১১:৪৫ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ২০ সেপ্টেম্বর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : নভেম্বর ১১, ২০২১ ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন
নীলফামারীতে আমন ধানের বাম্পার ফলন
কৃষি বিভাগ

নীলফামারীতে ফসলের মাঠ জুড়ে এখন সোনালি আমন ধানের শীষে দুলছে কৃষকের স্বপ্ন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাম্পার ফলনের আশা করছেন কৃষকেরা।

সদর উপজেলার পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের দীঘলটারী গ্রামের আবুল কালাম আজাদ বলেন, এবার আমন আবাদ করেছেন ১২ বিঘা জমিতে। অনুকুল আবহাওয়া ও সারের ঘাটতি না থাকায় আবাদ ভালো হয়েছে। এখন প্রতিটি ধানের শীষে সোনালি রং ধরেছে। ধান উঠার আগে কোন দুর্যোগ না হলে বাড়তি ফলনে বেশী লাভবান হতে পারবো।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তর সূত্র জানায়, জেলায় এবার এক লাখ ১৩ হাজার ৭৫ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। সে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আবাদ হয়েছে এক লাখ ১৩ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে। গত আমন মৌসুমের তুলনায় বেশী আবাদ হয়েছে ৪৫৮ হেক্টর জমিতে। ওই এক লাখ ১৩ হাজার ১০০ হেক্টরের মধ্যে উফশি ৯৪ হাজার ১৩৪ হেক্টর, স্থানীয় জাত ৫১০ হেক্টর, ও হাইব্রিড ১৮ হাজার ৪২৫ হেক্টর। এর মধ্যে সুগন্ধি ধান রয়েছে প্রায় ৩১ হেক্টর জমিতে। চলতি মাসের শেষ নাগাদ ধান ঘরে তুলবেন কৃষকেরা।

নীলফামারী সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. কামরুল হাসান জানান, মাঠ পর্যায়ে উঠান বৈঠক করে ধানের রোগবালাই দমনসহ সঠিক সময়ে অন্যান্য পরামর্শ প্রদান করায় কোন পোকামাকড়ের আক্রমণ হয়নি ক্ষেতে।

জেলা কৃষি সস্প্রসারণ দপ্তরের উপ-পরিচালক আবু বক্কর সিদ্দিক বলেন, জেলায় উফশি জাতের আমন আবাদ হয়েছে ৯৪ হাজার ১৩৪ হেক্টর জমিতে। অধিক ফলনের জন্য স্থানীয় জাতের তুলনায় হাইব্রিড ও উফশি জাতের ধানের আবাদে কৃষকদেরকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। আমন আবাদের উপযুক্ত পরিবেশসহ অন্য কোন ঘাটতি না থাকায় বাম্পার ফলন হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১০, ২০২১ ১:৫২ অপরাহ্ন
মরিচ চাষে ব্যস্ত বগুড়ার চাষিরা
কৃষি বিভাগ

বগুড়া সারিয়াকান্দির যমুনার চরগুলোতে নানা ধরনের সবজি চাষের পর নতুন করে সাজতে শুরু করেছে। যমুনা নদীর চরে দীর্ঘদিন বন্যার পানিতে নিমজ্জিত থাকা চরগুলোতে চাষ হচ্ছে গাইঞ্জা ধান, পিঁয়াজ, শাক, লাউসহ নানা ধরনের সবজি।

চাষের পর ফলন নিয়ে যমুনা নদীর চরের কৃষকরা চাষ এবং বাজারজাতকরণে ব্যস্ত সময় পার করছেন। চরে এবার সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে হাইব্রিড মরিচ।

দীর্ঘ সময় ফলন এবং বাজারে সারাবছর চাহিদা থাকায় এই জাতের মরিচ চাষ করে লাভবান হচ্ছেন চাষিরা।

বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলার ভেলাবাড়ী ইউনিয়নের জোড়গাছা গ্রামের সুলতান আলী জানান, উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা শফিউল আলমের পরামর্শে গত বছর চরের প্রায় ২২ শতক জমিতে চাষের পর থেকে দুই লাখ ১৬ হাজার টাকার হাইব্রিড মরিচ বিক্রি করেন। এ বছর ওই জমিসহ সর্বমোট ৬২ শতক জমিতে হাইব্রিড মরিচ চাষ করেছেন। এরমধ্যে ২২ শতকের জমি থেকে প্রথম তোলায় ৪ মণ, দ্বিতীয় তোলায় ৬ মণ এবং তৃতীয় তোলায় ১৩ মণ মরিচ পাওয়া গেছে।

৪০ শতকের জমি থেকে প্রথম তোলায় ৭ মণ, দ্বিতীয় তোলায় ১২ মণ এবং তৃতীয় তোলায় ১৮ মণ মরিচ পেয়েছেন। প্রায় ১১ থেকে ১২ দিন পর পর জমি থেকে মরিচ তুলে থাকেন। ফুলবাড়ী হাটে সাদা মরিচ ২ হাজার ৮০০ টাকা মণ এবং কালো মরিচ ৩ হাজার ২৫০ টাকা মণ দরে বিক্রি হয়েছে। পৌষ মাসের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত জমি থেকে মরিচ উত্তোলন করা যাবে।

সারিয়াকান্দি উপজেলার কাজলা ইউনিয়নের জামথল চরের মরিচ চাষি জবেদ আলী জানান, তিনি এ বছর ১৮ বিঘা জমিতে হাইব্রিড মরিচের চাষ করেছেন। এ পর্যন্ত ৭ মণ মরিচ বিক্রি করেছেন। প্রতিকেজি ৬০ টাকা করে বিক্রি করেছেন। তিনি আশা করছেন আগামী জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জমি থেকে মরিচ তুলতে পারবেন।

সারিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি কার্যালয়ের সূত্রে জানা যায়, চরের জমিতে পলি পড়ে চাষের উপযোগি হয়ে যায় জমিগুলো।

উপজেলার সব এলাকাতেই মরিচ চাষ হলেও চরাঞ্চলগুলোতে অপেক্ষাকৃত বেশি পরিমাণে হয়। চরাঞ্চলগুলোর মধ্যে চালুয়াবাড়ী, হাটবাড়ী, ফাজিলপুর, তেলীগাড়ী, গওলাডাঙ্গা, মানিকদাইড়, আউচারপাড়া, কাকালিহাটা, সবুজের পাড়া, চকরথিনাথ, দিঘাপাড়া, করনজাপাড়া, বনরপাড়া, কাজলা,  জামথল, পাকুরিয়া, উত্তর টেংরাকুরা, চরঘাগুয়া, নব্বইয়ের চর, কটাপুর, বেড়া পাঁচবাড়িয়া, কুড়িপাড়া, বাওইটোনা, উত্তর বেনিপুর, দক্ষিণ বেনিপুর, চরবাটিয়া, চিলাপাড়া, চরপাড়া, মথুরাপাড়া, ইন্দুরমারা, ডাকাত মারা, মূলবাড়ী, ধারাবর্ষা, শংকরপুর, কমরপুর, মাঝবাড়ী, মাঝিয়া, হাতিয়াবাড়ী এবং পৌতিবাড়ী চরে হাইব্রিড মরিচের গাছগুলো সতেজভাবে বেড়ে উঠছে, ফুল এসেছে এবং মরিচ ধরেছে। গত বছরে হাইব্রিড মরিচের ফলন হয়েছিল প্রতি হেক্টরে শুকনা আকারে ২.৪ মেট্রিক টন।

সারিয়াকান্দি কৃষি কার্যালয় বলছে,  এ অর্থবছরে সর্বমোট মরিচ চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৩ হাজার ৭৫০ হেক্টর। উপজেলায় সর্বমোট ৩ হাজার ৬২০ হেক্টর জমিতে মরিচ চাষ হয়েছে। এর মধ্যে হাইব্রিড মরিচের লক্ষ্যমাত্রা ছিল মাত্র ৮০০ হেক্টর যা লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ১ হাজার ৭৩৫ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে। উফসি জাতের মরিচের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ২ হাজার ৯৫০ হেক্টর যা কমে ১ হাজার ৮৮৫ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে।

বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. আব্দুল হালিম বলেন, গত কয়েক বছর ধরে হাইব্রিড মরিচের ভাল ফলন এবং দাম পাওয়ায় কৃষকরা এ জাতের মরিচ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছে। মরিচ ছাড়াও স্থানীয় চাষিরা চরে গাইঞ্জা ধান, মুলা, পেঁয়াজ, শাক, লাউসহ নানা ধরনের সবজি চাষ করেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৯, ২০২১ ১:৩৯ অপরাহ্ন
উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে নির্ভরশীলতা কমাতে সরকারি প্রণোদনা গুরুত্বপূর্ণ-খাদ্যমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

নিজেদের প্রয়োজনীয় উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে নির্ভরশীলতা কমাতে সরকারি প্রণোদনা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। এ সময় তিনি প্রণোদনা নিয়ে চাষাবাদ বাড়াতে কৃষকদের প্রতি আহ্বান জানান।

গতকাল নওগাঁ জেলার পোরশা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তন প্রাঙ্গণে রবি ২০২১-২২ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় ৩ হাজার ৫২০ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনা মূল্যে গম, ভুট্টা, সরিষা, সূর্যমুখী, খেসারি, চীনাবাদাম, মুগ, পেঁয়াজ বীজ এবং রাসায়নিক সার বিতরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, বাজারে প্রায়ই যেসব পণ্যের দাম বাড়ে সেগুলো আমাদের দেশে কম উৎপাদন হয়। নির্ভরশীলতার কারণে সেসব পণ্য আমদানি করতে হয়। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বাড়লে দেশেও দাম বাড়ে। বাংলাদেশের মাটি অনেক উর্বর, এখানে যা ফলাতে চান তা-ই ফলবে। আমাদের দেশে তেলের দাম কম হওয়ায় পাচার হয়ে যেত। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে দেশে ডিজেলের দাম নির্ধারণ হয়েছে। এতে কৃষক কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হলেও কৃষকবান্ধব সরকার কৃষককে প্রণোদনার মাধ্যমে সে ক্ষতি পুষিয়ে নিতে সাহায্য করবে।

তিনি বলেন, গ্রামীণ অর্থনীতির বাংলাদেশ তিন স্তম্ভের ওপর দাঁড়িয়ে আছে। এগুলো হলো কৃষি খাত, গার্মেন্টস খাত এবং প্রবাসীদের রেমিট্যান্স। এ সেক্টরগুলো শক্তিশালী হওয়ার কারণে করোনাকালে বিশ্ব অর্থনৈতিক মন্দায় পতিত হলেও বাংলাদেশের অর্থনীতি ছিল শক্তিশালী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৯, ২০২১ ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
হিলি স্থলবন্দরে আবারো পেঁয়াজের দাম বেড়েছে
কৃষি বিভাগ

দিনাজপুরের হিলি স্থলবন্দরে একদিনের ব্যবধানে বেড়েছে পেঁয়াজের দাম। পাইকারিতে (ট্রাকসেল) প্রতি কেজির দাম ২ টাকা বেড়েছে। একদিন আগেও বন্দরে ইন্দোর জাতের পেঁয়াজ কেজিপ্রতি ৩৩-৩৪ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। বর্তমানে দাম বেড়ে এসব পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৩৬ টাকা কেজি দরে। নগর জাতের পেঁয়াজ ৩৬ টাকায় বিক্রি হলেও তা বেড়ে এখন ৩৭ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আমদানি কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে। এদিকে আবারো দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছেন পাইকাররা।

হিলি স্থলবন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারক মোবারক হোসেন বলেন, মূলত বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি কমে যাওয়ায় দাম বাড়ছে। তবে দু-একদিনের মধ্যে আবারো আমদানি বাড়বে, কমে আসবে দাম।

তিনি আরো বলেন, সনাতন ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব কালী পূজার কারণে ভারতের মোকামগুলোতে পেঁয়াজ লোডিং চারদিন বন্ধ ছিল। ফলে হিলিসহ দেশের সব বন্দর দিয়ে আমদানি আগের তুলনায় কমেছে। দেশের বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমায় দামে প্রভাব পড়েছে।

হিলি স্থলবন্দরের জনসংযোগ কর্মকর্তা সোহরাব হোসেন বলেন, বন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি অব্যাহত থাকলেও তা কমছে। শনিবার সাত ট্রাকে ১৮২ টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছিল। রোববার ছয় ট্রাকে ১৫৪ টন আমদানি হয়। গতকালও আমদানি অব্যাহত ছিল।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৮, ২০২১ ১:৪৫ অপরাহ্ন
কৃষক ও ভোক্তাদের স্বার্থে প্রয়োজনে ধান চাল ক্রয় বাড়ানো হবে-খাদ্যমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষক ও ভোক্তার স্বার্থে প্রয়োজনে ধান চাল ক্রয় লক্ষ্যমাত্রা বাড়ানো হবে। তবে চুক্তির মেয়াদ বাড়ানো হবে না জানিয়েছেন খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার। তিনি বলেন, আমনের ধানের ফলন ভাল হয়েছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নিবে সরকার।

গতকাল রবিবার বিকেলে নওগাঁ নিয়ামতপুর খাদ্যগুদামে গিয়ে ফিতা কেটে চলতি মৌসুমের ধান ক্রয়ের উদ্বোধন করেন। এসময় সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তরে তিনি মন্তব্যগুলো করেন। এটাকে বিকেলে তিনি ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে একযোগে সারাদেশে আমন সংগ্রহের উদ্বোধন করেন।

চলতি মৌসুমে ২৭ টাকা কেজি দরে কৃষকের কাছ থেকে ৩ লাখ টন ধান ও ৪০ টাকা দরে মিলারদের কাছ থেকে ৫ লাখ টন চাল সংগ্রহ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে খাদ্য বিভাগ। অভিযান চলবে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সংগ্রহ অভিযানে সকলকে সহযোগিতার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৮, ২০২১ ১২:৩২ অপরাহ্ন
ডিজেলের দাম বৃদ্ধিতে দুশ্চিন্তায় কৃষক ও মৎস্যজীবীরা
কৃষি বিভাগ

নরসিংদীর বেলাবো উপজেলার কৃষক আবুল কাসেম। দিনভর পরিশ্রম করে জমির পরিচর্যা করছেন। আর কিছুদিন পরই এই জমিতে দিতে হবে সেচ। কিন্তু হঠাৎ ডিজেলের দাম বাড়ায় দুশ্চিন্তায় পড়ে গেছেন। সেচ থেকে শুরু করে পরিবহন পর্যন্ত সব কিছুতেই গুনতে হবে বাড়তি টাকা।

এমন শঙ্কা সব কৃষকেরই। বোরো ধানের আবাদে সেচ পাম্প ও পাওয়ার টিলারের মূল জ্বালানিই ডিজেল। আবার এখন শীতের সবজি উঠছে। বেশি ভাড়া দিতে হবে এসব সবজি পরিবহনে।

ডিজেলের দাম বাড়ায় দুশ্চিন্তায় কৃষক ও মৎস্যজীবীরা। উৎপাদন খরচ ও বাজার নিয়ে শঙ্কায় তারা। খরচ বেড়ে যাবে পুকুরে সেচ দেয়া ও মাছ ধরার নৌকা চালাতে।

তেলের দাম লিটার প্রতি ১৫ টাকা বাড়লেও ফসল উৎপাদন ব্যায় বাড়বে ত্রিশ শতাংশ, আর এতে কৃষি অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করছেন কৃষক ও ক্ষেতমজুর নেতারা।

শীতের আগমনেই মাঠে আলু চাষে নেমেছেন নওগাঁর চাষিরা। এরমধ্যেই ডিজেলের দাম বৃদ্ধির খবরে বেশ অস্বস্তিতে পড়েছে চাষিরা। সাধারণত এক বিঘা জমিতে আলু চাষে খরচ হয় ১০ থেকে ১২ হাজার টাকা। কিন্তু তেলের দাম বৃদ্ধিতে সেই খরচে যোগ হলো বিঘাপ্রতি আরও ৫ থেকে ৬ হাজার টাকা। আর বাড়তি এই খরচ নতুন দুশ্চিন্তার জন্ম দিয়েছে উৎপাদকদের মনে।

কৃষকের ওপর চাপ কমাতে মন্ত্রণালয়ের সাথে আলোচনা চলছে বলে জানান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোঃ আসাদুল্লাহ বলছেন, চলতি বোরো মৌসুমে সেচে কত খরচ বাড়ে সেটা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অধিদপ্তরের তথ্যমতে, ৩০ ভাগ জমিতে সেচ দেয়া হয় বিদ্যুতের মাধ্যমে। বাকি অংশে সেচ দেয়া হয় ডিজেলচালিত যন্ত্র দিয়ে। চলতি মৌসুমে আলু ছাড়াও আবাদ হচ্ছে সরিষা, গম, পেঁয়াজ ও শাক-সবজি। উৎপাদন খরচ বৃদ্ধিতে শুরুতেই দেখা দিয়েছে মূলধনের অভাব। অসহায় হয়ে পড়েছেন অনেক চাষি।

যান্ত্রিক কৃষি ব্যবস্থা অনেকটা নির্ভর করে ডিজেলের ওপর। সরকারি হিসেবে দেশে ডিজেলের চাহিদার ১৬ শতাংশ ব্যবহৃত হয় কৃষি খাতে। বর্তমানে ডিজেলের দাম বৃদ্ধি উৎপাদন খরচ বাড়াবে, যার মাশুল গুনতে হবে ভোক্তাদের।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৭, ২০২১ ১:১৬ অপরাহ্ন
রাঙামাটিতে সম্ভাবনাময় হয়ে উঠছে পাহাড়ে আদা চাষ
কৃষি বিভাগ

পাহাড়ে দিন দিন বাড়ছে আদার বাণিজ্যিক চাষাবাদ। বিশেষ করে রাঙামাটিতে ৩ হাজার হেক্টরেরও বেশি জমিতে উৎপাদিত মসলাজাতীয় এ পণ্যটি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে সারাদেশে।

বাণিজ্যিকভাবে আদা উৎপাদন হয় রাঙামাটি সদর, কাপ্তাই, রাজস্থলী, নানিয়ারচর, বরকলসহ বেশকয়েকটি এলাকায়। এখন আদা সংগ্রহের মৌসুম, ফলে দূর দূরান্ত থেকে আসছেন ব্যবসায়ীরা। পাহাড়ে উৎপাদিত আদার চাহিদা দেশজুড়ে বেশি, আর এবার ফলনও হয়েছে ভালো। এই খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, আমদানি বন্ধ করলে দেশের চাষীরা লাভবান হবে।

চাষিদের আগ্রহ বাড়াতে ঋণ দিচ্ছে পল্লি উন্নয়ন বোর্ড। চাষাবাদ বিস্তৃত হলেই আমদানি নির্ভরতা কমবে, বলছেন রাঙামাটি সদর বিআরডিবি কর্মকর্তা ফিরোজ উদ্দিন।

রাঙামাটি জেলায় এবছর ৩ হাজার ১৫০ হেক্টর জমিতে আদার চাষ হয়েছে, উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৪০ হাজার টন। উৎপাদন বাড়াতে প্রশিক্ষণ আর সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা চান পাহাড়ের আদা চাষিরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৭, ২০২১ ১২:০৩ অপরাহ্ন
টাঙ্গাইলের মির্জাপুরে সার সংকট,হুমকিতে সরিষা আবাদ
কৃষি বিভাগ

পরিবহন ধর্মঘটের প্রভাবে টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলায় ডিএপি ও এমওপি সারের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এছাড়া ইউরিয়া সারের সংকট দেখা দেওয়ারও আশঙ্কা রয়েছে। ফলে চলতি মৌসুমে সরিষাসহ রবি ফসল আবাদে লক্ষ্যমাত্রা পূরণ না হওয়ার শঙ্কা প্রকাশ করেছেন কৃষকরা। সার সংকটের সুযোগে কোনো কোনো সাব-ডিলার দ্বিগুণ দামে সার বিক্রি করছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে

কৃষি বিভাগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে এ উপজেলায় সাড়ে নয় হাজার হেক্টর জমিতে সরিষার আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে। ফুলকপি, বাঁধাকপি, আলুসহ শীতকালীন নানা প্রকার শাকসবজি আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে সাড়ে ১২শ হেক্টর জমিতে। এছাড়াও প্রায় পাঁচশ হেক্টর জমিতে গম আবাদেরও লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে সরিষা এবং শীতকালীন শাকসবজি আবাদের ভরা মৌসুম চলছে। এসব ফসল ও শাকসবজি আবাদের জন্য কৃষকরা জমিও প্রস্তুত করেছেন। কিন্তু তীব্র সার সংকটের কারণে সরিষা ও সবজির আবাদ বিঘ্নিত হচ্ছে।

সূত্র আরও জানায়, এ উপজেলায় ১৫ জন সারের ডিলার রয়েছেন। এদের চলতি মাসে টাঙ্গাইল থেকে ১৪০ বস্তা করে এমওপি বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এরমধ্যে গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত মাত্র দুই জন ডিলার বরাদ্দকৃত সার উত্তোলন করতে সক্ষম হয়েছেন। গুদামের এক কর্মকর্তার আত্মীয়ের মৃত্যু হওয়ায় গুদামটি বন্ধ ছিল। এতে গত বৃহস্পতি ও  শুক্রবার কোনো ডিলার তাদের বরাদ্দকৃত সার উত্তোলন করতে পারেননি।

এছাড়া প্রতি ডিলার ১৩ মেট্রিক টন করে ডিএপি সারের বরাদ্দ পেয়েছেন। যা নারায়ণগঞ্জের আমদানিকারকদের কাছ থেকে আনতে হবে। গতকাল এই ১৫ জনের একজন ডিলার বরাদ্দকৃত সার আনতে গিয়েছিলেন। কিন্তু জাহাজ বন্দরে ভিড়েনি বলে ওই ডিলারকে সংশ্লিষ্ট আমদানিকারক জানান। এছাড়াও বরাদ্দকৃত সারের মধ্যে ‘২০ বস্তা করে সার কম নিতে হবে’ বলে ওই আমদানিকারক তাকে জানিয়েছেন। অন্য ডিলাররাও হঠাৎ করে পরিবহন ধর্মঘট শুরু হওয়ায় সার আনতে পারছেন না।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা সার ডিলার সমিতির সভাপতি দেওয়ান রেফাজ উদ্দিন, সাধারণ সম্পাদক আমজাদ হোসেন জানান, অন্য বছরের তুলনায় বরাদ্দ কম দেওয়ায় এবং পরিবহন ধর্মঘটের কারণে সার সংকটের সৃষ্টি হয়েছে। প্রত্যেক ডিলারই তাদের নামে বরাদ্দকৃত সারের টাকা ব্যাংকের মাধ্যমে জমা করেছেন। কিন্তু পরিবহন সংকটের কারণে সার আনা সম্ভব হচ্ছে না।

সার না পেয়ে গত শুক্রবার ও গতকাল শনিবার শত শত কৃষককে এ ডিলার থেকে ও ডিলারের ঘরে ছুটাছুটি করতে দেখা গেছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মশিউর রহমান সার সংকটের কথা স্বীকার করে বলেন, জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে যাতে দ্রুত সার সংকট নিরসন করা যায় তার জোর প্রচেষ্টা চলছে।

মির্জাপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজুর রহমান বলেন, সার সংকট নিরসনে কাজ করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৭, ২০২১ ৮:৫৩ পূর্বাহ্ন
মৌলভীবাজারে শুরু আমন ধান কাটা উৎসব
কৃষি বিভাগ

মৌলভীবাজারে শুরু হয়েছে আগাম জাতের রোপা আমন ধান কাটার উৎসব। আমন ফসল ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন জেলার কৃষকরা। সোনালি ধান হাসি ফুটিয়েছে তাদের মুখে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান চাষে কৃষকরা আগ্রহী হচ্ছে। এর ফলে একই জমিতে তিনটি ফসল আবাদ করা সম্ভব হচ্ছে। এতে আর্থিকভাবে লাভবান হবে কৃষকরা।

করোনার এই সময়ে দেশের মানুষকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। আক্রান্ত হয়েছে কৃষক-কৃষানিরা। এর মধ্যেও মৌলভীবাজার জেলার রাজনগর, বড়লেখাসহ সব উপজেলার বিভিন্ন জমিতে এখন শোভা পাচ্ছে আগাম জাতের রোপা আমন ধান। সোনালি ধানের ঘ্রাণে ভরে আছে মাঠ।

খাদ্য নিরাপত্তায় চলতি মাসে ব্রি ৪, ব্রি ৭৫, ব্রি ৭১ সহ অন্যান্য আগাম ও উফশী জাতের ধান কাটতে শুরু করেছেন কৃষকরা। হাওরাঞ্চলে বোরো ব্যতীত অন্য কোনো ফসল হতো না, অনুকূলে থাকায় সেসব জমিতে এখন রোপা আমন ফলন বেশ ভালো হয়েছে। তবে বাজারে ধানের ন্যায্যমূল্য নিয়ে শঙ্কায় কৃষকরা।

জেলায় চলতি আমন মৌসুমে ১ লাখ ১ হাজার ৪২৫ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষ করা হয়েছে। যা গত বছরের চেয়ে ৪২৫ হেক্টর বেশি। এর মধ্যে ব্রি ধান-৭৫ সহ অন্যান্য আগাম ও উফশী জাতের ধান ১ হাজার ১১০ হেক্টর জমিতে আবাদ হয়েছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে। কম সময়ে ফলন এবং কম খরচে এই নতুন জাতের ধান চাষ করে সফলতা পেয়েছেন মৌলভীবাজারের অনেক কৃষক।

শ্রীমঙ্গল উপজেলার ভাড়াউড়া, উত্তর উত্তরসূর হাওর এলাকার নিম্নাঞ্চলে কোনো বছরই বোরো ছাড়া অন্য কোনো ফসল চাষ করা সম্ভব হয় নাই। এবার হাওরে পানি কম থাকায় কৃষি বিভাগের পরামর্শে হাইব্রিড ব্রি ধান ৭৫ চাষ করে লাভবান হয়েছে এখানকার প্রান্তিক কৃষকরা।

উত্তর ভাড়াউড়া এলকার মো. আসাদ মিয়া জানান, এ জাতের ধান চাষে সময় কম লাগে। পোকা-মাকড়ের আক্রমণ কম হওয়ায় বালাইনাশক স্প্রে করতে হয় না। ফলে ফলন ভালো হয়েছে।

রাজনগর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উদ্যোগে রাজস্ব খাতের অর্থায়নে বাস্তবায়িত খরিদপুর গ্রামের জিলু মিয়ার প্রদর্শনী প্লটে ধান কর্তন করা হয় ২৮ আশ্বিন। কর্তনকৃত এক বিঘা জমিতে ধান হয়েছে ১৮ মণ। বর্তমান বাজার মূল্যে প্রতি মণ ধান ৯০০ টাকা। ধানের খড় বিক্রয় হয়েছে ৩ হাজার টাকা। জমিতে খরচ হয়েছে ১২ হাজার ৫শ’ টাকা। এতে এক বিঘা জমিতে কৃষকের ৬ হাজার ৭শ’ টাকা লাভ হয়েছে বলে জানান তিনি।

রাজনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ ইফফাত আরা ইসলাম জানান, আমন মৌসুমে ব্রি ধান ৭৫ একটি উচ্চফলনশীল জাত। ২০ হতে ২৫ দিনের মধ্যে চারা রোপণ করতে হয়। এতে মাত্র ১শ’ ১০ থেকে ১শ’ ১৫ দিনের মধ্যে এ ধান ঘরে তোলা যায়। এ ধানের কাণ্ড শক্ত বলে গাছ হেলে পড়ে না। শীষ হতে ধান ঝরে পড়ে না। জাতটি আগাম হওয়ায় রোগ ও পোকা-মাকড়ের আক্রমণ কম।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৬, ২০২১ ১২:৪৯ অপরাহ্ন
মেহেরপুরের মাটিতে চাষ হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ার তৈলজাত ফসল পেরিলা
কৃষি বিভাগ

মেহেরপুর জেলার মাটিতে এবার চাষ হচ্ছে ‘সাউ পেরিলা’। এ ‘ পেরিলা’ উচ্চ ফলনশীল ও পুষ্টি-সমৃদ্ধ নতুন এক তৈলজাত ফসলের নাম। এ ফসল থেকে লিনোলিনিক অ্যাসিড সমৃদ্ধ তেল আহরণ ছাড়াও প্রাপ্ত খইল গবাদিপশুর জন্য পুষ্টিকর খাবার ও জৈব সার হিসেবেও ব্যবহার করা যায়। এ জন্য পেরিলা চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মেহেরপুরের গাংনীতে পরীক্ষামূলক চাষ শুরু হয়েছে। বীজে ২৫ শতাংশের ওপরে আমিষ থাকায় তেল আহরণের পরে তা থেকে প্রাপ্ত খৈল গবাদিপশুর জন্য পুষ্টিকর খাবারসহ জৈব সার হিসেবেও ব্যাবহার করা যাবে। ৭০-৭৫ দিনের এ ফসল থেকে হেক্টর প্রতি সর্বোচ্চ ১.৫ টন পরিমান বীজ সংগ্রহ করা যাবে। বিজ্ঞানীরা আশা করছেন বাণিজ্যিকভাবে চাষে যেমন তেলের আমদানির পরিমান কমে যাবে, তেমনি সাউ পেরিলা-১ দেশের অর্থনীতিতেও আনতে পারে আমূল পরিবর্তন।

উল্লেখ্য, চলতি বছর ১২ জানুয়ারি ফসলটি পেরিলা-১ জাত হিসেবে নামকরণ করে কৃষি মন্ত্রণালয়ের জাতীয় বীজ বোর্ড থেকে অবমুক্ত করে। মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার তেরাইল ব্লকের উপ সহকারী কৃষি অফিসার মো. বকুল হোসেন উদ্বুদ্ধ করণের মাধ্যমে নিজ ব্লকে সাউ গেরিলা চাষ শুরু করেন। ব্লকের প্রথম চাষি নজরুল ইসলাম প্রথম এ চাষ করতে পেরে গর্বিত বলে মত প্রকাশ করেন।

উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মো. বকুল হোসেন বলেছেন- পেরিলা-১ বাণিজ্যিকভাবে চাষে যেমন তেলের আমদানির পরিমাণ কমে যাবে, তেমনি দেশের অর্থনীতিতেও আনতে পারে আমূল পরিবর্তন। তিনি জানান- শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. এইচ এম এম তারিক হোসেন ২০০৭ সালে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সংগ্রহ করেন এ জাত। ২০২০ সালের জানুয়ারিতে জাতীয় বীজ বোর্ড সাউথ কোরিয়ান ভ্যারাইটির পেরিলা-১ নামে জাতটির নিবন্ধন দেয়। জাতটি দেশের আবহাওয়ার উপযোগী করে সাধারণভাবে সরিষা ভাঙানোর মতো করেই এ তেল পাওয়া যায়।

গাংনী উপজেলার তেরাইল গ্রামের পেরিলা-চাষি নজরুল ইসলাম বলেন- এ ফসলটির আবাদ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে গাংনী উপজেলা কৃষি অফিস স্থানীয় কৃষকদের হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ প্রদান করে ও বীজ সরবরাহ করে। প্রতি বিঘা জমিতে জমি প্রস্তুত থেকে ফসল মাড়াই পর্যন্ত খরচ হবে মাত্র ১০ হাজার টাকা। আর এ থেকে পাওয়া সম্ভব ২০ থেকে ২৫ হাজার টাকা। তা ছাড়া ৭৫ দিনে এ ফসল কাটা-মাড়াই সম্ভব।
উদ্যোগী চাষি উজ্জল হোসেন জানান, পেরিলার গুণগত মান ও পতিত জমিতে চাষ করা সম্ভব। সেই সঙ্গে দো ফসলি ও তিন ফসলি ছাড়াও সাথী ফসল হিসেবে এর চাষ সম্ভব। তাই অনেকেই আসছেন পেরিলার চাষের পরামর্শ নিতে।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. এইচ এম এম তারিক হোসেন ২০০৭ সালে থেকে দক্ষিণ কোরিয়া থেকে সংগ্রহকৃত জাতটি নিয়ে দেশে গবেষণা শুরু করেন। খরিপ-২ মৌসুমে অভিযোজিত এ ফসল সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘ফসলটি থেকে আমরা লিনোলিনিক এসিড সমৃদ্ধ তেল আহরণ করতে পারব। যা সাধারণ তেলের চেয়ে বেশি উপকারি এবং বাজার মূল্যও বেশি। কৃষক নিজেই বীজ উৎপাদন করে সংরক্ষণ ও পরবর্তীতে চাষ করতে পারবেন। এছাড়াও তেল আহরণও করতে পারবেন স্বাভাবিকভাবে। এতে কৃষকরা বেশি উপকৃত হবেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop