৯:০৮ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ২৬ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ৮, ২০২২ ৭:৫২ অপরাহ্ন
বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব ছিলেন একজন সার্থক দেশপ্রেমিক: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব শুধু একজন সার্থক নারীই ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন সার্থক দেশপ্রেমিক। তিনি ছিলেন একজন সার্থক মা, একজন সার্থক স্ত্রী। তিনি দেশের জন্য অসামান্য অবদান রাখা একজন মহিয়সী ব্যক্তিত্ব ছিলেন। তাঁর কাছ থেকে আমাদের শিখতে হবে। ব্যক্তি জীবনে ও রাজনীতিতে বঙ্গমাতাকে স্মরণের মধ্য দিয়ে আমরা উপকৃত হতে পারি, শিক্ষা নিতে পারি।

সোমবার (৮ আগস্ট) বিকালে রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব এর ৯২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শেখ মুজিব থেকে বঙ্গবন্ধু হয়ে ওঠার পেছনে অনবদ্য অবদান রেখেছিলেন বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব। তিনি অনুপ্রেরণা, ভালোবাসা, শক্তি ও সাহস দিয়ে বঙ্গবন্ধুকে সামনে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। বঙ্গবন্ধু হিসেবে অর্জনের জায়গায় পৌঁছে দিয়েছেন।

মন্ত্রী যোগ করেন, দেশের রাষ্ট্রপতির স্ত্রী হিসেবে বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব কখনই বিত্ত-বৈভবে আকৃষ্ট ছিলেন না। তিনি সন্তানদেরও কখনো বিত্ত-বৈভবের দিকে প্ররোচিত করেন নি। এর মধ্য দিয়ে তাঁর সততা, দেশপ্রেম ও আদর্শিক জায়গা প্রতিষ্ঠা পেয়েছে । তিনি মুক্তিযুদ্ধের সময় বীরাঙ্গনাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট নিজের জীবন উৎসর্গ করে জাতির জনককে বাঁচাতে চেয়েছিলেন। তাঁর হৃদয়ের বিশালতা, দৃঢ়চেতা মানসিকতা ও আত্মোৎসর্গের জায়গা ছিল অসাধারণ।

শ ম রেজাউল করিম আরও বলেন, সমকালীন ইতিহাসের বিপ্লবী নেতা বঙ্গবন্ধুর সহধর্মিনী হয়েও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব আড়ালে থাকা প্রচারবিমুখ মানুষ ছিলেন। তিনি অতি সাধারণ জীবনযাপন করতেন। তিনি ছিলেন স্বল্পভাষী। কিন্তু তিনি ছিলেন অসীম সাহস ও দৃঢ় মানসিক শক্তির মানুষ। তাঁকে কখনও নতজানু করা যায়নি। বঙ্গবন্ধু কারাগারে থাকার সময় নিশ্চিত মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েও তিনি দুই ছেলেকে মুক্তিযুদ্ধে পাঠিয়েছেন। বঙ্গমাতা এতটাই দৃঢ়চেতা, আত্মবিশ্বাসী ও সাহসী মানুষ ছিলেন। তিনি দেশের জন্য যে কাজ করেছেন তা সামনে থাকা অনেক মানুষও করতে পারে না।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. তৌফিকুল আরিফ, এ টি এম মোস্তফা কামাল ও মো. আব্দুল কাইয়ূম, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তরের উপপরিচালক মো. শেফাউল করিম, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মনজুর হাসান ভুঁইয়াসহ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এসময় উপস্থিত ছিলেন।

পরে বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবসহ বঙ্গবন্ধুর পরিবারের সদস্যদের স্মরণে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়।জনসংযোগ কর্মকর্তা

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৫, ২০২২ ৮:১৬ অপরাহ্ন
বঙ্গবন্ধুর পরিবারের বিরুদ্ধে অপপ্রচার রুখে দিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ষড়যন্ত্র ও অপপ্রচার এবং বঙ্গবন্ধু পরিবারের বিরুদ্ধে দেশে ও বিদেশে বানোয়াট গল্প তৈরি করে যে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে তা রুখে দিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আধুনিক বাংলাদেশ না থাকলে আমরা এরকম সমৃদ্ধির অবস্থায় থাকতাম না। তাই নিজেদের স্বার্থে, ত্রিশ লক্ষ শহীদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের স্বার্থে, বঙ্গবন্ধুর আরাধ্য সাধনা বাস্তবায়নের স্বার্থে শেখ হাসিনার অভীষ্ট ও লক্ষ্য পরিপূর্ণভাবে সফল করার জন্য আমাদের ঐক্যবদ্ধভাবে হতে হবে।

শুক্রবার (৫ আগস্ট) বিকালে রাজধানীতে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭৩তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে যুক্তরাজ্যের লন্ডন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, শেখ কামাল তারুণ্যের অহংকারই শুধু নয় এক সম্ভাবনাময় প্রতিভা ছিলেন। সে প্রতিভা অকালে বিনাশ করে দেওয়া হয়েছে সুপরিকল্পিতভাবে, যাতে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশ বিনির্মাণে বঙ্গবন্ধু পরিবারের একজন দক্ষ সংগঠক টিকে থাকতে না পারে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি মুজিবকে হত্যার টার্গেট ছিল তা নয়, টার্গেট ছিল বঙ্গবন্ধু পরিবার ও মুক্তিযুদ্ধের সব কিছু নিঃশেষ করে দেওয়া। সেদিন বঙ্গবন্ধুর দুই কন্যা বেঁচে থাকায় বাংলাদেশকে আবার মুক্তিযুদ্ধের চেতনার মূল ধারায় নিয়ে আসা সম্ভব হয়েছে। বিধ্বস্ত-বিপর্যস্ত বাংলাদেশকে উন্নয়নের রোল মডেলের পরিণত করা সম্ভব হয়েছে।

তিনি আরও যোগ করেন, ‘৭৫ এ একটি মহল চরম অপপ্রচারে লিপ্ত হয়েছিল। তারা বঙ্গবন্ধু, বঙ্গবন্ধুর পরিবার ও আওয়ামী লীগকে ঘিরে জঘন্যতম মিথ্যা অপপ্রচার চালাত। সে সময় শেখ কামালকে যারা বিতর্কিত করতে চেয়েছিল তারা সফল হয়নি। শেখ কামাল বিনম্র প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। তিনি আধুনিক সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা করতে চাইতেন। তিনি ক্রীড়াঙ্গনকে সক্রিয় করে তুলেছিলেন। তিনি ছাত্র রাজনীতিকে পরিশীলিত ও পরিমার্জিত করে দেশের গোটা যুব সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে সংগঠকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছিলেন।

বঙ্গবন্ধু পরিবারকে ১৯৭৫ সালে বিতর্কিত করার অপচেষ্টাকারীরা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে উল্লেখ করে শ ম রেজাউল করিম আরও বলেন, বর্তমান প্রেক্ষাপটে দেশে ও দেশের বাইরে ‘৭৫ এর মতো সমালোচনা, অপপ্রচার, মিথ্যাচার ও নেতিবাচক প্রচারণা শুরু হয়েছে। অপপ্রচারকারীদের লক্ষ্য বঙ্গবন্ধু পরিবারকে বিতর্কিত করা। বর্তমানে বিদেশে বসে ইউটিউবে, ফেসবুকে এবং দেশের ভেতরে ভয়াবহ অপপ্রচার শুরু হয়েছে। শেখ কামালের জন্মদিনে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হয়ে মিথ্যাচার ও অপপ্রচারকারীদের ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করতে হবে। মনে রাখতে হবে বঙ্গবন্ধু পরিবার ভালো থাকলে বাংলাদেশ ভালো থাকবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকারের সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. তৌফিকুল আরিফ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তরের উপপরিচালক শেফাউল করিম, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো. মনজুর হাসান ভুঁইয়াসহ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

এদিন সকালে রাজধানীর ধানমন্ডিতে আবাহনী মাঠে বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের প্রতিকৃতিতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকারের নেতৃত্বে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তর-সংস্থার কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৫, ২০২২ ৮:৪৬ পূর্বাহ্ন
জমানো টাকায় গরুর খামার করে ঘুরে দাঁড়িয়েছেন আজম সরকার
প্রাণিসম্পদ

জমানো টাকা দিয়ে শুরু করেন খামার। আর এতেই বাজিমাত করেন কক্সবাজার টেকনাফের আজম সরকার। তার খামারে বর্তমানে ৫০টি ষাঁড় ও ২০টি গাভীসহ মোট ৭০টি গরু রয়েছে। জমানো টাকা দিয়ে গরুর খামার করার সিদ্ধান্ত নেন। এখন সেই খামার থেকেই লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন তিনি। গত কোরবানি ঈদে বড় বড় ২০টা গরু বিক্রি করেছেন। এতে তার বেশ লাভ হয়েছে। আগামী কোরবানির ঈদে আরো বেশি গরু বিক্রি করার লক্ষ্য নিচ্ছেন।

বিগত দুই বছর যাবত ইউটিউব থেকে দেখে খামার করা শিখেছেন। শিখার পর নিজস্ব জমিতে তিনি একটি গরুর খামার প্রতিষ্ঠা করেন। তার এই খামারে বর্তমানে ৫০টি ষাঁড় ও ২০টি গাভীসহ মোট ৭০টি গরু রয়েছে।

খামারি আজম সরকার বলেন, আমি দেশ ও বিদেশের অনেক খামার দেখে নিজে গরুর খামার করার উদ্যোগ নেই। বর্তমানে আমার খামারে মোট ৭০টি গরু আছে। প্রাকৃতিক উপায়ে কোনো পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছাড়া গরু লালন পালন করছি। প্রতিবছর কোরবানির ঈদে গরু বিক্রি করে লাভবান হতে পারব বলে আশা করছি। আর ঈদ ছাড়া অন্য সময় দুধ বিক্রি করতে পারলে তাতেই আমি সন্তুষ্ট ইনশাল্লাহ।

তার খামারে গিয়ে দেখা যায়, বর্তমানে তিনি ৮ কানি জমিতে নেপিয়ার ঘাস চাষ করেছেন। এতে গো-খাদ্যের পর্যাপ্ত জোগান দেওয়া সম্ভব হবে। ঘাসের পাশাপাশি খৈলসহ প্রাকৃতিক উপায়ে গরু মোটাতাজাকরণে বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করা হচ্ছে। তার খামারটি বিশাল জায়গা জুড়ে রয়েছে। খামার তৈরি করতে এ পর্যন্ত তার খরচ হয়েছে প্রায় ৩০ লাখ টাকার মতো। খামারে সার্বক্ষণিক আটজন লোক কাজ করছেন।

তিনি আরো জানান, এবারের ঈদেই প্রথম গরু বিক্রি করে ৩ লাখ টাকা লাভ করেছেন। সামনে পুরো উপজেলায় দুধ বিক্রি শুরু করবেন। এতে অনেকটাই লাভ আসা শুরু করবে।

বর্তমানে ৮ জন শ্রমিক ও বাইরের একজন পশু চিকিৎসকসহ আজম সরকার দিনরাত গরুর খামারে সময় দেন। নিজেই খামার দেখাশোনা করেন। কোনো সমস্যা মনে হলে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করেন।

তিনি জানান, শাহিওয়াল, ব্রাহমা, ফ্রিজিয়ান ও দেশি জাতের গাভি ছাড়াও দেশি-বিদেশি জাতের মোটাতাজা এঁড়ে গরু ৭০টি। বাছুর আছে ৬টি। এক মাসের মধ্যে খামারে গরুর সংখ্যা ২০০ হবে বলে জানান তিনি।

আজম সরকার নিজেই খামারের জন্য উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন হাট ঘুরে দেশি-বিদেশি জাতের সৌখিন গরু কিনে আনেন। এছাড়াও গাভী গরুও আনেন যেনো খামারে গরু আরো দ্রুত বৃদ্ধি পায়।

কক্সবাজার জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা জ্যোতির্ময় ভৌমিক জানান, এটা আসলে ভালো উদ্যোগ। প্রাণীসম্পদ বিভাগ থেকে তাকে সব ধরনের পরামর্শ ও সহযোগিতা করা হবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৩, ২০২২ ৪:১১ অপরাহ্ন
মুরগির গামবোরো রোগের লক্ষণ ও করণীয়
পোলট্রি

খামারের মুরগি ভাইরাসজনিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকে। এসব রোগের মধ্যে গামবোরো অন্যতম।

মুরগির বয়স ২ মাস হলে গামবোরো রোগ হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

সঠিক সময়ে মুরগির গামবোরো রোগের চিকিৎসা না করা হলে খামারের সব মুরগি মারা যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

জানা যায়, সর্বপ্রথম আমেরিকার সাসেক্সের গামবোরো নামক স্থানে ১৯৬২ সালে এটি প্রথম শনাক্ত হয়।

গামবোরো হলে মুরগির লসিকা গ্রন্থি বারসাকে আক্রান্ত করে বলে একে ইনফেকসাস বারসাল ডিজিজ-ও বলা হয়।

মুরগির গামবোরো রোগ বিরনা নামক ভাইরাসের ফলে হয়ে থাকে। যদিও এর দুটি সেরোটাইপ আছে তবে, একটিই (সেরোটাইপ-১) প্রোল্ট্রির ক্ষতির কারণ। ভাইরাসটি মুরগির ‘বারসা ফেব্রিসিয়াস’ কে আক্রান্ত করে।

এর ফলে মুরগির প্রতিরোধ ক্ষমতা, খাদ্য রূপান্তর দক্ষতা কমে যায়। সাধারণত শতকরা ৩০ ভাগ মুরগির এ রোগ হলে মৃত্যু হয়। মুরগি মারাত্মকভাবে আক্রান্ত হলে সে ক্ষেত্রে এর চেয়েও পরিমাণে মারা যেতে পারে।

সেরোটাইপ-১ শধুমাত্র মুরগিকে আক্রান্ত করে। সেরোটাইপ-২ মুরগী, টার্কি, পেঙ্গুইনসহ বেশ কিছু বন্য পাখির হতে দেখা যায়। তবে এটির তেমন কোনো প্রভাব নেই।

গামবোরো বা ইনফেকসাস বারসাল ডিজিজ একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ। সাধারণত সংক্রামিত বা আক্রান্ত মুরগি থেকে এটি ছড়িয়ে পড়ে। এবং খুব দ্রুতই সমস্ত ফ্লকে এটি বিস্তার লাভ করে। ভাইরাসটি সহজেই একটি শেড বা ফার্ম থেকে অন্য শেডে যেতে পারে। অধিক ঘনত্বে মুরগি পালন, বিভিন্ন বয়সের মুরগি একসঙ্গে রাখা, দুটি ব্যাচের মাঝের সময় শেড খালি না রাখা ও বায়োসিকিউরিটিসহ বেশ কিছু কারণে গামরোরো হতে পারে। প্যারেন্টস থেকে বা দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও গামবোরো রোগের কারণ হতে পারে।

মুরগির গামবোরো রোগ হলে কিছু লক্ষণ দেখা দেয়। যেমন মুরগি দুর্বল, নিস্তেজ ও ডিহাইড্রেট হয়ে পড়ে। মুরগি পাতলা পায়খানা করে এবং পায়াখানা সাদা চুনের মতো দেখায়। এক জায়গায় বসে থাকে, নড়াচড়ায় অনীহা প্রকাশ করে। মুরগির পালক উস্কোখুস্কো থাকে। মুরগির শরীরের তাপমাত্রা বেড়ে যেতে পারে। হঠাত করেই শুরু হয় ও মৃত্যুহার বেড়ে যায়। ভেজা মলদ্বার দেখা যায়।

এছাড়াও এই রোগ হলে মুরগির অভ্যন্তরীণ কিছু পরিবর্তন দেখা দেয়। যেমন পা ও রানের মাংসের ওপর ছোপ ছোপ রক্তের ছিটা দেখা যায়। মুরগির বারসা ফুলে যায় এবং বার্সা কাটলে ভিতরে রক্তের ছিটা দেখা যায়। কলিজা বেশ বড় ও ফ্যাকাশে হয়ে যায়। কিডনি বড় হয়ে যায়।

গামবোরো হলে মুরগির ডিহাইড্রেশন হয়। ফলে মুরগির প্রচুর ইলেক্ট্রোলাইট ঘাটতি পড়ে। এজন্য স্যালাইন পানি বা অনেকে গুড়ের পানি সরবরাহের কথা বলে থাকেন। দ্বিতীয় পর্যায়ের ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য এন্টিবায়োটিক দেওয়া যেতে পারে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৩, ২০২২ ৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় রাজ-পরীর কোল জুড়ে এলো ৪ সন্তান
প্রাণ ও প্রকৃতি

চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় বাঘ দম্পতি রাজ-পরীর ঘরে আবারও এসেছে নতুন অতিথি। এবার ৪টি সাদা রঙের শাবকের জন্ম দিয়েছে পরী। ২০১৬ সালে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় আনার পর দ্বিতীয় বারের মতো শাবক জন্ম দিলো রাজ-পরী।

এবারের শাবকগুলো সাদা হলেও, এগুলোর বাবা-মা সাদা রঙের নয়। এর আগেরবার এ দম্পতির ঘরে জন্ম নেওয়া শাবকগুলোর মধ্যে একটি সাদা ছিল।

চিড়িয়াখানার ডেপুটি কিউরেটর ডা. শাহাদাত হোসেন শুভ জানান, মা ও শাবকগুলোকে আপাতত আলাদা কক্ষে রাখা হয়েছে। ‘শাবক ও মা বাঘকে নিবিড় যত্ন দেওয়া হবে এবং কিছু সময়ের জন্য দর্শকদের দৃষ্টির বাইরে রাখা হবে। আমরা বাঘগুলোর স্বাস্থ্যের জন্য প্রয়োজনীয় সব সহায়তা নিশ্চিত করব’, যোগ করেন তিনি।

শাবক ৪টি পুরুষ নাকি নারী তা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘এটি জানতে সাধারণত কয়েক সপ্তাহ সময় লাগে। জানার পর শাবকগুলোর নামকরণ করা হবে।’

৪ শাবকের জন্মের ফলে চট্টগ্রাম চিড়িয়াখানায় বাঘের সংখ্যা বেড়ে ১৬টি হয়েছে। শাবকগুলোর কারণে চিড়িয়াখানার সৌন্দর্য বৃদ্ধি পাবে এবং আরও বেশি দর্শনার্থী আকৃষ্ট হবেন বলে আশা করছেন চিড়িয়াখানার কর্মকর্তারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২, ২০২২ ৬:০৪ অপরাহ্ন
ইউটিউব দেখে সফল খামারি কলেজছাত্রী দিলরুবা
পোলট্রি

কখনো কোদাল নিয়ে ক্ষেতে লাঙ্গলের ফলা ধরে মাটিচাষ, কখনো আবার হাঁস-মুরগির খাবার ও পানি দেয়াসহ নানান কাজে পারদর্শী অদম্য এক কলেজছাত্রীর নাম দিলরুবা। ইউটিউব দেখে নিজ বাড়ির আঙ্গিনায় গড়ে তোলেন ক্ষুদ্র হাঁস-মুরগির খামার।

তার বাড়ি কিশোরগঞ্জ জেলার হোসেনপুর উপজেলার সিদলা ইউনিয়নের রামেশ্বরপুর গ্রামে। পিতার নাম হেলাল উদ্দিন।

দিলরুবার ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় অভাব অনটনের সংসারে গড়ে তুলেছেন একটি ব্রয়লার মুরগির খামার। নিজে মুরগির ঘর তৈরিসহ যাবতীয় কাজ করেছেন দিলরুবা। এরই ধারাবাহিকতায় গত বছর খামারের পরিধি বাড়িয়ে এক হাজার ব্রয়লার মুরগি ও ২০০ হাঁসের বাচ্চা নিয়ে গড়ে তোলেন আরেকটি হাঁস-মুরগির খামার। পোল্ট্রি খামার দেখাশোনা ও ঔষধপত্র দেয়া সবই নিজ হাতে করেন তিনি।

অন্যদিকে লেখাপড়াতেও পিছিয়ে নেই দিলরুবা। কাজের ফাঁকে একটু সময় পেলেই টেবিলে বই নিয়ে পড়তে বসেন। সামনে এইচএসসি পরীক্ষা। তাই পড়ার চাপ কিছুটা বেশি। তবুও থেমে নেই তার পথচলা। লেখাপড়ার পাশাপাশি মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে তিলে তিলে গড়ে তুলেছেন এই হাঁস-মুরগির খামার।

বর্তমানে তার হাঁসগুলো ডিম দিতে শুরু করেছে। খামারের ব্যয় মিটিয়েও বাড়তি উপার্জনের আশা তার। দিলরুবা জানান, হাঁস-মুরগি পালনের কাজে তার বাবা হেলালউদ্দিন সাহায্য ও অনুপ্রেরণা জুগিয়ে যাচ্ছেন শুরু থেকেই।

দিলরুবা জানান, কৃষি কাজ ও হাঁস-মুরগি পালন করা তার কাছে ছোটবেলা থেকেই অত্যন্ত ভালো লাগতো। তাই মহামারী করোনায় দীর্ঘ সময় কলেজ বন্ধ থাকা অবস্থায় প্রথমে মুরগির খামার গড়ে তোলেন। তার উন্নতি দেখে এলাকার অনেক বেকার যুবক হাঁস-মুরগি ও গবাদিপশুর খামার করে আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন।

দিলরুবার প্রত্যাশা সহজ শর্তে শিক্ষার্থীদের জন্য এসব খাতে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান যদি ঋণ প্রদান করতো তবে আগামীতে আরো একটি হ্যাচারি ও একটি গবাদিপশুর খামার স্থাপন করে সফল উদ্যোক্তার কাতারে নাম লেখাতে পারতেন তিনি।

স্থানীয় লোকজনের সাথে কথা বলে জানা যায়, কলেজছাত্রী দিলরুবা একজন কঠোর পরিশ্রমী ও সফল নারী উদ্যোক্তা। তার পরামর্শ ও সহযোগিতায় এলাকার অনেক বেকার যুবতী হাঁস-মুরগি পালনের সাথে জড়িত থেকে আর্থিকভাবে অনেক লাভবান হয়েছেন।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা: আব্দুল মান্নান জানান, কলেজছাত্রী দিলরুবা লেখাপড়ার পাশাপাশি হাঁস-মুরগির খামার করে একজন আদর্শ খামারি হিসেবে এলাকায় পরিচিতি লাভের পাশাপাশি মাংস ও ডিমের চাহিদা পূরণ করে জাতীয় পর্যায়েও অবদান রেখে চলছেন। তিনি হাঁস-মুরগি পালন অব্যাহত রাখলে আগামীতে আরো উন্নতি লাভ করতে পারবেন বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২, ২০২২ ৫:১৮ অপরাহ্ন
মাদককারবারির বাড়ি থেকে ৬ চোরাই গরু উদ্ধার
কৃষি বিভাগ

বগুড়ার সোনাতলায় বহুল আলোচিত মাদক কারবারি ছবি আক্তারের বাড়ি থেকে ৬টি চোরাই গরু উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

এ সময় ছবি আক্তার পালিয়ে গেলেও তার স্বামী শহিদুল ইসলাম ও ছেলে সিয়ামকে (১৯) আটক করা হয়েছে।

শনিবার রাতে তার বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে গরুগুলো উদ্ধার করা হয়।

সোনাতলা থানার সাব ইন্সপেক্টর আমিনুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোনাতলা পৌর এলাকার ভূমি অফিসের পাশে তার নিজ বাড়ি থেকে ৬টি গরু উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার ছেলে সিয়াম হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আটক করা হয় এবং রোববার তার স্বামীকেও আটক করা হয়।

এ ব্যাপারে সোনাতলা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: জালাল উদ্দীন বলেন, চোরাই গরু রাখার সংবাদের ভিত্তিতে ছবি নামের এক নারীর বাড়ি থেকে গরুগুলো উদ্ধার করা হয়েছে এবং একটি মামলা করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১, ২০২২ ৯:০৪ পূর্বাহ্ন
কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরু চিনবেন যেভাবে
কৃষি বিভাগ

অনেক অসাধু গরু ব্যবসায়িকরা রয়েছেন, যারা বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, ইনজেকশন ও রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করে এসব পশুকে মোটাতাজা করে থাকেন তারা, যা পুরোপুরি স্বাস্থ্যের জন ভয়ানক ক্ষতিকর। এমন গরুর মাংসতেও তেমন স্বাধ থাকে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজাকরণ গরুর মাংস খেলে মানুষের শরীরে পানি জমে যাওয়া, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া, মূত্রনালি ও যকৃত-কিডনির বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই এসব পশু কেনা থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।
মোটাতাজাকরণ গবাদিপশু চেনার কিছু উপায় রয়েছে। আসুন জেনে নেই ইনজেকশন দেওয়া কোরবানির পশু চিনবেন যেভাবে।

দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ

কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজাকরণ গরু দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করে। একটু হাঁটলেই হাঁপায়। খুবই ক্লান্ত দেখায়। ইনজেকশন দেয়া গরুর রানের মাংস নরম হয়। স্বাভাবিকভাবে যেসব গরু মোটা হয় সেগুলোর রানের মাংস শক্ত হয়।

লালা বা ফেনা
যেসব গরুর মুখে কম লালা বা ফেনা থাকে সেই গরু কেনার চেষ্টা করুন। এগুলো কৃত্রিম উপায়ে মোটা করা পশু নয়।

খুব শান্ত
স্টেরয়েড ট্যাবলেট খাওয়ানো বা ইনজেকশন দেওয়া গরু হবে খুব শান্ত। ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারবে না। পশুর ঊরুতে অনেক মাংস মনে হবে।

আঙুলের চাপ
কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজাকরণ গরুর গায়ে আঙুল দিয়ে চাপ দিলে ওই স্থানের মাংস স্বাভাবিক হতে অনেক সময় লাগে। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে মোটা গবাদিপশুর ক্ষেত্রে দ্রুতই মাংস স্বাভাবিক হয়।

শরীরে পানি জমে
অতিরিক্ত হরমোনের কারণে পুরো শরীরে পানি জমে মোটা দেখাবে। আঙুল দিয়ে গরুর শরীরে চাপ দিলে সেখানে দেবে গিয়ে গর্ত হয়ে থাকবে।

খাবার
গরুর মুখের সামনে খাবার ধরলে যদি নিজ থেকে জিব দিয়ে খাবার টেনে নিয়ে খেতে থাকে তবে বোঝা যাবে গরুটি সুস্থ। যদি অসুস্থ হয়, তবে সে খাবার খেতে চায় না।

নাকের ওপরটা ভেজা
সুস্থ গরুর নাকের ওপরটা ভেজা ভেজা থাকে। সুস্থ গরুর পিঠের কুঁজ মোটা ও টান টান হয়।

পা ও মুখ ফোলা
বিশেষ করে গরুর পা ও মুখ ফোলা, শরীর থলথল করবে, অধিকাংশ সময় গরু ঝিমাবে, সহজে নড়াচড়া করবে না। এসব গরু অসুস্থতার কারণে সব সময় নিরব থাকে। ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারে না। খাবারও খেতে চায় না।

অসুস্থ গরুর শরীরে ১০৩ ডিগ্রি ফারেনহাইটের ওপর তাপমাত্রা থাকবে। দেখা যাবে পাতলা পায়খানা হচ্ছে। মুখ দিয়ে লালা ঝরছে। সামনে খাবার থাকলেও খাচ্ছে না, এমনকি জাবরও কাটছে না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩১, ২০২২ ৮:৫৬ পূর্বাহ্ন
প্রাণিসম্পদ অফিসের পিয়নই যখন পশু চিকিৎসক!
প্রাণিসম্পদ

পিয়ন হয়ে করেন ডাক্তারি কাজ। শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে চিকিৎসক না হয়েও করছেন পশুর চিকিৎসা। আবার নিয়ম না মেনে দেয়া হচ্ছে পশু জাবাইয়ের ছাড়পত্র।

আইনে আছে পশু জবাইয়ের আগে স্থানীয় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ছাড়পত্র লাগবে। কিন্তু শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলায় পশু জবাই হচ্ছে পরীক্ষা ছাড়াই।

অভিযোগ রয়েছে, কোনো প্রকার পরীক্ষা ছাড়াই অর্থের বিনিময়ে কসাইদের ব্লাংক ছাড়পত্র সরবরাহ করছে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কয়েকজন কর্মচারী এ কাজে নেয়া হয় অর্থও।

এছাড়া, কোনো প্রশিক্ষণ ছাড়াই বিভিন্ন খামারে গিয়ে পশুর চিকিৎসা দিচ্ছেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অফিস পিয়ন মেহেদি হাসান।

পিয়ন মেহেদির দাবি, তিনি প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কথায় কাজ করেন। আর পশু জবাইয়ের ছাড়পত্রের বিষয়ে কিছু না জানার দাবি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তার।

জেলা প্রাণিসম্পদক কর্মকর্তার দাবি, অনিয়ম ও অর্থ লেনদের বিষয়ে তদন্ত চলছে। ঝিনাইগাতী বাজারে প্রতি মাসে পশু জবাই হয় ৭০টিরও বেশি।

সূত্র : চ্যানেল২৪

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩১, ২০২২ ৮:৩৮ পূর্বাহ্ন
চোরাই পথে আসা মিয়ানমারের গরু-মহিষ আটক করেছে টাস্কফোর্স
প্রাণিসম্পদ

বান্দরবানের আলীকদমে মিয়ানমার সীমান্ত দিয়ে অবৈধ ভাবে আনা ৪০ টি গরু ও ২৮ টি মহিষ আটক করেছে টাস্কফোর্স।

শনিবার এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করে ৫৭ বিজিবি। প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২৯ জুলাই শুক্রবার রাতে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে আলীকদম ব্যাটালিয়ন (৫৭ বিজিবি) আওতাধীন নয়াপাড়া ইউনিয়নের শৈলকুঠি রিসোর্ট এর পিছনে বাচামৃত চর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

চোরাকারবারীরা মিয়ানমারের অবৈধ চোরাই পথে বিপুল সংখ্যক গরু ও মহিষ নিয়ে এসে অবস্থান করছে। এমন সংবাদের ভিত্তিতে উপজেলা নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট,বিজিবি, পুলিশ এবং আনসার সদস্য নিয়ে গঠিত একটি টাস্কফোর্স দল নয়াপাড়া বাচামৃত চর এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে চোরাই পথে আনা ৪৪ টি গরু ও ২৮ টি মহিষ আটক করেন। চোরাকারবারীরা বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে গরু ও মহিষ উক্ত স্থানে রেখে দ্রুত পালিয়ে যায়। পরে আটককৃত গরু ও মহিষগুলো বিজিবি আলীকদম ব্যাটালিয়নের (৫৭ বিজিবি) সদরে দপ্তরে আনা হয়।

আলীকদম ব্যাটালিয়ন (৫৭ বিজিবি) উপ-অধিনায়ক মেজর শাহ মো. শাকিল আলম জানান, আটককৃত গরু ও মহিষের বাজার মূল্য আনুমানিক এক কোটি দুই লক্ষ পচানব্বই হাজার টাকা কাছাকাছি। আগামীতে আমাদের এই ধরনের অভিযান চলমান থাকবে। চোরাচালান বন্ধে ৫৭বিজিবি বদ্ধ পরিকর।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop