৭:২২ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ১৮ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ২৯, ২০২১ ১১:৪৪ অপরাহ্ন
লামায় অভিনব কায়দায় গরু চুরি, আটক ৪
প্রাণিসম্পদ

বান্দরবানের লামায় মাইক্রোবাসে করে অভিনব কায়দায় গরু চুরি করে নিয়ে যাওয়ার সময় ইয়াংছায় বাজারে জনগণের হাতে আটক হোন চার চোর। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী এসে চারজনকেই ইয়াংছা চেকপোস্টে নিয়ে যায়। চার গরু চোর এখন সেনা-পুলিশের হেফাজতে আছে।

আজ সোমবার (২৯ মার্চ) বিকাল ৫টা ১২ মিনিটের সময় এ ঘটনা ঘটে।

বেপরোয়াভাবে মাইক্রোটি ইয়াংছা বাজার ক্রস করে চেক পোস্টে বাধাপ্রাপ্ত হয়। গাড়ির ভেতর লাল ও আরেকটি কালো কম্বল জড়ানো একটি ধামড়া গরু যার আনুমানিক মূল্য ৬০ হাজার টাকা।

গাড়ি চালকের নাম সেনাম। তার ভাষ্যমতে মাইক্রোবাসের মালিক জনৈক নাসির। বাড়ি চকরিয়া ছুয়ারপাড়ি। অন্য তিন জনের নাম, তৌহিদ (২৮), নুরু (২২), সাইদুল (২২) এরা সবাই চকরিয়া উপজেলার বাসিন্দা।

গরুর মালিক বধুঝিরির বাসিন্দা নুর মোহাম্মদ পিতা মৃত হামিদ আলম। সে একটি বাগানে কাজে ছিল। বধুঝিরি রাস্তার পাশে একটি পেঁপে বাগান থেকে গরুটি চুরি করে নিয়ে আসে বলে জানা যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৯, ২০২১ ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন
অধিকলাভে যেভাবে যত্ন নিবেন হাঁস-মুরগির
প্রাণিসম্পদ

গ্রামীন অর্থনীতির অন্যতম পাথেয় হলো হাঁস-মুরগির পালন।গ্রামের প্রায় সবার ঘরে ঘরে দেখা যায় হাঁস-মুরগি। এবং অনেকেই করছেন বৃহৎ আকারে হাঁস-মুরগির খামারও। আর খামারে লাভবান হওয়ার জন্য প্রয়োজন সঠিক পরিচর্যা। সঠিক পরিচর্যা প্রয়োগে আরো লাভবান হওয়া সম্ভব। বর্ষাকালের আগেই প্রাণিসম্পদের যত্ন নিতে রয়েছে প্রস্তুতির প্রয়োজন। আর সেজন্য জানা প্রয়োজন তার সঠিক নিয়ম কানুন।

হাঁস-মুরগির যত্ন যেভাবে নিবেন:

১. বর্ষাকলের আগেই প্রাণিচিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করে হাঁস-মুরগির ভ্যাকসিন দিতে হবে।

২. বাজারে রাণীক্ষেতের জন্য নবিলিস এনডি ল্যাসুটা, এনডিএলএস, সিভেক নিউ এল, আইজোভ্যাক এনডি কিল্ড, নিউক্যাভাক, ইমোপেস্ট, নিউক্যাসেল ল্যাসুটা ওষুধ রয়েছে। এছাড়া গামবোরো রোগে নবিলিস ২২৮, সিভেক গামবো এল, আইজোভ্যাক গামবো-২ রয়েছে। আর বসন্ত রোগে সিভেক এফপিএল, নবিলিস, ওভোড্রিপথেরিন পাওয়া যায়।

৩. হাঁস-মুরগির কৃমির জন্য ওষুধ খাওয়ানো, ককসিডিয়া রোগ হলে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং জরুরিভাবে অন্যান্য প্রতিষেধক টিকা দিয়ে দিতে হবে।

৪. মুরগি ও হাঁসের বাচ্চা ফোটানোর কাজটি ভরা বর্ষার আগেই সেরে ফেলতে হবে।

৫. গবাদি পশুর গলাফোলা, ডায়রিয়া, ক্ষুরারোগ, নিউমোনিয়াসহ অন্যান্য রোগের টিকা দেওয়াসহ প্রতিরোধ ব্যবস্থা নিতে হবে।

৬. বর্ষা আসার আগেই গবাদি পশুর আবাসস্থল পরিপাটি করে পুনসংস্কার, আশপাশ পরিষ্কার করা, জমে থাকা পানির দ্রুত নিকাশের ব্যবস্থা, বর্ষার নিয়মিত এবং পরিমিত গো-খাদ্যের জোগান নিশ্চিত করাসহ অন্যান্য কাজ সঠিকভাবে করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৯, ২০২১ ১২:০৩ পূর্বাহ্ন
কক্সবাজারে প্রান্তিক খামারিদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

কক্সবাজার প্রতিনিধি: প্রাণিসম্পদ সেক্টরে দেশের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান পিয়ারটপ লিমিটেড, বিগত প্রায় ১ যুগেরও বেশি সময় ধরে সুনামের সহিত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে প্রাণিসম্পদ সেক্টরের উন্নয়নের জন্য। সারাদেশে প্রান্তিক পর্যায়ের ছোট বড় সকল ধরনের খামারিদের দক্ষতা ও সচেতনতা বৃদ্ধিকল্পে খামার ব্যবস্থাপনা এবং রোগ প্রতিরোধ পরিকল্পনা বিষয়ক নানা প্রশিক্ষণ কর্মশালা ও সেমিনারের আয়োজন করে আসছে প্রতিষ্ঠানটি, যাতে করে প্রান্তিক খামারীরা উপকৃত ও লাভবান হতে পারে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত শনিবার (২০ মার্চ) সকাল ১০ টায় কক্সবাজারে লিংক রোডে যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্রের কনফারেন্স রুমে ৮০ জন প্রান্তিক খামারিদের নিয়ে এক প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়। পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শুরু হয়।

অনুষ্ঠানের শুরুতে স্বাগত বক্তব্য রাখেন মোঃ রুকনুজ্জামান খান, সিনিয়র প্রশিক্ষক, যুব উন্নয়ন কেন্দ কক্সবাজার, তিনি আগত সকল অতিথিদের ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তার বক্তব্য প্রদান করেন। তিনি ভ্যাকসিন, জৈব নিরাপত্তা ও ব্রুডার ব্যবস্থাপনার উপর সম্মক আলোচনা করেন।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিয়ারটপ লিমিেিটড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডাঃ সৈয়দ মোস্তফা আলী।

মাঠ পর্যায়ে অত্যন্ত অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ডাঃ সৈয়দ মোস্তফা আলী তাঁর বক্তব্যে বলেন, দীর্ঘ ১৮ বছর যাবত তিনি পোল্ট্রি সেক্টরের সাথে জড়িত এবং মাঠ পর্যায়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় কাজ করে চলেছেন।

তিনি খামারিদের বলেন শত ব্যস্ততার মাঝেও খামারিদের সাথে সর্বদা সম্পৃক্ত রয়েছি। শুধু ব্যবসাকে প্রাধান্য না দিয়ে খামারিদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন সাম্প্রতিক সময়ে করোনা সংকটের কারণে পোল্ট্রি শিল্পের অবস্থা খারাপ যাচ্ছে, অনেক খামারী তাদের পুঁজি হরিয়ে পথে বসেছে। আমি এই সংকটপন্ন সময়েও খামারীদের নিয়ে নানা প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করে যাচ্ছি। খামারির যাতে করে প্রকৃত খামারী হয়ে ওঠে সেই চেষ্টাই করে যাচ্ছি আমরা। এই কঠিন সময়েও খামারিদের মনবল অটুট থাকে ও ব্যবসার ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা পায়।

তিনি আরো বলেন, ব্রয়লারের দর প্রতিনিয়ত হৃাস পাচ্ছে ফলে খামারীরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে ফলে তাদের ব্যবস্থাপনা উন্নত করে খরচ কমিয়ে কিভাবে উৎপাদন বাড়ানো যায় সে বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

তিনি তার বক্তব্যে পোল্ট্রিতে এন্টিবায়োটিকের ব্যবহার সংক্রান্ত বিষয়সহ নানান সমস্যা ও সম্ভাবনার কথা সাবলিল ভাবে উপস্থাপন করেন। তিনি এন্টিবায়োটিকের বিকল্প প্রোবায়োটিক ব্যবহারের উপর জোর দেন। এছাড়াও তিনি গ্রীষ্মকালীন সময়ে খামারের নানা রোগ প্রতিরোধ পরিকল্পনা বিষয়ক আলোচনা করেন এবং মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টরে পিয়ারটপ লিমিটেডের গুরুত্বপূর্ণ কিছু প্রোডাক্ট সংক্রান্ত তথ্য খামারীদের মাঝে প্রামান্য চিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরেন।

প্রোডাক্টগুলোর মধ্যেRevolution, Peercox, Nutrivit Pro FT, Heat Breaker, Germy 200X, Moxitin Plus উল্লেখযোগ্য।

কর্মশালায় খামারিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মো: জাহেদুল ইসলাম, শফিউল আলম, আব্দুল বারী, ওবায়দুল হক,আব্দুর রহিম, হাবিবুর রহমান, শাহেদুল ইসলাম, রিদুয়ানুর রহমান, আয়াতুল্লাহ, মো: ওমর ফারুক,মো: আলমগীর, আবু তাহের, জয়নাল আবেদিন,মো: রুবেল, মো: রাসেল, মো: ইসমাইল, মো: সাদ্দাম হোসেন, মো: সিজান, শাহিন, দেলোয়ার, রহিম, আব্দুল কালাম, মো: রফিক, তাজউদ্দিন, রুহুল আমিন আরো অনেকে।

কর্মশালায় আরো উপস্থিত ছিলেন মেসার্স আলম পোল্ট্রি ফিড এন্ড মেডিসিন সেন্টার এর সত্ত¡াধিকারী মোঃ ফরিদুল আলম, পিয়ারটপ লিঃ এর আরএসএম আবু সুফিয়ান ও যুবরাজ হোসেন ছাড়াও কোম্পানির কর্মকর্তাবৃন্দ। মধ্যাহ্ন ভোজের মাধ্যমে কর্মশালার সফল পরিসমাপ্তি ঘটে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৭, ২০২১ ৭:১৮ অপরাহ্ন
দেশে পাকিস্তানি প্রেতাত্বারা মাথাচাড়া দিয়ে উঠার চেষ্টা করছে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে বিদেশি রাষ্ট্র ও সরকার প্রধানদের দেশে অবস্থানের সময় পাকিস্তানি প্রেতাত্বাদের কেউ কেউ মাথাচাড়া দিয়ে উঠার চেষ্টা করছে।

শনিবার স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী এবং বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উত্তরণ উপলক্ষে পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, “স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর এ সময়ে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাচ্ছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে। এমন একটি চমৎকার সময়েও দেশের অভ্যন্তরে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়ানোর জন্য পাকিস্তানি প্রেতাত্বাদের কেউ কেউ মাথাচাড়া দিয়ে উঠার চেষ্টা করছে। কিন্তু তারা ভুলে গেছে এ বাংলাদেশ রাম-রহিমের বাংলাদেশ, এ বাংলাদেশ হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টানের বাংলাদেশ। এ বাংলাদেশে ধর্মের ঊর্ধ্বে গিয়ে আমাদের একটি পরিচয় আছে। সে পরিচয়, আমরা বাঙালি, আমরা বাংলাদেশের নাগরিক। এ বাংলাদেশে নতুন করে যদি কেউ ধর্মীয় উসকানি সৃষ্টি করে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করতে চায় তাদেরকে কঠোরভাবে দমন করা হবে। কোনোভাবেই এ বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট হতে দেওয়া হবে না।”

শ ম রেজাউল করিম বলেন, “ইসলাম শান্তির ধর্ম। ইসলাম অপর ধর্মে আঘাত করায় বিশ্বাস করে না, অপর ধর্মাবলম্বীদের অধিকারে হস্তক্ষেপ করায় বিশ্বাস করে না। এই শান্তির ধর্ম ইসলামের নাম ব্যবহার করে যারা ’৭১ সালে লুণ্ঠন করেছে, ধর্ষণ করেছে, জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করেছে তাদের চেহারা আমরা চিনি। তাদের প্রেতাত্বারা আবার মাথাচাড়া দেয়ে উঠার চেষ্টা করছে। যুদ্ধাপরাধী, সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর বিচার শেখ হাসিনা করেছেন। প্রয়োজনবোধে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্টকারীদের কঠোর বিচারের মুখোমুখি করা হবে। শান্তির বাংলাদেশকে কোনোভাবে ধ্বংস করতে দেওয়া হবে না।”

স্বাধীনতার ৫০ বছরে দেশের উন্নয়নচিত্র তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, “১৯৭২ সালে আমাদের অর্থনীতির আকার ছিল ০.৫৮ বিলিয়ন ডলার যা আজ ৩৪৮ বিলিয়ন ডলার, মাথাপিছু আয় ছিল ১২৯ ডলার যা বর্তমানে ২০৬৪ ডলারে উন্নীত হয়েছে, দারিদ্র্যের হার ছিল ৮৮ শতাংশ যা আজ ২০ শতাংশে নেমেছে, গড় আয়ু ছিল ৪৭ বছর যা এখন ৭২.৬ বছর, শিক্ষার হার ছিল ২০.৯ শতাংশ যা আজ ৭২.৮ শতাংশে উন্নীত হয়েছে।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে পৃথিবীর বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বাংলাদেশের প্রশংসা করে বলেছেন, যেভাবে বাংলাদেশকে শেখ হাসিনা এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, এটা বিশ্বের বিস্ময়। পৃথিবীর অনেক রাষ্ট্র ও সরকার প্রধান এসময় বাংলাদেশে এসেছেন। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনসহ অনেকেই বাংলাদেশের বিস্ময়কর উন্নয়নের প্রশংসা করেছেন। সারাবিশ্ব বলছে ঈর্ষা করার মতো উন্নয়ন বাংলাদেশ করতে পারছে।

নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোশারেফ হোসেনের সভাপতিত্বে নেছারাবাদ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল হক, ভাইস চেয়ারম্যান রনি দত্ত, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বশির গাজী, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মো. ফিরোজ কিবরিয়া, নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবির মোহাম্মদ হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার কাজী সাখাওয়াতসহ অনেকেই আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৬, ২০২১ ৬:০৮ অপরাহ্ন
লাভ-লসে ভেঙ্গে না পড়া খামারী মাহফুজ
পোলট্রি

স্বাবলম্বী হওয়ার সুবাদে বাবার করা খামারকে আবারো তৈরি করতে কাজ করছেন নোয়াখালী জেলার চাটখিলের আব্দুল্লাহ আল মাহফুজ। “যে মুরগি আমরা খাই তা কেউ না কেউ তো পালন করেছে”, আর সেই পালনকারীর কাতারে থেকে দেশকে আরো সম্মৃদ্ধ করার প্রয়াসে পোল্ট্রি খামারসহ বিভিন্ন উদ্যোক্তামূলক কাজে নামেন তিনি। আর পোল্ট্রি খামার করতে গিয়ে তিনি এগ্রিভিউ২৪.কম‘কে একান্ত সাক্ষাৎকারে জানান নানান সমস্যা আর সম্ভাবনা। নিন্মে পাঠকদের জন্য হুবহু তুলে ধরা হলো এগ্রিভিউ২৪.কম‘কে দেয়া সাক্ষাৎকারাটি।

আপনি কতসালে খামার শুরু করেন? এমন প্রশ্নে তিনি এগ্রিভিউ২৪.কম‘কে বলেন, আমি যে খামার নতুন শুরু করেছি এমনটি নয়। ২০০০ সালে আমার বাবা প্রথম খামার শুরু করে। আর তখন বাবা খামার করে লাভও করেছেন বেশ। তখন আমি দাখিলে পড়ি। আর বাবা বিদেশ যাওয়ার পর সেই খামার বন্ধ থাকে। আবার ২০১৯ সালে এসে আমি আবার খামার শুরু করি।

কতটি মুরগির বাচ্চা দিয়ে খামার শুরু করলেন? জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি প্রথম প্রায় ৪৩ হাজার টাকায় ১৫‘শ বাচ্চা দিয়ে ২০১৯ সালের অক্টোবরে খামার শুরু করি। আলহামদুলিল্লাহ প্রথম সেডেই আমি ত্রিশ হাজার টাকা লাভ করি। তারপর আরেক সেডে ৫০ হাজার টাকার মত লাভ করলেও ২০১৯-২০ সালে আমার লসের অংকটা একটু বেশি গুনতে হয়। আমি প্রায় তিন লক্ষ টাকার মত লস করি।

এই লসের কারণ কি বলে আপনি মনে করেন? তিনি বলেন,করোনার কারণে অনেকটা লসে পড়তে হয়। তার উপর ছিলো সিন্ডিকেট বানিজ্য। সিন্ডিকেট বলতে বাচ্চা যারা উৎপাদন করে আবার তারাই খাদ্য উৎপাদনও করে আবার মুরগিও তারাই উৎপাদন করে। এতে করে একজন প্রান্তিক খামারির চাইতে তাদের উৎপাদন খরচ অনেক কম পড়ে। অন্যদিকে তারাই আবার মুরগির বাজার মূল্য নির্ধারণ করে। ফলে বাচ্ছা, খাদ্য এবং একই সাথে মুরগী উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের উৎপাদন ব্যায় অনুযায়ী বাজার মূল্য নির্ধারণ করায় প্রান্তিক খামারিগন ন্যায্য মূল্য থেকে বঞ্চিত হন। ফলে প্রান্তিক খামারিগন আর্থিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হন।

২০২১ সালে এসে নতুন বছর কেমন যাচ্ছে? ২০২১ সালের এসে প্রথম ব্যাচ ভালো করতে পারি নাই। শীতের কারণে আবার নানারকম রোগের কারণে প্রায় ২০ হাজার টাকার মত লস দিয়েছি। আর ২য় ব্যাচ শুরু করেছি ইনশাআল্লাহ।২য় ব্যাচের বয়স মাত্র ৮ দিন বলে তিনি জানান।

একজন খামারী কিভাবে লাভ করতে পারবে বলে আপনি মনে করছেন? একজন খামারী লাভ করতে হলে প্রথমত বাচ্চার দাম কমাতে হবে। একটা খামারের ৯০%খরচ ধরা হয় খাদ্যে। তাই খাদ্যের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে। বাজারের অন্যান্য দ্রব্যের ন্যায় মুরগির দামেরও একটা স্থিতিশীল পরিস্থিতি থাকতে হবে। হুট করে বাচ্চার দাম, খাদ্যের দাম বাড়ানোর প্রবণতা কমাতে হবে।একটা স্থিতিশীল বাজার মূল্য নির্ধারণ করতে হবে।যাতে বাচ্ছা উৎপাদনকারী, খাদ্য উৎপাদনকারী এবং খামারি ক্ষতিগ্রস্ত না হয় আবার জনগণকেও উচ্চমূল্যে মুরগী কিনতে না হয়।

এছাড়া ভারতের সিন্ডিকেটসহ যেকোন ধরণের সিন্ডিকেট হ্রাস করতে হবে। প্রয়োজনের তুলনায় অধিক বাচ্চা উৎপাদন কমাতে হবে।আবার বাজারে কেবল বাচ্চার দাম কমালেই হবে না। বাচ্চার সাথে সাথে তার প্রাসঙ্গিক সব কিছুর দাম কমাতে হবে। এক্ষেত্রে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কর্তৃক একটা কমিটি গঠন করা উচিত। যারা বাজার মনিটরিং করবে।

পোল্ট্রির খামার দিয়েই কি প্রতিষ্ঠিত হবেন ভাবছেন? মাহফুজ বলেন,পোল্ট্রি নিয়ে অনেক পরিকল্পনা আছে। আবার মাছ, গরু, দুগ্ধজাত দ্রব্য নিয়েও কাজ করার ইচ্ছা আছে। এসবের উপরে আমি যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এর বিভিন্ন প্রশিক্ষণের আওতায় প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছি। ব্যক্তি পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানেও প্রশিক্ষণ নিয়েছি।

এ ছাড়া উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও দক্ষতা উন্নয়ন প্রকল্প থেকেও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করি। আমার ছোট আরো দুই ভাই আছে তারাও লেখাপড়ার পাশাপাশি যুব উন্নয়নসহ ব্যাক্তিকেন্দ্রিক নানান প্রতিষ্ঠানে গরু মোটাতাজা করন, গাভী পালন, দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদন, মৎস্য পালন সহ বিভিন্ন প্রশিক্ষণ গ্রহন করেছে।

মূলত আমরা খামারিরা ব্যক্তিগত উদ্যোগেই খামার করি। যদিও এই শিল্পকে এগিয়ে নিতে সরকারের অনেক পরিকল্পনা আছে। যদিও তা যথা সময়ে প্রান্তিক খামারিদের কাছে এসে পৌঁছায়না। সরকারি সুবিধাগুলো যদি যথাসময়ে প্রান্তিক খামারিদের কাছে এসে পৌঁছায় তা হলে এই শিল্প আরো এগিয়ে যাবে বলে আমি মনে করি। এতে জাতীয় চাহিদা পূরণ করার পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি করার সুযোগে সৃষ্টি হবে। সুতরাং সুযোগ সুবিধা এবং আমার দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে খামার করে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ইচ্ছা আছে বলে জানান মাহফুজ।

প্রাণিসম্পদ থেকে কেমন সুবিধা পাচ্ছেন? এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, প্রাণিসম্পদ থেকে এখনও যেভাবে পাওয়ার কথা সেভাবে সহযোগিতা পাইনি। প্রথমত এই সেক্টরে প্রয়োজনীয় লোকবলের অভাব, প্রয়োজনীয় ভ্যাক্সিনের অভাব। যার কারনে ভ্যাকসিন নিজ টাকা দিয়েই কিনতে হচ্ছে। যদিও পারিবারিক খামারের জন্য সরকারি ভ্যাক্সিন পাওয়া যায়। আবার বাজার থেকে কেনা ভ্যাক্সিন দিলেও অনেকক্ষেত্রে কাজ হচ্ছে না।

আর কোন ধরনের উদ্যোগ নিলে আপনাদের জন্য ভালো হবে বলে মনে করেন? প্রথমত সিন্ডিকেটের বন্ধ করতে হবে। বাচ্ছা উৎপাদনকারী শুধু বাচ্ছাই উৎপাদন করবে, খাদ্য উৎপাদনকারী শুধু খাদ্যই উৎপাদন করবে আর খামারিরা মুরগী উৎপাদন করবে। সাথে যত্রতত্র হ্যাচারি বন্ধ করতে হবে। কারণ যত্রতত্র হ্যাচারি মান সম্মত বাচ্চা দিতে পারে না। বাচ্চা নিয়ে আসলেই দেখি কয়েকদিনের ভিতরে মারা যায়। রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা না থাকায় নানা রোগে আক্রান্ত হয়।যত্রতত্র হ্যাচারির কারণে মানহীন বাচ্চা ছড়িয়ে পড়ে। যার কারণে খামারীরা উঠে দাঁড়াতে পারে না।

করোনায় প্রণোদনার টাকা পেয়েছেন? এমন প্রশ্নে তিনি সরকারের প্রশংসা করে এগ্রিভিউ২৪.কম‘কে বলেন, এটা সরকার খুব ভালো একটা কাজ করেছে। অনেকে এখনও প্রণোদনার টাকা না পেলেও আমি পেয়েছি। আমি প্রায় ২৩ হাজার টাকা পেয়েছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৬, ২০২১ ৫:৪১ অপরাহ্ন
গরুর খামারে লাভবান হওয়ার জন্য যা জানতে হবে
প্রাণিসম্পদ

আমাদের দেশে এখন গ্রামের বেশির ভাগ লোকই গরুর খামারের দিকে ঝুঁকছে। তারা একটু বেশি লাভের আশায় গরুর খামার গড়ে তুলছে। তবে তাদের অনেকেই জানে না তার নিয়ম-কানুন। নিয়ম কানুন জেনে খামার করলে লাভ হবে আরো ব্যাপক। আজকের এই লেখায় উঠে আসবে গরুর খামার করে লাভবান হওয়ার কিছু নিয়ম।

গরুর খামারে লাভবান হওয়ার জন্য যে নিয়মগুলো মানতে হবে:
১। প্রত্যেকটি গরুর জন্য আলাদা আলাদা খাদ্য ও পানির পাত্রের ব্যবস্থা রাখতে হবে। গরুর পুষ্টি চাহিদা পূরণে রুটিন অনুযায়ী খাদ্য নিশ্চিক করার প্রতি নজর দিতে হবে।

২। গরুর খাদ্য ও পানির পাত্র সব সময় জীবাণুমুক্ত রাখতে হবে। খাদ্যের সাথে ক্ষতিকর কোন উপাদান যাতে না থাকে সে বিষয়টি লক্ষ্য রাখতে হবে।

৩। গাভী ছয় মাসের গর্ভবতী হলে লবণ খাওয়ানো বন্ধ করুন এবং বাচ্চা দেওয়া পর্যন্ত তা পালন করুন। এতে গাভীর ওলানে পানি আসবে না।

৪। গরুর খামারের প্রতিটি গরু জন্য খাদ্য খরচের হিসাব লিখে রাখতে হবে। খাদ্য খরচ যাতে অতিরিক্ত না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

৫। গরুর খামারে বায়োসিকিউরিটি মেনে চলতে হবে এবং অন্যকে মানতে বাধ্য করতে হবে। অন্য খামারে দুধ দোহন করে এমন দোহানকারীকে খামারে প্রবেশ করালে সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত করে তারপর খামারে প্রবেশ করাতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৬, ২০২১ ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন
“ত্রিশ লক্ষ শহিদের দেশে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেয়া হবে না”
প্রাণিসম্পদ

ত্রিশ লক্ষ শহিদের বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে পিরোজপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

১৯৭১ ও তার পূর্ববর্তী সময়ে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়ানো প্রেতাত্মাদের বাংলাদেশে কোনভাবেই মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে দেয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই একটা চমৎকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্যে আছে। এর মধ্যেও সুনামগঞ্জের শাল্লায় হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় আক্রমণ হয়েছে। সাম্প্রদায়িক শক্তি এবং এদের পৃষ্ঠপোষক রাজনৈতিক দল ও জোট এর পেছনে জড়িত থাকতে পারে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। কোনভাবেই বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে, রাম-রহিমের বাংলাদেশে, ত্রিশ লক্ষ শহিদের বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেয়া হবে না। যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার, সে ব্যবস্থাই গ্রহণ করা হবে। কঠোরভাবে তাদের দমন করা হবে।”

মন্ত্রী আরো বলেন, “১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বর্বর পাকিস্তানী এবং এদেশীয় দোসররা নিরস্ত্র বাঙালির উপর ঝাপিয়ে পড়েছিল। রাজারবাগ পুলিশ লাইনসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায় তারা। সেজন্য ইতিহাসে ২৫ মার্চ একটা বর্বরোচিত কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। এ নির্মম ঘটনা যারা সংগঠিত করেছিল তাদের দোসর এদেশীয় একটি শ্রেণি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর পুনর্বাসিত হয়েছিল। বাংলাদেশের রাজনীতিতে সুপ্রতিষ্ঠা পেয়েছিল। এমনকি বঙ্গবন্ধুর খুনীদের রাজনীতিতে ও সরকারে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল। এভাবেই পঁচাত্তর পরবর্তী সরকারগুলো বাংলাদেশকে কার্যত পূর্ব পাকিস্তানে পরিণত করার ব্যবস্থা করেছিল।”

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, “২৫ মার্চ নতুন নয়। অথচ ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে ২০১৭ সালে। ২০১৭ সালের ১১ মার্চ শেখ হাসিনা সরকার আমলে ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। অতীতে কেউ এটি করেনি। কারণ ২৫ মার্চের গণহত্যার সাথে যারা জড়িত তাদের উত্তরসূরিরা বাংলাদেশের প্রশাসনে, রাষ্ট্র ক্ষমতায়, রাজনীতিতে রয়ে গেছে। এজন্য ২৫ মার্চকে আনুষ্ঠানিকভাবে অতীতের সরকারগুলো পালন করেনি।

কিন্তু দৃঢ়চেতা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশ প্রসঙ্গ আসলেই মনে করেন মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধু অবিচ্ছেদ্য। কারণ বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানের একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ যেখানে প্রত্যেকের অধিকার থাকবে সম পর্যায়ে, ধর্মের ভিত্তিতে কাউকে ছোট করে দেখা হবে না। কেউ বঞ্চনার শিকার হবেন না। এরকম বাংলাদেশ যারা চায়নি তারা বাংলাদেশকে ধ্বংস করার জন্য বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল।”

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “এ মূহুর্তেও দেশে ষড়যন্ত্র চলছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আগমন নিয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে বিষোদগার করা হচ্ছে। আবার এক শ্রেণির মৌলবাদিরা ভারতের প্রধানমন্ত্রী না আসার জন্য বিক্ষোভ করার ঔদ্ধত্য দেখাচ্ছে। বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীতে বিদেশি অতিথিরা এসে বাংলাদেশকে সম্মানিত করবেন, সেক্ষেত্রেও বিএনপি বাধা দিচ্ছে। ভারতবিরোধী রাজনীতির একটা ট্রাম্পকার্ড ছুঁড়ে দেয়ার জন্য অনেকেই চেষ্টা করছেন। তারা ভুলে গেছেন বাংলাদেশে এ রাজনীতির ট্রাম্পকার্ড এখন চলে না। এ জাতীয় রাজনীতির ভন্ডামিতে মানুষ এখন বিভ্রান্ত হয় না।”

“ঐক্যবদ্ধভাবে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশকে সুন্দরভাবে আমাদের বিনির্মাণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের সকলের প্রচেষ্টা আবশ্যক। কারণ বাংলাদেশ অস্থিতিশীল থাকলে আমরা কেউ ভালো থাকবো না। এজন্য স্বাধীনতাবিরোধী ও এদের পৃষ্ঠপোষকদের বিপক্ষে অবস্থান নিতে হবে।” যোগ করেন শ ম রেজাউল করিম।

পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক চৌধুরী রওশন ইসলাম, সিভিল সার্জন হাসনাত ইউসুফ জাকি, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বশির আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল আহসান গাজী, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গৌতম নারায়ণ রায় চৌধুরী, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোপাল বসু, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদ খান টিটু প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৫, ২০২১ ৭:০৮ অপরাহ্ন
বাঘায় পূর্ব শত্রুতার জেরে আগুন, পুড়ল ৯ ছাগল!
প্রাণিসম্পদ

রাজশাহীর বাঘায় পূর্ব শত্রুতায় দ্বীন মোহাম্মদ দুখু নামে এক ব্যক্তির দেশি ছাগলের খামারে আগুন দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
আগুনে পুড়ে মারা গেছে ৯টি ছাগল। ভুক্তভোগী দ্বীন মোহাম্মদ দুখু একই এলাকার মৃত এতিম আলীর ছেলে।

মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) গভীর রাতে উপজেলার কলিগ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বাঘা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও কলিগ্রামের আক্কাছ আলী বলেন, আগুনে পুড়ে ছাগল মারা যাওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। দুখু খুব কষ্ট করে বাড়ির পাশে ঘর তুলে দেশি ছাগলের একটি খামার দিয়েছে। এই ঘরে আগুন লেগে ৯টি ছাগল মারা গেছে।

খামারি দুখু জানান, আমার খামারে রাতের আঁধারে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে কে বা কারা আগুন ধরিয়ে দেয়। ছাগলগুলোর মধ্যে তিনটি ছাগল দুই/এক সপ্তাহের মধ্যে বাচ্চা প্রসব করবে। এতে আমার প্রায় দুই লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

বাঘা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল বারি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। পুলিশ খোঁজ-খবর নিয়েছে। এ বিষয়ে দুখু মিয়াকে থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৫, ২০২১ ৫:৩৬ অপরাহ্ন
বগুড়ায় কয়েলের আগুনে কৃষ‌কের ঘরসহ ১৩ গরু-ছাগল পুড়ে ছাই!
প্রাণিসম্পদ

বগুড়ার শিবগঞ্জে মশার কয়েল থেকে অগ্নিকা‌ণ্ডের ঘটনায় সাইদ জামান মণ্ডল (৫৫) নামক এক কৃষকের ৩টি ঘর, নগদ টাকা ও আসবাবপত্রসহ ১৩টি গরু-ছাগল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তিনি নিজেও অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) ভোর রাতে উপজেলার মোকামতলা ইউনিয়নের মুরাদপুর মধ্যপাড়া গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত ক‌রে‌ছেন শিবগঞ্জ ফায়ার সা‌র্ভিসের সাব অ‌ফিসার মো‌মিনুল ইসলাম।

সাব অ‌ফিসার মো‌মিনুল ইসলাম জানান, মশার কয়েল থেকে বৈদ্যুতিক তারে আগুন লেগে যায়। পরে পুরো বাড়ি আগুনে ছেয়ে গেলে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পৌঁছানোর আগেই ৩টি টিনের ঘর, ৩টি গরু,১০টি ছাগল,আসবাবপত্র ও টাকা পয়সা পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

মোকামতলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোখলেছার রহমান খলিফা জানান, কৃষক সাইদ জামানের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সহযোগিতা করা হয়েছে। অগ্নিদগ্ধ কৃষককে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৫, ২০২১ ১:২৪ অপরাহ্ন
বাণিজ্যিক কবুতরের ঘর তৈরিতে যা জানা জরুরী
পোলট্রি

সাধারণত কাঠ বা অন্য কোনো উপাদান দিয়ে ছোট ছোট ঘর বা খোপ তৈরি করে কবুতর পালন করা হয়ে থাকে। মজার ব্যাপার হলে, কয়েক জোড়া কবুতরের ঘর করে এক জোড়া কবুতর পালন করলে কয়েক দিনের মধ্যে বাকী ঘরগুলোতে নতুন জোড়া কবুতর এসে বাসা বাঁধে। কবুতর পোষা খুব সহজ এবং লাভজনক তা বলাই বাহুল্য। অল্প-পরিসরে যা বাণিজ্যিকভিত্তিতে কবুতর পালনের জন্য অবশ্যই সুপরিকল্পিত ব্যবস্থা থাকা বাঞ্ছনীয়। নিম্নে কবুতরের ঘর বা খোপ তৈরির বিশেষ ব্যবস্থাসমূহ আলোচনা করা হলো।

স্থান নির্বাচনঃ
কবুতরের খামারের জন্য উঁচু ও শুষ্ক সমতল ভূমি থাকা প্রয়োজন।

ঘরের উচ্চতাঃ
কুকুর, বিড়াল, ইঁদুর, বেজী ইত্যাদি যেন কবুতরের ঘর নাগালে না পায় সেদিকে লক্ষ্য রেখে ঘর উঁচু করতে হয়। এ উদ্দেশ্যে কাঠ বা বাঁশের খুঁটি পুঁতে তার উপর ঘর নির্মাণ করা যেতে পারে।

ঘরের পরিসরঃ
প্রতি এক জোড়া কবুতরের জন্য একটি ঘর থাকা প্রয়োজন। এক জোড়া কবুতর যাতে ঘরের ভিতর স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরতে ফিরতে পারে তা লক্ষ্য রেখে ঘর নির্মাণ করতে হবে।

স্বাস্থ্য সম্মত ব্যবস্থাঃ
কবুতরের ঘর বা খোপ এমনভাবে নির্মাণ করতে হবে যেন সেখানে পোকা-মাকড়, কৃমি, জীবাণু ইত্যাদির উপদ্রব কম থাকে এবং ঘর সহজেই পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করা যায়।

সূর্যালোকঃ
ঘরে যাতে সূর্যের পর্যাপ্ত আলো প্রবেশ করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কারণ সূর্যের আলো যেমন পাখির দেহে ভিটামিন-ডি সৃষ্টিতে সাহায্যে করে তেমনি পরিবেশও জীবাণুমুক্ত রাখে।

বায়ু চলাচলঃ
কবুতরের ঘরে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে। কারণ দূষিত বাতাস বা পর্যাপ্ত আলো বাতাসের অভাবে পাখির স্বাস্থ্যহানি ঘটতে পারে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop