৪:৩৬ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ২৬ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জানুয়ারী ৪, ২০২৩ ৫:১৭ অপরাহ্ন
কুড়িগ্রামে ৫‘শ হেক্টর জমিতে আগাম আলু চাষ
কৃষি বিভাগ

কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে রবি শস্যের পাশাপাশি আগাম আলু চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। ধরলা নদীর বিস্তীর্ণ বালুচরে স্যালো মেশিনে পানি তুলে আলুর চাষ করছেন কৃষকরা। চরের বুকে আলু পাতার সবুজ সমারোহ যেন এক সমৃদ্ধির হাতছানি। এ বছর ডিজেল, সার, কীটনাশক ও মজুরির দাম বেশি হওয়ার খরচ দ্বিগুণ বেড়েছে। তবে বাজারে আলুর দাম ও ফলন ভালো হওয়ায় খুশি চাষিরা।

কুড়িগ্রাম জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ বছর জেলার ৯টি উপজেলায় ৫০০ হেক্টর জমিতে আগাম আলুর চাষ হচ্ছে। আলুর দাম ও ফলন ভালো দেখা যাচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকরা লাভবান হবে।

সদর উপজেলার হলোখানা ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল হামিদ বলেন, ‘ধরলা নদীর বুকে পতিত জমিতে সেভেন জাতের আলুর চাষ করেছি। এটি আগাম জাতের আলু। আলুর বীজ রোপণের পর ৫৫ থেকে ৬০ দিনের মধ্যে এ আগাম আলু তোলা যায়। এক বিঘা জমিতে ২০-২৫ মণ আলু হয়। বর্তমান বাজারে ৮০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।’

কাঁঠাল বাড়ি ইউনিয়নের আলু চাষি মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘আমি ১ বিঘা জমিতে আগাম সেভেন জাতের আলু চাষ করেছি। আলুর ফলন ভালো দেখা যাচ্ছে। আশা করি বিঘাপ্রতি ২৫ মণ আলু পাওয়া যাবে। গত বছর বিঘাপ্রতি ৬৫-৭০ হাজার টাকা খরচ পড়েছে। এ বছর তেল, সার ও কীটনাশকের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিঘাপ্রতি ১ লাখ টাকা খরচ হবে।’

কুড়িগ্রাম জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিপ্লব কুমার মোহন্ত বলেন, ‘অন্য ফসলের পাশাপাশি চরগুলোয় এ বছর আগাম আলু চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। জেলায় ৭ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ৫০০ হেক্টর জমিতে আগাম আলু চাষ হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ মৌসুমে কৃষকরা লাভবান হবেন।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৪, ২০২৩ ৫:০২ অপরাহ্ন
বোরো চাষে সার প্রয়োগ করতে হবে সঠিক মাত্রায়
কৃষি বিভাগ

বোরো ধান ফসলের জন্য কৃষকদের করণীয় জানিয়েছে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। সংস্থাটি বলছে, বোরো রোপণের জমিতে প্রয়োজনীয় সার সঠিক মাত্রায় প্রয়োগ করতে হবে। কৃষকরা ধানের চারা লাইন করে রোপণ করবেন। চারা রোপণের সময় বেশি ঘন করে রোপণ না করে আট ইঞ্চি X ছয় ইঞ্চি দূরত্বে চারা রোপণ করবেন।

জমির আগাছা (ঘাস) মারার জন্য কমিট বা সুপারহিট ক্রিয়ার বা রিফিট-৫০০ইসি এর যে কোনো একটি আগাছানাশক বিঘাপ্রতি ১৩৪ এমএল হারে চারা রোপণের ছয়দিনের মধ্যে ব্যবহার করতে হবে।

সারের মাত্রা: বোরোর জন্য বিঘাপ্রতি সারের প্রয়োজন ৩০-৩৫ কেজি। এছাড়া ডিএপি ১২-১৪ কেজি, এমওপি (পটাশ) ১৫-২০ কেজি, জিপসাম আট কেজি ও জিংক সালফেট এক কেজি।

কৃষি সংস্থাটি বলছে, জমিতে ইউরিয়া সার বেশি দিলে গাছের বাড়-বাড়তি বেশি হয়। গাছ হেলে পড়ে। রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ বেশি হয়। এছাড়া ফলন কমে যায়। এজন্য বিয়ার সার ব্যবহার করতে হবে।

চারা রোপণ থেকে ফসল তোলা পর্যন্ত করণীয়

১. চারা রোপণের ৪০-৫০ দিন পর্যন্ত জমি আগাছা মুক্ত রাখার ব্যবস্থা করুন।

২. চারা রোপণেরে এক সপ্তাহের মধ্যেই বিঘা প্রতি চার থেকে পাঁচটি ভালো কঞ্চি পুঁতে দিন।

৩. নিয়মিত ক্ষেতে হেঁটে হেঁটে পোকামাকড়ের ও রোগবালাইয়ের আক্রমণের তীব্রতা লক্ষ্য রাখবেন।

৪. থোড় আসার সময় থেকেই আলোক ফাঁদের সাহায্যে কারেন্ট পোকার উপস্থিতি বোঝার জন্য উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার সহায়তা নিন।

৫. পোকামাকড়ের প্রতিরোধ ব্যবস্থার জন্য চারা রোপণের ৩০-৩৫ দিন বয়সে একবার ও ধানের ফুল ফোটার পরপরই দুইবার সিস্টেমিক জাতীয় কীটনাশক স্প্রে করবেন।

৬. রোগবালাই শনাক্তকরণের জন্য উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তার সহায়তা নিন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩, ২০২৩ ৩:৪৩ অপরাহ্ন
বিষমুক্ত সবজি চাষের দিকে ঝুঁকছেন ভোলার কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

ভোলায় এবার প্রথমবারের মতো বিষমুক্ত সবজি চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন কৃষকরা। রোগ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ তেমন না থাকায় কম খরচে বেশি ফসল পাচ্ছেন তারা। বিষমুক্ত সবজির ভালো চাহিদা থাকায় বেশি দামও পাওয়া যাচ্ছে।

জানা যায়, ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার চর মাদ্রাজ ইউনিয়নে প্রথমবারের মতো ১০০ একর জমিতে ৫ শতাধিক কৃষক পরিবেশবান্ধব নিরাপদ সবজি উৎপাদন প্রকল্পের আওতায় বিষমুক্ত ফুলকপি, বাঁধাকপি, শিম, করলা, টমেটো, বেগুনসহ বিভিন্ন শীতকালীন সবজি চাষ করেছেন। বর্তমানে কৃষকরা ক্ষেতের ফলন কেটে বাজারে বিক্রি শুরু করেছেন।

কৃষক মো. ইউসুফ ও বেল্লাল হোসেন বলেন, ‘আমাদের এ সবজি বিষমুক্ত হওয়ায় ক্রেতাদের কাছে চাহিদা অনেক বেশি। বাজারে অন্য সবজির চেয়ে এর দামও ভালো পেয়ে থাকি। এতে আমরা অনেক লাভবান। এ ছাড়াও এ সবজি কিনতে পাইকাররা সরাসরি ক্ষেতে চলে আসেন। ভালো দাম দিয়ে কিনে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠান।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা বিকাশ দাস জানান, তিনি প্রতিদিনই সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চর মাদ্রাজের সব এলাকার মাঠ পরিদর্শন করেন। এ ছাড়াও কৃষককে ভালো ফলনের জন্য সব সময়ই পরামর্শ দিয়ে আসছেন।

চরফ্যাশন উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিপ্তরের কর্মকর্তা মো. ওমর ফারুক জানান, তারা কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে চর মাদ্রাজ ইউনিয়নকে আইপিএম মডেল ইউনিয়ন করার জন্য ৫ শতাধিক কৃষককে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহযোগিতা দিয়েছেন। ফলে কৃষকরা বিষমুক্ত সবজি চাষ করেছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩, ২০২৩ ১১:০৬ পূর্বাহ্ন
শুরু হয়েছে জয়পুরহাটে সরিষার ফুল থেকে মধু সংগ্রহ
কৃষি বিভাগ

সরিষার জমির পাশে মৌবক্স স্থাপনের মাধ্যমে মধু সংগ্রহ শুরু করেছেন বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মৌয়ালরা। জেলায় স্থাপনকৃত ৭৫০ টি মৌবক্স থেকে ৩০ মেট্রিক টন মধু সংগ্রহের আশা করছেন কৃষি বিভাগ।

মধু সেবন মানব দেহের জন্য বেশ উপকারী ও ঔষধী গুনাগুণ সমৃদ্ধ হওয়ায় বাজারে এর ব্যাপক চাহিদা থাকে। তারমধ্যে নির্ভেজাল মধু প্রেমীর সংখ্যা আরো বেশি। এ ছাড়াও সরিষার পরাগায়নের জন্য মৌমাছি বড় ধরনের নিয়ামক হিসাবে কাজ করে। মৌমাছির মধু সংগ্রহের মাধ্যমে শতকরা ২০-৩০ ভাগ পর্যন্ত পরাগায়ন বৃদ্ধি পায় এবং সরিষার ফলনও ভালো হয়।

স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ বিশেষ কার্যক্রমের আওতায় মৌচাষের সঙ্গে সম্পৃক্ত মৌয়ালীদের সার্বিক সহায়তা প্রদান করছে। কৃষকদের জমির পাশে মৌবক্স স্থাপন ও নিরাপত্তা প্রদানে কাজ করছে কৃষি বিভাগ। সদর উপজেলার পুরানাপৈল ইউনিয়নের দস্তপুর গ্রামের চাষি সাদেক আলীর সরিষা জমির পাশে ১৫০ টি মৌবক্স স্থাপন ও মধু সংগ্রহ কার্যক্রম চলছে।

এ ছাড়াও সদর উপজেলায় ৩শ টি মৌবক্স সহ জেলার বিভিন্ন স্থানে সরিষার জমির পাশে মোট ৭৫০ টি মৌবক্স স্থাপনের মাধ্যমে মধু সংগ্রহ করছেন দুই মৌচাষী জালাল ও আপেল মাহমুদ। একটি মৌমাছি ৩-৪ কিলোমিটার পর্যন্ত গিয়ে মধু সংগ্রহ করে থাকে।

জয়পুরহাটে মৌবক্স স্থাপনের মাধ্যমে সরিষার ফুল থেকে আগামী ২০ দিনের মধ্যে প্রায় ৩০ মেট্রিক টন মধু সংগ্রহ করা সম্ভব হবে বলে জানান, মৌচাষী জালাল ও আপেল মাহমুদ।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ রাহেলা পারভীন বলেন, শুধু মধু সংগ্রহ নয়, মধু সংগ্রহের পাশাপাশি মৌমাছি পরাগায়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। এতে করে সরিষার ফলনও বৃদ্ধি পায়। স্থানীয় ভাবে সংগৃহিত এই নির্ভেজাল মধু ৩০০-৪০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। জেলায় চলতি মৌসুমে ১৪ হাজার ৬ শ ৬০ হেক্টর জমিতে সরিষার চাষ হয়েছে বলেও জানান তিনি। বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুঠির শিল্প কর্পোরেশন (বিসিক) জয়পুরহাটের উপব্যবস্থাপক লিটন চন্দ্র ঘোষ বলেন, জেলার ১শ জন কৃষককে এবার মৌ চাষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। যাতে সরিষা ক্ষেতে মৌ বক্স স্থাপনের মাধ্যমে মধু সংগ্রহ করে আর্থিক ভাবে লাভবান হতে পারেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২, ২০২৩ ৫:৩৫ অপরাহ্ন
পর্যাপ্ত সার থাকায় বিভ্রান্ত না হওয়ার পরামর্শ ঝিকরগাছা কৃষি কর্মকর্তার
কৃষি বিভাগ

মিঠুন সরকার, ঝিকরগাছা (যশোর) প্রতিনিধি: বাংলাদেশ আধুনিক কৃষির যুগে প্রবেশ করলেও কিছু অসাধু ব্যবসায়ীর দৌরাত্ম্যে বার বার ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কৃষক, থমকে যাচ্ছে উৎপাদন ব্যবস্থা। বিভিন্ন সময়ে সার, বীজ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টির চেষ্টা করে অধিক মুনাফা লাভের চেষ্টা করা হচ্ছে। এতে একদিকে যেমন কৃষক ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে অন্যদিকে উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে নাজেহাল অবস্থা হচ্ছে কৃষি বিভাগের।

ঝিকরগাছা উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে, চলতি বোরো মৌসুমে বীজতলা হয়েছে ৯৫০ হেক্টর জমিতে এবং উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৯৩৭৫ হেক্টর ।

জানুয়ারি মাসের সার বরাদ্দ আছে যথাক্রমে ইউরিয়া ১৭৪৪ ,টিএসপি ৩২৯, ডিএপি ১০৬৫ এবিং এমওপি ৫৪৬ মেট্রিক টন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাসুদ হোসেন পলাশ বলেন, ‘ওয়ার্ড ভিত্তিক সার সরবরাহ করা হয়েছে। কৃষকের চাহিদার বেশি সার মজুদ করা হয়েছে। উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষনিক সার প্রাপ্তি ও ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে কাজ করছে। আমরা প্রতিনিয়ত বিভিন্ন ডিলারের নথি চেক করছি যেন সারের দাম না বাড়াতে পারে। এর পরেও যদি সারের ব্যাপারে কৃষক প্রতারিত হয় তাহলে আমরা তার ডিলারশীপ বাতিল সহ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। চাহিদার অনেক বেশি পরিমাণ সার মজুদ আছে এবং সার সংকটের কোন সুযোগ নেই।’ একই সাথে তিনি সার নিয়ে বিভিন্ন গুজবে কান না দিতে সকলকে পরামর্শ দিয়েছেন।

উপজেলা নির্বাহী কররমকর্তা ও উপজেলা সার ও বীজ মনিটরিং কমিটির সভাপতি মাহবুবুল হক বলেন, ‘আমরা সার্বক্ষণিক মনিটরিং এ রাখছি। সার সংকট তৈরি হওয়ার মতো কোন পরিস্থিতি আমরা দেখছি না। যদি কেউ সার সংকটের চেষ্টা করে তাহলে আমরা তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।”

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২, ২০২৩ ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
সিরাজগঞ্জে বাড়ির আঙিনায় বাড়ছে সবজি চাষ
কৃষি বিভাগ

সিরাজগঞ্জে বাড়ির আঙিনায় সবজি বাগান করে সাবলম্বী হচ্ছেন ১ হাজার ১৫৮ জন নারী-পুরুষ। বাড়ির আঙিনায় সরকারি প্রকল্পের আওতায় এসব পতিত জমিতে মাটি ফেলে সবজি চাষ করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন তারা।

এসব বাগান স্বামীর পাশাপাশি শখের বসে নিয়মিত দেখাশোনা করেন স্ত্রী-সন্তানরা। এতে পরিবারের চাহিদা মিটিয়ে প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনদেরও সবজি জোগান দিয়ে থাকেন। প্রায় ২০ প্রকারের সবজি চাষ করছেন এসব উদ্যোগী কৃষক।

এ বছর কামারখন্দ উপজেলা কৃষি অফিসের সহযোগিতায় অনাবাদি পতিত জমি ও বসত বাড়ির আঙিনায় ৫৪টি প্রদর্শনী স্থাপন করেছে পারিবারিক পুষ্টি বাগান প্রকল্প। গত ২৫ ডিসেম্বর দিনভর প্রকল্প পরিচালক ড. মো. আকরাম হোসেন চৌধুরী এসব পরিদর্শন করেন।

জেলার কামারখন্দ কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা তাহসীন তাবাসসুম জাগো নিউজকে বলেন, ‘আমরা সার্বক্ষণিক কৃষকদের সহযোগিতা করছি বাড়ির উঠানে বিষমুক্ত সবজি চাষ করতে।’

জানা যায়, কামারখন্দ উপজেলার ভদ্রঘাট মুগবেলাই গ্রামের সোনাউল্লাহ সেখের ছেলে আসাদুল্লাহ বাড়ির আঙিনায় বিষমুক্ত সবজি বাগান গড়ে তুলেছেন। সবজির পাশাপাশি আছে বিভিন্ন ফল ও মসলা জাতীয় ফসল। সবজির মধ্যে আছে বাঁধাকপি, ফুলকপি, টমোটো, পেঁপে, লালশাক, পুইশাক, বেগুন, পালংশাক, বরবটি, ঢেঁড়শ।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, সরকারের পক্ষ থেকে পুরো জেলায় এ বছর ১ হাজার ১৫৮ জনের বাড়ির আঙিনায় সবজি বাগান করে দেওয়া হবে। যা গত বছর ছিল মাত্র ৩৩৬ জনের বাড়ির আঙিনায়।

এতে বাঁশ, খুঁটি সবই বিনা মূল্যে দেওয়া হয়। সেইসঙ্গে বিভিন্ন সবজির বীজ, সার দেওয়া হয়। নিয়মিত কৃষি অফিসার এবং উপ-সহকারী কৃষি অফিসাররা তদারকি করে থাকেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ১, ২০২৩ ৭:০১ অপরাহ্ন
‘কৃষি বাণিজ্য মেলা’ আয়োজন করবে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন
কৃষি বিভাগ

কৃষিখাতের সাথে জড়িত সকল ভ্যালু চেইন পার্টনারদের অংশগ্রহণে নিরাপদ খাদ্য, খাদ্য নিরাপত্তা ও সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করতে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) উদ্যোগে রাজধানীর আমিনবাজারে নবনির্মিত ‘ডিএনসিসি পাইকারি কাঁচাবাজার’ প্রাঙ্গণে আগামী ৩-৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ তিনদিন ব্যাপী ‘কৃষি বাণিজ্য মেলা-২০২৩’ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

ডিএনসিসি’র তত্ত্বাবধানে বাংলাদেশের কৃষি ভ্যালুচেইন-এর সকল অংশীদারদের অংশগ্রহণে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিতব্য এই কৃষি বাণিজ্য মেলা’র আয়োজনটি বাস্তবায়ন করবে এগ্রি-টেক স্টার্টআপ দেশীফার্মার লিমিটেড।

সম্প্রতি (২১ ডিসেম্বর) গুলশান-২ এ ডিএনসিসির প্রধান কার্যালয় নগর ভবনে মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম এবং দেশীফার্মার লিমিটেড এর চেয়ারম্যান সুমাইয়াহ মৌসিনিন এক বৈঠকে তিনদিন ব্যাপী কৃষি বাণিজ্য মেলা আয়োজনের সিদ্বান্ত নেন।

বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী মেলায় অংশগ্রহণকারী ও দর্শনার্থীরা কৃষি পণ্যের বাজার দরে স্থিতিশীলতা, নিরাপদ খাদ্য, খাদ্য নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে কৃষিপণ্য প্রক্রিয়া ও নিরাপদে সংরক্ষণের প্রক্রিয়া ও সকল সুযোগ সুবিধা সম্পর্কে সম্মক ধারণা পাবেন। কৃষি খাতের সংশ্লিষ্ট সকল অংশীজনদের এক ছাদের তলায় নিয়ে আসতেই এই মেলার আয়োজন।

কৃষি বাণিজ্য মেলা আয়োজন সম্পর্কে ডিএনসিসি মেয়র মোঃ আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘ভোক্তাদের নিরাপদ খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয় অবকাঠামো ও সুষ্ঠু বাজার ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সময়োপযোগী বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করে চলেছে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন। এরই ধারাবাহিকতায় নিরাপদ খাদ্য বাজারজাত।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩০, ২০২২ ৯:২০ পূর্বাহ্ন
কুড়িগ্রামে ৫০০ হেক্টর জমিতে আগাম আলুর চাষ
এগ্রিবিজনেস

আগাম আলু চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কুড়িগ্রামের চরাঞ্চলে চাষিরা। ধরলা নদীর বিস্তীর্ণ বালুচরে স্যালো মেশিনে পানি তুলে আলুর চাষ করছেন কৃষকরা। বাজারে আলুর দাম ও ফলন ভালো হওয়ায় খুশি চাষিরা। কুড়িগ্রাম জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, এ বছর জেলার ৯টি উপজেলায় ৫০০ হেক্টর জমিতে আগাম আলুর চাষ হচ্ছে। আলুর দাম ও ফলন ভালো দেখা যাচ্ছে।

কাঁঠাল বাড়ি ইউনিয়নের আলু চাষি মো. মোখলেছুর রহমান বলেন, ‘আমি ১ বিঘা জমিতে আগাম সেভেন জাতের আলু চাষ করেছি। আলুর ফলন ভালো দেখা যাচ্ছে। আশা করি বিঘাপ্রতি ২৫ মণ আলু পাওয়া যাবে। গত বছর বিঘাপ্রতি ৬৫-৭০ হাজার টাকা খরচ পড়েছে। এ বছর তেল, সার ও কীটনাশকের দাম বেড়ে যাওয়ায় বিঘাপ্রতি ১ লাখ টাকা খরচ হবে।’

কুড়িগ্রাম জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক বিপ্লব কুমার মোহন্ত জানান, ‘অন্য ফসলের পাশাপাশি চরগুলোয় এ বছর আগাম আলু চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষিরা। জেলায় ৭ হাজার হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এ পর্যন্ত ৫০০ হেক্টর জমিতে আগাম আলু চাষ হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এ মৌসুমে কৃষকরা লাভবান হবেন।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩০, ২০২২ ৯:১৩ পূর্বাহ্ন
রাজশাহীতে মধু চাষে স্বাবলম্বী ৫০ তরুণ!
কৃষি বিভাগ

রাজশাহীতে মধু চাষে তরুণদের আগ্রহ বাড়ছে। ইতোমধ্যে অনেক তরুণ মধু চাষে স্বাবলম্বী হয়েছেন। এখন সরিষার ক্ষেতের পাশে বাক্স বসিয়ে মধু চাষ করছেন অনেকেই। এতে মধু চাষি ও সরিষা চাষি উভয়ই লাভবান হচ্ছেন। মৌমাছি সরিষা ফুলে পরাগায়নের ফলে সরিষার উৎপাদন বাড়ছে। পাশাপাশি অধিক মধু আহরণ করতে পেরে লাভবান হচ্ছেন মধু চাষিরা।

জানা যায়, বর্তমানে রাজশাহীতে অন্তত ৫০জন তরুণ মধুচাষি মধু চাষ করছেন। কম খরচে মধু উৎপাদন করে আয় করছেন লক্ষাধিক টাকা। এতে করে ভাগ্য বদলের পাশাপাশি মধু চাষে স্বাবলম্বী হচ্ছেন বেকার তরুণরা। এদিকে বাণিজ্যিকভাবে মধু আহরণে মৌ চাষিরা যেমন লাভবান হচ্ছেন পাশাপাশি বাড়ছে সরিষা উৎপাদন।

রাজশাহী গোদাগাড়ী উপজেলার হাতনাবাদ গ্রামের যুবক সুমন আলী বলেন, আমি একসময় কাঠমিস্ত্রীর কাজ করতাম। ২০১৩ সালে রাজশাহীর বিসিক এলাকা থেকে মধু সংগ্রহের বক্স তৈরি করি। মধু সংগ্রহের ট্রেনিং নিয়ে সরিষা ক্ষেতে মধুচাষ শুরু করি। তারপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি। মধু চাষ করে আমি স্বাবলম্বী হতে পেরেছি।

সুমন আরো বলেন, এবছর ৫০টির বেশি বক্স বসিয়েছি। গড়ে প্রতি সপ্তাহে তিনি আড়াই মন মধু সংগ্রহ করছি। আমাদের এখনকার উৎপাদিত মধুগুলো ২১ থেকে সাড়ে ২২ গ্রেডের হওয়ায় স্থানীয় ও মার্কেটে ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আশা করছি এবছর আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার মধু বিক্রি করতে পারবো।

রাজশাহী কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, রাজশাহীতে এবছর ৪০ হাজার ২৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা আবাদের লক্ষ্যমাত্রা থাকলেও আবাদ হয়েছে ৪২ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে। এবছর রাজশাহীতে ৩ হাজার ৪০২টি মধু চাষের বক্স স্থাপন করা হয়েছে। এসব বক্স থেকে ৪০ হাজার ৮০০ কেজি মধু উৎপাদন হতে পারে। এখন পর্যন্ত ১২ হাজার ২৩০ কেজি মধু সংগ্রহ করা হয়েছে। মধু চাষিরা লাভবান হওয়ার পাশাপাশি সরিষার ফলন বিঘা প্রতি ৩-৪ মণ বেড়েছে।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মোজদার হোসেন বলেন, আমরা কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও সহযোগিতা করে আসছি। ফলে এবছর সরিষার আবাদ বেড়েছে। রাজশাহীতে তরুণরা মধু চাষে ঝুঁকছেন। মধু চাষ করে অনেক বেকার যুবক স্বাবলম্বী হয়েছেন। আর মধু চাষের ফলে সরিষার উৎপাদনও বেড়েছে ২৫ শতাংশ। ফলে সরিষা চাষিরাও লাভবান হচ্ছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩০, ২০২২ ৯:০৮ পূর্বাহ্ন
নতুন কৃষি সচিব ওয়াহিদা আক্তার
কৃষি বিভাগ

কৃষি মন্ত্রণালয়ের নতুন কৃষি সচিব হিসেবে যোগ দিলেন ওয়াহিদা আক্তার। এর আগে তিনি কৃষি মন্ত্রণালয়ে অতিরিক্ত সচিব (প্রশাসন) হিসেবে কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি মাননীয় প্রধান মন্ত্রীর একান্ত সচিব-২, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের পরিচালক, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপসচিবসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে অত্যন্ত সফলতা ও দক্ষতার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বৃহস্পতিবার সকালে সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক তাঁকে ফুল দিয়ে বরণ করে নেন। একইসঙ্গে বিদায়ী কৃষিসচিব মো: সায়েদুল ইসলামকে মন্ত্রী ফুল দিয়ে বিদায়ী শুভেচ্ছা জানান।

নবনিযুক্ত কৃষিসচিব ওয়াহিদা আক্তার দেশের কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে কাজ করার সুযোগ দেওয়ায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন। বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে কৃষি উৎপাদন ও উন্নয়নে যে অসাধারণ সাফল্য অর্জিত হয়েছে, সেটিকে শুধু অব্যাহত রাখা নয়, তাকে আরও বেগবান করতে কাজ করে যাব।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop