৩:০২ অপরাহ্ন

রবিবার, ৩ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ২২, ২০২১ ১১:৫০ পূর্বাহ্ন
পাহাড়ে লিচু চাষে সফল কাপ্তাইয়ের কৃষক এনামুল
কৃষি বিভাগ

কাপ্তাইয়ের জেলার শিলছড়ি পাহাড়ি ঢালুতে চায়না ও কালিপুরি লিচুর পরীক্ষামূলক চাষ করে সফল হয়েছেন সফল হয়েছেন কৃষক এনামুল হক।

এনামুল জানান, পার্বত্য চট্টগ্রাম দক্ষিণ বনবিভাগ থেকে পাওয়া সামাজিক বনায়নের পশুখাদ্য বাগানের পাশাপাশি ৪ একর পাহাড়ী ঢালু জমিতে পরীক্ষামূলকভাবে কালিপুরি ও চায়না ২ এবং ৩ জাতের লিচুর চাষ করেছেন। এবার তার বাগানে লিচুর বাম্পার ফলন হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাচ্চু। আগামী একমাসের মধ্যে লিচু বিক্রি করে তিনি লক্ষাধিক টাকা আয় করবেন বলে আশা করছেন।

কৃষক এনামুল জানান, লিচু চাষের পাশাপাশি এসব জমির পাহাড়ী অন্যান্য পরিত্যক্ত ঢালুতে তিনি বিভিন্ন প্রজাতির সবজি ও ফলের চাষ ও করেছেন।

কৃষক এনামুলের সাথে বাগানে তার স্ত্রীসহ ৩ ছেলেমেয়ে এবং আরো ২ জন শ্রমিক কাজ করেন। জমিতে লিচু, পশুখাদ্য বাগানসহ বিভিন্ন প্রজাতির সবজিরর চাষাবাদ করার ফলে তার আয়ের পরিমান বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে তার পরিবারের সব চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছে বলে জানান তিনি।

কৃষক এনামুল হক বাচ্চু বলেন, তার বাগানের পরিসর বৃদ্ধির জন্য তিনি কাপ্তাই উপজেলা কৃষি বিভাগের সাথে যোগাযোগ করবেন বলেও জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২২, ২০২১ ১২:৪২ পূর্বাহ্ন
ঝালকাঠিতে কৃষকের পাকা ধান কেটে ঘরে তুলে দিলো ছাত্রলীগ
কৃষি বিভাগ

চলছে কঠোর লকডাউন। আর এই লকডাউনে শ্রমিক না পেয়ে অন্য সবকিছুর ন্যায় কোণঠাসা হয়ে আছে কৃষকরাও। আর এই পরিস্থিতিতে ঝালকাঠির সদর উপজেলার বাসন্ডা ইউনিয়নের দারখি গ্রামের কৃষক খলিল সরদারের দুই বিঘা জমির পাকা বোরো ধান কেটে ঘরে তুলে দিয়েছে ছাত্রলীগ।

জানা যায়, দুই দিন ধরে সদর উপজেলার বাসন্ডা ইউনিয়নের দারখি গ্রামের কৃষক খলিল সরদারের জমির ধান কেটছে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীরা। এতে যেমন খুশি কৃষক, তেমনি ভালো কাজ করতে পেরে গর্বিত ছাত্রলীগ নেতা কর্মীরা।

কৃষক খলিল সরদার জানান, তাঁর দুই বিঘা জমিতে বোরো ধানের বাম্পার ফলন হলেও করোনাকালে কঠোর লকডাউনের মধ্যে ধানকাটার শ্রমিক পাচ্ছিলেন না। এ নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েন কৃষক। শ্রমিকের খোঁজে তিনি বিভিন্ন স্থানে ছুটে বেড়ান। শ্রমিক না পাওয়ার খবর শুনতে পান ঝালকাঠি সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অহিদুজ্জামান লুসান।

তিনি কৃষক খলিল সরদারের সঙ্গে কথা বলে তাঁর ধান কেটে ঘরে তুলে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। এতে কৃষক রাজি হলে গতকাল মঙ্গলবার থেকে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নিয়ে ধান কাটা শুরু করেন লুসান।

বুধবার দুই বিঘা জমির ধান কাটা শেষ হয়। কাটা ধান মাথায় করে কৃষকের বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ায় খুশি এলাকার মানুষ। ধান কেটে ঘরে তুলে দেওয়ায় কৃষক খলিল সরদার ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে বলেন, শ্রমিক দিয়ে ধান কাটালে প্রায় ৫/৬ হাজার টাকা খরচ হতো।

সদর উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক অহিদুজ্জামান লুসান জানান, লকডাউনের মধ্যে যদি কোন মানুষ বিপাকে পড়ে সহযোগিতা চায়, ছাত্রলীগ তাদের পাশে দাঁড়াবে। এক কৃষকের দুই বিঘা জমির ধান কেটে ঘরে তুলে দেওয়া হয়েছে, প্রয়োজনে জেলার যেখানে শ্রমিক সংকট দেখা দিবে সেই কৃষকের ধান কেটে দিবে ছাত্রলীগ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২১, ২০২১ ২:২৩ অপরাহ্ন
যশোরে স্বপ্নের ধান কাটা শুরু করলো কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

যশোরের কৃষকরা ধান কাটায় শুরু করলেন ব্যস্ত সময় কাটানো। গত মৌসুমে ধানের দাম বেশি হওয়ায় চলতি ইরি ধান মৌসুমে ঝিকরগাছা উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে ধান চাষ করা হয়েছে। বাম্পার ফলন আর ভাল দামও আশা করছেন সেখান কৃষকরা।

জানা যায়, ইরি ধান চাষে খরচ বেশি হওয়ার কারণে গত বছরগুলোতে কৃষকের মাঝে ধান চাষের আগ্রহ অনেক কম ছিল। কিন্তু প্রায় একযুগ পরে গত বছর আমন ধানের ভাল দাম পাওয়ায় চলতি বছরে ইরি মৌসুমে ধান চাষে আগ্রহী হয়েছে সর্বস্তরের মানুষ। অনেকেই চাষাবাদ ছেড়ে দিলেও তারা আবার নতুন চাষে ফিরে এসেছে। যে কারণে গত বছরের চেয়ে এবার বেশি জমিতে ইরি ধান চাষ হয়েছে।

উপজেলার বাঁকড়া বাজারের ধান ব্যবসায়ীদের অনেকে জানান, বর্তমানে ধানের দাম ভাল। তবে পরে কিছুটা কমে যেতে পারে। ইরি মৌসুমে ধানের চাষ হয়। বর্তমানে বাজার দর অনুযায়ী মণপ্রতি ব্রি-২৮, ব্রি-৬৩, মিনিকেট ১১৬০ টাকা, বাঁশমতি সাড়ে ১১শ’ থেকে ১২শ’ টাকা, তেজগোল্ড ও সুবোলতা ১১৮০ টাকা বিক্রয় হচ্ছে।

রায়পটন গ্রামের ইসমাইল হোসেন হোসেন জানান, রোজার মধ্যে ধান কাটা শুরু হয়েছে। এজন্য রোজাদার ব্যক্তিদের রোজা রাখা খুবই কষ্টকর হবে। একদিকে পুরুষরা মাঠে আর মহিলারা বাড়িতে ব্যস্ত হয়ে পড়েছে। এক দিকে রান্না-বান্না অন্যদিকে ধান তোলার জন্য উঠান উপযোগী করতে তাদের অনেক পরিশ্রম করতে হচ্ছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসরণ অধিদপ্তরের তথ্য মোতাবেক চলতি বছরের ১৭ হাজার ৬শ’ হেক্টর জমিতে ইরি ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। কিন্তু লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক জমিতে ধান চাষ হয়েছে। ধান চাষের পরিমাণ ১৮ হাজার ২শ’ হেক্টর। সবকিছু ঠিক থাকলে চলতি ইরি মৌসুমে ঝিকরগাছা উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক ধান উৎপাদন হবে এমনটাই আশা করছেন তারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২০, ২০২১ ৮:২৮ অপরাহ্ন
বাঙ্গিকে নিয়ে তর্কের শেষ নেই, দিনশেষ বাঙ্গি ভক্তের অভাব নেই!
কৃষি বিভাগ

।।সুলতান মাহমুদ আরিফ।।
বাঙ্গিকে বলা চলে একটি রাজকীয় ফল বটে। কারণ এই বাঙ্গির চাষ নিয়ে ধারণা করা হয় এটির জন্ম ইরান বা আফগানিস্তানে। আমেরিকা ও অস্ট্রেলিয়াতেও এই ফলের চাষ হয় ব্যাপক। তবে সাম্প্রতিক সময়ে সোস্যাল মিডিয়াতে ব্যাপক তোলপাড় এই বাঙ্গি আর তরমুজ নিয়ে। আমরা খাদকরা যতই তোলপাড় করি বাঙ্গি বড় নাকি তরমুজ বড় এটা নিয়ে। কিন্তু ঠিকই ভ্যান গাড়িতে দেখা যায় তরমুজ আর বাঙ্গির কত অন্তরঙ্গ সম্পর্ক। দেখে মনে হবে না এদের নিয়েই চলছে সোস্যাল মিডিয়াতে আলোচনা আর সমালোচনার ঝড়।

কেউ বলে বাঙ্গি গরিবের খাবার আর তরমুজ হলো বড় লোকের খাবার। এটা নিয়ে চলছে ভার্সুয়াল যুদ্ধ। কেউবা নিরপেক্ষতার দিক থেকে বলে বাঙ্গি আর তরমুজের মাঝে যদি হয় গরিব আর বড় লোক সম্পর্ক, তাহলে দুটোর দাম এক হয় কিভাবে। বাজারে তরমুজের দাম যা আবার বাঙ্গির দামও তা। উভয়টা বাজারে বিক্রি হচ্ছে কেজি ৫০ টাকা করে। আবার একই ভ্যানে তালমিলিয়ে আছে দু‘জন পরম আদরে। তাহলে কেন এত বিভেদ! প্রশ্ন তুলছেন নিরপেক্ষ সমাজ।

মাহমুদুল হাসান নামক একজন পোস্ট দিয়েছেন, বাঙ্গি ছাড়া আমার ইফতার চলে না…. বাঙ্গির মতো উপকারী ফল দ্বিতীয়টি মিলে না। খাও বাবা খাও… বাণীতে জনৈক আন্টি🙃

তুহিন পারভেজ বিপ্লব নামক একজন ফেসবুকে পোস্ট দিয়েছেন, তুই ভালো জমিতে জন্মানোর চান্স পাস নাই, তাই তুই বাঙ্গি!
— তরমুজ।

মাশরিকুল আলম নামক একজন পোস্ট দিয়েছেন, বয়ফ্রেন্ডের কথায় কতোকিছু মুখে নেয় আবার বাপ-মা বাঙ্গি খাইতে কইলেই সমস্যা৷

রাকিব নাম একজন আক্ষেপ করে বলেন, কেও ই বাঙ্গি খায় না তাইলে এত বাঙ্গি যায় কই??

সোহাগ নামক একজন পোস্ট দিয়েছেন, বাঙ্গি আমার অপছন্দের একটা ফল। তবের বাঙ্গির ফ্লেবারটা অসাধারণ। এবার ভাবছি বাঙ্গি কিনবো এবং জুস বানিয়ে খাবো। জুস খাওয়ার পর আমার অনুভূতি কি, তা জানাবো।

একজনতো কড়াকড়ি জানিয়ে দিয়েছেন- ওগো তুমি যদি বাঙ্গি পছন্দ না করো তবে, শুনে রাখো তোমার আর আমার সম্পর্ক এখানেই শেষ।

এছাড়াও এটা নিয়া গত কয়েকদিন ধরে ফেসবুকে পক্ষে-বিপক্ষে নানা আলোচনা আর সমালোচনা।

তবে, যে যায় বলেন না কেন, বাঙ্গির চাহিদা কিন্তু কম না। বাজারে হরহামেশ চলছে বাঙ্গির বেচা-কেনা। আজ বাড্ডাতে তরিকুল নামক এক তরমুজ এবং বাঙ্গি বিক্রেতার সাথে কথা বলে জানা যায়, তিনি বাঙ্গি এবং তরমুজ উভয়টা সমান দামেই বিক্রি করছেন।বরং সুযোগ পেলে বাঙ্গি ৫টাকা বেশিও বিক্রি করছেন বলে জানান তিনি।

আরেকজন ব্যবসায়ী জানান, দু‘টোর চাহিদা ই অনেক। সবাই বাঙ্গিও নিচ্ছে আবার তরমুজ নিচ্ছে। দিনশেষে মাশাআল্লাহ আমার বাঙ্গি এবং তরমুজ কোনটায় থাকে না।

অতএব বাঙ্গিকে নিয়ে যারা গরিব বলে পোস্ট দিচ্ছেন তারা বাজার ঘুরে এসে পোস্ট দেয়া দরকার। বাজারে গেলেই তবে বুঝা যায় বাঙ্গি আর তমুজের কি মিলবন্ধন আর সমদামের অবস্থান।

বাঙ্গিকে নিয়ে যতই হাস্যকর পোস্ট কিংবা আলোচনা আর সমালোচনা বয়ে যাক না কেন, বাঙ্গি প্রেমিকরা বাঙ্গির ভালোবাসা থেকে এক চুলও নড়বে না বলে অনেকেই জানিয়েছেন সোস্যাল মিডিয়াতে। বাঙ্গিযে কেবল মৌসুমী ফসল এমনটি নয়। বাঙ্গিতে আছে অনেক গুণাগুণ।

কাঁচা বাঙ্গি সবজি হিসেবে রান্না করে খাওয়াতে আছে অসাধারণ মজা। বাঙ্গিতে আছে আমিষ, ফ্যাটি অ্যাসিড ও খনিজ লবণ।

এছাড়া মূত্রস্বল্পতা কিংবা ক্ষুধামান্দ্য দূর করতে পারে এই বাঙ্গি। বাঙ্গিকে বলা হয় এটি অনেকটা শসাগোত্রীয় ফল। কারণ এটির গাছ দেখতে অনেকটা শসাগাছের মতো লতানো। এটি একটি স্বতন্ত্র স্বাদের ফল।এই ফলের ওজন এক থেকে চার কেজি পর্যন্ত হতে পারে।

জানা যায়, আমাদের দেশে প্রধানত বেলে ও এঁটেল বাঙ্গি নামক দু‘জাতের বাঙ্গি দেখা যায়। বেলে বাঙ্গির শাঁস নরম। খোসা খুব পাতলা, শাঁস খেতে বালু বালু লাগে। তেমন মিষ্টি নয়। অন্যদিকে, এঁটেল বাঙ্গির শাঁস কচকচে, একটু শক্ত এবং তুলনামূলকভাবে মিষ্টি।

আমিরুল আলম খান তার ‘বাংলার ফল’ বইয়ে উল্লেখ করেছেন, প্রতি ১০০ গ্রাম বাঙ্গি থেকে পাওয়া যায় ২৫ ক্যালরি পুষ্টিগুণ। ভেষজ গুণ আছে বাঙ্গির।

তবে সবচেয়ে মজার বিষয় হলো এ ফলে কোনো চর্বি নেই। যাদের ওজন নিয়ে বিশেষ চিন্তা তারা এ ফল বেশি বেশি খেতে পারেন নির্দ্বিধায়। বরং দেহের ওজন কমাতে, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করতে বাঙ্গির ভূমিকা অপরিহার্য।

আর বাঙ্গির এত গুণাগুণ দেখে আমার মনে হয় যারা ঝড় তুলছেন বাঙ্গির বিপক্ষে তারা নিরবে, লুকিয়ে কিংবা রাতের আঁধারে ঠিকই বাঙ্গির প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন হরহামেশ। তা না হলে সত্যি- বাজারের এত বাঙ্গি যাচ্ছে কই!!?

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২০, ২০২১ ১১:১২ পূর্বাহ্ন
শাক বীজ উৎপাদনে চুয়াডাঙ্গার কৃষকদের ভাগ্য বদল
এগ্রিবিজনেস

চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলায় শাক বীজ উৎপাদনে পাল্টে যাচ্ছে সেখানকার কৃষকদের ভাগ্যের চাকা।একসময় শুধু ইরি-বোরো ও আমন চাষের পাশাপাশি প্রচলিত কিছু শাক-সবজি চাষের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল তাদের কৃষিকাজ। কিন্তু এখন আধুনিক পদ্ধতিতে নানা জাতের লাল শাক আবাদ করে তা থেকে বীজ উৎপাদন করে লাখ লাখ টাকা আয় করছেন কৃষকরা। অল্প সময়ে স্বল্প পুঁজিতে অধিক লাভ করা যায় বলে প্রতিবছরই শাক বীজ উৎপাদনে মেতে উঠছেন এখানকার কৃষকরা।

জানা যায়, এ বছরও উপজেলার আব্দুলবাড়িয়া, দেহাটি, কাশিপুর, অনন্তপুর, নিশ্চিন্তপুর, পুরন্দপুর, বাঁকা ও মুক্তারপুর গ্রামে ১২০ হেক্টর জতিতে উচ্চ ফলনশীল নানা জাতের লাল শাকের আবাদ করা হয়েছে এবং এর থেকে বীজ উৎপাদন করা হবে।

আন্দুলবাড়িয়া গ্রামের সফল শাক বীজ উৎপাদনকারী চাষি শুকুর আলী জানান, আজ থেকে ১৫ বছর আগে এ এলাকায় প্রথম তিনি শাক বীজ উৎপাদন শুরু করেন। ওই বছর তিনি এক বিঘা জমিতে ১ হাজার টাকা খরচ করে উৎপাদিত বীজ প্রায় ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি করেন। ফলে অধিক পরিমাণ লাভ হওয়ায় পরের বছর তিনি জমির পরিমাণ আরও বাড়িয়ে দেন। এ বছর তিনি ৫ বিঘা জমিতে শাকের আবাদ করেছেন এবং তা থেকে তিনি বীজ উৎপাদন করবেন। ৫ বিঘা জমিতে উৎপাদিত বীজ তিনি দেড় লাখ টাকায় বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করছেন।

তিনি আরো জানান, অগ্রহায়ণ মাসে ভালোভাবে জমি কর্তন ও সার প্রয়োগের মাধ্যমে জমিকে শাক চাষের উপযোগী করে তোলা হয়। জমিতে বীজ বপনের ১০ থেকে ১৫ দিনের মাথায় চারা গজায়। ৪ মাসের মাথায় জমি থেকে গাছ কেটে বীজ সংগ্রহ করা হয় এবং প্রতিবিঘা জমিতে ৬ থেকে ৮ মণ বীজ উৎপাদিত হয়। জমি তৈরি থেকে বীজ সংগ্রহ পর্যন্ত প্রতিবিঘা জমিতে খরচ হয় ৮ থেকে ১০ হাজার টাকা। আর উৎপাদিত বীজ বিক্রি হয়ে থাকে ৩০ হাজার টাকা থেকে ৪০ হাজার টাকা পর্যন্ত। যা সমস্ত খরচ বাদ দিয়ে প্রতি বিঘা জমিতে লাভ হয় ২০ হাজার টাকা থেকে ৩০ হাজার টাকা।

ইতোমধ্যেই উপজেলার আব্দুলবাড়িয়া, দেহাটি, কাশিপুর, অনন্তপুর, নিশ্চিন্তপুর, পুরন্দপুর, বাঁকা ও মুক্তারপুর গ্রামের প্রায় সহস্রাধিক কৃষক তার দেখাদেখি সবজি বীজ উৎপাদন করে নিজেদের ভাগ্য বদল করেছেন।

জীবননগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শারমিন আক্তার জানান, উপজেলার আন্দুলবাড়িয়া এলাকার জমিগুলো সবজি চাষের জন্য বেশি উপযোগী। এখানকার চাষিরা সবজি চাষের ব্যাপারে বেশ অভিজ্ঞও। এ কারণে এলাকার চাষিরা উন্নত কৃষি প্রযুক্তির আওতায় সবজি চাষে গ্রামীণ অর্থনীতিতে নতুন স্পন্দন এনেছেন বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৯, ২০২১ ৭:৫৪ অপরাহ্ন
ধান নিয়ে বিপাকে কৃষক, কেটে ঘরে তুলে দিলো ছাত্রলীগ
কৃষি বিভাগ

শ্রমিক দিয়ে বহু কষ্টে ১৭ কাঠা জমিতে ধান লাগিয়েছিলেন বয়সের ভারে নুয়ে পড়া গোপালগঞ্জের সদর উপজেলার করপাড়া ইউনিয়নের হাটবাড়িয়া গ্রামের কৃষক রজব মুন্সী(৭০)। জমিতে ভালো ফলনও হয়েছে তার। কিন্তু প্রাকৃতিক দুর্যোগ আসার আগেই জমির ধান কেটে ঘরে তুলতে চাইলেও করোনার কারণে শ্রমিক না পেয়ে যখন হতাশ। ঠিক তখনই বৃদ্ধ কৃষকের দুঃচিন্তা কমাতে এগিয়ে আসলো গোপালগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগ।

সোমবার (১৯ এপ্রিল) সকালে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিউটন মোল্লার নেতৃত্বে ৩০ সদস্যের একটি দল কৃষক রজব মুন্সীর ১৭ কাঠা জমির ধান কেটে দেন। পরে তারা সেই ধান মাড়াই করে ঘরে তুলে দেন।

এ বিষয়ে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি নিউটন মোল্লা জানান, করোনা পরিস্থিতি কারণে এখন ধান কাটা শ্রমিকের সঙ্কট দেখা দিয়েছে। এতে কৃষকরা তাদের জমির ধান ঘরে তুলতে পারছেন না। আমরা খবর পেলেই কৃষকের জমির ধান কেটে দিবো। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কৃষকদের পাশে থাকবেন বলেও তিনি জানান।

কৃষক রজব মুন্সী জানান, করোনার কারণে জমির ধান কাটার জন্য শ্রমিক পাচ্ছিলাম না। এতে ধান নিয়ে চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা আমার জমির ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তুলে দিয়েছে। জমির ধান নষ্ট হবার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ায় আমি খুশি। আমি দোয়া করি আল্লাহ যেন এদের ভালো করে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৯, ২০২১ ৭:০৮ অপরাহ্ন
কৃষকদের ধান কেটে দিতে নেতাকর্মীদের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী‘র
কৃষি বিভাগ

বোরো মৌসুমে কৃষকদের ধান কাটতে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কৃষকলীগের ৪৯তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে শুভেচ্ছা প্রদানকালে দলের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনার কথা উল্লেখ করেন।

তিনি বলেন, ‘কৃষকদের ধান কাটার ব্যাপারে নেত্রীর নির্দেশনা রয়েছে। গতবারের মতো এবারও আমাদের সহযোগী সংগঠনগুলো ধান কাটার ব্যাপারে কৃষকদের পাশে দাঁড়াবে। সহযোগিতা করবে, এটাই আমি আশা করছি।’

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গের অভিঘাত শুরু হয়েছে। এ সময় কৃষকলীগের অনেক দায়িত্ব রয়েছে। আমাদের অন্যান্য সহযোগী সংগঠনেরও দায়িত্ব রয়েছে। বিশেষ করে ধানকাটার বিষয়টিতে গতবার কৃষক লীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবক লীগ অংশ নিয়েছিল। ঠিক এবারও মাননীয় প্রধানমন্ত্রী চাইছেন, আমাদের কৃষক লীগ ধান কাটার মৌসুম কৃষকদের পাশে দাঁড়াবে। ধান কেটে প্রয়োজনে কৃষকদের বাড়ি বাড়ি পৌঁছে দেবে।’

এ সময় ওবায়দুল কাদের কৃষকদের কল্যাণে কৃষকলীগের সবাইকে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করার আহ্বান জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৯, ২০২১ ৪:৫০ অপরাহ্ন
“ব্রি উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল জাতগুলো খাদ্য উৎপাদনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে”
কৃষি গবেষনা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) কর্তৃক উদ্ভাবিত নতুন নতুন অভিঘাত সহনশীল ও উচ্চ ফলনশীল জাতগুলো দেশের খাদ্য নিরাপত্তাকে টেকসই করবে এবং ভবিষ্যতে খাদ্য উৎপাদনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে মন্তব্য করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব জনাব মেসবাহুল ইসলাম

তিনি সোমবার (১৯ এপ্রিল) ব্রি উদ্ভাবিত উচ্চ তাপ সহনশীল ধানের প্রস্তাবিত জাত এবং বাসমতি টাইপ ধান, হাইব্রিড ধানের গবেষণা ও বিভিন্ন পুষ্টিগুণ সম্পন্ন জাতের প্লটসমূহ পরিদর্শন শেষে ব্রি প্রশিক্ষণ কমপ্লেক্সে এর মিলনায়তনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় এসব কথা বলেন।

পরিদর্শনকালে ব্রির মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর সচিব‘কে বিভিন্ন গবেষণা প্লট সর্ম্পকে ব্রিফ করেন।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব বলেন, আমাদের দেশের কৃষকরা তাদের প্রয়োজন অনুযায়ী চাষাবাদ প্রক্রিয়ায় রূপান্তর বা পরিবর্তন নিয়ে আসছেন। ধানের জমি অনেক ক্ষেত্রে হাই ভ্যালু ফসলের জন্য ছেড়ে দিতে হচ্ছে। এখন আমাদের কে অল্প জমিতে অধিক ধান ফলাতে হবে। এজন্য অভিঘাত সহনশীল ও উচ্চ ফলনশীল জাত ব্যবহার করতে হবে।

তিনি বলেন, মানুষের রুচির পরিবর্তন হচ্ছে। এখন মানুষ সরু চাল খেতে পছন্দ করে। আগে সরু ও সুগন্ধি ধানের জাতগুলো যেখানে হেক্টর প্রতি ২-৩ টন ফলন দিত এখন ব্রি উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল সুগন্ধি জাতগুলো ৫-৬ টন ফলন দিচ্ছে যা অত্যন্ত আশা ব্যঞ্জক। এ সময় তিনি ব্রির বিজ্ঞানীদের উচ্চ তাপমাত্রা সহিষ্ণু জাত উদ্ভাবনের গবেষণা কার্যক্রমের অগ্রগতি দেখে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করেন।

পরিদর্শনকালে ব্রির মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীর ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ওয়াহেদা আক্তার, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো. আসাদুল্লাহ, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. নাজিরুল ইসলাম, জাতীয় কৃষি প্রশিক্ষণ একাডেমীর মহাপরিচালক ড. আখতারুজ্জামান, ব্রি’র পরিচালক (গবেষণা) ড. কৃষ্ণপদ হালদার, পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. মো. আবু বকর ছিদ্দিক এবং বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধানগণ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৯, ২০২১ ৪:৩৭ অপরাহ্ন
বগুড়ায় আউশ চাষে ৭৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা প্রণোদনা কৃষি মন্ত্রণালয়ের
কৃষি বিভাগ

বগুড়া জেলায় এবার আউশ চাষে ৯ হাজার কৃষককে ৭৮ লাখ ৭৫ হাজার টাকা প্রণোদনা দিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তরেরর উপ-পরিচালক মো:দুলাল হোসেন জানান, এক জন কৃষক এক বিঘার জন্য প্রণোদনা পাবে। এতে ৯ হাজার বিঘা জমিতে আউশ চাষ হবে বলে তিনি জানান।

আমান ও আউশের মাঝখানে যাতে জমি অলস পড়ে না থাকে এবং দেশে চালের ঘাটতি মেটাতে কৃষি বিভাগ প্রণোদনা দিয়ে কৃষকদের আউশ চাষে উৎসাহ দিয়ে আসছে বেশ কয়েক বছর ধরে।

জেলা কৃষি কর্মকর্তার এক তথ্যে জানা গেছে জেলায় এবার এ ২৯ হাজার ২৩৫ হেক্টর জমিতে আউশ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে। যা থেকে ৭৫ হাজার ৮শ’ মেট্রিকটন আউশ(চাল আকারে) ফসল পওয়ার যাবে বলে আশা করছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

জেলার কৃষি কর্মকর্তারা জানান, ইতোমধ্যে আউশ বীজ তলার কাজ শুরু হয়ে গেছে। আগামী মে মাসে আউশ ধান রোপণ শুরু হবে।

তারা আরো জানান, ৯ হাজার কৃষককে যে পৌনে ৭৮ লাখ টাকা প্রণোদনার কৃষি উপকরণ দেয়া হচ্ছে তাতে একজন কৃষক পাবে ৫ কেজি বীজ, ২০ কেজি ডিএপি, ১০ কেজি এম ও পি সার।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহকারী কৃষি অফিসার ফরিদ উদ্দিন জানান, বৃষ্টি আউশ চাষের জন্য উপকারী। যদি আবহাওয়া অনুকূল থাকে তবে এবার আউশের লক্ষ্যমাত্র অতিক্রম করবে। এখন অনাবৃষ্টি কারণে কৃষকরা সেচ দিয়ে বীজতলা প্রস্তুত করছে। তবে বৃষ্টি হলে এ সমস্যা দূর হবে এমনটাই আশাবাদ করছেন তারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৯, ২০২১ ৩:৫০ অপরাহ্ন
বিশ্বের দশটি দেশে রফতানি হচ্ছে জয়পুরহাটের আলু
এগ্রিবিজনেস

জয়পুরহাট জেলায় সম্প্রতি আলু উত্তোলন শেষ হয়েছে। বরেন্দ্র অঞ্চল হিসেবে পরিচিত এই জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক পরিমাণ জমিতে আলুর চাষ হয়েছে। দেশের চাহিদা মিটিয়ে বহির্বিশ্বের দশটি দেশ তথা মালেয়শিয়া, সিঙ্গাপুর, থাইল্যান্ড, জাপান, ইন্দোনেশিয়া, সৌদি আরব, কুয়েত, নেপাল, রাশিয়া ও দুবাইয়ে রফতানি করা হচ্ছে জয়পুরহাটের আলু। এই অঞ্চলের আলু অত্যন্ত উন্নত মানের হওয়ায় দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশের মাটিতেও এর চাহিদা অনেক। অন্যান্য বারের তুলনায় এবার আলুর দাম ভালো পাওয়ায় বেশ খুশি কৃষকরাও।

জয়পুরহাটের কালাই উপজেলার আলু রফতানিকারক বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সূচি এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মো. সুজাউল ইসলাম সুজা জানান, গত ৯ বছর যাবত আমি বহির্বিশ্বের ৮টি দেশে আলু রফতানি করে আসছি। আলু রফতানি করতে প্রথমে আমি জমি নির্বাচন করি, পরে সেই জমিতে স্থানীয় কৃষি বিভাগের তত্ত্বাবধানে আলু রোগ বালাই মুক্ত করে ফলন নিশ্চিত করার পর আলু পরিপক্ক হলে তা তোলা হয়। এক পর্যায়ে বাছাইয়ের পর গ্রেটিং করে ৫কেজি, ১০ কেজি, ২০ কেজি প্যাকেট করে রফতানির জন্য প্রস্তুত করে প্রক্রিয়াজাতের কাজ শেষ হলে তা ঢাকায় রফতানিকারক প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হয় সেখান থেকে বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশে রফতানি করা হয়। এই কাজে কৃষি বিভাগের ছাড়পত্র পেতে অনেক ভোগান্তির শিকার হতে হয় ফলে অনেকেই অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে বিদেশে আলু রফতানি করছে।

তিনি বলেন আমার কোম্পানিতে বর্তমানে শতাধিক শ্রমিক কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছে। চলতি ২০২০-২১ মৌসুমে জেলায় ৪১৩১৫ হেক্টর জমিতে আলুর চাষ হয়েছে। আলু উৎপাদন হয়েছে ৯ লাখ ৬০ হাজার মেট্রিক টন। গত মৌসুমে আলু উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩৮৫০০ হেক্টর জমিতে। আলু উৎপাদন হয়েছিল ৮ লাখ ৩৫ হাজার মেট্রিক টন। আলু উৎপাদনে উদ্বৃত্ত জেলা হিসেবে পরিচিত জয়পুরহাট।

তিনি আরো বলেন, ফলন ভালো হওয়ায় স্থানীয় কৃষকরা গ্যানোলা, মিউজিকা, ডায়মন্ড, এস্টোরিকস, কার্ডিনাল , রোজেটা ও দেশি জাতের আলু বেশি চাষ করে থাকে। জেলার ১৫ টি কোল্ড স্টোরেজে প্রায় ১লাখ ৮৫ হাজার মেট্রিক টন আলু সংরক্ষণ করা হয়েছে।

জয়পুরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক স ম মেফতাহুল বারি জানান, জেলায় আলু চাষ সফল করতে স্থানীয় কৃষকদের মাঠ পর্যায়ে প্রশিক্ষণসহ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক মনিটরিং তদারকি ও কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করেছে। বিএডিসি’র পক্ষ থেকে কৃষকদের মাঝে উন্নত জাতের আলু বীজ সরবরাহ করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত অনেক পাইকারী ক্রেতারা জমি থেকেই আলু কিনে নিয়ে গেছে। এবার বাজারেও আলু প্রকার ভেদে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত কেজি বিক্রি হওয়ায় কৃষকরা বেশ খুশি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop