১:৩৩ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ২৬ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুন ১৪, ২০২১ ৭:৩৫ অপরাহ্ন
গবাদি পশুর খামার যেভাবে মাছিমুক্ত রাখবেন
প্রাণিসম্পদ

মাছির যন্ত্রণায় কেবল মানুষ বিরক্ত এমনটি নয়। বরং মাছির যন্ত্রণায় সবচেয়ে বেশি বিরক্ত এবং রোগাক্রান্ত হচ্ছে গবাদিপশু। কারণ এই মাছির মাধ্যমে খামারে বিভিন্ন রোগ জীবাণু ছড়িয়ে পড়ে। যা গবাদিপশুর অত্যন্ত ক্ষতিকর। এই জন্য প্রতিটা গবাদিপশু খামারিকে খামার থেকে মাছি দূর করার উপায় সম্পর্কে জানা খুবই দরকার। কারণ মাছি তাড়াতে না পারলে আপনার স্বপ্নের খামার থেকে প্রত্যাশিত আয় করতে পারবেন না।

খামার থেকে মাছি দূর করার উপায়:
মাছি তাড়ানোর সবচেয়ে ভালো কৌশল হলো খামারের আশে-পাশে গাছ লাগানো। বাতাসে গাছের নড়া-ছড়াতে খামারে মাছি আসবে কম। এছাড়া খামারে আশে-পাশে কিছু সবুজ বৃক্ষাদি থাকলে পরিবেশের জন্যও ভালো।

গবাদিপশুর মল-মূত্র নিয়মতি ও দ্রুত সেসব পরিষ্কার করতে হবে। কারণ এগুলো জমা হলেই মাছি এসে জমাট বাঁধে। আর এটাই হলো মাছিদের ডিম পাড়ার উপযুক্ত জায়গা। একবারে ৭৫–১৫০টি ডিম পাড়ে এরা। ডিম ফুটে বাচ্চা বেরোতে সময় লাগে মাত্র ২৪ ঘণ্টা।

লেবু টুকরো টুকরো করে ভেতরের অংশে অনেকগুলো লবঙ্গ গেঁথে দিন। লেবুর মধ্যে লবঙ্গের পুরোটা ঢুকাবেন শুধুমাত্র লবঙ্গের মাথার দিকের অংশ বাইরে থাকবে। এরপর লেবুর টুকরাগুলো একটি প্লেটে করে খামারের কোণায় রেখে দিন। এই পদ্ধতিতে মশা-মাছি, পোকামাকড় একেবারেই দূর হয়ে যাবে।

ব্যবহৃত চা-পাতা ফেলে না দিয়ে ভালো করে রোদে শুকিয়ে নিন। এইভাবে ওই চা পাতা ধুনোর বদলে ব্যবহার করুন। শুকনো চা পাতা পোড়ানো ধোঁয়ায় সমস্ত মশা, মাছি পালিয়ে যাবে।

রসুন বেটে পানিতে মিশিয়ে তরল করে পুরো খামারে স্প্রে করতে পারেন। এটা মশা তাড়াতে খুবই কার্যকরী প্রাকৃতিক উপায়। খামারের মাছি তাড়াতে এর যেকোনো একটি উপায় প্রয়োগ করুন।

গরুর গায়ে স্প্রে করার জন্য ২ মিলি তারপিন তেল (অয়েল তারপিন, স্পিরিট তারপিন বা থিনার না), ২ গ্রাম কর্পুর (ন্যাপথালিন গুঁড়াও অনেকে দেন) এ দুইটা জিনিস ১ লিটার পানিতে মিশিয়ে গরুর গায়ে স্প্রে করলে মাছি বসবে না।

মশা-মাছি কর্পুরের গন্ধ একেবারেই সহ্য করতে পারে না। একটি ৫০ গ্রামের কর্পুরের ট্যাবলেট একটি ছোট বাটিতে রেখে বাটিটি পানি দিয়ে পূর্ণ করুন। এরপর এটি খামারের কোনায় রেখে দিন।

তাৎক্ষণিকভাবেই মশা- মাছি গায়েব হয়ে যাবে। দুই দিন পর পানি পরিবর্তন করে নিন। আগের পানিটুকু ফেলে না দিয়ে ফার্মে ছিটিয়ে দিলে পোকামাকড় ও পিঁপড়ের যন্ত্রণা থেকেও মুক্তি পাবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৪, ২০২১ ৬:১০ অপরাহ্ন
প্রাণিখাদ্যের লবণেও আয়োডিন থাকতে সংসদে বিল পাস
প্রাণিসম্পদ

প্রাণীর খাদ্য প্রস্তুতে ব্যবহার করা লবণেও আয়োডিন যুক্ত করার বাধ্যবাধকতা রেখে নতুন একটি আইনের খসড়া সংসদে পাস হয়েছে।

সোমবার(১৪ জুন) শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন সংসদে ‘আয়োডিনযুক্ত লবণ বিল-২০২১’ সংসদে পাসের জন্য উত্থাপন করলে সেটি কণ্ঠভোটে পাস হয়। এর আগে বিলের ওপর দেওয়া জনমত, যাচাই, বাছাই কমিটিতে পাঠানো এবং সংশোধনী প্রস্তাবগুলোর নিষ্পত্তি করেন স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী।

১৯৮৯ সালের ‘আয়োডিন অভাবজনিত রোগ প্রতিরোধ আইন’ রহিত করে নতুন আইন করতে বিলটি আনা হয়েছে। বিলে মানুষের জন্য ভোজ্য লবণ এবং প্রাণীর খাদ্য প্রস্তুতে ব্যবহৃত লবণে আয়োডিন না থাকলে সর্বোচ্চ তিন বছরের জেল এবং ১৫ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। তবে খুচরা লবণ বিক্রেতা এই অপরাধে দণ্ডিত হবেন না।

বিলে বলা হয়েছে, লবণ আমদানি, উৎপাদন, গুদামজাত, ভোক্তা পর্যায়ে পাইকারী সরবরাহ, প্রক্রিয়াজাতকরণ পরিশোধন করতে চাইলে এই আইনের অধীন নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধন না করলে দুই বছরের জেল এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। প্যাকেট বা লেবেলবিহীন ভোজ্য বা অভোজ্য লবণ বিক্রি করলে দুই বছরের কারাদণ্ড এবং ১০ লাখ টাকা জরিমানার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

বিলে বলা হয়েছে, একটি জাতীয় লবণ কমিটি থাকবে। এই কমিটি লবণের উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাতকরণ, পরিশোধন, আয়োডিনযুক্তকরণ, মজুদ, বিক্রয়, পরিবহন, বাজারজাতকরণ, লবণ কারখানার জন্য আয়োডিন সরবরাহ, আমদানি নিয়ন্ত্রণ এবং ব্যবস্থাপনা নীতির বিষয়ে সুপারিশ প্রণয়ন করবে।

আরো বলা হয়েছে, জাতীয় মানমাত্রা নির্ধারিত না হওয়া পর্যন্ত আয়োডিনযুক্ত লবণ উৎপাদনে সর্বোচ্চ পর্যায়ে ৩০ থেকে ৫০ পিপিএম এবং খুচরা পর্যায়ে ২০ থেকে ৫০ পিপিএম মাত্রার আয়োডিন থাকতে হবে।

পাস হওয়া বিলে বলা হয়েছে, সরকার জাতীয় লবণ কমিটির সুপারিশ অনুযায়ী লবণ পরিশোধানাগার আয়োডিনযুক্তকারী কারখানার জন্য আয়োডিনের সরবরাহ নিশ্চিত করবে। বিসিক লবণের উৎপাদন বৃদ্ধি এবং উৎপাদনে বিজ্ঞাপন ভিত্তিক কৌশল প্রয়োগ নিরাপদ উৎপাদন পরিশোধন ও অন্যান্য বিষয়ে লবণ উৎপাদনকারী ও পরিশোধনকারীদের প্রয়োজনীয় দক্ষতা উন্নয়নের ব্যবস্থা করবে।
সরকার প্রয়োজনে লবণ গবেষণা ইন্সটিটিউট করতে পারবে। লবণ প্রক্রিয়াজাতকরণে শিল্পাঞ্চল প্রতিষ্ঠার ব্যবস্থা করা হবে বলে বিলে বলা হয়েছে।

বিলের উদ্দেশ্য ও কারণ সম্পর্কে শিল্পমন্ত্রী বলেন, “ভোজ্য লবণে আয়োডিনযুক্তকরণ এবং মানুষ ও অন্যান্য প্রাণির খাদ্য তৈরিতে আয়োডিনযুক্ত লবণ ব্যবহার নিশ্চিতকরণের মাধ্যমে দেশের আয়োডিনযুক্ত লবণ খাতের সার্বিক ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে বিদ্যমান আয়োডিন অভাবজনিত রোগ প্রতিরোধ আইন-১৯৮৯ রহিতক্রমে প্রয়োজনীয় সংশোধনপূর্বক যুগোপযোগী করে লবণ বিল-২০২১ বিলটি সংসদে উত্থাপন করা হলো।”

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৪, ২০২১ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
গরুর খামার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন ইউপি চেয়ারম্যান
প্রাণিসম্পদ

কিশোরগঞ্জের সদর উপজেলার মাইজখাপন ইউপি চেয়ারম্যান রোকন উদ্দিন ভূঞা নিজ শ্রমে গরুর খামার ও ফিসারি ব্যবসায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে হয়েছেন সফল খামারি। বিগত কয়েক বছর ধরে নিজ খামারে পালন করা গরু বিক্রি করে এখন সফল ব্যবসায়ীদের একজন তিনি।

জানা যায়, চলমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অংশীদারিত্বের লক্ষ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে বিগত ২০১৯ সালের প্রথম দিকে ‘রেজিয়া ডেইরি ফার্ম’ গড়ে তোলে চারটি গরু পালন শুরু করেন তিনি। পাশাপাশি নিজ গ্রাম পাঁচধায় ১৪০ কাটা নিজস্ব জমিতে ফিসারি ব্যবসা পরিচালনা করে থাকেন। বর্তমানে তার খামারে ১২টি ষাড় ও দুইটি গাভী রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, চেয়ারম্যান রোকন উদ্দিন গরুর খামারে গরু মোটাতাজা করে উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। একজন জনপ্রতিনিধি হয়েও নিজের খামারে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন, ফিসারি ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তার এ সফলতা দেখে এলাকার অনেকেই গরু পালন করে ও ফিসারী ব্যবসায় নিজেদের সাবলম্বী করার চেষ্টা করছেন বলে জানান স্থানীয়রা।

রোকন উদ্দিন ভূঞা জানান, ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজস্ব অর্থায়নে নিজ বাড়ির পাশে আধা পাকা টিনসেট ঘরের খামারে গরু পালন শুরু করেন তিনি। প্রতিদিন তার খামারে কাঁচাঘাস ও খরকুটো ছাড়াও গরুর খাদ্য বাবদ আরো ২/৩ হাজার টাকা খরচ হয়। খামার পরিচালনায় নিজ শ্রমের পাশাপাশি একজন মাসিক বেতনে অন্যজন তার ভাতিজা এ খামারে শ্রম দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘কয়েক বছর আগে কোরবানীর জন্য গরু কিনে জবাই করতে গিয়ে দেখা গেল পানিতে ভরপুর। তাই নিজেই উদ্যোগী হই খামার প্রতিষ্ঠায়। একদিকে আমার কোরবানীর গরু কিনতে হচ্ছে না। অন্যদিকে নিজের তদারকিতে গরু লালন পালন করার তৃপ্তিই অন্যরকম। সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দীর্ঘ প্রজেক্ট নিয়ে আরো ব্যাপক আকারে খামার গড়ে তুলে সফলভাবে ব্যবসা করতে পারব বলে জানান তিনি।

খামারে কর্মরত শ্রমিক জানান, ‘আমাদের খামারের গরুর খাবারের জন্য দেশীয় কাঁচাঘাস ও খরকুটো ছাড়াও অন্যান্য সব খাবার ভেজালমুক্ত অবস্থায় নিজ হাতে তৈরি করি। এলাকাতে আমাদের খামারের গরুর আলাদা কদর রয়েছে। প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও সম্পূর্ণ ভেজালমুক্ত খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাজা করেছি।

তারা বলেন, আসছে ঈদুল আযহায় কোরবানীর জন্য স্থানীয় এলাকার গরু ক্রেতারা প্রতিদিনই আসতেছে আমাদের খামারে গরু দেখার জন্য। ১৪টি গরু নয় লাখ টাকা দিয়ে ক্রয় করেছিলাম। আশা করা যায়, লাভবান হব। ইতোমধ্যে চারটি ষাড়ের দাম দুই লাখ টাকা করে দাম হাঁকা হচ্ছে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৩, ২০২১ ৮:০৬ অপরাহ্ন
দুটি গরু দিয়ে খামার শুরু করে এখন কোটিপতি ​শাহ নেওয়াজ!
প্রাণিসম্পদ

দিনাজপুরের শাহ নেওয়াজ মাত্র দুটি বিদেশি গরু কিনে শুরু করলেন খামার। আর তা দিয়েই গড়ে তুলেছেন বিশাল এক দুগ্ধ খামার। এখন তিনটি পৃথক শেডে গরু রয়েছে ৭০টি। এসব গরুর লালন পালন এবং যত্নে কাজ করছেন ১০ জন শ্রমিক। খামারের প্রথম শেডে রয়েছে ১৬টি বাছুর। দ্বিতীয় শেডে রাখা হয়েছে বাচ্চা প্রসবের জন্য অপেক্ষমান গাভি।

শাহ নেওয়াজ দিনাজপুরের ঘোড়াঘাট উপজেলার বড়গলি (মেলার বাগান) গ্রামের সফল উদ্যোক্তা। তিনি ২০১৩ সালে দুই লাখ টাকা পুঁজিতে বাজার থেকে কিনেছিলেন বিদেশি জাতের দুটি গরু। সেই দুটি গরু থেকে ৮ বছরের মাথায় তার নিজস্ব বাড়িতে গড়ে উঠেছে ‘নেচার ফ্রেশ ডেইরি ফার্ম’।

জানা যায়, তিনটি শেডেই বর্তমানে রয়েছে ৩টি গাভি। আগামী দুয়েক মাসের মধ্যেই বাচ্চা প্রসব করবে এই তিনটি গাভী। তৃতীয় এবং বৃহত্তম শেডে রাখা হয়েছে শুধুমাত্র এমন গাভি, যেগুলো এখন দুধ দেয়। এসব গাভি মিলে প্রতিদিন প্রায় ২শ লিটার করে দুধ দেয়।

গরু পালনে ব্যবহার করা হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তি। গরু থেকে দুধ সংগ্রহ করতে তুরস্ক থেকে আনা হয়েছে আধুনিক ‘মিলকিং’ যন্ত্র। ফলে গাভি থেকে দুধ সংগ্রহ করতে বাড়তি কোনো ঝামেলায় পড়তে হচ্ছে না তাদেরকে। এছাড়াও গোখাদ্য হিসেবে নিজস্ব ৯ বিঘা জমিতে চাষ করা হয়েছে নেপিয়ার এবং সুইট লেমন জাতের ঘাস।

প্রতিদিন শ্রমিকরা জমি থেকে এসব ঘাস কেটে নিয়ে আসেন। এরপর আধুনিক যন্ত্রের মাধ্যমে নির্দিষ্ট সাইজে এসব ঘাস কেটে গরুগুলোকে খাওয়ানো হয়।

‘নেচার ফ্রেশ ডেইরি ফার্ম’ -এর মালিক শাহ নেওয়াজের ভাই সাজ্জাদ আহম্মেদ জানান, আশপাশের বিভিন্ন জেলা এবং উপজেলা থেকে প্রতিদিন প্রায় ১০ থেকে ১৫ জন ব্যক্তি এই গরুর খামার দেখতে আসেন। এছাড়াও ফার্মের নামে খোলা ফেসবুক পেজে প্রতিদিন প্রায় ১০০-১৫০ জন ব্যক্তি এসব গরু লালন পালনের বিভিন্ন পদ্ধতি জানতে চেয়ে ম্যাসেজ করেন। মাত্র ২ লাখ টাকা দিয়ে শুরু করেছিলাম। বর্তমানে আমার খামারে প্রায় ২ কোটি টাকার গরু আছে। আমার পুরো প্রকল্পটি প্রায় ৩ কোটি টাকার।

তিনি আরো জানান, শুরু থেকেই আমার ইচ্ছা ছিল যেন আমার খামারে একশ গরু থাকে। তবে খুব অল্প দিনেই আমি সফল হয়েছি। গরু লালন পালনে শুরু থেকেই উপজেলা এবং জেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয় আমাকে সার্বিক সহযোগিতা এবং পরামর্শ প্রদান করে আসছে।

তবে তিনি অভিযোগ করেন, আমাদের উপজেলায় গরুর দুধ সংগ্রহের জন্য চিলিং সেন্টার (দুধ সংগ্রহ কেন্দ্র) নেই। ফলে আমিসহ উপজেলার ১১৪টি খামারের মালিককে গরুর দুধ বাজারজাত করতে ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে।

ঘোড়াঘাট উপজেলা প্রাণী সম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা (এলডিডিপি) ডা. রাকিবা খাতুন বলেন, ঘোড়াঘাটে চিলিং সেন্টার না থাকায় দুধ বিপণনে খামারীরা কিছুটা সমস্যায় ভুগছেন। চিলিং সেন্টার নির্মাণে আমরা উদ্যোগ গ্রহণ করেছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৩, ২০২১ ৭:০৪ অপরাহ্ন
শেখ হাসিনার অগ্রযাত্রাকে কোনভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের অস্তিত্বের উৎসমূল। আমাদের আশা-ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল। তিনি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে ব্যাপক গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের অভূতপূর্ব অগ্রযাত্রা সূচিত হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ব্যাপ্তি অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় অনেক বেড়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের এ অগ্রযাত্রাকে কোনভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না।”

রবিবার (১৩ জুন) রাজধানীর সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তর কক্ষে বঙ্গবন্ধু ভেটেরিনারি পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সরকার করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের পাশে দাঁড়িয়েছে। প্রথমবারের মতো এবছর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের খামারিদের নগদ প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উপকরণ সহায়তা ও প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান করা হয়েছে। করোনা সংকটে খামারিদের উৎপাদিত দুধ, ডিম, মাছ, মাংস সংগ্রহ করে ভ্রাম্যমাণ ও অনলাইন পদ্ধতিতে বিক্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এসব কার্যক্রম গ্রহণের ফলে দেশে ও দেশের বাইরে কাজের ব্যাপ্তি ও কার্য সম্পাদন বিবেচনায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। আমরা এ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি। এটি কেউ ব্যাহত করতে চাইলে কঠোর-কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সালেহ এম বারী, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, বঙ্গবন্ধু ভেটেরিনারি পরিষদের সভাপতি ডা. মোঃ ইমরান হোসেন খান, সিনিয়র সহসভাপতি ডা. খন্দকার মোঃ হেলাল উদ্দিন, সহসভাপতি ডা. মোঃ আনিসুর রহমান ও মহাসচিব ডা. মোঃ আজিজুল ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৩, ২০২১ ৭:৫৬ পূর্বাহ্ন
গরু চুরির অভিযোগে নির্যাতন, গ্রেপ্তার আরও ১
প্রাণিসম্পদ

গরু চুরির অভিযোগে জয়পুরহাট সদর উপজেলার ধারকী গ্রামের তোতা মিয়া নামে এক যুবককে গায়ে আগুন ও শরীরে সিগারেটের ছ্যাঁকা দেয়ার ঘটনার মামলায় নেজামুল হক (৩৫) নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

শনিবার সন্ধ্যায় জয়পুরহাট র‍্যাব ক্যাম্পের কমান্ডার ফ্লাইট লে. মারুফ হোসেন খান এ তথ্য জানান। গ্রেপ্তার হওয়া নেজামুল হক ধারকী পাথারপাড়া গ্রামের আকরাম হোসেনের ছেলে।

র‍্যাব কর্মকর্তা মারুফ হোসেন খান জানান, গত ২৫ এপ্রিল ধারকী গ্রামে গরু চুরির অপবাদ এনে তোতা মিয়া নামে এক যুবককে গাছে বেঁধে পায়ে আগুন ও শরীরে সিগারেটের ছ্যাঁকা দিয়ে নির্যাতন চালায় কয়েকজন। একপর্যায়ে তোতা মিয়া জ্ঞান হারালে তাকে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে যায় তারা।

এ ঘটনায় জয়পুরহাট সদর থানায় ৬ জনের নামে একটি মামলা দায়ের হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার মূলহোতা ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে।

পরে শনিবার দুপুরে এ মামলার আরেক পলাতক আসামি নেজামুল হককে ধারকী কাজীরহাট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১২, ২০২১ ১১:৫১ অপরাহ্ন
করোনা আমাদের জন্য ‘অপরচুনিটি’ হয়ে এসেছে
প্রাণিসম্পদ

প্রতিটি চ্যালেঞ্জই একেকটি ‘অপরচুনিটি’। করোনা চ্যালেঞ্জও আমাদের জন্য ‘অপরচুনিটি’ হয়ে এসেছে। করোনাকালে মন্ত্রণালয় বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের মানুষের জন্য ভূমিকা রেখেছে। মানুষ কখনো ভাবেনি যে সরকারি কর্মকর্তারা ঘুরে ঘুরে দুধ-ডিম-মাংস বিক্রি করবে। করোনা আমাদের সেই সুযোগ করে দিয়েছে। এতে করে সাধারণ মানুষের কাছে আমাদের গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে, তাদের সাথে আমাদের সম্পৃক্ততা বেড়েছে, আত্মিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব হচ্ছে সম্পদে সবার ‘একসেস’ তৈরি করে দেওয়া।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব জনাব রওনক মাহমুদ অদ্য ১২/০৬/২০২১ খ্রিঃ তারিখে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)-তে “প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্থপনা” শীর্ষক ১২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং “পিপিআর ও ক্ষুরারোগের মলিকুলার ডায়াগনোসিস (পিসিআর)” শীর্ষক ১৪ দিনব্যাপী উচ্চতর প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণাকালে এ কথা বলেন।

 

এসময় তিনি আরও বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতে কাজ করার মত প্রচুর স্থান রয়েছে। গবেষণার মাধ্যমে জাত উন্নয়ন, জাত সংরক্ষণ, জাত বিশুদ্ধকরণ, অধিক উৎপাদনশীল জাত তৈরি, নিরাপদ প্রাণিজ আমিষের জাত তৈরি প্রভৃতি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে। একদিকে যেমন উৎপাদনের পরিমাণ বাড়াতে হবে, অন্যদিকে তেমনই পুষ্টিগত গুণ-মানও বৃদ্ধি করতে হবে। একই সাথে তিনি বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে গবেষণা লব্ধ জাতসমূহ খামারি পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার জন্য উভয় সংগঠনকে দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন এবং মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময়ের মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যসমূহ চিহ্নিত করে তা দূরীকরণের নির্দেশ দেন।

 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রাণিসম্পদ-২) শাহ্ মোঃ ইমদাদুল হক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমান। অনু্ষ্ঠানটির সভাপতি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)-এর মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং বিএলআরআই-এর উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পোল্ট্রি গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ সাজেদুল করিম সরকার এবং পিপিআর রোগ নির্মূল এবং ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ডাঃ মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী মন্ডল।

সভাপতি ও বিএলআরআই’র মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল তাঁর বক্তব্যে সচিব মহোদয় ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, রমজানে প্রয়োজনীয় দ্রব্যসমূহের মূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং বড় পরিসরে দুগ্ধ সপ্তাহ আয়োজনের মত কাজ মন্ত্রণালয়ের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি করেছে। দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নের জন্য প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও বিএলআরআইকে সহযোগিতামূলক মনোভাব নিয়ে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়কেই প্রধান সমন্বয়কারী ও দিক-নির্দেশকের ভূমিকা পালন করতে হবে।

 

বিএলআরআইতে কর্মরত বিজ্ঞানীবৃন্দের প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধিকল্পে এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার নানা দিক সম্পর্কে ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা অর্জনের লক্ষ্যে “প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্থপনা” শীর্ষক প্রশিক্ষণটি পরিচালিত হচ্ছে। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন বিএলআরআই-এর ২০ জন উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করছেন। বিএলআরআই কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন পোল্ট্রি গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্পের আয়োজনে এই প্রশিক্ষণটি পরিচালিত হচ্ছে।

 

অন্যদিকে পিপিআর রোগ নির্মূল এবং ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের আয়োজনে বিএলআরআইতে “পিপিআর ও ক্ষুরারোগের মলিকুলার ডায়াগনোসিস (পিসিআর)” শীর্ষক প্রশিক্ষণটি পরিচালিত হচ্ছে। আবাসিক এই প্রশিক্ষণটিতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভিন্ন স্তরের ১০ জন বিজ্ঞানী অংশগ্রহণ করছেন যারা পরীক্ষাগারে অনুশীলনের মাধ্যমে হাতে কলমে পিপিআর ও ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণের কলাকৌশল আয়ত্ব করবেন। বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ২০২৬ সালের মধ্যে দেশ থেকে পিপিআর রোগ নির্মূল এবং ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে পিপিআর রোগ নির্মূল এবং ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১২, ২০২১ ১১:৪৩ অপরাহ্ন
মাংস আমদানি নয় রপ্তানীর পরিকল্পনা করছে সরকার
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, এবারের বাজেটে দেশের বাহির থেকে আর মাংস না আনার প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। পরিকল্পনা রয়েছে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে মাংস রপ্তানী করার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার এ দেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না। তিনি বলেন, নদী ভাঙনের শিকার হয়ে যারা গৃহহারা হয়েছেন বর্তমান সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সে সব পরিবারকে পুনর্বাসন করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাজার হাজার ভ‚মিহীন ও দরিদ্র পরিবারকে ঘর উপহার দিচ্ছেন।

শনিবার সকালে উপজেলা প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী উপলক্ষে আয়োজিত সভায় এবং দুপুরে স্বরূপকাঠির ইন্দুরহাট সংলগ্ন সন্ধ্যা নদীর ভাঙন রোধে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলানো কাজের উদ্বোধন উপলক্ষে এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভায় মন্ত্রী শিক্ষিত বেকার যুবকদের চাকুরীর পিছনে না ঘুরে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ দেন। এক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দেন।

এসময় মন্ত্রী আরও বলেন, বৈশ্বিক মহামারির মধ্যেও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার লাখ লাখ দরিদ্র মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, নদী ভাঙনের কারণে মানুষ জমিজমা হারাচ্ছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সজাগ দৃষ্টি রয়েছে বলেই নদী ভাঙন মোকাবেলায় প্রতি বছর শত শত কোটি টাকা ব্যয় করছেন।

সরকারি স্বরূপকাঠি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত প্রদর্শনী মেলা উপলক্ষে সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউএনও মো. মোশারেফ হোসেন বক্তব্য রাখেন বরিশাল বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরিচালক দীপক রঞ্জন, উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হক, পৌর মেয়র গোলাম কবির, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তাপশ ঘোষ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম ফুয়াদ ও উপজেলা পোল্ট্রি খামার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রমুখ। দুপুরে কৌরিখাড়ায় সুধি সমাবেশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পিরোজপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবে মাওলা মো. মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. শাহ আলম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরিশালের তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মো. শফি উদ্দিন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল হক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মোশারেফ হোসেনে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আব্দুল হামিদ প্রমুখ।

পরে মন্ত্রী বিকেলে মন্ত্রী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মুজিব বর্ষ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ ও জেলেদের মাঝে গবাদী পশু বিতরণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১২, ২০২১ ১১:৪২ পূর্বাহ্ন
ময়মনসিংহ ভেটেরিনারি স্টুডেন্ট’স এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠিত
প্রাণিসম্পদ

ময়মনসিংহ ভেটেরিনারি স্টুডেন্ট’স এসোসিয়েশনের (MVSA) নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে।  এতে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম বর্ষের শিক্ষার্থী মোঃআদনান আহমেদ কে সভাপতি এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম বর্ষের শিক্ষার্থী মোঃমোস্তাফিজুর রহমান রিদয় কে সাধারণ সম্পাদক  করে আগামী  এক (১) বছরের জন্য প্রতিষ্ঠাতাকালীন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৮ জুন যাত্রা শুরু করে ময়মনসিংহ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশন (MVSA)।

ময়মনসিংহের সকল প্রত্যন্ত উপজেলার দরিদ্র মানুষের পাশে দাড়ানো এবং ভেটেরিনারি পেশার সকলকে এক ছাদের নিচে একত্রিত কারাই এই সংগঠন মূল লক্ষ্য।সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান ভেটরত্ন বিভিএ মহাসচিব ডাঃহাবিবুর রহমান মোল্লা , বাংলাদেশ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস’ ফেডারেশন এর সম্মানিত সভাপতি ইমতিয়াজ আবির এবং সাধারণ সম্পাদক ডাঃরতন রহমানকে।  জাতির পিতার আদর্শ বুকে নিয়ে পেশার স্বার্থে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গিকার করেন

 

কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দরা হলেন-

সহ-সভাপতিঃ
আবু জাফর আবরারুল হক সাদী (বাকৃবি), তৌফিক আহমেদ (শেকৃবি), শাকিল আহমেদ (বশেমুরকৃবি), জি এম কিবরিয়া পিয়াস (শেকৃবি), আশরাফুল কায়সার (পবিপ্রবি), আশরাফুল আলম (বাকৃবি), জুনাইদ ইসলাম (সিকৃবি), মোঃ আশিক মন্ডল (গবি), রাফসান জানি রাহাত (বাকৃবি)।

যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকঃ
ইফফাতুল জান্নাত (গবি), নকিবুল হাসান নিশাদ (বশেমুরকৃবি), মোঃ আরজু আহমেদ (শেকৃবি), সাদিয়া আফরিন তনয়া (ঝিসভেক), চন্দন বর্মণ (সিকৃবি), মোঃ জহিরুল ইসলাম (সিভাসু), মনির হোসেন (সিকৃবি), আনসারুল হক মামুন (বাকৃবি), জাহিদ হাসান (গবি), সুমাইয়া বিনতে হেলাল (বাকৃবি)।

সাংগঠনিক সম্পাদকঃ
তানভীর সাইদ নোবেল (বশেমুরকৃবি), মাহাদী হাসান (সিকৃবি), সানজিদা হায়দার (বাকৃবি), রিদওয়ানুল ইসলাম (পবিপ্রবি), নেজামুল হক (শেকৃবি), মুনিয়া আজম মাইশা (গবি), দুর্জয় সিংহ (শেকৃবি), মার্জিয়া রহমান প্রিয়া (ঝিসভেক), ইয়াহিয়া খান শাকিল (বশেমুরবিপ্রবি)।

কোষাধ্যক্ষঃ তানজিলা মোবাশ্বারা স্বর্ণালী (বাকৃবি),
দপ্তর সম্পাদকঃ নাইমোর রহমান ধ্রুব (গবি)
উপ-দপ্তর সম্পাদকঃ সানজিদা আরেফিন কথা (সিকৃবি), এ কে এম নাসরুল্লাহ (শেকৃবি)।
প্রচার সম্পাদকঃ তানজিমুল ইসলাম (সিকৃবি)।
উপ-প্রচার সম্পাদকঃ সাইফ আল হোসাইন প্রিতম (বাকৃবি), হাসনাত তালুকদার স্নিগ্ধ (বশেমুরকৃবি)।
ক্রীড়া সম্পাদকঃ মোঃসাইদুল ইসলাম মুন্না(শেকৃবি)।
উপ-ক্রীড়া সম্পাদকঃ রুহুল আমিন (পবিপ্রবি)
সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদকঃ  এ কে এম লুৎফুল হক পল্লব (বাকৃবি), উপ-সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদকঃ আবু সফিয়ান (সিকৃবি),সাদিয়া আফরিন (শেকৃবি), সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ মুবাশ্বিরা নাজিয়াহ্ মেধা (বশেমুরবিপ্রবি), উপ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ রেদোয়ান হাসান (ঝিসভেক), শাখী রেজুয়ানা ঐশী (শেকৃবি), আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ মাকসুদা আক্তার (শেকৃবি), উপ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকঃনূরতাজ লাবণ্য (বশেমুরকৃবি), সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদকঃ মোঃ নুরুজ্জামান (শেকৃবি), উপ সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদকঃ সুপ্রিয়া রায় (সিকৃবি), নিশাত লুবনা (বশেমুরবিপ্রবি), তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদকঃ সুমন ইসলাম শাকিল (রাবি), উপ-তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদকঃ আবু তৈয়ব সাকিব(হাবিপ্রবি),

আইন বিষয়ক সম্পাদকঃ মোহাইমিন ছাব্বির (পবিপ্রবি), উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদকঃ মোজাহিদুল ইসলাম তুষার (শেকৃবি), গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদকঃ মোঃ শাহরিয়ার ইসলাম (হাবিপ্রবি), উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদকঃ শাহরিয়ার ইসলাম স্বপ্নীল (শেকৃবি), ফৌজিয়া রহমান অতসী (ঝিসভেক), ত্রান ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদকঃ আরিফ বিল্লাহ সৌরভ (গবি), উপ-ত্রান ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদকঃ নাইম হাবিব (হাবিপ্রবি)।

ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদকঃ রুমানা রশিদ মিম (বশেমুরবিপ্রবি), উপ-ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদকঃ
সোমাইয়া নাওশীন (গবি), ফাতিহা রাহনুম তাহিয়া(বাকৃবি), আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদকঃ
তিথী সূত্রধর (হাবিপ্রবি), উপ-আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদকঃ আমিনুল ইসলাম (বশেমুরবিপ্রবি)।
সহ-সম্পাদকঃ মার্জিয়া স্বর্নালি(বশেমুরবিপ্রবি), অমিয় ভূষণ দাস(বশেমুরকৃবি), সোহানুর রহমান সবুজ (শেকৃবি), মোঃ ইমরুল হাসান (সিভাসু), হাবিবুর রহমান (হাবিপ্রবি), তানজিন হাসান (সিসভেক), সানায়েত আহমেদ (সিসভেক)।

কার্যকরী সদস্যঃ সামিউল ইসলাম আকাশ (শেকৃবি),  আশফাক জিম(বাকৃবি), আব্দুল্লাহ আল মামুন (সিভাসু), মাহমুদুল হাসান (বাকৃবি), মেহেদী হাসান আকাশ(বাকৃবি), সফিউর মক্তাদির সোহান(পবিপ্রবি), আসাদুজ্জামান নূর (বাকৃবি),
সাইদ সিয়াম(বাকৃবি), আব্দুল্লাহ আল শফিক রিয়াজ(বাকৃবি), রুবায়াত তাবাসসুম মিম(শেকৃবি)।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১১, ২০২১ ৯:২০ অপরাহ্ন
বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের শ্রদ্ধা
প্রাণিসম্পদ

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা: শেখ আজিজুর রহমান শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

শুক্রবার সকালে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান তিনি।

পরে বঙ্গবন্ধু ও ১৫ আগষ্ট নিহত পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। তিনি বঙ্গবন্ধু ভবনে রক্ষিত মন্তব্য বইতে মন্তব্য লিখে স্বাক্ষর করনে এবং বঙ্গবন্ধু সমাধিসৌধ কমপ্লক্স ঘুরে দেখেন।

এ সময় মহা পরিচালকের পরিবারের সদস্যবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থাণীয় কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop