১:১২ অপরাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুন ২২, ২০২১ ৫:৪০ অপরাহ্ন
হিলি স্থলবন্দরে পাইকারিতে কমেছে পেঁয়াজের দাম
কৃষি বিভাগ

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে পাইকারিতে পেঁয়াজের দাম কমেছে কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা। দুদিন আগেও বন্দরে প্রতি কেজি পেঁয়াজ প্রকারভেদে ২৭ থেকে ৩০ টাকা দরে বিক্রি হলেও এখন তা কমে বিক্রি হচ্ছে ২৪ থেকে ২৮ টাকা দরে। এদিকে পেঁয়াজের দাম কমায় স্বস্তি ফিরেছে নিম্ন আয়ের মানুষজনের মাঝে।

হিলি স্থলবন্দর ঘুরে দেখা গেছে, বন্দর দিয়ে নাসিক ও ইন্দোর এই দুই জাতের পেঁয়াজ আমদানি হচ্ছে। দুদিন আগেও বন্দরে প্রতি কেজি ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছিল ২৭টাকা কেজি দরে।বর্তমানে তা কমে ২৪ থেকে ২৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর নাসিক জাতের পেঁয়াজ ৩০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হলেও বর্তমানে তা কমে বিক্রি হচ্ছে ২৮ টাকা কেজি দরে।

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন জানান, চলতি জুন মাসের ৩ তারিখ থেকে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত রয়েছে। তবে পূর্বে বন্দর দিয়ে ৩০ থেকে ৩৫ ট্রাক পেঁয়াজ আমদানি হলেও বর্তমানে আমদানির পরিমাণ কমে ২০ থেকে ২৫ ট্রাকে দাঁড়িয়েছে। পেঁয়াজ যেহেতু কাঁচামাল তাই কাস্টমসের সকল প্রক্রিয়া শেষে অতি দ্রুত পেঁয়াজগুলো বন্দর থেকে ছাড়করণের সব ধরনের ব্যবস্থা রেখেছে বন্দর কর্তৃপক্ষ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২২, ২০২১ ৩:৩৬ অপরাহ্ন
কৃষকরা এ্যাপের মাধ্যমে করছেন ধান বিক্রি
কৃষি বিভাগ

চাঁদপুর জেলায় চলতি বোরো মৌসুমে কৃষকের এ্যাপের মাধ্যমে নিবন্ধিত কৃষকরা ধান বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন। ৭ জুন পর্যন্ত জেলার ৩ টি উপজেলা থেকে এ্যাপের মাধ্যমে ১ হাজার ৭ মেট্রিক টনসহ সরাসরি আরো ৩হাজার ৩৩ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে। এ নিয়ে জেলায় মোট৪ হাজার ৪০ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হলো।

অন্য বছরের তুলনায় বোরো ধানের ফলন এবছর ভালো হওয়ায় কৃষকরাও সরকারের নিকট ধান বিক্রি করতে আগ্রহী। বাজারের চেয়ে মূল্য বেশী পাওয়ায় লাভবান হচ্ছেন জেলার প্রান্তিক কৃষকরা।

চাঁদপুর জেলা ধান ও চাল সংগ্রহে সরকারের নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্র অর্জনে এখন পর্যন্ত অনেক জেলার তুলনায় এগিয়ে রয়েছে । এদিকে ধান ও চাল ক্রয় প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে আরো আড়াই মাস বলে জেলা খাদ্য কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানাগেছে।

চাঁদপুর জেলা খাদ্য বিভাগ সূত্রে জানাযায়, পদ্মা মেঘনা ডাকাতিয়া নদী বেষ্টিত চাঁদপুরের ৮ উপজেলায়ই কম বেশী বোরো ধানের আবাদ রয়েছে। চলতি বোরো মৌসুমে সরকার আভ্যান্তরীন খাদ্য শস্য সংগ্রহের জন্য জেলায় ৮হাজার ৮৬ মেট্টিক টন বোরো ধান ও ৭ হাজার ১০১ মেট্টিক টন সিদ্ধ চাল ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দেয়া হয়। ধানের মূল্য নির্ধারণ করা হয় ২৭ টাকা এবং সিদ্ধ চালের মূল্য নির্ধারণ হয় ৪০টাকা। ৯ মে থেকে ৭ জুন পর্যন্ত ধান ৫৩% সংগ্রহ করা হয়েছে । আগামী ১৬ আগস্টের মধ্যে লক্ষ্যমাত্র অর্জনের জন্য সর্বাত্মক প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে বলে জেলা খাদ্য বিভাগ জানিয়েছেন।

জেলার শাহরাস্তি উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মজিবুর রহমান জানান, উপজেলা কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় এ বছরই প্রথম ‘কৃষকের এ্যাপস’র ব্যবহার করে পাইলট প্রকল্প হিসেবে কচুয়া, শাহরাস্তি, সদর ও ফরিদগঞ্জ উপজেলার নিবন্ধিত কৃষকরা সরাসরি খাদ্য গুদামে এনে ধান বিক্রি করছেন। বাকী মতলব উত্তর, মতলব দক্ষিণ, হাজীগঞ্জ ও হাইমচর উপজেলায় কৃষি বিভাগ থেকে দেয়া তালিকা অনুযায়ী সরাসরি খাদ্য গুদামে এসে ধান বিক্রি করেন কৃষকরা। আমার গুদামে গতকাল পর্যন্ত এ্যাপে ৫ হাজার৫.১৬ মেট্রিক টন ও সরাসরি ৪১হাজার .৩৬ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করা হয়েছে।

হাজীগঞ্জ উপজেলা খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবু ছালেহ জানান, বিক্রি প্রক্রিয়ায় কোন ধরণের মধ্যসত্বভোগী না থাকায় সঠিক মূল্য ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে কৃষককে তার টাকা পরিশোধ করা হচ্ছে। পূর্বেই কৃষকদেরকে মাইকিং করে ধান বিক্রি করার জন্য সরাসরি আসার অনুরোধ করা হয়েছে। যার জন্য কৃষকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া জেগেছে এবং প্রতিদিন অফিস চলাকালীন সময়ে সরাসরি খাদ্য গুদামে এসে ধান বিক্রি করে যাচ্ছেন। এ গুদামে গতকাল পর্যন্ত ৭হাজার ৪.২ মেট্রিক টন ধান সংগ্রহ করেছি।

চাঁদপুর সদরের বিষ্ণুপুর উনিয়নের কৃষক মান্নান গাজী ও মজিবুর রহমান জানান, তারা ইউনিয়ন পরিষদের তথ্য সেবা কেন্দ্রে এ্যাপসের মাধ্যমে নিবন্ধন করেছেন। এরপর তাদেরকে উপজেলা খাদ্য বিভাগ থেকে ফোন করে ধান বিক্রির জন্য আমন্ত্রণ জানানো হয়। এর মধ্যে মান্নান গাজী ২.৬ মেট্রিক টন এবং মজিবুর রহমান ১.৮ মেট্রিকটন ধান বিক্রি করেছেন ২৭ টাকা কেজি দরে।
হাজীগঞ্জ উপজেলার তালিকাভুক্ত কৃষকরা সরাসরি গুদামে এনে ধান বিক্রি করছেন।

কৃষকদের মধ্যে সারোয়ার হোসেন বিক্রি করছেন ১.৮৪ টন এবং মো. বাবুল বিক্রি করেছেন ১.৭৬ মেট্রিক টন। তারা বলেন, এখন আর খাদ্য গুদামে ধান বিক্রি করতে এসে কোন ধরণের হয়রানি হয় না। বিক্রির পরে রশিদ দেয়া হয়। সরাসরি ব্যাংক একাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলন করতে হয়।

শাহরাস্তি উপজেলার মেহের উত্তর ইউনিয়নের বানিয়াচোঁ গ্রামের কৃষক রুহুল আমিন জানান, তিনি মাইকে ধান বিক্রির প্রচারণা জানতে পেরে এ বছর প্রথম ২.২০ মে: টন মণ ধান বিক্রি করেছেন। প্রচারণা করায় অনেক কৃষকই ধান বিক্রির জন্য আসছেন। কোন ধরণের হয়রানির অভিযোগ নেই বলে জানান তিনি।

একই উপজেলার রায়শ্রী উত্তর ইউনিয়নের কৃষক আবু তাহের জানান, তিনি গত কয়েকবছরই খাদ্য গুদামে সরাসরি ধান বিক্রি করেন। এ বছর বাজার মূল্যের চেয়ে বেশী ১০৮০ টাকায় ধান বিক্রি করে তিনি লাভবান হয়েছেন। সরকার যেন এ ধরণের নিয়ম অব্যাহত রাখেন।

চাঁদপুর খাদ্য গুদামের ইনচার্জ তামিম হাসান জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খাদ্য সংগ্রহের জন্য যে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিয়েছেন। আমরা তা শতভাগ বাস্তবায়নে সরকারের নিয়ম মেনে কাজ করছি। আশা করি কৃষক ও মিল মালিকরা আমাদেরকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করবেন।

চাঁদপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক (ভারপ্রাপ্ত) নিত্যানন্দ কুন্ডু জানান, চাঁদপুর জেলা ৭ জুন পর্যন্ত সরকারি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে ধান ৫৩% ও চাল ৫০% সংগ্রহ করেছে। সরকারের নির্দেশনা রয়েছে জুনের মধ্যে ৭৫% লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা। আশা করা হচ্ছে তা সফল হবে। এছাড়াও জেলার ১৭টি অটো এবং ২টি হাস্কিং রাইস মিলস সিদ্ধ চাল সরবরাহ শুরু করেছেন। সূত্র: বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২১, ২০২১ ১১:৪৫ অপরাহ্ন
ধানে লাভ না হলেও কচুতে খুশি মেহেরপুরের চাষিরা
কৃষি বিভাগ

ধান চাষে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও ভালো ফলন ও দাম পাওয়ায় এবার মেহেরপুরের কচু চাষিরা খুশি। রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে যাচ্ছে মেহেরপুরের কচু।আবহাওয়া ভালো থাকায় এবছর এ জেলায় কচুর চাষ হয়েছে প্রায় দুই হাজার হেক্টর জমিতে।জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের প্রত্যাশা এবার এ জেলার চাষিরা কচুর দামও পাবেন অনেক ভালো।

অন্যান্য বছরের চেয়ে জেলায় এবার আউশ কচুর আবাদে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। বাজারমূল্যও ভালো। বিঘা প্রতি ১৪/১৫ হাজার টাকা খরচ করে ৪০/৪৫ হাজার টাকা ঘরে তুলেছেন চাষিরা। জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসেবে এবার জেলায় আউশ কচুর আবাদ হয়েছে এক হাজার ৩৯৫ হেক্টর জমিতে।

মনোহরপুর গ্রামের কচু চাষি সামাদ আলী জানান- বর্তমানে বাজারে ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা মণ দরে কচু বিক্রি হচ্ছে। জমি থেকেই ফড়িয়ারা (পাইকার ব্যবসায়ী) ভালো দাম দিয়ে কিনে নিয়ে যাচ্ছে কচু।

জেলা সদরের কাঁচা বাজারের সবজি ব্যবসায়ী আবদুর রাজ্জাক বলেন- মেহেরপুর জেলার কচু সুস্বাদু হওয়ায় চাহিদা বেশি। বিশেষ করে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনার বাজারে এর চাহিদা যথেষ্ট। মেহেরপুরের কচু নামেই কচু বিক্রি হয়। ফলে ব্যবসায়ীরাও চাষিদের জমি থেকে কচু কিনে দেশের বিভিন্ন বাজারে বিক্রি করে লাভবান হচ্ছে।

মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক স্বপন কুমার খাঁ জানান- সবজি উদ্বৃত্ত জেলা মেহেরপুরে প্রতি বছরই চাষিরা আউশ জাতের কচুর চাষ করে থাকেন। কৃষকরা ধান চাষে কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কচু চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। চাষিদের ভালো বীজের চাষ ও সঠিকভাবে পরিচর্যা করার জন্য কৃষকদের উৎসাহিত করাসহ মাঠ পর্যায়ে চাষিদের বিভিন্ন পরামর্শও দেয়া হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২১, ২০২১ ১:০৮ অপরাহ্ন
আউশ আবাদে ব্যস্ত কুমিল্লার চাষিরা
কৃষি বিভাগ

লাভের আশায় এবার কোমর বেঁধে মাঠে নেমে আউশ আবাদে ব্যস্ত কুমিল্লার চাষিরা। সংকট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াতেই মাঠে মাঠে আউশ রোপণে এখন তারা ব্যস্ত।

স্থানীয় চাষিদের থেকে জানা যায়, টানা বর্ষণ আর গত কয়েকদিনর বৈরী আবহাওয়ার কারণে বেশ ক্ষতির মুখোমুখি হয়েছিলেন অনেক চাষি। সেই সংকট কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর জন্যই ক্ষতিগ্রস্ত চাষিরা আশায় বুক বেঁধেছেন আউশ আবাদে। মাটি ও আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এ বছর আউশের ফলন অনেক ভালো হবে বলে মনে করছেন চাষিরা। তাই বিস্তীর্ণ ফসলের ক্ষেতে আউশ ধান রোপণ নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন তারা। বর্তমানে ক্ষেতের অবস্থা নিয়েও সন্তুষ্ট চাষিরা।

আউশ চাষি কামরুজ্জামান বলেন, লাভবান হওয়ার আশায় ১৮০ শতাংশ জমিতে আউশের আবাদ করেছি, এখন পর্যন্ত ক্ষেতের অবস্থা ভালো।

জেলা কৃষি বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, এ বছর জেলার ১৫ উপজেলায় ১৩ হাজার ২২৫ হেক্টর জমিতে স্থানীয় ও উফশি জাতের আউশ ধান আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যার ৬৫ ভাগ ধান ইতোমধ্যে রোপণ শেষ হয়েছে। মোট আবাদের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ লাখ ৭৯ হাজার ৫১১ মেট্রিক টন চাল।

কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান জানান, কৃষকদের আউশ ধান আবাদে উদ্বুদ্ধ করার পাশাপাশি পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। যাতে করে কৃষকরা বাড়তি আউশ আবাদ করে তাদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারে। বর্তমানে ধানের দাম ভালো থাকায় অনেকেই আউশ আবাদে ঝুঁকে পড়েছেন, আমরাও তাদের পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।

তিনি আরো জানান, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে সব জমি যেন কৃষি আবাদের আওতায় আসে সে লক্ষ্যে কুমিল্লাতে কৃষকদের প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও ৪ হাজার ৩২০ জন কৃষককে সবজি বীজও দেওয়া হচ্ছে, যাতে এক ইঞ্চি জমিও যেন অনাবাদি না থাকে। বাজারে ধানের দাম ভালো থাকায় এখনো আউশ আবাদ করছেন চাষিরা। আমরাও তাদের উৎসাহ দিচ্ছি বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২০, ২০২১ ১১:০১ অপরাহ্ন
আমতলীর কৃষি রেডিওতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের ইনোভেশন টীমের পরিদর্শন
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরগুনার আমতলীতে স্থাপিত দেশের একমাত্র সরকারি কৃষি রেডিও পরিদর্শন করলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্ভাবন, সেবা সহজিকরণ ও ইনোভেশন টীমের কর্মকর্তারা।

এ উপলক্ষে শুক্রবার (১৮ জুন) বেতারের নির্মাণাথীন ভবনে রেডিওর কর্মকর্তা এবং কলাকুশলীদের সাথে এক মতবিনিময সভার আয়োজন করা হয়।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের উপপরিচালক (গণযোগাযোগ) মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব (প্রশাসন) দেলোয়ার হোসেন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপসচিব (প্রশাসন-৫) কাজী আব্দুর রায়হান, উপসচিব (প্রশাসন-১ শাখা) মীনাক্ষী বর্মন এবং উপসচিব (নীতি-১) সাজিয়া জামান, উপপ্রধান (কৃষি অর্থনীতিবিদ) শেখ বদিউল আলম।

আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার মো. শাহাদাত হোসেনের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রাসরণ অধিদপ্তর (ডিএই) বরগুনার উপপরিচালক আব্দুর রশীদ, ডিএই পটুয়াখালীর একেএম মহিউদ্দিন, আমতলীর উপজেলা কৃষি অফিসার সি এম রেজাউল করিম, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) প্রোগ্রামার মো. মাহফুজ বিন ওয়াহাব, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সহকারি প্রোগ্রামার পল্লব কুমার রায়, সহকারি বীজতত্ত্ববিদ মানিক চন্দ্র কর্মকার প্রমুখ।

কৃষি রেডিওর স্টেশন ম্যানেজার মো. ইছা বেতারের কার্যক্রম পাওয়ার পয়েন্টের মাধ্যমে উপস্থাপন করেন। এর আগে প্রধান অতিথি বেতারের স্টুডিও ঘুরে দেখেন। বিকেলে কলাপাড়ার গোলঘরে বেতার শ্রোতাক্লাবের সদস্যদের সাথে মতবিনিময় করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২০, ২০২১ ৬:৪৫ অপরাহ্ন
সরকারি উদ্যোগেই বাড়বে সবজি ও ফল রপ্তানি
কৃষি গবেষনা

ফল উৎপাদনে বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান ষষ্ঠ। সবজি উৎপাদনে তৃতীয়। পণ্য দুটির উৎপাদন বাড়লেও রপ্তানিতে পিছিয়ে পড়ছে। নানা প্রতিবন্ধকতায় বৈদেশিক মুদ্রা আয়ের সুযোগ কাজে লাগানো যাচ্ছে না। এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করে ফল ও সবজি রপ্তানি বাড়াতে সরকারি উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ জন্য প্রাথমিকভাবে সাতটি ফল ও সবজি চিহ্নিত করা হয়েছে। ফলের মধ্যে রয়েছে আম ও লেবু।

সবজির তালিকায় শিম, বেগুন, শসা, পটোল ও করলা। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বারি) এ নিয়ে একটি পরিকল্পনা তৈরি করেছে।\হপরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে সবজি ও ফল রপ্তানি কীভাবে বাড়ানো যায়, কোন কোন দেশে রপ্তানির সম্ভাবনা রয়েছে, প্রতিবন্ধকতা কীভাবে দূর হবে, উৎপাদন কীভাবে বাড়ানো যায় এবং কোন কোন অঞ্চল থেকে সংগ্রহ করা হবে। পরিকল্পনায় আরও কী কী যোগ করা যায় তা নিয়ে মতামত নিচ্ছে বারি।

শনিবার উদ্যান ফসলের রপ্তানি প্রতিবন্ধকতা দূর করতে প্রযুক্তির উন্নয়ন ও প্রয়োগবিষয়ক সমাপনী কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। এতে পরিকল্পনার বিস্তারিত তুলে ধরা হয়। একই সঙ্গে এ বিষয়ে ৫০০ কোটি টাকা ব্যয়ের আলাদা একটি প্রকল্প প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হয়।

রাজধানীতে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) সহযোগিতায় কর্মশালায় বারির পরিচালক (পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন) ড. মো. কামরুল হাসান সভাপতিত্ব করেন।

প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের পিপিসি উইংয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. রুহুল আমিন তালুকদার। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বারির সবজি বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ফেরদৌসী ইসলাম।

কর্মশালায় উদ্যান ফসলের রপ্তানির প্রতিবন্ধকতা দূরীকরণে প্রযুক্তির উন্নয়ন ও প্রয়োগবিষয়ক প্রকল্প প্রস্তাবনা উপস্থাপন করেন বারির আঞ্চলিক কৃষি গবেষণাকেন্দ্র হাটহাজারী, চট্টগ্রামের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মশিউর রহমান।

মূল প্রবন্ধে বলা হয়, বাংলাদেশে বছরে প্রায় ১ কোটি ২১ লাখ টন ফল এবং ১ কোটি ৬৫ লাখ টন সবজি উৎপাদন হয়। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, নানামুখী সীমাবদ্ধতার মধ্যেও দেশে এবার আম উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ২৪ লাখ ৫০ হাজার টন ছাড়িয়ে যাবে। অন্যদিকে দেশে আনারস উৎপাদিত হচ্ছে বছরে সাড়ে চার লাখ টন। আর লিচু ফলছে প্রায় তিন লাখ টন। পেয়ারা উৎপাদনেও বিশ্বের অনেক দেশ থেকে এগিয়ে বাংলাদেশ। এখন প্রায় সাড়ে পাঁচ লাখ টন পেয়ারা উৎপাদিত হয়। কোনো কোনো ফল সারা বছরই উৎপাদিত হচ্ছে। দেশের চাহিদা মিটিয়ে উৎপাদিত ফল ও সবজি রপ্তানি বাড়ানো সম্ভব। কিন্তু রপ্তানির জন্য উৎপাদিত শস্যের গুণগত মানের অভাব, নিরাপদ শষ্য উৎপাদনের অভাব, অতিরিক্ত রাসায়নিক ব্যবহার, চুক্তিভিত্তিক কৃষক না থাকা, অ্যাক্রেডিটেশন ল্যাবরেটরি না থাকা, তদারকি ও মানসনদের দুষ্প্রাপ্যতা, রপ্তানির জন্য বিশেষ অঞ্চল না থাকাসহ ২০ ধরনের প্রতিবন্ধকতা রয়েছে। এসব পণ্য রপ্তানি বাড়াতে ১৬টি সুপারিশ করা হয়।\হপ্রবন্ধের ওপর আলোচনায় অংশ নেন সরকারি ও বেসরকারি খাতের কয়েকজন প্রতিনিধি। তারা বলেন, রপ্তানি করার জন্য উৎপাদিত ফল ও সবজির মান ঠিক রাখতে স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি চিহ্নিত করতে হবে। এর জন্য প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়াতে হবে।

এছাড়া কৃষি কর্মকর্তাদের মাঠ পর্যায়ে তদারকি বাড়ানো, দূতাবাসের কর্মকর্তাদের কার্যকর ভূমিকা এবং বিমানের পরিবর্তে সমুদ্রগামী জাহাজে পণ্য পাঠানোর ব্যবস্থার দিকে মনোযোগ দিতে হবে।

প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুসারে উল্লিখিত সবজি সংগ্রহ করা হবে নরসিংদী, কুমিল্লা ও টাঙ্গাইলের মধুপুর থেকে। এ ছাড়া লেবু সিলেট থেকে এবং আম রাজশাহী, চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও সাতক্ষীরা থেকে সংগ্রহ করা হবে। তবে নরসিংদী থেকে লেবু ও মানিকগঞ্জ থেকে সবজি সংগ্রহের পরামর্শও দিয়েছেন অনেকে। এসব সবজি উৎপাদনের জন্য কৃষক নির্দিষ্ট করে চুক্তিভিত্তিক চাষের পরিকল্পনা করা হয়েছে। একই সঙ্গে রপ্তানিযোগ্য পণ্য উৎপাদনে নির্দিষ্ট জোন তৈরিরও পরিকল্পনা করা হয়েছে। সূত্র: সমকাল

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৯, ২০২১ ৯:৩২ অপরাহ্ন
কাজুবাদাম, কফিসহ অপ্রচলিত ফসল চাষে পাহাড়ের অর্থনৈতিক চেহারা পাল্টে যাবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার এখন কৃষিকে বাণিজ্যিকীকরণ ও লাভজনক করতে নিরলস কাজ করছে। কৃষিকে লাভজনক করতে হলে কাজুবাদাম, কফি, গোলমরিচসহ অপ্রচলিত অর্থকরী ফসল চাষ করতে হবে। শুধু দেশে নয়, আন্তর্জাতিক বাজারেও এসবের বিশাল চাহিদা রয়েছে, দামও বেশি। সেজন্য এসব ফসলের চাষাবাদ ও প্রক্রিয়াজাত বাড়াতে হবে। পাহাড়ের বৃহৎ অঞ্চলজুড়ে এসব ফসল চাষের সম্ভাবনা অনেক। এছাড়া, আনারস, আম, ড্রাগনসহ অন্যান্য ফল চাষের সম্ভাবনাও প্রচুর। আমরা কাজুবাদাম ও কফির উন্নত জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং এসব ফসলের চাষ আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে দিতে কাজ করছি। এটি করতে পারলে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার অর্থনীতিতে বিপ্লব ঘটবে। পাহাড়ী এলাকার মানুষের জীবনযাত্রার মানের দর্শনীয় উন্নয়ন হবে। একইসাথে, দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করেও প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় করা যাবে।
কৃষিমন্ত্রী শনিবার সকালে বান্দরবন জেলার রুমা উপজেলায় কাজুবাদাম বাগান, কফি বাগান ও আমসহ অন্যান্য ফলবাগান পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে দেশে অল্প পরিসরে কাজুবাদাম এবং কফি উৎপাদন হচ্ছে। শুধু পাহাড়ী অঞ্চল নয়, সারাদেশের যে সব অঞ্চলে কাজুবাদাম এবং কফির চাষাবাদের প্রচুর সম্ভবনা রয়েছে; কিন্তু বর্তমানে চাষাবাদ হচ্ছে না পর্যায়ক্রমে এমন এলাকাও কাজুবাদাম ও কফির চাষের আওতায় আনা হবে। সেলক্ষ্যে সম্প্রতি ‘কাজুবাদাম ও কফি গবেষণা, উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ’ শীর্ষক ২১১ কোটি টাকার প্রকল্প নেয়া হয়েছে।
এসব অপ্রচলিত ফসলের চাষাবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধি এবং প্রক্রিয়াজাতে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে বলে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, এসব ফসলের চাষ জনপ্রিয় করতে কৃষক ও উদ্যোক্তাদেরকে আমরা বিনামূল্যে উন্নত জাতের চারা, প্রযুক্তি ও পরামর্শসেবা প্রদান করছি। গতবছর কাজুবাদামের ১ লাখ ৫৬ হাজার চারা বিনামূল্যে কৃষকদেরকে দেয়া হয়েছে; আর এ বছর ৩ লাখ চারা দেয়া হবে।
এছাড়া, দেশে কাজুবাদামের প্রক্রিয়াজাতের সমস্যা দূর করা ও প্রক্রিয়াজাত প্রতিষ্ঠান গড়ে তুলতে কাঁচা কাজুবাদাম আমদানির উপর শুল্কহার প্রায় ৯০% থেকে নামিয়ে মাত্র ৫% নিয়ে আসা হয়েছে বলে জানান কৃষিমন্ত্রী।
পরিদর্শনকালে পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী বীর বাহাদুর উশৈসিং, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব ওয়াহিদা আক্তার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আসাদুল্লাহ, বিএডিসির চেয়ারম্যান ড. অমিতাভ সরকার, বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মো: বখতিয়ার, বান্দরবনের জেলা প্রশাসক ইয়াছমিন পারভীন তিবরীজি,পুলিশ সুপার জেরিন আখতার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর বান্দরবনের উপপরিচালক একেএম নাজমুল হক প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর-ডিএইর মতে, পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে সমতল জমির অভাবে মাঠ ফসলের আবাদ সম্প্রসারণের সুযোগ খুবই সীমিত। তবে, এ এলাকার মোট ভূমির প্রায় ২২ শত্যাংশ উদ্যান ফসলের আওতায় আনার সম্ভাবনা রয়েছে। ভূ-প্রাকৃতিক অবস্থান ও অনুকূল আবহাওয়ার কারণে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকায় কফি ও কাজুবাদাম, উদ্যান ও মসলা জাতীয় ফসল আবাদের অনেক সুযোগ রয়েছে। এছাড়া, দেশের বরেন্দ্র অঞ্চলসহ অন্যান্য অঞ্চলের পার্বত্য বৈশিষ্ট্য অনুরূপ জমিও কাজুবাদাম ও কফি চাষের উপযোগী। এসব জমিতে কাজুবাদাম ও কফির আধুনিক জাত ও উন্নত প্রযুক্তির উদ্ভাবন এবং তা সম্প্রসারণের মাধ্যমে কাজুবাদাম ও কফির উৎপাদন বহুগুণে বৃদ্ধির ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৯, ২০২১ ৪:৪২ অপরাহ্ন
বিষমুক্ত সবজি চাষে টাঙ্গাইলে বিপ্লব
কৃষি বিভাগ

রাসায়নিক সার ও মাত্রাতিরিক্ত কীটনাশক শাক সবজিতে ব্যবহারে মানুষের স্বাস্থ্য ঝুঁকি দিনদিন বাড়ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তত্ত্বাবধায়নে এ ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পেতে দেশে প্রথমবারের মতো পরিবেশসম্মত বিষমুক্ত সবজি চাষ হচ্ছে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে।

জানা যায়, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর আইপিএম প্রকল্পের আওতায় সারাদেশের মডেল প্রকল্প হিসেবে বিষমুক্ত নিরাপদ সবজি চাষ করছে। এ প্রকল্পের আওতায় রবি ও খরিপ মৌসুমে এই ইউনিয়নে বিষমুক্ত নিরাপদ সবজি চাষ করেছে ২০টি দল।

সম্প্রতি রবি মৌসুমের আগে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সারা দেশে ১০টি মডেল ইউনিয়নে আইপিএম প্রকল্পের আওতায় টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার মুশুদ্দি ইউনিয়নকে গ্রহণ করে।

জৈব কৃষি ও জৈবিক বালাই দমন ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের আওতায় ফেরোমন ফাঁদ স্টিকিটাপ বা হলুদ আঠালো ফাঁদ পরিবেশবান্ধব চালু করা হয়। জৈব বালাইনাশক পদ্ধতিতে নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রকল্পে সুযোগ পেয়ে ৫০০ জন নারী পুরুষ কৃষক প্রশিক্ষণ নিয়ে বিষমুক্ত সবজি চাষে সফলতার সাথে এগিয়ে যাচ্ছে। এই বিষমুক্ত সবজি ইতোমধ্যে উপজেলা-জেলা ছাড়িয়ে রাজধানী ঢাকায়ও সুনাম কুড়াচ্ছে।

প্রশিক্ষিত কৃষকরা রবি মৌসুমে করলা, চালকুমড়া, মিষ্টি কুমড়া ও খরিপ মৌসুমে পটল, ধুন্ধল, লাউ চাষ করছে। বিষমুক্ত নিরাপদ সবজি উৎপাদনে সারা দেশে ১০টি ইউনিয়নে মডেল হিসেবে কাজ চলছে। ধনবাড়ী উপজেলার মুশুদ্ধি ইউনিয়নে মডেল হিসেবে ১০০ একর জমিজুড়ে বিষমুক্ত নিরাপদ সবজি আবাদ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৯, ২০২১ ১:২৭ অপরাহ্ন
বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির উন্নয়নে অভাবনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে
কৃষি বিভাগ

বাংলাদেশ এশিয়া রিজিয়ন থেকে ২ বছরের (২০২২-২০২৪) জন্য খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) কাউন্সিলের সদস্য মনোনীত হয়েছে। এছাড়া, বাংলাদেশ এফএওর ক্রিডেনশিয়াল কমিটিরও সদস্য হিসেবে মনোনীত হয়েছে। এফএওর চলমান ৪২তম কনফারেন্সে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

কৃষিমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধিদল ও রোমে বাংলাদেশ দূতাবাসের যৌথ প্রচেষ্টায় এ সম্মান অর্জন সম্ভব হয়েছে এবং এতে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বর্তমান সরকারের প্রতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের আস্থার প্রতিফলন ঘটেছে।
কোভিড-১৯ এর কারণে ভার্চুয়ালি ১৪-১৮ জুন সময়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে এবারের সম্মেলন। কৃষিমন্ত্রীর নেতৃত্বে ৮ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধি দল সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছেন। ঢাকা থেকে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো: রুহুল আমিন তালুকদার, যুগ্ম সচিব তাজকেরা খাতুন, উপসচিব আলী আকবর ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগের উপসচিব বিধান বড়াল অংশগ্রহণ করছেন। ইটালির রোম থেকে অংশগ্রহণ করছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান ও ইকনমিক কাউন্সিলর মানস মিত্র।
এর আগে সম্মেলনের ২য় দিন ১৫ জুন দুপুরের অধিবেশনে ঢাকা থেকে ভার্চুয়ালি কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি ‘স্টেট অব ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচারে (SOFA)’ বাংলাদশের অবস্থান তুলে ধরেন। একইদিন সন্ধ্যার অধিবেশনে তিনি
এশিয়া অ্যান্ড প্যাসিফিক অঞ্চলের (এপিআরসি) ৪৬ টি সদস্য দেশের পক্ষ থেকে যৌথ বিবৃতি প্রদান করেন।
‘স্টেট অব ফুড অ্যান্ড এগ্রিকালচার’ অংশের ভাষণে বাংলাদেশ খাদ্য ও কৃষিতে অত্যন্ত শক্ত অবস্থানে রয়েছে বলে উল্লেখ করেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি। তিনি বলেন, বাংলাদেশ খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টির উন্নয়নে অভাবনীয় অগ্রগতি অর্জন করেছে। ২০ বছর আগে ১৯৯৯-২০০০ সালে এ সরকারের আগের আমলে দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করে ও বর্তমান সরকার এ আমলেও তা ধরে রেখেছে। মাথাপিছু আয় ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে ও দারিদ্র্য হ্রাস পেয়েছে। ফলে খাদ্যে মানুষের প্রবেশযোগ্যতা সহজতর হয়েছে। এছাড়া, বিগত দশকে অপুষ্টি দুই-তৃতীয়াংশ হ্রাস পেয়েছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, চলমান কোভিড-১৯ এর শুরুতেই খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি, সরবরাহ অব্যাহত রাখা ও দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দ্রুততার সাথে পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। অধিক ফসল উৎপাদনের জন্য প্রতি ইঞ্চি জমি চাষের আওতায় আনতে নানামুখী প্রণোদনা প্রদান করেন। এছাড়া, কৃষিখাতে করোনার প্রভাব মোকাবিলায় ৫ হাজার কোটি টাকার বিশেষ প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করেন। ফলে কোভিড পরিস্থিতি সত্ত্বেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা ও নির্দেশনায় দেশে কৃষির উৎপাদন ও খাদ্য সরবরাহের ধারা অব্যাহত থাকে এবং খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হয়।
‘জলবায়ু পরিবর্তন ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের সাথে মানবসৃষ্ট দুর্যোগ ১১ লাখ রোহিঙ্গাও বাংলাদেশের সমাজ ব্যবস্থা, অর্থনীতি ও পরিবেশে বিরূপ প্রভাব ফেলছে’ বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী।
এপিআরসি পক্ষ থেকে যৌথ বিবৃতিতে মন্ত্রী খাদ্য ও কৃষিতে কোভিডের প্রভাব মোকাবেলায় সমন্বিত কর্মসূচি নিয়ে এফএওকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, টেকসই ও পুষ্টিসম্মত খাদ্য ব্যবস্থা, ডিজিটাল উদ্ভাবন, জলবায়ুঘাতসহনশীল প্রযুক্তি, খাদ্য অপচয় হ্রাস ও নিরাপদ খাদ্যের ওপর গুরুত্ব দিয়ে এফএওর সহযোগিতা আরও বৃদ্ধি করতে হবে।

এছাড়া, এশিয়া প্যাসিফিক অঞ্চলের পানি স্বল্পতা ও পানি সমস্যা নিরসনের জন্য আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধির আহ্বান জানান মন্ত্রী। পানির সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা ও বণ্টনের জন্য একটি ‘ উচ্চ পর্যায়ের সম্মিলিত সংগঠন/প্ল্যাটফরম গঠনেরও প্রস্তাব করেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৮, ২০২১ ৬:২৮ অপরাহ্ন
জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার কাউন্সিলের সদস্য হল বাংলাদেশ
কৃষি বিভাগ

০২২-২০২৪ মেয়াদে এশিয়া অঞ্চলের প্রতিনিধি হিসেবে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) কাউন্সিলের সদস্য নির্বাচিত হয়েছে বাংলাদেশ। রোমের বাংলাদেশ দূতাবাস এ তথ্য জানায়।বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) ১৮৩টি সদস্য রাষ্ট্রের প্রতিনিধির অংশগ্রহণে চলমান ৪২তম এফএও কনফারেন্সে বাংলাদেশ সর্বসম্মতিতে এ সদস্যপদ অর্জন করে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সদস্যপদ অর্জনের মাধ্যমে বাংলাদেশ অন্যান্য কাউন্সিল সদস্য রাষ্ট্রের সঙ্গে নীতি ও নির্বাহী পর্যায়ে এফএও’র কার্যক্রম, বাজেট বাস্তবায়ন, ফলাফল ভিত্তিক কাঠামোর আওতায় কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ, পরিচালনা পরিষদের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন ও পরিবীক্ষণসহ এর প্রশাসনিক দিকগুলো তদারকিতে নেতৃত্ব দেবে। সমর্থন আদায়ে রোমস্থ বাংলাদেশ দূতাবাস সক্রিয় ভূমিকা পালন করে।

বাংলাদেশ এমন এক সময় এ সদস্যপদ লাভ করল যখন ঢাকায় ৩৬তম এশিয়-প্রশান্ত মহাসাগরীয় এফএও আঞ্চলিক সম্মেলন (এপিআরসি) অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রথমবারের মতো বাংলাদেশে অনুষ্ঠিতব্য এ সম্মেলন (৮-১১ মার্চ ২০২২) উদ্বোধন করবেন। যেখানে ৪৬টি দেশের মন্ত্রী পর্যায়ের প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

রোমের এফএও সদর দপ্তরে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে চলমান এফএও কনফারেন্সে কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক আট সদস্য বিশিষ্ট বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং অন্যান্যদের মধ্যে আছেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম, রোমস্থ বাংলাদেশ দূতাবাসের রাষ্ট্রদূত ও এফএও-তে স্থায়ী প্রতিনিধি মো. শামীম আহসান।

খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) জাতিসংঘের একটি বিশেষায়িত সংস্থা যা বিশ্বব্যাপী ক্ষুধা ও দারিদ্র দূরীকরণে প্রচেষ্টা চালায়।

 

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop