৬:৩৭ পূর্বাহ্ন

মঙ্গলবার, ৩০ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ৩০, ২০২১ ৮:৩৬ পূর্বাহ্ন
উপকারী সবজি হিসেবে কদর বেড়েছে কলার মোচার
কৃষি বিভাগ

উপকারী সবজি হিসেবে বেশ কদর রয়েছে কলার মোচার। অনেকের পছন্দের খাবার তালিকায় আয়রণ সমৃদ্ধ সবজি হিসেবে উল্লেখযোগ্য এটি। উৎপাদিত কলাবাগান ছাড়াও দেশের উত্তর জনপদসমূহের প্রায় বাসা বাড়ির পাশে আনাচে কানাচে কলাগাছ চোখে পড়ে।

কলাগাছ বেড়ে ওঠার ৮ থেকে ১০ মাসের মধ্যে গাছের আগায় মোচার বাদাড় দেখা দেয়। মোচা ধীরে ধীরে বেড়ে উঠার সাথে সাথে এর চারপাশ ঘিরে কলা গজাতে থাকে। এসময় কলার পিড় পরিপুর্ণ হওয়ার আগে মোচা খাওয়ার উপযোগী হয়ে উঠে।

বিশেষ করে সাগর কলা, কাচা কলা ও মালভোগ কলাগাছ থেকে মোচার ফলন খুব ভাল। স্থান ভেদে প্রায় সব ঋতুতেই কলার মোচা পাওয়া যায়।

গ্রাম কিংবা শহরের হাট বাজারগুলোতেও অন্যান্য সবজির পাশাপাশি স্বল্প দামে কলার মোচা বিক্রি হতে দেখা যায়। স্বাস্থ্য বিভাগের মতে, রোগ প্রতিরোধসহ কলার মোচার রয়েছে নানাবিধ পুষ্টিগুণ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৯, ২০২১ ৬:১৩ অপরাহ্ন
টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ব্রি-ধান ৮৭ চাষে সফলতা পেয়েছে কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীতে ব্রি-ধান ৮৭ চাষে সফলতা পেয়েছে কৃষকরা

করোনার এই সময়ে বন্যা, ঝড়-জলোচ্ছ্বাস, জলাবদ্ধতা দেশের মানুষকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। প্রকৃতির এই বৈরীতায় আক্রান্ত হয়েছে দেশের কৃষি ও কৃষক

এরপরেও কম সময়ে, অধিক ফলন পেতে কম খরচে আগাম জাতের ব্রি ধান-৮৭ চাষ করে সফসলতা পেয়েছে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ীর কৃষকরা। এই আগাম জাতের ধানের প্রদর্শনী প্লটে সোনালী শীষের দোলায় কৃষকের চোখে নতুন স্বপ্নের ঝিলিক। এই নতুন জাতের ধানে হাসি ফুটিয়েছে কৃষকের মুখে।

জানা যায়, ব্রি ধান-৮৭ আগাম জাতের ধানে ভরে গেছে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার মুশুদ্দি ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ সবুজ মাঠ। প্রদর্শনী প্লটের উদ্যোক্তা কৃষকরা মনে করেন এই জাতের ধান চাষ ছড়িয়ে দিতে পারলে পাল্টে যেতে পারে দেশের কৃষি অর্থনীতি। পাশাপাশি কৃষকের অবস্থারও পরিবর্তন হবে। এ বছর ধনবাড়ী উপজেলায় সাড়ে ৯ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ হয়েছে। এর মধ্যে বোরো-পতিত-রোপা আমন, শস্য বিন্যাসে আধুনিক উচ্চ ফলনশীল ব্রিধান ৭৫ এবং ৮৭সহ আগাম জাতের প্রায় সাড়ে ৮ হাজার হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হয়েছে বলে উপজেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের রাইস ফার্মিং সিস্টেমস বিভাগ বাস্তবায়িত প্রদর্শনী প্লটের ধান বৃহস্পতিবার কর্তন শুরু হয়। কর্তনকৃত এ ধান বিঘা প্রতি কৃষকরা পাচ্ছে ২২ থেকে ২৬ মণ হারে। আগাম জাতের ধান হওয়ায় প্রতি মণ বিক্রি হচ্ছে ৮শত থেকে ৯শত টাকা দরে। অপরদিকে বিঘা প্রতি ধানের খড় বিক্রয় হয়েছে ৫ থেকে ৬ হাজার টাকায়।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের রাইস ফার্মিং সিস্টেমস বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. আমিনা খাতুন জানান, ধনবাড়ীতে বোরো-পতিত-রোপা আমন, শস্যবিন্যাস প্রায় সাড়ে ৮ হাজার হেক্টর জমিতে চাষাবাদ করা হয়েছে। এ শস্যবিন্যাসের উন্নয়নের জন্য প্রথমত বোরো এবং রোপা আমন ধানের মধ্যবর্তী সময়ে সরিষা চাষ করে কৃষক লাভবান হতে পারে। সরিষা কেন যুক্ত করা হলো এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ভোজ্য তেলের জন্য আমরা পরনির্ভশীল। প্রতি বছর প্রায় ২.৩ থেকে ২.৪ মিলিয়ন টন ভোজ্য তেল আমাদের আমদানি করতে হয়। এতে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হয়। বোরো-পতিত-রোপা আমন, শস্য বিন্যাসে সরিষা অন্তভুক্তি করতে পারলে ২.৬০ মিলিয়ন টন সরিষা উৎপাদন সম্ভব। যা থেকে বছরে ১.০৪ মিলিয়ন টন সরিষার তেল পাওয়া যেতে পারে। এ উদ্দ্যেশকে সামনে রেখে ধনবাড়ী উপজেলায় বিদ্যমান বোরো-পতিত-রোপাআমন শস্যবিন্যাসে স্বল্প জীবনকাল সম্পন্ন বারি সরিষা-১৪ অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহা-পরিচালক শাহজাহান কবীর জানান, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের রাইস ফার্মিং সিস্টেমস বিভাগ প্রতিষ্ঠালগ্ন হতে শস্যবিন্যাসের উন্নয়নের মাধ্যমে কৃষকের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে নিবিড়ভাবে কাজ করে আসছে।

এ বিষয়ে কৃষিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এরই ধারাবাহিকতায় আমারা যদি সরিষা-বোরো-রোপা আমন উন্নত শস্যবিন্যাস পদ্ধতি অনুসরণ করি তাহলে প্রচলিত শস্য বিন্যাসের তুলনায় উৎপাদনশীলতা প্রায় ৫৬ ভাগ বৃদ্ধি পাবে। এতে করে আমন এবং বোরো উভয় মৌসুমে ধানের ফলন বাড়বে এবং কৃষক লাভবান হবে। এতে করে কৃষি অথিনীতির চাঙ্গা হবে। আমি কিছু দিন আগে নিজ বাড়ী মুশুদ্দি গ্রামে গিয়েছিলাম। এ সময় ধান গবেষণার উচ্চ ফলনশীল ব্রি ধান ৭৫ ও ৮৭ আবাদ দেখে আমার বুক ভরে গেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৯, ২০২১ ২:২৫ অপরাহ্ন
সালথায় ১০ একর জমিতে তোষা নাবী পাটের পরীক্ষামূলক আবাদ
কৃষি বিভাগ

নাবী পাটের বীজ উৎপাদনের লক্ষে এই প্রথম ফরিদপুরের সালথায় পরীক্ষামূলকভাবে ১০ একর জমিতে বীজে আরআই-৮ তুষা জাতের নাবী পাটের আবাদ করা হয়েছে। বর্তমানে পাটের পরিচর্যার কাজ চলছে। পাট গাছ দ্রুত বাড়ছে। পাট চাষের শুরুতেই বীজের ফলন ভালো হবে।

পাট চাষিরা জানান, সালথা উপজেলা পাট উন্নয়ন কর্মকর্তার পরামর্শ নিয়ে এই প্রথম বীজের জন্য পাটের আবাদ করা হয়েছে। অফিস থেকে চাষীদের বীজ ও সার দিয়েছে। বর্তমানে পাটের পরিচর্যা চলছে। আশা করি বীজের ভালো ফলন হবে।

উপজেলা উপ-সহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা আব্দুল বারী বলেন, সালথা উপজেলায় এই প্রথম বিজেআরআই-৮ তোষা নাবী পাটবীজ পররীক্ষামুলক করা হয়েছে। তালিকা

ভুক্ত চাষীদের প্রণোদনা হিসাবে বীজ সার কীটনাশক এবং স্প্রে মেশিন বিনামূল্যে বিতরন করা হয়েছে।এছাড়া প্রতিনিয়ত পরামর্শ প্রদান এবং প্লেট পরিদর্শন করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৯, ২০২১ ২:০৮ অপরাহ্ন
চুইঝাল চাষে স্বপ্ন দেখছে মণিরামপুরের ৭০০ তরুণ
কৃষি বিভাগ

চুঁইঝাল রোপণ করে ব্যবসা ও জীবন ফেরানোর উদ্যোগ নিয়েছে যশোরের মনিরামপুর উপজেলার সাত গ্রামের ৭০০ তরুণ ও যুবক। সমবায়ের ভিত্তিতে তারা এক হয়ে গঠন করেছেন খানপুর চুইঝাল প্রজেক্ট।

খানপুর চুইঝাল প্রজেক্ট এর আওতায় মণিরামপুর উপজেলার ১৩ নম্বর খানপুর ও ১২ নম্বর শ্যামকুড় ইউনিয়নের চার গ্রামে ১০০০০ গাছে চাষ করা হয়েছে চুইঝাল। আরো তিন গ্রামে চলছে চারা রোপণের তোড়জোড়। তিন বছর পর এই চুইঝাল বিক্রির উপযোগি হলে প্রতিটি গাছ গড়ে পাইকারি বিক্রি হবে অন্তত: ২০০০ টাকায়।

উদ্যোক্তাদের লক্ষ্য আগামি ছয় বছরে এই সাতটি গ্রামের কয়েক লাখ গাছের প্রতিটিতে জড়িয়ে থাকবে চুঁইঝালের লতা। চুঁইঝাল প্রকল্পে এই তরুণ ও যুবকদের একত্রিত করেছেন উদ্যোমী তরুণ মাসুদুর রহমান সবুজ।

কৃষি কর্মকর্তারা জানান, ব্যক্তি উদ্যোগে বাণিজ্যিকভাবে চুইঝালের চাষ হলেও দেশে সমবায় ভিত্তিতে এই লতা ঝালটির চাষ তাদের জানা মতে প্রথম। চুইঝাল মসলা জাতীয় উদ্ভিদ। চুইঝাল গাছ দেখতে পানের লতার মতো। পাতা কিছুটা লম্বা ও পুরু। এর কান্ড বা লতা কেটে ছোট টুকরা করে মাছ-মাংস, ছোলা বা ডাল রান্নায় ব্যবহার করা হয়। রান্নার পর এর টুকরা চুষে বা চিবিয়েও খাওয়া যায়।
মাংস রান্নায় চুইঝালের ব্যবহার বেশি।

এটি মাংসের তরকারিতে আনে বিশেষ স্বাদ। নামে ‘চুইঝাল’ হলেও এটি খেতে খুব বেশি ঝাল নয়। চুইঝালের কিছু ঔষধি গুণের কথাও বলা হয়। আগে মূলত যশোর, খুলনা, সাতক্ষীরা এলাকায় এর ব্যবহার হলেও প্রচারমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বদৌলতে চুইঝালের কথা সারা দেশে ছড়িয়ে পড়েছে। এ কারণে দিন দিন বাড়ছে এর চাহিদাও। বাজারে চুইঝাল আকৃতি ভেদে ৩০০ থেকে ১২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়।

মণিরামপুর উপজেলার ১৩ নম্বর খানপুর ইউনিয়নের নিভৃত, মনোরম সবুজে ছাওয়া একটি গ্রাম মুন্সি খানপুর। এই গ্রামের হাজি আনসার মোড়লের ছেলে মাসুদুর রহমান সবুজ। তার বাড়িতে দেখা যায়, আশপাশের বেশির ভাগ গাছেই বেয়ে উঠেছে চুইঝালের লতা।

চুঁই ঝাঁলের প্রজেক্ট উদ্যোক্তা মাসুদুর রহমান সবুজ বলেন, ‘সাতটি গ্রাম নিয়ে এই প্রজেক্ট গড়ে তোলা হয়েছে। এরই মধ্যে মুন্সি খানপুর, লাউড়ি, সুন্দলপুর ও জামলা—এই চার গ্রামের ১০ হাজার গাছের গোড়ায় চুইঝালের চারা রোপণ শেষ হয়েছে। প্রজেক্টের বাকি তিনটি গ্রাম তেঘরি, ধলিগাতি ও গোবিন্দপুরে চারা রোপণের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।

মণিরামপুর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আবুল হাসান বললেন, মাসুদুর রহমান সবুজ উপজেলার একজন উদ্যোগী তরুণ কৃষক। সবুজের খানপুর চুই প্রজেক্ট ছাড়া দেশে অন্য কোথাও চুইঝাল সমবায় ভিত্তিতে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হচ্ছে বলে আমার জানা নেই। এমন সমবায় ভিত্তিতে চুই চাষ দেখে অন্য এলাকার বেকার বা কৃষক তরুণ-যুবকরাও এতে উৎসাহী হবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৮, ২০২১ ২:৪১ অপরাহ্ন
অধিক লাভজনক হওয়ায় মুজিবনগরে বাড়ছে শসার চাষ
কৃষি বিভাগ

চাহিদা এবং লাভ বেশী হওয়ায় মেহেরপুরের মুজিবনগর উপজেলার কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে শসা চাষে। উপজেলার বিভিন্ন মাঠে দেখা গেছে প্রায় প্রত্যেক মাঠেই কমবেশি শসা চাষ হচ্ছে। মুজিবনগর উপজেলা কৃষি অফিসের তথ্য মতে চলতি মৌসুমে উপজেলার ১’শ ৪০ হেক্টর জমিতে শসার আবাদ হয়েছে।

মুজিবনগর উপজেলার বাগোয়ান ইউনিয়নের আনন্দবাস গ্রামের কৃষক আজাদ মোড়ল জানান- বেশ কয়েক বছর জমিতে শসা চাষ করছেন। বাজারে শসার ব্যাপক চাহিদা এবং লাভজনক হওয়ায় চলতি মৌসুমে ৫ বিঘা জমিতে শসা চাষ করেছেন। সাড়ে তিন মাসে শসা বিক্রির উপযোগী হয়। জমি তৈরি করে বীজ লাগানোর এক সপ্তাহের মধ্যেই চারা গজিয়ে যায় বলে তিনি জানান। এরপর পরিচর্যা, সেচ, সার ও মাচা করতে হয়। দেড় মাস পর ফুল-ফল আসা শুরু করে। বিঘাপ্রতি প্রতিদিন ১৬০/২০০ কেজি করে শসা তোলা যায়। বিঘাপ্রতি শসা চাষে খরচ হয় ৩০-৪০ হাজার টাকা। এবার ৫ বিঘা জমিতে সাড়ে ৩ লাখ থেকে ৪ লাখ টাকার শসা বিক্রি হবে বলে আশা করছেন তিনি।

বাগোয়ান গ্রামের শসা চাষি নায়েব আলী জানান- প্রতিবছরের ন্যয় এবারও তিনি ছয় বিঘা জমিতে শসা চাষ করেছেন। আবহাওয়া অনু ক’লে থাকলে বিঘাপ্রতি ৭০-৮০ হাজার টাকার শসা বিক্রি করবেন বলে তিনি আশাবাদি। শসাচাষ শেষে ওই জমিতেই রবিশস্য হিসেবে গম, মশুরি, মাসকলাই চাষ করবেন বলে জানান।

মুজিবনগর উপজেলার শিবপুর, বিশ্বনাথপুর, কোমরপুর, মহাজনপুর, বাবুপুর, আনন্দবাস, রশিকপুর, দারিয়াপুর, গৌরীনগর, যতারপুর, গোপালপুরসহ স্থানীয় বাজারের চাহিদা মিটিয়ে রাজধানীর কাওরান বাজারসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় এখানকার শসা রপ্তানি করা হচ্ছে।

মুজিবনগর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আনিসুজ্জামান খাঁন জানান- চলতি মৌসুমে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় শসার ভাল ফলন হয়েছে। বাজারে শসার চাহিদা থাকায় চাষিরা বেশ লাভবান হচ্ছেন। শসাসহ নিরাপদ ও বিষমুক্ত বিভিন্ন সবজি চাষ সম্প্রসারণের লক্ষ্যে কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৮, ২০২১ ১০:১২ পূর্বাহ্ন
সাউথ ক্যারোলিনা থেকে বীজ এনে কুমিল্লায় কালো টমেটোর চাষ
কৃষি বিভাগ

বাংলাদেশের কুমিল্লার একজন সৌখিন চাষী আহমেদ জামিল। পেশায় ব্যবসায়ী জামিল ২০১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রের সাউথ ক্যারোলিনা থেকে কালো টমেটোর বীজ আনান। পরের বছর প্রথম নিজের বাড়িতে টবে কালো টমেটো চাষ করেন। যদিও এখনো বাণিজ্যিকভাবে চাষাবাদ শুরু হয়নি। কৃষি গবেষকেরা বলছেন, এটি প্রচলিত টমেটোর চেয়ে বেশি মাংসল হয়।

কালো টমেটো প্রচলিত দেশি জাতের টমেটো- যা সাধারণত লাল এবং গবেষণাগারে উদ্ভাবিত সাদাটে সবুজ টমেটোর মতোই দেখতে। কিন্তু এটি আকারে বড় হয়।

এই টমেটো গাছের উচ্চতাও বেশি। ফলন কেবল শীতকালে হয়। স্বাভাবিক তাপমাত্রায় কালো টমেটো বেশিদিন সংরক্ষণ করা যায়। এই টমেটোর নানা রকম ওষুধি গুণাগুণ রয়েছে বলে ধারণা করা হয়।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট জানিয়েছে, কালো টমেটোর ওষুধি গুণাবলী নিয়ে দেশে কোনো পরীক্ষা এখনো হয়নি।

কালো টমেটো চাষী আহমেদ জামিল বলেন, শুরুতে বর্ষা মৌসুমে টমেটোর বীজ বুনলেও বৃষ্টির কারণে তখন ফলন হয়নি। পরে শীতে বীজ বোনার পর গাছ হয় এবং ফল পান তিনি। এখনো পর্যন্ত কুমিল্লা শহরে নিজের বাড়ির বাগানে চাষ করছেন এই টমেটো।

দেশের আরও বিভিন্ন জায়গায় চাষ হচ্ছে কালো টমেটো, তবে তা সৌখিন পর্যায়েই হচ্ছে।

কালো টমেটো অনেক দেশে ‘অর্নামেন্টাল ফ্রুট’ হিসেবে চাষ হয়। আমেরিকাতে যেখান থেকে প্রথম বীজ সংগ্রহ করেন আহমেদ জামিল, সেখানে একেকটি গাছে ৪-৫টি টমেটো হয় বলে তিনি জানতে পেরেছেন। তার দাবি, তার টমেটোর ফলন অনেক বেশি হয়েছে। তার লাগানো প্রতিটি গাছে ৫০-৬০টির মতো কালো টমেটো ধরেছে। দেশি টমেটোর চাইতে এগুলোর আকারও বড়। এই টমেটোর ভেতরটা লাল এবং খেতে টক-মিষ্টি স্বাদের।

ইতিমধ্যে জামিলের কালো টমেটো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখছে কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউট এবং কৃষি অধিদপ্তর। কৃষি মন্ত্রণালয়ের কাছ থেকে অনুমোদন পাওয়ার পর তিনি বাণিজ্যিক চাষাবাদ শুরু করবেন।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইন্সটিটিউটে টমেটো নিয়ে গবেষণা করছেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ফেরদৌসি ইসলাম। তিনি বলেন, প্রচলিত টমেটোর সঙ্গে কালো টমেটোর কিছু গুণগত পার্থক্য রয়েছে।

কালো টমেটো নিয়ে বিস্তারিত গবেষণা এখনো হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, প্রাথমিক বিশ্লেষণে তারা দেখেছেন এই টমেটোর খাদ্যগুণ দেশি টমেটোর চেয়ে বেশি। এই টমেটোতে ভিটামিন এ এবং আয়রনের পরিমাণ বেশি থাকে। একই সঙ্গে এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের পরিমাণও সাধারণ টমেটোর চেয়ে বেশি। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে এর ফলন অনেক বেশি হয়, যা দেশিয় চাষীদের জন্য উপকারী ব্যাপার। এর ফলে তারা অল্প জমিতে চাষ করে অধিক লাভবান হতে পারবেন।

এখনো বাণিজ্যিক চাষাবাদ শুরু না হলেও ইতিমধ্যেই কৃষি অধিদপ্তর দেশের বিভিন্ন সরকারি নার্সারিতে কালো টমেটোর বীজ ও চারা রাখতে শুরু করেছেন।

রাজশাহী মেট্রোপলিটন কৃষি কর্মকর্তা পাপিয়া রহমান মৌরি জানান, কুমিল্লায় এখনো স্বল্প পরিসরে কালো টমেটোর চাষ হলেও এখন দেশের বিভিন্ন জায়গায় সরকারি নার্সারিতে এই টমেটো প্রমোট করা হচ্ছে। কালো টমেটোর ভেতরে পানি কম থাকে, যে কারণে এই টমেটো সহজে নষ্ট হয় না। ফলে কৃষকদের কাছ থেকে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৮, ২০২১ ৯:০৩ পূর্বাহ্ন
ধান ক্ষেতে পোকার আক্রমণ দিশেহারা কৃষক
কৃষি বিভাগ

নীলফামারীর সৈয়দপুরে চলতি আমন ধান ক্ষেতে পোকার আক্রমণে দিশেহারা হয়ে পড়েছে কৃষক। বিশেষ করে মাজরা ও কারেন্ট পোকায় আক্রান্ত হয়ে ধানগাছ মরে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। এতে ফলন নিয়ে হতাশ হয়ে পড়েছেন এ উপজেলার কৃষকরা। সমস্যা সমাধানে কৃষি বিভাগ মাঠ পর্যায়ে মনিটরিং অব্যাহত রেখেছেন। পরামর্শ দিচ্ছেন কৃষকদের।

সরেজমিনে, উপজেলার কামারপুকুর, খাতামধুপুর, কাশিরাম বেলপুকুর, বোতলাগাড়ী ও বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নেও গেছে একই চিত্র। শহরের হাতীখানা বানিয়াপাড়া ও তার পাশের কৃষি এলাকায় একের পর এক জমিতে মাজরা পোকার আক্রমণে ফলন্ত ধানের শীষগুলো সাদাবর্ণ ধারণ করেছে এবং দানা নষ্ট হয়ে গেছে। জমির প্রায় এক তৃতীয়াংশ ধানগাছ এভাবে আক্রান্ত হয়েছে। যারা দ্রুত ব্যবস্থা নিচ্ছেন তাদের ফসল কিছুটা রক্ষা পেলেও অনেকের ক্ষেত প্রায় পুরোটাই নষ্ট হওয়ার পথে।
বাঙ্গালীপুর ইউনিয়নের পাটোয়ারী পাড়ার কৃষক আনোয়ার তার জমিতে কীটনাশক স্প্রে করছিলেন।

তিনি জানান, আমি চলতি বছর প্রায় ৪ বিঘা (২ একর ৪০ শতক) জমিতে স্বর্ণা-৫ ও গুটি স্বর্ণা ধানের চাষ করেছি। চারা রোপনের পর থেকে নানা সমস্যায় ভুগছি। প্রথম দিকে কারেন্ট পোকার আক্রমণ ঘটে। পরে পাতা মরা ও পঁচানী রোগ দেখা দেয়। এখন শুরু হয়েছে মাজরা পোকার ব্যাপক আক্রমণ।

এবার যে হারে মাজরা পোকা ধরেছে, আগে কখনও এমনটা দেখা যায়নি। এই পোকার কারণে ধান গাছে ফলন্ত শীষগুলোর দানা নষ্ট হয়ে সাদা হয়ে পড়েছে। দ্রæত এ রোগ এক গাছ থেকে আরেক গাছে ছড়িয়ে পড়ছে। অন্যান্য কৃষকের সাথে কথা হলে তারাও জানান রোপনের পর থেকে পঁচানী, কারেন্ট পোকা ও এখন মাজরা পোকার আক্রমনে ফসল ধ্বংসের মুখে। ফলন নিয়ে চরম আতঙ্কে আছি।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে সৈয়দপুর উপজেলা কৃষি অফিসার শাহানা বেগম জানান, বিষয়টি আমরা জেনেছি। ইউনিয়ন ভিত্তিক দায়িত্বপ্রাপ্ত কৃষি উপ-সহকারী কর্মকর্তার (বিএস) কে মনিটরিং এর জন্য নির্দেশ দেয়া হয়েছে। সেই সাথে আমরাও মাঠ পর্যায়ে যাচ্ছি।

কৃষকদের পরামর্শ বিষয়ে বলেন, আমরা তাদের পার্চিং পদ্ধতি (ক্ষেতের মধ্যে গাছ বা বাঁশের ডাল পুতে দিতে বলেছি) ওই ডালে পাখি বসে পোকাগুলোকে খেয়ে ফেলবে। পাশাপাশি জমিতে কিটনাশক স্প্রে করারও পরামর্শ দিচ্ছি। আমন মৌসুমে সৈয়দপুর উপজেলায় ৮ হাজার ২শত ১৯ হেক্টর জমিতে আমন চাষ করা হচ্ছে আর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ হাজার ১ শত ৫২ মেট্রিক টন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৭, ২০২১ ২:৪৮ অপরাহ্ন
সুগন্ধি ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট হবে দিনাজপুরে
কৃষি গবেষনা

ধানের জেলা দিনাজপুরে খুব শিগগিরই সুগন্ধি ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করা হবে। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত স্বল্প জীবনকালীন উচ্চফলনশীল জাতের ব্রি ধান-৮৭ চাষ করে ব্যাপক ফলন পেয়েছেন কৃষকরা।

মঙ্গলবার (২৬ অক্টোবর) দুপুরে দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার ফতেজংপুর গ্রামে ধানের ব্রি-৭৮ জাতের মাঠ দিবস ও ফসল কর্তন উৎসবের আয়োজনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) মহাপরিচালক ড. মো. শাহাজান কবীর।

তিনি বলেন, কম সময়ে উৎপাদিত ধান ঘরে তুলতে পারায় তারা আগাম ধান কেটে অন্যান্য রবি শস্য যেমন রসুন, গম, সরিষা, আলু উৎপাদনের সুযোগ পাচ্ছেন। এতে কৃষকরা লাভবান হচ্ছে। এ ধানে চিটা এবং পোকামাকড়ের আক্রমণও কম। ফলে উৎপাদন বেশি হয়।

বর্তমানে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ উল্লেখ করে মহাপরিচালক আরও বলেন, বাংলাদেশ এখন কারো মুখাপেক্ষী নয়, প্রয়োজনে আমরা অন্যের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষমতা রাখি।

দিনাজপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপরিচালক কৃষিবিদ প্রদীপ কুমার গুহের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. শহীদুল ইমলাম ও প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. নাজমুল বারী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৭, ২০২১ ৯:১৩ পূর্বাহ্ন
চার ধরনের নতুন ফসল চাষে থাকছে ঋণ
কৃষি বিভাগ

চলতি অর্থবছরের কৃষি ও পল্লিঋণ কর্মসূচির আওতায় দেশে চাষযোগ্য আরও চার ধরনের নতুন ফসলের বিপরীতে ঋণ দেওয়া যাবে। এগুলো হচ্ছে-সৌদি খেজুর, ভিয়েতনামি নারিকেল, সুইট কর্ন ও কফি চাষ। ফসল সংগ্রহের পর থেকেই ঋণের কিস্তি আদায় করতে হবে।

এর মধ্যে সৌদি খেজুর চাষে বাগান পরিচর্যার জন্য একর প্রতি সর্বোচ্চ ১০ লাখ ৫ হাজার ৪০০ টাকা, ভিয়েতনামি নারিকেল চাষে বাগান পরিচর্যার জন্য একর প্রতি সর্বোচ্চ ৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা ঋণ দেওয়া যাবে।সুইট কর্ন চাষে একর প্রতি সর্বোচ্চ ৬৬ হাজার টাকা এবং কফি চাষে বাগান পরিচর্যার জন্য একর প্রতি সর্বোচ্চ ৩ লাখ ৮৪ হাজার টাকা ঋণ দেওয়া যাবে।

তবে সুইট কর্নের ক্ষেত্রে প্রতি বছরের ১৪ মে থেকে ১৪ জুন সময়ে ফসল উত্তোলন করা হয়। এক্ষেত্রে ওই সময়ে ঋণের কিস্তি আদায় করতে হবে। এ বিষয়ে মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে একটি সার্কুলার জারি করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠানো হয়েছে। নতুন নির্দেশনা অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে এতে উল্লেখ করা হয়েছে।

সার্কুলারে বলা হয়, সুইট কর্নে প্রতি বছর ১৫ নভেম্বর থেকে ১৫ ডিসেম্বর এই এক মাস এবং বাকি তিন ধরনের ফসলে সারা বছরই ঋণ দেওয়া যাবে। সুদের হার ৮ শতাংশ। এসব ফসলের সম্ভাবনার কথা বিবেচনা করে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে প্রয়োজনীয় ঋণ দেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

২৯ জুলাই চলতি অর্থবছরের জন্য ২৮ হাজার ৩৯১ কোটি টাকার কৃষি ও পল্লি কর্মসূচি ঘোষণা করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ৮ শতাংশ সুদে এসব ঋণ কৃষি খাতে বিতরণ করতে হবে। ঘোষিত কর্মসূচিতে সৌদি খেজুর, ভিয়েতনামি নারিকেল, সুইট কর্ন ও কফি চাষে ঋণ দেওয়ার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা ছিল না। কিন্তু পরে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে কেন্দ্রীয় ব্যাংক জানতে পারে দেশে বর্তমানে সৌদি খেজুর, ভিয়েতনামি নারিকেল, সুইট কর্ন ও কফি চাষ করা হচ্ছে।

এগুলোতে ভালো ফলনও পাওয়া যাচ্ছে। এতে একদিকে যেমন কর্মসংস্থান হচ্ছে, অন্যদিকে দেশজ উৎপাদন বাড়ছে। এর মধ্যে সুইট কর্ন ও কফি রপ্তানি করাও সম্ভব। বিদেশ থেকে প্রতি বছর মোটা অঙ্কের সৌদি খেজুর ও ভিয়েতনামি নারিকেল আমদানি করতে হচ্ছে। দেশে এগুলো উৎপাদন করা সম্ভব হলে আমদানি বাবদ অনেক বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। এসব সম্ভাবনার কথা বিবেচনায় নিয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এসব খাতে ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করে দিয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৬, ২০২১ ৮:৫০ পূর্বাহ্ন
ঝালকাঠিতে বেডে বেডে ভাসছে সবজি
কৃষি বিভাগ

ঝালকাঠিতে দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে ভাসমান বেডে সবজি ও মসলার চাষ। উপকূলীয় হওয়ায় এই জেলার কৃষকদের চাষাবাদ নিয়ে সমস্যা লেগেই থাকত। সেই সমস্যা থেকে পরিত্রাণ দিয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। ভাসমান বেডে নানান সবজি, মসলা রোপণ করছেন প্রান্তিক কৃষকরা।

বেড পদ্ধতিতে চাষাবাদ করা কৃষকরা বলছেন, এক-একটি বেডে বছরে ৭ থেকে ৮ বার সবজি চাষ করা যায়। সেই সঙ্গে বেডের জলে মাছ চাষও করা যায়।

কৃষি অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ঝালকাঠি নিম্নাঞ্চল হওয়ায় বর্ষা মৌসুমে পানিতে ডুবে নষ্ট হয়ে যেত কৃষকের তৈরি বীজতলা। কৃষি বিভাগ নিজেদের উদ্যোগে কৃষকদের কলাগাছের ভেলা ও কচুরিপানা দিয়ে বেড তৈরি করে দিচ্ছে।

জেলায় বর্তমানে প্রায় ৭ হেক্টর জমিতে ভাসমান বেড রয়েছে। ভাসমান এসব বেডে চাষ করা হচ্ছে লালশাক, মুলাশাক, লাউ, ফুলকপি, বাঁধাকপি, ঢ্যাঁড়শ, ধনিয়াসহ বিভিন্ন প্রকার সবজি ও মসলা।

বেড পদ্ধতিতে চাষাবাদ করে লাভবান কৃষক সালেহ আহম্মেদ জানান, কৃষি অফিসের সহযোগিতায় গত দুই বছর ধরে ভাসমান বেডে সবজি চাষ করছেন তিনি। লালশাক, মুলাশাক, ঢ্যাঁড়শসহ বিভিন্ন ধরনের সবজি ও মসলা চাষ করেছেন।

বেড পদ্ধতির চাষে তেমন কোনো খরচ না থাকায় লাভবান হয়েছেন বলেও জানান সালেহ।

বেড তৈরির কৌশল কী তা জানতে চাইলে কৃষক মোকসেদ আলী জানান, প্রথমে পানির ওপরে কলাগাছ অথবা বাঁশ বিছিয়ে বেড বা মাচা তৈরি করতে হয়। তার ওপর কচুরিপানা তুলে বেড প্রস্তুত করা হয়। আর কচুরিপানা পচিয়ে তার ওপরেই বিভিন্ন সবজি চাষ করা হয়।বর্ষা বা বন্যার পানি যতই হোক বেডের ওপরে রোপণ করা চারার কোনো ক্ষতি হয় না। বেড পদ্ধতির আরেকটি গুণ হচ্ছে এতে কোনো ধরনের সার-কীটনাশকও দিতে হয় না।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক ফজলুল হক নিউজবাংলাকে জানান, ঝালকাঠি জেলায় চাষাবাদের জমি অন্য জমির তুলনায় বেশ নিচু হওয়ায় বর্ষার পানিতে ডুবে যায়। তাই বেড পদ্ধতির চাষাবাদে আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা।এই পদ্ধতিতে চাষাবাদ লাভজনক হওয়ায় কৃষকদের মাঝে আগ্রহ বাড়ছে। বর্তমানে অনেকেই বেড পদ্ধতিতে চাষ করতে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।’

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop