৪:৫৯ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ১৩ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ২২, ২০২১ ৫:২১ অপরাহ্ন
মেরিন ফিশারিজ একাডেমির ক্যাডেটদের দেশের অ্যাম্বাসেডর হতে হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মেরিন ফিশারিজ একাডেমির ক্যাডেটদের বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তৈরি হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) চট্টগ্রামের মেরিন ফিশারিজ একাডেমি অডিটোরিয়ামে একাডেমির প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রয়াত ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান আহমেদের নামে একাডেমির অডিটোরিয়ামের নামকরণের ফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, “স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে মেরিন ফিশারিজ একাডেমি প্রতিষ্ঠিত। এ একাডেমির কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ক্যাডেটদের মনে রাখতে হবে, স্বাধীন বাংলাদেশে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান প্রথম বঙ্গবন্ধু তৈরি করেছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ প্রতিষ্ঠানের ক্যাডেটদের বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তৈরি হতে হবে। তাদের আচরণ, গুণগত মান, উৎকর্ষ, কর্তব্য, দায়িত্বশীলতা, সততা, সৃজনশীলতা দেশে ও দেশের বাইরে যেন বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে, সে লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। বিদেশের একটা জাহাজে একজন ক্যাডেট যখন কাজ করবেন, তার আচরণ, প্রজ্ঞা, কর্মদক্ষতা দিয়ে পরিস্ফুট হবে যে, এই হচ্ছে বাংলাদেশ। ক্যাডেটদের প্রত্যেককে বাংলাদেশের একজন অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ সরকার এটা প্রত্যাশা করে”।

একাডেমির ক্যাডেটদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরও যোগ করেন, “দায়িত্বের প্রতি সবসময় পবিত্রতার সাথে মনোযোগী থাকবেন। দায়িত্বের কোন সীমারেখা টানবেন না। কাজের মধ্যে যেন নিষ্ঠা থাকে, ঐকান্তিক ইচ্ছা থাকে। দায়িত্বকে নিজের মধ্যে ধারণ করতে হবে। তা নাহলে নিজের মেধার বিকাশ ও উৎকর্ষ সাধন করা সম্ভব হবে না। আপনারা অধ্যাবসায়ী হবেন, যাতে জীবনে ব্যর্থতা গ্রাস করতে না পারে”।

মেরিন ফিশারিজ একাডেমির উন্নয়নে সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা একাডেমির প্রাক্তন অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান আহমেদের অবদানের কথা এ সময় স্মরণ করেন মন্ত্রী।

মেরিন ফিশারিজ একাডেমির অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ওয়াসিম মকসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, যুগ্মসচিব ড. মো. মশিউর রহমানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, চট্টগ্রামের বিভাগীয় ও জেলা মৎস্য দপ্তর ও প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা সুলতানা, মেরিন ফিশারিজ একাডেমির কর্মকর্তাগণ এবং প্রাক্তন ও বর্তমান ক্যাডেটগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ‘ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান আহমেদ অডিটোরিয়াম’ নামে মেরিন ফিশারিজ একাডেমির অডিটোরিয়ামের নামকরণের ফলক উন্মোচন এবং ফিতা কেটে নতুন নামকরণকৃত অডিটোরিয়ামের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২২, ২০২১ ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন
মাংসের বাজারে মিলবে উটপাখিও!
পোলট্রি

গরু, খাসি ও মুরগির মাংসের মতো এবার বাজারে মিলবে উটপাখির মাংসও। এ বিষয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে ঢাকার সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআইএ)। প্রাণিবিজ্ঞানীরা বলছেন, গবেষণার মাধ্যমে বাণিজ্যিক খামারে উটপাখি পালনে সম্ভাবনাময় ও ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে। এখন মাঠ পর্যায়ে উটপাখি পালন সম্প্রসারণের অপেক্ষা। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও হালাল উটপাখির মাংস। এ কারণে আমিষের চাহিদা পূরণে এ পাখি পালন সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে চান তারা।

ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা জানান, বছরখানেক আগে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে কিছু উটপাখি আনে বিএলআরআইএ। পরে এখানে প্রাথমিকভাবে পালন শুরু হয়।

তারা বলছেন, উটপাখির অবাধ প্রজনন, ডিম ফোটানো থেকে শুরু করে খাবার, লালন-পালন এবং এর মাংসের গুণাগুণ নিয়ে সবই ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে। পাখিগুলো দেশের বিভিন্ন খামারিদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন তারা।

বিএলআরআইয়ের এ প্রকল্প পরিচালক ও প্রধান বৈজ্ঞানিক ড. মো. সাজেদুল করিম সরকারজানান, এ পাখির মাংস বেশ সুস্বাদু। স্বাদ অনেকটা মুরগির মাংসের মতোই। তবে মুরগির মাংসের চেয়ে উটপাখির মাংসে কোলেস্টেরলের পরিমাণ অনেক কম। তাই এর মাংসের কদরও বেশ।এতদিন অনেকেই সৌন্দর্যবর্ধন ও শখে উটপাখি পালন করেছেন। তবে অনেকে জানতেনই না যে উটপাখির মাংস শতভাগ হালাল। এর লালন-পালন সহজলভ্য এবং এর মাংসকে জনপ্রিয় করার জন্য আমরা কাজ করছি। গুণাগুণ বিচারে উটপাখির মাংসের তুলনা হয় না।

পাখিদের মধ্যে সবচেয়ে বড় উটপাখি। তবে এরা উড়তে পারে না। এদের উচ্চতা হয় সাত থেকে আট ফুট পর্যন্ত। ওজন ১৫০ থেকে ১৮০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। উচ্চতার মতোই বড় উটপাখির ডিমও। একেকটি ডিমের গড় ওজন প্রায় দেড় কেজি।

বছরে একেকটি পাখি ডিম দেয় প্রায় ১০০টির মতো। মরুভূমির এ পাখি তৃণভোজী অর্থাৎ শুধু ঘাস ও লতাপাতা খেয়ে বেঁচে থাকে। ফলে চাষির পকেটের জন্যও হুমকি হবে না এ পাখি।

বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. আব্দুল জলিল জানান, বাংলাদেশে উটপাখির মাংসের চাহিদা রয়েছে। একটা সময় মানুষ ব্রয়লার মুরগি খেতে চাইতো না। এখন ব্রয়লার মুরগি দিয়েই আমিষের চাহিদা পূরণ হচ্ছে। তেমনিভাবে অদূর ভবিষ্যতে দেশে আমিষের চাহিদা পূরণে বেশ ভূমিকা রাখবে উটপাখির মাংস।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২২, ২০২১ ১০:০৮ পূর্বাহ্ন
এক রাতে ৪ গরু চুরি, যা বললেন ওসি!
প্রাণিসম্পদ

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের হালগরা এলাকা থেকে একরাতে তিন পরিবারের চারটি গরু চুরি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) ভোরে এ ঘটনা ঘটে। চুরির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোয়ালবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন আহমেদ লেমন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকার গফুর মিয়ার দুটি, মারুফ আহমেদের একটি ও নুনই মিয়ার একটি গরু চুরি হয়েছে।

চুরি হওয়া গরুর মালিক গফুর মিয়া বলেন, রাত ১০টার দিকে গোয়ালঘরে তালা দিয়ে ঘুমাতে যাই। সকালে উঠে দেখি গোয়ালঘর খোলা। আমার গরু নেই। পাশের বাড়ির মারুফ আহমেদের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। উনারও একটি গাভি চুরি হয়।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সম্প্রতি গরু চোরদের উপদ্রব বেড়েছে। গোয়ালঘরে তালা দিয়েও গরু রক্ষা করা যাচ্ছে না। চুরি বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই গরু-মহিষ পালন বাদ দিয়েছেন। বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান ও পুলিশকে জানানো হয়েছে।

গোয়ালবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন আহমেদ লেমন বলেন, খবর পেয়ে আমি সকালে তাদের বাড়িতে গিয়েছি। যাদের নাম সন্দেহ তাদের নাম থানায় জানাতে বলেছি।আমরা আগেও অনেক চোর ধরেছি। তাদের থানায় দিয়েছি। তবে পরবর্তী সময়ে দেখা যায় তারা জামিনে বেরিয়ে এসে আবার গরু চুরি করছেন।

জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, আমাদের কাছে এখনো কেউ এ বিষয়ে অভিযোগ করেনি। আমরা তৎপর রয়েছি। অনেকদিন পর চুরি হইছে। একটা গরু চুরি হইলে যদি এতো হুলুস্থুল শুরু হয়ে যায়! চুরি-ডাকাতি কোন জায়গায় হচ্ছে না?

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) সাদেক কাউসার দস্তগীর বলেন, গত কয়েক মাসে ২৬ চোরকে ধরে আমরা আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছি। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৯, ২০২১ ২:২০ অপরাহ্ন
বোয়ালমারীতে জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযানের উদ্বোধন
প্রাণিসম্পদ

‘জাতীয় সম্পদ রক্ষার্থে, ইঁদুর মারি এক সাথে’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযানের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ হলরুমে মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) সাড়ে ১২টায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার প্রীতম কুমার হোড়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ রাসেল রেজা।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. নারায়ন চন্দ্র সরকার, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো. শরিফুল ইসলাম, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মৃণাল বিশ্বাস, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা স্বপন কুমার বিশ্বাস প্রমুখ। উল্লেখ্য, এই জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান ১০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৮, ২০২১ ৬:০৮ অপরাহ্ন
বিএলআরআই’তে শেখ রাসেল দিবস পালিত
প্রাণিসম্পদ

“শেখ রাসেলঃ দীপ্ত জয়োল্লাস, অদম্য আত্মবিশ্বাস” প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে যথাযোগ্য মর্যাদার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)-এ পালিত হলো শেখ রাসেল দিবস। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র এবং প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কনিষ্ঠ ভ্রাতা শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষ্যে এবারই প্রথম জাতীয় দিবস হিসেবে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে দিবসটি।
সকাল সাড়ে ৯.৩০ ঘটিকায় বিএলআরআই-এর প্রশাসনিক ভবনের সামনে অস্থায়ী বেদিতে স্থাপিত শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপনের কার্যক্রম শুরু হয়। ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল মহোদয়ের নেতৃত্বে বিএলআরআই-এর সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ এসময় শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এরপর সকাল ১০.০০ ঘটিকায় বিএলআরআই-এর চতুর্থ তলার সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত হয় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল। অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন ইনস্টিটিউটের অতিরিক্ত পরিচালক জনাব মোঃ আজহারুল আমিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহাপরিচালক বলেন, শেখ রাসেলের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই ছিলো নেতৃত্ব প্রদানের অসাধারণ গুণ। তিনি বেঁচে থাকলে তাঁর সেই গুণাবলী আরও বিকশিত হতো এবং দেশ একজন শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ নেতা পেতাম। তিনি এসময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে শেখ রাসেলের হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্কের কথাও স্মরণ করেন। একই সাথে তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীগণকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বাঙালি হিসেবে সব সময় আমাদের সবাইকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করতে হবে, যার যার জায়গা থেকে দেশের উন্নয়নের জন্য নিজ নিজ ভূমিকা সুষ্ঠুভাবে পালন করে যেতে হবে। নিজেদের মধ্যে সামষ্টিক ঐক্য ধরে রেখে আমাদের নেতিবাচক প্রতিযোগিতার প্রবণতা পরিহার করতে হবে। কেবলমাত্র অর্থনৈতিকভাবে নয়, মানবতার উন্নয়ন ঘটাতে হবে, মানবিকভাবে আমাদের উন্নত হতে হবে। তাহলেই জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিএলআরআই নিরাপদ প্রাণিজ আমিষ পূরণে জাতির জন্য ভূমিকা রাখতে পারবে।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন স্তরের কর্মচারী, কর্মকর্তা ও বিজ্ঞানীগণ। এসময় বক্তারা তাদের বক্তব্যে শেখ রাসেলের জীবনের নানা ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরার সাথে সাথে বর্তমান সময়ে শেখ রাসেল দিবস আয়োজনের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। শেখ রাসেলসহ জাতির পিতার পরিবারের সকল সদস্যকে হত্যার ঘটনা স্মরণ করে এসময় বক্তারা বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রতিহিংসার ঘৃণ্য রাজনীতি পরিহার করার আহ্বান জানান। একই সাথে বক্তারা বঙ্গবন্ধু পরিবারের নিহত সকল সদস্যের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং জীবিত সদস্যদের দীর্ঘায়ু কামনা করেন। বক্তারা এসময় সকল শিশুর জন্য নিরাপদ ভবিষ্যত নিশ্চিত করার দাবি করেন এবং সকল সুবিধা বঞ্চিত শিশুর পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দায়িত্বশীলদের অনুরোধ জানান।
আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে জাতির পিতার পরিবারের সকল সদস্যের এবং সকল শহীদের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পাঠ করেন বিএলআরআই-এর কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৭, ২০২১ ৯:৪৯ অপরাহ্ন
রংপুরে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল পালন উন্নয়নে প্রশিক্ষণ
প্রাণিসম্পদ

ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল পালন ও উন্নয়ন, উন্নত প্রযুক্তি এবং প্রাণিসম্পদ মাঠ স্কুল (এলএফএস) বাস্তবায়নে ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ রংপুর বুড়িরহাট হর্টিকালচার সেন্টারে উদ্বোধন করা হয়।

রোববার দুপুরে প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এস এম ফেরদৌস আলম।

প্রাণি সম্পদ দপ্তর রংপুর বিভাগীয় পরিচালক ড. মোহাঃ ইসমাইল হকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোঃ শরিফুল হক, উপপরিচালক মোজাম্মেল হক, জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাঃ মোঃ সেরাজুল হক, গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার নুরুল আজিজ। উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে অতিরিক্ত সচিব গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের নিলকচন্ডী গ্রামে বেঙ্গল জাতের ছাগলের প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।

এছাড়া অতিরিক্ত সচিব গঙ্গাচড়া উপজেলার গজঘণ্টা ইউনিয়নের তালুকহাবু কুটিপাড়ায় ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আয়োজনে এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের বাস্তবায়নে সিজিএফ ও বাক কীপার খামারীদের মাঝে টিকাদান, কৃমিনাশক ক্যাম্পেইন ও উপকরণ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন ও প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৫, ২০২১ ৫:১৪ অপরাহ্ন
করোনাকালেও সকল ফসলের উৎপাদন বেড়েছে: কৃষিমন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, করোনাকালে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনা অনুযায়ী কৃষি মন্ত্রণালয় সময়োপযোগী পদক্ষেপ গ্রহণ ও তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। ফলে করোনাকালেও দেশে খাদ্য উৎপাদনের ধারা অব্যাহত রয়েছে ও তা আরো বৃদ্ধি পেয়েছে।

২০২০-২১ অর্থবছরে রেকর্ড বোরো উৎপাদন হয়েছে ২ কোটি টনেরও বেশি, যা দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ। গত বছরের তুলনায় এ বছর সকল ফসলের উৎপাদনই বেড়েছে। মোট চালের উৎপাদন হয়েছে ৩ কোটি ৮৬ লাখ টন, গম ১২ লাখ টন, ভুট্টা প্রায় ৫৭ লাখ টন, আলু ১ কোটি ৬ লাখ টন, শাকসবজি ১ কোটি ৯৭ লাখ টন, তেল ফসল ১২ লাখ টন ও ডাল ফসল ৯ লাখ টন।.

বিশ্ব খাদ্য দিবস ২০২১ উদযাপন উপলক্ষ্যে ঢাকার ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের (বিএআরসি) মিলনায়তনে প্রেস ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কৃষি মন্ত্রণালয় এবং জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) আয়োজিত এ প্রেস ব্রিফিংয়ে সভাপতিত্ব করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম ও গেস্ট অব অনার হিসেবে বক্তব্য রাখেন এফএওর বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি. সিম্পসন। এসময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ও সংস্থাপ্রধানগণ উপস্থিত ছিলেন।.

মন্ত্রী বলেন, পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনে একবছরেই কৃষি মন্ত্রণালয় ৭ লাখ টন উৎপাদন বৃদ্ধি করতে সক্ষম হয়েছে। এবছর ৩৩ লাখ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হয়েছে।.

ড. রাজ্জাক আরও বলেন, বিশ্বের অনেক দেশ খাদ্য সংকটে পড়লেও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় ও আমাদের সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সব দুর্যোগ মোকাবিলা করে দেশের খাদ্য উৎপাদনের চলমান ধারা অব্যাহত রাখতে পেরেছি। ভবিষ্যতেও রাখতে পারব- এ আশা করি।.

আগামীকাল ১৬ অক্টোবর শনিবার কৃষি মন্ত্রণালয় ও জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) এর যৌথ উদ্যোগে বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও পালিত হবে ‘বিশ্ব খাদ্য দিবস-২০২১। এবারের প্রতিপাদ্য হলো ‘আমাদের কর্মই আমাদের ভবিষ্যৎ- ভালো উৎপাদনে ভালো পুষ্টি, আর ভালো পরিবেশেই উন্নত জীবন’ (Our actions are our future- Better Production, better nutrition, a better environment and a better life).

ব্রিফিংয়ে জানান হয়, দিবসটির গুরুত্ব তুলে ধরতে কৃষি মন্ত্রণালয় বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। কাল শনিবার দিবসের প্রথমভাগে সকালে ঢাকার হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে প্রতিপাদ্যের উপর একটি আন্তর্জাতিক সেমিনারের আয়োজন করা হয়েছে। এ সেমিনারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।.

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ স্মরণীয় করে রাখার জন্য কৃষি মন্ত্রণালয় বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ কার্যক্রম গ্রহণ করেছে। তার অংশ হিসেবে এ সেমিনারে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) প্রকাশিত ‘100 Years of Agricultural Development in Bangladesh’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) উদ্ভাবিত ‘বঙ্গবন্ধু ধান ১০০ অবমুক্ত করবেন। এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী ‘বঙ্গবন্ধু ধান ১০০ দিয়ে নির্মিত জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি উন্মোচন করবেন।.

বাংলাদেশে ১০০ বৎসরের কৃষি উন্নয়ন বইটিতে ১৯২১ সাল থেকে আজকের বাংলাদেশ পর্যন্ত ধারাবাহিক কৃষি বিষয়ক উন্নয়নে গবেষণা, সম্প্রসারণ, শিক্ষা ইত্যাদির প্রচেষ্টা ও ফল বর্ণনা করা হয়েছে এবং এই ধরনের বই বাংলাদেশের ইতিহাসে প্রথম। বঙ্গবন্ধু ধান ১০০ বোরো মৌসুমের উচ্চ জিংকসমৃদ্ধ ধানের জাত। এতে জিংকের পরিমাণ ২৫.৭ মিলিগ্রাম/কেজি যা জিংকের অভাব পূরণে ব্যাপক ভূমিকা রাখবে।.

অন্যান্য কর্মসূচির মধ্যে আন্তর্জাতিক সেমিনারের পর বিকালে খাদ্য নিরাপত্তার চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় করণীয় নিয়ে একটি কারিগরি সেশন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে কৃষিমন্ত্রী উপস্থিত থাকবেন। সেখানে দেশে বিদেশের কৃষি ও খাদ্য বিষয়ে প্রথিতযশা বিশেষজ্ঞগণ অংশগ্রহণ করবেন। এছাড়া, জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।.

মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমান সরকার সকলের জন্য নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাদ্যের নিশ্চিত করতে সচেষ্ট রয়েছে। সেজন্য, একটি টেকসই খাদ্য ব্যবস্থা উন্নয়নে ‘জাতীয় কৃষি নীতি ২০১৮’, জাতীয় কৃষি সম্প্রসারণ নীতি ২০২০’ ‘জাতীয় কৃষি যান্ত্রিকীকরণ নীতি ২০২০’ ‘বাংলাদেশ উত্তম কৃষি চর্চা নীতিমালা ২০২০’ এবং‘ জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নীতি ২০২০’ প্রণয়ন করা হয়েছে। এ সকল নীতির লক্ষ্য হলো খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা নিশ্চিতের মাধ্যমে টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট অর্জন। .

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৪, ২০২১ ৫:০১ অপরাহ্ন
৭টি গরু চুরি, অসহায় হয়ে কাঁদছেন কৃষক!
প্রাণিসম্পদ

সারাবছর পালন করে ১-২ টা করে বিক্রির মাধ্যমে সংসার চালান কৃষক গঞ্জের আলী -সিনু দম্পতি। মাঠে কোন চাষযোগ্য জমি নেই। কিন্ত মঙ্গলবার দিবাগত গভীর রাতে গোয়ালের ৯ টি গরুর মধ্যে ৭ টি গরু চুরি হয়ে গেছে তাদের। আর দুটি ছোট বাছুর রেখে গেছে।এতে প্রায় ৬ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে। ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌর এলাকার ফয়লা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। এ ব্যাপারে ক্ষতিগ্রস্থের স্ত্রী সিনু বেগম বাদি হয়ে কালীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত গঞ্জের আলী জানান, প্রতিদিনের ন্যায় রাতে গরুগুলোকে খেতে দিয়ে নিজেরা ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। এরপর ভোর ৪ টার দিকে বাইরে বের হয়ে দেখেন গরু নেই। শুন্য গোয়াল পড়ে আছে। এরপর তাকিয়ে দেখেন বাড়ির মূলফটকের হুক কাটা দরজা আলগা করা। তখন বুঝতে পারেন গরুগুলো চুরি হয়ে গেছে। এরপর প্রতিবেশিদের ডাক দেন।

তিনি আরও বলেন, সড়কের পাশে বাড়ি হওয়ায় স্বশস্ত্র অবস্থায় চোরেরা পিকআপে তুলে নিয়ে গেছে গরুগুলো। যা গাড়ির চাকার দাগ দেগে বোঝা যাচ্ছে। তিনি আরও জানান, ভোরের দিকে এক রিকসাওয়ালা রিকসা নিয়ে পাশের নরেন্দ্রপুর গ্রামে যাচ্ছিল। এ সময় চোরেরা তাকে ধরে গাছের সাথে রশি দিয়ে বেধে রাখে। সে যেন হৈ চৈ করতে না পারে সে জন্য তার মুখ কাপড় দিয়ে বেধে ফেলে। সকালে রিকসাচালক যে, ভাষ্য দিয়েছেন তা অনেক ভয়ঙ্কর। কেননা চোরেরা নিজেরা মুখোশ পরিধান করে বড় বড় ধারালো দা ও দেশি অস্ত্রপাতি নিয়ে পিকআপে তুলে গরুগুলো নিয়ে যায়।

প্রতিবেশি জিল্লুর রহমান জানান, চোরেরা প্রাচীর ডিঙিয়ে বাড়ির ভিতরে প্রবেশ করেছে। এরপর বাড়ির গেটের হুক কেটেছে। কোন শব্দ হওয়ার ভয়ে বাড়ির বাইরে থাকা কাপড় দিয়ে গরুগুলোর মুখ বেধেছে তাও ফেলে যাওয়া কাপড় দেখে বোঝা যাচ্ছে। আবার রিকসাচালকের চোখ মুখ বাধলেও সে যেটা দেখে এখন বলছে গরুগুলো পিকআপে তুলে নিয়ে গেছে। যা হোক গঞ্জের আলী অত্যন্ত গরীব কৃষক। এখন তার সবকিছু শেষ হয়ে গেছে।

কালীগঞ্জ থানার ওসি তদন্ত মোতালেব হোসেন জানান, গরুচুরির ঘটনাটি সত্য। ভুক্তভোগী পরিবারের সিনু খাতুন বাদি হয়ে কালীগঞ্জ থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয়টি দুঃখজনক। পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৪, ২০২১ ১২:৪৩ অপরাহ্ন
২ মাথা, ৩ চোখ নিয়ে বাছুরের জন্ম
প্রাণিসম্পদ

দু’টি মাথা, তিনটি চোখ নিয়ে এক বাছুর জন্ম নিল ভারতের উড়িষ্যায়। এমন অদ্ভুতদর্শন এক শাবকের জন্ম ঘিরে হুলস্থুল রাজ্যের নবরংপুরে। বাছুরটিকে মা দুর্গার অবতার হিসেবে পূজা করতে শুরু করে দিয়েছে এলাকার বাসিন্দারা।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম জানায়, বিজাপুর গ্রামের ধনীরামের বাড়ি এখন এক দ্রষ্টব্য স্থান। গোটা গ্রাম তো বটেই, আশপাশ থেকেও মানুষ ছুটে আসছেন এখানে। এই বাড়িতেই যে জন্ম নিয়েছে বাছুরটি। গোটা ঘটনায় বিস্ময়ের ঘোর কাটছে খোদ ধনীরামেরও।

বছর দুয়েক আগে গরুটি তিনি কিনেছিলেন। সম্প্রতি সেটি গর্ভবতী হয়। কিন্তু প্রসবের সময় সমস্যা দেখা যায়। তখনই ধরা পড়ে আসল সমস্যা। দেখা যায় বাছুরটির দু’টি মাথা। স্বাভাবিক ভাবেই জন্মের পর থেকে স্তন্যপান করতে অসুবিধা হচ্ছে তার।

ধনীরামের কথায়, ‘বাছুরটি মায়ের দুধ খেতে পারছে না। তাই বাইরে থেকে দুধ কিনে এনে খাওয়াতে হচ্ছে ওকে।’

বাছুরটির জন্মের খবর ছড়িয়ে পড়তেই শোরগোল পড়ে যায়। স্থানীয়রা দাবি করতে থাকে, যেহেতু নবরাত্রিতে এমন অদ্ভুতদর্শন বাছুরের জন্ম হয়েছে, নিশ্চিত ভাবেই এটি মা দুর্গার অবতার। এরপরই শুরু হয়ে যায় বাছুরটিকে পূজা করা। দক্ষিণের দিকে বাছুরটির মুখ ফিরিয়ে রেখে পূজা করা হচ্ছে।

তবে এই ধরনের বাছুর বা অন্য পশুর শাবক জন্মানোর ঘটনা খুব বিরল নয়। জিনগত ত্রুটির কারণেই এই ধরনের অসঙ্গতিপূর্ণ, অস্বাভাবিক শাবকের জন্ম হয়। অনেক সময়ই তারা দীর্ঘায়ু হয় না।

কিন্তু এই ধরনের শাবকের জন্মের ক্ষেত্রে অনেক সময়ই উৎসুক জনতার ভিড় লক্ষ করা যায়। তেমন ভাবেই উড়িষ্যায় এই বাছুরটিকে ঘিরেও বাড়ছে স্থানীয় বাসিন্দাদের কৌতূহল।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৪, ২০২১ ১১:৪০ পূর্বাহ্ন
ব্রয়লার মুরগিকে টিকা দেওয়ার আগে সতর্কতা
পোলট্রি

আমাদের দেশে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে বর্তমানে অনেকেই মুরগি পালন করে স্বাবলম্বী হচ্ছেন। এসব খামারিদের মধ্যে অনেকেই ব্রয়লার মুরগি পালন করছেন। তবে, খামারে ব্রয়লার মুরগি পালনে টিকা দেওয়ার আগের সতর্কতাগুলো খামারিদের সঠিকভাবে জেনে রাখতে হবে।

ব্রয়লার মুরগি পালনে টিকা দেওয়ার আগের সতর্কতা:
ব্রয়লার মুরগিকে টিকা দেওয়ার ক্ষেত্রে কোন অসুস্থ মুরগিকে টিকা প্রদান করা যাবে না। এতে টিকার কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি নানা জটিলতা দেখা দিতে পারে। এমনকি মুরগি আরও বেশি অসুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। টিকা দেওয়ার জন্য আবহাওয়া যখন ঠান্ডা সেই সময়ে টিকা দিতে হবে। এতে করে টিকা কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে ও মুরগির রোগের আশঙ্কাও অনেকাংশেই কমে যায়।

টিকা দেওয়ার জন্য ব্যবহৃত উপকরণসমূহ ফুটন্ত পানিতে সিদ্ধ করে নিতে হবে। এতে টিকার মাধ্যমে ব্রয়লার মুরগির শরীরে কোন জীবাণু প্রবেশ করতে পারবে না। ব্রয়লার মুরগিকে টিকা দেওয়ার সময় যত্ন সহকারে ধরতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে যাতে কোনভাবেই মুরগি আঘাত না পায়। এতেও টিকার কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

ব্রয়লার মুরগিকে টিকা দেওয়ার আগেই খেয়াল করতে হবে কোন ধকল আছে কিনা। ব্রয়লার মুরগিকে যে কোন ধরনের ধকলমুক্ত অবস্থায় টিকা প্রয়োগ করতে হবে। তা না হলে টিকার কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।টিকা জীবাণুমুক্তকরণের জন্য রাসায়নিক পদার্থ ব্যবহার করা যাবে না। এতে প্রদান করা টিকার কার্যকারিতা নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop