৪:১০ অপরাহ্ন

শুক্রবার, ১৩ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২২ ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
দেশের বিভিন্ন স্থানে ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতি
কৃষি বিভাগ

রোববার দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের মধ্য দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।মেহেরপুর,চুয়াডাঙ্গা, খুলনা ও সাতক্ষীরায় বোরো ধানের পাশাপাশি অন্যান্য ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়।

শিলাবৃষ্টি ও তীব্র ঝড়ো হাওয়ার প্রভাবে আম ও লিচু গাছের মুকুল ঝরে পড়েছে। এমন অবস্থায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন চাষীরা।

শিলাবৃষ্টির কারণে মেহেরপুর জেলার চাঁদবিল, আমঝুপি, রাজনগর, বারাদি ও দরবেশপুরে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তামাক, গম, ধান, পেঁয়াজ, সরিষা মিষ্টিকুমড়া,ভুট্টা ও আলুর ক্ষেত। ক্ষতি হয়েছে আম ও লিচুর মুকুলের।

কৃষকরা জানালেন, টানা ২০ মিনিট ধরে হয়েছে শিলাবৃষ্টি। এর আগে কখনও দেখেননি তারা। ফসলের ক্ষতি হওয়ায় লোকসানের আশঙ্কায় তারা।

স্থানীয় কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চাষিদের সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

চুয়াডাঙ্গায়ও বৃষ্টি ও শিলা ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ভুট্টা, ধান ও পানসহ বিভিন্ন উঠতি ফসল।

এদিকে, খুলনায় ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে জেলা সদর ও আশপাশের এলাকায় ফসলের ক্ষতি হয়েছে। পাইকগাছা উপজেলায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সবচেয়ে বেশি। এছাড়া, সাতক্ষীরার বিভিন্ন এলাকায় আমের মুকুল ও অন্যান্য মৌসুমী ফসল নষ্ট হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০২২ ৩:০২ অপরাহ্ন
বরেন্দ্র অঞ্চলের ফসল বিদেশে রপ্তানির জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বরেন্দ্র অঞ্চলের জন্য এমন ফসল আনতে যাচ্ছি যাতে সেচ কম লাগবে এবং ফসলের উৎপাদন বেশি হবে। বরেন্দ্র অঞ্চলের কৃষকের উন্নয়নে আমরা আগামীতে বিভিন্ন ধরনের পরিকল্পনা গ্রহণ করতে যাচ্ছি যেন কৃষকের উন্নয়নে সেগুলো কাজে লাগে।

তিনি বলেন, বরেন্দ্র অঞ্চলের ফসল যেন আমরা বিদেশে রপ্তানী করতে পারি সেই লক্ষ্যে আমাদের কাজ করতে হবে।

কৃষিমন্ত্রী শনিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাজশাহী জেলার তানোর উপজেলার কামারগাঁও এলাকার হরিপুরে রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে আলু ক্ষেত পরিদর্শন ও আলু চাষীদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক বলেন, আমাদের দেশে যে আলু উৎপাদন হয়, তা আন্তর্জাতিক বাজারে চাহিদা কম। তাই আন্তর্জাতিক বাজারে যে ধরনের আলুর চাহিদা বেশি সেই ধরনের আলু চাষাবাদ করতে যাচ্ছে সরকার।

এছাড়া মন্ত্রী কৃষিতে যান্ত্রিক উপকরণের ব্যবহার, কৃষিতে বিনিয়োগসহ নিরাপদ ও রপ্তানীমূখী কৃষির প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। এসময় তানোর উপজেলার শতাধিক আলু চাষী উপস্থিত ছিলেন।

বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান বেগম আকতার জাহান, বিএমডিএ’র নির্বাহী পরিচালক আব্দুর রশীদ এবং রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক এসময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২২ ২:২৩ অপরাহ্ন
বিষ ছাড়া শাকসবজির পোকা দমনের টিপস
কৃষি বিভাগ

শাকসবজি ও ফসলে বহু রকমের পোকামাকড় আক্রমণ করে। আবার এক এক সবজিতে এক এক পোকার আক্রমণ দেখা যায়। যেমন বেগুনের ডগা ও ফলছিদ্রকারী পোকা শুধু বেগুনই আক্রমণ করে। আবার একই পোকা একই সাথে অনেক সবজিতে আক্রমণ করে। যেমন জাব পোকা, জ্যাসিড, মাকড়, লেদা পোকা ইত্যাদি। তাই শাক সবজির পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণে কৌশলী না হলে সেসব শত্রু পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণে রাখা যায় না।

সাধারণত এ দেশের সবজি চাষিরা শাক সবজির পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণে বিষাক্ত কীটনাশকের উপর বেশি নির্ভর করেন। এখনো এ দেশে বিভিন্ন ফসলের মধ্যে সবজিতে সবথেকে বেশি কীটনাশক প্রয়োগ করা হয়। সবচেয়ে বেশি কীটনাশক দেয়া হয় বেগুন, শিম, বরবটি ইত্যাদি ফসলে। তাতে পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ হয় বটে, কিন্তু তার ক্ষতিকর প্রভাব ছড়িয়ে পড়ে পরিবেশ ও মানুষের উপর। যত্রতত্র কীটনাশক ব্যবহারের ফলে একদিকে যেমন পোকামাকড়ও সেসব কীটনাশকের প্রতি ধীরে ধীরে প্রতিরোধী হয়ে ওঠে অন্যদিকে তেমনই চাষি ও সবজি ভোক্তারা কীটনাশকের বিষাক্ততায় আক্রান্ত হয়ে নানারকম অসুখ-বিসুখে ভোগে। এ অবস্থা কাম্য নয়। তাই বিষের হাত থেকে ফসল, পরিবেশ ও মানব স্বাস্থ্যকে রক্ষা করতে বসতবাড়িতে এখন প্রাকৃতিক উপায়ে শাক সব্জির পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণে জোর দেয়া উচিত।

প্রকৃতিতেই এসব শত্রু পোকাদের শায়েস্তা করার নিদান লুকিয়ে আছে। আছে বিভিন্ন বন্ধু পোকা ও মাকড়সা, উপকারী রোগজীবাণু। ক্ষেতে কোনও বিষ না দিলে এরা বেঁচে থাকে এবং প্রাকৃতিক নিয়মেই শত্রু পোকাদের মেরে ফেলে। এছাড়া আছে বিভিন্ন কীটবিনাশী গাছপালা। এসব গাছপালা থেকে উদ্ভিদজাত কীটনাশক তৈরি করে আক্রান্ত ক্ষেতে প্রয়োগ করলে তাতে শত্রু পোকা নিয়ন্ত্রণ হয় অথচ সেসব প্রাকৃতিক কীটনাশক বন্ধু পোকাদের কোনও ক্ষতি করে না। বিভিন্ন পরীক্ষা নীরিক্ষার ফলাফলে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে নিচে শাক সবজির ৫টি গুরুত্বপূর্ণ পোকামাকড়ের প্রাকৃতিক উপায়ে নিয়ন্ত্রনের পদ্ধতি বর্ণনা করা হল। আশা করি ক্ষেত জরিপ করে পোকামাকড়ের অবস্থা বুঝে এসব পদ্ধতি প্রয়োগ করে বিনা বিষে সবজির পোকামাকড় নিয়ন্ত্রণ করতে পারবেন।

সবজির জাব পোকা:
জাব পোকা সবজি ফসলের একটি মহা শত্রু পোকা । শিম, বরবটি, মটরশুটি, মরিচ, টমেটো, ঢেঁড়শ, বেগুন, কুমড়া, কপিসহ প্রায় সব সবজিতেই এ পোকা আক্রমণ করে থাকে । এমনকি লেবু ও পেয়ারা গাছেরও জাব পোকা ক্ষতি করে । জাব পোকারা দলবদ্ধভাবে সাধারণতঃ পাতার নিচের পিঠে থাকে । পোকাগুলো দেখতে খুব ছোট ছোট, রঙ সবুজ থেকে কালচে সবুজ । জাব পোকা যেখানে থাকে সেখানে পিঁপড়াও ঘুরে বেড়ায় । তবে শুধু পাতা নয়, এরা কচি ফল ও ফুলেও আক্রমণ করে। সেখান থেকে রস চুষে খায় । ফলে পাতা, ফুল, ফল বিকৃত হয়ে যায়, বৃদ্ধি থেমে যায় । পূর্ণাঙ্গ ও বাচ্চা দু অবস্থাতেই এরা ক্ষতি করে । এ ছাড়া জাব পোকা সবজির ভাইরাস রোগের বাহক হিসেবে কাজ করে । বিনা বিষে এ পোকাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে নিম্নলিখিত ব্যবস্থাদি নেয়া যেতে পারে-

শুকনো গোবর গুঁড়ো করে সবজি গাছের জাব পোকা আক্রান্ত অংশে ছিটিয়ে দিতে হবে। একইভাবে কাঠের ছাই ছিটিয়েও উপকার পাওয়া যায় ।

একটি মাটির পাত্রে গো মূত্র রেখে ১৪ থেকে ১৫ দিন পচাতে হবে । পরে তার সাথে ১০ গুণ বেশি পানি মিশিয়ে ক্ষেতে স্প্রে করতে হবে ।

সমপরিমাণ রসুন ও কাঁচা মরিচ বেটে তা ২০০ গুণ পানির সাথে মিশিয়ে জাব পোকা আক্রান্ত ক্ষেতে ছিটালে ভাল উপকার পাওয়া যায় ।
সেচ দেয়ার সময় সেচের পানির সাথে সেচ নালায় সামান্য পরিমাণ ক্যাস্টর অয়েল মিশিয়ে দিলে উপকার পাওয়া যায় ।

আতা, শরিফা, রসুন, নিম, তামাক ইত্যাদি গাছ গাছড়া থেকে বালাইনাশক তৈরি করে জাব পোকা নিয়ন্ত্রণের জন্য ব্যবহার করা যায় ।এসব গাছের কাঁচা পাতা বেটে রস করে পানিতে মিশিয়ে আক্রান্ত গাছে স্প্রে করা যায় । শুকনো তামাকপাতা সারারাত পানিতে ভিজিয়ে সেই পানি ছেঁকে তার সাথে দশগুণ পানি মিশিয়ে আক্রান্ত গাছে স্প্রে করা যায় । ১০০ থেকে ২৫০ গ্রাম রসুনের কোয়া বেটে রস করে তা ১০ লিটার পানির সাথে মিশিয়ে আক্রান্ত গাছে স্প্রে করা যায়।

হলদে রঙের আঠা ফাঁদ পেতেও পাখাযুক্ত জাব পোকাদের আকৃষ্ট করা যায়। একটা ছোট স্বচ্ছ প্লাস্টিকের বয়মের ভেতরে হলুদ রঙ করে সেটা একটি কাঠির মাথায় উপর করে আক্রান্ত ক্ষেতে টাঙ্গিয়ে দেয়া যায়। এর ভেতরে গ্রীজ বা আঠালো পদার্থ লেপে দিলে পাখাওয়ালা জাব পোকারা হলুদ রঙে আকৃষ্ট হয়ে বয়ামের ভেতরে ঢুকে আঠায় আটকে মারা পড়বে । এতে ক্ষেতে জাব পোকার সংখ্যা ও বিস্তার কমে যাবে ।

সবজির জ্যাসিড পোকা:
জ্যাসিড পোকা দেখতে খুব ছোট এবং হালকা সবুজ রঙের। পূর্ণাঙ্গ পোকা প্রায় ২.৫ মিলি মিটার লম্বা। পোকা সাধারণত পাতার নিচে লুকিয়ে থাকে গাছ ধরে ঝাঁকালে জ্যাসিড চারদিকে লাফিয়ে উড়ে যায়। এরা বেশ স্পর্শকাতর। ছোঁয়া লাগলেই দ্রুত অন্যত্র সরে যায়। জ্যাসিড বাংলাদেশে ঢেঁড়স ও বেগুন এর একটি অন্যতম প্রধান ক্ষতিকর পোকা। এ ছাড়া জ্যাসিড আলু, মরিচ, কুমড়াজাতীয় সবজি, টমেটো, তুলা, বরবটি ইত্যাদি ফসলেরও ক্ষতি করে থাকে। এ দেশে প্রায় ১০ প্রকার ফসলে জ্যাসিড ক্ষতি করে। শুষ্ক আবহাওয়ায়, বিশেষ করে ফেব্রুয়ারি-মার্চ মাসে ক্ষেতে জ্যাসিডের আক্রমণ বেশি দেখা যায়। কোনো কোনো ক্ষেতে এ সময়ে জ্যাসিডের ব্যাপক আক্রমণে প্রায় সব বেগুন গাছই নষ্ট হয়ে যায়। বছরের অন্য সময় এদের দেখা গেলেও মূলত বসন্তকালে এদের আক্রমণ মারাত্মক আকার ধারণ করে। পর্যায়ক্রমে এসব গাছে উপর্যুপরি বংশবিস্তার করে, ফলে সারা বছরই এদের দেখা যায়। প্রবল বর্ষায় এদের আক্রমণ কমে যায়। একটি প্রজাতির জ্যাসিড বেগুনে ক্ষুদে পাতা রোগের জীবাণু ছাড়ায় বলে জানা গেছে।

পূর্ণাঙ্গ ও অপূর্ণাঙ্গ, দুই অবস্থাতেই জ্যাসিড সবজি গাছে আক্রমণ করে। চারা রোপনের পর পাতায় থাকে ও পাতা থেকে রস চুষে খায়। এর ফলে আক্রান্ত পাতা বিবর্ণ হয়ে যায় এবং কচি পাতা কুঁচকে যায়। আক্রমণ বেশি হলে পাতা শুকিয়ে ঝরে পড়ে । পাতা থেকে রস চুষে খাওয়ার সময় জ্যাসিড পাতায় এক রকম বিষাক্ত পদার্থ গাছের ভিতর ঢুকিয়ে দেয়। এতে আক্রান্ত পাতা প্রথমে নিচের দিকে কুঁকড়ে যায়। পরে পাতার কিনারা হলুদ হয়ে যায় এবং শেষে পাতায় মরিচা রঙ হয়। একটি গাছের সমস্ত পাতা এমনকি আক্রমণ অত্যধিক হলে সম্পূর্ণ ক্ষেত ধ্বংস হয়ে যেতে পারে। সেক্ষেত্রে করনীয় হচ্ছে-

বর্ষাকালে চারা রোপণ করতে হবে ।

বিএআরআই-এর কীটতত্ত্ব বিভাগ এক গবেষণা করে দেখেছে যে ফেব্রুয়ারি থেকে মে পর্যন্ত প্রতি লিটার পানিতে ৫ মিলিলিটার নিমতেল অথবা নিমবিসিডিন মিশিয়ে তিন বার ক্ষেতে স্প্রে করতে পারলে জ্যাসিড দমনে সুফল পাওয়া যায় । নিম তেল ব্যবহার করলে নিম তেল ও পানির সাথে ১ মিলিলিটার তরল সাবান যেমন ট্রিক্স মেশাতে হবে ।

নিমতেল ছাড়া ১লিটার পানিতে ৫০টি নিম বীজের শাঁস ছেঁচে ২৪ ঘণ্টা ভিজিয়ে রেখে তারপর সে পানি ছেঁকে স্প্রে করলেও উপকার পাওয়া যায়।

প্রতি লিটার পানিতে ৫ গ্রাম ডিটারজেন্ট বা গুড়া সাবান গুলে ছেঁকে সে পানি পাতার নিচের দিকে স্প্রে করেও জ্যাসিড নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে।

চারা অবস্থায় আক্রান্ত গাছে ছাই ছিটানো যেতে পারে । চারা অবস্থায় জ্যাসিড দেখা গেলে মসলিন বা মসৃণ কাপড়ের তৈরি হাতজাল দ্বারা জ্যাসিড ধরে সংখ্যা কমাতে হবে ।

তামাক পাতা ১কেজি পরিমাণ নিয়ে ১৫ লিটার পানিতে এক রাত ভিজিয়ে রাখতে হবে । এর সাথে সামান্য সাবান যোগ দিতে হবে। ছেঁকে সেই দ্রবণ স্প্রে করতে হবে ।

থ্রিপস:
থ্রিপস সবজির একটি প্রধান ক্ষতিকর পোকা। শিম, বরবটি, টমেটো, বেগুন ইত্যাদি সবজিতে এরা আক্রমণ করে থাকে। এমনকি ধান ফসলেও চারা অবস্থায় থ্রিপস ক্ষতি করে । ধানের থ্রিপস দেখতে কালচে রঙের, সবজির থ্রিপস বাদামি বা কালচে বাদামি। তবে শিমের থ্রিপস আবার কালো। থ্রিপস খুব ছোট, কাল পিঁপড়ার মত, পাখাযুক্ত । পাখাগুলো নারিকেল পাতার মত সূক্ষ্ম পশমে চেরা। পূর্ণবয়স্ক থ্রিপস কচি পাতা ও ফুলের রস চুষে খেয়ে ক্ষতি করে। এতে কচি পাতা কুঁকড়ে যায় এবং আক্রমণ অধিক হলে পাতা বিবর্ণ হয়ে যায় ও ফুল ঝরে পড়ে। এজন্য ফলন কমে যায়। প্রত্যক্ষ ক্ষতির পাশাপাশি থ্রিপস পরোক্ষ ক্ষতিও করে। যেমন এরা টমেটোর দাগযুক্ত নেতিয়ে পড়া রোগের ভাইরাস ছড়ায়।

বিনা বিষে এ পোকাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে নিম্নলিখিত ব্যবস্থাদি নেয়া যেতে পারে।
রসুন কোয়া ১০০ গ্রাম বেটে আধা লিটার পানিতে ২৪ ঘণ্টা ভেজাতে হবে। এর সাথে ১০ গ্রাম গুড়া সাবান মেসাতে হবে। এর পর ছাঁকতে হবে। এর সাথে ২০ গুণ অর্থাৎ ১০ লিটার পানি মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

সাবান পানি স্প্রে করলেও থ্রিপস পোকা দমন করা যায়। পরিমাণ হল প্রতি ১০ লিটার পানিতে ৪০ গ্রাম গুড়া সাবান।

তামাক পাতা ১ কেজি পরিমাণ নিয়ে ১৫ লিটার পানিতে এক রাত ভিজিয়ে রাখতে হবে । এর সাথে সামান্য সাবান যোগ করতে হবে । ছেঁকে সেই দ্রবণ স্প্রে করতে হবে।

গুড়া সাবান ৩০ গ্রাম বা শ্যাম্পু ৩০ মিলিলিটার পরিমাণ ৫ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে। একটি মাটির পাত্রে গো মূত্র রেখে ১৪-১৫ দিন পচাতে হবে। পরে তার সাথে ১০ গুণ পানি মিশিয়ে ক্ষেতে স্প্রে করতে হবে।

সবজির মাকড়:
সবজি ফসলে সাধারণত লাল মাকড়ের আক্রমণ দেখা যায়। লাল মাকড় একটি বহুভোজী শত্রু। বেগুন, কুমড়া, ঢেড়শসহ প্রায় ১৮৩টি ফসলে এদের আক্রমণ লক্ষ্য করা গেছে। মাকড় অত্যন্ত ক্ষুদ্র। ভাল করে লক্ষ্য না করলে চোখে পড়েনা । এদের নিম্ফ বা বাচ্চা দেখতে হলে শক্তিশালী মাগনিফায়িং কাঁচ বা অণুবীক্ষণ যন্ত্র লাগে। দৈর্ঘ্যে একটি মাকড় মাত্র ০.৩৫ মিলিমিটার। রং হালকা বাদামী থেকে লাল। তবে স্ত্রী মাকড় বাদামী লাল অথবা সবুজ ও হলুদ বা গাঢ় বাদামী সবুজ।

পূর্ণবয়স্ক মাকড় ও নিম্ফ বা বাচ্চা উভয়ই সবজির ক্ষতি করে। এরা দলবদ্ধভাবে পাতার তলার পাশে থেকে পাতা থেকে রস চুষে খেতে থাকে। ফলে পাতার নিচের পিঠে লোহার মরিচা পরার মত রং দেখা যায়। মাকড়ের সূক্ষ্ম জাল, গোলাকৃতি ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ডিম এবং মাকড়ও সেখানে দেখা যায়। অধিক রস চুষে খেলে পাতা ধীরে ধীরে শুকিয়ে যায়। এদের বোনা জালে গাছের বৃদ্ধি ব্যহত হয় ও ফলন কমে যায়। সেক্ষেত্রে নিম্নলিখিত ব্যবস্থাদি গ্রহণ করা যেতে পারে-

প্রতি ৩ দিন পর পর সবজির জমিতে জরিপ করে মাকড়ের উপস্থিতি নিরুপন করতে হবে। এ সময় মাকড় আক্রান্ত পাতা তুলে পলিব্যাগে নিয়ে তা মাঠের বাইরে এনে ধ্বংস করতে হবে।

রসুন ১০০ গ্রাম পরিমাণ বেটে, পানি ১ লিটার, ১০ গ্রাম সাবান ও ২ চা চামুচ কেরসিন তেল একত্রে মিশিয়ে আক্রান্ত ক্ষেতে স্প্রে করতে হবে।

পাটায় পিষে নেয়া নিম বীজ ৫০০ গ্রাম পরিমাণ ৪০০ লিটার পানিতে মিশিয়ে এক রাত রেখে দিতে হবে। তারপর তা ছেঁকে এক একর জমিতে স্প্রে করতে হবে। একবার স্প্রে করলে তা ২ সপ্তাহ পর্যন্ত মাকড়ের আক্রমণ মুক্ত থাকতে পারে।

গুড়া সাবান ৩০ গ্রাম বা শ্যাম্পু ৩০ মিলিলিটার পরিমাণ ৫ লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

সবজি পাতার ম্যাপ পোকা:
শিম, বরবটি, কুমড়ো, টমেটোর ছোট গাছ বা চারা পাতায় অনেক সময় হালকা বা সাদা রঙের আঁকাবাঁকা সুরঙ্গের মত অনেক দাগ দেখা যায়। পাতা সুরঙ্গকারী এক ধরনের মাছির বাচ্চারা এ ধরনের দাগ সৃষ্টি করে থাকে। দাগগুলো দেখতে ম্যাপের মত বলে এ পোকাকে ম্যাপপোকা ও বলে। এসব সজীব দাগ বা আক্রান্ত স্থানে পাতার উপর ও নিচের পর্দার মধ্যে দাগ ফাটালে এ পোকার হলদেটে ম্যাগোট বা কীড়া দেখা যায়। অধিক আক্রমণে পুরো পাতাই শুকিয়ে যায়। এর ফলে চারা গাছ দুর্বল হয়ে পড়ে। এমনকি আক্রান্ত চারা মারাও যায়। আক্রান্ত গাছে ফলন কম আসে ও ফল হয় ছোট। বিনা বিষে এ পোকাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হলে নিম্নলিখিত ব্যবস্থাদি নেয়া যেতে পারে-

আক্রান্ত পাতা তুলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে ।

তামাক পাতা ১ কেজি পরিমাণ নিয়ে ১৫ লিটার পানিতে ১ রাত ভিজিয়ে রাখতে হবে । এর সাথে সামান্য সাবান যোগ করতে হবে । ছেঁকে সেই দ্রবন স্প্রে করতে হবে ।

প্রতি লিটার পানিতে ৫ মিলিলিটার নিমতেল মিশিয়ে তিনবার ক্ষেতে স্প্রে করতে পারলে সুফল পাওয়া যায়। নিম তেল ব্যাবহার করলে নিম তেল ও পানির সাথে ১ মিলিলিটার তরল সাবান যেমন ট্রিক্স মেশাতে হবে ।

সূত্রঃ কৃষি বাংলা

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২২ ১২:০৭ অপরাহ্ন
ঝড়-শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত লালমনিরহাটের পাঁচ উপজেলা
কৃষি বিভাগ

লালমনিরহাটের সদর সহ চারটি উপজেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। শুক্রবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে সদর উপজেলা, আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা ও পাটগ্রামের ওপর দিয়ে এই ঝড় ও শিলাবৃষ্টি বয়ে গেছে।  ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে তিস্তাপারের চরাঞ্চলগুলো।

হঠাৎ বয়ে যাওয়া এই ঝড়ে ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এ ছাড়া উপড়ে গেছে গাছপালা, বিদ্যুতের খুঁটি। ধান ও ভুট্টা গাছগুলো নুয়ে পড়েছে

স্থানীয়রা জানান, শুক্রবার বিকেল থেকে হঠাৎ করে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়ে পড়ে, কিছুক্ষণের মধ্যেই দমকা হাওয়াসহ শিলা বৃষ্টি শুরু হয়।ঝরে গাছপালা পড়ে মুহুর্তের মধ্যেই বাড়িঘর ভেঙ্গে যায়। ঘর বাড়ি রক্ষা করতে গিয়ে  ১৫/২০ জন মানুষ আহত হয়েছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

কৃষকরা জানান, হঠাৎ এই ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ধান, ভুট্টা,তামাক সহ বিভিন্ন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতি কিভাবে কাটিয়ে উঠবেন ভেবে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।

সদর উপজেলা সহ আদিতমারী, কালীগঞ্জ, হাতীবান্ধা ও পাটগ্রামে শিলাবৃষ্টির পরিমাণ বেশি হওয়ায় ফসলের ক্ষতির পরিমাণও বেশি বলে আশঙ্কা করছেন কৃষকরা।

লালমনিরহাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ পরিচালক শামীম আশরাফ বলেন, ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা করে ত্রাণ সহায়তা করা হবে। একই সাথে কৃষকরা যেন ক্ষতির মুখে না পড়েন, সেদিকে লক্ষ্য রেখে কৃষি সম্প্রসারণ এর কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ের কাজ করবে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৫, ২০২২ ২:৩৯ অপরাহ্ন
বোরো মৌসুমে ১৭ লাখ টন ধান ও চাল কিনবে সরকার
কৃষি বিভাগ

আসন্ন বোরো মৌসুমে সরকার অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে ১৭ লাখ টন ধান ও চাল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। প্রতি কেজি বোরো ধানের সংগ্রহ মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২৭ টাকা আর সিদ্ধ চাল ৪০ টাকা ও আতপ চাল ৩৯ টাকা। ১৭ টন ধান ও চালের মধ্যে ৬ লাখ ৫০ হাজার টন ধান, ১১ লাখ টন সিদ্ধ চাল ও ৫০ হাজার টন আতপ চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারের সভাপতিত্বে খাদ্য পরিকল্পনা কমিটির ভার্চুয়াল সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ভার্চুয়াল সভায় কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. এনামুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। আগামী ২৮ এপ্রিল থেকে ধান-চাল কেনা শুরু হবে, চলবে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, মোটা চালের অধিকাংশ নন হিউম্যান কনজামশনে চলে যাওয়ায় ও মানুষের খাদ্যাভাস পরিবর্তনের কারণে সরু চালের ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। এ কারণে সরু চালের দাম কিছুটা বেড়েছে। এ কারণে সরু চালের দাম কিছুটা বেড়েছে।

এ সময় তিনি সরু ধানের উৎপাদন বাড়াতে প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিতে কৃষিমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। কৃষিমন্ত্রী মোঃ আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ধানের উৎপাদন বাড়াতে এরই মধ্যে সর্বাত্মক প্রচেষ্টা করা হয়েছে। উদ্ভাবিত নতুন দুটি জাত ব্রি-৮৯ ও ব্রি-৯২ বোরো ধানের উৎপাদন সম্প্রসারণ করা হচ্ছে। এ প্রজাতির ধানের উৎপাদন বেশি হবে ও চালও সরু হবে। এছাড়া খাদ্য উৎপাদনের ধারাবাহিকতা সচল রাখতে উচ্চফলনশীল ধানের চাষ বাড়ানো হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২০, ২০২২ ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
বরিশালের বাবুগঞ্জে শূন্যচাষে বিনাসরিষা-৯’র চাষ সম্প্রসারণ বিষয়ক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালের বাবুগঞ্জে শূন্যচাষে বিনাসরিষা-৯’র চাষ সম্প্রসারণ বিষয়ক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার উপজেলার উত্তর রাকুদিয়ায় বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানে আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষ্যে এক ভার্চুয়ালি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম।

বিনা উপকেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. ছয়েমা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিনার পরিচালক (গবেষণা) ড. আব্দুল মালেক এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম।

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. সোহেল রানার সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার শাহ মো. আরিফুল ইসলাম, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান হাওলাদার, কৃষক এনায়েত করিম, মজিবর মুন্সি প্রমুখ।

প্রধান অতিথি ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম বলেন, দক্ষিণাঞ্চলেও তিন ফসল চাষ করা সম্ভব। এজন্য আমনের স্বল্পকালিন জাত বেছে নেয়া দরকার। সেই সাথে শূন্যচাষে বিনা সরিষা-৯ বপন করতে হবে। পরে রবি ফসল। আর তা বাস্তবায়ন হলে এ অঞ্চলের শস্যনিবিড়তা বাড়বে। মাঠদিবসে শতাধিক কিষাণ-কিষাণী অংশগ্রহণ করেন।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৯, ২০২২ ৯:৪৪ অপরাহ্ন
খুবিতে পরিবেশ বিষয়ক প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলনের উদ্বোধন
কৃষি গবেষনা

বর্তমান সরকার জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ইস্যুকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে : মন্ত্রী

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্স ডিসিপ্লিনের উদ্যোগে পরিবেশ বিষয়ক দু’দিনব্যাপী প্রথম আন্তর্জাতিক সম্মেলন শুরু হয়েছে। সম্মেলনের প্রতিপাদ্য ‘ক্লাইমেট চেঞ্জ এন্ড ইকোসিস্টেম রেস্টোরেশন’। আজ ১৯ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সকাল ৯টায় আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু একাডেমিক ভবনের সাংবাদিক লিয়াকত আলী মিলনায়তে সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত থেকে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী মোঃ শাহাব উদ্দিন।

তিনি বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে বিশ্বের অনেক দেশের মতো বাংলাদেশও মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। তবে বাংলাদেশ পরিবেশের ক্ষতি না করেও আজ প্রথম সারির ভুক্তভোগী দেশ। জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থানে। এজন্য বর্তমান সরকার জলবায়ু পরিবর্তনজনিত ইস্যুকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এ বিষয়ে ন্যাশনাল এডাপটেশন প্লান তৈরি করা হচ্ছে। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষায় রিসার্চ এবং নলেজ ম্যানেজমেন্টকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী আজ জলবায়ু ইস্যুতে বিশ্বের সোচ্চার দেশ প্রধানদের মধ্যে অন্যতম। তিনি এক্ষেত্রে ক্ষতিগ্রস্ত দেশগুলোর প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর হিসেবে কাজ করছেন। জাতিসংঘের স্বীকৃতিও পেয়েছেন। তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌগলিক অবস্থানজনিত কারণে এখানে গবেষণার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়টি এ ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে সক্ষম হবে। এই সম্মেলন থেকে প্রাপ্ত সুপারিশমালা মন্ত্রণালয়ের কর্মপরিকল্পনা গ্রহণে গুরুত্ব দেওয়া হবে।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। জলবায়ু পরিবর্তনে পরিবেশের যে ক্ষতি হয়েছে, তা নিয়ে বিশ্ব কতটা চিন্তিত সেটা বুঝতেই এই সম্মেলন।

তিনি বলেন, দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭৩-১৯৭৪ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পরিবেশ বিষয়ে বিভিন্ন আইন করে গেছেন। তারই সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ এগিয়ে যাচ্ছে। পরিবেশ বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের কারণে তিনি এ বিষয়ে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ পুরস্কার পেয়েছেন। এ থেকেই আমরা বুঝতে পারি পরিবেশ নিয়ে ভাবনা এখন সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায়ের।

উপমন্ত্রী বলেন, বিশ্বের ১৯৭টি দেশ সবাই এখন বিশ্বাস করে আমাদের পরিবেশ ও প্রতিবেশ ঠিক রাখতে হবে। গত বছর অনুষ্ঠিত বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনেও পরিবেশের নানা দিক স্থান পেয়েছে। বাংলাদেশসহ বিশ্বের সকল দেশই চায় সুন্দর পরিবেশ ধরে রাখতে। তবে বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশগুলো পরিবেশ বিপর্যয়ের জন্য দায়ী। তাদের বিষয়ে সবাইকে ভাবতে হবে।

তিনি বলেন, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে পরিবেশ বিষয়ক প্রথম এই আন্তর্জাতিক সম্মেলন আয়োজন অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য বার্তা যে, আমাদের পরিবেশ নিয়ে ভাবার সময় এসেছে। সকলের গবেষণায় এই বিপর্যয় কাটিয়ে উঠতে হবে। তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে সুন্দরবন আমাদের রক্ষা করে আসছে। এসব দুর্যোগের কারণে সুন্দরবনের ক্ষতি হচ্ছে, আয়তন কমে আসছে। প্রতিবছর ২-৪টি দুর্যোগে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয় সুন্দরবন উপকূলীয় দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল। সুন্দরবন না থাকলে এ উপকূলে মানব বসতি ও জীবনযাপন সম্ভব হবে না। এ বিষয়ে ভাবতে পরিবেশ বিজ্ঞানীদের এগিয়ে আসতে হবে। সকলের চিন্তা-ভাবনায় আমাদের দেশ বিশ্বে আরও ভাল অবস্থান তৈরি করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সভাপতির বক্তব্যে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর ও সম্মেলনের চিফ প্যাট্রন প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বলেন, জলবায়ু পরিবর্তনজনিত যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া শুরু হয়েছে তা ভবিষ্যতে মানবজাতি ও সভ্যতার জন্য হুমকী স্বরুপ। তিনি বলেন এই সম্মেলনটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সম্মেলনে শুধু দেশের জন্যই নয় আঞ্চলিক এবং বৈশ্বিক বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত নিয়েও আলোচনা হবে। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান উপকূলীয় এলাকায় হওয়ায় পরিবেশ ও প্রতিবেশ নিয়ে শিক্ষা ও গবেষণা করা আমাদের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। সে দায়িত্ববোধ থেকেই এমন সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্লিনারি স্পিকার হিসেবে বক্তব্য রাখেন ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমেরিটাস প্রফেসর ড. আইনুন নিশাত। প্যাট্রন হিসেবে বক্তব্য রাখেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মোসাম্মাৎ হোসনে আরা এবং জীববিজ্ঞান স্কুলের ডিন প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সম্মেলনের অরগানাইজিং সেক্রেটারি সংশ্লিষ্ট ডিসিপ্লিন প্রধান প্রফেসর ড. আব্দুল্লাহ হারুন চৌধুরী এবং ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন সম্মেলনের অরগানাইজিং কমিটির কনভেনর প্রফেসর ড. দিলীপ কুমার দত্ত। এর আগে জাতীয় সঙ্গীত পরিবেশনের মধ্য দিয়ে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মেলন শুরু হয়। এরপর অতিথিবৃন্দ এবং বিদেশি ডেলিগেটদের ফুল ও উত্তরীয় দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সম্মেলনের বিষয়ে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংগঠনের অংশগ্রহণে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার। এসময় ভাইস-চ্যান্সেলর ও প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর উপস্থিত ছিলেন।

সম্মেলনে খ্যাতনামা পরিবেশবিদ প্রফেসর ড. আলী রেজা খান ছাড়াও ভারত, পাকিস্তান, নেপাল, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সুইডেনসহ দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ, বিজ্ঞানী সশরীরে এবং ভার্চুয়ালি এই সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে ৬টি কি-নোট পেপার এবং ১২৫টি গবেষণা নিবন্ধ উপস্থাপিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ সম্মেলনে ৬০ জন তরুণ গবেষকের গবেষণা নিবন্ধও উপস্থাপিত হবে।

উৎসঃখুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ফেসবুক পেজ

মোঃ আমিনুল খান

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০২২ ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
পিরোজপুরের নেছারাবাদে জমিতে সুষম সার ব্যবহার বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): পিরোজপুরের নেছারাবাদে মৃত্তিকা নমুনা সংগ্রহ, সুষম সার ব্যবহার ও ভেজাল সার সনাক্তকরণ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১৭ ফেব্রুয়ারি উপজেলার স্বরূপকাঠি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের (এসআরডিআই) উদ্যোগে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. ছাব্বির হোসেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ছিলেন এসআরডিআই’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা একেএম আমিনুল ইসলাম আকন। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা কৃষি অফিসার চপল কৃষ্ণ নাথ।

অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন এসআরডিআই’র ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা কাজী আমিনুল ইসলাম, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, কৃষক মো. হারুন-অর-রশিদ, অজিত মিস্ত্রী প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন, ফসলের অধিক ফলন পেতে মাটির স্বাস্থ্য ভালো রাখা দরকার। এ জন্য জমিতে সুষম মাত্রায় সার প্রয়োগ করতে হয়। সে কারণে মাটি পরীক্ষা জরুরি। পাশাপাশি প্রয়োজন সারের বিশুদ্ধতা সম্পর্কে জানা। এসব বিষয়ে নিজে সচেতন হতে হবে। অপরকেও করতে হবে উৎসাহিত।

প্রশিক্ষণের অংশ হিসেবে প্রশিক্ষণার্থীদের মাঠে নিয়ে মাটির নমুনা সংগ্রহের কৌশল হাতে-কলমে শেখানো হয়। এসআরডিআই’র গোপালগঞ্জ,-খুলনা-বাগেরহাট-সাতক্ষীরা-পিরোজপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এই প্রশিক্ষণ আয়োজন করা হয়। এতে ৬০ জন কৃষক উপস্থিত ছিলেন।

এদিকে, উপজেলা কৃষি অফিসের হলরুমে একই বিষয়ের ওপর অনুরূপ এক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়। এসআরডিআই’র বিভাগীয় গবেষণাগারের উদ্যোগে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়। মৃত্তিকা গবেষণাগার ও গবেষণা সুবিধা জোরদারকরণ প্রকল্পের (এসআরডিআই অংগ) আওতাধীন এ প্রশিক্ষণে ৪০ জন কৃষক এবং ৫ জন কৃষি উদ্যোক্তা-এনজিও কর্মি অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৭, ২০২২ ১০:২৫ অপরাহ্ন
আমের মুকুল ঝরে পড়ার কারণ ও প্রতিকার
কৃষি বিভাগ

আম গাছে মুকুলের মধ্যে থাকে হাজার হাজার ফুল। তা থেকে জন্ম নেয় আমের গুটি। কিন্তু গাছে গুটি আসার পর নানা কারণে তা ঝরে যায়। তাই এসব কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে জেনে রাখা জরুরি-

ঝরে পড়ার কারণ:

বেশ কয়েকটি কারণে আমের মুকুল ঝরে পড়তে পারে-

১. অতিরিক্ত কুয়াশা, বৃষ্টি, ঝড় ও শিলাবৃষ্টির কারণে।

২. মাটিতে রসের অভাব হলে।

৩. হপার পোকার আক্রমণে।

৪. আমের মুকুলে অ্যানথ্রাকনোজ রোগ হলে।

প্রতিকার:

আমের মুকুল ঝরে পড়া রোধে করণীয়-

* আমবাগান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন, আগাছামুক্ত ও খোলামেলা অবস্থায় রাখতে হবে।

* মরা ডালপালা ছেঁটে ফেলতে হবে। রোগাক্রান্ত ডাল, পাতা পুড়িয়ে ফেলতে হবে।

* এছাড়া গাছের নিচ থেকে মরা পাতা কুড়িয়ে তা পুড়িয়ে ফেলতে হবে।

* এ সময়ে গাছের গোঁড়ায় পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি সেচ দিতে হবে।

* আম গাছে মুকুল আসার আগে ও ফল মটরদানার মতো হলে হপার পোকা দমনের জন্য স্প্রে করতে হয়। সাইপরমেথ্রিন ১০ ইসি (রিপকর্ড, রেলোথ্রিন, সিনসাইপার, ফেনম, বাসাড্রিন ) বা ল্যামডা সাই হ্যালাথ্রিন ২.৫ ইসি বা ফেন ভেলারেট ২০ ইসি গ্রুপের যেকোনো একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে এক মিলিলিটার হারে গাছের পাতা, মুকুল ও ডালপালা ভালোভাবে ভিজিয়ে স্প্রে করতে হবে।

* পাওডারী মিলডিও রোগের জন্য ফুল আসার আগে একবার এবং ফুল ধরার পর একবার সালফার জাতীয় ছত্রাকনাশক যেমন কুমুলাস, ম্যাকসালফার, থিওভিট, রনভিট ২ গ্রাম হারে প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করতে হয়।

* অ্যানথ্রাকনোজ রোগের ক্ষেত্রে প্রতি লিটার পানিতে ১ মিলি প্রোপিকনাজল (টিল্ট) বা ১ গ্রাম কার্বেন্ডাজিম (ব্যাভিস্টিন/অটোস্টিন/ ফরাস্টিন) বা ২ গ্রাম ডাইথেন এম৪৫ মিশিয়ে ১০ দিন অন্তর গাছের পাতা, মুকুল ও ডালপালা ভালোভাবে ভিজিয়ে স্প্রে করতে হবে।

* আম মারবেলের মতো হলে প্রতি লিটার পানিতে ২০ গ্রাম ইউরিয়া মিশিয়ে স্প্রে করতে হবে।

লক্ষণীয়: গাছে যখন ৫০% ফল ধরবে; তখন কোনো প্রকার স্প্রে করা যাবে না। মুকুল ফোটার পর স্প্রে করা যাবে না। কেননা এ সময়ে অনেক উপকারী পোকা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৬, ২০২২ ৩:২৭ অপরাহ্ন
রমজান উপলক্ষ্যে চালের দাম বাড়বে না: খাদ্য সচিব
কৃষি বিভাগ

আসন্ন রমজান মাসকে সামনে রেখে চালের দাম বাড়বে না বলে মন্তব্য করেছেন খাদ্য সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম। বুধবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ নিশ্চয়তা দেন।

খাদ্য সচিব বলেন, রমজান উপলক্ষ্যে আমি আপনাদের নিশ্চয়তা দিতে পারি, চালের দাম বাড়বে না। কারণ খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি মার্চ মাস থেকে শুরু হয়ে যাবে। মার্চ মাস থেকে ৫০ লাখ পরিবার ৩০ কেজি করে চাল পাবে। চালের দাম ওই সময় বাড়বে না।

খাদ্য সচিব আরও বলেন, আমরা যদি ওরকম অবস্থা দেখি তাহলে ওএমএস আরও বাড়াব। খাদ্যের ব্যাপারে তো সরকারের কার্পণ্য নেই। খোলা বাজারে বিক্রিটা আরও বাড়াবো। যদি প্রয়োজন হয় ভোক্তার স্বার্থে সরকার চাল আমদানি করবে।

তিনি বলেন, আমরা কৃষকদের ন্যায্য মূল্য দিতে চাই। আমরা খুশি, কৃষক ভালো দাম পাচ্ছেন। যদি প্রয়োজন হয় জনস্বার্থে বা ভোক্তাদের স্বার্থে সরকার সরু চাল আমদানি করবে।

নাজমানারা খানুম জানান, ২০ লাখ টনের বেশি খাদ্যশস্য মজুদ আছে। এরপরও মিলাররা আমার কাছে চাল বিক্রি করতে চাচ্ছে। তার মানে, মোটা চালের দাম আর বাড়বে না। কোনো দুর্যোগ না হলে এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় বোরো চাল বাজারে চলে আসবে। ফলে দাম বাড়ার আশঙ্কা নেই।

বিভিন্ন পর্যায়ে দাম বাড়ছে উল্লেখ করে খাদ্য সচিব বলেন, ব্যবসায়ীরা কতটা লাভে পণ্য বিক্রি করবে তার নির্দিষ্ট কোনও নীতিমালা না থাকায় বাজার নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হচ্ছে। তবে, সরবরাহ বাড়িয়ে চালের দাম নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop