১০:৫৬ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ১৩ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১ ৩:৩৭ অপরাহ্ন
৩ দিন ব্যাপি গরু মোটা-তাজাকরণ প্রশিক্ষণের উদ্বোধন
প্রাণিসম্পদ

পাইকগাছায় ৩ দিন ব্যাপি গরু মোটা-তাজাকরণ প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান রোববার সকালে উত্তরণ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। উত্তরণ অপ্রতিরোধ্য প্রকল্পের আওতায় এ প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

প্রশিক্ষণের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হোসেন সিদ্দিকী।

অপ্রতিরোধ্য প্রকল্পের সেন্টার ম্যানেজার মাহফুজা সুলতানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা ভূমি কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক সাংবাদিক মোঃ আব্দুল আজিজ ও উত্তরণ কর্মকর্তা নাজমুল বাশার। প্রশিক্ষণে ৩০ জন নারী অংশগ্রহণ করে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১ ৬:৩৪ অপরাহ্ন
হাওর অঞ্চলের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

হাওর অঞ্চলের মৎস্যসম্পদ উন্নয়নে ব্যাপক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

রবিবার (১২ সেপ্টেম্বর) কিশোরগঞ্জ জেলার মিঠামইন হাওরে দেশীয় মাছের পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা জানান। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন,”হাওর অঞ্চলকে উন্নত-সমৃদ্ধ করার জন্য যা কিছু প্রয়োজন তা বর্তমান সরকার করবে। প্রাকৃতিক পরিবেশ স্বাভাবিক রেখে হাওর অঞ্চল কিভাবে উন্নত করা যায় এ লক্ষ্যে একাধিক পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে হাওর অঞ্চলের মৎস্যসম্পদ কিভাবে বৃদ্ধি করা যায়, কীভাবে মৎস্যসম্পদকে জাতীয় অর্থনৈতিক সম্পদে পরিণত করা যায় সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। হাওর অঞ্চলের মাছ কীভাবে দেশের বিভিন্ন জায়গায় পরিবহন করা যায়, মৎস্যজাত পণ্য কিভাবে সৃষ্টি করা যায়, এ বিষয়গুলো গভীরভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।”

শীঘ্রই কিশোরগঞ্জে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের হাওর মৎস্য গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা করা হবে বলেও এ সময় জানান মন্ত্রী।

এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, “প্লাস্টিক বা অন্যান্য বর্জ্যের কারণে মৎস্যসম্পদ ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। মাছের ডিম নষ্ট হয়, প্রজনন বাধাগ্রস্ত হয়। হাওড়ের মধ্যে প্লাস্টিক জাতীয় বা অন্যান্য বর্জ্য কেউ যাতে না ফেলে সে জন্য জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। এ ব্যাপারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও প্রশাসনের পাশাপাশি গণমাধ্যমকে সোচ্চার হতে হবে। প্রাকৃতিক পরিবেশ ধ্বংস হয়ে গেলে আমরা সবাই এর ক্ষতির মুখোমুখি হবো। তাই হাওরের পরিবেশ রক্ষায় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আলমের সভাপতিত্বে পোনা অবমুক্তকরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য রেজওয়ান আহাম্মদ তৌফিক, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ ও মিঠামইন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আছিয়া আলম। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও সুবোল বোস মনি, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনিস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, কিশোরগঞ্জ জেলা মৎস্য কর্মকর্তা রিপন কুমার পাল, মিঠামইন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা প্রভাংশু সোম মহান প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এদিন মিঠামইন হাওরে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে পাবদা, গুলশা, টেংরা, চিতল, ফলি, দেশি পুঁটি, ঢেলা, হিরালু, দেশি শোল, মহাশোল, সুবর্ণ রুই ও কাতলা মাছের প্রায় ১২ হাজার পোনা অবমুক্ত করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১ ৪:২৭ অপরাহ্ন
খাদ্যের দামে দিশেহারা হয়ে খামার ছাড়ছেন চাটমোহরের পোল্ট্রি খামারীরা
পোলট্রি

ছয় মাস পূর্বে বিভিন্ন কোম্পানীর ৫০ কেজি লেয়ার খাদ্যের দাম ছিল ১ হাজার ৬শ টাকা। ছয় মাসের ব্যবধানে এখন ৫০ কেজি লেয়ার খাদ্য বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ১শ টাকায়। এতে করে লেয়ার খাদ্যের দাম বেড়েছে প্রায় ৩২ শতাংশ। অন্যদিকে হাঁস, মুরগি ও ডিমের দাম না বাড়ায় লোকসান গুনতে হচ্ছে খামারীদের। এমতবস্থায় দিশেহারা হয়ে খামার বন্ধ করে দিচ্ছেন খামারীরা।

চাটমোহরের খামারীরা ইতোপূর্বে নিজ জেলাল প্রয়োজন মিটিয়ে উদ্বৃত্ত মুরগি ও ডিম সরবরাহ করেছেন দেশের বিভিন্ন জেলায়। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে খাদ্যের দাম দফায় দফায় অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় বিপাকে পড়ছেন সেখানকার খামারীরা।

জানা গেছে, গত দুই দশকে চাটমোহর পৌরসদরসহ চাটমোহরের বিভিন্ন গ্রামে প্রায় আড়াই হাজার হাঁস, মুরগির খামার গড়ে উঠে। এসব খামারে উৎপাদিত হাঁস, মুরগি ও ডিম ঢাকা, চট্রগ্রাম, চাপাইনবাবগঞ্জ, রংপুর, যশোর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, মাগুড়া, টাঙ্গাইল, সাতক্ষীরাসহ দেশের অন্তত ষোলটি জেলায় পাঠানো হতো।

এখন থেকে কয়েক মাস পূর্বেও চাটমোহরে প্রতিদিন দশ লাখ ডিম উৎপাদন হতো। চাটমোহরে উৎপাদিত ডিম দেশের সার্বিক ডিমের চাহিদার অনেকটাই পূরণ করতো। কিন্তু খাদ্যের দাম বাড়ায় অনেকে ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়ায় হাঁস, মুরগি ও ডিম উৎপাদন ক্রমশই হ্রাস পাচ্ছে। আফতাব, নারিশ, সগুনা, প্যরাডাইস, প্যারাগন, আগাতা, এসিআই, সিপি, ফ্রেশ, কোয়ালিটি, ইনডেক্স, নিউহোপসহ প্রায় সকল কোম্পানীই মুরগির খাদ্যের দাম বাড়িয়েছে।

বিলচলন ইউনিয়নের দোলং গ্রামের একজন খামারী জানান, ৭ টি লেয়ার মুরগির খামার গড়ে তুলেছিলেন তিনি। এসব খামারে ১৩ হাজার মুরগী পালন করতেন। মুরগির খাদ্যের দাম বাড়ায় বড় তিনটি খামার বন্ধ করে দিয়েছেন তিনি। এখন ছোট ৪ টি খামারে সাড়ে ৫ হাজার মুরগি পালন করছেন। ছয় মাস পূর্বে ইনডেক্স কোম্পানীর ৫০ কেজি খাদ্যের দাম ছিল ১ হাজার ৬শ টাকা। এখন সে খাদ্য বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ১শ টাকায়। যে তুলনায় খাদ্যের দাম বেড়েছে সে তুলনায় মুরগি ও ডিমের দাম না বাড়ায় ব্যবসার পরিধি কমিয়ে দিতে বাধ্য হয়েছেন বলে জানান তিনি। মূলগ্রাম ইউনিয়নের কুবিরদিয়ার গ্রামের জাকির হোসেন ৬ হাজার মুরগি পালন করতেন। এখন তিনি মুরগি পালন করেন না।

এর কারণ হিসেবে জানান, ছয় মাস পূর্বে ৫০ কেজি খাদ্যের দাম ছিল ১ হাজার ৬শ টাকা। এখন সে খাদ্য বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ১শ টাকায়। লোকসান হওয়ায় ব্যবসা বন্ধ করে দিয়েছেন তিনি। দোলং মহল্লার মুরগি ব্যবসায়ী খোরশেদ আলম জানান, বর্তমান প্রতি কেজি লেয়ার মুরগি ১৭৫ টাকায়, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি ১শ ১০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ডিম ব্যবসায়ীরা জানান, বর্তমান পাইকারী বাজারে ১০০ টি ডিম ৭৫০ টাকা থেকে ৭৭০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

চাটমোহরে কর্মরত ভেটেরিনারি সার্জন ডাঃ মোঃ রোকনুজ্জামান জানান, চাটমোহর পোল্ট্রি খাতে দেশের অন্যান্য অনেক এলাকা থেকে এগিয়ে রয়েছে। চাটমোহরে উৎপাদিত উদ্বৃত্ত ডিম বাহিরে পাঠাচ্ছেন আড়তদাররা। তবে গত কয়েক মাসে মুরগির খাদ্যের দাম বাড়ায় এ ব্যবসায় ভাটা পরেছে। খামারীরা জৈব নিরাপত্তার উপর গুরত্ব দিলে রোগ বালাই কম হবে। এতে কিছুটা হলেও ক্ষতি পোষাতে পারবে তারা বলে জানান এই কর্মরত ভেটেরিনারি সার্জন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১১, ২০২১ ৭:০৬ অপরাহ্ন
উন্নয়নের বিস্ময় রাষ্ট্র সৃষ্টির কারিগর শেখ হাসিনা: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, “বিশ্বব্রহ্মান্ডে উন্নয়নের বিস্ময় রাষ্ট্র সৃষ্টির কারিগর শেখ হাসিনা। তিনি আমাদের জন্য আশীর্বাদ। করোনাসহ সব প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলায় গোটা জাতির জন্য তিনি মহামানবীরূপে আবির্ভূত। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ বিনির্মাণের দুঃসাহসী অভিযাত্রায় আন্দোলনের অগ্নি মশালের নাম শেখ হাসিনা।”

শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সাভারের শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই) কর্তৃক শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের অনুকূলে জমি হস্তান্তরের সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এসময় মন্ত্রী বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নামে যে প্রতিষ্ঠান, যে প্রতিষ্ঠান দেশের যুব সমাজকে দক্ষ যুব সমাজ হিসেবে গড়ে তুলছে, সে প্রতিষ্ঠানকে সমৃদ্ধ করার জন্য, কলেবর বৃদ্ধির জন্য রাষ্ট্রের এক প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে জমি হস্তান্তর করার মাধ্যমে রাষ্ট্রের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় আমরা একধাপ এগিয়ে গেলাম।”

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, “বাঙালি জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় অর্জন স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র। এই অর্জনে নেতৃত্ব দিয়েছেন বাঙালি জাতির ইতিহাসের শ্রেষ্ঠ সন্তান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। আর বাঙালি জাতির ইতিহাসে মহামানবী হিসেবে এসেছেন বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তাঁর নামের প্রতিষ্ঠানকে সমৃদ্ধ করার মাধ্যমে জাতির পিতার স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণে জনশক্তিকে মানবসম্পদে পরিণত করতে হবে।”

মন্ত্রী আরো যোগ করেন,”যারা রাজনীতি করেন না তারাও বলেন শেখ হাসিনা দক্ষ শাসক। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরাও বলেন পরিপূর্ণ রাজনীতিবিদের নাম শেখ হাসিনা। বিপন্ন বাংলাদেশকে, দুর্যোগকবলিত বাংলাদেশকে বিস্ময়কর উন্নয়নের রোল মডেলে পরিণত করতে পেরেছেন শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনাকে দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে দেখার দরকার নেই। সবাই মিলে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অনাগত ভবিষ্যতের জন্য সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ করতে হবে।”

যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মোঃ জাহিদ আহসান রাসেল এমপি’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী ডাঃ মোঃ এনামুর রহমান এমপি এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল্লাহ আল ইসলাম জ্যাকব এমপি। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য মাহবুব আরা বেগম গিনি এমপি, এ এম নাঈমুর রহমান এমপি ও জাকিয়া তাবাসসুম এমপি, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোঃ আখতার হোসেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুবোল বোস মনি এবং বিএলআরআই এর মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মোঃ আব্দুল করিম।

বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের পক্ষে সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল এবং শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের পক্ষে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেন ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মোঃ আব্দুল করিম। সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে বিএলআরআই শেখ হাসিনা জাতীয় যুব উন্নয়ন ইনস্টিটিউটকে ৩ দশমিক ৩৮ একর জমি হস্তান্তর করেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৯, ২০২১ ৩:৪২ অপরাহ্ন
সিরাজগঞ্জ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশনের পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ
ক্যাম্পাস

নাজমূল(গবি):সিরাজগঞ্জ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশন (এসভিএসএ) এর ২০২১-২২ বর্ষের ১০১ সদস্যবিশিষ্ট পূর্ণাঙ্গ কমিটি প্রকাশ করা হয়েছে।

উক্ত কমিটির সভাপতি হিসেবে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আহমেদ ফয়সাল এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বিদ্যুৎ কুমার মাহাতো দায়িত্ব পেয়েছেন৷

এছাড়া, প্রতিষ্ঠা কমিটির সম্মানিত উপদেষ্টা মন্ডলী হিসেবে রয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় চিড়িয়াখানার সাবেক কিউরেটর ডাঃ এস এম নজরুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামার,সাভার) ডাঃ মোঃ আলমগীর হোসেন, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ জাকারিয়া হোসেন, বাংলাদেশ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস ফেডারেশনের সভাপতি ডাঃ ইমতিয়াজ আবির, ভেটেরিনারি প্র‍্যাক্টিশনার ডাঃ মোঃ ইমরুল হাসান ইমু, ভেটেরিনারি প্র‍্যাক্টিশনার ডাঃ রাসেল আহমেদ।

ভেটেরিনারি পেশার উন্নয়ন, প্রচার এবং প্রসারের লক্ষ্যে সিরাজগঞ্জ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশন সর্বদা ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৯, ২০২১ ৩:৩৮ অপরাহ্ন
ধুনটে অগ্নিকাণ্ডে ৬ গরুর মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

বগুড়ার ধুনট উপজেলার বিলচাপড়ী ও আরকাটিয়া গ্রামে পৃথক অগ্নিকাণ্ডে কৃষকের ৬টি গরু ও ২টি ছাগল পুড়ে মারা গেছে।

মঙ্গলবার দিবাগত রাতে পৃথক এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

জানা গেছে, ধুনট উপজেলার বিলচাপড়ী গ্রামের কৃষক শাহীন প্রতিদিনের ন্যায় মঙ্গলবার রাতে তার গোয়াল ঘরে ৫টি গরু ও ২টি ছাগল রেখে ঘুমিয়ে পড়েন।

রাত সাড়ে ১১টার দিকে তার গোয়াল ঘরে হঠাৎ আগুনের সূত্রপাত ঘটে। স্থানীয় লোকজন আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও আগুনে পুড়ে শহীদের গাভীন গরুসহ ৫টি গরু ও ২টি ছাগলের মৃত্যু হয়। তবে স্থানীয় লোকজনের ধারনা কে বা কারা তার গোয়াল ঘরে আগুন লাগিয়ে দিয়েছে।

অপরদিকে মঙ্গলবার দিবাগত রাতে আরকাটিয়া দক্ষিণপাড়া এলাকার কৃষক রহিম উদ্দিনের গোয়ালঘরে পৃথক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে আগুনে পুড়ে তার ১টি গরু মারা যায়।

ধুনট ফায়ার সার্ভিস এন্ড ডিফেন্সের ইনচার্জ হামিদুল ইসলাম জানান, সংবাদ পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছার আগেই স্থানীয় লোকজন আগুন নিভিয়ে ফেলে। তবে বিলচাপড়ী গ্রামের কৃষক শাহীনের গোয়ালঘরে অগ্নিকাণ্ডের কোন সূত্রপাত পাওয়া যায়নি। তবে স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী কে বা কারা কৃষক শাহীনের গোয়াল ঘরে লাগিয়ে দিয়েছে। এছাড়া আরকাটিয়া গ্রামে কৃষক রহিম উদ্দিনের গোয়াল ঘরে মশার কয়েল থেকে পৃথক অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রাথমিক তদন্তে জানতে পেরেছেন বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৯, ২০২১ ৯:২৮ পূর্বাহ্ন
খামারে গাভীর যত্ন ও দুধ উৎপাদনে যা করবেন
প্রাণিসম্পদ

বর্তমান সময়ে দুধ উৎপাদনের জন্য অনেকেই গাভী পালন করে থাকেন। আবার কেউ কেউ গাভীর খামার গড়ে লাভবান হচ্ছেন। খামারে গাভী পালনে সঠিক যত্ন ও দুধ উৎপাদন বাড়াতে বেশ কিছু কাজ করতে হয়।

খামারে গাভীর যত্ন ও দুধ উৎপাদন বৃদ্ধিতে যা করবেন:
খামারে গাভীর যত্নে গাভীর থাকার জায়গা ও ঘর নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। গাভীর খামারে সব সময় আলো ও বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। খামারের পরিবেশ ঠিক থাকলে গাভীর স্বাস্থ্য ঠিক থাকবে ও খামারে দুধের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।খামারের গাভীকে পর্যাপ্ত পরিমাণে সবুজ ঘাস, খড় ও সুষম দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে হবে এবং রাতে গাভীর সামনে পরিষ্কার পানি দিয়ে রাখতে হবে। এতে গাভীর দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।

খামারে পালন করা গাভীকে প্রত্যেক দিন সঠিক নিয়ম মেনে গোসল করিয়ে দিতে হবে। নিয়মিত গাভীকে গোসল করালে গাভীর শরীর সতেজ থাকবে ও দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।প্রত্যেক দিন গাভীকে ব্রাস দিয়ে কিছু সময় আঁচড়ে দিতে হবে। এর ফলে গাভী আরাম বোধ করে এবং গাভীর দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

প্রত্যেক দিন একই সময়ে দুধ দোহান করতে হবে। এজন্য অভিজ্ঞ ব্যক্তি বা মেশিন ব্যবহার করে দুধ দোহান করতে হবে।

খামারে গাভীর বাছুরকে দুধ খেতে দিতে হবে এবং গাভীর নিকটবর্তী দুরত্বে বাছুর রাখতে পারলে ভালো হবে। বাছুরকে পর্যাপ্ত দুধ খাওয়াতে গাভীর দুধ উৎপাদন ভালো হয়। তাই গাভীকে বাছুরের সাথে কিছু সময় অতিবাহিত করার সুযোগ করে দিতে হবে।গাভীর থাকার জায়গা আরামদায়ক করার ব্যবস্থা করে দিতে হবে। থাকার স্থানে গাভীকে কোনভাবেই বিরক্ত করা যাবে না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৮, ২০২১ ৭:৪৫ অপরাহ্ন
জনবান্ধব মানসিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর
প্রাণিসম্পদ

জনবান্ধব মানসিকতা নিয়ে সরকারি দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

বুধবার (০৮ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ের নিজ দপ্তর কক্ষে সরকারের অতিরিক্ত সচিব পদে সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব এস এম ফেরদৌস আলমকে অভিনন্দন জ্ঞাপনে আয়োজিত সভায় মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের এ আহ্বান জানান মন্ত্রী ।

এ সময় মন্ত্রী বলেন,“স্বচ্ছতা, সততা ও দায়িত্বশীলতা নিয়ে কাজ করতে হবে। গতানুগতিক চাকরি করার মাঝে কোন কৃতিত্ব নেই। চাকরিতে সৃজনশীলতা দেখানোর মধ্যে কৃতিত্ব আছে। সৃজনশীলভাবে নথি নিষ্পত্তি ও ব্যবস্থাপনায় কৃতিত্ব আছে। অহেতুকভাবে একটা প্রক্রিয়াকে জটিল করার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে”।

তিনি আরো যোগ করেন,“মন্ত্রণালয়ে অর্পিত দায়িত্ব পালনে জনবান্ধব মানসিকতা ধারণ করতে হবে। নিজের কাজ যেন কোন বিষয়ে অহেতুক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করে, সেটা খেয়াল রাখতে হবে। আইনের মধ্যে থেকে কীভাবে দাপ্তরিক কাজ সহজ করা যায় সে বিষয়ে সচেষ্ট হতে হবে। জনবান্ধব মানসিকতা, স্বচ্ছতার সাথে নথি নিষ্পত্তি করতে হবে। আন্তরিকতা, সততা, নিষ্ঠা এবং অনুভূতিতে দেশপ্রেম রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে”।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সুবোল বোস মনি ও মোঃ তৌফিকুল আরিফ, সদ্য অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত এস এম ফেরদৌস আলম, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ এবং মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ অভিনন্দন জ্ঞাপন সভায় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৮, ২০২১ ৪:৪৮ অপরাহ্ন
গণপিটুনিতে গরু চোরের মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

নিয়ামতপুরে গরু চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে গ্রামবাসীর গণপিটুনিতে মিটুন (৩২) নামের এক চোরের মৃত্যু হয়েছে। মিঠুন পোরশা উপজেলার মশিদপুর গ্রামের হারুন-অর-রশিদের ছেলে। সোমবার মধ্যরাতে উপজেলার চন্দননগর ইউনিয়নের পুংগী (নিবদা) আদিবাসী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার সকালে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ন কবির জানান, ওই ব্যক্তি পুংগী নিবদার আদিবাসীপাড়ায় চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে মারা গেছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে গরু, মোটরসাইকেল, মুরগি, ছাগল, মোবাইল ও ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র চুরি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে।

ওই রাতে মিঠুনসহ তিন-চারজন রাত আনুমানিক ১টার দিকে পুংগী নিবদা গ্রামে চুরি করতে যায়। এ সময় মিঠুন একাই ওই গ্রামের মৃত শুকুরের ছেলে দিপেনের বাড়িতে প্রাচীর টপকিয়ে ভিতরে ঢুকে। বাড়ির সদস্যরা শব্দ পেয়ে জেগে গিয়ে তাকে ধরে বেধে বাড়ির বাইরে নিয়ে আয়। এ সময় তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়।

ওই গ্রামের বিশ্বজিৎ জানান, মিঠুন ও তার সঙ্গীদের অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। গরু, মুরগি, মোটরসাইল, মোবাইল, ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র চুরিসহ ছিনতাই এমন কোনো অপকর্ম নাই তারা করে না। মিঠুনকে ধরে বাড়ির বাইরে নিয়ে আসা হলে গ্রামের অনেকে এসে রাগে তাকে মারতে শুরু করেন। এতে সে মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে যায়। সকালে সে মারা যায়। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

চন্দননগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান বদি জানান, মিঠুন চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন মামলার আসামি। গত তিন দিন আগে জেল থেকে ছাড়া পেয়েছে সে। ওই রাতে সে চুরি করার জন্য পুংগী নিবদা গ্রামে গেলে ধরা পড়ে। বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসীর পিটুনিতে মিঠুন মারা যায়।

নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ন কবির জানান, মিঠুনের লাশ উদ্ধার করে নওগাঁ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৭, ২০২১ ৩:০০ অপরাহ্ন
ডিম বিক্রি করে বছরে আয় ২০ লাখ টাকা!
প্রাণিসম্পদ

কিশোরগঞ্জ তাড়াইল উপজেলার সাচাইল ইউনিয়নের দড়িজাহাঙ্গীরপুর গ্রামের বাসিন্দা আমিরুল ইসলাম(২১)। প্রায় ২৫ বছর আগে পরিবারের হাল ধরতে বাবা মো. আবু জাহেদ (৭০) গড়ে তুলেছিলেন একটি ছোট হাঁসের খামার। অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে সেই খামারের আয় থেকেই পরিবারে সচ্ছলতা ফিরে আসে। বর্তমানে ডিম বিক্রিতেই বছরে তার আয় প্রায় ২০ লাখ টাকা

বাবা বৃদ্ধ হওয়ায় বর্তমানে খামারের পুরো দায়িত্ব আমিরুলের কাঁধে। আর সেই দায়িত্বের ওপর ভর করে খামারটি নিয়ে অনেক স্বপ্ন বুনছেন তিনি। তার বাবার সময়ে শুধু হাঁস পালন ও বিক্রি করা হতো। সেখান থেকে যেমন আয় হতো, ব্যয়ও ছিল প্রচুর। কিন্তু আমিরুলের ভাবনাটা একটু ভিন্ন। তিনি হাঁস পালনে দুটি পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন। হাঁসের পাশাপাশি ডিম বিক্রি করা।

প্রথমে ৩০ টাকা দরে একদিন বয়সের ৩০০টি হাঁস নিয়ে যাত্রা শুরু করেন এই খামারি। এক পর্যায়ে অপেক্ষাকৃত বড় জাতের হাঁস কিনে ডিমের ব্যবসার দিকে নজর দেন। ফাল্গুন-চৈত্র মাসে অপেক্ষাকৃত বড় জাতের যেসব হাঁসের বাচ্চা ফোটানো হয়, আশ্বিন মাসে সেগুলো ৫০০-৫২০ টাকায় কিনে এনে লালন-পালন করেন। কার্তিক মাস থেকে হাঁসের পাড়া ডিম বিক্রি শুরু হয়। বৈশাখ মাস পর্যন্ত ডিম বিক্রি করে প্রথম বছরেই ভালো লাভ করেন তিনি। এতে আর পেছনে তাকাতে হয়নি আমিরুলকে।

বৈশাখ মাসের পর হাঁসগুলো ডিম পাড়া ছাড়লে একটু কম দামে ৪০০-৪৫০ টাকা করে বিক্রি করেন। তাতেও বহু টাকা লাভ হয় তার। বর্তমানে ডিম বিক্রিতেই বছরে তার আয় প্রায় ২০ লাখ টাকা। পুরো খামারটি তার নিজস্ব জায়গার উপর তৈরি। খামারের ভেতরে একটি পুকুরও রয়েছে। যেখানে হাঁসগুলো আপন মনে সাঁতার কাটতে পারে। পুকুরটি ঘিরে চারপাশে বিভিন্ন ফলফলাদির গাছ ও হাঁসের নিরাপত্তায় নেট লাগানো হয়েছে।

খামারি আমিরুল জানান, হাঁস পালনে আমি দেশীয় পদ্ধতি বেছে নিয়েছি। খাবারে-দেশি শামুক, ধান, গমের পাশাপাশি অন্য খাবারও দিচ্ছি। সঠিকভাবে শ্রম দিলে হাঁস পালনে বিদেশি টাকার চেয়েও বেশি উপার্জন করা সম্ভব। অনেকেই এখন আমাকে দেখে হাঁস পালনের পরামর্শ নিতে আসছেন। প্রাণিসম্পদ বিভাগ কর্তৃপক্ষ নিয়মিত এসব খামার পরিদর্শন, বিনামূল্যে ভ্যাকসিন সরবরাহ, নিয়মিত পরামর্শ ও সহযোগিতা দিলে খামারিরা আরও উপকৃত হতো।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন জানান, ওই এলাকায় কয়েকটি হাঁসের খামার হয়েছে। সেখানে খামারিরা হাঁস ও ডিম বিক্রি করে অনেক বেশি লাভবান। আমি খামারগুলো পরিদর্শন করেছি। তবে আমিরুলের খামারটি বেশ বড় ও পরিপাটি। তার পরিবার দীর্ঘ দিন ধরেই এ ব্যবসায় যুক্ত। প্রায় সময়ই খামারিরা বিভিন্ন পরামর্শ নিতে আসেন। তাই আমরাও চেষ্টা করছি ভবিষ্যতে এ প্রকল্পে সরকারিভাবে ঋণের মাধ্যমে তাদের উৎসাহিত করার।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop