২:৫০ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ২৯ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৯, ২০২১ ৯:২৮ পূর্বাহ্ন
খামারে গাভীর যত্ন ও দুধ উৎপাদনে যা করবেন
প্রাণিসম্পদ

বর্তমান সময়ে দুধ উৎপাদনের জন্য অনেকেই গাভী পালন করে থাকেন। আবার কেউ কেউ গাভীর খামার গড়ে লাভবান হচ্ছেন। খামারে গাভী পালনে সঠিক যত্ন ও দুধ উৎপাদন বাড়াতে বেশ কিছু কাজ করতে হয়।

খামারে গাভীর যত্ন ও দুধ উৎপাদন বৃদ্ধিতে যা করবেন:
খামারে গাভীর যত্নে গাভীর থাকার জায়গা ও ঘর নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। গাভীর খামারে সব সময় আলো ও বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা করতে হবে। খামারের পরিবেশ ঠিক থাকলে গাভীর স্বাস্থ্য ঠিক থাকবে ও খামারে দুধের উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।খামারের গাভীকে পর্যাপ্ত পরিমাণে সবুজ ঘাস, খড় ও সুষম দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে হবে এবং রাতে গাভীর সামনে পরিষ্কার পানি দিয়ে রাখতে হবে। এতে গাভীর দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পায়।

খামারে পালন করা গাভীকে প্রত্যেক দিন সঠিক নিয়ম মেনে গোসল করিয়ে দিতে হবে। নিয়মিত গাভীকে গোসল করালে গাভীর শরীর সতেজ থাকবে ও দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।প্রত্যেক দিন গাভীকে ব্রাস দিয়ে কিছু সময় আঁচড়ে দিতে হবে। এর ফলে গাভী আরাম বোধ করে এবং গাভীর দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে।

প্রত্যেক দিন একই সময়ে দুধ দোহান করতে হবে। এজন্য অভিজ্ঞ ব্যক্তি বা মেশিন ব্যবহার করে দুধ দোহান করতে হবে।

খামারে গাভীর বাছুরকে দুধ খেতে দিতে হবে এবং গাভীর নিকটবর্তী দুরত্বে বাছুর রাখতে পারলে ভালো হবে। বাছুরকে পর্যাপ্ত দুধ খাওয়াতে গাভীর দুধ উৎপাদন ভালো হয়। তাই গাভীকে বাছুরের সাথে কিছু সময় অতিবাহিত করার সুযোগ করে দিতে হবে।গাভীর থাকার জায়গা আরামদায়ক করার ব্যবস্থা করে দিতে হবে। থাকার স্থানে গাভীকে কোনভাবেই বিরক্ত করা যাবে না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৮, ২০২১ ৭:৪৫ অপরাহ্ন
জনবান্ধব মানসিকতা নিয়ে দায়িত্ব পালনের আহ্বান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর
প্রাণিসম্পদ

জনবান্ধব মানসিকতা নিয়ে সরকারি দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

বুধবার (০৮ সেপ্টেম্বর) সকালে সচিবালয়ের নিজ দপ্তর কক্ষে সরকারের অতিরিক্ত সচিব পদে সদ্য পদোন্নতিপ্রাপ্ত মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব এস এম ফেরদৌস আলমকে অভিনন্দন জ্ঞাপনে আয়োজিত সভায় মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের এ আহ্বান জানান মন্ত্রী ।

এ সময় মন্ত্রী বলেন,“স্বচ্ছতা, সততা ও দায়িত্বশীলতা নিয়ে কাজ করতে হবে। গতানুগতিক চাকরি করার মাঝে কোন কৃতিত্ব নেই। চাকরিতে সৃজনশীলতা দেখানোর মধ্যে কৃতিত্ব আছে। সৃজনশীলভাবে নথি নিষ্পত্তি ও ব্যবস্থাপনায় কৃতিত্ব আছে। অহেতুকভাবে একটা প্রক্রিয়াকে জটিল করার প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে”।

তিনি আরো যোগ করেন,“মন্ত্রণালয়ে অর্পিত দায়িত্ব পালনে জনবান্ধব মানসিকতা ধারণ করতে হবে। নিজের কাজ যেন কোন বিষয়ে অহেতুক প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি না করে, সেটা খেয়াল রাখতে হবে। আইনের মধ্যে থেকে কীভাবে দাপ্তরিক কাজ সহজ করা যায় সে বিষয়ে সচেষ্ট হতে হবে। জনবান্ধব মানসিকতা, স্বচ্ছতার সাথে নথি নিষ্পত্তি করতে হবে। আন্তরিকতা, সততা, নিষ্ঠা এবং অনুভূতিতে দেশপ্রেম রেখে দায়িত্ব পালন করতে হবে”।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সুবোল বোস মনি ও মোঃ তৌফিকুল আরিফ, সদ্য অতিরিক্ত সচিব পদে পদোন্নতিপ্রাপ্ত এস এম ফেরদৌস আলম, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ এবং মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ অভিনন্দন জ্ঞাপন সভায় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৮, ২০২১ ৪:৪৮ অপরাহ্ন
গণপিটুনিতে গরু চোরের মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

নিয়ামতপুরে গরু চুরি করতে গিয়ে ধরা পড়ে গ্রামবাসীর গণপিটুনিতে মিটুন (৩২) নামের এক চোরের মৃত্যু হয়েছে। মিঠুন পোরশা উপজেলার মশিদপুর গ্রামের হারুন-অর-রশিদের ছেলে। সোমবার মধ্যরাতে উপজেলার চন্দননগর ইউনিয়নের পুংগী (নিবদা) আদিবাসী গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মঙ্গলবার সকালে পুলিশ তার লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ন কবির জানান, ওই ব্যক্তি পুংগী নিবদার আদিবাসীপাড়ায় চুরি করতে গিয়ে গণপিটুনিতে মারা গেছে।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সুত্রে জানা যায়, তার বিরুদ্ধে গরু, মোটরসাইকেল, মুরগি, ছাগল, মোবাইল ও ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র চুরি ও ছিনতাইয়ের অভিযোগ রয়েছে।

ওই রাতে মিঠুনসহ তিন-চারজন রাত আনুমানিক ১টার দিকে পুংগী নিবদা গ্রামে চুরি করতে যায়। এ সময় মিঠুন একাই ওই গ্রামের মৃত শুকুরের ছেলে দিপেনের বাড়িতে প্রাচীর টপকিয়ে ভিতরে ঢুকে। বাড়ির সদস্যরা শব্দ পেয়ে জেগে গিয়ে তাকে ধরে বেধে বাড়ির বাইরে নিয়ে আয়। এ সময় তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়।

ওই গ্রামের বিশ্বজিৎ জানান, মিঠুন ও তার সঙ্গীদের অত্যাচারে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ। গরু, মুরগি, মোটরসাইল, মোবাইল, ঘরের বিভিন্ন আসবাবপত্র চুরিসহ ছিনতাই এমন কোনো অপকর্ম নাই তারা করে না। মিঠুনকে ধরে বাড়ির বাইরে নিয়ে আসা হলে গ্রামের অনেকে এসে রাগে তাকে মারতে শুরু করেন। এতে সে মারাত্মকভাবে অসুস্থ হয়ে যায়। সকালে সে মারা যায়। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে যায়।

চন্দননগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বদিউজ্জামান বদি জানান, মিঠুন চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন মামলার আসামি। গত তিন দিন আগে জেল থেকে ছাড়া পেয়েছে সে। ওই রাতে সে চুরি করার জন্য পুংগী নিবদা গ্রামে গেলে ধরা পড়ে। বিক্ষুব্ধ গ্রামবাসীর পিটুনিতে মিঠুন মারা যায়।

নিয়ামতপুর থানার অফিসার ইনচার্জ হুমায়ন কবির জানান, মিঠুনের লাশ উদ্ধার করে নওগাঁ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৭, ২০২১ ৩:০০ অপরাহ্ন
ডিম বিক্রি করে বছরে আয় ২০ লাখ টাকা!
প্রাণিসম্পদ

কিশোরগঞ্জ তাড়াইল উপজেলার সাচাইল ইউনিয়নের দড়িজাহাঙ্গীরপুর গ্রামের বাসিন্দা আমিরুল ইসলাম(২১)। প্রায় ২৫ বছর আগে পরিবারের হাল ধরতে বাবা মো. আবু জাহেদ (৭০) গড়ে তুলেছিলেন একটি ছোট হাঁসের খামার। অনেক চড়াই-উতরাই পেরিয়ে সেই খামারের আয় থেকেই পরিবারে সচ্ছলতা ফিরে আসে। বর্তমানে ডিম বিক্রিতেই বছরে তার আয় প্রায় ২০ লাখ টাকা

বাবা বৃদ্ধ হওয়ায় বর্তমানে খামারের পুরো দায়িত্ব আমিরুলের কাঁধে। আর সেই দায়িত্বের ওপর ভর করে খামারটি নিয়ে অনেক স্বপ্ন বুনছেন তিনি। তার বাবার সময়ে শুধু হাঁস পালন ও বিক্রি করা হতো। সেখান থেকে যেমন আয় হতো, ব্যয়ও ছিল প্রচুর। কিন্তু আমিরুলের ভাবনাটা একটু ভিন্ন। তিনি হাঁস পালনে দুটি পদ্ধতি বেছে নিয়েছেন। হাঁসের পাশাপাশি ডিম বিক্রি করা।

প্রথমে ৩০ টাকা দরে একদিন বয়সের ৩০০টি হাঁস নিয়ে যাত্রা শুরু করেন এই খামারি। এক পর্যায়ে অপেক্ষাকৃত বড় জাতের হাঁস কিনে ডিমের ব্যবসার দিকে নজর দেন। ফাল্গুন-চৈত্র মাসে অপেক্ষাকৃত বড় জাতের যেসব হাঁসের বাচ্চা ফোটানো হয়, আশ্বিন মাসে সেগুলো ৫০০-৫২০ টাকায় কিনে এনে লালন-পালন করেন। কার্তিক মাস থেকে হাঁসের পাড়া ডিম বিক্রি শুরু হয়। বৈশাখ মাস পর্যন্ত ডিম বিক্রি করে প্রথম বছরেই ভালো লাভ করেন তিনি। এতে আর পেছনে তাকাতে হয়নি আমিরুলকে।

বৈশাখ মাসের পর হাঁসগুলো ডিম পাড়া ছাড়লে একটু কম দামে ৪০০-৪৫০ টাকা করে বিক্রি করেন। তাতেও বহু টাকা লাভ হয় তার। বর্তমানে ডিম বিক্রিতেই বছরে তার আয় প্রায় ২০ লাখ টাকা। পুরো খামারটি তার নিজস্ব জায়গার উপর তৈরি। খামারের ভেতরে একটি পুকুরও রয়েছে। যেখানে হাঁসগুলো আপন মনে সাঁতার কাটতে পারে। পুকুরটি ঘিরে চারপাশে বিভিন্ন ফলফলাদির গাছ ও হাঁসের নিরাপত্তায় নেট লাগানো হয়েছে।

খামারি আমিরুল জানান, হাঁস পালনে আমি দেশীয় পদ্ধতি বেছে নিয়েছি। খাবারে-দেশি শামুক, ধান, গমের পাশাপাশি অন্য খাবারও দিচ্ছি। সঠিকভাবে শ্রম দিলে হাঁস পালনে বিদেশি টাকার চেয়েও বেশি উপার্জন করা সম্ভব। অনেকেই এখন আমাকে দেখে হাঁস পালনের পরামর্শ নিতে আসছেন। প্রাণিসম্পদ বিভাগ কর্তৃপক্ষ নিয়মিত এসব খামার পরিদর্শন, বিনামূল্যে ভ্যাকসিন সরবরাহ, নিয়মিত পরামর্শ ও সহযোগিতা দিলে খামারিরা আরও উপকৃত হতো।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ফরহাদ হোসেন জানান, ওই এলাকায় কয়েকটি হাঁসের খামার হয়েছে। সেখানে খামারিরা হাঁস ও ডিম বিক্রি করে অনেক বেশি লাভবান। আমি খামারগুলো পরিদর্শন করেছি। তবে আমিরুলের খামারটি বেশ বড় ও পরিপাটি। তার পরিবার দীর্ঘ দিন ধরেই এ ব্যবসায় যুক্ত। প্রায় সময়ই খামারিরা বিভিন্ন পরামর্শ নিতে আসেন। তাই আমরাও চেষ্টা করছি ভবিষ্যতে এ প্রকল্পে সরকারিভাবে ঋণের মাধ্যমে তাদের উৎসাহিত করার।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৭, ২০২১ ৯:১৫ পূর্বাহ্ন
বজ্রাঘাতে মারা গেল কৃষকের ৪ গরু
প্রাণিসম্পদ

বজ্রাঘাতে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে আবুল লতিফ নামের এক কৃষকের ৪টি গাভী মারা গেছে।

সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোরে উপজেলার তালম ইউনিয়নের চৌড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নাজির উদ্দিন জানান, সোমবার (৬ সেপ্টেম্বর) ভোর রাতে প্রচণ্ড বৃষ্টি শুরু হয়। বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে বজ্রাঘাতও হয়।

এ সময় বজ্রাঘাতে কৃষক আব্দুল লতিফের গোয়াল ঘরে থাকা ৫টি গাভীর মধ্যে ৪টি গাভী মারা যায়। গুরুতর আহত হয় আরও একটি গাভী। বজ্রাঘাতে তার ৪টি গাভী মারা যাওয়ায় প্রায় তিন লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে।

তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মেজবাউল করিম আরটিভি নিউজকে বলেন, খুবই দুঃখজনক ঘটনা। প্রাকৃতিক ঘটনায় কারো হাত নেই। তবে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের সঙ্গে কথা বলে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষককে উপজেলা প্রশাসন থেকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদানের ব্যবস্থা করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৬, ২০২১ ৬:১২ অপরাহ্ন
কেঁচো সারের খামার পরিদর্শনে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ
প্রাণিসম্পদ

ফরিদপুরের তানিয়া পারভীন কেঁচো সার উৎপাদন করে এখন স্বাবলম্বী। আর এই সার উৎপাদনে যৌথভাবে কাজ করছেন জেলা প্রানি সম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাগণ। উদ্যোগতা তানিয়া পারভীনকে প্রশিক্ষণ, পরমর্শ ও উৎপাদিত সার বাজারজাত করারও ব্যবস্থা করছেন তারা।

জেলা প্রণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. নুরুল্লাহ্ মো. আহসান তানিয়া পারভীনের সারের প্রজেক্ট পরিদর্শণ করেন। এ সময় উৎপাদিত সারের গুনগত মান ঠিক রাখা ও সার বাজার জাতের বিষয়ে পরামর্শ প্রদান করেন।

এছাড়াও জেলা প্রাণি সম্পদের বিভিন্ন প্রকল্পের মাধ্যমে সার উৎপাদন ও বাজারজাত করা বিষয়ে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. তানিয়া আহমেদ।

জেলা প্রণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নুরুল্লাহ্ মো. আহসান বলেন, তানিয়া বেগমের উৎপাদিত সারের গুনগত মান অনেক ভালো। আমরা তার এই খামারের পরিধি বৃদ্ধির বিষয়ে আমাদের অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সার্বিক সহযোগিতা করবো। ্এই ধরনের উদ্যোগতাদের পামে প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তর সবসময় পাশে থাকবে।

উল্লেখ্য, তানিয়া পারভীন ফরিদপুর পৌরসভার শোভাররামপুর মহল্লার বাসিন্দা। তার উৎপাদিত সারের গুণগত মান ভালো হওয়ায়, স্থানীয় কৃষকদের চাহিদা পুরণ করে, এখন দেশের বিভিন্ন জেলার কৃষকদের চাহিদা পুরন করছে। জেলার বাইরে সার যাচ্ছে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জেলায় ট্রাককে ট্রাক সার যাচ্ছে প্রতিদিন। প্রতি মাসে উৎপাদন করছেন ৩ থেকে ৪টন সার। সার বিক্রি করে প্রতি মাসে আয় করছেন ৩০ থেকে ৩৫ হাজার টাকা। সার উৎপাদন করে হয়েছেন স্বাবলম্বী। তার খামারে কাজ করে তিন জন নারীও ভালো আছেন।

তানিয়া একাই স্বাবলম্বী হননি, অনেক নারীকেও করেছেন স্বাবলম্বী। তানিয়ার সাফল্য দেখে, অন্য নারীরাও তানিয়ার থেকে পরমর্শ নিয়ে গড়ে তুলেছেন কেঁচো সারের খামার। তারাও এখন তানিয়ার মতো সার উৎপাদন করছেন এবং বিক্রয় করে স্বামী সংসার নিয়ে ভালোই আছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৩, ২০২১ ৬:৩৮ অপরাহ্ন
সোনালি মুরগি পালনে ঝুঁকছেন আনোয়ারায় তরুণরা
পোলট্রি

করোনা মহামারির কারণে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় আনোয়ারার তরুণরা ঝুঁকছে সোনালি মুরগি পালনে। এতে করে ভাগ্যবদল হচ্ছে সেখান যুবকদের। প্রশংসা কুড়াচ্ছেন তরুণরা।

জানা যায়, ঘরের ছাদে, বসতবাড়ির আঙ্গিনা, পুকুর পাড়সহ খালি জায়গায় গড়ে উঠেছে ফার্ম।

উদ্যোক্তা মোহাম্মদ এনাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ। তাই বাড়ির আঙ্গিনার খালি জায়গায় সোনালি মুরগির ফার্ম করেছি। এ পর্যন্ত তিন বার বাচ্চা তুলে প্রতিবারেই ৭০-৮০ হাজার টাকা লাভ হয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. দেলোয়ার হোসেন জানান, দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় তরুণেরা বিশেষ করে কলেজ শিক্ষার্থীরা মুরগী পালনে ঝুঁকছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৩, ২০২১ ৪:২০ অপরাহ্ন
মৎস্যসম্পদের বহুমুখী ব্যবহারের ক্ষেত্র সৃষ্টি করতে হবে: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশকে উন্নত-সমৃদ্ধ করার জন্য মৎস্যসম্পদের বহুমুখী ব্যবহারের ক্ষেত্র সৃষ্টি করতে হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

শুক্রবার (০৩ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২১ এর সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা জানান।

এ বিষয়ে মন্ত্রী আরো বলেন, “মৎস্যসম্পদের বহুমুখী ব্যবহারের ক্ষেত্র সৃষ্টির জন্য আমাদের কাজ করতে হবে। শুধু ভাতের সাথে মাছ খাওয়া নয়, মাছ থেকে কী কী পণ্য তৈরি করা যায় সেটা নিয়ে গবেষণা করতে হবে। পৃথিবীর অনেক দেশে মৎস্য ও মৎস্যজাতীয় জলজ সম্পদ থেকে বিভিন্ন বেকারি পণ্য তৈরি হচ্ছে। মাছ থেকে চিপস, ফিস বল বা অন্যান্য খাবার তৈরি করা যেতে পারে। মাছের বহুবিধ ব্যবহারে মানুষকে আকৃষ্ট করতে হবে। অনেকে স্বাভাবিকভাবে মাছ খায়না কিন্তু রেস্তোরায় মাছ দিয়ে তৈরি খাবার খেতে চায়। পুষ্টি চাহিদা পূরণে এক প্রক্রিয়ায় মাছ না খেলে মানুষকে অন্য প্রক্রিয়ায় খাওয়াতে হবে। আমরা চাই মাছের বহুমুখী পণ্যের বিকাশ হোক।”

দেশের বাইরে থেকে আমদানি করা মৎস্য খাদ্য উপকরণ দেশে তৈরির শিল্প স্থাপনে বেসরকারি খাতকে এগিয়ে আসার জন্য এ সময় আহ্বান জানান মন্ত্রী। কর অব্যাহতি সুযোগসহ রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যে ধরনের সহযোগিতা লাগবে তা দেওয়া হবে বলেও এসময় আশ্বস্ত করেন তিনি। আমাদের মৎস্যসম্পদ বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় কোন অংশে কম নয় উল্লেখ করে দেশের সমুদ্র অঞ্চল, বদ্ধ জলাশয় ও উন্মুক্ত জলাশয়সহ মৎস্য চাষ উপযোগী সব ক্ষেত্রের সর্বোচ্চ ব্যবহারের জন্য সৃজনশীল কাজ করার উপর গুরুত্বারোপ করেন মন্ত্রী।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, “মৎস্য খাতের যে কোন সমস্যা সমাধানে সরকারের পক্ষ থেকে যা কিছু করণীয় সেটা করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান তাঁর সরকার আমলে মৎস্য খাত বিকশিত হোক। সেজন্য তিনি এ খাতে সকল সহযোগিতার দ্বার উন্মুক্ত করে দিয়েছেন। মৎস্যজীবী নয় এমন মানুষের কার্ড বাতিল করে প্রকৃত মৎস্যজীবীদের কার্ড দেয়া এবং তাদের কাছে যথাযথভাবে সরকারি সহযোগিতা পৌঁছে দেওয়ার ব্যাপারে পূর্বের চেয়ে বেশি গুরুত্বারোপ করে আমরা কাজ করছি।”

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, “বিদেশে মৎস্য রপ্তানির ক্ষেত্রে দেশের স্বার্থে রপ্তানির সাথে সংশ্লিষ্টদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে হবে। যাতে কোন রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান জাল সনদ অথবা রাসায়নিক মিশ্রিত মৎস্য রপ্তানি না করে। মৎস্য খাতে কিছু অসাধু ব্যক্তির কারণে ভালো কাজ করা ব্যক্তিরা ক্ষতিগ্রস্ত হন। তাদের বিরুদ্ধে তথ্য দিলে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ খাতে ভালো কাজ করা ব্যক্তিদের আমরা সহযোগিতা করতে চাই।”

এ সময় তিনি বলেন, “মৎস্য খাত সংশ্লিষ্টদের উদ্বুদ্ধ করা, উচ্ছ্বসিত করা ও কাজে সম্পৃক্ত করা, এ খাতের প্রতি জনগণকে আগ্রহী করে তোলা এবং এ খাতের সমস্যা চিহ্নিত করে তা সমাধানের মাধ্যমে খাতটিকে গতিশীল করার জন্য প্রতি বছর মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন করা হয়। পাশাপাশি এ খাতে উদ্ভাবনকে উৎসাহিত করাও মৎস্য সপ্তাহের অন্যতম লক্ষ্য। করোনায় সৃষ্ট বেকারত্ব দূর করতে মৎস্য খাত গুরুত্বপূর্ণ একটা ক্ষেত্র হতে পারে। এ কারণে এ বছর মৎস্য সপ্তাহে বিষয়টিকে প্রতিপাদ্য হিসেবে রাখা হয়েছে।”

মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস আফরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য ও জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২১ উদযাপনের সাথে সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। জাতীয় মৎস্য সপ্তাহের বাস্তবায়িত কার্যক্রম তুলে ধরেন মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক (অভ্যন্তরীণ মৎস্য) আজিজুল হক। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনিস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, মৎস্য অধিদপ্তরের বরিশাল বিভাগের উপপরিচালক মোঃ আনিছুর রহমান তালুকদার, যশোর জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আনিছুর রহমান, ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ এর সদস্য সচিব মোঃ আহসানুজ্জমান, বাংলাদেশ ফ্রোজেন ফুড এক্সপোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি আমানউল্লাহ, বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি সাইদুর রহমান অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ২০৪১ সালের মধ্যে মাছের উৎপাদন দ্বিগুণ করার প্রত্যয়ের কথা জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মোঃ তৌফিকুল আরিফসহ মন্ত্রণালয় ও মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকতাগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এছাড়া মাঠ পর্যায়ের মৎস্য কর্মকর্তাগণ ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানে সংযুক্ত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২, ২০২১ ১০:১০ অপরাহ্ন
গরুকেই ‘জাতীয় পশু’ করতে চায় ভারত
পাঁচমিশালি

১৯৭৩ সালের এপ্রিল মাসে ভারতের জাতীয় পশু হিসাবে ঘোষণা দেয়া হয় বাঘকে। এর আগে সিংহ ছিলো ভারতের জাতীয় পশু। আর এখন গরুকে জাতীয় পশু করার পক্ষে সুপারিশ করেছে ইলাহাবাদ হাইকোর্ট। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়।

বুধবার (১ সেপ্টেম্বর) গরু হত্যা সংক্রান্ত একটি মামলায় অভিযুক্তের জামিনের আবেদনের শুনানিতে বিচারপতি শেখরকুমার যাদব এ সুপারিশ করেন।

গরুকে জাতীয় পশু করার পক্ষে বিচারপতি শেখরকুমার যাদবের বক্তব্য, ‘‘গরু ভারতীয় সংস্কৃতির সঙ্গে অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত। তাই গরুকেই দেশের জাতীয় পশু করা উচিত।’’

গরু হত্যা সংক্রান্ত মামলার শুনানির পর উত্তরপ্রদেশ গরু হত্যা বিরোধী আইনে অভিযুক্ত জাবেদ নামের এক ব্যক্তির জামিনের আবেদন খারিজ করে দেন বিচারপতি যাদব।

জামিন খারিজের কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি জানান, গরু সম্পর্কে ভারতীয় সমাজে ভাবাবেগ রয়েছে। অভিযুক্তকে জামিন দেওয়া হলে সামাজিক সম্প্রীতি বিঘ্নিত হবে। ভারতীয় নাগরিকদের মতোই গরুর মৌলিক অধিকার সুরক্ষিত করতে সংসদ বিল পাশ করিয়ে নতুন আইন প্রণয়নেরও সুপারিশ করেন তিনি। এছাড়া, বিচারপতি বলেন, ‘‘গরুর ভাল হলে তবেই দেশের ভাল হবে।’’

প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালেও হিন্দু ধর্মগুরু ও সাধুদের একটি সভায় বাঘকে সরিয়ে গরুকে জাতীয় পশুর স্বীকৃতি দেওয়ার দাবি উঠেছিল।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২, ২০২১ ৬:১৯ অপরাহ্ন
সংসদ সদস্য হাসিবুর রহমান স্বপনের মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর শোক
প্রাণিসম্পদ

সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য, শাহজাদপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, বীর মুক্তিযোদ্ধা হাসিবুর রহমান স্বপনের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

মন্ত্রী আজ এক শোক বার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop