১২:৪৩ অপরাহ্ন

রবিবার, ২৬ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুলাই ৩০, ২০২২ ২:০৫ অপরাহ্ন
দুধ উৎপাদনে সেরা যে জাতের গরু
প্রাণিসম্পদ

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি দুধ উৎপাদনকারী গাভী হোলস্টাইন ফ্রিজিয়ান। এখন পর্যন্ত দুধ উৎপাদনের যত রেকর্ড আছে, সবই এই জাতের গাভী দখলে।

মাংসের বাজারেও এদের রয়েছে সরব উপস্থিতি। সারা বিশ্বে মোট উৎপাদিত দুধের প্রায় ৫০ শতাংশ এই জাতের গরু থেকে পাওয়া যায়।

একে শুধু দুধ উৎপাদনকারী গাভী হিসেবে চিহ্নিত করা হলেও এই জাতের ষাঁড়ও বৃহৎ আকৃতির হয়ে থাকে। এই জাতের এক একটি পূর্ণবয়স্ক ষাঁড়ের ওজন ৭০০ থেকে এক হাজার কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। আর এক একটি গাভীর উচ্চতা প্রায় ৫৫ থেকে ৭০ ইঞ্চি পর্যন্ত হয়ে থাকে।

হোলস্টাইন অর্থ সাদা-কালো ডোরাকাটা আর স্থানের নাম ফ্রিজল্যান্ডের সঙ্গে মিলিয়ে এই গরুর নাম হয় হোলস্টাইন ফ্রিজিয়ান। জাতের গরুর আধিনিবাস জার্মানিতে। মূলত জার্মানির কালো জাতের গরু এবং নেদারল্যান্ডের সাদা জাতের গরুর সংকরায়ণের মাধ্যমে সৃষ্টি হয় যুগান্তকারী এই নতুন জাতের গরু।

সাদা-কালো মিশেলের জন্ম নেয়ায় এই গরুর দুধ উৎপাদনের সক্ষমতা সবাইকে চমকে দেয়। এই জাতের গরু এখন আর শুধু জার্মানির আর নেদারল্যান্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে। পাশাপাশি তৈরি করেছে খ্যাতিও। বর্তমান বিশ্বে হোলস্টাইন ফ্রিজিয়ানের সঠিক সংখ্যা কত তা জানা যায় না।

তবে ১৯৯০ সালে শুধু আমেরিকায় নিবন্ধনকৃত এই গরুর সংখ্যা ছিল ৪০ মিলিয়নেরও বেশি।

এ ছাড়া অস্ট্রেলিয়ায় পালনকৃত এক দশমিক ছয় মিলিয়ন ডেইরি গরুর প্রায় ৬০ থেকে ৭০ শতাংশই হোলস্টাইন ফ্রিজিয়ান।

লাতিন আমেরিকা থেকে নিউজিল্যান্ড, কানাডা থেকে রাশিয়া পর্যন্ত পৃথিবীর এমন কোনো গরু পালনকারী ভূখণ্ড নেই, যেখানে কালো সাদা জাতের গরু ব্র্যান্ডিং হয়নি।

তবে সর্বোচ্চ সংখ্যায় পালনকারী দেশ হচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, জার্মানি, ইংল্যান্ড, কেনিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ভারত। বিশাল দেহি এই নরম জাতের এবং দুর্বল হজম ক্ষমতার গরু হিসেবে পরিচিত হোলস্টাইন ফ্রিজিয়ান।

এরা সাধারণত সাদা খর বিশিষ্ট হয়ে থাকে। মাথার উপরে সাদা টিক দেখে সহজে সনাক্তযোগ্য হলেও বিশুদ্ধ কালো জাতের গরু ও দেখা যায়।

এই জাতের গরুর জীবনকাল ছোট হওয়ায় দুধ উৎপাদনের সময়ও কম। ইংল্যান্ডের এই জাতের গরুর গড় জীবনকাল ১২ থেকে ১৪ বছর হয়ে থাকে। এরা বাচ্চাপ্রদান গড়ে পাঁচটি। একটি হোলস্টাইন ফ্রিজিয়ানগরুর বাচ্চার ওজন ৪০ থেকে ৬০ কেজি পর্যন্ত হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৯, ২০২২ ৮:৫৫ অপরাহ্ন
মৎস্য মেলায় অংশগ্রহণকারী ১১ সেরা প্রতিষ্ঠানকে পুরস্কার প্রদান
প্রাণিসম্পদ

জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২২ আজ সমাপ্ত হয়েছে। এ উপলক্ষ্যে শুক্রবার (২৯ জুলাই) বিকালে রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব মিলনায়তনে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২২ এর মূল্যায়ন ও সমাপনী অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়।

এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এবারের জাতীয় সপ্তাহের আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘোষণা করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব বলেন, মৎস্য চাষ ও মৎস্যসম্পদের মানোন্নয়ন সম্পর্কে মানুষের সচেতনতা বৃদ্ধি ও উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন করা হয়েছে। মাছ আমাদের নিরাপদ আমিষ। মৎস্য চাষের মাধ্যমে এ আমিষের যোগানের ক্ষেত্রে মৎস্য খাত সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকের ভূমিকা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, মৎস্য খাতের টেকসই আহরণ নিশ্চিত করতে হবে। এজন্য মাছের প্রকৃত মজুদ নির্ণয়ের বিষয়ে আরও আজ করতে হবে। সামুদ্রিক মাছের মজুদ কতটুকু আছে সেটি জানতে হবে। সামুদ্রিক মাছের বংশবৃদ্ধির জন্য পদক্ষেপ নিতে হবে। এ ক্ষেত্রে মৎস্য অধিদপ্তর ও মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট কাজ করবে। মাছের সহনশীল আহরণ নিশ্চিত করতে হবে।

দেশের অভ্যন্তরীণ বাজারে ও রপ্তানির ক্ষেত্রে মানসম্পন্ন মাছ নিশ্চিত করা জরুরি। রপ্তানির ক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের নির্ধারিত মান অর্জন করা সম্ভব না হলে রপ্তানি বৃদ্ধি করা যাবে না। এজন্য বিভিন্ন দেশের চাহিদা অনুযায়ী মাছের মান অর্জনে আরও কাজ করতে হবে-যোগ করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব।

মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হকের সভাপতিত্বে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মো. আব্দুল কাইয়ূম ও বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের সদ্য সাবেক চেয়ারম্যান মো. হেমায়েৎ হুসেন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্তি সচিব এ টি এম মোস্তফা কামালসহ মন্ত্রণালয় ও মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২২ এর সপ্তাহব্যাপী কার্যক্রম উপস্থাপন করেন মৎস্য অধিদপ্তরের উপপরিচালক ড. মো. খালেদ কনক।

অনুষ্ঠানে ২৪ জুলাই থেকে ২৬ জুলাই পর্যন্ত রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র সংলগ্ন মাঠে অনুষ্ঠিত কেন্দ্রীয় মৎস্য মেলায় অংশগ্রহণকারী ২৭টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৫ টি ক্যাটাগরি তথা ১১টি সেরা প্রতিষ্ঠানকে ক্রেস্ট ও সম্মাননা সনদ প্রদান করা হয়।

এর মধ্যে সরকারি প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক সহযোগী প্রতিষ্ঠান,বৃহৎ শিল্প উদ্যোক্তা, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা এবং কাঁচা মাছ বিক্রয় ও প্রক্রিয়াকরণ প্রতিষ্ঠান ক্যাটাগরিতে

উল্লেখ্য ২৩ জুলাই থেকে ২৯ জুলাই পর্যন্ত দেশব্যাপী জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২২ উদযাপন করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৯, ২০২২ ৬:৩২ অপরাহ্ন
রংপুরে পাঁচ দিনে চার খামারির ১১ গরু চুরি
প্রাণিসম্পদ

রংপুর জেলার মহানগর ও তারাগঞ্জ থানায় চার খামারির গত পাঁচ দিনে ১১টি গরু চুরি হয়েছে। খামারিদের গোয়ালঘর থেকে এই ১১টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে।

চুরি যাওয়া গরুর মূল্য প্রায় ৩৭ লাখ টাকা বলে ভুক্তভোগী খামারিরা জানিয়েছেন। চুরি যাওয়া গরু উদ্ধারে অভিযান চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ।

জানা গেছে, বুধবার রাতে জেলার তারাগঞ্জ উপজেলায় কুর্শা ইউনিয়নের ঘনিরামপুর বেলতলী গ্রামের কৃষক মতিয়ার রহমানের গোয়ালঘর থেকে চারটি গরু চুরি হয়েছে। চোরেরা বাড়ির পেছনের প্রাচীর ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে গোয়াল ঘরের তালা কেটে গরু নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে কৃষক মতিয়ার রহমান বলেন, দিনরাত পরিশ্রম করে অস্ট্রেলিয়ান জাতের দুটি ও দেশি জাতের দুটি গরু পুষতেন। গোয়ালঘর শূন্য করে চোরেরা সব কয়টি গরু চুরি করে নিয়ে গেছে। চুরি যাওয়া গরু চারটির মূল্য অন্তত ৬ লাখ টাকা হবে। রংপুরের তারাগঞ্জ থানা পুলিশের ওসি সুশান্ত কুমার সরকার বলেন, গরু উদ্ধারের জন্য আমরা জোর চেষ্টা চালাচ্ছি।

এদিকে রংপুর নগরীর মাহিগঞ্জ এলাকায় গত শনিবার রাতে তিন খামারির গোয়ালঘর থেকে প্রায় ৩০ লাখ টাকার মোট সাতটি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। মাহিগঞ্জের খামারি গৌতম বোসের খামার থেকে দুটি, হাসান আলীর দুটি এবং আনোয়ার হোসেনের তিনটি গরু চুরি করে নিয়ে গেছে চোরেরা। প্রত্যেক গরু ৩-৪ লাখ টাকা দাম হবে বলে দাবি করছেন খামারিরা।

ঘটনাস্হল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, পুলিশ প্রশাসন ও ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ। গরু চুরির এমন ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা। এ সময় দ্রুত চুরি যাওয়া গরু উদ্ধারসহ গরু চোর চক্রের সদস্যদের গ্রেফতারের দাবি জানায় খামারিরা।

রংপুর জেলা ডেইরি ফার্মার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি লতিফুর রহমান মিলন জানান, বিষয়টি প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে। যে কোনো উপায়ে গরু চুরি বন্ধ করতে হবে। রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের মাহিগঞ্জ থানার ওসি মোস্তাফিজার রহমান জানান, গুরুত্বপূর্ণ অনেক স্হানে সিসিটিভি ক্যামেরা রয়েছে, সেগুলো পর্যালোচনা করে যত দ্রুত সম্ভব অপরাধীদের শনাক্ত করা হবে।

রংপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সিরাজুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্হল পরিদর্শন করে খামারিদের একটি তালিকা করা হয়েছে। তারাগঞ্জের ঘটনাটিও খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকা পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৮, ২০২২ ১০:১২ পূর্বাহ্ন
হনুমানকে ‘বিরক্ত’ না করতে বন বিভাগের আহ্বান
প্রাণ ও প্রকৃতি

বেশ কিছুদিন থেকেই নীলফামারী শহরের বিভিন্ন স্থানে ঘুরেফিরে একটি হনুমানকেই চোখে পড়ছে। উৎসুক মানুষের ভিড়ে দ্রুত স্থান পরিবর্তন করছে বিপন্নপ্রায় এই প্রাণীটি। ধারণা করা হচ্ছে, টাঙ্গাইল থেকে ট্রাকযোগে এদিকে এসেছে হনুমানটি। যথাসময়ে নিজ গন্তব্যে ফিরবে বলে জানিয়েছে বন বিভাগ কর্তৃপক্ষ।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৫ থেকে ২০ দিন আগে সৈয়দপুর থেকে নীলফামারীতে আসে এই হনুমানটি। বেশ কিছুদিন থেকে তাকে দেখা যাচ্ছে শহরের গাছবাড়ি, কৃষি ফার্ম, মিলনপল্লী, হাড়োয়া, পুরাতন রেলস্টেশন এবং সবশেষ মঙ্গলবার দেখা গেছে নীলফামারী সরকারি কলেজ এলাকায়।

বন বিভাগের কর্মকর্তারা বলছেন, টাঙ্গাইলের মধুপুর এলাকা থেকে ট্রাকে করে এদিকে আসতে পারে হনুমানটি। কারণ আনারস ও কলা ট্রাকে করে পরিবহন করা হয় এদিকে। হনুমানটি ওই ট্রাকগুলোতে এসেছে। তবে মানুষের ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়ায়নি এই প্রাণীটি।

জেলা শহরের গাছবাড়ি এলাকার বাসিন্দা আবদুল ওয়াহেদ সরকার জানান, ১৫ দিন আগে আমার এলাকায় হনুমানটির দেখা মেলে। মোবাইল ফোন টাওয়ারে অবস্থান নেয় সে। আমরা অবশ্য ভাত, কলা খেতে দিয়েছিলাম। খেয়ে তাকে আবারো টাওয়ারে অবস্থান নিতে দেখা গেছে। সেখান থেকে আবার অন্যত্র চলে যায়।

শহরের মিলনপল্লী এলাকার বাসিন্দা আবদুল খালেক জানান, ১০ থেকে ১২ দিন আগে বিকেলে আমাদের পাড়ায় দেখা যায় হনুমানটি। উৎসুক মানুষ ভিড় করলে দ্রুত স্থান ত্যাগ করে সে। এ ছাড়া আগের দিন সকালে দেখা যায় কৃষি ফার্মের কদম গাছে। সেখান নেমে পুরাতন রেলস্টেশন এলাকার দিকে যায় সে।

ওই এলাকার বাসিন্দা আইনুল হক বলেন, প্রাণীটি কাউকে ক্ষতি করতে দেখিনি। তবে হনুমানটিকে কুকুর দেখতে পেলে উচ্চস্বরে ডাকাডাকি শুরু করে।

নীলফামারী সরকারি কলেজের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক নূরুল করিম জানান, মঙ্গলবার (২৬ জুলাই) দুপুরে কলেজ এলাকার একটি দেয়ালে তাকে বসে থাকতে দেখা গেছে। উৎসুক মানুষ দেখতে ভিড় জমায়। যেহেতু সে আমাদের ক্ষতি করছে না, সে হিসেবে সংরক্ষণ করার সুযোগ থাকলে কর্তৃপক্ষ সেটি করতে পারে।

রংপুর বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মতলুবুর রহমান জানান, হনুমানটি টাঙ্গাইল মধুপুর থেকে ওই এলাকায় গেছে। কিছুদিন পর আবার সে তার এলাকায় ফিরে যাবে এক্ষেত্রে তাকে বিরক্ত করা যাবে না। এ সময় হনুমানটিকে বিরক্ত না করার আহ্বান জানান তিনি। বন বিভাগের এই কর্মকর্তা আর বলেন, আমরা হনুমানটির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৮, ২০২২ ৯:৩৩ পূর্বাহ্ন
তিন খামারির ৩০ লাখ টাকার গরু চুরি!
প্রাণিসম্পদ

বৃষ্টি হওয়া সুযোগে রংপুর মাহিঞ্জে একরাতে ৩ খামারির প্রায় ৩০ লাখ টাকার গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। বড় একটি গাড়িতে করে নিয়ে যায় গরু। এতটাকার গরু হারিয়ে অসহায় পড়েছেন সেই খামারিরা।

সম্প্রতি জেলার ক্ষতিগ্রস্ত খামারিদের বাড়িতে দিবাগত রাতে এ গরু চুরির ঘটনা ঘটে। ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা, পুলিশ প্রশাসন ও খামারীদের নেতৃবৃন্দ।

খামারির সুত্রে জানা যায়, রোববার দিবাগত রাতে বৃষ্টি হওয়ার সুযোগ নিয়ে গরু গুলো চুরি করা হয়েছে। রাত আনুমানিক ৩-৪ টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। গরুগুলো বড় হওয়ায় হেটে নিয়ে যাওয়া সম্ভব নয়। বড়গাড়িতে করে নিয়ে গেছে বলে মনে করেন খামারীরা। তবে এর সাথে স্থানীয় কোন চক্রের জোগসাজস থাকতে পারে বলে ধারণা করছেন খামারীরা। এটি সংঘবদ্ধ কোন চোর সিন্ডিকেটের কাজ।

স্খানীয় মাহিগঞ্জের খামারি গৌতম বোসের ২ টি গরু, হাসান আলী’র ২ টি এবং আনোয়ার হোসেন ৩ টি গরুচুরি করে নিয়ে যায় চোর চক্র। ৭টি গরুর বর্তমান বাজারমুল্য প্রায় ৩০ লাখ টাকা বলে জানিয়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত খামারিরা।

ক্ষতিগ্রস্থ খামারি গৌতম বোস জানান, রাত ৪ টার দিকে গরু চিৎকারে ঘুম ভেঙ্গে যায়। গরুর গোয়ালে গিয়ে দেখি দরজা খোলা, ৩ টি গরু নাই। পরে বাহিরে খোঁজা খুজির পর একটি গরু পাওয়া যায়। এ বিষয়ে জিডি করা হয়েছে। জেলা ডেইরি ফার্মাস এসোসিয়েশন রংপুর সাধারণ সম্পাদক এস এম আসিফুর ইসলাম জানান, হঠাৎ করে খামার থেকে গরু চুরি বিষয়টা খুবই চিন্তার।

জেলা ডেইরি ফার্মাস এসোসিয়েশন রংপুর সভাপতি লতিফুর রহমান মিলন জানান, বিষয়টি গরুত্ব সহকারে নিয়ে প্রশাসনকে অবহিত করা হয়েছে।

মেট্রোপলিটন মাহিগঞ্জ থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমান জানান, এই সড়কের গুরুত্বপূর্ণ অনেক স্থানে সিসিক্যামেরা রয়েছে, সেগুলো পর্যালোচনা করে যতদ্রুত সম্ভব অপরাধীদের সনাক্ত করা এবং হারিয়ে যাওয়া গরুগুলো উদ্ধার করা।

রংপুর জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার সিরাজুল ইসলাম জানান, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ক্ষতিগ্রস্থ খামারিদের সাথে কথা বলে তালিকা করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৭, ২০২২ ১০:২৩ পূর্বাহ্ন
দানাদার খাদ্য, মাছ, মাংস ও ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পূর্ণ: প্রধানমন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

সরকার গৃহীত কৃষিবান্ধব নীতি ও কার্যক্রমে দানাদার খাদ্য, মাছ, মাংস ও ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দ্বারপ্রান্তে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বুধবার (২৭ জুলাই) ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ সম্মাননা প্রদান উপলক্ষে দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ কথা জানান।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য সরকার প্রথমবারের মতো ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ সম্মাননা প্রদান করতে যাচ্ছে জেনে আমি আনন্দিত। সংশ্লিষ্ট সবাইকে অভিনন্দন এবং যারা এ স্বীকৃতি পাচ্ছেন তাদেরও আন্তরিক অভিনন্দন।

সরকারপ্রধান বলেন, আমরা দেশব্যাপী ১০০টি অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছি। এতে কৃষিনির্ভর শিল্পের কাঁচামাল সরবরাহে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনসহ ব্যাপক কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে। রাজধানীর সঙ্গে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার নিরবচ্ছিন্ন, সাশ্রয়ী ও দ্রুত যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার জন্য আমরা নিজস্ব অর্থায়নে পদ্মা সেতু নির্মাণে সফল হয়েছি। এ সেতুর মাধ্যমে নদীবিধৌত উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষি ও মৎস্য সম্পদ আহরণ এবং সারাদেশে দ্রুত বাজারজাতকরণের ফলে এ অঞ্চলের কৃষি ও কৃষকের জীবনমান আরও উন্নতি হবে।

শেখ হাসিনা বলেন, সরকার গৃহীত কৃষিবান্ধব নীতি ও কার্যক্রমে দানাদার খাদ্য, মাছ, মাংস ও ডিম উৎপাদনে বাংলাদেশ আজ স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং দুধ উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণতার দ্বারপ্রান্তে। ধান, পাট, আম, পেয়ারা, আলু প্রভৃতি ফসল ও ফল উৎপাদনে বাংলাদেশ শীর্ষ ৮টি দেশের মধ্যে রয়েছে।

তিনি বলেন, এসব কার্যক্রমে যারা অবদান রাখছেন, তাদের মধ্য থেকে নির্বাচিত ব্যক্তিবর্গকে আজ ‘কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি (এআইপি) ২০২০’ হিসেবে ঘোষণা ও সম্মাননা প্রদান করা হচ্ছে। এর ফলে দেশে কৃষিপেশার মর্যাদা সমুন্নত হবে এবং কৃষির উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে। আমাদের লক্ষ্য, বর্তমান প্রয়াসকে আরও গতিশীল করে ২০৩০ সালের মধ্যে এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করে ২০৪১ সালের মধ্যে জাতির পিতার উন্নত, সুখী, সমৃদ্ধ স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৫, ২০২২ ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
ছাগলের কৃমি দমনে করণীয়
প্রাণিসম্পদ

ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন বাংলাদেশের খামারীদের ভাগ্যবদলের অন্যতম পাথেয়। ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের মাংস যেমন সুস্বাদু, চামড়া তেমনি আন্তর্জাতিকভাবে উন্নতমানের বলে স্বীকৃত। তবে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলেও নিতে হয় আলাদা যত্ন। বিশেষ করে কৃমি দমনে কার্যকরী পদক্ষেপ খামারীদের জন্য বেশ উপকারী।

ছাগলের বাচ্চার কৃমি দমনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ:

কৃমি দমন : কৃমি ছাগলের মারাত্মক সমস্যা। বয়স্ক ছাগল ও বাচ্চার কৃমি দমনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, শুধু পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহ ও উন্নত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই আশানুরূপ উৎপাদন পাওয়া যায় না।

কৃমির জন্য উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। কাজেই কাছের প্রাণিসম্পদ হাসপাতাল থেকে ছাগলের মল পরীক্ষা করে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ছাগলকে নিয়মিত কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়াতে হবে।

১-৪ মাস পর্যন্ত বাচ্চা দের কৃমি মুক্ত করার পদ্ধতি:

বাচ্চা ছাগল, ভেড়া, গাড়ল:- বিভিন্ন খামারী এরং ছাগল পালন কারীর সাথে আলোচনা করে এবং নিজে অভিজ্ঞতা থেকে একটি সাধারণ বিষয় লক্ষ্যণীয় হল ছাগলের ক্ষেত্রে বাচ্চা জন্মানোর প্রথম ১ মাস বাচ্চা গুলোর দৈহিক বৃদ্ধি ভাল থাকে এবং দেখতে খুব সুন্দর থাকে কৃমি মুক্ত না করা বাচ্চাগুলো দ্বিতীয় মাস থেকেই আস্তে আস্তে দৈহিক বৃদ্ধি এবং সৈন্দর্য কমতে থাকে, দিন দিন শুকিয়ে যায় আর পেটের সাইজ বড় হতে থাকে,খুবই ঘন ঘন পাতলা পায়খানা হয়, আবার পায়খানার সাথে সাদা সাদা ফিতা কৃমি,হুক কৃমি,চাবুক কৃমি বের হতে থাকে ।

বাচ্চাগুলো খুবই দূর্বল হয়ে ধীরে ধীরে হাড় চামড়ার সাথে ভেসে উঠে কিছু বাচ্চা মারা যায় আবার কিছু বাচ্চা বছর পার হলেও শরির স্বাস্হ্য খারাপ হতেই থাকে । আমারা খামারে সাধারণতঃএই সমস্যার সন্মুখিন হচ্ছি বা হতে পারি। সেজন্য নিচের নিয়মে ছাগল,গাড়লের বাচ্চাদের কৃমি মুক্ত করতে পারলে খামার কে লাভবান করা সম্ভব।

বাচ্চাকে ১ মাস বয়স হলে নিওট্যাক্স,বা এক্সট্রাস মানুষের সিরাপ জেনেরিক নেইম লিভামিসোল প্রতি কেজি দৈহিক ওজনের জন্য ১ এমএল হিসেবে খাওয়াতে হবে । (বিঃদ্রঃ কৃমির প্রভাব দেখা দিলে ১৫দিন বয়স থেকেও দেওয়া যেতে পারে।) দুই মাস বয়স পূর্ন হলে এলটিভেট জেনেরিক নেইম লিভামিসোল + ট্রাইক্লাবেন্ডাজল ৪০ কেজি দৈহিক ওজনের জন্য ১ টি ট্যাবলেট হিসেবে খাওয়াতে হবে ।

তিন মাস বয়স হলে এমেকটিন প্লাস জেনেরিক নেইম আইভারমেকটিন + ক্লোরসুলন ২৫ কেজি হিসেবে ১ এমএল চামড়ার নীচে ইঞ্জেকশন দিতে হবে। চার মাস বয়স হলে প্যারাক্লিয়র ফেনবেন্ডাজল গ্রুপের ট্যাবলেট ১০-২০ কেজির জন্য ১ টি । তার ৭-৮ মাস পূর্ণ হলে বড় ছাগলের রুটিনে কৃমি মুক্ত করতে হবে ।

বাচ্চা গাড়ল, ভেড়া, ছাগলের ক্ষেত্রে যেহেতু ১-২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত মায়ের দুধ পান করে তাই কৃমির ঔষধ খাওয়ানোর পর লিভারটনিক না খাওয়াতে পারলে তেমন কোন সমস্যা হবে না আর ৩-৪ মাসে কৃমির ঔষধের দেওয়ার পর লিভারটনিক খাওয়াতে হবে ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৫, ২০২২ ৮:৩১ পূর্বাহ্ন
কুমিরের মুখ থেকে বেঁচে ফিরল গরু
প্রাণিসম্পদ

সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে কুমিরের মুখ থেকে বেঁচে ফিরেছে একটি গরু।

রবিবার (২৪ জুলাই) বিকালে মোংলা উপজেলার জয়মনি এলাকার চাঁদপাই ফরেস্ট লঞ্চঘাট সংলগ্ন শ্যালা নদীতে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়রা জানান, বিকালে জয়মনি এলাকার শ্যামল মজুমদারের একটি গরু শ্যালা নদীতে পানি খেতে নামে। এসময় একটি কুমির গরুটির পিছনে এসে আক্রমণ করে। কুমিরটি পা টেনে গরুটিকে গভীর পানিতে টেনে নিতে লাগলে গরুটি পাল্টা প্রতিরোধ করে এবং কুমিরকে নিয়ে উপরে উঠে আসে।

পরে স্থানীয়রা দ্রুত এগিয়ে আসলে কুমিরটি গরুর পা ছেড়ে নদীতে ফিরে যায়।

গরুর মালিক বলেন, কুমিরের আক্রমণে গরুর পেছনের রান ও দুই পা জখম হয়েছে। রান ও পায়ের কয়েক জায়গার মাংস কামড়ে থেঁতলে গেছে। গরুটিকে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কার্যালয়ে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

সুন্দরবন পূর্ব বন বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোহাম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, নদীতে পানি খেতে নেমে একটি গরু কুমিরের আক্রমণের শিকার হয়। কুমির কামড়ে থাকা অবস্থাতেই গরুটি উপরের দিকে উঠে আসে। বনবিভাগ গরুটি উদ্ধার করে মালিকের কাছে হস্তান্তর করেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৪, ২০২২ ৫:৩৩ অপরাহ্ন
নিরাপদ মাছ উৎপাদন ও সরবরাহে কাজ করছে সরকার: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

নিরাপদ মাছ উৎপাদন ও সরবরাহে সরকার কাজ করছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

রবিবার (২৪ জুলাই) দুপুরে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২২ উদযাপন উপলক্ষ্যে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র সংলগ্ন মাঠে আয়োজিত কেন্দ্রীয় মৎস্য মেলা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ সময় মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশে অতীতে মাছের মান নিয়ন্ত্রণে কোন আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন পরীক্ষাগার ছিল না। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে আন্তর্জাতিক মানের পরীক্ষাগার স্থাপন করেছেন। মাছের খাবার এবং যে মাছ রপ্তানি করা হবে তা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা এখন সম্ভব হচ্ছে। সরকারের পদক্ষেপের কারণে বাজারে এখন ফরমালিনের প্রয়োগ নেই। মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাসহ সরকারের অন্যান্য পর্যায়ের কর্মকর্তারা দেখভাল করছে।

নিরাপদ মাছ ছাড়া ক্ষতিকর কোন মাছ বাজারে বা অন্য কোন জায়গায় বিক্রি হবে না। যে মাছ ক্ষতিকর তা উৎপাদনও কেউ যাতে করতে না পারে সে বিষয়ে সরকার কাজ করছে।

মন্ত্রী জানান, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বাংলাদেশের মৎস্য খাতকে সমৃদ্ধ করার জন্য সর্বপ্রথম গণভবন লেকে মাছের পোনা অবমুক্ত করেছিলেন। তার ধারাবাহিকতায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৎস্য খাতকে সমৃদ্ধ করার জন্য যেখানে যেভাবে বিনিয়োগ দরকার সেখানে সেভাবে বিনিয়োগ করছেন। তার লক্ষ্য মাঝে যে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি, শুধু এখানে থেমে থাকলে হবে না। ব্যাপক উৎপাদন করে বিদেশে রপ্তানি করে বিদেশ থেকে আমরা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করব। সে অর্থ দেশের উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে। এ খাতকে আরও সম্প্রসারিত করার জন্য বেসরকারি উদ্যোক্তাদের এগিয়ে আসতে হবে। যারা এগিয়ে আসবে রাষ্ট্র তাদের সব ধরনের সহায়তা দেবে।

তিনি আরও বলেন, মাছ হবে খাবারের একটা বড় অংশ। মাছ হবে পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মেটানোর একটা সহায়ক খাত। বেকারত্ব দূর করা, উদ্যোক্তা তৈরি, গ্রামীণ অর্থনীতি সচল করা এবং বিদেশে রপ্তানির মাধ্যমে বাংলাদেশের সমৃদ্ধির একটি বড় খাত হবে মাছ।

এর আগে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাককে সাথে নিয়ে কেন্দ্রীয় মৎস্য মেলায় বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ছোট মনির এমপি ও মোছা. শামীমা আক্তার খানম এমপি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. হেমায়েৎ হুসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদসহ মন্ত্রণালয় ও মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ।

এদিন সকালে গণভবনে থেকে ভার্চুয়ালি জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২২ ও কেন্দ্রীয় মৎস্য মেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আজ শুরু হওয়া কেন্দ্রীয় মৎস্য মেলা আগামী তিন দিন অনুষ্ঠিত হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৪, ২০২২ ৫:১৮ অপরাহ্ন
বাফিটার উদ্যোগে সিলেটের বানবাসিদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ
প্রাণ ও প্রকৃতি

বাংলাদেশ এগ্রো ফিড ইনগ্রিডিয়েন্টস ইম্পোর্টার্স এন্ড ট্রেডার্স এসোসিয়েশন এর উদ্যোগে সিলেটে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করা হয়।

গত শুক্রবার (১ জুলাই) বাংলাদেশ এগ্রো ফিড ইনগ্রিডিয়েন্টস ইম্পোর্টার্স এন্ড ট্রেডার্স এসোসিয়েশন সিলেটের বানবাসিদের মাঝে বিভিন্ন খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করেন

দেশের কৃষিখাত সংশ্লিষ্ট প্রাণীজ (পোল্ট্রি, মৎস্য ও ডেইরী) খাদ্য উৎপাদণ শিল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্টেকহোল্ডার হিসাবে প্রাণীজ খাদ্য তৈরির উপকরণসমূহ আমদানি ও সরবরাহকারীদের একমাত্র প্লাটফর্ম বাংলাদেশ এগ্রো ফিড ইনগ্রিডিয়েন্টস ইম্পোটার্স এন্ড ট্রেডার্স এসোসিয়েশন সিলেটে স্মরণকালের ভয়াবহ বন্যায় রাধানগর, জাফলং, গোয়াইনঘাট, এলাকার ক্ষতিগ্রস্তদের মাঝে খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop