর থানায় একটি মামলা হয়। পুলিশ অভিযান চালিয়ে নাটোর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও সাভারের বিভিন্ন এলাকা থেকে চারজন গ্রেফতার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে এক লাখ টাকা ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ট্রাকটি জব্দ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন, গাজীপুর গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৫, ২০২১ ৬:২৮ অপরাহ্ন
আদর্শ ও জনকল্যাণে অবদানই হওয়া উচিত রাজনীতির মূলমন্ত্র: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, “আদর্শ ও জনকল্যাণে অবদানই রাজনীতির মূলমন্ত্র হওয়া উচিত। নীতির রাজাই হচ্ছে রাজনীতি, শ্রেষ্ঠ নীতির নাম রাজনীতি। দুষ্টদের লালন-পালন ও পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া রাজনীতি নয়। রাজনীতি হতে হবে পরিশীলিত, পরিমার্জিত। রাজনীতির প্রতিপক্ষকে কখনো শত্রু ভাবা ঠিক নয়। শত্রুকে নিধন করতে হবে, সশরীরে মেরে ফেলতে হবে, এটা রাজনীতি হতে পারে না। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে। রাজনীতির মৌলিক সত্তার জায়গায় দল-মত নির্বিশেষে আমাদের এক হতে হবে।”

বৃহস্পতিবার (০৫ আগস্ট) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পিরোজপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, “একটি পরিশীলিত, পরিমার্জিত, রূচিবান ও সম্ভাবনাময় ব্যক্তিত্ব ছিলেন শেখ কামাল। যিনি এ দেশের ক্রীড়াঙ্গন, সাংস্কৃতিক অঙ্গন ও রাজনীতিতে অনন্য-আসাধারণ অবদান রাখতে পারতেন। অথচ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরিবারের সদস্যদের সাথে তাকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়। তিনি ছিলেন বাংলাদেশে আধুনিক ক্রীড়ার জনক। অপরদিকে বাঙালি সংস্কৃতিকে পূর্ণতা দেওয়ার জন্য সংস্কৃতির বিভিন্ন ধারা তিনি লালন করতেন, চর্চা করতেন। অন্যদিকে রাজনীতি ছিল তার জন্মসূত্রে পাওয়া। রাজনীতিতে তিনি নিজের জায়গা দখলের জন্য কখনো ক্ষমতার অপব্যবহারের মানসিকতা দেখান নি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর শেখ কামাল সম্পর্কে বিরূপ কথা প্রচার করে বঙ্গবন্ধু পরিবারকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। এটা ছিল জঘন্য মিথ্যাচার।”

এ সময় শ ম রেজাউল করিম আরো যোগ করেন, “বঙ্গবন্ধু বলেছেন, নিজের যা কিছু সামর্থ্য, যা কিছু ভালো তা উৎসর্গ করে দিয়ে দেশের কল্যাণে ও মানুষের উন্নয়নে নিজেকে নিবেদন করার নাম রাজনীতি। বঙ্গবন্ধু জীবনে কখনোই অনৈতিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্তদের, কালো টাকার মালিকদের রাজনীতিতে এনে পৃষ্ঠপোষকতা দেন নি। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা বলেন, নিজের বিত্ত-বৈভবের জন্য, প্রাচুর্যের জন্য রাজনীতি নয়। মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তার দুঃখ-কষ্টের সাথী হওয়া, গোটা জাতির স্বপ্ন পূরণের মাধ্যমে দারিদ্র্য, অসহায়ত্ব ও বৈষম্য দূর করার নাম রাজনীতি।”

পিরোজপুরের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক চৌধুরী রওশন ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান ও পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হাকিম হাওলাদার। পিরোজপুর জেলা যুবলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান ফুলু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউল আহসান গাজী, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোপাল বসু, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার গৌতম নারায়ণ চৌধুরীসহ পিরোজপুরের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকতা এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৫, ২০২১ ৬:১০ অপরাহ্ন
এন্টিবায়োটিকমুক্ত খামার করে সফল ক্ষুদ্র খামারী শাকিল
পোলট্রি

মো. শাকিল আহমেদ এইচএসসি পরীক্ষার্থী একজন তরুণ উদ্যোক্তা। তিনি কুমিল্লা জেলার তিতাশ থানার গাবতলি গ্রামের মো. জালাল উদ্দিনের ছেলে। এন্টিবায়োটিকমুক্ত খামার করে তাক লাগিয়ে দিচ্ছেন নিয়মিত। শুরুতে এন্টিবায়োটিক দিয়ে খামার করে লস দেয়ার পর এন্টিবায়োটিকমুক্ত খামার করে সফল হয়েছেন এই ক্ষুদ্র খামারী শাকিল। এগ্রিভিউ২৪.কম এর সাথে একান্ত সাক্ষাতকারে উঠে আসে শাকিলের খামারের গল্প।

এত অল্প বয়সে ব্রয়লার খামারের দিকে ঝুঁকার কারণ জানতে চাইলে শাকিল বলেন, চারদিকে বর্তমানে চাকরির অবস্থা দেখে নিজ থেকে কিছু করার আশায় খামারের দিকে মনোযোগ। এর মাধ্যমে একদিকে নিজে স্বাবলম্বী হতে ‍পারবো আর অন্যদিকে মাংসের চাহিদাও পূরণ হবে এবং কয়েকজন লোকের কর্মসংস্থানেও ব্যবস্থা হবে। সেই চিন্তা থেকে কয়েকজন বন্ধু মিলে খামার করার চিন্তা করলে বাকিরা আর সাথে থাকেনি। অবশেষে আমি একাই এই খামার শুরু করি। ইনশাআল্লাহ এখন পর্যন্ত ভালোই চলছে।

শাকিল বলেন, আমি ২০১৯ সালের শেষের দিকে খামার শুরু করি। প্রায় ৯০ হাজার টাকা দিয়ে ঘর বানাই। প্রথমে ২৬ হাজার টাকায় এক হাজার ৫০ মুরগির সেড করি। সেখান থেকে আমার প্রায় ৮ হাজার টাকার মত লাভ আসে। আবার ২০২০ সালের শুরুর সেডে ২৯ হাজার টাকা আবার ১ হাজার মুরগি তুললে সেখানে আমার ১৫ হাজার টাকা লাভ হলেও তারপরের সেডে ৬০ হাজার টাকার মুরগি তুললে সেখানে আমার প্রায় ৪৬ হাজার টাকা লস হয়। যার কারণে আমি মাঝখানে খামার বন্ধ রাখি।

বর্তমানে খামারের অবস্থা জানতে চাইলে শাকিল এগ্রিভিউকে বলেন, দীর্ঘ দিন খামার বন্ধ রেখে ‍আবার ২০২১ সালে এসে ডাক্তারের পরামর্শে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা ছাড়া আবার সেড শুরু করি। বর্তমানে খামারে ১ হাজার মুরগি আছে। আগের সেডগুলোতে আমার প্রতিদিন গড়ে ১৫টা করে মুরগি মারা যেতো। দিনে ৩০-৩৫টাও মারা গিয়েছে। এখন আমার খামারে মুরগির মৃতের সংখ্যা একেবারেই কম এবং মুরগির ওজনও অনেক। বর্তমান সেডের ২৬ দিন বয়সী মুরগির ওজন প্রায় ২ কেজির মত বলে জানান শাকিল।

এন্টিবায়োটিক না খাওয়ালে কি খাওয়াচ্ছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার মুরগিতে সামান্য আমাশয় দেখা দিলে আমি ডাক্তারের পরামর্শে মেডিসিন খাওয়ায়। এছাড়া বর্তমানে গরমের কারণে কিছু মুরগি মারা গেলেও অসুস্থ মুরগি দেখা যাচ্ছে না। তাছাড়া আমার খামার আলো বাতাস দিয়ে ভরপুর। একেবারে নিরিবিলি পরিবেশ আমার খামারে। খামার সব সময় আমি পরিষ্কার রাখি। খামারে বাইরের লোকজন ঢুকতে দেই না, বায়োসিকিউরিটি যথাযথভাবে পালন করি। এ জন্য খামারে রোগ বালাই কম হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৪, ২০২১ ৮:২৯ অপরাহ্ন
পঁচাত্তরের শত্রুরা এদেশে এখনো সক্রিয়: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যার সাথে জড়িত শত্রুরা এখনো সক্রিয় বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

বুধবার (০৪ আগস্ট) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যোষ্ঠ পুত্র শহিদ শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, “১৫ আগস্টের হত্যাকান্ডের প্লট যারা রচনা করেছিল, তারা নিঃশেষ হয়ে যায়নি। তারা এদেশ থেকে এখনো বিনাশ হয়ে যায়নি। কখনো ক্ষমতাসীনদের আশ্রয়ে কখেনো তারা স্বাধীন ফোরাম করে এদেশে থাকে। পঁচাত্তরের শত্রু যারা, তারা একাত্তরের শত্রু, তারা ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলাকারী এবং তারাই ১৯ বার শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করেছে। তারাই শেখ কামালকে হত্যা করেছে। আমরা সে মানুষগুলোকে এখনো আইনের আওতায় আনতে পারি নি।”

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, “বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ছিলেন বিধায় এতো প্রতিকূলতার ভেতরও বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে। শেখ হাসিনা না থাকলে এ জাতীয় হত্যাকান্ডের বা ঘটনার বিচার কোনদিন হবে না। জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ‘গো অ্যাহেড’ বলে প্রমাণ করেছেন তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের শুধু ষড়যন্ত্রকারীই নন, হুকুমদাতা। এজন্য বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে জিয়াউর রহমানের সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন করে একটি সম্পূরক তদন্ত করে সে রিপোর্ট রেকর্ডে রাখা উচিত। এ বিষয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিচার বিভাগীয় তদন্ত হওয়া দরকার, যে তদন্ত কমিশন বঙ্গবন্ধু হত্যা ও ষড়যন্ত্রে কারা কারা জড়িত ছিল তাদের নাম প্রকাশ করবে”।

তিনি আরো বলেন, “শহিদ শেখ কামাল বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির জন্য সম্পদ ছিলেন। তাঁকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা না হলে এ দেশের রাজনীতি, সংস্কৃতি ও ক্রীড়ায় তিনি বিশাল অবদান রাখতে পারতেন। শেখ কামালকে হত্যার মধ্য দিয়ে গোটা জাতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে।”

তিনি আরো যোগ করেন, “১৯৭৫ সালের খুনিদের টার্গেট ছিল বঙ্গবন্ধু, তাঁর পরিবার ও স্বজনরা। কারণ তারাই হচ্ছেন মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি। খুনিরা ভেবেছিল তাদের মেরে ফেলতে পারলে বাংলাদেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনাকে মেরে ফেলা যাবে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের মতো হত্যাকান্ডেরে নজির পৃথিবীর কোথাও নেই”।

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কার্যকরী সভাপতি রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন হালদারের সঞ্চালনায় ভার্চুয়াল আলোচনায় প্রধান বক্তা হিসেবে অংশগ্রহণ করেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মোঃ মুরাদ হাসান এমপি। এছাড়া আরো অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি বলরাম পোদ্দার, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা, সহসভাপতি অরুণা বিশ্বাস, যুগ্ম সম্পাদক তারিন জাহান, শিল্পী দিনাত জাহান মুন্নী প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২, ২০২১ ১০:১০ পূর্বাহ্ন
গবাদিপশুকে সুষম খাবার যেকারণে  খাওয়াবেন
প্রাণিসম্পদ

গবাদিপশু পালন করে অধিক লাভ করতে সুষম খাদ্যের কোন বিকল্প নাই। সুষম খাদ্য গবাদিপশুতে আরো লাভ নিয়ে আসে।কারণ সুষম খাদ্য ছাড়া গবাদিপশু বেশি বৃদ্ধি পায় না। গবাদিপশুর সুষম খাদ্য বলতে বুঝায় যে খাদ্যে আমিষ, শর্করা, স্নেহ বা চর্বি, খনিজ লবণ, ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ ও পানি সঠিক অনুপাতে থাকে।  আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য অন্ত্রে পরিপাক হয়ে অ্যামিনো অ্যাসিডে পরিণত হয়। পরে তা অন্ত্রে শোষিত হয়ে রক্তে মিশে এবং দেহের ক্ষয়পূরণ ও বৃদ্ধি সাধন করে।

আমিষের সহায়তায় দেহের ভেতরে জৈব অনুঘটক এনজাইম তৈরি হয়। যেমন, পেপসিন, ট্রিপসিন ইত্যাদি। এসব এনজাইম খাদ্যের প্রোটিন, লিপিড ও শর্করাকে ভেঙে সহজপাচ্য পুষ্টিতে রূপান্তরিত করে যা কোষ সহজেই শোষণ ও সদ্ব্যবহার করতে পারে। পশুর দেহের রক্ত, পেশী ও সংযোজক কলার প্রধান অংশই প্রোটিনে গঠিত। খাদ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্রোটিন পশু দেহের শক্তি ও চর্বির উৎস হিসেবে কাজে লাগে।

শর্করা পশু দেহে কর্মশক্তি যোগায়। শর্করা খাদ্যান্ত্রে ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত হয় যা অন্ত্রে শোষিত হয়ে রক্তে মিশে কার্যসম্পাদন করে। অতিরিক্ত শর্করা দেহে গ্লাইকোজেনরূপে জমা থাকে এবং খাদ্যে শর্করার অভাব হলে প্রয়োজনে সেই গ্লাইকোজেন কর্মশক্তি যোগায়।

স্নেহ প্রাণী দেহের টিস্যুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। গবাদিপশুর প্রধানত তাপ ও শক্তির উৎস হিসেবে সঞ্চিত থাকে। সাধারণত গবাদিপশুর দানাদার খাদ্যে শতকরা ৪ ভাগ চর্বি জাতীয় পদার্থ থাকা প্রয়োজন।

খনিজ পদার্থ বাড়ন্ত পশুর নতুন অস্থি ও টিস্যু সৃষ্টিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই উপাদান কঙ্কালের আকৃতি ও দৃঢ়তা বজায় রাখে। পশুর লোম, ক্ষুর ও শিং গঠনে খনিজ পদার্থ প্রয়োজন। খনিজ পদার্থ যেমন- লৌহ রক্তে অক্সিজেন ও কার্বনডাইঅক্সাইড বহন করতে সহায়তা করে। আবার পটাসিয়াম পশুর দেহের তরল পদার্থের অ্যাসিড বেসের সমতা রক্ষা করে।

যেসব জৈব যৌগ খাদ্য উপাদান হিসেবে অল্প পরিমাণ দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য জরুরি তাদের ভিটামিন বলা হয়। প্রাণী দেহের জন্য পর্যাপ্ত আমিষ, শর্করা, স্নেহ ও খনিজ পদার্থ খাদ্যের সাথে সরবরাহ করেও ভিটামিন ছাড়া জীবন চালনা সম্ভব হয় না।

স্বাভাবিক টিস্যুর বৃদ্ধি, দৈহিক বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য ভিটামিন অত্যাবশ্যক। পশুখাদ্যে যদি ভিটামিন না থাকে অথবা সুষ্ঠভাবে ভিটামিন শোষিত না হয় কিংবা দেহে ভিটামিন সদ্ব্যবহার না হয় তবে সুনির্দিষ্ট রোগ হয়। যেমন, ভিটামিন ‘এ’ -এর অভাবে রাতকানা, জনন কর্মক্ষমতা হারানো, ভিটামিন ‘কে’ -এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধতে সমস্যা হয় এবং ভিটামিন ‘ই’ -এর অভাবে জনন অকৃতকার্যতা পরিলক্ষিত হয়।

পশুদেহের শতকরা ৭০ থেকে ৯০ ভাগ পানি। সাধারণত দানাদার খাদ্যে শতকরা ১০ ভাগ ও খড় জাতীয় খাদ্যে শতকরা ১৫ ভাগ পানি থাকে। আবার সবুজ ঘাসে পানির পরিমাণ শতকরা ৯০ ভাগ। পশুখাদ্যে প্রচুর পরিমাণ পানি থাকা সত্ত্বেও পশুকে পৃথকভাবে পানি সরবরাহ করতে হয়। কারণ পানি দেহের কোষের কাঠিন্য ও স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখে। এতে প্রাণিদেহের কাঠামো ঠিক থাকে।

পানি ছাড়া দেহে যেকোনো ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটা সম্ভব নয়। পানি দেহের এক অঙ্গ থেকে অন্য অঙ্গে বিভিন্ন পুষ্টিকারক পদার্থ সরবরাহ করে। তাছাড়া পানি দেহের অতিরিক্ত তাপ শোষণ করে। আবার পানি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাফার হিসেবেও কাজ করে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop