৪:৫৯ অপরাহ্ন

শনিবার, ৮ অগাস্ট , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মে ২, ২০২১ ২:৪০ অপরাহ্ন
ক্ষেত থেকে গরু তাড়ানোয় কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন
পাঁচমিশালি

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে গরুকে ক্ষেত থেকে বের করে দেয়ায় এক কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ করেছে কিশোরের মা।

শনিবার রাত ১১টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ থানায় এ অভিযোগ করা হয়। ওইদিন বিকেলে উপজেলার চর এলাহী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের চরকলমি গ্রামের সাহাদাত নগরের খালপাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী কিশোর আইয়ুব খান উপজেলার ৮ নম্বর চর এলাহী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের চরকলমি এলাকার জাবেদ হোসেনের ছেলে।

কিশোরের মামা ইউছুফ মিয়া জানান, তার ভাগিনা আইয়ুব দরিদ্র পরিবারের সন্তান। তারা খুব কষ্ট করে চরকলমি গ্রামে পাঁচ বিঘা জমিতে ইরি বোরো ধান বর্গা চাষ করে। শনিবার দুপুরের দিকে স্থানীয় জাহাঙ্গীরের ১৪টি গরু তাদের ধানি জমিতে ঢুকে ধান খেয়ে ফেলে।

এটা দেখে আইয়ুব গরুগুলোকে লাঠি দিয়ে কয়েকটি আঘাত করে ধান ক্ষেত থেকে তাড়িয়ে দেয়। এ ঘটনা দেখে গরুর মালিক জাহাঙ্গীর ক্ষিপ্ত হন।

গরু মারধরের অভিযোগে বিকেলে জাহাঙ্গীর, তার ছেলে মাসুদ, ভাড়াটে সন্ত্রাসী সাইফুলসহ আইয়ুবদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে আইযুব ও তার মাকে বেধড়ক মারধর করে।

ইউছুফ আরও জানান, একপর্যায়ে হামলাকারীরা আইয়ুবের মাকে মারধর করে ঘরে ঢুকিয়ে দেয়। ওই সময় আইয়ুবকে তাদের বাড়ি থেকে জোরপূর্বক উঠিয়ে নিয়ে জাহাঙ্গীরের বাড়ির একটি কড়ইগাছের সঙ্গে দুই হাত বেঁধে ঘণ্টাব্যাপী নির্যাতন চালায়। খবর পেয়ে ভুট্টু নামের এক স্থানীয় দোকানদার তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

চর এলাহী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরের পরিবার আমার কাছে এসেছে। বিষয়টি অমানবিক। আমি তাদের আইনের আশ্রয় নিতে বলেছি।’

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি জানান, কিশোরের গায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বর্তমানে সে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় তার পরিবার লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১, ২০২১ ৬:১০ অপরাহ্ন
ছাগলের ধানের চারা খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ১
প্রাণিসম্পদ

ধানের চারা ছাগলে খাওয়া নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় সুফিয়ান আহমদ (১৯) নামে এক তরুণ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। নাসির আহমদ নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নিহত সুফিয়ান আহমদ সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার চারিকাটা ইউনিয়নের সরুখেল পূর্ব গ্রামের সিদ্দেক মিয়ার ছেলে।

এ ঘটনায় গতকাল বিকেলে নিহত সুফিয়ানের বড় ভাই বাহার উদ্দিন ছয়জনের নাম উল্লেখ করে জৈন্তাপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার সরুখেল পূর্ব গ্রামের সিদ্দেক মিয়ার একটি ছাগল প্রতিবেশী হারিছ আহমদ ও নাছির মিয়ার ধানের বীজতলার চারা খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে দুই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাঁরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

এতে সিদ্দেক মিয়ার ছেলে সুফিয়ান আহমদ গুরুতর আহত হন। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। গতকাল ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সুফিয়ান।

সিলেটের জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর আহমদ বলেন, হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নাসির আহমদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার তাঁকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১, ২০২১ ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
​শ্রীপুরে এক ব্যবসায়ীর ৪ গরু চুরি!
প্রাণিসম্পদ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়নের সোনাকর গ্রামের ইকবাল হোসেন নামে এক গরু ব্যবসায়ীর চারটি গরু চুরি হয়ছে। যার বাজার মূল্য আনুমানিক সাড়ে তিন লাখ টাকা বলে দাবি করেন ক্ষতিগ্রস্ত ইকবাল হোসেন।

শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) গভীর রাতে ওই কৃষকের গোয়াল ঘর থেকে এ গরু গুলো চুরি হয়। গরুর মালি ইকবাল হোসেন ওই গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে। কৃষি কাজের সাথে গরুর ব্যবসাও করেন তিনি।

ইকবাল হোসেন জানান, প্রতিদিনের মতোই গোয়াল ঘরে গরু রেখে তালা লাগিয়ে দিয়ে গত রাত সাড়ে বারোটার দিকে ঘুমাতে যান তিনি। সেহরির সময় উঠে দেখেন গোয়াল ঘরের তালা কাটা৷ পরে ভেতরে গিয়ে দেখতে পান গরু গুলো নেই। ধারণা করা হচ্ছে , গভীর রাতে তালা কেটে গরুগুলো নিয়ে গেছে অজ্ঞাত চোরেরা। পরে রাতেই থানা পুলিশকে অবগত করেন ।

তিনি আরও বলেন, চুরি হওয়া গরুর মধ্য একটি লাল রঙের ষাঁড়, একটি সাদা রঙের গাভী ও দুটি বকনা। যেগুলোর বাজার মূল্য আনুমানিক সাড়ে তিন লাখ টাকা।

শ্রীপুর থানার কর্তব্যরত অফিসার এসআই রিপন মিয়া জানান, গরু চুরির ঘটনায় এখনো থানায় কেউ খবর দেননি। অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৩০, ২০২১ ১১:৫৬ অপরাহ্ন
মিশ্র খামারে আগুন লেগে ১৫ লাখ টাকার গবাদি পশু পুড়ে ছাই
প্রাণিসম্পদ

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে একটি মিশ্র খামারে আগুন লেগে খামার সহ বিভিন্ন ধরনের পশু আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছে। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে দাবি করেন ক্ষতিগ্রস্ত রেজাউল আলী।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে বাগুলাট ইউনিয়নের দুধকুমড়া গ্রামে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী জানান, রাত সাড়ে ১২ টার দিকে চারদিকে আলোকিত দেখে তারা ছুটে এসে দেখেন রেজাউল আলীর মিশ্র খামারে আগুন। তারা আগুন নিভানোর চেস্টা করাকালীন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সংবাদ দিলে তারা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় আগুনে কৃষকের খামারসহ ৫টি গরু ১৫ টি ছাগল ও প্রায় ২ শতাধিক হাঁস মুরগী পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মৃত আক্কাস শেখের ছেলে রেজাউল আলী জানান, তিনি তার মিশ্র খামারে গরু, ছাগল ও হাঁসমুরগি রাখতেন। হটাৎ করেই আগুনে পুড়ে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তিনি সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছেন।তিনি আরো জানান বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৩০, ২০২১ ২:০৮ অপরাহ্ন
কলাপাড়ায় গরুর ঘাস খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১১
প্রাণিসম্পদ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গরুর ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে এলে গুরুতর আহত ৫ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

গত বুধবার রাতে উপজেলার লতাচাপলী ইউপির লক্ষীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করে লতাচাপলী ইউপি চেয়ারম্যান আনছার উদ্দিন মোল্লা।

আনছার উদ্দিন মোল্লা জানান, ‘অনেক মারামারি হয়েছে কয়েকজনের মাথা ফাটছে। আমি তাদেরকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছি।’

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাহাঙ্গীর হাওলাদারের জমির বিক্রি করা ঘাস জোড় করে গরু দিয়ে খাইয়ে নেয় মহাসীন হাওলাদার। এর প্রতিবাদ করলে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে জাহাঙ্গীরসহ তার স্বজনদের রক্তাক্ত জখম করে। পরে সংঘর্ষে জড়িয়ে উভয়পক্ষে লোকজন আহত হয়।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকার্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৯, ২০২১ ১১:৫২ অপরাহ্ন
নন্দীগ্রামে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে ক্রসব্রিড বকনা বকনা গরু বিতরণ
প্রাণিসম্পদ

বগুড়ার নন্দীগ্রামে সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে ক্রসব্রিড বকনা গরু, গো-খাদ্য ও গোয়াল ঘরের উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) দুপুর ১২ টায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর চত্বরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিফা নুসরাতের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ।

এ অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে ২৪টি ক্রসব্রিড বকনা গরু, এক মাসের গো-খাদ্য ও একটি গোয়াল ঘরের জন্য উপকরণ বিতরণ করা হয়। উপকারভোগী প্রদীপ কুমার জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার আমাদের যা দিচ্ছে তা অন্যকোনো সরকার কখনোই দেয়নি। এজন্য আমরা খুশি। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু তাহের।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা অরুনাংশু মন্ডল। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শ্রাবণী আকতার বানু ও উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৯, ২০২১ ৫:৪৭ অপরাহ্ন
ধুনটে গরু পেল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১১ পরিবার
প্রাণিসম্পদ

প্রাণিসম্পদ দপ্তরের আয়োজনে বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আর্থ সামাজিক ও জীবন মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১১টি উন্নত জাতের ক্রসব্রিড গাভী বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) দুপুর পোনে ১২টার দিকে ধুনট পৌরসভা কার্যালয় প্রাঙ্গণে ১১টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবারের সদস্যদের হাতে এসব গাভী তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবর রহমান।

ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় কুমার মহন্তের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ধুনট পৌরসভার মেয়র এজিএম বাদশাহ্, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কমকর্তা ডা. সাইফুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মশিদুল হক, ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা, ধুনট উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম সোবহান, শফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম খান, ধুনট পৌরসভার সচিব শাহীনূর ইসলাম, পৌর কাউন্সিলর বাবুল আকতার বাবু, রনজু মল্লিক, আলী আজগর মান্নান, রফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাকারিয়া খন্দকার প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৯, ২০২১ ২:৩৯ অপরাহ্ন
সাতক্ষীরায় পারিবারিক বিরোধে বিষ প্রয়োগে ৫ ছাগল হত্যা
প্রাণিসম্পদ

পারিবারিক বিরোধের জেরে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ৫টি ছাগলকে খাদ্যের সাথে বিষ মিশিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। যার মূল্য প্রায় ৭০ হাজার টাকা।

বুধবার (২৮ এপ্রিল) সকালে ছাগলগুলো বাবুরাম সরদারের ক্ষেতে ঘাস খেতে গেলে বাবুরাম ছাগলগুলোকে খাদ্যের সাথে বিষ মিশিয়ে খাওয়ায়। এরপর একটি ছাগল ক্ষেতের মধ্যে ও বাকিগুলো বাইরে এসে মারা যায় বরে জানা যায়।

শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী এলাকার আব্দুল হালিম জানান, পোড়া কাটলা গ্রামের নুর ইসলাম ও আবিয়ার রহমানের সাথে পূর্বদুর্গাবাটি গ্রামের বাবুরাম সরদারের পারিবারিক বিরোধ চলে আসছে। সেই বিরোধের জের ধরে বাবুরাম সরদার বিষ প্রয়োগ করে ৫টি ছাগল হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেন নুর ইসলাম ও আবিয়ার রহমান।

বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মিমাংসার জন্য সাবেক ইউপি সদস্য মৃনাল কুমার চেষ্টা করছেন বলে জানান। ছাগলগুলোর মূল্য ৭০ হাজার টাকা।

এলাকাবাসী আরও জানান, এর আগে শিক্ষক বাবুরাম সরদার ও তার ভাই বিপ্লব আরেক প্রতিবেশির ছাগল তাদের ক্ষেতে গেলে নোনা পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেছিল। সম্প্রতি একই গ্রামের ইসমাইল গাজী ও নুর হোসেনের ৩টি ছাগল পানিতে চুবিয়ে মেরেছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

এব্যাপারে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল হুদা জানান, এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেনি। তবে অভিযোগ করলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৮, ২০২১ ৯:১৪ অপরাহ্ন
এশিয়ার শীর্ষ ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় প্রাণী চিকিৎসক সালমা সুলতানা
প্রাণিসম্পদ

গবেষণায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা এশিয়ার ১০০ জন শীর্ষ বিজ্ঞানীর তালিকা প্রকাশ করেছে সিঙ্গাপুরের বিজ্ঞান বিষয়ক সাময়িকী এশিয়ান সায়েন্টিস্ট। এই তালিকায় প্রথমবারের মতো স্থান করে নিয়েছেন তিন বাংলাদেশি নারী।

সম্প্রতি প্রকাশিত এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন তিন বাংলাদেশী বিজ্ঞানী সালমা সুলতানা, ফেরদৌসী কাদরী ও সায়মা সাবরিনা।

তালিকায় স্থান পাওয়া  সালমা সুলতানা হলেন মডেল লাইভস্টক অ্যাডভান্সমেন্ট ফাউন্ডেশনের (এমএএলএফ) চেয়ারম্যান। বাংলাদেশে পশুচিকিৎসাবিষয়ক শিক্ষাবিস্তারে ভূমিকা রয়েছে তাঁর। তিনি পশুর রোগ নির্ণয়ের জন্য ল্যাবরেটরিসহ একটি ভেটেরিনারি হাসপাতালও গড়ে তুলেছেন, যেটা বেসরকারি পর্যায়ে বাংলাদেশে প্রথম। প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের পশুর চিকিৎসায় অগ্রণী ভূমিকা রাখার জন্য ২০২০ সালে নরম্যান ই বোরল্যাগ অ্যাওয়ার্ড এবং ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ ফাউন্ডেশনের স্বীকৃতি পেয়েছেন তিনি। সালমা সুলতানাকে পশু চিকিৎসা ও খামারিদের কৃষিশিক্ষা ও পশু লালন-পালনে ভূমিকা রাখায় এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

আইসিডিডিআরবি’র গবেষক ফেরদৌস কাদরী শিশুদের সংক্রামক রোগ প্রতিরোধের বিষয়ে গবেষণা ও টিকাদানে গণসচেতনতা বাড়াতে ভূমিকা রাখায় ইউনেস্কোর পুরস্কার লাভের কারণে তাকে এশিয়ার শীর্ষ বিজ্ঞানীর স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এছাড়া বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) গবেষক সায়মা সাবরিনা ন্যানোম্যাটেরিয়াল নিয়ে গবেষণার জন্যে ওডব্লিউএসডি এলসিভিয়ার অ্যাওয়ার্ড লাভের স্বীকৃতিস্বরূপ এ তালিকায় স্থান পেয়েছেন।

বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের বিজ্ঞানীরা এ তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এশিয়ান সায়েন্টিস্টের ওয়েবসাইটে তাদের পরিচয় ও গবেষণার সাফল্য তুলে ধরা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৮, ২০২১ ৬:২১ অপরাহ্ন
গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে কেশবপুরের খামারিরা
প্রাণিসম্পদ

যশোরের কেশবপুরে উপজেলার খামার ও বিভিন্ন বাড়িতে ৮২ হাজার গৃহপালিত পশু লালন-পালন করা হচ্ছে। বর্তমানে পশুখাদ্যের উচ্চমূল্যের কারণে গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন এই অঞ্চলের কৃষকসহ খামার মালিকরা। গত বছর নদীর নাব্য হারিয়ে অধিকাংশ ঘেরে বোরো আবাদ না হওয়ায় বিচালির তীব্র সংকট দেখা দেয়।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস জানায়, কেশবপুর উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়নে ১৯২টি গরুর খামার রয়েছে। এসব খামার ও বিভিন্ন বাড়িতে ৮২ হাজার গৃহপালিত পশু লালন-পালন করা হচ্ছে। প্রতি বছর কেশবপুরে প্রায় ১৯ হাজার ৫৭৯টি গরু, ছাগল, ভেড়া কোরবানি দেওয়া হয়। এ অঞ্চলের চাহিদা পূরণ করে এসব পশুর কিছু অংশ অন্যত্র বিক্রি করা হয়।

এছাড়া এখানে প্রতিদিন প্রায় ৬৫ হাজার লিটার গরুর দুধ উৎপাদন হয়। এ দুধ স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়। এসব পশু পালনে ও ভালো মানের দুধ উৎপাদনে বিচালিসহ প্রচুর দানাদার পশুখাদ্যের প্রয়োজন হয় বলে জানান উপজেলা প্রাণিসম্পদ।

জানা গেছে, গত বছর সাড়ে ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হলেও ধান সংগ্রহের শেষ মুহূর্তে বৃষ্টিপাত হওয়ায় অপেক্ষাকৃত নিচু জমির বিচালি পচে নষ্ট হয়। ফলে বিচালির তীব্র সংকট দেখা দেয় ও মূল্য বেড়ে যায়। বিচালির এ সংকটের সুযোগে যশোরের বারবাজার ও তার আশপাশের ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন ভোরে কেশবপুর পাইলট স্কুলের পাশে বিক্রি করতে বিচালি নিয়ে আসেন।

বেতীখোলা গ্রামের কৃষক বিমল রায় জানান, গত বছর জলাবদ্ধতার কারণে তাদের বিলে কোনো ফসল উৎপাদন হয়নি। বিচালির উচ্চমূল্যের কারণে তার এলাকার শত শত কৃষক ৪ থেকে ৫ কিলোমিটার দূরের বুড়িভদ্রা নদী থেকে শেওলা সংগ্রহ করে গরুকে খাওয়াতেন। কিন্তু এখন এ নদীতে পানি না থাকায় শেওলাও সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। অন্যদিকে করোনার প্রভাবে গরুর শুকনো খাবারের দামও বেড়ে গেছে।

তিনি আরো জানান, বর্তমান বাজারে প্রতি কেজি খুদ ৪০, ভূষি ৩৫, ভূট্টার গুঁড়া ২৩, ক্যাটল ফিড ৩২ ও সরিষার খৈল ৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ঘন ঘন লকডাউনের কারণে গরুর দামও কমে গেছে। এতে কৃষকরা গরু বিক্রি করতে পারছেন না। আবার দাম বাড়ায় গরুর খাবারও কিনতে পারছেন না। ফলে তারা পড়েছেন বিপাকে। দোরমুটিয়া মোড়ের খামার মালিক ব্যবসায়ী বিষ্ণুপদ দাস জানান, তার খামারে ২২টি গরু রয়েছে। প্রতি কাউন বিচালি ৬ হাজার টাকায় কিনতে হচ্ছে। মাঝেমধ্যে বিচালির সংকটের কারণে গরুকে দানাদার খাবার খাওয়ানো হচ্ছে। এতে গরুর উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা না থাকলে খামার মালিকরা এ ব্যবসা থেকে সরে যাবেন বলে মনে করেন তিনি।

উপজেলা সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা অলকেশ সরকার জানান, এ উপজেলায় প্রতিদিন খড়ের (বিচালি) চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার কেজি। প্রতি মৌসুমে যে ধান উৎপাদন হয় তাতে চাহিদা মিটে যায়। ধান ওঠার আগে কিছু বিচালির সংকট দেখা দিয়েছে। তবে এখন ধান কাটা শুরু হয়েছে। ধান উঠে গেলে বিচালির উচ্চ দাম ও সংকট কেটে যাবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop