৭:৫৫ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুন ১৩, ২০২১ ৭:০৪ অপরাহ্ন
শেখ হাসিনার অগ্রযাত্রাকে কোনভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদের অস্তিত্বের উৎসমূল। আমাদের আশা-ভরসার শেষ আশ্রয়স্থল। তিনি মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে ব্যাপক গুরুত্ব দিয়েছেন। তাঁর দূরদর্শী নেতৃত্বে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের অভূতপূর্ব অগ্রযাত্রা সূচিত হয়েছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের ব্যাপ্তি অতীতের যে কোন সময়ের তুলনায় অনেক বেড়েছে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের এ অগ্রযাত্রাকে কোনভাবেই প্রশ্নবিদ্ধ করা যাবে না।”

রবিবার (১৩ জুন) রাজধানীর সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নিজ দপ্তর কক্ষে বঙ্গবন্ধু ভেটেরিনারি পরিষদের নেতৃবৃন্দের সাথে আলাপকালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় সরকার করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের পাশে দাঁড়িয়েছে। প্রথমবারের মতো এবছর মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের খামারিদের নগদ প্রণোদনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া উপকরণ সহায়তা ও প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় স্বল্প সুদে ঋণ প্রদান করা হয়েছে। করোনা সংকটে খামারিদের উৎপাদিত দুধ, ডিম, মাছ, মাংস সংগ্রহ করে ভ্রাম্যমাণ ও অনলাইন পদ্ধতিতে বিক্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এসব কার্যক্রম গ্রহণের ফলে দেশে ও দেশের বাইরে কাজের ব্যাপ্তি ও কার্য সম্পাদন বিবেচনায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। আমরা এ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা করছি। এটি কেউ ব্যাহত করতে চাইলে কঠোর-কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এন্ড এনিমেল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবু সালেহ এম বারী, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, বঙ্গবন্ধু ভেটেরিনারি পরিষদের সভাপতি ডা. মোঃ ইমরান হোসেন খান, সিনিয়র সহসভাপতি ডা. খন্দকার মোঃ হেলাল উদ্দিন, সহসভাপতি ডা. মোঃ আনিসুর রহমান ও মহাসচিব ডা. মোঃ আজিজুল ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৩, ২০২১ ৭:৫৬ পূর্বাহ্ন
গরু চুরির অভিযোগে নির্যাতন, গ্রেপ্তার আরও ১
প্রাণিসম্পদ

গরু চুরির অভিযোগে জয়পুরহাট সদর উপজেলার ধারকী গ্রামের তোতা মিয়া নামে এক যুবককে গায়ে আগুন ও শরীরে সিগারেটের ছ্যাঁকা দেয়ার ঘটনার মামলায় নেজামুল হক (৩৫) নামে আরও একজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাব।

শনিবার সন্ধ্যায় জয়পুরহাট র‍্যাব ক্যাম্পের কমান্ডার ফ্লাইট লে. মারুফ হোসেন খান এ তথ্য জানান। গ্রেপ্তার হওয়া নেজামুল হক ধারকী পাথারপাড়া গ্রামের আকরাম হোসেনের ছেলে।

র‍্যাব কর্মকর্তা মারুফ হোসেন খান জানান, গত ২৫ এপ্রিল ধারকী গ্রামে গরু চুরির অপবাদ এনে তোতা মিয়া নামে এক যুবককে গাছে বেঁধে পায়ে আগুন ও শরীরে সিগারেটের ছ্যাঁকা দিয়ে নির্যাতন চালায় কয়েকজন। একপর্যায়ে তোতা মিয়া জ্ঞান হারালে তাকে জয়পুরহাট আধুনিক জেলা হাসপাতালে জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে যায় তারা।

এ ঘটনায় জয়পুরহাট সদর থানায় ৬ জনের নামে একটি মামলা দায়ের হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে ঘটনার মূলহোতা ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে।

পরে শনিবার দুপুরে এ মামলার আরেক পলাতক আসামি নেজামুল হককে ধারকী কাজীরহাট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে র‍্যাব। পরে তাকে পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১২, ২০২১ ১১:৫১ অপরাহ্ন
করোনা আমাদের জন্য ‘অপরচুনিটি’ হয়ে এসেছে
প্রাণিসম্পদ

প্রতিটি চ্যালেঞ্জই একেকটি ‘অপরচুনিটি’। করোনা চ্যালেঞ্জও আমাদের জন্য ‘অপরচুনিটি’ হয়ে এসেছে। করোনাকালে মন্ত্রণালয় বিভিন্ন উদ্যোগের মাধ্যমে দেশের মানুষের জন্য ভূমিকা রেখেছে। মানুষ কখনো ভাবেনি যে সরকারি কর্মকর্তারা ঘুরে ঘুরে দুধ-ডিম-মাংস বিক্রি করবে। করোনা আমাদের সেই সুযোগ করে দিয়েছে। এতে করে সাধারণ মানুষের কাছে আমাদের গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে, তাদের সাথে আমাদের সম্পৃক্ততা বেড়েছে, আত্মিক সম্পর্ক স্থাপিত হয়েছে। সরকারি কর্মকর্তাদের দায়িত্ব হচ্ছে সম্পদে সবার ‘একসেস’ তৈরি করে দেওয়া।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব জনাব রওনক মাহমুদ অদ্য ১২/০৬/২০২১ খ্রিঃ তারিখে প্রধান অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)-তে “প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্থপনা” শীর্ষক ১২ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মসূচি এবং “পিপিআর ও ক্ষুরারোগের মলিকুলার ডায়াগনোসিস (পিসিআর)” শীর্ষক ১৪ দিনব্যাপী উচ্চতর প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন ঘোষণাকালে এ কথা বলেন।

 

এসময় তিনি আরও বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতে কাজ করার মত প্রচুর স্থান রয়েছে। গবেষণার মাধ্যমে জাত উন্নয়ন, জাত সংরক্ষণ, জাত বিশুদ্ধকরণ, অধিক উৎপাদনশীল জাত তৈরি, নিরাপদ প্রাণিজ আমিষের জাত তৈরি প্রভৃতি প্রযুক্তি উদ্ভাবন করতে হবে। একদিকে যেমন উৎপাদনের পরিমাণ বাড়াতে হবে, অন্যদিকে তেমনই পুষ্টিগত গুণ-মানও বৃদ্ধি করতে হবে। একই সাথে তিনি বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মধ্যে সমন্বয়ের মাধ্যমে গবেষণা লব্ধ জাতসমূহ খামারি পর্যায়ে পৌঁছে দেওয়ার জন্য উভয় সংগঠনকে দিক-নির্দেশনা প্রদান করেন এবং মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সাথে মতবিনিময়ের মাধ্যমে বিদ্যমান সমস্যসমূহ চিহ্নিত করে তা দূরীকরণের নির্দেশ দেন।

 

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (প্রাণিসম্পদ-২) শাহ্ মোঃ ইমদাদুল হক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমান। অনু্ষ্ঠানটির সভাপতি হিসেবে ছিলেন বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)-এর মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রতিনিধিবৃন্দ এবং বিএলআরআই-এর উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ। স্বাগত বক্তব্য রাখেন পোল্ট্রি গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মোঃ সাজেদুল করিম সরকার এবং পিপিআর রোগ নির্মূল এবং ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ডাঃ মোহাম্মদ ফজলে রাব্বী মন্ডল।

সভাপতি ও বিএলআরআই’র মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল তাঁর বক্তব্যে সচিব মহোদয় ও অন্যান্য অতিথিবৃন্দের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, রমজানে প্রয়োজনীয় দ্রব্যসমূহের মূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং বড় পরিসরে দুগ্ধ সপ্তাহ আয়োজনের মত কাজ মন্ত্রণালয়ের ভাবমূর্তি বৃদ্ধি করেছে। দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নের জন্য প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও বিএলআরআইকে সহযোগিতামূলক মনোভাব নিয়ে যৌথভাবে কাজ করতে হবে। এক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়কেই প্রধান সমন্বয়কারী ও দিক-নির্দেশকের ভূমিকা পালন করতে হবে।

 

বিএলআরআইতে কর্মরত বিজ্ঞানীবৃন্দের প্রশাসনিক দক্ষতা বৃদ্ধিকল্পে এবং অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনার নানা দিক সম্পর্কে ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা অর্জনের লক্ষ্যে “প্রশাসনিক ও আর্থিক ব্যবস্থপনা” শীর্ষক প্রশিক্ষণটি পরিচালিত হচ্ছে। প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন বিএলআরআই-এর ২০ জন উর্দ্ধতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করছেন। বিএলআরআই কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন পোল্ট্রি গবেষণা ও উন্নয়ন জোরদারকরণ প্রকল্পের আয়োজনে এই প্রশিক্ষণটি পরিচালিত হচ্ছে।

 

অন্যদিকে পিপিআর রোগ নির্মূল এবং ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পের আয়োজনে বিএলআরআইতে “পিপিআর ও ক্ষুরারোগের মলিকুলার ডায়াগনোসিস (পিসিআর)” শীর্ষক প্রশিক্ষণটি পরিচালিত হচ্ছে। আবাসিক এই প্রশিক্ষণটিতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের বিভিন্ন স্তরের ১০ জন বিজ্ঞানী অংশগ্রহণ করছেন যারা পরীক্ষাগারে অনুশীলনের মাধ্যমে হাতে কলমে পিপিআর ও ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণের কলাকৌশল আয়ত্ব করবেন। বাংলাদেশ সরকারের ঘোষিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ২০২৬ সালের মধ্যে দেশ থেকে পিপিআর রোগ নির্মূল এবং ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে পিপিআর রোগ নির্মূল এবং ক্ষুরারোগ নিয়ন্ত্রণ প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১২, ২০২১ ১১:৪৩ অপরাহ্ন
মাংস আমদানি নয় রপ্তানীর পরিকল্পনা করছে সরকার
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, এবারের বাজেটে দেশের বাহির থেকে আর মাংস না আনার প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়েছে। পরিকল্পনা রয়েছে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে মাংস রপ্তানী করার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অঙ্গীকার এ দেশের একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না। তিনি বলেন, নদী ভাঙনের শিকার হয়ে যারা গৃহহারা হয়েছেন বর্তমান সরকার অগ্রাধিকার ভিত্তিতে সে সব পরিবারকে পুনর্বাসন করছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হাজার হাজার ভ‚মিহীন ও দরিদ্র পরিবারকে ঘর উপহার দিচ্ছেন।

শনিবার সকালে উপজেলা প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী উপলক্ষে আয়োজিত সভায় এবং দুপুরে স্বরূপকাঠির ইন্দুরহাট সংলগ্ন সন্ধ্যা নদীর ভাঙন রোধে বালু ভর্তি জিও ব্যাগ ফেলানো কাজের উদ্বোধন উপলক্ষে এক সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভায় মন্ত্রী শিক্ষিত বেকার যুবকদের চাকুরীর পিছনে না ঘুরে উদ্যোক্তা হওয়ার পরামর্শ দেন। এক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহায়তার আশ্বাস দেন।

এসময় মন্ত্রী আরও বলেন, বৈশ্বিক মহামারির মধ্যেও অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার লাখ লাখ দরিদ্র মানুষকে ত্রাণ সহায়তা দিয়ে যাচ্ছে। তিনি বলেন, নদী ভাঙনের কারণে মানুষ জমিজমা হারাচ্ছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সজাগ দৃষ্টি রয়েছে বলেই নদী ভাঙন মোকাবেলায় প্রতি বছর শত শত কোটি টাকা ব্যয় করছেন।

সরকারি স্বরূপকাঠি পাইলট মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের মাঠে অনুষ্ঠিত প্রদর্শনী মেলা উপলক্ষে সভায় সভাপতিত্ব করেন ইউএনও মো. মোশারেফ হোসেন বক্তব্য রাখেন বরিশাল বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরিচালক দীপক রঞ্জন, উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল হক, পৌর মেয়র গোলাম কবির, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তাপশ ঘোষ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম ফুয়াদ ও উপজেলা পোল্ট্রি খামার মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিন প্রমুখ। দুপুরে কৌরিখাড়ায় সুধি সমাবেশে পানি উন্নয়ন বোর্ডের পিরোজপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহবুবে মাওলা মো. মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মো. শাহ আলম, পানি উন্নয়ন বোর্ডের বরিশালের তত্তাবধায়ক প্রকৌশলী মো. শফি উদ্দিন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল হক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. মোশারেফ হোসেনে, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আব্দুল হামিদ প্রমুখ।

পরে মন্ত্রী বিকেলে মন্ত্রী উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে মুজিব বর্ষ ব্যাডমিন্টন টুর্নামেন্টের পুরস্কার বিতরণ ও জেলেদের মাঝে গবাদী পশু বিতরণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১২, ২০২১ ১১:৪২ পূর্বাহ্ন
ময়মনসিংহ ভেটেরিনারি স্টুডেন্ট’স এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠিত
প্রাণিসম্পদ

ময়মনসিংহ ভেটেরিনারি স্টুডেন্ট’স এসোসিয়েশনের (MVSA) নতুন কমিটি গঠিত হয়েছে।  এতে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম বর্ষের শিক্ষার্থী মোঃআদনান আহমেদ কে সভাপতি এবং বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫ম বর্ষের শিক্ষার্থী মোঃমোস্তাফিজুর রহমান রিদয় কে সাধারণ সম্পাদক  করে আগামী  এক (১) বছরের জন্য প্রতিষ্ঠাতাকালীন কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে। গত ৮ জুন যাত্রা শুরু করে ময়মনসিংহ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশন (MVSA)।

ময়মনসিংহের সকল প্রত্যন্ত উপজেলার দরিদ্র মানুষের পাশে দাড়ানো এবং ভেটেরিনারি পেশার সকলকে এক ছাদের নিচে একত্রিত কারাই এই সংগঠন মূল লক্ষ্য।সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানান ভেটরত্ন বিভিএ মহাসচিব ডাঃহাবিবুর রহমান মোল্লা , বাংলাদেশ ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস’ ফেডারেশন এর সম্মানিত সভাপতি ইমতিয়াজ আবির এবং সাধারণ সম্পাদক ডাঃরতন রহমানকে।  জাতির পিতার আদর্শ বুকে নিয়ে পেশার স্বার্থে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গিকার করেন

 

কমিটির অন্যান্য সদস্যবৃন্দরা হলেন-

সহ-সভাপতিঃ
আবু জাফর আবরারুল হক সাদী (বাকৃবি), তৌফিক আহমেদ (শেকৃবি), শাকিল আহমেদ (বশেমুরকৃবি), জি এম কিবরিয়া পিয়াস (শেকৃবি), আশরাফুল কায়সার (পবিপ্রবি), আশরাফুল আলম (বাকৃবি), জুনাইদ ইসলাম (সিকৃবি), মোঃ আশিক মন্ডল (গবি), রাফসান জানি রাহাত (বাকৃবি)।

যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদকঃ
ইফফাতুল জান্নাত (গবি), নকিবুল হাসান নিশাদ (বশেমুরকৃবি), মোঃ আরজু আহমেদ (শেকৃবি), সাদিয়া আফরিন তনয়া (ঝিসভেক), চন্দন বর্মণ (সিকৃবি), মোঃ জহিরুল ইসলাম (সিভাসু), মনির হোসেন (সিকৃবি), আনসারুল হক মামুন (বাকৃবি), জাহিদ হাসান (গবি), সুমাইয়া বিনতে হেলাল (বাকৃবি)।

সাংগঠনিক সম্পাদকঃ
তানভীর সাইদ নোবেল (বশেমুরকৃবি), মাহাদী হাসান (সিকৃবি), সানজিদা হায়দার (বাকৃবি), রিদওয়ানুল ইসলাম (পবিপ্রবি), নেজামুল হক (শেকৃবি), মুনিয়া আজম মাইশা (গবি), দুর্জয় সিংহ (শেকৃবি), মার্জিয়া রহমান প্রিয়া (ঝিসভেক), ইয়াহিয়া খান শাকিল (বশেমুরবিপ্রবি)।

কোষাধ্যক্ষঃ তানজিলা মোবাশ্বারা স্বর্ণালী (বাকৃবি),
দপ্তর সম্পাদকঃ নাইমোর রহমান ধ্রুব (গবি)
উপ-দপ্তর সম্পাদকঃ সানজিদা আরেফিন কথা (সিকৃবি), এ কে এম নাসরুল্লাহ (শেকৃবি)।
প্রচার সম্পাদকঃ তানজিমুল ইসলাম (সিকৃবি)।
উপ-প্রচার সম্পাদকঃ সাইফ আল হোসাইন প্রিতম (বাকৃবি), হাসনাত তালুকদার স্নিগ্ধ (বশেমুরকৃবি)।
ক্রীড়া সম্পাদকঃ মোঃসাইদুল ইসলাম মুন্না(শেকৃবি)।
উপ-ক্রীড়া সম্পাদকঃ রুহুল আমিন (পবিপ্রবি)
সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদকঃ  এ কে এম লুৎফুল হক পল্লব (বাকৃবি), উপ-সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সম্পাদকঃ আবু সফিয়ান (সিকৃবি),সাদিয়া আফরিন (শেকৃবি), সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ মুবাশ্বিরা নাজিয়াহ্ মেধা (বশেমুরবিপ্রবি), উপ-সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ রেদোয়ান হাসান (ঝিসভেক), শাখী রেজুয়ানা ঐশী (শেকৃবি), আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকঃ মাকসুদা আক্তার (শেকৃবি), উপ আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদকঃনূরতাজ লাবণ্য (বশেমুরকৃবি), সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদকঃ মোঃ নুরুজ্জামান (শেকৃবি), উপ সাহিত্য বিষয়ক সম্পাদকঃ সুপ্রিয়া রায় (সিকৃবি), নিশাত লুবনা (বশেমুরবিপ্রবি), তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদকঃ সুমন ইসলাম শাকিল (রাবি), উপ-তথ্য ও যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদকঃ আবু তৈয়ব সাকিব(হাবিপ্রবি),

আইন বিষয়ক সম্পাদকঃ মোহাইমিন ছাব্বির (পবিপ্রবি), উপ-আইন বিষয়ক সম্পাদকঃ মোজাহিদুল ইসলাম তুষার (শেকৃবি), গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদকঃ মোঃ শাহরিয়ার ইসলাম (হাবিপ্রবি), উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদকঃ শাহরিয়ার ইসলাম স্বপ্নীল (শেকৃবি), ফৌজিয়া রহমান অতসী (ঝিসভেক), ত্রান ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদকঃ আরিফ বিল্লাহ সৌরভ (গবি), উপ-ত্রান ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদকঃ নাইম হাবিব (হাবিপ্রবি)।

ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদকঃ রুমানা রশিদ মিম (বশেমুরবিপ্রবি), উপ-ছাত্রী বিষয়ক সম্পাদকঃ
সোমাইয়া নাওশীন (গবি), ফাতিহা রাহনুম তাহিয়া(বাকৃবি), আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদকঃ
তিথী সূত্রধর (হাবিপ্রবি), উপ-আপ্যায়ন বিষয়ক সম্পাদকঃ আমিনুল ইসলাম (বশেমুরবিপ্রবি)।
সহ-সম্পাদকঃ মার্জিয়া স্বর্নালি(বশেমুরবিপ্রবি), অমিয় ভূষণ দাস(বশেমুরকৃবি), সোহানুর রহমান সবুজ (শেকৃবি), মোঃ ইমরুল হাসান (সিভাসু), হাবিবুর রহমান (হাবিপ্রবি), তানজিন হাসান (সিসভেক), সানায়েত আহমেদ (সিসভেক)।

কার্যকরী সদস্যঃ সামিউল ইসলাম আকাশ (শেকৃবি),  আশফাক জিম(বাকৃবি), আব্দুল্লাহ আল মামুন (সিভাসু), মাহমুদুল হাসান (বাকৃবি), মেহেদী হাসান আকাশ(বাকৃবি), সফিউর মক্তাদির সোহান(পবিপ্রবি), আসাদুজ্জামান নূর (বাকৃবি),
সাইদ সিয়াম(বাকৃবি), আব্দুল্লাহ আল শফিক রিয়াজ(বাকৃবি), রুবায়াত তাবাসসুম মিম(শেকৃবি)।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১১, ২০২১ ৯:২০ অপরাহ্ন
বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের শ্রদ্ধা
প্রাণিসম্পদ

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিসৌধে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা: শেখ আজিজুর রহমান শ্রদ্ধা জানিয়েছেন।

শুক্রবার সকালে বঙ্গবন্ধুর সমাধি সৌধ বেদীতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানান তিনি।

পরে বঙ্গবন্ধু ও ১৫ আগষ্ট নিহত পরিবারের শহীদ সদস্যদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। তিনি বঙ্গবন্ধু ভবনে রক্ষিত মন্তব্য বইতে মন্তব্য লিখে স্বাক্ষর করনে এবং বঙ্গবন্ধু সমাধিসৌধ কমপ্লক্স ঘুরে দেখেন।

এ সময় মহা পরিচালকের পরিবারের সদস্যবৃন্দ, সংশ্লিষ্ট অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও স্থাণীয় কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১১, ২০২১ ২:২৯ অপরাহ্ন
হরিণের মাংস ও ফাঁদসহ বাবা-ছেলে আটক
প্রাণিসম্পদ

সুন্দরবন থেকে হরিণের মাংস ও ফাঁদসহ হানিফ মিস্ত্রি (৪৮) ও তার ছেলে মাসুম মিস্ত্রিকে (২৮) আটক করেছে বন বিভাগ। এসময় ১২ কেজি হরিণের মাংস, ৩০০ ফুট ফাঁদ, একটি নৌকা, একটি ট্রলার জব্দ করা হয়।

বৃহস্পতিবার (০৯ জুন) সকালে সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের শরণখোলা রেঞ্জের ডুমুরিয়া এলাকা থেকে তাদের আটক করা হয়। আটকদের বাড়ি পিরোজপুর জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলার খেতাছেড়া গ্রামে।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মোহাম্মাদ বেলায়েত হোসেন জানান, ডুমুরিয়া এলাকায় নিয়মিত টহলের সময়ে একটি ট্রলার ও একটি নৌকাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়। তখন ট্রলার ও নৌকা বনের পাশে রেখে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে শিকারিরা। এসময় বনরক্ষীরা হানিফ মিস্ত্রি ও তার ছেলে মাসুম মিস্ত্রিকে আটক করে। তাদের সঙ্গে থাকা অন্য তিনজন পালিয়ে যায়। আটক এবং পালাতকদের বিরুদ্ধে বন আইনে মামলা দায়েরের পর এদিন বিকেলে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

পূর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের এসিএফ জয়নাল আবেদীন জানান, হরিণের মাংস পাচারের গোপন সংবাদ পেয়ে বগী স্টেশসন কর্মকর্তা সাদিক মাহামুদ ও ডুমুরিয়া টহল ফাঁড়ির ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমানের নেতৃত্বে বনরক্ষীদের তিনটি দল ভোরে বলেশ্বর নদে অবস্থায় নেয়।

সকাল ৬টার দিকে একটি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার সুন্দরবন থেকে বের হলে ট্রলারটি থামিয়ে তল্লাশি করে বনরক্ষীরা। ওই ট্রলার থেকে হরিণের মাংস, শিকারের সরঞ্জাম, বিভিন্ন মালামাল উদ্ধার ও শিকারি দলের দুই সদস্যকে আটক করা হয়। এ সময় বনের মধ্যে একটি ডিঙি নৌকায় থাকায় অন্য শিকারিরা পালিয়ে যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১০, ২০২১ ৯:৪৭ অপরাহ্ন
কৃত্রিমভাবে শামুক ও ঝিনুকের চাষাবাদ শুরু হয়েছে
প্রাণিসম্পদ

দেশীয় প্রজাতির মাছ, শামুক ও ঝিনুক সংরক্ষণের গুরুত্ব আরোপ করে মৎস্য ও প্রণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেন, বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় প্রজাতির মাছ, শামুক ও ঝিনুকের প্রজনণ বৃদ্ধি করে এবং কৃত্রিমভাবে চাষাবাদের ব্যবস্থা করতে হবে। আর এ বিষয়ে মৎস্য অধিদপ্তর ব্যাপক গবেষণা করে ইতিমধ্যে বিলুপ্ত হয়ে যাওয়া দেশীয় প্রজাতির মাছের রেনু ও পোনা তৈরী করছে। যা দেশের খাল-বিল, নদী, হাওর-বাওর ও জলাশয়ে ছড়িয়ে দেয়া হবে। এছাড়া কৃত্রিমভাবে শামুক ও ঝিনুকের চাষাবাদও শুরু হয়েছে।

বৃহস্পতিবার পিরোজপুর জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত অবহিতকরণ সভায় পিরোজপুর জেলা মৎস্য দপ্তর ও মৎস্য অধিদপ্তরের দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প, গোপালগঞ্জ এর আয়োজনে অনুষ্ঠিত সভায় সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক আবু আলী মো. সাজ্জাদ হোসেন।

সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগীয় উপ-পরিচালক আনিছুর রহমান তালুকদার এবং প্রকল্প বিষয়ে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক এস এম আশিকুর রহমান। অবহিতকরণ সভায়, জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, মৎস্য কর্মকর্তা, সরকারী কর্মকর্তা, মৎস্য খামারী ও মৎস্য চাষী, জেলেসহ বিভিন্ন পেশার নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১০, ২০২১ ৯:২৯ অপরাহ্ন
বকশীগঞ্জে ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্পেইন
প্রাণিসম্পদ

“জামালপুর ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশন” এর উদ্যোগে বিনামূল্যে গবাদী পশু-পাখির চিকিৎসা, টিকাদান ও ঔষধ প্রদান” কর্মসূচী অনুষ্ঠিত হয়েছে।

১০ই জুন ,বৃহস্পতিবার বকশীগঞ্জ উপজেলার বগারচর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে এই ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হয়। উক্ত ক্যাম্পেইনে ভাপতিত্ব করেন বগারচর ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আব্দুল মাজেদ। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন  মুনমুন জাহান লিজা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, বকশীগঞ্জ, জামালপুর।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডা. বিপ্লব কুমার পাল, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, বকশীগঞ্জ ও  মোহাম্মদ ডা. শিহাব উদ্দিন, ভেটেরিনারি সার্জন, উপজেলা উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল, বকশীগঞ্জ। আরো উপস্থিত ছিলেন “জামালপুর ভেটেরিনারি স্টুডেন্টস’ এসোসিয়েশন” এর সভাপতি  সাদ মুহাম্মদ রাফি উশ শান এবং সাধারণ সম্পাদক  খন্দকার নাসিম জাহান সহ জামালপুর জেলার বিভিন্ন উপজেলার ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীবৃন্দ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে  মুনমুন জাহান লিজা এমন উদ্যোগকে মহতী উদ্যোগ হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং এমন সামাজিক কাজের জন্য ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। এছাড়াও সকল সেবামূলক কাজে উপজেলা প্রশাসন সবসময় পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে  ডা. বিপ্লব কুমার পাল বলেন, সকল খামারীকে যে কোন প্রয়োজনে ভেটেরিনারি হাসপাতাল যথাসাধ্য সহায়তা করবে। এছাড়াও তিনি এমন উদোগকে স্বাগত জানিয়েছেন এবং সবসময় পাশে থাকবেন বলে সম্মতি দিয়েছেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে বিনামূল্যে প্রায় ৫০০ গবাদী পশুকে এনথ্রাক্স (তড়কা) রোগের টিকা প্রদান, অসুস্থ পশুকে-পাখিকে চিকিৎসা প্রদান এবং বিনামূল্যে ঔষধ বিতরণ করা হয়। চিকিৎসা প্রদান করেন উপজেলা ভেটেরিনারি হাসপাতালের ভেটেরিনারি সার্জন “মোহাম্মদ ডা. শিহাব উদ্দিন”। উক্ত অনুষ্ঠানের সঞ্চালনায় ছিলেন মোঃ মোশারফ হোসেন এবং পৃষ্ঠপোষকতায় ছিলেন, “ফার্মা & ফার্ম লি.”, “রেনাটা লি.”, “একমি ল্যাবরেটরিজ লি.”, “এসকে+এফ লি.”, “টেকনো ড্রাগস লি.”, “কেমিস্ট লি.”, ” ভাই ভাই ভেটেরিনারি ড্রাগ হাউজ”। ক্যাম্পেইনটির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন, বকশীগঞ্জ উপজেলার ভেটেরিনারি শিক্ষার্থীবৃন্দ। এছাড়াও স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে সহযোগিতা করেছে অদম্য তরুণ সংঘের একদল তরুণ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১০, ২০২১ ৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
হোসেনপুরে চুরি হওয়া ৫টি গরু উদ্ধার
প্রাণিসম্পদ

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলায় চুরি হওয়া ৫টি গরু উদ্ধার করেছে পুলিশ।

সোমবার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত উপজেলার শাহেদল ইউনিয়নের রহিমপুর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ৫টি গরু উদ্ধারসহ উপজেলার শাহেদল ইউনিয়নের গকুলনগর এলাকার মৃত হোসেন আলীর ছেলে আবুল কাসেম (৪৬) ও আবুল কাসেমের স্ত্রী জরিনা (৩৮)কে গ্রেফতার করা হয়।

পুলিশ জানায়, উপজেলার শাহেদল ইউনিয়নের রহিমপুর এলাকায় চুরি হওয়া গরু রাখা হয়েছে, এমন গোপন সংবাদ পায় পুলিশ।
পরে সোমবার সন্ধ্যা থেকে মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত ওই এলাকায় অভিযান চালায় পুলিশ। অভিযানে পুলিশ চুরি হওয়া ৫টি গরু উদ্ধার করে।এ সময় এই ঘটনায় জড়িত গরু চোর চক্রের দুই সদস্য আবুল কাসেম ও জরিনাকে গ্রেফতার করা হয়।

হোসেনপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শেখ মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়েছে। অত্র থানা এলাকাসহ আশেপাশের এলাকার কারো গরু হারিয়ে থাকলে থানায় এসে দেখে যেতে পারেন

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop