১০:১৭ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ২৮ অক্টোবর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
  • হোম
  • ঝিনাইদহে আমন ধানের ফলন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে
ads
প্রকাশ : অক্টোবর ২৮, ২০২৬ ৯:০৫ পূর্বাহ্ন
ঝিনাইদহে আমন ধানের ফলন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে
কৃষি বিভাগ

চলতি আমন মৌসুমে ঝিনাইদহে ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে। জেলার মাঠে মাঠে এখন সবুজ ধানের ঢেউ। কোনো কোনো মাঠে এরই মধ্যে আগাম জাতের ধানে পাক ধরেছে। অনুকূল আবহাওয়া ও রোগবালাইয়ের আক্রমণ কম থাকায় ধানের উৎপাদন ও ভালো ফলন নিয়ে আশাবাদী কৃষক। জেলার গ্রামে গ্রামে, বাড়িতে বাড়িতে চলছে নতুন ধান তোলার আগাম প্রস্তুতি।

ঝিনাইদহ জেলা কৃষি কর্মকর্তারা জানান, আগামী কয়েক সপ্তাহ আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষক তার কাঙ্ক্ষিত ফলন পেতে পারে বলে জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা। রোগবালাই দমন ও ধানের সঠিক পরিচর্যা নিশ্চিতে প্রান্তিক কৃষক পর্যায়ে নিয়মিত তদারকি ও পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে জেলা কৃষি বিভাগ।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, চলতি আমন মৌসুমে জেলায় ধান আবাদের প্রাথমিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ৪ হাজার ৫০০ হেক্টর জমি। তবে ধান আবাদে কৃষকদের আগ্রহ ও উৎসাহের ফলে বাড়তি ১০০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে। ফলে লক্ষ্যমাত্রা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪ হাজার ৬০০ হেক্টর।

এর মধ্যে জেলার সদর উপজেলায় ২৫ হাজার ২৫২ হেক্টর, কালীগঞ্জে ১৮ হাজার ৭৩৪ হেক্টর, শৈলকুপায় ২৪ হাজার ৯৪৫, হরিণাকুণ্ডুতে ১১ হাজার ২৩২, কোটচাঁদপুরে ৬ হাজার ১৮২ হেক্টর ও মহেশপুর উপজেলায় ১৮ হাজার ১৫৫ হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের ধানের আবাদ হয়েছে। ঝিনাইদহ সদর উপজেলায় সবচেয়ে বেশি ২৫ হাজার ২৫২ হেক্টর জমিতে আমন ধানের আবাদ হয়েছে।

সদর উপজেলার রামনগর গ্রামের মিজানুর রহমান বাসসকে বলেন, এ বছর আমন আবাদের সময় আবহাওয়া অনুকূলে ছিল। এ ছাড়া সময়মতো প্রয়োজনীয় পরিচর্যা পাওয়ায় ধানের ক্ষেতে রোগবালাইয়ের আক্রমণ ছিল খুবই কম। অতিবৃষ্টি বা প্রাকৃতিক কোনো বড় দুর্যোগ না থাকায় ধানের গাছও স্বাভাবিক ও সুস্থ ছিল। ফলে কৃষকেরা এই মৌসুমে ভালো ফলনের আশা করছেন।

ভবানীপুর গ্রামের কৃষক আমজাদ হোসেন বলেন, মাঠে এখন ধানের শেষ সময়ের পরিচর্যা চলছে। কোনো জমি থেকে এরই মধ্যে ধান কাটা হয়ে গেছে। আরও কয়েক সপ্তাহ পরে সব মাঠের ধান কাটা শুরু হবে। এবার ধানের আবাদ ভালো হয়েছে। ফলনও ভালো হবে বলে আশা করছি।

হরিণাকুণ্ডুর সিংগা গ্রামের কৃষক লাল্টু মিয়া বলেন, ধানের ফলন ভালো হবে বলে মনে হচ্ছে। শেষ মুহূর্তে আকস্মিক ঝড় বা দমকা হাওয়া না হলে ধানের ক্ষয়ক্ষতি হওয়ার ঝুঁকি কম।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. কামরুজ্জামান বলেন, মৌসুমের শুরু থেকে আমাদের মাঠকর্মী ও কর্মকর্তারা কৃষকের সঙ্গে নিবিড়ভাবে কাজ করেছেন। চলতি আমন মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে ছিল। সারের সরবরাহ ছিল পর্যাপ্ত। সবকিছু মিলিয়ে কৃষক এবার আমন ধানে ব্যাপক ফলন পাবেন বলে আমরা আশা করছি। ঝিনাইদহে উৎপাদিত ধান স্থানীয় খাদ্য চাহিদা মিটিয়ে দেশের মোট চাহিদা পূরণে ভূমিকা রাখতে পারবে।

শেয়ার করুন

ads

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop