৭:৪৯ অপরাহ্ন

রবিবার, ১৫ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মে ৬, ২০২১ ৩:২২ অপরাহ্ন
ভ্রাম্যমাণ বাজারে এক মাসে ২০৪ কোটি টাকার মাছ-মাংস-দুধ-ডিম বিক্রি
প্রাণিসম্পদ

করোনা পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিত করতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে চালু হওয়া ন্যায্যমূল্যে মৎস্য ও প্রাণিজ পণ্যের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। গত ০৫ এপ্রিল থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রমের মাধ্যমে গত এক মাসে ২০৪ কোটি ৪৩ লক্ষ ৯০ হাজার টাকার মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য বিক্রয় হয়েছে।

মৎস্য অধিদপ্তরের একটি ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অপর একটি কন্ট্রোল রুমের মাধ্যমে দেশব্যাপী পরিচালিত ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রম সমন্বয় করা হচ্ছে। কন্ট্রোল রুম থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী গতকাল ০৪ মে পর্যন্ত এক মাসে দেশের ৬৪টি জেলায় ৫৩ লক্ষ ০৫ হাজার ২১৬ লিটার দুধ, ২ কোটি ৯০ লক্ষ ৩২ হাজার ৬৮১ টি ডিম, ১ লক্ষ ৭৭ হাজার ৪৯১ কেজি গরুর মাংস, ৯৮ হাজার ৭২১ কেজি খাসির মাংস, ১৪ লক্ষ ৩৫ হাজার ৯২ কেজি দেশি, সোনালি ও ব্রয়লার মুরগি এবং ৪ হাজার ১২৪ মে. টন মাছ এবং ৩ কোটি ৬৬ লক্ষ ১৫ হাজার ৯৫৫ টাকার বিভিন্ন দুগ্ধজাত পণ্য বিক্রয় করা হয়েছে। গত এক মাসে সারাদেশে ১৭ হাজার ৯৫৪ টি ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে এ কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রে এলাকাভেদে প্রতি লিটার দুধ ৫০ থেকে সর্বোচ্চ ৬০ টাকায়, প্রতিটি ডিম ৬ টাকায়, প্রতি কেজি গরুর মাংস ৫০০ টাকায়, প্রতি কেজি খাসির মাংস ৭০০ টাকায়, প্রতি কেজি সোনালি মুরগি ২০০ থেকে সর্বোচ্চ ২২০ টাকায় এবং প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১১৯ থেকে সর্বোচ্চ ১৩০ টাকায় বিক্রয় হয়েছে।

এছাড়াও ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের পাশাপাশি গত এক মাসে প্রায় ৩ কোটি টাকা মূল্যের মাছ অনলাইনে বিক্রয় হয়েছে। এতে একদিকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের প্রান্তিক খামারিরা যেমন ন্যায্যমূল্যে উৎপাদিত পণ্য সহজে বিপণন করেছেন, অন্যদিকে ভোক্তারা করোনা পরিস্থিতিতে চলমান বিধি-নিষেধের মধ্যেও চাহিদা অনুযায়ী মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও দুগ্ধজাত পণ্য সহজে ক্রয় করে তাদের অত্যাবশ্যকীয় প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ করতে পেরেছেন।

করোনা পরিস্থিতিতে সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের এ কার্যক্রম নিয়মিত তদারকি ও বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা প্রদান করছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৬, ২০২১ ১১:০০ পূর্বাহ্ন
কীটনাশকযুক্ত ফসল খেয়ে গরু অসুস্থ, কৃষককে পিটিয়ে হত্যা!
পাঁচমিশালি

কীটনাশকযুক্ত মাষকলাই খেয়ে গরু অসুস্থ হওয়াকে কেন্দ্র করে প্রতিপক্ষের পিটুনিতে আহত আসাদুজ্জামান শেখ (৫০) নামে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি স্থানীয় মৎস্য সম্প্রসারণ প্রতিনিধি ছিলেন বলে জানা গেছে।

বুধবার সকাল সোয়া ৯টায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। কাশিয়ানী থানার রামদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. কামাল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

আছাদুজ্জামান জেলার মুকসুদপুর উপজেলার পালপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুস ছাত্তার শেখের ছেলে। তিনি কাশিয়ানী উপজেলার রামদিয়া গ্রামে বাড়ি করে বসবাস করতেন এবং স্থানীয় মৎস্য সম্প্রসারণ প্রতিনিধি ছিলেন বলে জানা গেছে।

রামদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির এসআই মো. কামাল হোসেন জানান, পোকার আক্রমণ থেকে রক্ষার জন্য আছাদুজ্জামান রামদিয়া বাড়ির পাশে মাষকলাই খেতে কীটনাশক প্রয়োগ করেন। মঙ্গলবার বিকালে ওই ক্ষেতে প্রতিবেশী মনজেল মোল্যার গরু গিয়ে মাষকলাই খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে।

এ নিয়ে আছাদুজ্জামান ও মনজেল মোল্যার মধ্যে বাকবিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে মনজেল মোল্যা ও তার ছোটভাই সেনা সদস্য এসকেন মোল্যাসহ পরিবারের লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে সংঘবদ্ধ হয়ে আছাদুজ্জামানকে পিটিয়ে আহত করে।

এতে আছাদুজ্জামান গুরুতর আহত হলে স্বজনরা তাকে গোপালগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন। পরে অবস্থার অবনতি হলে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করা হয়। বুধবার সকাল সোয়া ৯টায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে আছাদুজ্জামান মারা যান।

পুলিশের ওই কর্মকর্তা আরও জানান, এ ঘটনায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে ও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৫, ২০২১ ৯:৪৩ অপরাহ্ন
শায়েস্তাগঞ্জে চোরাই গরুসহ আটক-৩
প্রাণিসম্পদ

হবিগঞ্জ জেলার শায়েস্তাগঞ্জে ৩ গরু চোরকে একটি চোরাই গরু ও সিএনজি অটোরিকশাসহ আটক করেছে পুলিশ।

বুধবার (৫ মে) বিকেলে শায়েস্তাগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) অজয় চন্দ্র দেব এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আটককৃতরা হলেন- জেলার নবীগঞ্জ উপজেলার উমরপুরের শাহিদুর রহমানের ছেলে মো. জাকারিয়া (২০), মৃত কিয়ামত উল্লার ছেলে মো. আলামিন মিয়া (২২), চাঁনপুর গ্রামের মৃত আজগর মিয়ার ছেলে মো. সোহান মিয়া (১৯)।

এর আগে মঙ্গলবার দিবাগত রাত সাড়ে ৯ টায় তার নেতৃত্বে এসআই মো. নজরুল ইসলামসহ একদল পুলিশ শায়েস্তাগঞ্জ উপজেলার ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সুতাং ব্রিজ থেকে চোরাইকৃত একটি গরু, চুরি কাজে ব্যবহৃত একটি সিএনজি অটোরিকশাসহ তিন জনকে আটক করে।

ওসি অজয় চন্দ্র দেব জানান, এ ব্যাপারে শায়েস্তাগঞ্জ থানায় মামলার পর বুধবার দুপুরে তাদেরকে হবিগঞ্জ কোর্টে প্রেরণ করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৫, ২০২১ ৭:১৮ অপরাহ্ন
দেশের মৎস্য সম্পদের উৎপাদন ব্যাহতকারীদের কোন ছাড় নয়: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

দেশের মৎস্য সম্পদের উৎপাদন ব্যাহতকারীদের কোন ছাড় না দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (৫ মে) রাজধানীর গুলশানে নৌ পুলিশ সদর দপ্তরে নৌ পুলিশ কর্মকর্তাদের সাথে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও উন্নয়ন সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে মন্ত্রী এ নির্দেশ দেন। নৌ পুলিশ এ মতবিনিময় সভার আয়োজন করে।

নৌ পুলিশের ডিআইজি মোঃ আতিকুল ইসলামের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিতি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব এস এম ফেরদৌস আলম, নৌ পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজিগণ ও পুলিশ সুপারগণসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ এসময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মন্ত্রী বলেন, “দেশের মৎস্য সম্পদ বৃদ্ধির স্বার্থে যেভাবে যা করা দরকার, তা করবে সরকার। ইতোমধ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ইলিশসহ অন্যান্য মৎস্য সম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধিতে নানা পদক্ষেপ নিয়েছে। মাছের অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা, বছরে ২২ দিন মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান পরিচালনা, প্রতিবছর নভেম্বর থেকে জুন পর্যন্ত আট মাস জাটকা ধরা নিষিদ্ধ করা এবং জাটকা সংরক্ষণে বিশেষ কম্বিং অপারেশনসহ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, সমুদ্রে ৬৫ দিন মাছ ধরা নিষিদ্ধ করা, দেশের একমাত্র প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন কেন্দ্র হালদায় কার্প জাতীয় মা মাছের প্রজনন নিশ্চিত করতে মনটিরিং এর ব্যবস্থা গ্রহণ, কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে মে-জুলাই মাসে মাছ ধরা বন্ধ করা ও পোনা অবমুক্ত করাসহ ৫ বছর মেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করাসহ নানা কার্যক্রম নেয়া হয়েছে। এছাড়া মাছ ধরা বন্ধ থাকাকালে ভিজিএফ সহায়তার পাশাপাশি জেলেদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। সরকারের এসকল পদক্ষেপের কারণে মৎস্য উৎপাদনে বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। এ সাফল্যের পথে কেউ বাধা সৃষ্টি করতে চাইলে তাদের ছাড় দেয়া হবে না, কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

এসময় তিনি আরো বলেন, “একটা দেশের বড় সাফল্যের মূলে সম্মিলিত প্রচেষ্টা কাজ করে। সম্মিলিত প্রচেষ্টার কারণে দেশের মৎস্য সম্পদের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে ৪৫ লক্ষ মেট্রিক টনের ঊর্ধ্বে উপনীত হয়েছে। এ সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশ নৌ পুলিশ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এ কাজে নৌ পুলিশকে অবৈধভাবে মৎস্য আহরণ করা ব্যক্তি ও তাদের নেপথ্যে থাকা অবৈধ জাল উৎপাদকারী, ট্রলার মালিকসহ প্রভাবশালীদের মোকাবিলা করতে হয়েছে। এ কাজ তারা সফলভাবে করতে সক্ষম হয়েছে।”

পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়ে মৎস্য সম্পদ সংরক্ষণ ও উন্নয়নে দায়িত্ব পালনের জন্য নৌ পুলিশ সদস্যদের এসময় আন্তরিক ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী এবং একইসাথে এ ভূমিকা আরো প্রসারিত করার অনুরোধ জানান তিনি।

নৌ পুলিশের উদ্যোগে ২০২০ সালে ১ মে থেকে ৩১ জুলাই পর্যন্ত কাপ্তাই হ্রদে পরিচালিত মৎস্য সংরক্ষণ কার্যক্রম, ১৪ অক্টোবর থেকে ০৪ নভেম্বর পর্যন্ত মোট ২২দিন মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান, চলতি বছর মার্চ-এপ্রিল দুই মাস জাটকা সংরক্ষণ অভিযান এবং হালদায় মা মাছের সুষ্ঠু প্রজনন নিশ্চিত করতে সিসিটিভির মাধ্যমে মনিটরিং ব্যবস্থা গ্রহণের বিষয়ে সভায় বিস্তারিত উপস্থাপন করা হয়। এসময় কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধিতে নৌ পুলিশের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সুপারিশ তুলে ধরা হয়। নৌ পুলিশ কর্তৃক গত বছর মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে প্রায় ৪২ কোটি ১৪ লক্ষ মিটার ও কাপ্তাই হ্রদে মৎস্য সংরক্ষণ অভিযানে ৬ লক্ষ ৮৮ হাজার মিটার এবং চলতি বছর মার্চ-এপ্রিল দুই মাসে জাটকা সংরক্ষণ অভিযানে প্রায় ৪৮ কোটি ৮৮ লক্ষ মিটার অবৈধ জাল আটক করা হয়েছে মর্মে সভা জানানো হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৫, ২০২১ ৭:১১ অপরাহ্ন
মিরসরাই প্রাণিসম্পদ অফিসের উদ্যোগে ছাগল ও উপকরণ বিতরণ
প্রাণিসম্পদ

মিরসরাই উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের উদ্যোগে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল ও উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে। এছাড়া গরু হৃষ্টপুষ্ট করণ প্রকল্পের আওতায় ৫০ জন খামারির মাঝে কৃমিনাশক ঔষধ, ভিটামিন মিনারেল প্রিমিক্স ও হেলথ্ কার্ড বিতরণ করা হয়।

বুধবার (৫ মে) সকালে কার্যালয়ের সামনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মিরসরাই উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. জসীম উদ্দিন।

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা.শ্যামল চন্দ্র পোদ্দারের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মিনহাজুর রহমান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সাইফুল্লাহ মজুমদার সহ প্রাণিসম্পদ অফিসের কর্মকর্তাবৃন্দ।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা গেছে, ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় নির্বাচিত একজন সিজিএফ ও একজন বাককীপার খামরির মাঝে খাবার (গমের ভূষি, সরিষার খৈল), ছাগলের আধুনিক ঘর তৈরির সরঞ্জাম (প্লাস্টিক নেট), মিল্ক রিপ্লেসার, ব্ল্যাক বেঙ্গল পাঁঠা বিতরণ করা হয়েছে।

এছাড়া গরু হৃষ্টপুষ্ট করণ প্রকল্পের আওতায় ৫০ জন খামারির মাঝে কৃমিনাশক ঔষধ, ভিটামিন মিনারেল প্রিমিক্স ও হেলথ্ কার্ড বিতরণ করা হয়। পাশাপাশি এনএটিপি ফেজ-২ প্রকল্পের আওতায় দু’জন ছাগল পালন সিআইজি সদস্যদের মাঝে আধুনিক ঘর তৈরির সরঞ্জাম ও তৈরির নগদ অর্থ বিতরণ করা হয়েছে বলে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়।

উল্লেখ্য, গত এক বছর ধরে করোনাকালীন সময়েও ঝুঁকি নিয়ে সব ধরণের সেবা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৪, ২০২১ ৬:০৭ অপরাহ্ন
ইলিশ ধরা বন্ধ,পটুয়াখালীর দরিদ্র জেলেদের মাঝে গরু বিতরণ
প্রাণিসম্পদ

ইলিশ ধরা বন্ধ থাকাকালে বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে পটুয়াখালীর বাউফলের ১০ জেলেকে গাভী বিতরণ করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৪ মে) দুপুর ১২টার দিকে সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার কার্যালয়ের সহযোগিতায় উপজেলা পরিষদ মাঠে এসব গাভী দেয়া হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- মৎস্য অধিদফতরের বরিশাল বিভাগীয় উপ-পরিচালক আনিছুর রহমান, বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জাকির হোসেন ও সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুব আলম ঝান্টা।

সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মাহবুব আলম ঝান্টা জানান, ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থা প্রকল্পের আওতায় সুফলভোগীদের কর্মসংস্থানের সৃষ্টিতে জেলেদের মাঝে এসব গাভী বিতরণ করা হয়েছে। আগামী সপ্তাহের মঙ্গলবার আরও ১০ জেলেকে গাভী দেয়া হবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৪, ২০২১ ৫:৫১ অপরাহ্ন
সীমান্ত এলাকা থেকে ভারতীয় গরু জব্দ করলো বিজিবি
পাঁচমিশালি

নেত্রকোনার সীমান্ত এলাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা মূল্যমানের দুইটি ভারতীয় গরু জব্দ করেছে বিজিবি।

মঙ্গলবার(৪ মে) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) নেত্রকোনা ৩১ ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর নূরুদ্দীন মাকসুদ।

বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, গত সোমবার দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় লেংগুরা ইউনিয়নের লেংগুরা বিওপি’র (বর্ডার অবজারবেশন পোষ্ট) সুবেদার মো. রুহুল আমিনে নেতৃত্বে ৮ সদস্যের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযানে ১১৭০/৩-এস নং সীমান্ত পিলারের একশত গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চকলেটবাড়ী নামক এলাকা হতে দুইটি ভারতীয় গরু জব্দ করতে পারে এ দলটি।

জব্দকৃত ভারতীয় গরুর মুল্য আনুমানিক দুই লক্ষ মূল্যমানের এবং গরু দুইটি নেত্রকোনা কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করা হবে। তবে এ অভিযানে কোন চোরাকারবারীকে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে জানান বিজিবি’র ৩১ ব্যাটালিয়নের ওই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৩, ২০২১ ১০:৫৩ অপরাহ্ন
মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দিয়ে চলছে গবাদি পশু-পাখির চিকিৎসা!
প্রাণিসম্পদ

মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দিয়ে গবাদি পশু-পাখির চিকিৎসা চালানোর অভিযোগ উঠেছে যশোরের শার্শা উপজেলা প্রাণিসম্পদ দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। ফলে সুচিকিৎসার অভাবে প্রতিনিয়ত গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগি মারা যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন খামারি ও চাষিরা। এতে লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের। সরকারি ওষুধ বাইরে বিক্রি করে দিয়ে এসব ওষুধ সবার চোখের আড়ালে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ অনেকের।

সোমবার (৩ মে) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অসুস্থ গরু, ছাগলের শরীরে পুশ করার জন্য উপজেলার নাভারন প্রাণিসম্পদ দফতরের র্যাকে রাখা প্রোক্সাসিন ইনজেকশনের কাঁচের বোতলের গায়ে মেয়াদ উল্লেখ আছে ২০২১ সালের ২১ মার্চ। আরেকটি র্যাকে রাখা আছে কেমোনিড (ওরাল পাউডার)। এগুলোর গায়েও ব্যবহারের মেয়াদ উল্লেখ আছে ২০২১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন খামারি ও চাষির অভিযোগ, ২৮ এপ্রিল কয়েকজন খামারির অসুস্থ গরু ও ছাগলের দেহে প্রোক্সাসিন ইনজেকশন পুশ করা হয়। এরপরই তাদের কিছু গরু ও ছাগল আরও বেশি অসুস্থ হয়ে যায়।

সরকারি ওষুধ বাইরে বিক্রি করে দিয়ে এসব ওষুধ সবার চোখের আড়ালে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার মাসুমা আক্তার বলেন, ‘কীভাবে আমার দফতরে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ এলো আমি বুঝতে পারছি না। আমার মনে হয় বাইরের কেউ শত্রুতা করে এখানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রেখে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।’

এ ব্যাপারে জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাহবুব আলম বলেন, ‘বিষয়টি জানার পর আমি এসব মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ব্যবহার না করে নষ্ট করে দিতে বলেছি।’

তিনি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা একজন সৎ ও ভালো দাবি করে তিনি বলেন, ‘এটা সামান্য ছোট একটি ঘটনা। অনেক সময় ভুলের কারণে এসব হয়ে থাকে। ভবিষ্যতে যাতে এসব ঘটনা না ঘটে সে ব্যাপারে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।’- জাগো নিউজ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৩, ২০২১ ৭:৫৯ অপরাহ্ন
করোনায় প্রাণিজ আমিষ নিশ্চিতে কাজ করছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
প্রাণিসম্পদ

চলমান করোনা সংকট পরিস্থিতিতে জনগণের পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভোক্তা পর্যায়ে প্রাণিজ আমিষ সরবরাহ অত্যন্ত জরুরি। এটি বিবেচনায় রেখে করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত বিধি-নিষেধ চলাকালেও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন, পরিবহণ, সরবরাহ ও বিপণন অব্যাহত রাখতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা দপ্তরে ও কর্মস্থলে সার্বক্ষণিক উপস্থিত থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

করোনা পরিস্থিতিতেও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ও মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উদ্যোগে হাঁস-মুরগি (লাইভ), গবাদিপশু, মাছের পোনা, মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, প্রাণিজাত পণ্য, মৎস্য ও পশু খাদ্যসহ এ ধরণের খাদ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত উপকরণ, কৃত্রিম প্রজনন এবং পশু চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধ-সরঞ্জামাদি অবাধ উৎপাদন, পরিবহণ ও সরবরাহ এবং বিপণন অব্যাহত রাখা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে ন্যায্যমূল্যে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও দুগ্ধজাত পণ্যের ভ্রাম্যমান বিক্রয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছেন। এতে একদিকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের খামারিরা যেমন ন্যায্যমূল্যে উৎপাদিত পণ্য সহজে বিপণন করতে পারছেন, অন্যদিকে ভোক্তারা চলমান বিধি-নিষেধের মধ্যেও চাহিদা অনুযায়ী মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও দুগ্ধজাত পণ্য সহজে ক্রয় করে তাদের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ করতে পারছেন।

করোনায় চলমান বিধি-নিষেধের মধ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন, পরিবহণ, সরবরাহ ও বিপণনজনিত উদ্ভুত সমস্যা সমাধান ও সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য মৎস্য অধিদপ্তরে একটি ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আরেকটি কন্ট্রোল রুম কাজ করেছে। কন্ট্রোল রুম থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী গতকাল ০২ মে দেশের ৬৪টি জেলায় ৭২০ টি ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্র পরিচালনা করে ১ লক্ষ ১৯ হাজার ৫৬৮ লিটার দুধ, ৮ লক্ষ ৪৮ হাজার ৮০১ টি ডিম, ৫ হাজার ৯৩৪ কেজি গরুর মাংস, ১ হাজার ১৪০ কেজি খাসির মাংস, ৭৫ হাজার ৭২৬ কেজি মুরগি এবং ১৬১ মে. টন মাছ এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য বিক্রয় করা হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৫ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা।

করোনা পরিস্থিতিতে সারাদেশে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন, পরিবহণ, সরবরাহ ও বিপণন সংক্রান্ত কার্যক্রম নিয়মিত তদারকী ও বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা প্রদান করছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। এছাড়াও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ বিভিন্ন জেলায় সার্বক্ষণিক মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম মনিটরিং করছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৩, ২০২১ ৬:১০ অপরাহ্ন
এক গরুর লালন-পালনে প্রতিদিন খরচ ৪৪৩ টাকা!
পাঁচমিশালি

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে আটক হওয়া ভারতীয় ৩২টি গরু ৪৯ দিন লালন-পালনে ব্যয় লেখা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এতে প্রতি গরু লালন-পালনে প্রতিদিন ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ শত ৪৩ টাকা। একটি গরু লালন-পালনে প্রতিদিন ৪ শত ৪৩ টাকা ব্যয় হয়েছে এমন বিল ভাউচার নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছেন গরু খামারিয়া।

অভিযোগ উঠেছে, সরকারি টাকা আত্মসাত করতেই এমন বিল ভাউচার তৈরি করা হয়েছে। এ ছাড়া ওই গরু গুলো নিলামে বিক্রিতেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে নিলাম কমিটির বিরুদ্ধে।

সূত্র জানায়, ওই উপজেলার দহগ্রাম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র গত ১১ মার্চ ভারতীয় ৩৩টি গরু আটক করেন। গরু গুলো নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত পেতে কালক্ষেপণ হওয়ায় ওই গরু গুলো লালন-পালনের দায়িত্ব দেয়া হয় দহগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদকে। গরুগুলো পালনে দায়িত্ব অবহেলার ফলে ১টি গরু মারাও যায়। ৪৯ দিন পর আদালতের অনুমতি ক্রমে গত ২৭ এপ্রিল গরুগুলো প্রকাশ্য নিলামে ২৫ লাখ টাকা ধরে বিক্রি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রামকৃষ্ণ বম্মর্ণের নেতৃত্বে নিলাম কমিটি।

এ নিলামকে কেন্দ্র করে ওই দিন দহগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদে গরু ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংর্ঘষও বাঁধে। এ ছাড়া নিলামেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে নিলাম কমিটি’র বিরুদ্ধে।

সাধারণ গরু ব্যবসায়ীদের নিলামে অংশগ্রহণের সুযোগ না দিয়ে তাড়াহুড়া করে নিলাম শেষে ইউনিয়ন পরিষদ ত্যাগ করেন নিলাম কমিটি’র সদস্যবৃন্দ। যা নিয়ে সাধারণ গরু ব্যবসায়ীদের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

এ দিকে ওই গরুগুলোকে ৪৯ দিন লালন-পালনের জন্য দহগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ ৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ব্যয় দেখিয়ে বিল ভাউচার নিলাম কমিটি’র কাছে অনুমোদন নিয়েছেন। যাতে প্রতিটি গরুর পিছনে প্রতিদিন ব্যয় দেখানো হয়েছে ৪ শত ৪৩ টাকা। ওই বিল ভাউচার মতে একটি গরু প্রতিদিন ২ শত ২২ টাকার শুধু খাদ্যই খেয়েছেন এবং অন্যান্য ব্যয় দেখানো হয়েছে ৩ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। যা কোনো ভাবেই বিশ্বাস যোগ্য নয় এমন দাবী স্থানীয় গরু খামারিদের।

কয়েকজন খামারি জানান, খাদ্য, বাসস্থান, চিকিৎসা, শ্রমিক সব মিলে প্রতিদিন একটি গরুর পিছনের ২ শত টাকাও ব্যয় হবে না সেখানে কীভাবে ৪ শত ৪৩ টাকা হয়? সঠিকভাবে লালন পালন না করায় একটি গরু মারা গেছে সেহেতু ওই গরুগুলোর পিছনে পরিমাণ মত ব্যয় করা হয়নি।

অভিযোগ উঠেছে, সরকারি টাকা আত্মসাত করতেই এমন বিল ভাউচার তৈরি করে অনুমোদন নেয়া হয়েছে। যার সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। এ অনিয়মের সাথে একটি সিন্ডিকেট জড়িত এমন অভিযোগ রয়েছে।

দহগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বলেন, আমি শুধু খাদ্য সরবরাহ করেছি। এতে ৪৯ দিনে ৩ লাখ ৪৯ হাজার টাকার খাদ্য গিয়েছে। বাকি ব্যয়ের সাথে আমি জড়িত নই।

পাটগ্রাম উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র বলেন, প্রতিটি গরুর পিছনে প্রতি দিন ৪ শত ৪৩ টাকা ব্যয়ে হয়েছে এটা অতিরিক্ত নয়। সকল নিয়ম মেনেই ব্যয় হয়েছে।

পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নিলাম কমিটি’র সভাপতি রামকৃষ্ণ বর্ম্মণ বলেন, গরু গুলো ২৫ লাখ টাকায় প্রকাশ্য নিলামে বিক্রি হয়েছে। ওই গরুগুলো লালন পালন বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। ব্যয় অতিরিক্ত ধরা হয়েছে কি না তা আমি বলতে পারবো না। প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তাই ভালো বলতে পারবেন।-বাংলাদেশে জার্নাল

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop