৭:৫৯ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুন ৯, ২০২১ ৩:৩৩ অপরাহ্ন
কুমিল্লায় হিমাগার ধসে ৭ গরুর মৃত্যু!
প্রাণিসম্পদ

কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলায় হিমাগার (কোল্ড স্টোরেজ) ধসে পড়ে ৭টি গরু মারা গেছে। স্টোরেজটির পাশে তার ফার্মের ৫৯টি বাছুর, ১২টি ষাঁড় মিলিয়ে ৭১টি গরু ছিল। যার মধ্যে ভবন ধসে ৭টি মারা যায় বলে ডেইরি ফার্মের মালিক ফরহাদ হোসেন জানান।

মঙ্গলবার (০৮ জুন) সকালে উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের কাবিলা বাজারে অবস্থিত কোল্ড স্টোরেজটিতে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

কুমিল্লা ফায়ার সার্ভিসের উপ-সহকারী পরিচালক শারফুল হাসান ভুইয়া বাংলানিউজকে জানান, মোট পাঁচটি ইউনিট ধসে পড়া ভবনের দেয়াল কেটে ৭১টি গরু উদ্ধার করা হয়। যার মধ্যে ৭টি গরু ঘটনাস্থলে মারা যায়। আহত একটি গরুকে জবাই করা হয়।

ফায়ার সার্ভিস আরও জানায়, উপজেলার মোকাম ইউনিয়নের কাবিলা বাজারে মোকাম কোল্ড স্টোরেজ লিমিটেড নামে চার তলা ভবনের কোল্ড স্টোরেজটি প্রায় ৫০ বছর আগে নির্মিত হয়েছিল। এতে কোল্ড স্টোরেজটিতে সংরক্ষিত প্রায় ৭০ হাজার মণ আলুর ক্ষয়ক্ষতি হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৮, ২০২১ ৭:৫৬ অপরাহ্ন
কুমিল্লায় দু‘দিনে কুকুরের কামড়ে আহত ২৪!
প্রাণিসম্পদ

কুমিল্লার পাঁচ গ্রামের অন্তত ২৪ জনকে কুকুরে কামড় দিয়ে আহত করেছে। এ ঘটনায় উপজেলায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।সোমবার থেকে মঙ্গলবার এই দুই দিনে উপজেলার ফজুরকান্দি, ঘারমোড়া, শ্যমপুর, শ্রীপুর, খোদে দাউদপুর ও নিলখী গ্রামে এসব ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার (৮ জুন) সকাল পর্যন্ত কুকুরের কামড়ে আহত হয়েছেন শিশুসহ মোট ২৪ জন নানা বয়েসি নারী ও পুরুষ।

এদিকে এক সঙ্গে এতো মানুষকে কুকুরে কামড়ানোর ফলে সদরের ফার্মেসিগুলোতেও দেখা দিয়েছে এন্টি র‌্যাভিস ভ্যাকসিনের (প্রতিশেধক) সংকট। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেন্সে এই ভ্যাকসিন না থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছে ভুক্তভোগীরা।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বলছে, উপজেলা পর্যায়ে দেওয়া হয় না এই ভ্যাকসিন, জেলা সদর হাসপাতালে থাকে। কুকুরের কামড়ে আহত শিশুসহ ১৯ জন নানা বয়সের নারী ও পুরুষ হোমনা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা নিয়েছেন।

আহতরা হলেন- ফজুরকান্দি গ্রামের তাসফিয়া (৪), আ. রহমান (৫), হোসাইন (৬), শারমিন আক্তার (২৬), রাহিমা (৬), সামিয়া (১৮), আতিক (১২), ছোট ঘারমোড়া গ্রামের রুশিয়া বেগম (৫০), জিসান (৭), খাদিজা (১৪), শাহনাজ (৩০), শাওন (১২), সেলিম (২৬), মিরাজ (২৮), মারিয়া (৬), লিটন (৪০), শ্রীপুর গ্রামের রাফী (৮), শ্যামপুর গ্রামের শাওন (১২), খোদে দাউদপুর গ্রামের মাসুদা আক্তার (২৮), নিলখী গ্রামের হাজী মনোয়ারা বেগম (৫৫), ফজিলত বেগম (৬০), আনোয়ারা বেগম (৬০), ফয়েজ উদ্দিন (৬৫) ও মামুন (৩২)।

চিকিৎসা নিতে আসা রোগী ও স্বজনরা জানান, হঠাৎ কোথা থেকে দ্রুত গতিতে দৌঁড়ে এসে যাকে পাচ্ছে তাকেই কামড়ে আহত করেছে কুকুর।

কুকুরের কামড়ে আহত শিশু রাফীর মা জানান, হঠাৎ কোথা থেকে এসে লাফ দিয়ে আক্রমণ করে বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে থাকা রাফীকে। ওর পিঠে, বাহুতে কামড়াতে থাকে। সঙ্গে সঙ্গে লঠি-সোঁটা নিয়ে তাড়া করে ছেলেকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসি। তিনি আরও বলেন, হাসপাতালে ভ্যাসসিন পাইনি। বাজারের কোনও ফার্মেসিতেও নেই। পরে দাউদকান্দির গৌরীপুর থেকে এনে তারপর দিতে হয়েছে।

ফার্মেসিতে ভ্যাকসিন সংকট সম্পর্কে উপজেলা সদরের বিল্লাল মেডিকেল হলের প্রতিনিধি আ. সালাম বলেন, এন্টি র‌্যাভিস ভ্যাকসিন আমাদের কাছে যা ছিল, আজই শেষ হয়েছে। এটি সচরাচর প্রয়োজন পড়ে না বিধায় বেশি রাখা হয় না। সবাই দুই-একটা করেই দোকানে রাখে। আজ এক সঙ্গে অনেককে কামড়ানোর ফলে ভ্যাকসিন সংকট দেখা দিয়েছে। আগামীকালই আর এই সংকট থাকবে না।

স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আবদুছ ছালাম সিকদার জানান, হঠাৎ কুকুরের উৎপাত বেড়ে গেছে। আজ দিনে রাতে কয়েকটি গ্রামের ১৯ জন কুকুরের কামড়ে আহত হয়ে চিকিৎসা নিতে এসেছেন। প্রথমেই তাদের ড্রেসিং করা হয়েছে। তারপর ভ্যাকসিন দেওয়া হয়েছে।

ভ্যাকসিন সংকট সম্পর্কে তিনি জানান, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এন্টি র‌্যাভিস ভ্যাকসিন নেই। জেলা সদর হাসপাতালে পাওয়া যায় এই ভ্যাকসিন। ফলে বাধ্য হয়ে রোগীদের বাইরে থেকে কিনে আনতে হয়েছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৭, ২০২১ ৭:৪৪ অপরাহ্ন
বঙ্গবন্ধু বাঙালির মুক্তির স্বপ্ন না দেখলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

বঙ্গবন্ধু বাঙালির মুক্তির স্বপ্ন না দেখলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

সোমবার (৭ জুন) রাজধানীর একটি হোটেলে দুগ্ধ সপ্তাহ ২০২১ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে ঐতিহাসিক ছয় দফা দিবস প্রসঙ্গে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, “সকল সময়ে সকল প্রসঙ্গে বঙ্গবন্ধু অনিবার্য। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা অনিবার্য। বঙ্গবন্ধুকে বাদ দিয়ে বাংলাদেশ ভাবা যায় না, বাংলাদেশের আজকের উন্নয়ন ভাবা যায় না। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যদি বাঙালির মুক্তির স্বপ্ন না দেখতেন, বাঙালিকে পরাধীনতার শৃঙ্খল থেকে মুক্ত করতে না চাইতেন, বাঙালি জাতিকে সুসংগঠিত ও ঐক্যবদ্ধ করে ‘৭০-এ বিজয় ছিনিয়ে না আনতেন, ‘৭১ সালের ৭ মার্চ মুক্তিযুদ্ধের নির্দেশনা না দিতেন, ২৬ মার্চ স্বাধীনতার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না দিতেন, তাহলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না।

তিনি ১৯৬৬ সালের ৭ জুন বাঙালি জাতির মুক্তির সনদ ছয় দফা ঘোষণা করেছিলেন। ছয় দফার জন্য বঙ্গবন্ধুকে সাজা ভোগ করতে হয়েছিল। ছয় দফার ইতিহাস বাঙালি জাতির প্রতিটি মানুষকে জানতে হবে। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ, আমাদের স্বাধীনতা, স্বাধীনতার জন্য ত্যাগ স্বীকার-ইতিহাসের সে বণার্ঢ্য অধ্যায় অবশ্যই মনে রাখতে হবে।”

তিনি আরো বলেন, “আজ বাংলাদেশ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে যে অভাবনীয় সাফল্য অর্জন করেছে, যে বিপ্লব হয়েছে, সেই বিপ্লবের সৃষ্টি হতো না যদি দেশ স্বাধীন না হতো। আমার দেশের সম্পদের সমৃদ্ধির কারণে কোরবানির সময় এখন বিদেশ থেকে পশু আনতে হয় না। আমার দেশের সমৃদ্ধির কারণে মাছের উৎপাদন বিশ্বের বুকে একটা চ্যালেঞ্জিং জায়গায় পৌঁছে গেছে। আজ দুধ, ডিমের উৎপাদনে অভাবনীয় সাফল্য এসেছে। আর এ উৎপাদিত দ্রব্য একদিকে খাদ্যের চাহিদা মেটাতে পারছে, অন্যদিকে পুষ্টির চাহিদা মেটানো সম্ভব হচ্ছে। এসব কিছু সম্ভব হয়েছে দেশ স্বাধীন হয়েছে বলে।”

প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “গ্রামের সাধারণ মানুষ যাদের গবাদিপশু আছে তারা যাতে প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের কাছ থেকে চমৎকার ব্যবহার ও ভালো সেবা পায় সেটা লক্ষ্য রাখতে হবে। করোনাকে মাথায় রেখেই প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। এ খাতের উন্নয়নে জীবনের ঝুঁকি নিয়েও লড়াই করতে হবে। সর্বোপরি সরকারি কর্মকর্তাদের মানুষের কল্যাণে, দেশের উন্নয়নে নিবেদিত রাখতে হবে।”

দুগ্ধ সপ্তাহ পালনে ভূমিকা রাখা সকলকে ধন্যবাদ জানিয়ে এসময় মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “দুগ্ধ সপ্তাহে দেশব্যাপী একটা সাড়া জেগেছে। মানুষের ভেতর একটা উৎসাহ এসেছে, অনুপ্রেরণা এসেছে। তারা দুধ খাবার প্রয়োজনীয়তা বুঝতে পারছে। দুগ্ধ খাতের উন্নয়নের সাথে সাথে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হচ্ছে, গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হচ্ছে, পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা পূরণ হচ্ছে। এভাবে দুগ্ধ খাতসহ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদের সাথে সম্পৃক্ত সকল খাতকে বেগবান করতে হবে।

এজন্য বেসরকারি খাতকে এগিয়ে যেতে হবে। বেসরকারি খাতকে সরকার বিভিন্নভাবে সহায়তা দিচ্ছে। বেসরকারি খাত বিকশিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী ১০২টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছেন। সরকারি ও বেসরকারি সকল খাত যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে তাতে বাংলাদেশকে কেউ দাবিয়ে রাখতে পারবে না।”

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোঃ আব্দুর রহিম এবং দুগ্ধ সপ্তাহের কার্যক্রম তুলে ধরেন একই প্রকল্পের প্রধান কারিগরী সমন্বয়ক ড. গোলাম রব্বানী। এছাড়া বিশ্ব ব্যাংকের প্রতিনিধি ক্রিশ্চিয়ান বার্গার ভার্চুয়ালী যুক্ত হয়ে অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্ মোঃ ইমদাদুল হক, শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সুবোল বোস মনি ও মোঃ তৌফিকুল আরিফসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বর্তমান ও প্রাক্তন কর্মকর্তাবৃন্দ, ও গবেষকবৃন্দ, ডেইরি অ্যাসোসিয়েশনের প্রতিনিধি এবং প্রাণিসম্পদ খাতের উদ্যোক্তা ও খামারিগণ সমাপনী অনুষ্ঠান ও সেমিনারে অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, ২০০১ সালে জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) ১ জুন তারিখকে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। একই বছর থেকে বৈশ্বিক খাদ্য হিসেবে দুধের গুরুত্ব তুলে ধরা এবং দৈনন্দিন খাদ্য গ্রহণে দুগ্ধ ও দুগ্ধজাত পণ্য অন্তর্ভুক্ত করাকে উৎসাহিত করতে প্রতিবছর বিশ্বব্যাপী এ দিবসটি উদযাপন হয়ে আসছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এ বছর বিশ্ব দুগ্ধ দিবস উদযাপনের পাশাপাশি ‘প্রতিদিন এক গ্লাস দুধ পান করুন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করুন’-এ প্রতিপাদ্যে প্রথমবারের মতো দেশব্যাপী ১ জুন থেকে ৭ জুন পর্যন্ত বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দুগ্ধ সপ্তাহ উদযাপন করেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৭, ২০২১ ৭:১৫ অপরাহ্ন
বজ্রপাতে ৩ জন, ১০ গরু ও ১ মহিষের মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

পটুয়াখালীর পৃথক তিন স্থানে বজ্রপাতে তিন জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ছাড়া, কমপক্ষে ১০টি গরু ও একটি মহিষ মারা গেছে।

রোববার (৬ মে) বিকাল ৩টার দিকে বজ্রসহ বৃষ্টিপাত শুরু হলে জেলার বিভিন্ন স্থানে এসব নিহতের ঘটনা ঘটে। নিহতরা হচ্ছেন, পটুয়াখালী সদর উপজেলার মরিচবুনিয়া গ্রামের কৃষক মজিবর হাওলাদার (৩০), মির্জাগঞ্জ উপজেলার তাড়াবুনিয়া গ্রামের আবদুল জলিল (৪৭) ও গলাচিপা উপজেলার পশ্চিম ডাকুয়া গ্রামের জলিল খান (৫৫)।

সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা (ওসি) এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

মির্জাগঞ্জের আবদুল জলিল বৃষ্টির মধ্যে বাড়ির পাশের জমিতে কৃষিকাজ করার সময় হঠাৎ বজ্রপাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। ঘটনাস্থলে তার মৃত্যু হয় বলে জানান মির্জাগঞ্জ থানার ওসি মো. মহিবুল্লাহ।

সদর উপজেলার মরিচবুনিয়া গ্রামের কৃষক মজিবর হাওলাদার মাঠ থেকে গরু আনতে গেলে বজ্রপাতে মারা যান।

গলাচিপার পশ্চিম ডাকুয়া গ্রামের দিনমজুর জলিল খান বজ্রপাতে ধসে পড়া একটি রেইনট্রি গাছের চাপায় গুরুতর আহত হন। তাকে প্রথমে গলাচিপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শেরে বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে তিনি মারা যান বলে জানান গলাচিপা থানার ওসি এ আর এম শওকত আনোয়ার ইসলাম।

সদর উপজেলার আউলিয়াপুর ইউনিয়নের পূর্ব আউলিয়াপুর গ্রামের নুরুল হক সিকদার ও ছোট আউলিয়াপুর গ্রামের গাফফার হাওলাদারের একটি করে গরু বজ্রপাতে মারা গেছে।

একই উপজেলার মাদারবুনিয়া ইউনিয়নে দুটি গরু, গলাচিপা উপজেলার চরকাজল গ্রামে চারটি গরু, আমখোলা গ্রামে একটি মহিষ এবং দশমিনা উপজেলার আরজবেগি গ্রামে দুটি গরু বজ্রপাতে মারা গেছে।

এদিকে, জেলায় দুই ঘণ্টায় ৮০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করেছে পটুয়াখালী আবহাওয়া অফিস। সূত্র: দ্য ডেইলি স্টার

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৭, ২০২১ ৫:১৯ অপরাহ্ন
কৃষকদের ছাড়াতে গরু নিয়ে থানা ঘেরাও
প্রাণিসম্পদ

হরিয়ানার ফতেহবাদের স্থানীয় বিধায়কের বাড়ি ঘেরাও করেছিলেন কৃষকরা। এ অভিযোগে রোববার দুই কৃষককে ধরে নিয়ে যায় পুলিশ। দুই কৃষকের মুক্তির দাবিতে ফতেহবাদ থানা ঘেরাও করেন কৃষকরা। বিক্ষোভের অংশ হিসেবে থানায় একটি গরুও নিয়ে আসেন কৃষকরা। পরে রবিবার রাতে জামিনে মুক্তি পেয়েছেন ওই দুই কৃষক। সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

তাদের পক্ষ থেকে বলা হয়, গরুটি ৪১তম সাক্ষী, তাই তাকেও বিক্ষোভে নিয়ে আসা হয়েছে। এই প্রতিবাদ কর্মসূচি আয়োজন করা হয় কৃষক সংগঠন সংযুক্ত কৃষক মোর্চার পক্ষ থেকে।

থানা ঘিরে রেখে যখন কৃষকরা বিক্ষোভ করছিলেন সঙ্গে ছিল গরুটিও। এসময় গরুটি ছোট বাঁশের খুঁটিতে বাঁধা ছিল। এর সামনে রাখা হয়েছিল পানি আর খাবার।

কৃষকরা জানান, হরিয়ানায় যে সরকার ক্ষমতায় রয়েছে, সেই সরকার নিজেদের গোরক্ষক বলে দাবি করে, গরু পবিত্র পশু বলেও তাদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। তাই আমরা সেই পবিত্র প্রাণি নিয়ে এসেছি প্রতিবাদে। সরকারের নজর যাতে ফেরে, সেই কারণেই আমরা গরু এনেছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৬, ২০২১ ১১:১৫ অপরাহ্ন
আদমদীঘিতে দিনব্যাপী প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

পুষ্টি, মেধা, দারিদ্য বিমোচন-প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর আয়োজন-এ শ্লোগানকে সামনে রেখে সারা দেশের ন্যায় প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের (এলডিডিপি) সহযোগিতায় এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল, আদমদীঘির আয়োজনে আদমদীঘিতে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী-২০২১ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

গত শনিবার (৫ জুন) বেলা ১১ টায় আদমদীঘি আই.পি.জে. (পাইলট) উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ প্রদর্শনী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত হয়। উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মোছাঃ কামরুন্নাহার আক্তারের সভাপতিত্বে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব সিরাজুল ইসলাম খান রাজু।

সভাপতির বক্তব্যে আদমদীঘি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডাঃ মোছাঃ কামরুন্নাহার আক্তার বলেন, “এলডিডিপি প্রকল্পের সহযোগিতায় এবারই প্রথম প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়েছে। সারাদেশের ন্যায় আদমদীঘি উপজেলাতেও এটি খুব ভালো সাড়া পেয়েছে। এছাড়াও খামারিরা পুরস্কার পেয়ে ভবিষ্যতে আরও ভালো করার জন্য ভীষণ উদ্দীপনা ও অনুপ্রেরণা পেয়েছে।”

প্রদর্শনীতে প্রায় ৩০ টি স্টলে হলস্টিন ফ্রিজিয়ান জাতের গাভী, শাহীওয়াল ষাঁড়, যমুনাপাড়ি জাতের খাসি, তোতাপুরি জাতের খাসি, গাড়ল, প্রিন্স জাতের পাখি,মিশরী মুরগী,বেইজিং জাতের হাঁস, খাকি ক্যাম্পবেল হাঁস, টাইগার মোরগসহ বিভিন্ন প্রাণি প্রদর্শন করা হয়। প্রদর্শনী শেষে মোট তিনটি ক্যাটাগরিতে ১ম,২য় ও ৩য় স্থান অর্জনকারী খামারিদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।

এবিষয়ে আদমদীঘি উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ মাসুদ রানা বলেন, “সকলের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণের মাধ্যমে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২১ সফলভাবে আয়োজিত হয়েছে। বাংলাদেশের অগ্রযাত্রায় প্রাণিসম্পদের ভূমিকা অগ্রগন্য। এধরনের প্রদর্শনীর আয়োজন ও প্রান্তিক খামারিদের মূল্যায়নের মাধ্যমে দেশের প্রাণিসম্পদ আরও বিকশিত হবে এটাই প্রত্যাশা।”

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৬, ২০২১ ৪:১৭ অপরাহ্ন
চৌগাছার এক বাড়ি থেকে ৫টি গরু চুরি
প্রাণিসম্পদ

যশোরের চৌগাছায় এক রাতে একটি বাড়ি থেকে ৫টি গরু চুরি হয়েছে। চুরি যাওয়া গরুর মধ্যে দুটি গাভী, একটি এঁড়ে ও দুটি বাছুর রয়েছে। যার অনুমানিক মূল্য ৪ লাখ টাকা বলে জানান পরিবারের সদস্যরা।

শনিবার (৫ জুন) দিবাগত রাতে চৌগাছা পৌর শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ডিগ্রি কলেজ এলাকার চান্দু বিশ্বাসের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

বাড়ির মালিকের স্ত্রী শাহানারা বেগম ও ছেলে শেখ শাদি জানান, রাত ১২টা পর্যন্ত গরুগুলো গোয়ালঘরে ছিল। রাত ৩টার দিকে বৃষ্টি হচ্ছিল। বৃষ্টির কিছু সময় পরে গোয়ালঘরে গিয়ে দেখেন, সেখানে একটি গরুও নেই। খোঁজ নিয়ে দেখতে পান, বাড়ির পেছনের গেটের তালা ভাঙে চোরেরা গরুগুলো নিয়ে গেছে।

স্থানীয় কাউন্সিলর জিএম মোস্তফা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘এ ঘটনায় চৌগাছা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন চুরি যাওয়া গরুর মালিক চান্দু বিশ্বাস।’

চৌগাছা থানার অফিচার্জ ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম সবুজ বলেন, ‘গরু চুরির বিষয়টি আমাদের জানানো হয়েছে। আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৬, ২০২১ ৩:০১ অপরাহ্ন
মানিকগঞ্জে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলায় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী-২০২১ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৫ জুন) উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল এবং উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শন এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ ইমরুল হাসান (উপজেলা নির্বাহি অফিসার, দৌলতপুর মানিকগঞ্জ), ডা. মোঃ আব্দুর রেজ্জাক (উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার, দৌলতপুর মানিকগঞ্জ), জনাব মোঃ ফরিদ হোসেন (উপজেলা মৎস্য অফিসার, দৌলতপুর মানিকগঞ্জ), ডা. মোঃ আমিনুল ইসলাম (এলইও, দৌলতপুর মানিকগঞ্জ ) সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ।

সকাল দশটায় অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন জনাব মোঃ ইমরুল হাসান। ‘প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী-২০২১’ কে মোট তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে পুরস্কারের আওতায় আনা হয়। প্রথম ক্যাটাগরি বড় প্রাণী (গরু, ঘোড়া, মহিষ)। দ্বিতীয় ক্যাটাগরি ছোট প্রাণী যেখানে স্থান পায় ছাগল, ভেড়া, গাড়ল & খরগোশ। তৃতীয় ক্যাটাগরিতে স্থান পায় গৃহপালিত পাখি এবং পোষা পাখি যেমন বিভিন্ন ধরনের কবুতর, হাঁস-মুরগি, তিতির, টার্কি, কোয়েল, টিয়া, ময়না, বাজরিগার, ঘুঘু ইত্যাদি।

বিচারকমণ্ডলীদের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতিটি ক্যাটাগরিতে প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থান অধিকারীদের মধ্যে পুরস্কার দেওয়া হয়। উপজেলার ছোট বড় সকল খামারি থেকে শুরু করে প্রান্তিক কৃষক এবং সৌখিন ব্যক্তিদের পোষা পাখি ও পোষা প্রাণীর জন্য প্রায় ৪০ টির অধিক স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মোঃআব্দুর রেজ্জাক বলেন, ‘সকল মানুষকে পশু পাখি পালনে উদ্বুদ্ধ করার সবচেয়ে কার্যকরী পদ্ধতি হলো পশু পাখি প্রদর্শনী। যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে পশুপাখির প্রতি সহানুভূতি, ভালোবাসা এবং দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে। আমরা সবসময় আপনাদের প্রিয় পোষা প্রাণী ও গবাদি পশু-পাখি সহ সকল ছোট-বড় খামারিদের পাশে ছিলো, আছি এবং থাকবো।’

এলাকার ছোট বড় সকল খামারিরা মনে করেন এই ধরনের আয়োজন পশুপাখি পালনের প্রতি সকল মানুষকে উদ্বুদ্ধ করবে। তাই তারা উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও হাসপাতাল এবং উপজেলা প্রশাসন কে সাধুবাদ জানায় এবং ভবিষ্যতে এরকম আয়োজনের অনুরোধ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৬, ২০২১ ১:২৯ অপরাহ্ন
রংপুরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী উদযাপন
প্রাণিসম্পদ

রংপুর বিভাগের ৮টি জেলার, ৫৪টি উপজেলায়, উপজেলা সদরে “প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন” প্রকল্পের আওতায় “প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী-২০২১” উদযাপিত হয়েছে।

শনিবার(৫মে) এটি উদযাপন করা হয়।

রংপুর বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তর পরিচালক(ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. সিরাজুল হক বলেন, করোনার ক্রান্তি লগ্নে রংপুর বিভাগের উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সমূহ নিরলস পরিশ্রম করে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

তিনি আরো বলেন, আমি রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলা এবং দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী পরিদর্শন করেছি। সার্বিক কার্যক্রম সন্তোষজনক ছিল। এ মহাযজ্ঞ কার্যক্রম সফল ভাবে সমাপ্ত করার জন্য অত্র বিভাগের সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীগণকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৬, ২০২১ ৯:২০ পূর্বাহ্ন
রাজধানীর ২৩ স্থানে হবে কোরবানির হাট
প্রাণিসম্পদ

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীতে পৃথক ২৩টি স্থানে অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় হাট বসবে ১৩টি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় বসবে ১০টি।

জানা যায়, হাটগুলোর ইজারা চূড়ান্ত করার জন্য ইতোমধ্যে পৃথক দরপত্র আহ্বান জানিয়েছে সিটি করপোরেশন।

এই ২৩টি হাটের সঙ্গে ডিএনসিসির গাবতলী ও ডিএসসিসির সারুলিয়া পশুর হাটেও কোরবানির পশু ক্রয়-বিক্রয় হবে। এই হাট দু‘টিতে বছরব্যাপী পশু ক্রয়-বিক্রয় হয়। ঈদের সময় এখানে পশু বেচাকেনা বেশি হয়। কিন্তু করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারিতে পশু হাটে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার বিষয়ে সম্প্রতি দুই সিটির আহ্বান করা দরপত্রে কিছুই উল্লেখ নেই।

ডিএনসিসি ও ডিএসসিসির সংশ্লিষ্টরা জানান, হিজরি জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে আগামী ২১ জুলাই সম্ভাব্য ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। তাই সেভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। তবে, করোনাভাইরাস পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে হাটের সংখ্যা কমে যেতে পারে।

গত বছর দুই সিটি করপোরেশনে ২৪টি হাট বসানোর সিদ্ধান্ত হলেও পরবর্তীতে করোনার জন্য ডিএনসিসিতে দশটির পরিবর্তে ৬টি এবং ডিএসসিসিতে চৌদ্দটির পরিবর্তে ১১টি হাট বসানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop