৮:১১ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ১ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১ ৮:৪০ অপরাহ্ন
তরুণ ও শিক্ষিত মেধাবীদের দলে জায়গা দিতে হবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, আওয়ামী লীগ বিগত ১২ বছর ধরে একটানা ক্ষমতায় রয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে এই সময়ে সকল ক্ষেত্রে দেশের অভূতপূর্ব উন্নয়ন হয়েছে। সারা পৃথিবীতে যা প্রশংসিত হচ্ছে।

রবিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) টাঙ্গাইলের জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জেলা আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী পরিষদ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। আব্দুর রাজ্জাক জানান, ক্ষুধা দারিদ্র্যমুক্ত ও উন্নত বাংলাদেশ গড়তে সঠিক পথে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাতিসংঘের ‘এসডিজি অগ্রগতি পুরস্কার’ পেয়েছেন। কিন্তু উন্নয়নের এই অগ্রযাত্রাকে বিএনপি ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি বাধাগ্রস্ত করতে চায়। তারা অতীতের মতো এখনও অপতৎপরতায় ও ষড়যন্ত্রে লিপ্ত।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমরা উন্নয়নের এ ধারাকে ধরে রাখতে চাই। এটি করতে হলে আগামী দিনেও আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় থাকতে হবে। দলের জন্য আগামী দিনের নেতৃত্ব তৈরি করতে হবে। সেজন্য তরুণ ও শিক্ষিত মেধাবীদেরকে দলে বেশি করে সুযোগ দিতে হবে, তাদের হাতে দলকে তুলে দিতে হবে। তরুণদেরকে আওয়ামী লীগের আদর্শে উজ্জীবিত করতে হবে। একইসাথে প্রবীণ ও অভিজ্ঞদের বুদ্ধি-পরামর্শ ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে দলকে আরও শক্তিশালী করতে হবে।

দলীয় নেতা-কর্মীদের উদ্দেশে ড. রাজ্জাক আরও বলেন, ব্যক্তি স্বার্থের চেয়ে দলের স্বার্থকে বড় করে দেখতে হবে। ব্যক্তি স্বার্থে দলের মনোনীত প্রার্থীদের বিরুদ্ধে না গিয়ে সকলকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১ ৭:৪২ অপরাহ্ন
কৃষি সম্প্রসারণে পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশীফ পলিসি ডায়ালগ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

দেশে বেসরকারিভাবে সম্প্রসারণ সেবা দিচ্ছে প্রায় দেড় লাখ জনবল। এরা অনেক ক্ষেত্রেই অনভিজ্ঞ কিংবা ব্যবসায়িক মোটিভে পরিচালিত হয়ে থাকেন। ফলে সব ধরনের সম্প্রসারণ কর্মীদের একই ছাতার নিচে নিয়ে আসতে উদ্যোগ প্রয়োজন। এক্ষেত্রে সম্প্রসারণ কর্তৃপক্ষ গঠন কিংবা আলাদা তদারকি প্রতিষ্ঠান গঠন করা যেতে পারে। দেশের গবেষণা বাদে প্রায় সবকিছুই এখন বেসরকারি খাতের ওপর নির্ভরশীল। সেখানে যেমন সরকারি খাতের অংশগ্রহণ থাকতে হবে তেমনি গবেষণাতেও বেসরকারি খাতের এগিয়ে আসতে হবে। এর কার্যক্রম পরিচালনার জন্য যৌথ উদ্যোগে প্রকল্প গ্রহণ করতে হবে।

গতকাল (২৫ সেপ্টেম্বর) ১১টায় রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে ‘পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) পলিসি অ্যান্ড ইটস রোল ইন এগ্রিকালচার এক্সটেনশন’ শীর্ষক সেমিনারে এসব কথা বলেন বক্তারা। সেমিনারটি বাংলাদেশ এগ্রিকালচারাল এক্সটেনশন নেটওয়ার্ক (বিএইএন) আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, পাবলিক প্রাইভেট পার্টনারশিপের (পিপিপি) আওতায় গত কয়েক বছরের ব্যবধানে প্রায় ৭৯টি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এসব প্রকল্পে প্রায় ২৯ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ হয়েছে। কিন্তু দেশের সার্বিক কৃষি খাতের উন্নয়নে সম্প্রসারণ সেবার উন্নয়ন প্রয়োজন। গত কয়েক বছরে এ খাতে প্রায় দেড় লাখ বেসরকারি সম্প্রসারণ কর্মী যুক্ত হয়েছেন। তাই এখন সময় এসেছে কৃষির সম্প্রসারণ সেবায় অধিক পরিমাণে পিপিপি।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রলণালয়ের মাননীয় সিনিয়র সচিব কৃষিবিদ জনাব মোঃ মেসবাহুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক মহা-পরিচালক ও বায়েনের (BAEN) সভাপতি কৃষিবিদ জনাব মোঃ হামিদুর রহমান। অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন এসিআই এগ্রিবিজনেস এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ড. এফ এইচ আনসারি।

আলোচ্য অনুষ্ঠানে কৃষি সম্প্রসারণ কাজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার প্রতিনিধিগণ ছাড়াও প্রাইভেট সেক্টরের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিগণ উপস্থিত থেকে ডায়ালগে অংশগ্রহণ করেন।

উক্ত ডায়ালগে কৃষি সম্প্রসারণে সরকারি-বেসরকারিসহ উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সংশ্লিষ্টতার মাধ্যমে সার্বিক উন্নয়ন ঘটানো সম্ভব- এ সম্পর্কে বক্তাগণ তাদের অভিজ্ঞতার আলোকে মতামত এবং বক্তব্য পেশ করেন।

আলোচনায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের অধীনে Public – Private Partnership (PPP) সম্পর্কিত একটি সেল তৈরী করে কৃষি সম্প্রসারণের কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে বক্তাগণ অভিমত ব্যক্ত করেন।

উক্ত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. এস এম বখতিয়ার , কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব হাসানুজ্জামান কল্লোল ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহা পরিচালক মোঃ আসাদুল্লাহ। ইফাদ (ওঋঅউ) এর আর্থিক সহায়তায় Last Mile Program (LMP) এর আওতায় ডায়ালগটি অনুষ্ঠিত হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
কালিহাতীতে কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

কামরুল হাসান, কালিহাতী (টাঙ্গাইল): টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) কর্তৃক উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল আমন ধান চাষাবাদের সম্ভবনা এবং সরিষার জাত পরিচিতি ও চাষাবাদ কৌশল” শীর্ষক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১১ টায় উপজেলার আগচারান সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) জামালপুর উপকেন্দ্রের আয়োজনে এবং উপকেন্দ্র সমূহের গবেষণা কার্যক্রম জোরদারকরণ কর্মসূচির অর্থায়নে ওই কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

প্রশিক্ষণে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা)’র মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম।

এসময় বিনা’র মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও কর্মসূচি পরিচালক ড. মো. সিদ্দিকুর রহমানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিনা’র মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. শামছুন্নাহার বেগম, প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রফিকুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সাজ্জাদ হোসেন তালুকদার, বিনা’র জামালপুর উপকেন্দ্রের উর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা এবং ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফরিদ আহম্মেদ প্রমুখ।
এসময় বক্তারা এক ফসলী জমিকে চার ফসলী জমিতে রূপান্তরের মাধ্যমে দেশের সার্বিক উৎপাদন বাড়ানোর জন্য এবং বিনা চাষে সরিষা উৎপাদনের মাধ্যমে ভোজ্য তেলের উৎপাদন বাড়ানো ও আমদানী কমানোর জন্য কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১ ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন
গোয়ালন্দে পাট ও পাটকাঠিতে স্বস্তিতে আছেন কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ একটি অতি প্রাচীন বাজার।এখানে ভোর থেকেই পাট বেচাকেনার বাজার শুরু হয়ে যায়। উপযুক্ত দামও পেয়ে যাচ্ছেন কৃষকেরা। পাটের পাশাপাশি পাটকাঠি বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। ফলে বাড়তি আয় হচ্ছে তাদের। হাট-বাজারে প্রচুর পরিমাণে পাটকাঠির বাজার জমে উঠেছে। কৃষকের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

বাজারে পাট বিক্রি করতে আসা সামছু মন্ডল জানান, পাট চাষে ব্যয় খুবই কম। একবিঘা পাটে ব্যয় মাত্র পাঁচ/সাত হাজার টাকা। অপরদিকে এক বিঘা জমিতে প্রায় ১৫ মণ পাট পাওয়া যায়। বর্তমানে গোয়ালন্দ বাজারে পাটের বাজার ৩০০০ টাকা থেকে প্রকারভেদে ৩২০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।এখন মাঠে যেমন কৃষক ব্যাস্ত পাঠ কাটতে তেমনি বাড়িতে মহিলারাও এখন কাঁধ মিলিয়ে কাজ করছেন পুরুষের সাথে। রিয়াজুদ্দিন পাড়া ও মৃধা ডাঙ্গা ঘুরে দেখা যায় তারা ও পুরুষের সাথে পাটকাঠি থেকে পাট ছাড়াতে ব্যস্ত সময় পার করছেন মহিলারা। পানিতে পাট জাগ দেওয়া হয়েছে আর রাস্তার উপর সারি সারি মহিলারা গাছ থেকে পাট ছাড়াচ্ছেন। নিজেদের পাশাপাশি অনেকেই পাটকাঠির বিনিময়ে পাট ছাড়িয়ে দিচ্ছে।

কুলছুম বিবি নামে একজন মধ্যবয়সী মহিলা জানান,পাটকাঠি জ্বালানির জন্য লাগে, বুদে বানাতে লাগে তাই ছাড়াতে এসেছি। যতগুলো ছাড়াব সবই আমার। তবে আবারও পাটের সুদিন ফিরে আসছে। পলিথিনের ব্যবহার কমিয়ে পাট ও পাটজাতদ্রব্যে ব্যবহার বাড়াতে ভোক্তাদের আগ্রহী করা হচ্ছে। অপরদিকে পাটচাষে আগ্রহী করতে চাষিদেরকে সরকার থেকে প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে। গত বছর থেকে আবারও পাটের ন্যায্যদাম পাচ্ছেন চাষিরা। মাঝখানে পাটের আবাদ কমলেও আবারও পাট চাষে আগ্রহ বেড়েছে চাষিদের। পাটজাত দ্রব্যের ব্যবহার বাড়ানো সম্ভব হলে পাটের আবাদ আরও বৃদ্ধি পাবে।

গোয়ালন্দ উপজেলা সহকারী কৃষি কর্মকর্তা জনাব মন্জুর রহমান জানান, আমরা পাটচাষিদের প্রযুক্তিগত সহায়তা দিয়ে যাচ্ছি। কৃষক পাট চাষে উদ্বুদ্ধ হচ্ছে এবং পাটের ন্যায্যমূল্যও পাচ্ছে। আমরা পাটের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে নিয়ে আসবো। গতবছর ২০১৯-২০ অর্থবছরে গোয়ালন্দ উপজেলায় ৩২.৭২ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়। কিন্তু এ বছর পাট চাষ লাভবান হওয়ায় কৃষকেরা পাট চাষের দিকে ঝুঁকছে। এর ফলে ২০২০-২১ অর্থবছরে পাট চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪২.৮০ হেক্টর জমিতে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২১ ১০:২২ পূর্বাহ্ন
প্রণোদনার টাকা পেল না কৃষক
কৃষি বিভাগ

প্রণোদনার ৭০৫ কোটি টাকা কৃষকের কাছে পৌঁছে দিতে পারল না বাংলাদেশ ব্যাংক। করোনা মহামারীর মধ্যে চার শতাংশ সুদে কৃষককে এ টাকা দেওয়ার কথা ছিল। পাঁচ হাজার কোটি টাকার স্কিমের মধ্যে বিতরণ করা হয়েছে ৪২৯৫ কোটি টাকা। ১৮টি বাণিজ্যিক ব্যাংকের অসহযোগিতার কারণে এ টাকা বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। বার বার সময় বৃদ্ধি করার পরও বিতরণ না হওয়ায় স্কিম বন্ধ করতে হলো বাংলাদেশ ব্যাংককে।

করোনা মহামারীর মধ্যে কৃষি ও কৃষককে সহায়তার জন্য পাঁচ হাজার কোটি টাকার প্রণোদনা স্কিম গঠন করে সরকার। এ জন্য ৪৩টি ব্যাংক বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে চুক্তি করে। চুক্তির শর্ত অনুয়ায়ী কৃষকের কাছে চার শতাংশ হারে ঋণ বিতরণ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে দাবি করলেই বিতরণকৃত ঋণের অর্থ এবং চার শতাংশ হারে অপারেটিং চার্জ দিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। ২০২০ সালের ১৩ এপ্রিল বাংলাদেশ ব্যাংক এ ব্যাপারে একটি প্রজ্ঞাপন জারি করে।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকেও ঘোষণা দেওয়া হয়। এ ঋণ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিতরণ না হলে কয়েক দফা সময় বৃদ্ধি করা হয়। তারপরও এ টাকা কৃষকের কাছে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। সর্বশেষ চলতি বছরের ৩০ জুন পর্যন্ত সময় বৃদ্ধি করা হয়। কিš’ এ সময়ের মধ্যেও প্রণোদনা বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। দেড় বছরের অধিক সময়ে এ ৭০৫ কোটি টাকা থেকে যায়। বিতরণ না হওয়া টাকা রেখেই পাঁচ হাজার কোটি টাকার স্কিম বন্ধ করতে হয়। গঠন করা হয় নতুন অন্য একটি স্কিম।

কৃষি প্রণোদনা বিতরণের জন্য ৪৩টি ব্যাংকের মধ্যে লক্ষ্যমাত্রার সর্বনি¤œ প্রণোদনা বিতরণ করে বাংলাদেশ ব্যাংকের সাথে চুক্তি করা ২০ বাণিজ্যিক ব্যাংক। এর মধ্যে আইএফআইসি বিতরণ করে লক্ষ্যমাত্রার ১৩ দশমিক ৫২ শতাংশ, ফাস্ট সিকিউরটি ব্যাংক লক্ষ্যমাত্রার ১৫ শতাংশ বিতরণ করে, সাউথইস্ট ব্যাংক ১৬ শতাংশ বিতরণ করে, স্ট্যান্ডার্ড ব্যাংক ২৭ শতাংশ, ঢাকা ব্যাংক ৩৪ শতাংশ, কমার্স ব্যাংক ৩৫ শতাংশ, যমুনা ব্যাংক ৩৮ শতাংশ, সাউথ বাংলা এগ্রিকালচার অ্যান্ড কমার্স ব্যাংক ৩৮ শতাংশ এবং ন্যাশনাল ব্যাংক ৮০ শতাংশ, সোসাল ইসলামী ব্যাংক ৪০ শতাংশ ও ইউনিয়ন ব্যাংক ৪৩ শতাংশ বিতরণ করে। এ সব ব্যাংকের অসহযোগিতার কারণে কৃষকের কাছে প্রণোদনার টাকা পৌঁছানো সম্ভব হয়নি।

ব্যাংকগুলোর তথ্যে দেখা যায়, এ সব ব্যাংকের ২০২১-২২ অর্থ বছরের কৃষিঋণ বিতরণও সন্তোষজনক নয়। ব্যাংকগুলো অন্যান্য সময়েও বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্ধারিত ঋণ বিতরণে অনীহা দেখিয়ে থাকে। চলতি অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে কৃষি ঋণ বিতরণের কৌশলগত লক্ষ্যমাত্রার এক-তৃতীয়াংশও বিতরণ করতে পারেনি। জুলাই-আগস্ট দুই মাসে এ সব ব্যাংকের পুরো বছরের লক্ষ্যমাত্রার আট শতাংশের বেশি বিতরণ করার কথা থাকলেও বিতরণ করেছে দুই থেকে তিন শতাংশের মধ্যে।

করোনা মহামারীর মধ্যে শিল্প কারখানা এবং সেবা খাতে উৎপাদন-সেবা ব্যাহত হলেও কৃষি সচল ছিল। সরকারও চেয়েছিল যে কোন উপায়ে খাদ্য উৎপাদন ও সরবরাহ সচল রাখতে। করোনা মহামারী প্রলম্বিত হলেও আবাদযোগ্য সকল জমি চাষের আওতায় আনার জন্য কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছিল। এ জন্য সরকারের পক্ষ থেকে কৃষি খাতে প্রণোদনার পাশাপাশি বিভিন্ন কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছিল। ফসল কেটে ঘরে তোলা, সরবরাহ ও বাজারজাত করার মতো কার্যক্রম সচল ছিল। কিš’ প্রণোদনার পুরো টাকা বিতরণ করা সম্ভব হয়নি। ৭০৫ কোটি টাকা বিতরণ না করেই বন্ধ করতে হলো স্কিম। খোলা কাগজ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৫, ২০২১ ১০:০১ পূর্বাহ্ন
এক পেঁপে গাছেই ভাগ্যবদল কৃষক মোতালিবের!
কৃষি বিভাগ

কিশোরগঞ্জ জেলার কুলিয়ারচর উপজেলার গোবরিয়া-আব্দুল্লাহপুর ইউনিয়নের পশ্চিম আব্দুল্লাহপুর গ্রামের আবু হানিফার ছেলে কৃষক আব্দুল মোতালিব। বাড়ির আঙিনায় কলা বাগানের ফাঁকে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো এক পেঁপে গাছেই ভাগ্য বদলেছে তার। সেই একটি পেঁপে গাছ থেকে বর্তমানে ১ হাজার ৪০০ পেঁপে গাছের মালিক মোতালিব। সেই গাছ থেকেই ১৫ বছরে পেঁপে চাষ করে তৈরি করেছেন বাড়ি, কিনেছেন চাষের জমি, পিকআপভ্যান, এমনকি গরুর খামারও।

আব্দুল মোতালিব জানান, আজ থেকে প্রায় ১৫ বছর আগে তার বাড়ির আঙিনায় কলা বাগানে প্রাকৃতিকভাবে দুটি পেঁপে গাছ জন্মায়। তার থেকে একটি পেঁপে গাছ ঝড়ে ভেঙে পড়ে। ওই পেঁপে গাছের ভালো ফলন ও পেঁপে সুস্বাদু হওয়ায় সেই পেঁপের বীজ সংগ্রহ করেন তিনি।

পরবর্তীতে জমির একটা অংশে সেই বীজ থেকে চারা তৈরি করে পেঁপে চাষ শুরু করেন। সেই বীজের চারা থেকে তার চাষ করা জমিতে সে বছর পেঁপের ভালো ফলন হয়। এরপর থেকেই পেঁপে চাষে আগ্রহী হয়ে উঠে কৃষক মোতালিব।

এ বছর করোনার কারণে কম জমিতে ৬৩ শতাংশ পেঁপে চাষ করলেও এর আগে তিনি ৩/৪ একর জমিতেও পেঁপে চাষ করেছেন। আর এই পেঁপে চাষের মাধ্যমে তার আর্থিক অবস্থার পরিবর্তন হয়েছে। ১৫ বছরে পেঁপে চাষ করে করেছেন পরিবর্তন ঘটিয়েছেন আর্থ সামাজিক অবস্থার।

মোতালিবের বিশ্বাস, তার বাড়ির আঙিনায় প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো দুটি পেঁপে গাছই তার ভাগ্য বদল করে দিয়েছে।

তিনি জানান, এ বছর ৬৩ শতাংশ জমিতে পেঁপে চাষ করেছেন, এই চাষ করতে তার মোট খরচ হয়েছে ৫০ থেকে ৬০ হাজারের মতো। ইতোমধ্যে তিনি এই জমি থেকে দেড় লাখ টাকার পেঁপে বিক্রি করছেন এবং আরও ৪/৫ লাখ টাকার পেঁপে বিক্রির আশা করছেন।

তার এই সাফল্যে কৃষি অফিস ও সরকারি কোনো সহায়তা ও পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে কি-না এমন প্রশ্নের জবাবে কৃষক মোতালিব জানান, কৃষি অফিস বা সরকারি কোনো অফিস বা কর্মকর্তা থেকে কখনোই তিনি কোনো পরামর্শ বা কোনো ধরণের সহায়তা পাননি। সমস্যা হলে প্রথম দিকে তিনি স্থানীয় পিরোজপুর বাজারে বিভিন্ন কৃষি ফার্মেসি ও স্থানীয় কৃষকের সহায়তা নিয়েছেন। তবে বর্তমানে গাছের যে-কোন সমস্যা তিনি নিজেই বুঝতে পারেন এবং ঔষধ প্রয়োগ করতে পারেন।

স্থানীয় এক পেঁপে চাষি আ. জব্বার বলেন, মোতালিবের পেঁপে চাষ দেখে এলাকার অনেকে এই চাষে এগিয়ে এসে সবাই কম বেশি লাভবান হয়েছেন, তবে মোতালিব ব্যতিক্রম।

কুলিয়ারচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আব্দুল্লাহ আল মামুন জানান, পেঁপে একটি লাভজনক কৃষি পণ্য। তাছাড়া মানুষ এখন অনেক স্বাস্থ্য সচেতন, তাই দিন দিন কাঁচা ও পাকা পেঁপের চাহিদা ব্যাপক আকারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ বছর উপজেলার ৪০ হেক্টর জমিতে পেঁপে চাষ হয়েছে, যা পূর্বের যেকোনো বছর থেকে বেশি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১ ৭:৩৬ অপরাহ্ন
কানাইঘাট উপজেলার শ্রেষ্ঠ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবুল হারিছ
কৃষি বিভাগ

সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলার শ্রেষ্ঠ উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো:আবুল হারিছ।গত বুধবার বিকাল ৩ ঘটিকার সময় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে এক সভায় মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রমের উপর ভিত্তি করে তাঁকে নির্বাচন করা হয়।তিনি কানাইঘাট উপজেলার সাতবাঁক ইউনিয়নের দুইটি ব্লকের দায়িত্বে কর্মরত আছেন।

এছাড়াও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষে কানাইঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ সরকার এর নির্দেশনায় সাতবাঁক ইউনিয়নে সমলয় চাষাবাদ সহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যান্ত্রীকীকরনের মাধ্যমে কৃষিকে অনেক এগিয়ে নিয়ে গেছেন।

প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে তাঁর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেট জেলার উপ-পরিচালক মো:সালাহ উদ্দিন । এ সময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেট জেলার প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা বিমল চন্দ সোম,কানাইঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ সরকার ,কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হায়দার আলী ও উপজেলায় কর্মরত সকল উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ ।

এদিকে শ্রেষ্ট উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা হিসাবে মো:আবুল হারিছ নির্বাচিত হওয়ায় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ও সাতবাঁক ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মস্তাক আহমদ পলাশ,কানাইঘাট উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি পৌর মেয়র লুৎফুর রহমান,সাতবাঁক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো:আব্দুল মন্নান,সাবেক ছাত্রনেতা এডভোকেট আব্দুল খালিক,সাতবাঁক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ইউপি সদস্য আব্দুন নুর সহ কানাইঘাটের সচেতন নাগরিকরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১ ২:০৪ অপরাহ্ন
গোপালপুরে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের মাঝে তাল গাছের চারা বিতরণ
কৃষি বিভাগ

এ কিউ রাসেল, গোপালপুর (টাঙ্গাইল) : টাঙ্গাইলের গোপালপুরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বজ্রপাতের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য ফিরে পেতে উপজেলার আনসার-ভিডিপি’র দলনেতা/দলনেত্রীদের মাঝে মহাপরিচালকের পক্ষ হতে বিনামূল্যে তাল গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

উপজেলা আনসার-ভিডিপি কার্যালয় প্রাঙ্গণে ২২ সেপ্টেম্বর, বুধবার বিভিন্ন ইউনিয়নের দলনেতা ও দলনেত্রীদের মাঝে বিনামূল্যে ১৪টি তাল গাছের চারা বিতরণ করেন, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা শামসুন্নাহার।

এসময় উপ-সহকারি কৃষি অফিসার মো. আবু কায়সার রাসেল, উপজেলা আনসার-ভিডিপি অফিসের প্রশিক্ষক মো. আব্দুল কদ্দুস, দলপতি মামুনুর রশিদ আকন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১ ১০:০২ পূর্বাহ্ন
যশোরে আগাম সবজি চাষের বিপ্লব
কৃষি বিভাগ

যশোরে নানা রকমের সবজি বাজারজাতে চাষিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। দামও বেশি পাওয়ায় চাষিদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। এখানকার উৎপাদিত সবজি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ছড়িয়ে পড়ছে দেশর বিভিন্ন জেলায়। যশোর আঞ্চলিক কৃষি অফিস সূত্র জানিয়েছে, দেশের সবজির একটি বড় অংশ উৎপাদিত হয় যশোরে। গ্রীষ্মকালিন, আগাম শীতকালিন ও শীতকালিন এই তিন ভাগে বারো মাস সবজির চাষ হয়ে থাকে। জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সবজির চাষ হয় যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি, হৈবতপুর ও কাশিমপুর ইউনিয়নে। নতুন করে বাঘারপাড়া ও মণিরামপুরের কিছু এলাকা যোগ হয়েছে।

জানা যায়, যশোর সদর উপজেলায় আগাম শীতকালিন সবজির চাষ হয়েছে ২৮শ’হেক্টর। এরমধ্যে সবজি খ্যাত হৈবতপুর ইউনিয়নে ১৩শ’ ২৮ হেক্টর, চুড়ামনকাটি ইউনিয়নে ৪শ’ ২৫ হেক্টর ও কাশিমপুর ইউনিয়নে ২শ’ ৮৩ হেক্টর জমিতে আগাম শীতকালিন সবজির চাষ হয়েছে। এই এলাকার সবজির সুনামের পাশাপাশি ব্যাপক চাহিদাও রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা জাকির হোসেন।

চুড়ামনকাঠি, আব্দুলপুর ছাতিয়ানতলা, শানতলা, নুরপুর, বাগডাঙ্গা, দোগাছিয়া, সাজিয়ালী, শ্যামনগর ও কমলাপুরস হৈবতপুর, তীরেরহাট, মানিকদিহি, মথুরাপুর, শাহাবাজপুর, মুরাদগড়, কাশিমপুর, বিজয়নগর, দৌলতদিহি, বালিয়াঘাট, ললিতাদাহ, বালিয়াডাঙ্গা, বেনেয়ালী, ডহেরপাড়া, লাউখালী, নাটুয়াপাড়াসহ বিভিন্ন মাঠ আগাম শীতকালিন সবজিতে ভরা। যেদিকে নজর যায় সেদিকেই দেখা মিলছে নানা প্রকারের সবজি ক্ষেতের। এর মধ্যে সিম মুলা, টমেটো, বাঁধাকপি, ফুলকপি, বেগুন,পটল, উল্লেখযোগ্য।

সবজি চাষি অনেকেই জানান, এবারের মৌসুমে সব ধরণের সবজিতে বাম্পার ফলন হয়েছে। বর্তমান বাজার মূল্য বেশি থাকায় তারা প্রতিদিনই সবজি বাজারজাত করছেন। গতবার বৃষ্টিপাতের কারণে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন। কিন্তু এবার সময়োপযোগী আবহাওয়া ও পরিমান মতো বৃষ্টির কারণে ফলন হয়েছে। এখন বাজার দর ভালো হওয়ায় আগাম শীতকালিন সবজি চাষে এবার লাভবান হবেন বলে আশাবাদী।

যশোর কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, যশোর সবজির জেলা হিসেবে সারা দেশে পরিচিত। এখানকার সবজির সুনাম অনেক। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে তা ছড়িয়ে পড়ছে দেশ বিদেশের বাজারে। দুটি বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত সবজি বিদেশ যাচ্ছে।

তিনি আরো জানান, বর্তমানে গ্রীষ্মকালিন সবজির ভরা মৌসুম চলছে। চাষ হয়েছে ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে। বাম্পার ফলন পেয়েছে। দামও পাচ্ছে অনেক। এতে চাষিরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে। কিছু দিন পরেই আগাম শীত কালিন সবজির চাষ শুরু হবে। ৮ হাজার হেক্টর জমিতে চাষ করার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এরপর ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে শীতকালিন সবজির আবাদ করবেন চাষিরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১ ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন
আমন উৎপাদন নিয়ে শঙ্কায় ফরিদপুরের চাষিরা
কৃষি বিভাগ

হঠাৎ করে খুচরা বাজারে ইউরিয়া সারের দর বেড়ে যাওয়ায় কাঙ্খিত উৎপাদন নিয়ে শঙ্কিত ফরিদপুর জেলার চাষীরা। অথচ চলতি আমন ধান আবাদ মৌসুমে সরকারি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আবাদ হয়েছে ৬ হাজার হেক্টর বেশি। জেলা নয় উপজেলাতে মাসিক ইউরিয়া সারের চাহিদা তুলনায় সরবরাহ হয়েছে অর্ধেক। আর এ কারণে খুচরা বাজারের এর প্রভাব পড়তে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ফরিদপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক ড. হযরত আলী জানান, চলতি আমন মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬৪ হাজার ৬৫০ হেক্টর। কিন্তু সেখানে আবাদ হয়েছে ৭০ হাজার ২৯৪ হেক্টর।চারা রোপনের সময় সার কিটনাশকের দাম স্বাভাবিক ছিল, কিন্তু কয়েক দিন হলো হঠাৎ করেই খুচরা বাজারে ইউরিয়ার সারের দর কিছু বেড়েছে। তবে এই দর বেশি দিন থাকবে না বলে জানান এই কর্মকর্তা।

তিনি আরও জানান, আমন মৌসুমে আগষ্ট মাসের ইউরিয়া সারের চাহিদা ছিল ৫ হাজার ২০০ মেট্রিক টন এবং সেপ্টেম্বর মাসের চাহিদা ৪ হাজার ৫০২ মেট্রিক টন। এর বিপরীতে সরবরাহ হয়েছে ৫ হাজার ৭০২ মেট্রিক টন।

চাষীরা জানান, ধানের উৎপাদন খরচ আগের যে কোনো সময়ে চেয়ে এখন বেশি, তারপর যদি সারের দর বাড়ে তাহলে আমরা (চাষীরা) ক্ষতিগ্রস্থ হবে।

সারের দর বৃদ্ধি প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ফাটিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের ফরিদপুর শাখার সভাপতি আব্দুর সালাম বাবু বলেন, ডিলার পর্যায়ে সারের দর কম-বেশি হয়নি, তবে খুচরা বাজারে কিছুটা দর বেড়েছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop