১:৪৬ অপরাহ্ন

রবিবার, ২৬ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : নভেম্বর ৩০, ২০২২ ৭:২১ অপরাহ্ন
পুকুরপাড়ে সবজি চাষে ঝুঁকছেন বাগেরহাটের চাষিরা
কৃষি বিভাগ

বাগেরহাট জেলার বিভিন্ন উপজেলায় দিন দিন জনপ্রিয়তা পাচ্ছে পুকুর পাড়ে মাছ চাষের পাশাপাশি করলা, শসা, লাউ, ঢেঁড়স, মিষ্টি কুমড়া, উচ্ছে, ঝিঙে, চাল কুমড়া, বরবটি, শিম, পুঁইশাক, পেঁপে, শসা, খিরাইসহ নানা রকমের সবজি চাষ। মাছ চাষের পাশাপাশি পুকুরের পাড় পতিত অবস্থায় ফেলে না রেখে সেখানে বিশেষ পদ্ধতিতে বাঁশ ও জাল দিয়ে ঝুলন্ত মাচা তৈরি করে বিভিন্ন সবজির চাষ করে আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলতি মৌসুমে ৮৮০ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ৫৪০ হেক্টর ঘেরের পাড়ে জমিতে সবজি চাষ হয়েছে। যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৬০ হেক্টর জমি বেশি।

চুনখোলা ইউনিয়নের আংরা গ্রামের দীপঙ্কর বিশ্বাস জানান, তাঁর তিন বিঘা ঘেরের পাড়ে মাচা পদ্ধতিতে সবজির চাষ করা হয়েছে। উৎপাদিত সবজি পাইকারি দরে ব্যবসায়ীদের কাছে বিক্রি করেন তিনি। মাছের পাশাপাশি সবজি চাষ থেকে ভালই আয় হয় বলেও তিনি জানান।

একই এলাকার খোকন শেখ বলেন, বর্তমানে দেশ-বিদেশে সবজির ব্যাপক চাহিদা হওয়ায় গত কয়েক বছরে মাছের ঘেরের পাড়ে সবজি চাষে ভাগ্যের পরিবর্তন এসেছে তাঁদের জীবনে। মাচা পদ্ধতিতে সবজি চাষে বহু কৃষকের ভাগ্য ফিরেছে বলেও তিনি জানান।।

মোল্লাহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অনিমেষ বালা বলেন, বেশিরভাগ ঘেরের পাড়ে সবজি চাষ হচ্ছে। বর্তমান ফসল তোলার ভরা মৌসুম চলছে। কৃষকরা ভালো দামও পাচ্ছেন। নিরাপদ সবজি উৎপাদনে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে বিভিন্ন সেবামূলক পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৩০, ২০২২ ৭:০৭ অপরাহ্ন
রাজবাড়ীতে বাণিজ্যিকভাবে কমলা চাষে ছরোয়ারের চমক
কৃষি বিভাগ

বাণিজ্যিকভাবে কমলা চাষ করে সফল হয়েছে রাজবাড়ীর ছরোয়ার হোসেন। চাকরির পাশাপাশি তিনি এই কমলার বাগান করেন। বর্তমানে তার বাগানে শোভা পাচ্ছে চায়না ও নাগপুরীসহ ৪ জাতের কমলা। যা একবার রোপন করলে অন্তত ১০ বছর ফল পাওয়া যায়। তাছাড়া বাজারে কমলার ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। কমলা বিক্রি করে তিনি ভালো আয় করতে পারছেন।

জানা যায়, ছরোয়ার হোসেন রাজবাড়ী সদর উপজেলার চর বাগমারা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি চাকরি করার পাশাপাশি ২ বছর আগে কমলার বাগান করেন। তার বাগানে চায়না, দার্জিলিং, নাগপুরী ও মেন্ডারিংসহ ৪ জাতের মোট ৪৫০টি কমলা গাছ আছে। প্রতিটি গাছের ডালে থোকায় থোকায় ঝুঁলছে হলুদ ও সবুজ রঙের কমলা। এই কমলাগুলো খেতে সুমিষ্ট ও খু্বই সুস্বাদু।

কমলাচাষি ছরোয়ার হোসেন বলেন, আমি গত দুবছর আগে আমার ৪ বিঘা জমিতে চায়না, দার্জিলিং, নাগপুরী, মেন্ডারিংসহ ৪৫০টি কমলার চারা রোপন করি। বর্তমানে প্রায় সবগুলোতে গাছে কমলা এসেছে। কমলার বাম্পার ফলন হয়েছে। কমলা চাষে এখন পর্যন্ত ৫ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। এবছর যা ফলন এসেছে তাতে প্রায় ৭ লক্ষ টাকার কমলা বিক্রির আশা করছি। অনেকে আমার কাছে কমলা চাষের পরামর্শ নিতে আসেন। আমি তাদের কমলার চারা ও চাষের পরামর্শ দিচ্ছি।

কমলার বাগান দেখতে আসা দর্শনার্থী সাত্তার মোল্লা বলেন, ছরোয়ারের বাগানের প্রায় প্রতিটি গাছেই কমলা ধরেছে। আমি কমলা খেয়ে দেখেছি। খেতে খুবেই মিষ্টি ও সুস্বাদু। অনেককে দেখলাম তার কাছে পরামর্শ নিচ্ছে।

রাজবাড়ী সদর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. বাহাউদ্দিন শেখ জানান, মানুষের ধারনা ছিল যে কমলা শুধু পাহাড়েই উৎপাদন সম্ভব। কিন্তু বর্তমানে সমতল ভূমিতেও কমলার চাষ হচ্ছে। তেমনি ছরোয়ারের বাগানটিও সমতল ভূমিতে হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৮, ২০২২ ৯:২৮ অপরাহ্ন
‘কৃষকের কোমরে দড়ি, লক্ষ-কোটি টাকা ঋণ খেলাপিদের কিছু হয় না’
কৃষি বিভাগ

একটি বেসরকারি ব্যাংকের আইনজীবীকে উদ্দেশ্য করে আপিল বিভাগের চেম্বারজজ আদালতের বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম বলেছেন, ২৫ হাজার টাকার জন্য সাধারণ কৃষকের কোমরে দড়ি বেঁধে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে অথচ যাদের কাছে হাজার হাজার কোটি টাকা পাওনা তাদের কিছু করতে পারছেন না। ঋণ আদায়ে ব্যাংকের চেক প্রতারণার মামলায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হাইকোর্টের এক রায় স্থগিতে করা আবেদনের শুনানিতে সোমবার (২৮ নভেম্বর) এমন মন্তব্য করেন চেম্বার জজ আদালত।

গত ২৩ নভেম্বর এক রায়ে হাইকোর্ট বলেছেন, ঋণ আদায়ে কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে চেক প্রতারণার মামলা করতে পারবে না। এতে আরও বলা হয়, ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ঋণ আদায়ের জন্য শুধু ২০০৩ সালের অর্থঋণ আইনের বিধান অনুযায়ী অর্থঋণ আদালতে মামলা করতে পারবে।

চেক প্রতারণার অভিযোগে ব্র্যাক ব্যাংকের করা এক মামলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মোহাম্মদ আলীর দণ্ড বাতিলও করেন হাইকোর্ট। এই রায় স্থগিতে ব্র্যাক ব্যাংকের পক্ষে চেম্বার আদালতে শুনানি করেন আবু মোহাম্মদ (এ এম) আমিন উদ্দিন। বাদীপক্ষে ছিলেন আইনজীবী আব্দুল্লাহ আল বাকী।

শুনানির শুরুতে ব্র্যাক ব্যাংকের আইনজীবীকে এ এম আমিন উদ্দিন আদালতকে বলেন, এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। হাইকোর্ট রায় দিয়ে বলেছেন, কোনো ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান ব্যক্তির বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনার মামলা করতে পারবে না। নিম্ন আদালতে এ সংক্রান্ত বিচারাধীন সব মামলার রায় স্থগিতাদেশ দিয়েছেন।

তখন চেম্বার বিচারপতি বলেন, পূর্ণাঙ্গ রায় না দেখে এ বিষয়ে আপাতত কিছু বলা যাবে না। আদালত এ সময় ব্র্যাক ব্যাংকের আইনজীবীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, ২৫ হাজার টাকার জন্য সাধারণ কৃষকের কোমড়ে দড়ি বেঁধে টেনে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অথচ যাদের কাছে লক্ষ-কোটি টাকা পাওনা তাদের কিছু হয় না।

আদালত আরও বলেন, যেখানে বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলার আছে চেক নেওয়াই যাবে না, সেখানে আপনারা (ব্যাংকাররা) ব্ল্যাঙ্ক চেক সই নিয়ে মামলা করেন। এসব চেকে কে টাকার অংক লেখে আর কে কলাম পূরণ করে তার কোনো হদিস থাকে না।

ঋণ দেওয়ার সময় গ্রাহকের কাছ থেকে নেওয়া চেক সম্পর্কে বিচারক বলেন, এই চেকে কে সই করে, কে টাকার অংক বসায়, কে কলাম পূরণ করে তার কোনো হদিস নেই। এই চেক নেওয়া যাবে না বলে বাংলাদেশ ব্যাংক পর্যন্ত বিজ্ঞপ্তি দিয়েছে, তার পরও ব্যাংকগুলো কেন মানছে না? পরে আবেদনটি আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে আগামী ১ ডিসেম্বর শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৮, ২০২২ ৯:১৪ অপরাহ্ন
যমুনার চরের চাষিরা আগ্রহী হচ্ছে বাদাম চাষে
কৃষি বিভাগ

যে যমুনা নদীর চরের জমিগুলো প্রায় অনাবাদি পড়ে থাকতো। বালু মাটিতে তেমন কোনো ফসলের চাষ হতো না। তাই সেদিকে নজরও ছিল না কারো। কিন্তু সেই জমিতেই এখন ফলছে বাদাম। কয়েক বছর ধরে বগুড়ার ধুনট উপজেলায় যমুনার চরে বালিয়াড়িতে পুরোদমে চলছে বাদামের চাষ।

স্থানীয়রা জানান, যুগ যুগ ধরে যমুনা নদীর ভাঙনে বসতভিটা ও আবাদি জমি বিলীন হয়ে যায়। ফলে পথে বসেন হাজার হাজার সমৃদ্ধ কৃষক। যমুনার বুকে জেগে উঠছে নতুন নতুন চর। এসব চর প্রথম দিকে কৃষকদের কোনো কাজেই আসতো না। কিন্তু প্রায় ১০ বছর আগে কয়েক জন চাষি চরের জমিতে স্বল্প পরিসরে বাদামের আবাদ শুরু করেন।

চরের কয়েক জন কৃষক জানান, জেগে ওঠা চরের উপরিভাগে বেশি পরিমাণ বালু থাকায় সেসব জমিতে অন্য কোনো ফসল হয় না। এ কারণে কার্তিক ও অগ্রহায়ণ মাসে সেসব জমিতে বাদাম রোপণ করা হয়। কাঁচা বাদাম কেনার পর তার ছাল ছড়িয়ে ভেতরের কোয়া (বীজ) রোপণ করা হয়।

তবে এজন্য জমিতে বাড়তি কোনো খরচের প্রয়োজন পড়ে না। শুধু জমিতে লাঙল দিয়ে লাইন টেনে তার ভেতর এক ফুট দূরত্বে বাদামের বীজ ফেলে বালু মাটি দিয়ে ঢেকে দিতে হয়। এরপর আর কোনো কাজ নেই। আপনাতেই চারা গজিয়ে সেখানে বাদাম ফলে।

প্রতি বিঘা জমিতে বাদাম চাষে তাদের খরচ হয় সর্বোচ্চ ৪ হাজার টাকা। আর সেখানে ফলন পাওয়া যায় প্রায় ৭ মণ। গতবছর প্রতিমণ বাদাম বিক্রি হয়েছে ৬ হাজার টাকা দরে।

সরেজমিন দেখা যায়, বৈশাখি, রাধানগর, নিউসারিয়াকান্দি, বতুয়ারভিটা ও পুকুরিয়া চরে প্রায় দুই হাজার হেক্টর বালুর আস্তরণ পড়া জমিতে কোনো ফসল হয়নি। এসব জমি বাদাম চাষের আওতায় আনা গেলে চরের হতদরিদ্র কৃষকদের মুখে হাসি ফোটানো সম্ভব। এ কাজে স্থানীয় কৃষি বিভাগকেই প্রথমে এগিয়ে আসতে হবে। এমনই প্রত্যাশা ওই জনপদের কৃষকদের।

ধুনট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান জানান, বেলে-দোআঁশ মাটিতে বাদাম চাষ ভালো হয়। চরের মাটি এ ফসলের জন্য উপযোগী। চরে স্থানীয় জাতের বাদাম চাষ হয়ে থাকে। চলতি মৌসুমে প্রায় ৭০০ বিঘা জমিতে বাদাম চাষ হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৮, ২০২২ ৪:৪২ অপরাহ্ন
ময়মনসিংহে বোরো ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে কর্মশালা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু: ময়মনসিংহে বোরো ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে অধিক ফলনশীল জাত ও প্রযুক্তি সমূহের বিস্তার ও ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধিতে করণীয়’ শীর্ষক অবহিতকরণ কর্মশালা ও কৃষক পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (২৮ নভেম্বর) সকাল ১০টায়বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্প এর আওতায় ‘বোরো ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে অধিক ফলনশীল জাত ও প্রযুক্তি সমূহের বিস্তার ও ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধিতে করণীয়’ শীর্ষক কর্মশালাটি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সৈয়দ নজরুল ইসলাম সম্মেলন কেন্দ্রে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

এর আয়োজন করেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, ময়মনসিংহ অঞ্চল এবং বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধিকরণ প্রকল্প, ডিএই।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ময়মনসিংহ বিভাগের বিভাগীয় কমিশনার জনাব মোঃ শফিকুর রেজা বিশ্বাস। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ আশরাফ উদ্দিন এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর টাংগাইল এর উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আহসানুল বাশার এবং উপ-পরিচালক, ময়মনসিংহ কৃষিবিদ মতিউজ্জামান।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান।

অনুষ্ঠানে বৃহত্তর ময়মনসিংহ অঞ্চলের বিভিন্ন পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দসহ আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য অবহিতকরণ কর্মশালাটিতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর,ময়মনসিংহ অঞ্চল, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, খামারবাড়ি, ময়মনসিংহ জেলা এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, নালিতাবাড়ি, শেরপুর ‘বোরো ধানের উৎপাদন বৃদ্ধিতে অধিক ফলনশীল জাত ও প্রযুক্তি সমূহের বিস্তার ও ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধিতে করণীয়’ বিষয়ক আলাদা আলাদা প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন। পরে কৃষিতে অনবদ্য অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ কৃষকের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৭, ২০২২ ৫:১৯ অপরাহ্ন
কৃষি জমি ও সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে : স্থানীয় সরকার মন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

বর্তমান পরিস্থিতিতে আমাদের জমি ও সম্পদকে অধিক উৎপাদনশীল কাজে ব্যবহার করতে হবে। কৃষি জমিতে ফসল উৎপাদনে সকলকে আরো মনোযোগী এবং সমবায় সমিতিসমূহের সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে৷
আজ রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে ‘বাংলাদেশ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশনের ৩৫তম বার্ষিক সাধারণ সভা ও ড. আখতার হামিদ খান পল্লী ও সমবায় উন্নয়ন পদক প্রদান’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মোঃ তাজুল ইসলাম এসব কথা বলেন৷

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সমবায়ের মাধ্যমে ক্ষুধা, দারিদ্র, শোষণ ও দূর্নীতিমুক্ত সোনার বাংলা গড়তে চেয়েছিলেন৷ এখন জাতির পিতার স্বপ্ন পূরণের জন্য সমবায় সমিতিসমূহকে কাজ করে যেতে হবে৷ সকলের অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নে সমবায় সমিতিকে ভূমিকা রাখতে হবে বলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী উল্লেখ করেন৷

মন্ত্রী আরো বলেন উপজেলা কেন্দ্রীয় সমবায় সমিতি (ইউসিসিএ)-এর সমবায়ীদের সচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে হবে৷ সচ্ছতা ও জবাবদিহিতা বিদ্যমান থাকলে সমবায় সমিতিগুলো অধিক কার্যকরী করে গ্রামীণ অর্থনীতিতে বড় ধরণের পরিবর্তন আনা সম্ভব।

প্রধান অতিথি বাংলাদেশ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশনের পুরস্কার প্রাপ্ত সদস্যদের মধ্যে ‘ড. আখতার হামিদ খান পল্লী ও সমবায় উন্নয়ন পুরস্কার ও পদক’ প্রদান করেন৷

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য এবং সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ জাতীয় পল্লী উন্নয়ন সমবায় ফেডারেশনের সভাপতি খন্দকার বিপ্লব মাহমুদ উজ্জল৷

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৬, ২০২২ ১০:০৮ পূর্বাহ্ন
বরিশালের আমড়া ইউরোপের বাজারে
কৃষি বিভাগ

বরিশালের আমড়া শুধু দেশে নয় বিদেশেও রয়েছে বেশ পরিচিতি। বরিশালের ঝালকাঠি-পিরোজপুরে সুস্বাদু আমড়ার ফলন হয় সবচেয়ে বেশি। গত কয়েক বছরে আমড়ার বাম্পার ফলনও হয়েছে। সুস্বাদু আর সুখ্যাতির কারণে কৃষকরা দামও পেয়েছেন বেশ ভালো। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, সারাদেশের আমড়ার চাহিদার ৬০-৭০ ভাগ মেটায় এ অঞ্চলের চাষিরা।

জানা যায়, আমড়া একটি অর্থকরি ফল। বিশ্বজুড়ে পিরোজপুরের আমড়া খ্যাতি লাভ করেছে। দক্ষিণাঞ্চলের মাটি ও পানির জন্য এর ফলন ও গুণগতমান অনেক ভালো। আমড়ার চাষ করে এই জেলা ও আশেপাশের বিভিন্ন উপজেলার চাষিরা স্বাবলম্বী ও আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছেন। বর্তমানে স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে সারাদেশে সরবরাহের পর ইউরোপেও যাচ্ছে বরিশালের আমড়া। ঝালকাঠি, বরিশাল, ভোলা এবং বরগুনায়ও আমড়ার ভালো ফলন হয়। এছাড়া দিন দিন আমড়ার উৎপাদন বৃদ্ধি ও উচ্চমূল্য পাওয়ায় এ অঞ্চলের অনেক মানুষই আমড়া চাষের দিকে ঝুঁকছেন।

ঝালকাঠি জেলার আমড়া মোকামের ব্যবসায়ী কবির হোসেন জানান, শ্রাবণ থেকে কার্তিক এই চারমাসে মোকাম থেকে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে কোটি কোটি টাকার আমড়া সরবরাহ করা হয়।

পিরোজপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু হেনা মো. জাফর জানান, দক্ষিণাঞ্চলের মাটি ও আবহাওয়া আমড়া চাষের জন্য খুবই উপযোগী। আমড়া গাছ রোপণের দুই বছর পরই তা ফল দেয় এবং কমপক্ষে ১০/১২ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকে। চলতি মৌসুমে গত ২/৩ বছরের তুলনায় আমড়ার ফলন অনেক ভালো হয়েছে। কৃষকরা তাদের চাহিদা মতো দামও পাচ্ছেন। এই জেলার প্রায় প্রতিটি বাড়ির আঙিনায় আমড়া গাছ রয়েছে। বর্তমানে দেশের চাহিদা মিটিয়ে ভারত, মালয়েশিয়া, নেপাল, ইউরোপসহ বিভিন্ন দেশে তা পাঠানো হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যেও যাচ্ছে নিয়মিত।

নাজিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দ্বিগ বিজয় হালদার জানান, নাজিরপুরে প্রায় ৭৫ হেক্টর জমিতে আমড়া চাষ হয়। চাষিরা গত ২-৩ বছরের তুলনায় এবার আমড়ার দাম ভালো পেয়েছেন। চাষিরা তাদের পতিত জমিতে কান্দি কেটে মাটি উঁচু করে আমড়ার চাষ করেছেন। গৃহস্থরা ব্যাপারিদের কাছে, ব্যাপারিরা মোকামে পাইকারদের কাছে আমড়া বিক্রি করেন। গৃহস্থদের কাছ থেকে এক বস্তা আমড়া ৮০০-৯০০ টাকায় কিনে তা জেলার বাজারে প্রায় ১৪০০-১৫০০ টাকায় বিক্রি করছেন ব্যাপারীরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৬, ২০২২ ৯:৫৭ পূর্বাহ্ন
কলা চাষের দিকে আগ্রহী হচ্ছেন বগুড়ার কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

বগুড়ায় দিন দিন কলা চাষে ঝুঁকছেন চাষিরা। অন্যান্য ফসলের থেকে কলা চাষে লাভ বেশি হওয়ায় বাড়ছে কলার চাষ। ধান চাষের আয় ব্যয় এক হয়ে যাচ্ছে। তাই কলা চাষের দিকে ঝুঁকছেন বলে জানান কৃষকরা। বর্তমানে বগুড়ার বিভিন্ন বাজারে কলার হালি ৪০-৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

জানা যায়, বগুড়া জেলার মাটি বেলে দোআঁশ। যা কলা চাষের খুব উপযোগী। শিবগঞ্জ এবং গাবতলি উপজেলা এই জেলায় কলা চাষের মধ্যে বিখ্যাত। দেশজুড়ে এই জেলার মোকামতলা কলার হাটের বেশ সুনাম রয়েছে। এই জেলায় অনুপম, সাগর, সবরি, বিচিকলা, চিনি চাম্পাসহ বিভিন্ন নামের কলা চাষ হয়ে থাকে। কলা বিক্রির জন্য জেলার মহাস্থানগড়, রহবল ও মোকামতলায় পাইকারি কলার হাট বসে থাকে। যেখান থেকে ট্রাকে করে কলা ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রামে বিক্রি হয়ে থাকে। বর্তমানে জেলায় কলার ব্যাপক ফলন বাজারদর ভালো পাওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।

বগুড়া কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ফরিদুর রহমান বলেন, চলতি মৌসুমে জেলায় ১ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে কলা চাষ হয়েছে। হেক্টর প্রতি ১৯ টন উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হলেও এবছর ভালো ফলন হওয়ায় প্রায় ২১ টণ উৎপাদনের সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে।

বগুড়া মহাস্থানগড় এলাকার কলা চাষি মো. সুমন বলেন, এবছর কলার ভালো ফলন হয়েছে। চারা রোপনের ১২-১৩ মাসের মধ্যেই কলার ফলন পাওয়া যায়। কলার পরিমান অনুযায়ী প্রতি কাঁদি কলা ৪০০-৫০০ টাকা দরে বিক্রি হয়।

তিনি আরো বলেন, বাজারে বেশির ভাগই হিট দিয়ে পাকানো কলা পাওয়া যায়। আমাদের এখানে আমরা গাছ পাকা কলা বিক্রি করে থাকি।

বগুড়া জেলা কৃষি অফিসের তথ্যমতে, বাংলাদেশে ৪০-৫০ জাতের কলার চাষ হয়। এর মধ্যে অমৃত সাগর, সবরি, কবরি, চাঁপা, মেহের সাগর, কাবুলি, বিচিকলা ও আনাজি কলা সবচেয়ে বেশি চাষ হয়। বর্তমানে বারিকলা-১, বারিকলা-২, বারিকলা-৩ ও বারিকলা-৪ নামের চারটি উচ্চ ফলনশীল কলার জাত উদ্ভাবন করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৬, ২০২২ ১২:৩৪ পূর্বাহ্ন
২৫ হাজার টাকা ঋণের মামলায় কারাগারে ১২ কৃষক
কৃষি বিভাগ

পাবনার ঈশ্বরদীতে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে ফেরত না দেওয়ার অভিযোগের মামলায় ৩৭ কৃষকের নামে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

বুধবার (২৩ নভেম্বর) পাবনার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত এই পরোয়ানা জারি করেন। শুক্রবার (২৫ নভেম্বর) দুপুর পর্যন্ত পরোয়ানাভুক্ত ১২ জনকে পুলিশ গ্রেফতার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছে।

গ্রেফতাকৃতরা হলেন- উপজেলার ছলিমপুর ইউনিয়নের ভাড়ইমারি গ্রামের শুকুর প্রামাণিকের ছেলে আলম প্রামাণিক (৫০), মনি মণ্ডলের ছেলে মাহাতাব মণ্ডল (৪৫), মৃত সোবহান মণ্ডলের ছেলে আবদুল গণি মণ্ডল (৫০), কামাল প্রামাণিকের ছেলে শামীম হোসেন (৪৫), মৃত আয়েজ উদ্দিনের ছেলে সামাদ প্রামাণিক (৪৩), মৃত সামির উদ্দিনের ছেলে নূর বক্স (৪৫), রিয়াজ উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ আকরাম (৪৬), লালু খাঁর ছেলে মোহাম্মদ রজব আলী (৪০), মৃত কোরবান আলীর ছেলে কিতাব আলী (৫০), হারেজ মিয়ার ছেলে হান্নান মিয়া (৪৩), মৃত আবুল হোসেনের ছেলে মোহাম্মদ মজনু (৪০) ও মৃত আখের উদ্দিনের ছেলে মোহাম্মদ আতিয়ার রহমান (৫০)। তাঁরা সবাই প্রান্তিক কৃষক।

মামলার সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ সমবায় ব্যাংক থেকে ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা করে ঋণ নিয়েছিলেন ৩৭ জন কৃষক। এই ঋণ ফেরত না দেওয়ার অভিযোগে ২০২১ সালে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়। পরে আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতেই থানা–পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১২ জনকে গ্রেফতার করে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অরবিন্দ সরকার বলেন, ২০২১ সালে ওই ৩৭ কৃষকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। পরে আদালত গত বুধবার তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। আদালতের আদেশের ভিত্তিতে ১২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে কৃষকেরা দাবি করেন, তারা ঋণের টাকা পরিশোধ করেছেন। এরপর কেন মামলা হলো, তা তারা জানেন না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৫, ২০২২ ১০:০৫ পূর্বাহ্ন
মৌলভীবাজারে আমন ধানের বাম্পার ফলন
কৃষি বিভাগ

মৌলভীবাজার জেলার বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে সোনালী ধানে ভরা। চলতি আমন মৌসুমে আনুষ্ঠানিকভাবে খামার যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে একই জমিতে রোপা আমন ধান রোপণের পর কম্বাইন হারভেস্টার দিয়ে কর্তন শুরু হয়েছে।

কৃষি বিভাগ বলছে যান্ত্রিক নির্ভর হলে শ্রমিক সংকট থাকবে না। যন্ত্রের ব্যবহারের ফলে উৎপাদন খরচ কমে যাওয়ায় কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন।

প্রতি বছর ধান কাটার মৌসুমে দেখা দেয় শ্রমিক সংকট। শ্রমিক সংকটের কারণে অনেকেই সময়তো সোনালি ফসল ধান ঘরে তুলতে পারে না। এতে অনেক জমিতে ধান ঝরে গিয়ে কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্তের পাশাপাশি হতাশায় থাকেন। রোপণ ও কর্তন যান্ত্রিক হওয়ায় কম খরচে কৃষকরা ফলন ভালো পাচ্ছেন।

স্থানীয় কৃষি যান্ত্রিকীকরণ পাতাকঁড়ি এগ্রোর খামার মালিক, সৈয়দ উমেদ আলী জানান, এ বছর ১২৩ বিগা জমিতে হাইব্রিড ও ব্রি ৭৫ জাতের ধান চাষ করেছেন। এর মধ্যে ৮৩ বিগা জমিতে রাইস ট্রান্সপ্লান্টার দিয়ে চারা রোপণ করেন এবং ওই জমিতে ধান কর্তন করছেন।

যান্ত্রিকীকরণের কারণে খরচ কমে গেছে, ফলন ভালো হয়েছে। মৌলভীবাজার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক সামসুদ্দিন আহমদ জানান, এ বছর বিভিন্ন জাতের ব্রি-ধান ও হাইব্রিড ধান কৃষকরা চাষাবাদ করেছেন। অনেক জমিতে রাইস ট্রান্সপ্লান্টার মেশিনে চারা রোপণ করা হয় ও কর্তন করা হচ্ছে কম্বাইন হারভেস্টার দিয়ে।

ফলন ভালো হওয়ায় চাষীরাও খুশি। তিনি আরও জানান, আমন ধান চাষে এ বছর অনুকূল পরিবেশ ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কম থাকায় বাম্পার ফলন হয়েছে। পাশাপাশি খামার যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে প্রতি বছর অনাবাদি জমিতে চাষাবাদ বৃদ্ধি পাচ্ছে ও ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে। মৌলভীবাজার জেলা প্রশাসক মীর নাহিদ আহসান বলেন, বর্তমান সরকার এক ইঞ্চি জমি যাতে খালি পরে না থাকে সে জন্য, কৃষি খাতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে যান্ত্রিকীকরণে ভর্তুকি ও প্রণোদনা দিচ্ছে। এতে করে কৃষকদের মধ্যে উৎসাহ জাগছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop