৯:৪৪ অপরাহ্ন

শনিবার, ২ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ৩, ২০২১ ৯:২৫ অপরাহ্ন
মরু ভূমির সাম্মাম এখন কুমিল্লায়
কৃষি বিভাগ

মরু ভূমির সাম্মাম এখন চাষ হচ্ছে কুমিল্লায়। সাম্মাম দেখতে অনেকটা তরমুজের মত, তবে এর ঘ্রাণ বাঙ্গির মতো। ওপরটা ধূসর ভেতরটা হলুদ। তবে ভালো মিষ্টি।

কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার বলরামপুর গ্রামের মাঠে প্রথমবারের মতো চাষ করা হয়েছে সাম্মাম। বলরামপুর গ্রামের কাজী আনোয়ার হোসেন এ ফল চাষ করেছেন।

জানা যায়,, মালচিং সিটের ভেতরে চারা লাগিয়েছেন। মাচায় গাছ তুলে দেয়া হয়েছে। নেটে বাধা হয়েছে ছোট বড় সাম্মাম। হালকা বাতাসে দুলছে সারি সারি সাম্মাম। কোনটির ওজন তিন কেজির বেশি। ক্ষেত জুড়ে পাকা সাম্মাম ঘ্রাণ ছড়িয়ে আছে। ক্ষেতের পাশে ভিড় করেছেন ক্রেতারা।

সদর দক্ষিণ উপজেলার কৃষ্ণপুর গ্রামের মনির হোসন জানান, অনলাইনে সাম্মাম দেখেছেন। কখনও এ ফল খাননি। তাই তিনি এ ফলটি কিনতে এসেছেন। পাশর্^বতী বলরামপুর গ্রামের মোজ্জামেল হক বলেন, এ ফল দেখতে সুন্দর এবং খেতেও বেশ মিষ্টি। কৃষক আনোয়ার হোসেন বাসসকে বলেন, ফল আসতে ৯০দিন সময় লাগে।

সাম্মাম দেখতে ধূসর রঙের হলেও এটির ভেতরে হলুদ ও স্বাদে কড়া মিষ্টি। তিনি ৪০ শতক জমিতে সাম্মাম চাষ করেছেন। তার এক লাখ ২০ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে। তিনি বিক্রি শুরু করেছেন। আশা করছেন তিন লাখ টাকার ফল বিক্রি করতে পারবেন। প্রতিদিন সাম্মাম কিনতে ও দেখতে মানুষ ভিড় করছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর কুমিল্লার উপ-পরিচালক মো. মিজানুর রহমান জানান, এটি মরুর অঞ্চলের ফল। সেখানে এটিকে সাম্মাম বলে। এটিকে কেউ রকমেলন বা সুইটমেলনও বলে। সাম্মামে প্রচুর পরিমাণ বিটা ক্যারোটিন রয়েছে। এ ছাড়া রয়েছে ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ফলিক অ্যাসিড, ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ফসফরাস, জিঙ্ক, কপার ও ম্যাঙ্গানিজ প্রভৃতি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১, ২০২১ ১২:১৩ অপরাহ্ন
বর্ষাকালীন সবজির আবাদে লাভবান জাজিরার কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

জাজিরা উপজেলায় বৃদ্ধি পাচ্ছে আগাম বর্ষাকালীন সবজির আবাদ। অন্য মৌসুমের তুলনায় বর্ষকালে সবজির কম থাকায় কৃষক তুলনামুলক বেশি দাম পেয়ে থাকেন। তাই তুলনামুলক উঁচু জমিতে উপজেলার কৃষকরা বর্ষাকালীন আগাম সবজি আবাদ করে বেশি লাভবান হচ্ছেন। এ বছর উপজেলায় ৯১০ হেক্টর জমিতে আগাম বর্ষাকালীন সবজির আবাদ হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবারও ভালো ফলনের আশা করছেন কৃষক ও কৃষি বিভাগ।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো: জামাল হোসেন জানিয়েছেন, প্রতি বছরই আগাম বর্ষাকালীন সবজি আবাদ করে অন্য মৌসুমের তুলনায় বেশী লাভবান হয়েছেন জাজিরার সবজি চাষিরা। যে কারণে প্রতি বছরই আগাম বর্ষাকালীন সবজির আবাদ বাড়ছে। গত বছর জাজিরায় ৮৫০ হেক্টরে আগাম বর্ষাকালীন সবজি আবাদ হয়েছিল। এ বছর তা বৃদ্ধি পেয়ে ৯১০ হেক্টর হয়েছে।

প্রতি বছরের ন্যায় এবারও বর্ষা মৌসুমের শুরুতেই আগাম সবজি আবাদ করেছেন কৃষক। ইতোমধ্যে বাজারে সবজিও আসতে শুরু করেছে। আগাম বর্ষাকালীন সবজির মধ্যে রয়েছে ধুন্দল, শশা, লাল শাক, লাউ, কাকরল ও বেগুনসহ নানা সবজি। ভালো ফলন পেতে কৃষককে সার্বক্ষণিক পরামর্শ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করতে মাঠ পর্যায়ে উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা  প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছেন।

উপজেলার মুলনা ইউনিয়নের মিরাশার গ্রামের মো: আব্দুস সালাম খান জানান, প্রতি বছরই আমরা আগাম বর্ষাকালীন সবজি আবাদ করে বেশি লাভবান হই। বর্ষার সময় অধিকাংশ জামিতেই পানি ওঠে বিধায় সবজায়গায় সবজির আবাদ না হওয়ায় বাজারে সংকট থাকে। যে কারণে বর্ষা মৌসুমে সবজির দামও থাকে বেশি। আমাদের এ অঞ্চলটা একটু উঁচু হওয়ায় এ সুযোগটা আমরা কাজে লাগাই। সবজির ভালো ফলন হলে অন্য সময়ের তুলনায় আমরা অধিক লাভবান হই।

এ বছর আমি ৫০ হাজার টাকা খরচ করে এক বিঘা জমিতে শশা আবাদ করেছি। কোন প্রাকৃতিক সংকট না হলে তিন থেকে সাড়ে তিন লক্ষ টাকা বিক্রি করতে পারব।

মিরাশার বহুমুখি সমবায় চাষি বাজারের পাইকার মো: আব্দুল জলিল মাদবর জানান, মৌসুমী সবজির যে বাজার দর থাকে তার চেয়ে আগাম বর্ষাকালীন সবজির দাম গড়ে কেজি প্রতি ১০-২০ টাকা বেশি থাকে। বর্ষাকালে বাজারে সবজি কম থাকায় দাম একটু বেশি থাকে। এ সময় যে সকল কৃষকরা সবজি উৎপাদন করতে পারে তারা অর্থনৈতিকভাবে বেশি লাভবান হন বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১, ২০২১ ১০:৪০ পূর্বাহ্ন
দারিদ্র্যের নয়, দেশ এখন উন্নয়নের রোল মডেল
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, বিশ্বে বাংলাদেশ এখন আর দারিদ্র্যের নয়, বরং উন্নয়নের রোল মডেল হিসাবে পরিচিত। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ও নির্দেশনায় পরিকল্পনা কমিশন সময়োপযোগী পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে। তা বাস্তবায়নের ফলেই এ সাফল্য এসেছে।
মন্ত্রী শনিবার রাতে তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি ‘পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক ড. শামসুল আলম এর সংবর্ধনা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতি এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সাবেক সভাপতি ও বর্তমান উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য।
কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, ড. শামসুল আলম গত ১২ বছরে পরিকল্পনা প্রণয়নে অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছেন ও সুনাম অর্জন করেছেন। তাঁর কর্মদক্ষতা, সততা ও পেশাগত জ্ঞান দিয়েই প্রতিমন্ত্রী হয়েছেন। এ সাফল্য দেশের কৃষিবিদদের জন্য গৌরবের ও সম্মানের।
সাধারণ অর্থনীতি বিভাগে গত ১২ বছরের কাজ ও সাফল্য তুলে ধরে সংবর্ধিত অতিথি পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রতিমন্ত্রী হিসেবে কাজের বিস্তৃতি ও ব্যাপ্তি বেড়েছে। এ দায়িত্বকে গৌরবান্বিত করে যেতে চাই। দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য কাজ করে যেতে চাই। তিনি বলেন, গত ১২ বছরে গৃহীত বাস্তবসম্মত পরিকল্পনাই দেশকে উচ্চ প্রবৃদ্ধিতে যাওয়ার পথ দেখিয়েছে।
বাংলাদেশ কৃষি অর্থনীতিবিদ সমিতির সভাপতি ও বিমান বাংলাদেশের চেয়ারম্যান সাজ্জাদুল হাসানের সভাপতিত্বে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম, বিভিন্ন কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যবৃন্দ, সহকর্মী-সহপাঠীবৃন্দ, সমিতির মহাসচিব ড. মিজানুল হক কাজল, সহসভাপতি সারোয়ার মাহমুদ প্রমুখ প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলমের কর্মময় জীবনের নানা দিক তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন।
প্রতিমন্ত্রীর সংক্ষিপ্ত জীবনী পাঠ করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মো: জাহাঙ্গীর আলম ও মানপত্র পাঠ করেন আফরোজা রহমান। এসময় দেশ-বিদেশ থেকে প্রায় ৫ শতাধিক নবীন-প্রবীণ কৃষি অর্থনীতিবিদ ও সমিতির সদস্যবৃন্দ ভার্চুয়ালি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১, ২০২১ ১০:০৪ পূর্বাহ্ন
৭৬৬৪ হেক্টর বীজতলা ও সবজি ডুবে গেছে খুলনায়
কৃষি বিভাগ

খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরায় টানা চার দিনের বৃষ্টিতে সাত হাজার ৬৬৪ হেক্টর জমির আমন বীজতলা, আউশ ধান ও সবজি ডুবে গেছে। এর মধ্যে রয়েছে চার হাজার ৮০০ হেক্টর জমির আমন বীজতলা। চরম ভোগান্তিতে আছেন সেখানকার অধিবাসী এবং ভোগান্তিতে আছেন কৃষকরা। জেলার মধ্যে শরণখোলায় সবচেয়ে বেশি জমি ডুবে গেছে।

শনিবার (৩১ জুলােই) খুলনা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক হাফিজুর রহমান জানান, টানা চার দিনের বৃষ্টিতে খুলনায় এক হাজার ৮১৫ হেক্টর জমির আমন ধানের বীজতলা ডুবে গেছে। এর মধ্যে কয়রায় এক হাজার ১৫ হেক্টর জমি রয়েছে। কয়রার সুইস গেটের কপাট খুলে যাওয়ায় পানি আটকানো মুশকিল হয়ে পড়েছে।

আগামী দুই-তিন দিনের মধ্যে পানি নেমে না গেলে কয়রার বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। এছাড়া দাকোপের ৭০০ হেক্টর জমির বীজতলা ডুবে গেছে।

তিনি আরও জানান, খুলনায় এ বছর পাঁচ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি হয়েছে। বীজতলা তৈরির লক্ষ্যমাত্রা ছিল চার হাজার ৭৩০ হেক্টর জমি। বৃষ্টির কারণে ৩১৭ হেক্টর গ্রীষ্মকালীন সবজি জমি ডুবে গেছে। বৃষ্টির সঙ্গে বাতাস থাকায় আউশ ধানের ২২ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

সাতক্ষীরা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মো. নুরুল ইসলাম জানান, টানা বৃষ্টিতে সাতক্ষীরার এক হাজার ৭০০ হেক্টর আমন বীজতলা নিমজ্জিত হয়েছে। পাশাপাশি ৮৬০ হেক্টর রোপা আমন জমি ও ৫০০ হেক্টর সবজি ডুবে গেছে।

বাগেরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. শফিকুল ইসলাম জানান, বাগেরহাটে এক হাজার ২৮৭ হেক্টর জমির আমন বীজতলা পানিতে নিমজ্জিত হয়েছে। এ জেলায় পাঁচ হাজার ৬৪২ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি হয়েছিল। রোপা আমনের ১৫ হেক্টর জমি ডুবে গেছে।

তিনি আরও জানান, জেলায় ২৯৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষ হয়। আউশ ধানের ৯৫০ হেক্টর জমি পানিতে নিমজ্জিত। আউশ চাষ হয় পাঁচ হাজার ২৯৮ হেক্টর জমিতে। গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষ হয় ছয় হাজার ৩০৫ হেক্টর। এর মধ্যে ২০৯ হেক্টর পানিতে নিমজ্জিত।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩১, ২০২১ ৭:২২ অপরাহ্ন
ভারত থেকে নদী পথে ভেসে আসছে টমেটোর চালান
কৃষি বিভাগ

সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলা সীমান্তে স্থল পথের পাশাপাশি নদী পথে ভেঁসে আসছে ভারতীয় পণ্য। সংশ্লিষ্ট বাহিনী তৎপরতার কারণে চোরাকারবারীরা নিত্য নতুন কৌশল অবলম্বন করছে।নদী পথ ব্যবহার করে ভারত থেকে নিয়ে আসছে নানা রকমের পণ্য সামগ্রী। নিরাপদ রুট হিসাবে কৌশলে নদী পথ ব্যবহার করা হয়।উপজেলার যে সকল নদীপথ গুলো চোরাকারবারীরা ব্যবহার করছে সেগুলো হল খাঁসি, খোয়াই, রাংপানি, ছাগল খাউরী, কলসী, নয়াগাং, কাটাগাং, বড়নয়াগাং ও সারী নদী।

এ সকল নদীর উৎসমূখ ভারত সীমান্তে থাকায় বর্ষার মৌসুমে চোরাকারবারীরা দিন-রাত ভারত থেকে নদী পথে অভিনব পন্থায় সব্জীসহ গাড়ীর টায়ার টিউব, মাদক সামগ্রী চালি বেঁধে নদীর পানিতে ভাঁসিয়ে আনা হচ্ছে।

চোরাকারবারী দলের একাধিক সদস্য নাম প্রকাশ না করার কঠোর শর্তে ছবি ভিডিও করার সুযোগ দিয়ে বলেন, আমরা পেটের দায়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জল কিংবা স্থল পথে পণ্য বাংলাদেশে নিয়ে আসছি। এসব পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশের পর তেমন কোন সমস্যায় পড়তে হয় না, ব্যবসায়ী কিংবা ক্যারিয়ারদের।

তারা আরোও বলেন, পণ্যের মালিকের সাথে সংশ্লিষ্ট আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর কিছু সংখ্যক মনোনিত সোর্সম্যান রয়েছে। তাদের সাথে নির্দিষ্ট চুক্তির মাধ্যমে আমরা এসব পণ্য নিয়ে আসছি। পণ্য খালাসে ভারত সীমান্ত অংশে প্রবেশকালে আমাদের ঝুঁকি বেশি। যে কোন সময় বিএসএফ হানা দেয়, তখন জীবন বাজি রেখে এসব পণ্য নিয়ে আসি। অনেক সময় পণ্য ফেলে এলোপাতাড়ী দৌড়ে বাংলায় ফিরে আসি।

বর্তমান লকডাউন পরিস্থিতিতে বেশ কিছু দিন থেকে আমাদের কয়েকটি গ্রুপ নদী পথে ভারত হতে সুপারী, সাতকরা, টমেটো, গাড়ীর টায়ার, কসমেট্রিক্স সামগ্রী,ঔষধ, মেডিকেল সামগ্রী, বিভিন্ন ব্যান্ডের সিগারেট ও নাছির বিড়ি নিয়ে আসি।বিভিন্ন সময়ে এসব পণ্য স্থল পথে আনা হয়। তবে স্থল পথের তুলনায় নদী (জল) পথ সবচেয়ে নিরাপদ।

১৯ বিজিবি’র এফএস রেজাউল করিম’র সাথে ফোনালাপে তিনি বলেন, বিজিবি অভিযান অব্যাহত রয়েছে। জৈন্তাপুর ক্যাম্পের সদস্যরা রাতে অভিযান চালিয়ে ৮ ক্যারেট ভারতীয় টমেটো আটক করে। সীমান্তকে নিরাপদ রাখতে বিজিবি কাজ করে যাচ্ছে।

স্থানীয়রা এগিয়ে না আসলে শতভাগ সফল হওয়া যাবে না। তবে নদী পথের বিষয়টি আমরা গুরুত্বের সাথে খতিয়ে দেখব। সীমান্ত চোরাচালান মুক্ত রাখতে সচেতন মহল এগিয়ে আসার আহবান জানান।জৈন্তাপুর মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ গোলাম দস্তগীর আহমেদ বলেন, চোরাচালান রোধে থানা পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩১, ২০২১ ৭:১৩ অপরাহ্ন
কৃষকদেরকে লাভবান করতে দেয়া হচ্ছে ভর্তুকি: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

উৎপাদন খরচ কমিয়ে দেশের কৃষকদেরকে লাভবান করতেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বব্যাংকসহ বিভিন্ন দাতা ও উন্নয়নসহযোগীদের আপত্তি উপেক্ষা করে কৃষিখাতে বিশাল পরিমাণ অর্থ ভর্তুকি ও প্রণোদনা হিসেবে ধারাবাহিকভাবে দিয়ে যাচ্ছেন বলে উল্লেখ করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি।
মন্ত্রী শনিবার সকালে তাঁর সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি ‘পারিবারিক কৃষি ও কৃষক: সরকার ও নাগরিক সমাজের করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার কৃষি উৎপাদনকে কৃষকদের জন্য লাভজনক করতে কাজ করছে। দেশের বেশির ভাগ কৃষকই পারিবারিক, ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও বর্গাচাষি। সেজন্য কৃষিকে লাভজনক করতে সরকার ক্রমাগতভাবে কৃষিবান্ধব নীতি গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। উৎপাদন খরচ কমাতে ইতোমধ্যে চার বার সারের দাম কমিয়েছে। প্রতিবেশী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশে সারের দাম এখন অনেক কম। সেচ,বীজসহ অন্যান্য কৃষি উপকরণও সহজলভ্য করেছে সরকার। এছাড়া, ৫০-৭০% ভর্তুকিতে কৃষকদেরকে দেয়া হচ্ছে ধান কাটা, মাড়াইসহ বিভিন্ন কৃষিযন্ত্র।
ধান চাষ এখন লাভজনক উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, এসব প্রণোদনা প্রদান ও চাল আমদানিতে শুল্কারোপসহ সরকারের সময়োপযোগী উদ্যোগের ফলে বিগত কয়েক বছর ধরে কৃষকেরা ধানের ভাল দাম পাচ্ছেন ও ধান চাষ করে লাভবান হচ্ছেন।
আম,আনারস,শাকসবজিসহ অন্যান্য ফসল চাষ কৃষকদের জন্য লাভজনক করতে বেসরকারি শিল্পোদ্যোক্তাদেরকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, দেশের ভিতরে ও বাইরে এসব কৃষিপণ্যের বাজারকে আরও বিস্তৃত করতে হবে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি শিল্পোদ্যোক্তাদেরকে কৃষি প্রক্রিয়াজাতে বিনিয়োগ করতে হবে।
এসোসিয়েশন ফর ল্যান্ড রিফর্ম অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট (এএলআরডি) ও দৈনিক বণিক বার্তা এ সেমিনারের আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে এএলআরডির চেয়ারপার্সন খুশি কবির, সিপিবির রুহিন হোসেন প্রিন্স, এএলআরডির আজিম হায়দার, রওশন জাহান মনি প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এতে উপকারভোগী, নাগরিক সমাজ, মিডিয়া,এনজিওসহ বিভিন্ন অংশীজনের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩০, ২০২১ ১১:১৫ অপরাহ্ন
কুমিল্লায় প্রায় ৭ হাজার হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে পানি কচু
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লাতে এবছর প্রায় ৭ হাজার হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে পানি কচু। প্রতি বিঘায় ১২০-১৪০ মণ কচু পাচ্ছেন চাষিরা। জমিতে কচুর আবাদ করে চাষিরা স্থানীয় বাজারেই দর পাচ্ছেন কেজিপ্রতি ৫০-৬০ টাকা করে। করোনার কারণে কুমিল্লার বাজারগুলোতে কচু শাকের চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে। কুমিল্লার অলিগলিতেও কচু বিক্রি হচ্ছে। কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর জানিয়েছে ৭ থেকে ৮ হাজার টন লতি উৎপাদন হবে এবার।

দেশে কচুর বহুবিদ ব্যবহার রয়েছে। কচু শাক, কচুর ডগা, কচুর মুখি, ও লতি সবজি হিসাবে খাওয়া হয়ে থাকে। কচুতে প্রচুর পরিমাণ লৌহ ও ভিটামিন থাকে।

আগাম জাতের কচু চাষ করে ভালো দাম পাওয়ায় হাসি ফুটেছে কুমিল্লার চাষিদের মুখে। চলিত মৌসুমে বর্ষার প্রকোপ বেশি থাকায় কচুর সেচ খরচও কম হয়েছে। যেখানে দুই দিনে একবার সেচ আর প্রতি সেচেই সার দিতে হয় সেখান এ বছর খরচও কম হয়েছে। রোগ ও পোকাও তুলনামূলক কম। বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে লতিরাজ কচু চাষ পদ্ধতি জেনে উৎপাদন বাড়িয়ে চাহিদা পূরণ করা সম্ভব।

বরুড়া উপজেলার কৃষক মনিরুল ইসলাম জানান, এ বছর ৯ কাঠা জমিতে আগাম জাতের কচু চাষ করেছেন। খরচও তুলনামূলক কম হয়েছে।

তিনি জানান, ৯ কাঠা জমিতে কচু চাষ করেছি। এক কাঠা জমি থেকে ৫-৬ মণ করে কচু পেয়েছি। জমি থেকেই ৫৫ টাকা কেজি দরে পাইকারি বিক্রি করে দিচ্ছি। প্রতিবার তো এমন দাম হয় না, এবার কচুর দাম খুবই ভালো। যদি এমন বাজার থাকে তাহলে কচুতে প্রচুর টাকা আয় হবে।

কুমিল্ল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান জানান, কচু চাষ খুবই লাভজনক। চাষিরা কচু চাষ করে বেশ ভালো লাভ করছেন। সেই সঙ্গে দিন দিন কচু চাষ এ অঞ্চলে বৃদ্ধি পাচ্ছে। কচুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও পুষ্টি থাকে। মুখি কচুর পাশাপাশি লতিরাজ কচু চাষ করেও কৃষকরা কম সময়ে লাভবান হচ্ছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৯, ২০২১ ১০:৪৫ অপরাহ্ন
সাইলেজ তৈরির এ টু জেড
কৃষি গবেষনা

সাইলেজ কি?
বায়ুশূন্য অবস্থায় সবুজ ঘাসকে ভবিষ্যতের জন্য প্রক্রিয়াজাত করে রাখার প্রক্রিয়াকে সাইলেজ বলা হয়।

সাইলেজ কেন করা প্রয়োজন?
বর্ষা মৌসুমে সবুজ ঘাসে ময়েশচ্যার বেশি থাকার কারনে শুকাতে সমস্যা হয়, আর শুকানো হলে পুষ্টিমান কমে যায়। তাই সারাবছর সঠিক পুষ্টিমান সমৃদ্ধ ঘাস গরুকে খাওয়াতে সাইলেজ হতে পারে উত্তম প্রক্রিয়া। কাঁচা ঘাসের তুলনায় এই প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ করে রাখা ঘাসের গুনগত ও খাদ্যমান বেশি। সাইলেজ প্রক্রিয়ায় ঘাস ১২ বছর পর্যন্ত সংরক্ষণ করে রাখা যায়।

কোন কোন ঘাস সাইলেজ প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ করা যায়?
বর্ষামৌসুমে বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়; দেশীয় ঘাস যেমন দুর্বা, বাকসা, আরাইল, সেচি, দল ইত্যাদি।
গাছের পাতা যেমনঃ ধৈঞ্চা, ইপিল-ইপিল জমিতে চাষ করা উন্নত জাতের ঘাস যেমনঃ নেপিয়ার, পাকচং, জার্মান, ভূট্টা, সুদান, পারা, সরগম ইত্যাদি।

★ সাইলেজ তৈরিঃ

ধাপ-১ঃ ঘাস সংগ্রহ
ফুল আসার আগে একই পরিপক্বতার ঘাসগুলো কেটে নিতে হবে।
সবুজ ঘাসের মধ্যে সবচেয়ে ভালো সাইলেজ হয় ভুট্টার। কারন এই সাইলেজে কান্ড, পাতার সাথে ভুট্টাও থাকে যার ফলে দানাদার খাদ্যের চাহিদাও অনেকটায় পূরণ হয়। এজন্য আধা কাঁচা ভু্ট্টা থাকার সময় সংগ্রহ করা ভালো।

ধাপ-২ঃ ঘাস শুকিয়ে নেওয়া
ঘাসগুলোকে একদিন রোদে শুকিয়ে নিতে হবে যেন ভেজাভাবটা না থাকে। নেপিয়ার ঘাস কাটার পর এতে Dry Matter(DM) থাকে ১৫-২০%। একদিন রোদে শুকানো হলে তা ৩০% এর কাছাকাছি হয়। যা সাইলেজ তৈরির জন্য উপযুক্ত।
অন্যদিকে গাছের পাতা কিংবা আগাছা ৪ঘন্টা রোদে শুকিয়ে নিলেই ৩০% DM থাকে।
ড্রাই ম্যাটার-৩০% আছে যেভাবে বুঝবেনঃ
• কান্ডটি আর্দ্র কিন্তু ভেজা না।
• হাতে নিয়ে চাপ দিলে আগের অবস্থানে যাবে না।

ধাপ-৩ঃ ঘাস ছোট ছোট টুকরো করে নেওয়া
১-৩ ইঞ্চি পরিমাণ করে কেটে নিতে হবে। বেশিপরিমাণে কাটার জন্য বাজারে মেশিন আছে যাকে ‘চপ কাটার’ বলে।

ধাপ-৪ঃ ফার্মেন্টেশন বা গাঁজন প্রক্রিয়ায় সংরক্ষণ করার জন্য চিনি জাতীয় উপাদান যুক্ত করতে হবে। এজন্য লালিগুড় বা মোলাসেস ব্যবহার করা যেতে পারে। তাছাড়া লাল চিনিও ব্যবহার করা যায়। (বিঃদ্রঃ ভুট্টা, জার্মান ঘাসে পর্যাপ্ত পরিমাণ কার্বোহাইড্রেট থাকার কারনে মোলাসেস প্রয়োগ করার প্রয়োজন পড়ে না)
প্রতি ১০০ কেজি ঘাসের জন্য ২-৩% বা ২-৩ কেজি মোলাসেস প্রয়োগ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে মোলাসেসের সাথে একই পরিমাণ পানি যুক্ত করতে হবে। কিভাবে প্রয়োগ করতে হবে তা (ধাপ-৫) এ পাবেন।

No description available.

ধাপ-৫ঃ এবার সংরক্ষণের জন্য সিলো বা পাত্র ঠিক করতে হবে।
এজন্য প্লাস্টিক ব্যাগ বা বস্তা, ড্রাম ব্যবহার করা যায়। তাছাড়া মাটিতে পুঁতেও সংরক্ষণ করা যায়।
প্লাস্টিক ব্যাগ, ড্রামে সংরক্ষণঃ
• ব্যাগটি যেন কোনোরকম ছেঁড়া না হয়।
প্রথমে মোলাসেস এবং পানি মিশ্রিত দ্রবণের অর্ধেক পরিমাণ ঘাসে প্রয়োগ করতে হবে।
তারপর সেই ঘাস ব্যাগে কয়েকধাপে ভরতে হবে। এক ধাপ ভরার পর ভালোভাবে চাপ দিতে হবে যেন ঘাসগুলোর মাঝে ফাঁকা না থাকে, ফাঁকা থাকলে সেখানে বাতাস থেকে যাবে, যার ফলে সাইলেজ ভালো না হওয়ার ধরুন বেশিদিন ঠিক থাকবে না।
• তারপর মোলাসেস মিশ্রিত পানি আবার খানিকটা প্রয়োগ করতে হবে।এভাবে কয়েকধাপে ব্যাগ কিংবা ড্রামে ভালোভাবে ভরে শক্তভাবে মুখ বন্ধ করে রাখতে হবে যেন বাতাস প্রবেশ না করতে হবে।
মাটিতে পুঁতে সংরক্ষণঃ
• এ পদ্ধতিতে সংরক্ষণের জন্য উঁচু স্থান নির্বাচন করতে হবে।
• প্রয়োজনীয় পরিমাণ গর্ত করে পলিথিন দিয়ে দিতে হবে।
• কয়েকধাপে সমপরিমাণে মোলাসেস এবং পানি মিশ্রিত ঘাস বিছিয়ে দিয়ে আবার মোলাসেস মিশ্রিত পানি প্রয়োগ করতে হবে।
• পা দিয়ে ভালোভাবে চাপ দিয়ে কম্পেক্ট করতে হবে।
তারপর উপরে আবার পলিথিন দিয়ে শক্ত করে বেঁধে মাটি চাপা দিতে হবে।

No description available.

ধাপ-৬ঃ উক্ত প্রক্রিয়াটি ১-২ দিনের মাঝে শেষ করতে হবে।

সাইলেজ আরো পুষ্টিসমৃদ্ধ করার জন্য পোল্ট্রির জন্য ব্যবহৃত লিটার, অব্যবহৃত কলা, কলার খোসা, মিষ্টি আলু, আখের খোসা ও যুক্ত করা যায়।
ভালোভাবে সাইলেজ তৈরি করলে সর্বোচ্চ ১০-১২ বছর সংরক্ষণ করা যায় এবং পুষ্টিগুণাগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে।
★ সাইলেজ প্রস্তুতের পূর্বে ঠিক করতে হবে কতগুলো গবাদিপশুকে কতদিনের জন্য দৈনিক কত কেজি করে খাওয়ানো হবে। তারপর জায়গার মাপ নির্ধারণ করতে হবে।

মোঃ রকিবুল ইসলাম
শিক্ষার্থী, ব্যাচেলর অব ভেটেরিনারি সাইন্স এ্যান্ড এনিম্যাল হাসব্যান্ড্রি,
বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৯, ২০২১ ৬:২৪ অপরাহ্ন
ব্রি হাইব্রিড-৭ আউশ ধানের রেকর্ড ফলন, প্রতি বিঘায় ২৩ মণ
কৃষি বিভাগ

ব্রি হাইব্রিড-৭ জাতের আউশ ধানে রেকর্ড ফলন হয়েছে। ধান কাটার পর প্রতি বিঘায় পাওয়া গেছে ২৩ মণ। যা আউশ মৌসুমের অন্য যে কোন জাতের চেয়ে অনেক বেশি।

বুধবার ভোলা জেলার রাজাপুর ইউনিয়নে চর মনসা গ্রামের সবুজ বাংলা কৃষি খামারে ব্রি হাইব্রিড-৭ জাতের প্রদর্শনী প্লটের ধান কর্তন ও মাঠ দিবসে এ তথ্য পাওয়া যায়। ভোলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ভোলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, চর মনসা গ্রামের কৃষক মো. ইয়ানুর রহমান বিপ্লবের ৮ হেক্টর জমির প্রদর্শনী প্লটে ব্রি হাইব্রিড-৭ জাতের বীজ বপন করা হয়েছিল এ বছরের ৮ এপ্রিল। চারা রোপন করা হয়েছিল ৩ মে। আর কম্বাইন্ড হারভেস্টারের মাধ্যমে গতকাল বুধবার ধান কাটা হয়েছে। জীবন কাল ১১০ দিন। হেক্টর প্রতি ধানের ফলন ৭ মেট্রিক টন (বিঘায় ২৩ মণ)। আর চালের হিসাবে হেক্টর প্রতি ৪.৬০ মেট্রিক টন।

শস্য কর্তনের ফলাফলে আরও জানানো হয়, ধান কাটার পর মাঠ থেকেই কাঁচা অবস্থায় ৭৫০ টাকা দরে মণ বিক্রয় হয়েছে। হেক্টর প্রতি উৎপাদন খরচ হয়েছে ৬০ হাজার টাকা। খরচ বাদে হেক্টর প্রতি কৃষকের লাভ ৭০ হাজার টাকা। সে হিসাবে ৮ হেক্টর জমিতে ৫ লাখ ৭০ হাজার টাকা লাভ হবে।

উপ-পরিচালক আবু মো. এনায়েত উল্লাহ বলেন, চলমান ২০২১-২২ আউশ মৌসুমে ব্রি থেকে ব্রি হাইব্রিড-৭ জাতের বীজ সংগ্রহ করে কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে বিতরণ করা হয়েছে। যার মাধ্যমে ভোলায় ১৯৮ হেক্টর জমিতে ব্রি হাইব্রিড-৭ আবাদ হয়েছে। আগামী মৌসুমে কৃষকের চাহিদা অনুযায়ী বীজ সরবরাহের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ বলেন, ব্রি হাইব্রিড-৭ জাতের ধান কর্তনের ফলাফল খুবই আশাব্যঞ্জক। আগামী আউশ মৌসুমে এ জাতের ধান চাষ ব্যাপকভাবে সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে। আউশ মৌসুমে বেশি করে এ জাতের ধান চাষ করার জন্য কৃষকদের আহবান জানান তিনি।

ব্রি’র মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর বলেন, ব্রি হাইব্রিড-৭ জাতটির আউশ মৌসুমে অন্য সকল জাতের চেয়ে ফলন বেশী। আগামী দিনে এ জাতটিকে বিএডিসি’র মাধ্যমে কৃষকের কাছে সরবরাহ করতে আমরা সচেষ্ট থাকবো।

মাঠ দিবসে ভোলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু মো. এনায়েত উল্লাহর সভাপতিত্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইংয়ের পরিচালক একে এম মনিরুল আলম ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৯, ২০২১ ৬:০৮ অপরাহ্ন
করোনাকালেও কৃষি মন্ত্রণালয়ের এডিপি বাস্তবায়নের হার ৯৮%
কৃষি বিভাগ

করোনা মহামারির প্রকোপের মধ্যেও কৃষি মন্ত্রণালয়ের ২০২০-২১ অর্থবছরের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচির (এডিপি) বাস্তবায়ন হয়েছে ৯৮ শতাংশ। এ অগ্রগতি জাতীয় গড় অগ্রগতির চেয়ে ১৮ শতাংশ বেশি। জাতীয় গড় অগ্রগতি হয়েছে ৮০ শতাংশ।

বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে এডিপি বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় এ তথ্য তুলে ধরা হয়। সভায় সভাপতিত্ব করেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক এমপি।

২০২০-২১ অর্থবছরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের মোট প্রকল্প ছিল ৮৫টি। প্রকল্পের অনুকূলে মোট বরাদ্দ ছিল ২ হাজার ৩১২ কোটি টাকা। যার মধ্যে ২ হাজার ২৫৫ কোটি টাকা ব্যয় হয়েছে, যা বরাদ্দের ৯৮ শতাংশ।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, চলমান করোনা মহামারি ও ঘূর্ণিঝড়, বন্যাসহ নানা প্রাকৃতিক দুর্যোগের চ্যালেঞ্জের মোকাবেলা করে এ সাফল্য অর্জন খুবই সন্তোষজনক। আমাদের সকল পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মীদের নিরলস পরিশ্রমের ফলেই এটি সম্ভব হয়েছে।

প্রকল্প পরিচালক, কর্মকর্তা-কর্মচারী, সংস্থাপ্রধানসহ প্রকল্প বাস্তবায়নে জড়িত সবাইকে মন্ত্রী ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, আগামীতে এ সাফল্যের ধারা অব্যাহত রাখতে সবাইকে আন্তরিকতা ও নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করতে হবে।

ড. রাজ্জাক আরও বলেন, দেশে কৃষি উৎপাদন খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব কৃষিতে পড়ছে। অন্যদিকে মানুষ বাড়ছে, নগরায়ন-শিল্পায়নসহ নানা কারণে চাষের জমি কমছে, পানির স্তর নিচে নেমে যাচ্ছে। এর সঙ্গে যোগ হয়েছে চলমান কোভিডের প্রভাব। এ পরিস্থিতিতে সবাইকে অত্যন্ত সচেতন ও সাবধানী হতে হবে, যাতে করে স্বল্প প্রাকৃতিক সম্পদের মধ্যেও কৃষির উৎপাদন ও উৎপাদনশীলতা ধরে রাখা যায়। চলতি অর্থবছরে যে প্রকল্পগুলো নেওয়া হয়েছে তার সফল বাস্তবায়ন করতে হবে, যাতে করে দেশের ১৭ কোটি মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায়।

সভায় কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম বলেন, করোনাকালে মন্ত্রণালয়ের মোট ৮৫টি প্রকল্পের ৯৮ শতাংশ বাস্তবায়ন হয়েছে, যা খুবই প্রশংসনীয়। চলমান বছরেও এ সাফল্য ধরে রাখা ও তা আরও এগিয়ে নিতে প্রকল্প পরিচালকদের তিনি তাগাদা প্রদান করেন।

সভাটি সঞ্চালনা করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম। এসময় মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পিপিসি) মো. রুহুল আমিন তালুকদার, অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) হাসানুজ্জামান কল্লোলসহ ঊর্ধ্বধন কর্মকর্তা ও সংস্থাপ্রধানসহ প্রকল্প পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop