৪:৪২ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ১৯, ২০২১ ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন
দিনাজপুরে কৃষি প্রযুক্তি প্রদর্শন মেলা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

সরকার দেশের কৃষিখাতকে উন্নত ও বেগবান করার লক্ষ্যে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের নিরন্তর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে খামার যান্ত্রিকীকরণের ৩ হাজার ২০ কোটি টাকার প্রকল্প। দেশের মানুষের মাঝে খামার যান্ত্রিকীকরণ আরও জনপ্রিয় করতে নানাবিধ কর্মকাণ্ড আয়োজন করছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

এরই অংশ হিসেবে গত ১৫ মার্চ বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইন্সটিটিউটের উদ্যোগে দিনাজপুরের নশিপুরে এক কৃষি প্রযুক্তি মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় দেশের প্রধান কৃষিযন্ত্র সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান এসিআই মোটরস্ জাপানি ইয়ানমার সহ অন্যান্য আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি প্রদর্শন করে। প্রদর্শিত যন্ত্রগুলোর মধ্যে ছিল ধান ও গম কাঁটা, মাড়াই, ঝাড়াই ও বস্তাবন্দী করার অত্যাধুনিক মেশিন, জাপানের ইয়ানমার কম্বাইন হারভেস্টার ও রাইস ট্রান্সপ্লান্টার।

বাংলাদেশে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ লক্ষ্যে এসিআই মোটরস প্রায় এক যুগ ধরে কাজ করে আসছে। আধুনিক ও উন্নতমানের সব কৃষি যন্ত্রপাতি সাধারণ মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে নতুন নতুন আইডিয়া নিয়ে কাজ করছে তারা। ২০২০ সালের বোরো মৌসুমে করোনার কঠিন বিপর্যয়ের সময়ও ৭৫০ এর বেশি ইয়ানমার কম্বাইন হারভেস্টার সরবরাহ করে বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে এক বিপ্লব সৃষ্টি করেছে এসিআই মোটরস্। শুধু তাই নয়, দেশব্যাপী দক্ষ নেটওয়ার্ক ও লোকবলের মাধ্যমে বিক্রয়োত্তর সেবাও নিশ্চিত করছে এসিআই মোটরস।

মেলায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনেয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম, বাংলাদেশ গম ও ভুট্টা গবেষণা ইন্সটিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. এছরাইল হোসেনসহ কৃষি অধিদফতরের আঞ্চলিক কর্মকর্তারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৮, ২০২১ ৮:৩৯ অপরাহ্ন
ক্যাপসিকাম চাষে ভোলার দুর্গম চরে চাষিদের বিপ্লব
কৃষি বিভাগ

জেলার বিচ্ছিন্ন দুর্গম চরাঞ্চলে বিদেশি সবজি ক্যাপসিকাম চাষের বিপ্লব ঘটিয়েছে চাষিরা। ভোলা সদরের মাঝের চর ও দৌলতখানের চর মদনপুর এলাকায় প্রায় ১৫০ একর জমিতে চাষ হচ্ছে সবজি ক্যাপসিকাম।

গত বছরের চেয়ে এ বছর চাষিদের সংখ্যা ও আবাদের পরিমাণ বেড়েছে দ্বিগুণ। কম খচর ও স্বল্প পরিশ্রমে অধিক লাভজনক হওয়ায় আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের।

সরেজমিনে গিয়ে জানা গেছে, গত ৫-৬ বছর আগে ভোলা সদর উপজেলার ইলিশা ইউনিয়নের মনির পাঠান নামে এক চাষি সদর উপজেলার কাচিয়া ইউনিয়নের মাঝের চর ও দৌলতখান উপজেলার চর মদনপুর ইউনিয়নের চরাঞ্চলে প্রথম পরীক্ষামূলকভাবে ক্যাপসিকাম চাষ শুরু করেন। তার সফলতা দেখে চরে ক্যাপসিকাম চাষে আগ্রহী হয়ে উঠে অন্য চাষিরা । এরপর থেকে মাঝের চর ও চর মদনপুরে বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয় ক্যাপসিকাম চাষ। বর্তমানে দুই চরে প্রায় সাড়ে ৩’শ জন চাষি ক্যাপসিকাম চাষ করছেন।

মাঝের চর এলাকার মোঃ ছিদ্দিক মিয়া জানান, গত ৪ বছর ধরে ক্যাপসিকাম চাষ করছেন তিনি। প্রতিবছরই ভালো লাভ হচ্ছে। এবছরও তার প্রায় ১ একর জমিতে ১ লাখ টাকা খরচ করে চাষ করেন। এ পর্যন্ত দেড় লাখ টাকার ক্যাপসিকাম বিক্রি করেন। এখনও ক্ষেতে যে পরিমাণ ফলন আছে তাতে আরো ২ লাখ টাকার ক্যাপসিকাম বিক্রি করতে পারবেন বলে আশা করেন।

একই এলাকার চাষি মোঃ হারুন মিঝি জানান, এবছর ক্ষেতে কোন প্রকার পোকা-পাকড়ের আক্রমণ নেই। প্রতিবছরই ক্যাপসিকাম চাষ করে এ চরে চাষিরা লাভবান হলেও এবছর আরো অধিক লাভবান হবে চাষিরা। তিনি আরো জানান, আগে এ চরে ২৫-৩০ জন চাষি ক্যাপসিকাম চাষ করতো। এ সবজি অধিকলাভ জনক হওয়ায় বর্তমানে প্রায় ২০০ জন চাষি মাঝের চরে ক্যাপসিকাম চাষ করছেন।

চর মদনপুর এলাকার মোঃ ফরিদ জানান, চর মদনপুরে প্রায় ১৫০-২০০ জন চাষি ক্যাপসিকাম চাষ করছেন। ক্ষেত থেকে আমরা ক্যাপসিকাম তুলে কার্টুনের ভরে ট্রলারে করে ভোলায় নিয়ে যাই। এরপর ভোলা থেকে লঞ্চযোগে ঢাকার পাইকারী বাজারে বিক্রি করি। এতে আমাদের খরচ বেশি হয়। যদি আমরা সরাসরি ভোলার বাজারে বা ঢাকার পাইকারী বাজারে বিক্রি করতে পারতাম তাহলে আমরা আরো বেশি লাভবান হতে পারতাম।

তিনি আরো জানান, ক্যাপসিকাম চাষে আমরা এখন পর্যন্ত কোন সরকারিভাবে প্রশিক্ষণ বা সহযোগিতা পাই নাই। যদি সরকারিভাবে আমরা প্রশিক্ষণ ও সহযোগিতা পাই তাহলে আরো বেশি চাষ হতো।

ভোলা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, ভোলা সদরের মাঝের চর ও দৌলতখানের চর মদনপুরেই ক্যাপসিকাম চাষ হচ্ছে। গত ২০১৯-২০২০ সালে ৩৭ হেক্টর ও ২০২০-২০২১ সাথে ৭০ হেক্টর জমিতে ক্যাপসিকাম চাষ হয়েছে।

ভোলা জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু মোঃ এনায়েত উল্লাহ জানান, ক্যাপসিকাম লাভজনক ফসল হওয়ায় প্রতিবছরই আবাদের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগামী বছর ক্যাপসিকাম চাষ বৃদ্ধির জন্য কৃষকদের সরকারিভাবে প্রশিক্ষণ ও বিভিন্ন ধরণের সহযোগিতা করা হবে। এতে আগামীতে চরাঞ্চলে ক্যাপসিকাম চাষের পরিমাণ আরো বৃদ্ধি পাবে।-বাসস।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৭, ২০২১ ৮:৩৪ অপরাহ্ন
বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে কৃষি মন্ত্রণালয়ে আলোচনা সভা
কৃষি বিভাগ

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) অডিটরিয়ামে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করে কৃষি মন্ত্রণালয়।

বুধবার (১৭ মার্চ) বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম।

সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন বিএআরসির চেয়ারম্যান ড. শেখ মো. বখতিয়ার। সভার আগে প্রধান অতিথিসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ও সংস্থা প্রধানরা বিএআরসি চত্বরে স্থাপিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন।

পরবর্তীতে কেক কেটে সবাইকে জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মবার্ষিকীর শুভেচ্ছা জানানো হয়। আলোচনা সভাটি সরাসরি ও জুম প্ল্যাটফর্মেও অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিভিন্ন পর্যায়ের প্রায় দুই শতাধিক কর্মকর্তা সংযুক্ত ছিলেন।

মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) ওয়াহিদা আক্তারের সভাপতিত্বে সভায় অন্যান্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন কৃষি বিপণন অধিদফতরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউছুফ, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ্, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের চেয়ারম্যান ড. অমিদাভ সরকার ও মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) মো. হাসানুজ্জামান কল্লোল।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৭, ২০২১ ৭:৫৪ অপরাহ্ন
বরিশালে বঙ্গবন্ধুর শতবর্ষ জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শতবর্ষ জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বরিশালে এক আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

আজ বুধবার বরিশালের এআইএস’র আইসিটিল্যাবে আলোচনা সভাটি অনুষ্ঠিত হয়।

কৃষি তথ্য সার্ভিস (এআইএস) আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন।

তিনি বলেন, ক্ষুধামুক্ত স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্ন ছিল বঙ্গবন্ধুর অন্তরে। তিনি আজ নেই। তবে মূল্যবান স্মৃতিগুলো রেখে গেছেন। তাই বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে আমাদের লালন করতে হবে। দেশকে ভালোবাসতে হবে কাজের মাধ্যমে। তবেই দেশ হবে সোনার বাংলা।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউনটেন্ট মো. ইকরাম হোসেন, কম্পিউটার অপারেটর জগদীশ দত্ত, লাইটিং অ্যাসিসটেন্ট আবু জাফর মোল্লা প্রমুখ। পরে বঙ্গবন্ধুর জন্য মহান আল্লাহর দরবারে দো’য়া করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৭, ২০২১ ৪:১৪ অপরাহ্ন
তাল ও ডিম বেগুনের লাভজনক সংযোজন
এগ্রিবিজনেস

আমাদের দেশে বেগুন একটি সুস্বাদু , পুষ্টিকর ও লাভজনক সবজী । বেগুন দিয়ে নানান রকম রান্না ছাড়া ও ফাস্ট ফুড এ ব্যাপক ভাবে ব্যবহার হয়। বেগুনে আছে ক্যান্সার প্রতিরোধী উপাদান।

বেগুনকে শীতকালীন সবজি বলা হয়, কিন্তু আমাদের দেশে সারা বছরই বেগুন পাওয়া যায়। দেশে বিভিন্ন জাতের বেগুন পাওয়া যায়।এই সবজিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ‘এ’, যা চোখের জন্য খুব উপকারী।এই ডিজিটাল যুগে আমাদেরকে চোখের পরিশ্রম করতে হয় খুব বেশি। এতে চোখের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ে। বেগুন আপনার চোখ ও ত্বকের জন্য বয়ে আনবে সুফল।এই সবজিতে কোলেস্টেরল বা চর্বি নেই। কোলেস্টেরল হলো চর্বিজাতীয় উপাদান, যা রক্তে জমে।
যাঁদের রক্তে কোলেস্টেরল বেশি, তাঁরা কোনো রকম দুশ্চিন্তা ছাড়াই খেতে পারেন বেগুন।পাকস্থলী, কোলন, ক্ষুদ্রান্ত্র, বৃহদান্ত্রের (এগুলো পেটের ভেতরের অঙ্গ) ক্যানসারকে প্রতিরোধ করে।যেকোনো ক্ষতস্থান শুকাতে সাহায্য করে বেগুন।
বেগুনে আয়রনও রয়েছে, যা রক্ত বাড়াতে সাহায্য করে। রক্তশূন্যতার রোগীরাও খেতে পারেন এই সবজি। এতে চিনির পরিমাণ খুবই সামান্য। তাই ডায়াবেটিসের রোগী, হৃদ্‌রোগী ও অধিক ওজনসম্পন্ন ব্যক্তিরা নিঃসংকোচে খেতে পারেন বেগুন।বেগুনে রয়েছে রিবোফ্ল্যাভিন নামক উপাদান। এই উপাদান জ্বর হওয়ার পরে মুখ ও ঠোঁটের কোণের ঘা, জিহ্বার ঘা প্রতিরোধ করে। দূর করে জ্বর জ্বর ভাব।
বেগুন ভিটামিন ‘এ’, ‘সি’, ‘ই’ এবং ‘কে’ সমৃদ্ধ সবজি। ভিটামিন ‘এ’ চোখের পুষ্টি জোগায়, চোখের যাবতীয় রোগের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে।আর ভিটামিন ‘সি’ ত্বক, চুল, নখকে করে মজবুত।দেহে রক্ত জমাট বাঁধার বিরুদ্ধে কাজ করে ভিটামিন ‘ই’ ও ‘কে’। এই ভিটামিন চারটি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতাকে করে বহুগুণে কার্যকর।প্রচুর পরিমাণে ডায়াটারি ফাইবার বা আঁশ রয়েছে এই সবজিতে, যা খাবার হজমে সাহায্য করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতে এর ভূমিকা অনেক।ডায়াটারি ফাইবার–জাতীয় সবজি (আঁশ–জাতীয় উপাদান) ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য খুব উপকারী।বেগুনে রয়েছে ক্যালসিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম। এই উপাদানগুলো দাঁত, হাড় ও নখ শক্ত করে। দাঁতের মাড়িকে করে শক্তিশালী। ভঙ্গুরতা রোধ করে নখের।অ্যালার্জির সমস্যা থাকলে বেগুন পরিহার করা উচিত। বেগুন অনেকের অ্যালার্জি বাড়িয়ে দেয়।জিঙ্কের ঘাটতি পূরণ করার জন্য ডায়রিয়া চলাকালে বেগুন খাওয়া অনুচিত। ডায়রিয়া ভালো হয়ে যাওয়ার পরে বেগুন খাবেন।ডায়রিয়া হওয়ার পর দেহে জিঙ্কের ঘাটতি হয়। এই ঘাটতি পূরণ করে বেগুন। জিঙ্কের ঘাটতি বেশি হয় মূলত শিশুদের।শিশুরা সবজি খেতে পছন্দ করে না। তাদেরকে খিচুড়ির সঙ্গে বেগুন মিশিয়ে খাওয়াতে হবে। এতে শিশুদের শরীরে জিঙ্কের ঘাটতি পূরণ হবে।যাঁরা অ্যালার্জির জন্য ওষুধ খাচ্ছেন, তাঁদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া বেগুন না খাওয়াই ভালো।

তাল ও ডিম বেগুন এক্ষেত্রে বিশাল জনসংখ্যার পুষ্টির চাহিদা পূরণে সহায়তা করতে পারে।কারন এই ২ জাতের বেগুন এর চাহিদা মার্কেট এ সবসময় বেশি থাকে। ১ টি তাল বেগুন ৭০০-৮০০ গ্রাম ও১ টি ডিম বেগুন ৩০০-৪০০ গ্রাম পর্যন্ত হতে পারে। পোকার আক্রমণ কম থাকায় এটাতে ফলন বেশি। চাষিরা এটার দাম ও অনেক ভাল পায় অন্য উচ্চ ফলনশীল জাতের চাইতে। এই বিষয়ে যদি বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিউট(BARI) সকল প্রকার কারিগরি সহায়তা করে তবে এই তাল ও ডিম বেগুন সারাদেশ ব্যাপী ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব।

মোঃ আমিনুল খান

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৭, ২০২১ ১২:৪৮ অপরাহ্ন
বাণিজ্যিকভাবে তেঁতুল চাষে পাহাড়িদের ভাগ্যবদল
কৃষি বিভাগ

পাহাড়ের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধিতে ব্যাপক ভূমিকা রাখছে তেঁতুল। আম, কাঁঠাল, কলা, বেল, আদা ও হলুদের সাথে পাল্লা দিয়ে খাগড়াছড়ির বিভিন্ন হাট-বাজারে জায়গা করে নিয়েছে তেঁতুল। খাগড়াছড়ির বিভিন্ন হাট-বাজারে জমে উঠেছে তেঁতুল বেচা-কেনা।

জানা যায়, ঢাকা, চট্টগ্রাম, ফেনী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, নরসিংদী ও ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে খাগড়াছড়ির তেঁতুল। ঢাকা, নরসিংদী ও ময়মনসিংহসহ দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসা তেঁতুল ব্যাবসায়ীদের পদচারণায় মুখরিত হাট-বাজার।

একসময় খাগড়াছড়ির বিভিন্ন হাট-বাজারে ১০-১৫ টাকা দরে প্রতি কেজি তেঁতুল বিক্রি হলেও সমতলের বিভিন্ন জেলায় তেঁতুলের ব্যাপক চাহিদা থাকায় এখন সেই টক-মিষ্টি তেঁতুল বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকা থেকে ১১০ টাকায়। কোন ধরনের কীটনাশক বা পরিচর্চা ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে উৎপাদিত তেঁতুল লাভজনক হওয়ায় বাণিজ্যিকভাবে তেঁতুল চাষে ঝুঁকছেন স্থানীয় কৃষকরা।

গত ৪ থেকে ৫ বছর ধরে গুইমারা বাজার থেকে ঢাকায় তেঁতুল নিয়ে যান ব্যবসায়ী মো. নবী হোসেন। তিনি বলেন, দিন দিন ঢাকাসহ আশেপাশের জেলায় খাগড়াছড়ির তেঁতুলের ব্যাপক চাহিদা বেড়েছে। তেঁতুলের চাহিদা বাড়ার সাথে সাথে স্থানীয় বাজারে দামও বেড়ে গেছে।

দেশের আচার তৈরির কারখানা গুলোতেও খাগড়াছড়ির তেঁতুলের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে জানিয়ে নরসিংদী থেকে আসা পাইকার মো. আমির হোসেন জানান, নরসিংদীতে পাহাড়ি তেঁতুলের চাহিদা ব্যাপক। তেঁতুলে কোনো ধরনের কীটনাশকের ব্যবহার করা হয় না। ফলে এর গুণগত মান ঠিক থাকে।

স্থানীয় বিক্রেতা সুনুইপ্রু মারমা বলেন, এক সময় তেঁতুল নিয়ে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকতে হতো। এখন আর বসে থাকতে হয় না। বাজারে আসার সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবসায়ীরা কিনে নিয়ে যায়। বালো দাম পাওয়ার পাশাপাশি ক্রেতার জন্য অপেক্ষার দিনও শেষ হয়ে গেছে।

পাহাড়ে উৎপাদিত তেঁতুলের নির্দিষ্ট কোন জাত নেই জানিয়ে খাগড়াছড়ি জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. মর্ত্তুজ আলী বলেন, প্রাকৃতিকভাবে বেড়ে ওঠে তেঁতুল গাছ। সময়ের ব্যবধানে তেঁতুল বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন পাহাড়ের লোকজন।

দেশব্যাপী খাগড়াছড়ির তেঁতুলের বাজার তৈরির হওয়ার সাথে সাথে পাহাড়ে তেঁতুল দিয়ে কৃষি ভিত্তিক শিল্প গড়ে উঠার সম্ভাবনাও ব্যাপক। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা পেলে পাহাড়ের মানুষের অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা আরও বেগবান হবে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৭, ২০২১ ১০:০৫ পূর্বাহ্ন
২ টাকায় মিলছে এক কেজি টমেটো
কৃষি বিভাগ

মুন্সিগঞ্জ সদরে এবছর টমেটোর বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষকরা পাইকারি বাজারে প্রতি কেজি টমেটো ২ টাকা দরে বিক্রি করছেন। তবে কৃষকের চেয়ে পাইকারি ও খুচরা বিক্রেতারা লাভবান হচ্ছেন বেশি।খুচরা বাজারে প্রতি কেজি টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৫-১০ টাকা দরে। তাই খুচরা বিক্রেতারা লাভবান হচ্ছেন বেশি। পাইকারি বাজার থেকে ২ টাকায় কিনে অধিক লাভে খুচরা বাজারে বিক্রি করা হচ্ছে। তাছাড়া একটু ভালো মানের টমেটো খুচরা বাজারে বিক্রি হচ্ছে ১৫ টাকা কেজি দরে। যা কৃষকের দামের চেয়ে অনেক বেশি।

সরেজমিনে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলাসহ জেলার বিভিন্ন এলাকায় টমেটোর বাম্পার ফলন হয়েছে। তবে ন্যায্য দাম নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে কৃষকদের। শহরের মোল্লারচর এলাকায় কিছু কিছু কৃষক জমি থেকে টমেটো তুলতে আগ্রহ হারাচ্ছেন। গেল সপ্তাহেও প্রতি কেজি টমেটো ১০-১৫ টাকা দরে বিক্রয় করেছেন কৃষকরা, যা এখন নেমে এসেছে ২-৩ টাকায়।

চরকিশোরগঞ্জ মোল্লারচর এলাকার মনির হোসের মোল্লা জানান, পাইকারি বাজারে এক মণ টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। টমেটো বিক্রি করে লেবার খরচই উঠছে না। একজন লেবারকে দিতে হয় ৩০০ টাকা। অর্থাৎ ৫ মণ টমেটো বিক্রি করে একজন শ্রমিকের মজুরী দিতে হয়।

একই এলাকার সেরাজল মোল্লা জানান, প্রথম দিকে টমেটো ভালো দাম পাওয়া গেছে। তবে এখন প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ২ টাকায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৭, ২০২১ ৯:৩১ পূর্বাহ্ন
একই জমিতে ভূট্টা ও শাক চাষে সফল সিলেটের কৃষকরা
কৃষি গবেষনা

সিলেট বিভাগের বিভিন্ন অঞ্চলে সম্প্রতি ভুট্টার সাথে আন্তঃফসল হিসেবে স্বল্পমেয়াদী শাকসবজি যেমন লালশাক, ডাটাশাক, পালংশাক, লাইশাক, সরিষাশাক, খেসারিশাক, ধনিয়া ইত্যাদি চাষ করে সফলতার মুখ দেখেছেন ওখানকার কৃষকরা। সিলেট অঞ্চলে শাক-সবজির চাহিদা এমনিতেই বেশি।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ব ও হাওর বিভাগের নতুন গবেষণায় এই তথ্য পাওয়া গেছে।

এদিকে অন্যান্য দানাদার শস্যের তুলনায় ভুট্টার উৎপাদন ক্ষমতাও তুলনামূলক বেশি বলে। ভুট্টা চাষে সার তুলনামূলক বেশি প্রয়োজন হয় এবং প্রাথমিক অবস্থায় দুই গাছের মধ্যবর্তী স্থানে অনেক ফাঁকা জায়গা থাকে। এই ফাঁকা জায়গার সুযোগটা কাজে লাগিয়ে সহজেই বিভিন্ন ধরনের স্বল্পমেয়াদী শাকসবজি চাষ করা সম্ভব। অতিরিক্ত আকারে সার ছিটানোরও প্রয়োজন হয় না। এতে করে সমপরিমাণ জায়গায় অধিক পরিমাণ ফসল উৎপাদন করা সম্ভব হয়।

গবেষণায় দেখা গেছে ভুট্টার সাথে আন্তঃফসল হিসেবে স্বল্পমেয়াদী শাকসবজি চাষকালে ভুট্টা কিংবা শাকসবজি কোনো ফসলের উৎপাদনই তেমন বাধাগ্রস্থ হয়নি। বরং খেসারি শাক ও ধনিয়ার সাথে ভুট্টার উৎপাদন তুলনামূলক ভালো হয়েছে। এতে করে অতিরিক্ত আকারে প্রতি হেক্টর জমিতে প্রায় ৬০,০০০-৮০,০০০ টাকা আয় করা সম্ভব।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় রিসার্স সিস্টেমের (সাউরেস) সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই প্রকল্প হাতে নিয়েছেন কৃষিতত্ত্ব ও হাওর বিভাগের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোজাম্মেল হক। এই গবেষণায় আরো যুক্ত হয়েছেন মাস্টার্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী পলাশ দেব নাথ এবং নুর মোহাম্মদ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৬, ২০২১ ১০:৫৫ অপরাহ্ন
গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে বঙ্গবন্ধুর শস্যচিত্র
কৃষি বিভাগ

বগুড়ার শেরপুরে মুজিব বর্ষ উপলক্ষে শেরপুরের বালেন্দা গ্রামে ১০০ বিঘা জমিতে দুই জাতের ধান লাগিয়ে তৈরি করা হয়েছে বঙ্গবন্ধুর সবচেয়ে বড় প্রতিকৃতি। যা স্থান পেয়েছে গিনেজ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে।

আজ মঙ্গলবার (১৬ মার্চ ) ‘শস্যচিত্রে বঙ্গবন্ধু জাতীয় পরিষদ’-এর আহ্বায়ক আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ও আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এ তথ্য জানিয়েছেন।

‘শস্যচিত্রে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু’ প্রকল্পের মূল পরিকল্পনাকারী কৃষিবিদ আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম বলেন, প্রতিকৃতিটি বিশ্বের কাছে বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশকে আলাদাভাবে পরিচিত করবে। এর আগে প্রাকৃতিকভাবে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ যে প্রতিকৃতি চীনে তৈরি করা হয়েছিল, তার মোট আয়তন ছিল ৮১,৫২২ বর্গমিটার, বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিটি প্রায় তার দেড় গুণ।

তিনি আরো জানান, ইতোমধ্যে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড কর্তৃপক্ষ বেশ কয়েকবার প্রকল্প এলাকা পরিদর্শন করে বিস্তারিত তথ্য সংগ্রহ করেছে। এখন শুধুই ক্ষণ গণনা, বাংলাদেশের জন্য নতুন এক ইতিহাস সৃষ্টি করার জন্য। যদিও খালি চোখে দেখে বঙ্গবন্ধুর সম্পূর্ণ মুখাবয়ব দৃষ্টিগোচর করা সম্ভব নয়, তবুও প্রতিদিন দূর-দূরান্ত থেকে মানুষজন ছুটে আসছে প্রকল্পটি দেখতে। ড্রোনের মাধ্যমে তোলা ছবি ও ভিডিও এবং এ সম্পর্কিত বিভিন্ন ফিচার, সম্পাদকীয় টেলিভিশন ও জাতীয় দৈনিকে এসেছে।

সত্যি এ এক নয়নাভিরাম দৃশ্য, যা দেখে বোঝার উপায় নেই যে শুধু দুই প্রকার ধানগাছ লাগিয়ে অপূর্ব এই প্রতিকৃতি তৈরি করা হয়েছে। স্বাধীনতার মাসে জাতির পিতার এ প্রতিকৃতি সবাইকে আরো একবার প্রেরণা জোগাবে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ হয়ে বঙ্গবন্ধুর ‘সোনার বাংলা’ গড়ে তুলতে। জয় বাংলা।

আগামীকাল বাংলাদেশ সময় একটায় একটি ওয়েবনিয়ারে তারা আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিবে, বলেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির এই নেতা।

জানা যায়, ভবানীপুরের বেলেন্দিয়া গ্রামের ১০০ বিঘা জমির ওপর নেওয়া হয়েছে প্রকল্পটি। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপন কমিটি এবং ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার নামে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যৌথভাবে এটি সম্পন্ন করেছে। ৪০০ মিটার লম্বা ও ৩০০ মিটার চওড়া প্রতিকৃতিটি সর্বমোট ১,২০,০০০ বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত।

স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে ন্যায্য মূল্যে নভেম্বর ২০২০ থেকে মে ২০২১ তারিখ পর্যন্ত ছয় মাসের জন্য জায়গাটি ভাড়া নেওয়া হয়েছে। প্রতিকৃতিটিকে ফুটিয়ে তুলতে দুই ধরনের ধান ব্যবহার করা হয়েছে। সবুজ ধানটি ন্যাশনাল এগ্রিকেয়ার কর্তৃক স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত এবং বেগুনী (হালকা খয়েরি) ধানটি চীন থেকে আমদানি করা হয়েছে।

গত (১-১৫) ফেব্রুয়ারি স্থানীয় নারী শ্রমিক, বিভিন্ন স্কুলের ছাত্র-ছাত্রী এবং বিএনসিসি সদস্যরা এই ধানের চারা রোপণ করেন। প্রকল্পের অংশ হিসেবে মূল প্রতিকৃতির নিচে খয়েরি রংয়ের ধানে বঙ্গবন্ধুর সম্পূর্ণ নাম লেখা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১৬, ২০২১ ৪:০২ অপরাহ্ন
কুষ্টিয়ায় সবজি বিক্রেতাকে কুপিয়ে হত্যা!
কৃষি বিভাগ

কুষ্টিয়ার মিরপুরে জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সিদ্দিক আলী মণ্ডল (৪৫) নামে এক সবজি বিক্রেতাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। নিহত সিদ্দিক আলী মণ্ডল ওই এলাকার মৃত ফেরত আলী মণ্ডলের ছেলে।

গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলার পাহাড়পুর-লক্ষ্মীপুর প্রি-ক্যাডেট স্কুল সংলগ্ন স্থানে এ ঘটনা ঘটে।

মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা ডেইলী বাংলাদেশকে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, জমি সংক্রান্ত বিরোধের জেরে সিদ্দিক আলী মণ্ডলের সাথে প্রতিবেশী মৃত বিল্লাল হোসেনের ছেলে গফুর, সালাউদ্দিন, জলিল ও খলিলের বাগবিতণ্ডা হয়। দু্ই পক্ষের বাগবিতণ্ডার এক পর্যায়ে ধারালো অস্ত্র (রামদা) দিয়ে আঘাত করলে গুরুতর আহত হন সিদ্দিক আলী।

স্থানীয়রা উদ্ধার করে মিরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop