১:৫৭ অপরাহ্ন

শুক্রবার, ২৬ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ২১, ২০২২ ৭:২৪ অপরাহ্ন
লক্ষ্মীপুরে আগাম শীতকালীন সবজি চাষে ব্যস্ত কৃষক
কৃষি বিভাগ

লক্ষ্মীপুরের কৃষকরা আগাম শীতকালীন সবজি চাষে মাঠে ব্যস্ত সময় পার করছেন। ভোর থেকে বিকেল পর্যন্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন সবজি ক্ষেতে। বীজ বপন থেকে শুরু করে চারা গাছ লাগানো, সার-কীটনাশক প্রয়োগে ব্যস্ত সবাই।

লক্ষ্মীপুর সদর, কমলনগর, রামগতি ও রায়পুরের কৃষকরা বিভিন্ন শীতকালীন সবজি চাষ করেছেন। এরমধ্যে রয়েছে- মুলা, বেগুন, ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, শিম, লালশাক, ঢেঁড়শ, ধুন্দুল, করলা, পালংশাক, পুঁইশাক, বরবটি, লাউ, কুমড়া।

কৃষকরা শীত আসার আগেই এসব সবজি বাজারে নিয়ে আসতে চান। আর চার থেকে ছয় সপ্তাহ পর এসব সবজি বাজারজাত করতে পারবেন বলে আশা করছেন তারা।

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা ভবানীগঞ্জ ইউনিয়নের সুতারগুপ্টা, বেড়ির মাথাসহ বেশ কিছু এলাকায় দেখা যায়, মাঠে কাজ করছেন কৃষকরা। কেউ সার ছিটচ্ছেন, কেউ মাটি দিচ্ছেন, কেউবা সবজি ক্ষেত পরিচর্যা করছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ভালো লাভ পাবেন বলে আশাবাদী চাষিরা।

এদিকে বিভিন্ন স্থানে চিচিঙ্গা, লাউ, চষা ও বেগুনের ভালো ফলন হয়েছে। আগাম শীতকালীন সবজি হিসেবে এসব সবজি বাজারে ওঠা শুরু করেছে। বিক্রিও হচ্ছে বেশ ভালো দামে। লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার আবিরনগর, টুমচর, শাকচর, মিয়ারবেড়ি, চর উভূতি, ভবানীগঞ্জ, আবদুল্যাপুর, তেওয়ারিগঞ্জ, লাহারকান্দিসহ বিভিন্ন এলাকায় সারাবছর ধরে শাক-সবজির চাষ হয়। তবে শীত মৌসুমকে কেন্দ্র করে আগাম শীতের সবজি আবাদ হয় ব্যাপক হারে। জেলার সবচেয়ে বড় সবজির হাট পিয়ারাপুরবাজার। সপ্তাহে চারদিন হাট বসে ঐ বাজারে। স্থানীয় কৃষকরা সরাসরি হাটে তোলেন কৃষিপণ্য। এসব পণ্য এখানে পাইকারি দরে বিক্রি করেন তারা।

ভবানীগঞ্জের কৃষক শরীফ উল্যাহ জানান, শীতের শুরুতে শীতকালীন সবজি বাজারে তুলতে পারলে দাম ভালো পাওয়া যায়। পাশাপাশি বাজারে চাহিদা থাকার কারণে তিনি এ বছর শীতকালীন সবজি হিসেবে লাউ, শিম ও বেগুনের চাষ করেছেন। আগামী দুই থেকে তিন সপ্তাহরে মধ্যে এসব আগাম সবজি বাজারে বিক্রি করতে পারবেন তিনি।

একই এলাকার কৃষক হোসেন জানান, প্রতি বছর তিনি শীতকালীন সবজি চাষ করে ভালো দামে বিক্রি করতে পারেন। এ বছর তিনি আট একর জমিতে শসা ও টমেটো চাষ করেছেন। ফলন ভালো হলে গত বছরের তুলনায় এ বছর তিনি বেশি লাভবান হবেন বলে আশা করছেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক ড. জাকির হোসেন জানান, প্রতিবছরের মতো এবারো জেলার কৃষকরা আগাম শীতকালীন সবজি চাষ করেছেন। এবার জেলায় মোট সাড়ে পাঁচ হাজার হেক্টর জমিতে সবজি চাষ করেছে। এ সবজি আগামী দুই মাসের মধ্যে বাজারজাত করা যাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২০, ২০২২ ৬:২০ অপরাহ্ন
শেরপুরের তুলা চাষ করে চাষিরা লাভবান
কৃষি বিভাগ

জেলার নকলা উপজেলার পাশদিয়ে বয়ে যাওয়া ব্রহ্মপুত্রের চরাঞ্চলের নিস্ফলা জমিতে তুলা চাষ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গাছে ব্যাপক ফলন দেখে বুঝাযাচ্ছে খরচের তুলনায় এবার কৃষকরা কয়েকগুণ বেশি লাভ পাবেন।কয়েক বছর ধরে কম খরচে বেশি লাভ পাওয়ায়, নকলার স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে তুলা চাষে আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। জলবায়ুসহনশীল এ তুলা চাষে বেশি লাভ পাওয়ায় উপজেলার বড় ও মাঝারি শ্রেণীর কৃষকরা তুলা চাষে ঝুঁকছেন। তুলার যেন নেই তুলনা, বর্তমানে এটি কৃষকদের কাছে সাদা সোনায় পরিণত হয়েছে।

নকলায় কার্পাস তুলা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন উপজেলার চন্দ্রকোণা ও চরঅষ্টধর ইউনিয়নের চাষি। তুলা চাষে সংসারে সচ্ছলতা আসায় অন্য ইউনিয়নের চাষিরাও আগ্রহী হচ্ছেন। অনুর্বর জমিতে কম পুঁজিতে নামেমাত্র শ্রমে ও সরকারি সহযোগিতা পাওয়ায় উপজেলায় তুলা চাষের পরিমাণ ও চাষির সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। তাদের উৎপাদিত তুলা সরাসরি তুলা উন্নয়ন বোর্ড ন্যায্য দামে কিনে নেয়। ফলে কৃষকরা অন্য ফসলের তুলনায় তুলাতে অধিক লাভবান হচ্ছেন।

উপজেলায় সরকারি সহযোগিতায় ২০১৫ সালে পরীক্ষামূলকভাবে উন্নত জাতের তুলা চাষ শুরু করা হয়। প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলকভাবে সরকারি সহায়তায় কৃষকরা সিবি-১২ এবং হাইব্রিড প্রজাতির রুপালি-১ জাতের তুলার চাষ করছিলেন। ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকের আগ্রহ বেড়ে যায়। তবে কিছু কিছু ক্ষেতে এসিট, জেসিট, আমেরিকান বোলওয়ার্ম, স্পটেট বোলওয়ার্ম ও আঁচা পোকার অক্রমণ দেখা দিয়েছিল। এতে তুলা চাষি কীটনাশকের বদলে ফেরোম্যান ফাঁদ ও পার্চিং পদ্ধতিতে বেশ উপকার পেয়েছেন।

নকলা সাব কটন ইউনিট অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছর নকলা ইউনিটে ৪০ হেক্টর জমিতে তুলার আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি সহযোগিতায় বিভিন্ন প্রদর্শনী ও কৃষকের নিজ অর্থায়নে চাষ করা হয়েছে। ভালো ফলন ও ন্যায্য দাম পাওয়ায় আগামীতে চাষির সংখ্যা অনেক বাড়বে বলে আশা করছেন তুলা উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাসহ স্থানীয় কৃষকরা।

তুলা চাষিরা জানান, রূপালি-১, হোয়াইট গোল্ড-১ ও হোয়াইট গোল্ড-২ জাতের তুলা প্রতি বিঘাতে বীজসহ উৎপাদন হয় ১৬ মণ থেকে ১৮ মণ করে। যার বর্তমান বাজার মূল্য কমপক্ষে ৫৭ হাজার থেকে ৬৪ হাজার টাকা। এমন অনুর্বর জমিতে অন্য কোনো ফসলে এই লাভ পাওয়া কোনোক্রমেই সম্ভব নয়। আবার একই জমিতে সাথী ফসল হিসেবে বিভিন্ন শাক-সবজি ও মসলা জাতীয় ফসল চাষ করেও বাড়তি আয় করা যায় বলে চাষিরা জানান। তাইতো তুলা চাষিদের মধ্যে অনেকে বলেন, “দুই বিঘা জমির তুলা চাষে, লাখপতি অনয়াসে”।

সফল তুলা চাষিদের মধ্যে জাংগীড়ার পাড় এলাকার আরিফুজ্জামান রঞ্জু একজন। তিনি কয়েক বছর ধরে তুলা চাষ করে লাভবান হচ্ছেন। তিনি এবছর ৫ একর জমি বন্ধক নিয়ে তুলা চাষ করেছেন। রঞ্জুসহ অনেকেই বলেন, তুলা চাষে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা বাড়ালে অনেক অনুর্বর, নিস্ফলা বা অনাবাদি জমিতে তুলা চাষ করে অনেকের ভাগ্য পরিবর্তন করা সম্ভব। চাষিদের মতে, নিস্ফলা জমিতে তুলা চাষ করায় একদিকে যেমন জমির সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত হচ্ছে, অন্যদিকে কৃষকরা বেশ টাকা পাচ্ছেন, তাদের পরিবারে আসছে স্বচ্ছলতা। তাই অনেকে ধান ও গমসহ বিভিন্ন আবাদ ছেড়ে তুলা চাষে আগ্রহী হয়েছেন।

নকলা সাব কটন ইউনিট কর্মকর্তা মো. তোফায়েল আলম জানান, এ দেশে আমেরিকান, ইজিপসিয়ান, ইন্ডিয়ান ও পাকিস্তানি জাতের তুলা চাষ হলেও নকলা ইউনিটে রুপালি-১, হোয়াইট গোল্ড-১, হোয়াইট গোল্ড-২ জাতের তুলা বেশি চাষ করা হয়েছে। এছাড়া ডিএম-৪, সিডিবি ও সিবি-১২ জাতের তুলা চাষ করা হয়েছে। তিনি বলেন, তুলা গ্রীষ্মকালীন ফসল। মে মাসের শেষ ভাগ থেকে শুরু করে জুনের প্রথমার্ধ পর্যন্ত জমিতে তুলা বীজ বপন করতে হয়। তুলার ভালো ফলনের জন্য গড়ে ২৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা এবং বাৎসরিক গড় বৃষ্টিপাত ৬৩৫ থেকে ১০১৬ মিলিমিটার হওয়া উত্তম। ১৫ থেকে ২০ সেন্টিমিটার গভীরতায় চাষ করে হেক্টরপ্রতি ২৭৭ কেজি অস্থিচূর্ণ, ৯.৫ টন থেকে ১৩.৮ টন গোবর বা সবুজ সারসহ পরিমিত পরিমাণে ইউরিয়া, টিএসপি, এমপি সার ব্যবহার করলে ফলন ভালো হয়। আর জাত ভেদে বীজ বুনতে হয় ৭.৫ থেকে ১৮ কেজি। বীজ বপনের ৬ মাস পর তুলা সংগ্রহ করা যায়। নকলা উপজেলার সব ইউনিয়নে তুলা চাষ করা সম্ভব। প্রত্যন্ত অঞ্চলে তুলা চাষ ছড়িয়ে দিতে তুলা উন্নয়ন বোর্ড ও বিভিন্ন প্রকল্প কৃষকদের প্রশিক্ষণসহ সার্বিক সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে বলে তোফায়েল আলম জানান।

তুলা উন্নয়ন বোর্ডের বেশ কয়েকজন কর্মকর্তার সাথে কথা হলে তারা জানান, বাংলাদেশের অর্থনীতি এখনো কৃষিনির্ভর। এদেশের ৬৫ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির সঙ্গে জড়িত। বাংলাদেশ বর্তমানে খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হলেও এখনো বিভিন্ন শস্য ও ফসল আমদানি নির্ভরতা কমেনি। এমন একটি কৃষি ফসল তুলা। কিন্তু তুলা উৎপাদনে আমরা পিছিয়ে আছি। তুলা একটি আন্তর্জাতিক মানের শিল্প ফসল, যা বিশ্বব্যাপী “সাদা সোনা” হিসেবে পরিচিত। বাংলাদেশে বছরে প্রায় ৮০ লাখ বেল তুলার চাহিদা রয়েছে, কিন্তু চাহিদার প্রায় ৫ শতাংশ দেশে উৎপাদন হচ্ছে। আর পোশাক খাতে ব্যবহৃত বিপুল পরিমাণ তুলা বিদেশ থেকে এখনও আমদানি করতে হয়।

আবাদ থেকে তুলার আঁশ ছাড়াও ভোজ্যতেল, খইল, জ্বালানি উপজাত হিসেবে পাওয়া যায়। এ ভোজ্যতেলে খুব কম পরিমাণে কোলেস্টেরল থাকে এবং তুলার বীজ থেকে ১৫ থেকে ২০ শতাংশ হারে তেল পাওয়া যায়; যা উচ্চ প্রোটিনসমৃদ্ধ এবং সয়াবিন তেলের চেয়েও পুষ্টিকর। আর তুলার খইলে ২৪ শতাংশ উচ্চ প্রোটিন পাওয়া যায়, ২০ শতাংশ হারে উচ্চফ্যাট ও ৪০ শতাংশ ক্রুড আঁশ; যা পশু ও মৎস্যখাদ্যের জন্য অত্যন্ত উপকারী।

তুলার সঙ্গে জড়িয়ে আছে ঐতিহ্য, ইতিহাস, সভ্যতা ও অর্থনীতি। মানুষের পাঁচটি মৌলিক চাহিদার মধ্যে খাদ্যের পরেই বস্ত্রের স্থান। আর এ বস্ত্রের প্রায় ৭০ ভাগ আসে তুলা থেকে। পৃথিবীতে তুলার ইতিহাস রচিত হয়ে আসছে সাত হাজার বছর পূর্বথেকে। বিভিন্ন তথ্যে জানা গেছে,

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তুলা উন্নয়ন বোর্ড গঠন করে পাকিস্তানে নেওয়া ৩২৫ জন চাষিকে স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনেন এবং ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈলে ৭৯৬ একর জমি তাদের মধ্যে তুলা চাষের জন্য বরাদ্দ প্রদান করেন। এর মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে তুলা চাষের শুভ সূচনা হয়। ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হওয়া তুলা উন্নয়ন বোর্ডের নিজস্ব ভবন ছিল না, কিন্তু বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তুলা উন্নয়ন বোর্ডের জন্য একটি নিজস্ব ভবনের জায়গা ও অর্থ বরাদ্দ করেন। এর পর থেকে তুলা চাষি ও আবাদ দিন দিন বাড়ছে।

যেখানে সারা বিশ্বে তুলা একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্থকরী ফসল হিসেবে স্থান করে নিয়েছে। সেখানে এদেশে তুলার উৎপাদন মাত্র দুই লাখ বেলের মতো; যদিও আগে এক লাখ বেলের নিচে উৎপাদন হতো। সম্প্রতি তুলা উন্নয়ন বোর্ডের হাইব্রিড উন্নত জাতের তুলা উদ্ভাবন ও চাষের ফলে তুলা উৎপাদন দিন দিন বাড়ছে। বিপুল পরিমাণ তুলা আমদানিতে বছরে ২৪ থেকে ৩০ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হয়। যদিও আমদানিকৃত তুলা ভ্যালুঅ্যাডের মাধ্যমে সুতা ও কাপড়ের আকারে বিদেশে রপ্তানি হয়ে থাকে। এসব তুলা এ দেশে উৎপাদন করতে পারলে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় করা সম্ভব বলে অনেকে মনে করছেন।

দেশব্যাপি তুলা চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্যেতুলা উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী পরিচালক মো. আখতারুজ্জামান, তুলা উন্নয়ন বোর্ড ঢাকা অঞ্চলের কর্মকর্তা কুতুব উদ্দিন, সম্প্রসারিত তুলাচাষ প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. গাজী গোলাম মর্তুজা, তুলা উন্নয়ন বোর্ডের বিজ্ঞানী ড. মো. তাসদিকুর রহমান ও ড. কামরুল ইসলামসহ অনেক কর্মকর্তা দেশব্যাপি আবাদ করা বিভিন্ন তুলার মাঠ পরিদর্শন করে চাষিদের বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করার পাশাপাশি উদ্বুদ্ধ করণ আলোচনা সভা করেছন। এতে করে তুলা চাষের প্রতি কৃষকরে আগ্রহ বাড়ছে বলে মনে করছেন অনেকে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৭, ২০২২ ১০:৫১ পূর্বাহ্ন
বগুড়ায় মাঠজুড়ে আগাম শীতের সবজি চাষ
কৃষি বিভাগ

কার্তিকের এই সময়টায় মাঠে আমন ফসল থাকার কথা। আছেও তাই। তবে আমন আবাদের চেয়েও বেশি চোখে পড়ছে শীতের অনেকটা আগেই শীতের সবজি আবাদ। কৃষক বলছেন, এগুলো শীতের আগাম সবজি। প্রকৃত শীতের সবজির আবাদ শুরু হবে এই সবজি ওঠার পর।

সবজি আবাদে তারা কোনো ফাঁকা জমি রাখছে না। বাড়ির উঠানে বহির্আঙিনায় (খুলি) লাল শাক সহ সব ধরনের শাক মূলা চিচিঙ্গা সিম ফুলকপি বাঁধাকপি ঢ্যাঁড়শ টমেটো আবাদ করছে। বাঁশের জাংলা বসিয়ে লাউ করলা আবাদ করছে।

মাঠ পর্যায়ের কৃষক বলছেন, ধান আবাদের চেয়ে সবজি আবাদে লাভ বেশি। এখন ভর বছর সব ধরনের সবজি ফলানো যায়। ফলন উঠতে কম সময় লাগে। সবজি বেচা যায় ভর বছর। ধানে তা হয় না। আমন আউশ বোরো এগুলো সময়ের ধান। ঋতুর পালাবদলে ফসল সব সময় থাকছে। সকল ঋতুতে ফলানোর ধানের অনেক ভ্যারাইটি এসেছে। শীতের সবজি গ্রীষ্ম বর্ষা শরতের মধ্যে ফলছে! এমনটিই ঘটেছে বগুড়ায়। শীত আসতে এখনো অনেকটা সময় বাকি। এর মধ্যে বগুড়া সদর শিবগঞ্জ মহাস্থানগড় ও তার আশেপাশের এলাকা, শাজাহানপুর শেরপুর ধুনট সারিয়াকান্দি সোনাতলা কাহালু নন্দীগ্রাম উপজেলার গ্রামগুলোতে শীতের সবজি ফুলকপি, বাঁধাকপি, টমেটো, বরবটি, সিম, পালং শাক, পুঁই শাক, বেগুন, মুলা, গাঁজর, করলা সহ শীতের সব ধরনের সবজি ফলছে।

শিবগঞ্জের উথলি গ্রামের কৃষক মালেক উদ্দিন জানান, ‘কিছুই কওয়া যায় না বাপো। কলিকালে সব পাল্টে গেছে। গরমের মধ্যে ফুলকপি মুলা বেগুন গাঁজর হয় তাও দেখা লাগিচ্চে।’ এই বিষয়ে কৃষি বিভাগ জানায়, সময়ের ঋতু সময়ে ঠিক থাকছে না। প্রকৃতির মতিগতি পাল্টে গিয়েছে। এখন সকল সিজনে সব ধরনের ফসল মিলছে। তাছাড়া উন্নত জাতের অনেক বীজ এসেছে। বাড়তি পরিচর্যায় শীতের আগাম সবজি চাষ হচ্ছে। শীতের আগাম সবজি আবাদে লক্ষ্যমাত্রা ধরা  হয়েছে ৪ হাজার ৩শ ৮৫ হেক্টর ভূমি। যা গত বছরের চেয়ে দেড় হাজার হেক্টর বেশি। এবার শীত মৌসুমের আগে এবং শীত মৌসুমে অন্তত ২৫ হাজার হেক্টর ভূমিতে সবজির আবাদ হবে। এ থেকে উৎপাদন ধরা হয়েছে সাড়ে ৫ লাখ মে. টন সবজি। গ্রামে প্রায় প্রতিটি বাড়ির আঙিনায় যেভাবে সবজি আবাদ হচ্ছে তাতে আশা করা যায় ৭ লাখ টনেরও বেশি সবজি আবাদ হবে। গ্রামে সবজি অর্থনীতি নতুন মাত্রা পাবে।
এদিকে বগুড়া অঞ্চলে শীতের অনেকটা আগেই যে কুয়াশাপাত হচ্ছে তা শীতের সবজির আগাম আবাদকে এগিয়ে দিচ্ছে। বগুড়ার মাঠে এখন পুরুষের পাশাপাশি নারী কৃষকদেরও সবজির মাঠ পরিচর্যায় দেখা যায়।

শিবগঞ্জের উত্তর শ্যামপর, মাঝপাড়া, বাকসন, এনায়েতপুর, সাদুল্লাপুর, জামালপুর, বাড়ুগড়, রায়নগর, কাজীপুর এবং মহাস্থানগড়ের আশেপাশের গ্রামে এই সময়ে কৃষক এক ফসল সবজি বিক্রি করে পুনরায় সবজি আবাদের কেউ চারা রোপণ করছে কেউ উঠতি সবজি আবাদে পরিচর্যা করছে। সবই শীতের আগাম সবজি। এই সবজির তরকারির স্বাদ কী শীতের সবজির মতো! এমন প্রশ্নে উত্তর মেলে পার্থক্য আছে। বগুড়া নগরীর গৃহিণী কামরুন নাহার বললেন, তিনি শাকের রাজা পালং শাক রেঁধেছিলেন। স্বাদ একই। আগাম পালং শাক পাতার আকার বড়। শীতের লাল শাকের চেয়ে আগাম লাল শাকের স্বাদ ভালো।
এই বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ পরিচালক দুলাল হোসেন জানান, গত ক’বছর ধরেই বগুড়া অঞ্চল সবজি আবাদে বড় ভূমিকা রাখছে। প্রতি বছর সবজি আবাদের জমি বাড়ছে। ঋতুর পালাবদলে বগুড়া অঞ্চলে সব মৌসুমে সব ধরনের ফসল ফলছে। এগিয়ে আছে সবজি আবাদে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৫, ২০২২ ১২:২৪ অপরাহ্ন
রোগের প্রতিষেধক কালো ধান
কৃষি বিভাগ

ব্ল্যাক রাইস বা কালো ধান চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার চাষিরা। এই ধানের চালে পুষ্টিগুণ বেশি বলে দাবি তাঁদের। এ ধানে ডায়াবেটিসসহ বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে।

কালো ধান চাষে খরচ কম। প্রতি কেজি ধান বিক্রি হয় ৫০০ টাকায়। কৃষি বিভাগ বলছে, কৃষককে ধান বিক্রির সুযোগ করে দিতে পারলে ব্ল্যাক রাইসের চাষ বাড়বে।

পাংশা পৌর শহরের কুড়াপাড়া এলাকায় ডা. আব্দুল কাদের বালিকা মাদ্রাসার সুপার আব্দুল কুদ্দুস এবার পরীক্ষামূলকভাবে চাষ করেছেন ব্ল্যাক রাইস। তাঁর বাড়ির পাশের জমিতে সবুজ পাতার ফাঁকে দোল খাচ্ছে কালো রঙের ধান। এর থেকে হবে কালো রঙের চাল।

আব্দুল কুদ্দুস জানান, ইউটিউবে এই ধানের চাষাবাদ শিখেছেন। তাঁর মতে, চীনের রাজা-বাদশাহদের সুস্বাস্থ্যের জন্য কালো ধান চাষ হতো, যা ছিল প্রজাদের জন্য নিষিদ্ধ। ঔষধি গুণাগুণের কারণে এই ধান চাষের ইচ্ছা জাগে তাঁর। পরে ২০০ গ্রাম বীজ সংগ্রহ করে চার শতাংশ জমিতে চাষাবাদ করেন। চারা রোপণের নব্বই দিনের মধ্যে ধান ঘরে তোলা যায়। অন্যান্য ধানের চেয়ে রোগ বালাইও কম। ফলনও ভালো পাবেন বলে প্রত্যাশা তাঁর।

কৃষক আল-আমিন হোসেন জানান, তিনিও ইউটিউবে ভিডিও দেখে এই ধানের চাষ শিখেছেন। এই ধান প্রতি কেজি বিক্রি হয় ৫০০ টাকায়। তিনি জানতে পেরেছেন, পাংশা পৌর শহরে এই ধানের চাষ হচ্ছে। তাই দেখতে এসেছেন। আগামীতে তিনিও চাষ করতে চান।

স্থানীয় শাহীন রেজা জানান, ‘শুনেছি এই চালে ঔষধি গুণ আছে। অনেক রোগবালাই কমে যায় এই চালের ভাত খেলে। এই চালের ভাত কেমন, তা খাওয়ার জন?্য ধান সংগ্রহ করে চাষাবাদ করব।’

কৃষি কর্মকর্তা রতন কুমার ঘোষ জানান, কালো ধানের দাম ও চাহিদা অনেক বেশি। কালো ধানে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকায় শরীরের রোগ প্রতিরাধ ক্ষমতা বাড়ায়। এতে থাকা ফাইবার হার্টকে রাখে সুস্থ। এছাড়া ডায়াবেটিস, স্নায়ুরোগ ও বার্ধক্য প্রতিরোধক।

সূত্র: সমকাল

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৫, ২০২২ ১০:৪০ পূর্বাহ্ন
ফসল হারানোর শঙ্কায় কলাপাড়ার চাষিরা
কৃষি বিভাগ

কলাপাড়ায় চাকামইয়া ইউনিয়নের পাঁচ গ্রামের দুই সহস্রাধিক কৃষক পরিবারের আমন ফসল হারানোর শঙ্কায় রাতের ঘুম হারাম হয়ে গেছে।

সেখানকার লাবরখালের সঙ্গে প্রভাবশালী মহলের ব্যক্তিগত স্লুইসসহ বেড়িবাঁধ বিধ্বস্ত হয়ে জোয়ারের পানিতে কৃষকের বেড়ে ওঠা আমন চারায় পচন ধরায় ফসল হারানোর এমন শঙ্কায় পড়েছেন।

প্রায় ১৫ দিন আগে ৪৪ নম্বর পোল্ডারের আনিপাড়া গ্রামের ওই স্লুইসসহ প্রায় ৩০ ফুট বেড়িবাঁধ ছিন্ন হয়ে গেছে। এখন ভাঙ্গনের পরিধি ক্রমশ বাড়ছে। সংলগ্ন প্রাইমারী স্কুলে যেতে পারছে না শিশুরা। মানুষ শহরের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। ভোগান্তির যেন শেষ নেই।
শুক্রবার সকালে সরেজমিনে গেলে

কৃষকরা তাদের দুরবস্থার কথা বলেন। মো. মিলন তালুকদার জানান,  ১৬/১৭ বছর আগে স্থানীয় এক বিএনপি ও এক আওয়ামী লীগ নেতা খালের সঙ্গে নদীর সংযোগ করে পানি তুলে মাছ চাষের জন্য যৌথ উদ্যোগে সরকারি বেড়িবাঁধ কেটে স্লুইস করেন।

এরপর জবরদস্তি গ্রামের মানুষকে জিম্মি করে বছরের পর বছর মাছ শিকার করেন। প্রায় এক বছর আগে এই স্লুইসটির মাটি দেবে যায়। নিচ থেকে সুড়ঙ্গ হয়ে যায়। পানি ওঠানামা করতে করতে কয়েকদিন আগে স্লুইসসহ প্রায় ৩০ ফুট প্রস্থ বেড়িবাঁধ সম্পূর্ণভাবে ভেসে গেছে। এখন প্রতিদিন জোয়ারে দুই দফা প্লাবিত হয় আমন চারা। লকলক করে বেড়ে ওঠা আমন চারা জোয়ারের পানিতে ডুবে এখন পচন ধরেছে। আর এক-দুই সপ্তাহ পরে নদীর পানি লোনা হয়ে যাবে। ওই পানি আমন খেতে ঢুকে সকল ফসল নষ্ট হওয়ার শঙ্কায় কৃষকরা আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।

কৃষক আরিফ হাওলাদার জানান, বাঁধটি স্লুইসসহ ভেঙ্গে যাওয়ায় আনিপাড়া, গান্ধাপাড়া, কাঠালপাড়া, কাছিমখালী ও নেওয়াপাড়া গ্রামের কৃষকের শত শত একর জমির আমন ফসল পচে যাওয়ার অবস্থা হয়েছে। এখনই পচতে শুরু করেছে।

এ ছাড়া গ্রামের মানুষের যোগাযোগে সমস্যা হচ্ছে। শিশুরা স্কুলে যেতে পারছে না। ইউপি চেয়ারম্যান মজিবর রহমান হাওলাদার জানান, ওটি ব্যক্তিগত স্লুইস থাকায় সমস্যা হয়েছে। তারপরও বাঁধটি মেরামতের সর্বাত্মক চেষ্টা চলছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ড কলাপাড়ার নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ আরিফ হোসেন জানান, জরুরীভিত্তিতে কৃষকের আমন ফসল রক্ষায় বাঁধটি মেরামতের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। পরবর্তীতে যারা বাঁধ কেটে ব্যক্তিগত স্লুইস করেছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মহিব্বুর রহমান জানান, কৃষকের আমন ফসল রক্ষায় বিধ্বস্ত বাঁধটি মেরামতের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। শীঘ্রই মেরামতের কাজ শুরু হবে।

সূত্র : জনকণ্ঠ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৪, ২০২২ ৮:০১ অপরাহ্ন
নির্বাচন কমিশনের অধীনেই নির্বাচন হবে : কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

দেশে কোনক্রমেই আর তত্ত্বাবধায়ক সরকার হবে না এবং নির্বাচন কমিশনের অধীনেই আগামী নির্বাচন হবে বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য বিএনপি অস্থির হয়ে পড়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার ছাড়া নির্বাচনে যাবে না বলে আন্দোলন করছে। আমি বলতে চাই, অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও দলীয় সরকারের অধীনেই নির্বাচন হবে। তত্ত্বাবধায়ক সরকার আর হবে না। সংবিধান অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের অধীনেই নির্বাচন হবে।

আজ শুক্রবার সকালে রাজধানীর কাকরাইলে আইডিইবির মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি মিলনায়তনে ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স সার্ভিস এসোসিয়েশনসমূহের নেতৃবৃন্দের দুইদিন ব্যাপী সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, জনগণ যদি আমাদেরকে ভোট না দেয়, তাহলে ক্ষমতা ছেড়ে দিয়ে স্যালুট করে চলে যাব। ২০০১ সালেও আমরা সেটি করেছিলাম। কিন্তু ২০০১-০৬ সালে ক্ষমতায় থেকে বিএনপি ব্যর্থ হয়েছিল। জনগণ তাদের সাথে থাকে নি। জনগণ এখন আওয়ামী লীগের সাথে। এই জনগণকে নিয়েই আমরা দেশের উন্নয়নের কাফেলা এগিয়ে নিয়ে যাবো।

বিএনপির নানা রকমের হুমকির উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ কোন হুমকিকে ভয় পায় না। আওয়ামী লীগের ক্ষমতার-শক্তির উৎস জনগণ। সবসময় জনগণের সমর্থন নিয়েই আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় এসেছে। বিএনপির মতো চোরাগলি পথে, নানারকমের ষড়যন্ত্র করে কোন দিন ক্ষমতায় আসে নি। কাজেই, জনগণকে নিয়েই আমরা বিএনপির আন্দোলনকে মোকাবেলা করব।

আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ও পুলিশ সদস্যদের লিস্ট করার জন্য বিএনপির এক সিনিয়র নেতার হুমকির জবাবে মন্ত্রী বলেন, আমাদের নেতাকর্মীদের দায়িত্ব আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সহযোগিতা করা। আমরা নির্বাচিত সরকার। জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দেয়া, ব্যবসাবাণিজ্যের নিরাপত্তা দেয়া, দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখা ও উন্নয়নকে আরও গতিশীল করা আমাদের দায়িত্ব-কর্তব্য৷ এটি করার জন্য যা যা করা দরকার আমরা তাই করব। কাজেই, আমাদেরকে হুমকি দিয়ে ভয় দেখাবেন না। সাবধান করে দিচ্ছি, আমরা যে কোন পরিস্থিতিতে আপনাদের কঠোরভাবে মোকাবেলা করব।

বিএনপির আমলে প্রতিবছর দেশে দুর্ভিক্ষ হতো উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, বিএনপির সময়
আশ্বিন- কার্তিক মাস আসলেই দেশে মঙ্গা হতো, দুর্ভিক্ষ হতো। প্রতিদিন মানুষ না খেয়ে থাকতো, না খেয়ে মানুষ মারাও যেতো। আর এখন বিশ্বব্যাপী চরম সংকটের সময়েও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে ও দূরদর্শিতায় দেশে খাদ্য সংকট নেই, একটি মানুষও না খেয়ে নেই।

অনুষ্ঠানে আইডিইবির সভাপতি একেএম এ হামিদ, সাধারণ সম্পাদক শামছুর রহমান, আব্দুল মোতালেবসহ নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স সার্ভিসসমূহের শতাধিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১২, ২০২২ ৭:৫০ অপরাহ্ন
বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কার পেয়েছেন ৪৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান
কৃষি বিভাগ

দেশের কৃষিতে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদানের জন্য ১৪২৫ ও ১৪২৬ বঙ্গাব্দের জন্য বুধবার মোট ৪৪ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার পেয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার সরকারি বাসভবন গণভবন থেকে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি যোগ দেন।

প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে কৃষিমন্ত্রী ড. মুহাম্মদ আবদুর রাজ্জাক পুরস্কার তুলে দেন।

বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার ট্রাস্ট আইন, ২০১৬-এর আওতায় পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ১৪২৫ বঙ্গাব্দের জন্য ১৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান ও ১৪২৬ বঙ্গাব্দের জন্য ২৯ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এ পুরস্কার পেয়েছেন।

পুরস্কারের মধ্যে তিনটি স্বর্ণ, ১৬টি রৌপ্য ও ২৫টি ব্রোঞ্জ পদক রয়েছে। এছাড়া বিজয়ীদের সনদপত্র, পদক ও নগদ টাকা দেয়া হয়েছে।

স্বর্ণপদকপ্রাপ্তরা এক লাখ টাকা, রৌপ্যপদ প্রাপ্তরা ৫০ হাজার টাকা ও ব্রোঞ্জপ্রাপ্তরা ২৫ হাজার টাকা নগদ পেয়েছেন।

১৯৭৩ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নতুন দেশের কৃষিভিত্তিক অর্থনীতিকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য এই পুরস্কার প্রবর্তন করেন।

১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর পরবর্তী সরকারগুলো পুরস্কার স্থগিত করে।

২০০৯ সালে ক্ষমতা গ্রহণের পর আওয়ামী লীগ সরকার ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার তাহবিল আইন-২০০৯’ প্রণয়ন করে বঙ্গবন্ধু কর্তৃক প্রবর্তিত পুরস্কারটিকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেয়।

কার্যক্রমকে আরো গতিশীল করতে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার ট্রাস্ট আইন, ২০১৬ প্রণয়ন করা হয়েছে।

সূত্র : ইউএনবি

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১১, ২০২২ ৪:৩২ অপরাহ্ন
‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার পাচ্ছেন ৪৪জন’
কৃষি বিভাগ

কৃষি মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে দেশের কৃষিখাতে অনবদ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এ বছর ৪৪জন ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানকে ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার ১৪২৫ ও ১৪২৬’ প্রদান করা হচ্ছে। ১৪২৫ বঙ্গাব্দের জন্য ১৫ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান বঙ্গবন্ধু কৃষি পুরস্কার পাবেন। আর ১৪২৬ বঙ্গাব্দের জন্য ২৯ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান এ পুরস্কার পাবেন।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার ১৪২৫ ও ১৪২৬’ প্রদান উপলক্ষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে এ তথ্য জানান কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি। এসময় কৃষিসচিব মো: সায়েদুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব বলাই কৃষ্ণ হাজরা এবং মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী জানান, পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে ৩টি স্বর্ণ, ১৬টি রৌপ্য ও ২৫টি ব্রোঞ্জ পদক দেয়া হবে। এছাড়া বিজয়ীদের সনদপত্র, পদক ও নগদ টাকা দেয়া হবে। স্বর্ণপদকপ্রাপ্তরা ১ লাখ টাকা, রৌপ্যপদ প্রাপ্তরা ৫০ হাজার টাকা ও ব্রোঞ্জপ্রাপ্তরা ২৫ হাজার টাকা নগদ পাবেন।

মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এদেশের চিরবঞ্চিত, অবহেলিত ও চিরশোষিত কৃষকের উন্নয়নে স্বাধীনতার পরপরই যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিলেন। কৃষি গবেষণায় মেধাবীদের আকৃষ্ট করতে বঙ্গবন্ধু সরকারি চাকুরিতে কৃষি গ্র্যাজুয়েটদের প্রথম শ্রেণির মর্যাদা প্রদান করে কৃষির আধুনিকায়নে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেন। তাছাড়া, কৃষি এবং কৃষকদের উৎসাহিত করার জন্য বঙ্গবন্ধু ১৯৭৩ সালে ‘বঙ্গবন্ধু পুরস্কার তহবিল’ গঠন করেন। বঙ্গবন্ধুর মতোই বঙ্গবন্ধুকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষি ও কৃষকবান্ধব। তাই তিনি, কৃষির সাফল্যের অন্যতম কারিগর কৃষক, কৃষি বিজ্ঞানীসহ কৃষির সাথে সম্পৃক্তদেরকে সম্মাননা জানাতে ও তাদেরকে উৎসাহিত করতে কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) সম্মাননা প্রবর্তন করেছেন। এর মাধ্যমে আওয়ামী লীগ সরকার কৃষিকে সম্মানজনক পেশায় পরিণত করেছে।

মন্ত্রী বলেন, কৃষিখাতের প্রতি বঙ্গবন্ধুর কৃষকদরদী নীতি ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর চির অবারিত হাত কৃষিকে করেছে আরও সুসংহত। ‘বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার’ প্রবর্তনের মাধ্যমে কৃষিতে আগ্রহী জনশক্তি বৃদ্ধি পাচ্ছে। কৃষি উদ্যোক্তা সৃষ্টি হচ্ছে। বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার বিজয়ী সকল ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান কৃষি ক্ষেত্রে নানাভাবে অবদান রেখে চলেছেন। একইসাথে, কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) সম্মাননা দেয়ার ফলে কৃষি পেশার মর্যাদা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

আগামীকাল ১২ অক্টোবর ২০২২ তারিখে সকাল ১০.০০টায় ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আনুষ্ঠানিকভাবে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার ১৪২৫ ও ১৪২৬ প্রদান করা হবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসাবে ভার্চুয়ালি এ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকবেন বলে ব্রিফিংয়ে জানান হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১১, ২০২২ ২:৫৬ অপরাহ্ন
এখনই দুর্ভিক্ষের সম্ভাবনা নেই: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

সরকারের কাছে পর্যাপ্ত চালের মজুত থাকায় দেশে এখনই দুর্ভিক্ষের কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘সাধারণত বছরের এই সময় দুর্ভিক্ষ দেখা দেয়। কিন্তু, আমরা তা কাটিয়ে উঠেছি। ২ মাস পর আমন ধান কাটা শুরু হবে। আমাদের কাছে ১৫ লাখ টন চাল মজুত রয়েছে, যা এই সময়ের জন্য যথেষ্ট।’
কৃষি খাতে অবদানের জন্য আজ ৪৪টি ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে বঙ্গবন্ধু জাতীয় কৃষি পুরস্কার ২০১৮ ও ২০১৯ দেওয়া হয়েছে।

স্বর্ণপদক জিতেছেন বগুড়া প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. মো. রায়হান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম ও পাবনার কৃষক আমিরুল ইসলাম।

প্রচার ও প্রকাশনার মাধ্যমে জনসচেতনতা সৃষ্টি ও কৃষকদের উৎসাহিত করার জন্য ডা. মো. রায়হানকে এ পুরস্কার দেওয়া হয়।

শফিকুলকে কৃষির জন্য পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি উদ্ভাবন এবং আমিরুলকে বাণিজ্যিকভাবে গবাদি পশু ও মুরগি পালনে সাফল্যের জন্য পুরস্কার দেওয়া হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১১, ২০২২ ১০:২৭ পূর্বাহ্ন
গোপালগঞ্জে বাড়ির আঙ্গিনার ৫৮৫ একর পতিত জমিতে সবজি চাষ
কৃষি বিভাগ

জেলায় বাড়ির আঙ্গিনার ৫৮৫ একর পতিত জমি সবজি চাষের আওতায় এসেছে। এসব জমিতে সারাবছর প্রান্তিক নারী ও কৃষক সবজি উৎপাদন করছে।
এসব শাক সবজি তারা পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে বাজারে বিক্রি করছে। এতে তাদের পুষ্টির চাহিদা পুরণ হচ্ছে। সেই সাথে বাজারে শাক সবজি বিক্রি করে অর্থ উপার্জন করছেন।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. সেকেন্দার শেখ বলেন, সারা বিশ্বে করোনা মহামারী শুরু হলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন এক ইঞ্চি জমিও আনাবাদী থাকবে না। সরকার কৃষককে সার, বীজসহ সবধরণের উপকরণ দিয়ে বসত বাড়ির আঙ্গিনার দেড় শতাংশ পতিত জমিতে পাবিরাবিক পুষ্টি বাগান করে দেয়ার প্রকল্প গ্রহণ করে।

প্রান্তিক নারীদের প্রাধান্য দিয়ে আমরা গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় ৩৯০টি পারিবারিক পুষ্টি বাগান সৃজন করে দিয়েছি। এতে ৫৮৫ একর জমি শাক সবজি চাষের আওতায় এসেছে। এখানে সারাবছর প্রান্তিক নারী ও কৃষক লাল শাক, ডাটা শাক , পুই শাক, পালং শাক, ঘি কাঞ্চন শাক, বাটি শাক, গিমা কলমী শাক, ধনেপাতা, বরবটি, সিম, লাউ, কুমড়া, চালকুমড়া, বেগুন, টমেটো, মরিচ, ঢ্যাঁড়শ, চিচিঙ্গা, শসা, ধুন্ধল, বিটকপি, ফুলকপি, বাঁধাকপি, পেঁপে, মুলা উৎপাদন করছেন।

ওই কর্মকর্তা বলেন, কালিকাপুর মডেলে মাত্র দেড় শতাংশ জমিতে পাবিরারিক পুষ্টি বাগানে ৫টি বেড করা হয়। বাগানের ২ সাইডে মাচা ও অপর ২ সাইডে বেড়া দেয়া হয়। বেডে পাতা জাতীয় সবজির চাষাবাদ করা হয়। মাচায় লতা জাতীয় সবজির আবাদ হয়। আর বেড়ায় বরবটি ও সিমের চাষাবাদ হয়। কৃষক সারাবছর এখানে ২৫ থেকে ৩০ রকমের শাক সবজি উৎপাদন করতে পারেন। এই শাক সবজি দিয়ে প্রান্তিক নারী ও  কৃষক পারিবারিক পুষ্টির চাহিদা পুরণ করছেন। পাশাপাশি বাড়তি সবজি বাজারে বিক্রি করে টাকা কামাচ্ছেন। এতে প্রান্তিক নারী ও কৃষক সাবলম্বী হচ্ছেন।

সদর উপজেলার গোবরা ইউনিয়নের ঘোনাপাড়া গ্রামের প্রান্তিক নারী রূপা বিশ্বাস  বলেন, উপজেলা কৃষি অফিস ১৮ প্রকার শাক সবজির বীজ, ৬ কেজি ইউরিয়া, ১১ কেজি ডিএপি, ৫ কেজি এমওপি ৩ দশমিক ৮ কেজি জীপসাম সার, ১টি নেট, ১টি বীজ পাত্র, ১টি পানি দেয়ার ঝর্না বিনামূল্যে দিয়েছে।

এগুলো পেয়ে আমরা গোবরা ইউনিয়নের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা পার্বতী বৈরাগীর পরামর্শে বাড়ির আঙ্গিনায় পতিত দেড় শতাংশ জমিতে পারিবারিক পুষ্টি বাগান করেছি। এখানে সারাবছর শাক-সবজি উৎপাদন করছি। এগুলো আমরা খাচ্ছি। প্রতিবেশী ও স্বজনদের দিচ্ছি। বাড়তি সবজি বাজারে বিক্রি করে টাকা আয় করছি। এতে সংসারের আয় বাড়ছে। আমরা সাবলম্বী হচ্ছি। ছোট এক খন্ড জমিতে পুষ্টি বাগান করছি। কিন্তু এর প্রভাব ব্যাপক। এমন বাগানের চিন্তা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছ থেকে এসেছে। এই বাগান করে আমরা ভাল আছি। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানাই।

একই ইউনিয়নের চরগোবরা গ্রামের অনিমা বিশ্বাস বলেন, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে শাক-সবজি। এছাড়া পুষ্টি দেয়। এগুলো সদর উপজেলা কৃষি অফিস আমাদের জানিয়েছে। তাদের সব ধরণের সহযোগিতা ও উৎসাহে আমি পারিবারিক পুষ্টি বাগান করেছি। করোনার সময় নিজের বাগানে উৎপাদিত শাক-সবজি খেয়ে করোনাকে পরাস্ত করেছি। এই শাক-সবজি আমাদের পরিবারের সারা বছরের পুষ্টির চাহিদা পুরণ করে চলেছে। তাই এই প্রযুক্তিকে আমি গ্রহণ করেছি। সরকার পারিবারিক পুষ্টি বাগানে বীজ, সার সহায়তা বন্ধ করে দিলেও আমি পারিবারিক, সামাজিক ও রাষ্ট্রের প্রয়োজনে এই বাগান টিকিয়ে রাখব।

গোপালগঞ্জ ২৫০ বেড জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক ডা. অসিত কুমার মল্লিক বলেন, মেধাবী জাতি গঠনে পুষ্টির কোন বিকল্প নেই। শাক-সবজি আমাদের পুষ্টির চাহিদা অনেকাংশে পুরণ করে। এটি আমাদের শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে। শাক-সবজির পুষ্টি গুন মেধাবী প্রজন্ম গড়তে সহায়তা করে। তাই আমাদের বেশি-বেশি করে শাক-সবজি খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জিএম পলিউল ইসলাম বলেন, আমরা চলতি অর্থ বছরে সরকারি সহায়তায় বাড়ির আঙ্গিনার পতিত আরো ৬০০ একর জমি সবজি চাষের আওতায় নিয়ে আসব। এতে করে উপজেলায় ১ হাজার ১৮৫ একর পতিত জমি শাক-সবজি চাষের আওতায় আসবে। এভাবে প্রতিবছর আমরা বসত বাড়ির আঙ্গিনার পতিত জমি চাষাবাদের আওতায় এনে শাক-সবজি উৎপাদন বৃদ্ধি করব।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশ বাস্তবায়ন করব।  গোপালগঞ্জে এক ইঞ্চি জমিও আনাবাদী থাকবে না

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop