৫:৪১ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ৪, ২০২১ ১০:২৪ অপরাহ্ন
রানীনগরে সেচে অনিয়ম ৫০ বিঘা আমন ধান নষ্ট
কৃষি বিভাগ

নওগাঁর রানীনগরে চলতি আমন মৌসুমে ধানের জমিতে সেচে অনিয়মের কারণে প্রায় ৫০ বিঘা জমির ধান নষ্ট হয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় গভীর নলকূপ মালিকের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে এবং ক্ষতিপূরণ চেয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, বিএমডিএ ও কৃষি কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছে কৃষকরা।

অভিযোগে জানা গেছে, উপজেলার বেলঘড়িয়া মৌজায় ৯৫ ও ৯৬ দাগে বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় একটি গভীর নলকূপ স্থাপন করে প্রায় ১৩০ বিঘা ধানের জমিতে পানি সেচ দেয়া হয়।

গভীর নলকূপটির অপারেটর হিসেবে কর্মরত রয়েছেন একই এলাকার খাগড়া গ্রামের সাহান মহুরীর স্ত্রী বেবি খাতুন। বেবি খাতুনের আওতায় পানি সেচের দায়িত্বে রয়েছেন বেলঘড়িয়া গ্রামের সুকদেব ও স্বপন নামে দুই ব্যক্তি।

কৃষকরা অভিযোগ করে বলে, গভীর নলকূপ স্থাপনের পর থেকে প্রায় প্রতি মৌসুমেই পানি সেচের টাকা পরিশোধ করা হলেও সঠিকভাবে ধানে পানি সেচ দেয়া হয় না।

এর ফলে পানির অভাবে ধানের ফলন অনেক কমে যায়। চলতি আমন মৌসুমের শেষের দিকে টানা বৃষ্টি ও প্রচণ্ড খরায় ধানের জমি শুকিয়ে যায়।

এ ব্যাপারে গভীর নলকূপের অপারেটর বেবি খাতুন বলেন, নলকূপ আমার নামে আছে কিন্তু পানি সেচ বা সবকিছু করে বেলঘড়িয়া গ্রামের সুকদেব ও স্বপন। সেখানে কী হয়েছে এটা সঠিক বলতে পারব না।

রানীনগর উপজেলা সেচ কমিটির সদস্য সচিব বরেন্দ্র বহুমুখী উন্নয়ন প্রকল্পের সহকারী প্রকৌশলী গোলাম ফারুক বলেন, পানি সেচের অভাবেই যদি কৃষকরা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে থাকে তাহলে তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৪, ২০২১ ৩:৪২ অপরাহ্ন
নওগাঁয় ২০২১-২২ মৌসুমে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ
কৃষি বিভাগ

নওগাঁয় জেলায় চলতি রবি ২০২১-২২ মৌসুমে মোট ২৩ হাজার ১শ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে কৃষি বিভাগ। সেই লক্ষ্যমাত্রা পূরণে জেলার কৃষকরা জমি প্রস্তুতসহ আলুর বীজ রোপণ শুরু করেছে।

নওগাঁ জেলা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ শামসুল ওয়াদুদ জানিয়েছেন, কৃষি বিভাগ কৃষকদের জমি প্রস্তুত থেকে শুরু করে বীজ রোপণের সুষ্ঠু পরিচর্যার বিষয় সম্পর্কে পরামর্শ প্রদান করছে।

কৃষি বিভাগ সূত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী উপজেলাভিত্তিক আলু চাষের পরিমাণ হচ্ছে সদর উপজেলায় ২ হাজার ৫শ ২৫ হেক্টর। রানীনগর উপজেলায় ১ হাজ্রা ২শ ৩৫ হেক্টর। আত্রাই উপজেলায় ২ হাজার ৬শ ৯০ হেক্টর। বদলগাছি উপজেলায় ৩ হাজার ৮৫ হেক্টর। মহাদেবপুর উপজেলায় ১ হাজার ৭শ ৯০ হেক্টর। পত্নীতলা উপজেলায় ১ হাজার ৭শ ৭৫ হেক্টর। ধামইরহাট উপজেলায় ২ হাজার ৭শ ৪৫হেক্টর। , সাপাহান উপজেলায় ১ হাজার ৩শ হেক্টর, পোরশা উপজেলায় ৪৭০ হেক্টর, মান্দা উপজেলায় ৪ হাজার ৫ হেক্টর ও নিয়ামতপুর উপজেলায় ১ হাজার ৪শ ৮০ হেক্টর।

উল্লেখিত পরিমাণ জমি থেকে এ বছর ৩ লক্ষ ৮৩ হাজার ৯শ ২২ মেট্রিক টন আলু উৎপাদিত হবে বলে কৃষি বিভাগ প্রত্যাশা করছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৪, ২০২১ ২:০৪ অপরাহ্ন
বান্দরবানের কৃষকরা জুম ছেড়ে মিষ্টি কুমড়ার চাষে ঝুঁকছেন
কৃষি বিভাগ

পার্বত্য জেলা বান্দরবানে জুম চাষের পাশাপাশি এককভাবে চাষ হচ্ছে মিষ্টি কুমড়ার। দাম ভালো পাওয়ায় খুশি চাষিরা। ফলে চাষিদের মাঝে দিনদিন আগ্রহ বাড়ছে মিষ্টি কুমড়া চাষে। পাশাপাশি যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হওয়ায় সহজেই মিলছে পাইকারি ক্রেতাও।

স্বল্প পুঁজি ও কম পরিশ্রমে বেশি লাভ হওয়ায় বান্দরবানের চাষিদের অনেকেই জুম চাষ বাদ দিয়ে ঝুঁকছেন মিষ্টি কুমড়া চাষে। সদর উপজেলার টংকাবতী, বাগান পাড়া, বসন্ত পাড়া, চিম্বুক, ওয়াইজংশন এলাকা ছাড়াও রোয়াংছড়ি, রুমা ও থানচি উপজেলায় ব্যাপকভাবে মিষ্টি কুমড়ার চাষ হয়েছে।

আবহাওয়া ভালো থাকায় এক একটির মিষ্টি কুমড়ার ওজন হয়েছে ৪ থেকে ৫ কেজি। মণ প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ টাকায়। এতে খুশি কৃষক।

পাহাড় থেকে ঝুড়ি ভর্তি করে মিষ্টি কুমড়া নিয়ে আসছেন চাষিরা। সেখান থেকে পাইকাররা নিয়ে যাচ্ছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

গত বছর বান্দরবানে ২৪২ হেক্টর জমিতে মিষ্টি কুমড়ার চাষ হলেও এবার তা বেড়ে দাঁড়ায় ২৪৮ হেক্টর জমিতে।

কৃষি বিভাগ থেকে সহায়তা অব্যাহত থাকলে পাহাড়ে মিষ্টি কুমড়ার ফলন ও বিক্রি আরও বাড়বে বলে প্রত্যাশা চাষিদের।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৪, ২০২১ ১:০১ অপরাহ্ন
কুমিল্লায় কালো টমেটো চাষ করে তাক লাগিয়েছে জামিল
কৃষি বিভাগ

সবচেয়ে কালো টমেটোর একটি হচ্ছে ব্ল্যাক বিউটি টমেটো। কালোর সাথে হালকা সবুজ থাকাতে এ টমেটো দেখতে নান্দনিক মনে হয়। এটি পৃথিবীর বিরল প্রজাতির একটি সবজি। কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মতে এখনো বাংলাদেশে এর চাষ শুরু হয়নি। কিন্তু কুমিল্লার সৌখিন কৃষক আহমেদ জামিল সেলিম এটি প্রথম চাষ করেছেন। নিজের বাড়ির উঠানে তিনি এ চাষ করে সবাইকে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। প্রতিদিন এ বিরল প্রজাতির টমেটো দেখতে তার বাড়িতে লোকজন ভিড় করছে।

টমেটোর নাম ব্ল্যাক বিউটি। কুমিল্লা নগরীর ঠাকুরপাড়া বাগানবাড়ী এলাকায় এ টমেটোর চাষ হচ্ছে। স্থানীয়দের কাছে যার নাম ‘কালো সুন্দরী’। যুগ যুগ ধরে দেখা সাধারণ টমেটোর সাথে এ কালো সুন্দরীর রং একেবারই অমিল। সুন্দরীও যে কালো হতে পারে তা দেখা যাবে কুমিল্লা নগরীর ঠাকুরপাড়ার এ বাগানবাড়ী এলাকায়।

পেশায় ব্যবসায়ী জামিল ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলিনা থেকে আত্নীয়ের মাধ্যমে কালো টমেটোর বীজ আনান। পরের বছর প্রথম নিজের বাড়িতে টবে কালো টমেটো চাষ করেন। ফলনও পায় ভালো। কৃষি গবেষকেরা বলছেন, এটি প্রচলিত টমেটোর চেয়ে বেশি মাংসল হয়। এ টমেটো গাছের উচ্চতাও বেশি। ফলন কেবল শীতকালে হয়। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কালো টমেটো বেশিদিন সংরক্ষণ করা যায়। এ টমেটোর নানা রকম ওষুধি গুণাগুণ রয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

কুমিল্লার কৃষি কর্মকর্তাদের মতে, এ প্রজাতির টমেটোর চাষ দেশে এ প্রথম। এদেশে বিদেশি কোনো বউ এলে পাড়া ও পড়শীরা তাকে দেখতে ভিড় করে। এ কালো সুন্দরীকে দেখতে তেমনি ভিড় লেগে থাকে ওই বাড়িটিতে। কুমিল্লার বরুড়া উপজেলার বাসিন্দা আহমেদ জামিল সেলিম নিজ গ্রামে ধান, সবজি, মাছ চাষ করেন শখের বশে। সম্প্রতি তিনি বিভিন্ন দেশ থেকে নানা জাতের টমেটো বীজ সংগ্রহ করেছেন। সংগ্রহের মধ্যে রয়েছে ব্ল্যাক বিউটি, পর্ন চপ, টাইগার এলা এরর, অস্ট্রেলিয়া থেকে আনা চেরী টমেটোর বীজ।

সৌখিন চাষি আহমেদ জামিল সেলিম বলেন, নতুন কোনো জাতের ধান বা শাক-সবজির খোঁজ পেলেই আমি তার সংগ্রহের চেষ্টা করি। ব্ল্যাক বিউটি টমেটোর বীজটিও তেমন। আত্মীয়ের কাছে এ জাতটি সম্পর্কে খোঁজ পেয়ে তা আমেরিকা থেকে নিয়ে এসেছি। চাষ করে সফলতাও পেয়েছি। অনেকেই এটি দেখার জন্য আমার বাড়িতে ভিড় করছেন। এটা অনেক আনন্দের।

ইতিমধ্যে জামিলের কালো টমেটো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছে কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট এবং কৃষি অধিদপ্তর। কৃষি মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে অনুমোদন পাওয়ার পর তিনি বাণিজ্যিক চাষাবাদ শুরু করবেন।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটে টমেটো নিয়ে গবেষণা করছেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ফেরদৌসি ইসলাম। তিনি বলেন, প্রচলিত টমেটোর সঙ্গে কালো টমেটোর কিছু গুণগত পার্থক্য রয়েছে। কালো টমেটো নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা এখনো হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, প্রাথমিক বিশ্লেষণে তারা দেখেছেন এ টমেটোর খাদ্যগুণ দেশি টমেটোর চেয়ে বেশি। এ টমেটোতে ভিটামিন এ এবং আয়রনের পরিমাণ বেশি থাকে। একই সঙ্গে এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের পরিমাণও সাধারণ টমেটোর চেয়ে বেশি। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এর ফলন অনেক বেশি হয়, যা দেশিয় চাষিদের জন্য উপকারী ব্যাপার। এর ফলে তারা অল্প জমিতে চাষ করে অধিক লাভবান হতে পারবেন। এখনো বাণিজ্যিক চাষাবাদ শুরু না হলেও ইতিমধ্যেই কৃষি অধিদপ্তর দেশের বিভিন্ন সরকারি নার্সারিতে কালো টমেটোর বীজ ও চারা রাখতে শুরু করেছেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক তারিক মাহমুদুল ইসলাম বলেন, এ জাতটি শীত প্রধান দেশের। আহমেদ জামিল সেলিমই এ দেশে প্রথম এর চাষ করলেন। তিনি আরো বলেন, ব্ল্যাক বিউটির গাছ সাধারণত টমেটোর গাছ থেকে অনেক বড় হয়। এটি কৃষক পর্যায়ে গেলে প্রতি গাছ থেকে ৮/১০ কেজি টমেটো পাওয়া যেতে পারে। আমরা এর বাণিজ্যিক চাষের চেষ্টা করবো। কুমিল্লার বেসরকারি কৃষি বিষয়ক সংগঠন আধুনিক কৃষিমনার প্রতিষ্ঠাতা কৃষিবিদ মোসলেহ উদ্দিন বলেন, ব্ল্যাক বিউটি টমেটো অনেক সুন্দর। এটি অনেক স্বাদের। ভিতরে পানির অংশ কম থাকায় সংরক্ষণ করা যাবে। ব্যতিক্রমধর্মী রং হওয়ায় কৃষকরাও ভাল দাম পাবে আশা করা যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৪, ২০২১ ১২:০০ অপরাহ্ন
নাটোর চিনিকলে চলতি মৌসুমের আখ মাড়াই শুরু
কৃষি বিভাগ

নাটোর চিনিকলে চলতি মৌসুমের আখ মাড়াই হয়েছে। শুক্রবার (৩রা ডিসেম্বর) বিকালে এ কাজের উদ্ধোধন করেন চিনি খাদ্য করপোরেশন সদর দফতরের ইক্ষু ও গবেষণা পরিচালক মোহাম্মাদ আশরাফ আলী

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভিডিও কনফারেন্সের যুক্ত হন স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম শিমুল। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, নাটোর চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ আবু বকর, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শামীম আহমেদসহ অনেকে।

চলতি মৌসুমে ৫০ হাজার মেট্রিক টন আখ মাড়াই করে ৩ হাজার মেট্রিক টন চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে মিল কর্তৃপক্ষ। এর আগে গত বছর নির্ধারিত সময়ের আগেই আখের অভাবে প্রায় ৩০ কোটি টাকা লোকসানের বোঝা নিয়ে বন্ধ হয়েছিল মিলটি।

এছাড়া, গত ২৬শে নভেম্বর শুক্রবার বিগত বছরের ২২ কোটি টাকা লোকসানের বোঝা মাথায় আখ মাড়াই মৌসুম শুরু করেছে জেলার অপর বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান লালপুরের নর্থ বেঙ্গল সুগার মিল।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩, ২০২১ ৪:০৭ অপরাহ্ন
শীতের শুরুতেই বাজারে নতুন আলু
কৃষি বিভাগ

শীতের শুরুতেই বাজারে এসেছে নতুন আলু। তবে দাম চড়া। রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে নতুন আলুর কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকায়। নতুন আলুর পাশাপাশি বাজারে ফুলকপি, বাঁধাকপি ও শিমের সরবরাহও বেড়েছে। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় সব ধরনের সবজির দাম অপরিবর্তিত রয়েছে। অবশ্য এর মাঝে ডিম ও মুরগির দাম কিছুটা কমেছে।

আজ রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, ব্যবসায়ীরা নতুন আলুর কেজি বিক্রি করছেন ৫০ টাকা। আর পুরাতন আলু আগের মতো, ২৫ টাকা কেজি দরেই বিক্রি হচ্ছে।

নতুন আলুর দামের বিষয়ে কারওয়ান বাজারের এক ব্যবসায়ী বলেন, কয়েকদিন ধরে বাজারে নতুন আলু আসছে। নতুন আসায় এ আলুর দাম একটু বেশি। কয়েক দিন গেলে দাম কমে যাবে।

মালিবাগ হাজীপাড়ার আরেকজন বলেন, ৪-৫ দিন ধরে নতুন আলু বিক্রি করছি। প্রথমদিকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি করেছি। দুদিন ধরে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি করছি। এভাবে সরবরাহ বাড়বে, দামও কমবে।

এদিকে শিমের কেজি গত সপ্তাহের মতো বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৪০ টাকা। তবে গাজরের দাম কেজিতে ২০ টাকা কমেছে। গত সপ্তাহে ৮০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া গাজর এখন ৬০ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩, ২০২১ ৩:২০ অপরাহ্ন
কলাপাড়ায় স্বল্প খরচে ধান কেটে দিচ্ছে কম্বাইন্ড হারভেস্টর
কৃষি বিভাগ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কৃষকদের মাঠের ধান কেটে দিচ্ছে কম্বাইন্ড হারভেস্টর মেশিন। শুধু ধান কাটাই নয়, শ্রমিক ছাড়াই অল্প সময়ের মধ্যে মাড়াইও করা যায়। একই সঙ্গে এ মেশিনটি ধান ঝেড়ে পরিস্কার করে বস্তা ভর্তি করে ক্ষেত থেকেই কৃষকরে বাড়িতে পৌঁছে দিচ্ছে। তাই মেশিনটি এখন জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। কৃষকের উৎপাদন খরচ এবং সময় বাচাঁতে সক্ষম এসব প্রযুক্তির ব্যবহারে কৃষিতে বিপ্লব ঘটবে বলে এমনটাই জানিয়েছেন কৃষিবিদরা।

উপজেলার কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ উপজেলার ৬ টি ইউনিয়নে ১০ টি কম্বাইন্ড হারভেস্টর মেশিন কৃষকদের দেয়া হয়েছে। প্রতিটি মেশিনের মূল্য ২৫ লাখ টাকা। এসব আধুনিক কম্বাইন্ড হারভেস্টারের সাহায্যে ঘন্টায় দেড় একর জমির ধান কাটা এবং একই সাথে মাড়াই কাজ সম্পন্ন করতে পারবে কৃষকরা। এছাড়া এর আগে আরো ৫ টি কম্বাইন্ড হারভেস্টার মেশিন কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকরা জানান, মাঠের ধান পাকলেই কাটার জন্য দুশ্চিন্তা বেড়ে যেত। গ্রামে গ্রামে শ্রমিক খুঁজতে হতো। আর শ্রমিক পাওয়া গেলেও মজুরি ও খরচ বেশি হওয়ায় পাকা ধান নিয়ে বিপাকে পড়তে হতো এসব কৃষকের। তবে এখন ওইসব কৃষকদের সেই চিন্তা দুর হয়েছে। এ জনপদের কৃষকরা আধুনিক মেশিন দিয়ে ক্ষেতে ধান কাটছেন। অল্প সময়ের মধ্যে কম খরচে ধান কেটে মাড়াই করে ঘরে তোলার সুযোগ পেয়ে কৃষকেরাও এখন অনেক খুশি।

বালিতলী ইউনিয়নের কৃষক মো.মুছা বলেন, সে এ বছর ২ একর ৪০ শতাংশ জমিতে আমন চাষ করেছে। কম্বাইন্ড হারভেস্টর মেশিন দিয়ে তার ক্ষেতের ধান কেটেছেন। এতে মাত্র দুই ঘন্টা সময় লেগেছে। আর খরচ হয়েছে মাত্র ৯ হাজার টাকা। এর আগে প্রতি শ্রমিকের জন্য প্রতিদিনই গুনতে হতো ৭০০-৮০০ টাকা। আবার শ্রমিকও পাওয়া যেত না। অপর এক কৃষক মো.সেহাগ বলেন, এখন আর ধান কাটার শ্রমিক লাগেনা। মেশিন দিয়ে কাটা হচ্ছে ক্ষেতের ধান। একই সঙ্গে ধান কাটা, মাড়াই, ঝাড়া ও বস্তায় ভরা যায়। এতে দূর হয়েছে শ্রমিক সংকট।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এম আর এম সাইফুল্লাহ বলেন, ধান কাটা-মাড়াইয়ের কাজে কম্বাইন্ড হারভেস্টার যন্ত্রের ব্যবহার বেড়েছে। এ উপজেলায় ১৫ টি মেশিন দিয়ে কৃষকদের ধান কাটা হচ্ছে। এতে সময় ও খরচ অনেক কম লাগে বলে তিনি জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩, ২০২১ ৩:০২ অপরাহ্ন
ফিলিপাইন কালো আখ চাষ করে সফল কুমারখালীর আবু শাহিন
কৃষি বিভাগ

আবু শাহিন একজন তরুণ চাষি। তিনি কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর গ্রামের বাসিন্দা। এবার ফিলিপাইন কালো আখ চাষ করে সফলতা পেয়েছেন। মাত্র ৩ বছর আগেও ব্রিটিশ টোব্যাকো কোম্পানিতে চাকরি করতেন। 

চাকরির সুবাদে ২০১৭ সালে তিনি ঝিনাইদহ জেলায় ঘুরতে গিয়েছিলেন। পথে কালো আখ খেত চোখে পড়েছিল তার। আখ দেখে কৌতুহল জন্মেছিল। গাড়ি থেকে নেমে স্বাদ নেন। এরপর আখ চাষে আগ্রহ হয় তার। মাত্র ৩ হাজার টাকার ‘আখ বীজ’ কিনে পাঁচ শতক জমিতে শুরু করেন চাষ। এ জাতের আখ চাষে খরচ কম, তেমন কষ্ট নেই কিন্তু লাভ বেশি। তাই তিনি চাকরি ছেড়ে শুরু করেন ফিলিপাইন আখের চাষ, ভাগ্য বদলে যায়।

আবু শাহিন কুষ্টিয়ার কুমারখালী উপজেলার নন্দলালপুর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের খাঁ পাড়া এলাকার নজিম উদ্দিন খাঁ’র ছেলে। বর্তমানে তিনি ৬ বিঘা জমিতে আখের চাষ করছেন। প্রতিবছর উপার্জন করছেন লাখ লাখ টাকা।

এ বিষয়ে শাহিন জানান, আখ চাষে বছরে একবার ফলন পাওয়া যায়। প্রতি বিঘা জমিতে প্রায় ১২ হাজার পিস ফিলিপাইন আখের চাষ করা যায়। বিঘায় বীজ, সার, শ্রমিক ও আনুষঙ্গিক খরচসহ মোট প্রায় ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়। প্রতি পিস আখ পাইকারি ৩৫ থেকে ৪৫ বা ৫০ টাকায় বিক্রি করা হয়। আর খুচরা বাজারে ৫৫ থেকে ৬০ বা ৭০ টাকায় বিক্রি করা হয়। এতে বিঘা প্রতি জমিতে প্রায় ৪ থেকে সাড়ে ৪ লাখ টাকার আখ বিক্রি করতে পারেন কৃষক। ফলে খরচ বাদ দিয়ে বছরে কয়েক লাখ টাকা লাভ করতে পারেন তারা।

শাহিন বলেন, ২০১৮ সালে তিন বিঘা জমিতে চাষ শুরু করি। বর্তমানে ছয় বিঘা জমিতে আখের চাষ আমার। বিঘা প্রতি বছরে প্রায় ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়। আর প্রায় সাড়ে ৪ লাখ টাকার আখ বিক্রি করি। বর্তমানে ৬ বিঘা জমিতে বছরে প্রায় আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা খরচ হয়। আর ২৫ থেকে ২৮ লাখ টাকা আখ বিক্রি করি। খরচ বাদে প্রায় ২২ লাখ টাকা আয় হয়।

এলাকার আরেক আখ চাষি সাইদুল খাঁ বলেন, গত বছর থেকে আমিও দুই বিঘা জমিতে আখ চাষ করছি। প্রতিটি আখ ১০ থেকে ১২ ফুট লম্বা হয়। আর ৩৫ থেকে ৪০ টাকায় পাইকারি বিক্রি হয়। খুচরা বিক্রেতা জমিতে এসে আখ নিয়ে যায়।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা দেবাশীষ কুমার দাস বলেন, কয়েক বছর আগে উপজেলায় সৌখিনভাবে আখ চাষ শুরু হয়েছিল। কিন্তু অধিক লাভজনক হওয়ায় বর্তমানে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে। দিনে দিনে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩, ২০২১ ১১:২৭ পূর্বাহ্ন
ডিম-সবজির দাম কমলেও বেড়েছে চাল-মুরগির
কৃষি বিভাগ

সাতদিনের ব্যবধানে রাজধানীর বাজারগুলোতে পণ্যের দাম ওঠানামা করেছে। বাজারে সবজি ও ডিমের দাম কমলেও চাল ও মুরগির দাম বেড়েছে। এছাড়াও অপরিবর্তিত রয়েছে অন্যান্য পণ্যের দাম।

শুক্রবার সকালে রাজধানীর মিরপুর কালশী বাজার ও পল্লবী, কচুক্ষেত বাজার ঘুরে পণ্যের দামের চিত্র পাওয়া গেছে।

বাজারে বেশিরভাগ সবজির দাম কেজিতে ১০ থেকে ২০ টাকা দাম কমেছে। এসব বাজারে প্রতি কেজি টমেটো ২০ টাকা দাম কমে বিক্রি হচ্ছে ১২০ টাকা, বরবটি ৮০ টাকা, সিম বিক্রি হচ্ছে ৪০-৬০ টাকা, বেগুন (গোল) ৬০ টাকা, বেগুন (লম্বা) ৪০ টাকা, ফুলকপি প্রতি পিস ৫০ টাকা, বাঁধাকপি ৪০ টাকা, করলা ৬০ টাকা, গাজর প্রতি কেজি ৮০ টাকা, চাল কুমড়া পিস ৪০ টাকা, প্রতি পিস লাউ আকারভেদে বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৫০ টাকা, পটল ৪০ টাকা, ঢেঁড়স ৬০ টাকা, লতি ৬০ টাকা, মুলা ৪০ টাকা ও পেঁপের কেজি ৪০ টাকা।

বাজারে আলুর দাম বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজিতে। নতুন আলুর কেজি ৮০ টাকা। দেশি পেঁয়াজ কেজি ৫০-৫৫ টাকা। ইন্ডিয়ান ও মায়ানমারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। কাঁচামরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়।

কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা। শসা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০ টাকায়।

এছাড়া শুকনা মরিচ প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, রসুনের কেজি ৮০ থেকে ১৩০ টাকা, দেশি আদা বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। চায়না আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়। হলুদের প্রতিকেজি ১৬০ টাকা থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইন্ডিয়ান ডাল কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। দেশি ডাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়।

বাজারে আলুর দাম বিক্রি হচ্ছে ২০ থেকে ২৫ টাকা কেজিতে। নতুন আলুর কেজি ৮০ টাকা। দেশি পেঁয়াজ কেজি ৫০-৫৫ টাকা। ইন্ডিয়ান ও মায়ানমারের পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। কাঁচামরিচ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ টাকায়।

কাঁচা কলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকায়। পেঁপে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা। শসা বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। লেবুর হালি বিক্রি হচ্ছে ১৫-২০ টাকায়।

এছাড়া শুকনা মরিচ প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, রসুনের কেজি ৮০ থেকে ১৩০ টাকা, দেশি আদা বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। চায়না আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকায়। হলুদের প্রতিকেজি ১৬০ টাকা থেকে ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইন্ডিয়ান ডাল কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ৯০ টাকায়। দেশি ডাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১১০ টাকায়।

এদিনে বাজারে চালের দাম বেড়েছে। এসব বাজারে নাজিরশাইল চালে কেজিতে বেড়েছে ২ থেকে ৩ টাকা, নাজিরশাইল চালে কেজি ৬৮-৭০ টাকা, মিনিকেট চালে প্রতি কেজিতে ২ টাকা দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ৬৭-৬৮ টাকা, আটাশ চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ২ টাকা। আটাশ চালের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫২ থেকে ৫৩ টাকা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২, ২০২১ ৬:৪২ অপরাহ্ন
সেচব্যবস্থার টেকসই উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, দেশে সেচ ব্যবস্থার টেকসই উন্নয়ন ও পানি সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারে বর্তমান সরকার অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। গত ১২ বছরে সেচ ব্যবস্থার আধুনিকায়নে নানান পদক্ষেপ গ্রহণের ফলে দেশে সেচসুবিধা সম্প্রসারণ, সেচ দক্ষতা বৃদ্ধি, পানির অপচয়রোধে ভূগর্ভস্থ পাইপ লাইন নির্মাণ, ভূউপরিস্থ পানির ব্যবহার বৃদ্ধিসহ সেচব্যবস্থার উন্নয়নে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জিত হয়েছে।
আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউস্থ বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন (বিএডিসি) অডিটোরিয়ামে ‘ক্ষুদ্রসেচের টেকসই উন্নয়নে অনলাইনভিত্তিক জরিপ ও পরিবীক্ষণ’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বিএডিসি ‘ক্ষুদ্রসেচ উন্নয়নে জরিপ ও পরিবীক্ষণ ডিজিটালাইজেশন প্রকল্পের’ আওতায় এ সেমিনারের আয়োজন করে।
মন্ত্রী বলেন, পানি একটি অমূল্য সম্পদ। খাদ্য নিরাপত্তা ও ফসলের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে সেচ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অথচ সেচকাজসহ বিভিন্নভাবে পানির অপচয় হয়। এটি আরো কমিয়ে আনতে হবে। সেজন্য সরকার সেচ কাজে আধুনিক প্রযুক্তির রাবার/হাইড্রোলিক এলিভেটর ড্যাম ও বিভিন্ন প্রকার সেচ অবকাঠামো নির্মাণ, ভূগর্ভস্থ পাইপ লাইন নির্মাণ, পানি সাশ্রয়ী সেচ পদ্ধতি, নবায়নযোগ্য জ্বালানি শক্তির ব্যবহার, ভূপরিস্থ পানির জলাধার তৈরিতে গুরুত্ব দিচ্ছে।
ড. রাজ্জাক আরও বলেন, পানি ব্যবস্থাপনায় পানি উন্নয়ন বোর্ড কর্তৃক খাল,নদী খনন,পুন:খনন, বাঁধ নির্মাণ প্রভৃতি কাজের সময় কৃষি উৎপাদনের সুবিধা-অসুবিধা বিবেচনায় নিতে হবে। সেজন্য কৃষি মন্ত্রণালয় ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করতে হবে।
বিএডিসির তথ্যে জানা যায়, সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নে বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপের ফলে ২০২১ সালে সেচ এলাকা ৫৬.২৭ লক্ষ হেক্টরে, সেচ দক্ষতা ৩৫% হতে ৩৮% এবং ভূপরিস্থ পানির ব্যবহার ২১% থেকে ২৭% এ উন্নীত করা সম্ভব হয়েছে। সেচযোগ্য জমির ৭৩% সেচের আওতায় এসেছে। ১৯৮০ সালে সারাদেশে ভূগর্ভস্থ পানির সেচ ২০% এবং ভূউপরিস্থ পানির সেচ ৮০% ছিল। সেখানে ২০১০ সালে দাড়ায় ভূগর্ভস্থ পানির সেচ ৮০% এবং ভূউপরিস্থ পানির সেচ ২০% পরিণত হয়।
সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম। বিএডিসির চেয়ারম্যান এ এফ এম হায়াতুল্লাহর সভাপতিত্বে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক মো: হামিদুর রহমান, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ক্লাইমেট চেঞ্জ এন্ড এনভায়রনমেন্টাল রিসার্চের উপদেষ্টা ড. আইনুন নিশাত, সিইজিআইএসের নির্বাহী পরিচালক মালিক ফিদা আবদুল্লাহ খান ও বিএডিসির সদস্য পরিচালক (ক্ষুদ্রসেচ) প্রকৌশলী মো: জিয়াউল হক বক্তৃতা করেন।
শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop